‘মেঘের মুলুকে চল’
আয়রা তাবাস্সুম
পর্ব ২৫
___________________________
সেদিন বিকেলেই রেজওয়ান চৌধুরী এবং তার স্ত্রী রাদের কাছ থেকে এড্রেস নিয়ে অথৈ র বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন। অবশ্য রাদ তাদেরকে পইপই করে বহু কিছু শিখিয়ে দিয়েছে যেটা তাদের সেখানে গিয়ে বলতে হবে। রেজওয়ান চৌধুরী বার বার তাকে আশ্বস্ত করছিলেন যে তারা সবটা সামলে নেবেন। তারপরও রাদের চিন্তা যেন দূর হচ্ছিল না। রেজওয়ান চৌধুরী ছেলের এরকম অবস্থা দেখে মনে মনে হাসলেন। ছেলে ছোটবেলায় বোর্ড পরীক্ষার সময়ও কখনো এতটা নার্ভাস হয়নি। এমনকি গোটা একটা কোম্পানির এইচআর হিসেবে যখন তাকে দায়িত্ব হ্যান্ডওভার করা হচ্ছিল তখনও সে নির্বিকার একেবারে, নার্ভাসনেসের ন ও দেখায়নি। অথচ আজ একটা মেয়ের জন্য প্রোপোজাল নিয়ে যাবে সেজন্য ছেলে এতটা নার্ভাস হয়ে আছে! তিনি বুঝলেন তার ছেলে মেয়েটার প্রেমে একেবারে কুপোকাত!
নাওয়ার চৌধুরীও ব্যাপারটা খেয়াল করলেন। ছেলের এমন দিশেহারা অবস্থা দেখে তিনি বেশ অবাক হলেন। উৎসুকও ছিলেন মেয়েটাকে চোখের দেখা দেখতে। বলে বসলেন, ‘যেভাবে মেয়েটাকে এখন থেকেই চোখে হারাচ্ছিস বউ আনলে তোর যে কি অবস্থা হবে! বাপরে বাপ! এমন বউপাগলা ছেলেকে আমি পেটে ধরেছি সেটা তো আমার জানা ছিল না! মেয়েটাকে আমার দেখতেই হবে নিশ্চয়ই বিশেষ কিছু আছে তার মাঝে নাহলে আমার অমন ছেলের এমন হাল!’
রাদ মায়ের এসব মশকরায় গা করলো না বিশেষ। তার ভাবনা তখন অন্য জায়গায়। যেরকমটা সে শিখিয়ে দিয়েছে সেভাবে বাবা মা বিষয়টা সামলাতে না পারলে অথৈ মেয়েটা তাকে নিয়ে খারাপ কিছু ভেবে ফেলবে!
রাদ তার বাপ মাকে শিখিয়ে দিয়েছে যাতে তারা এমন বলে যে রেজওয়ান চৌধুরী অথৈকে প্রথম দেখায় ই নিজের ছেলের বউ করে নিয়ে যেতে মনস্থির করেছিলেন কারণ মেয়েটাকে তার সৎ এবং সরল মনে হয়েছিল। রাদ যে অথৈ কে পছন্দ করে এই বিষয়টা চেপে যেতে বললো এই ভাবনায় যে মেয়েটা অস্বস্তি তে ভুগলে! তার মাথায় বারবার আসছিল মেয়েটা যদি একবার জানতে পারে রাদ বিগত এক বছর ধরে মেয়েটাকে পছন্দ করে তাহলে হয়তো মেয়েটা এতদিন যতটা নিশ্চিন্তে নির্ভর হয়ে তার কেবিনে আসে যাওয়া করত সেটা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বে ভুগবে।
রাদের ধারণা অথৈ যদি বিয়ের আগেই কথাটা জানতে পারে তাহলে হয়তো ভেবে বসবে যতবার সে এটাওটা কাজে রাদের কেবিনে গেছে রাদ তাকে চোখ দিয়ে গেলে খেয়েছে৷ আর এখন বাজে কোনো উদ্দেশ্য থেকেই তাকে বিয়ে টা করতে চাচ্ছে। হাসান শু ‘’য়োরের বাচ্চার ঘটনার পর থেকে মেয়েটার মাথায় এমন ভাবনা আসা একেবারে অসম্ভব নয়। তখন হয়তো বাপ মা র চাপে পড়ে রাদ কে বিয়ে টা করলেও আজীবন ভুল বুঝবে তাকে।
এসমস্ত অতিরিক্ত ভাবনার দরুণ ছেলেটার মন হলো না কোনো রিস্ক নিতে৷ তাই বাপ মা কে বারবার শিখিয়ে দিলো বিষয়টা চেপে যাওয়ার কথা।
অথৈ র যৌথ পরিবার। তার বাবা এবং বড়চাচা একত্রে থাকেন। পরিবারের সকল সিদ্ধান্ত এই দুজনেই নেন। অথৈর বড় চাচা কলেজের লেকচারার ছিলেন। বর্তমানে অবসরে আছেন। বেশ শিক্ষিত গম্ভীর একজন মানুষ। আর অথৈ র বাবা একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তারা দুজনেই বেশ অবাক হলেন এভাবে অসময়ে অথৈ র অফিসের বসের বাবা মাকে নিজেদের বাড়িতে দেখে। অথৈ নিজেও হতবাক তাদের পরিচয় জেনে। রেজওয়ান চৌধুরী অবশ্য বুদ্ধিমত্তার সাথে সবটা সামলে নিলেন।
তিনি ছেলে যেভাবে শিখিয়ে দিয়েছিলেন হুবহু সেভাবেই সবগুলো কথা বললেন।
জানালেন শুরু থেকে অথৈ কে বেশ মনে ধরেছিল তার নিজের ছেলের জন্য। ছেলের মুখে কথাপ্রসঙ্গে হঠাৎ শুনলেন মেয়েটার বিয়ে ঠিক হয়েছে তাই তো তিনি এভাবে ছুটে আসলেন। খুব রিকোয়েস্ট করলেন যাতে ব্যাপারটা আরেকবার বিবেচনা করা হয়। তিনি মেয়েটাকে ছেলের বউ করে নিয়ে যেতে আসেননি বরং নিজের মেয়ে হিসেবে রাখবেন এরকম কথাবার্তা ও বললেন৷ এসব শুনে অথৈ র বাবা এবং চাচা দুজনেই বেশ দোটানায় পড়লেন। এছাড়া অথৈকে দেখার পর রাদের মায়ের আচরণ ব্যবহারও তাদের বেশ ভাবাচ্ছিল। দেখে তাদের মনে হলো তাদের মেয়ে ওই বাড়িতে বউ হয়ে গেলে ভালো শশুর এবং শাশুড়ি উভয় পাবে।
তাদের মনে এমন ভাবনা আসলো কারণ যে পাত্রের সাথে ইতিমধ্যে অথৈ র বিয়ের কথা ঠিক করা হয়েছিল সে অথৈ কে বেশ পছন্দ করলেও তার বাপ মা র আচার আচরণে তারা তেমন আন্তরিকতা খুজেঁ পান নি৷ মনে হয়েছিল স্রেফ ছেলের পছন্দের জোরে বাপ মা কোনোরকম বিয়েটায় সায় দিয়েছেন, অথৈ কে বিশেষ পছন্দ হয়নি তাদের। কিন্তু অথৈ র বাপ চাচা তবুও বিয়ের কথা আগালেন কারণ এর চাইতে ভাল যোগ্য পাত্র তারা মেয়ের জন্য পাচ্ছিলেন না, মেয়েরও বয়স হচ্ছে। তবে রাদের বাবা এবং মা র ব্যবহার দেখে তারা বুঝলেন মেয়ে এই বাড়িতে গেলেই সুখে থাকবে। হয়তো বিয়েটা এভাবে ভেঙে দিলে সাময়িক সময়ের অসম্মান সহ্য করতে হবে তাদের। কিন্তু মেয়ের সুখের জন্য এতটুকু অপমানও সহ্য করা ই যায়!
অথৈকে তখন তার মা আর চাচি মিলে একটা ভালো শাড়ি পরিয়ে রাদের বাবা-মায়ের সামনে নিয়ে এলেন। মেয়েটা তখনও পুরো ব্যাপারটা স্বাভাবিকভাবে নিতে পারে নি। রেডি হওয়ার সময় মায়ের কাছ থেকে সবকিছু শুনে বাকরুদ্ধ ছিল সে৷ তার ভাবনায় ও ছিল না রাদ স্যারের বাবা তাকে এতটাই পছন্দ করেন যে নিজের ছেলের জন্য তাকে বউ করে নিয়ে যেতে চাচ্ছিলেন! মেয়েটা বিস্ময়ের আতিশয্যে দিশেহারা হয়ে গেল। প্রায় দুদিন আগেও সে ভেবেছিল রাদ তেহযীব চৌধুরীর বউ যে হবে সে ভীষণ ভাগ্যবতী একজন অথচ নিয়তির পরিহাসে সে কখনো জানত এই সৌভাগ্য তার কপালে এসে জুটবে।
তখনো দুনিয়ার চিন্তা মাথায় ঘুরছিল তার। কিভাবে কি থেকে কি হয়ে গেল! আজ সকালেই তো সে অ্যাপ্লিকেশন টা জমা দিয়েছিল আর বিকালের মধ্যেই এভাবে তার ভাগ্য ঘুরে গেল! যে মানুষটার লাইফ পার্টনার কে নিয়ে অথৈ র দুনিয়ার আগ্রহ ছিল অথচ মেয়েটা কি দুঃস্বপ্নেও ভেবেছে লাইফ পার্টনার সে হবে! প্রথমবার নিজের ভাগ্যের উপর অথৈ র নিজের হিংসে হল। এমন ভাগ্য তার! এরকম চমৎকার মানুষটা তার বর হবে! অথৈ ভেবে কূল পেলো না জীবনে এমন কি সে করেছে যে এই মানুষটা তার বর হচ্ছে!
নাওয়ার চৌধুরীর অথৈ কে বেশ মনে ধরলো৷ মেয়েটা যখন তার সাথে টুকটাক হেসে হেসে কথা বলছিল তখনই তিনি ভেবে ফেললেন মেয়েটার সাথে তার পুত্রের দারুন বনিবনা ত হবেই পাশাপাশি তার সাথেও! তারা বউ শাশুড়ী দারুণ একটা জুটি হবেন! মেয়েটার কথাবার্তা শুনে তার মনে হল অহেতুক জটিলতা প্যাঁচ নাই তার মনে। যেরকম আর পাঁচ দশটা বউ শাশুড়ির সম্পর্ক হয়ে থাকে তেমন সম্পর্ক হয়তো হবে না তাদের৷ নাজিয়ার বিয়ের পর থেকে তিনি ভিতরে ভিতরে মেয়ের অভাববোধ করছিলেন ভীষণ ।আজ তার মনে হলো তার ছেলের বউ কেই তিনি মেয়ে বানিয়ে রাখবেন। এত মিষ্টি মেয়েটা! তারা দুজনে মিলে গল্প করছিলেন বেশ। অথৈ মিশুক স্বভাবের হওয়ায় সহজে কথাবার্তা হলো তাদের মধ্যে।
অথৈ র মা চাচিরা ভেবে কূল পাচ্ছিল না এত বড় বিজনেসম্যানের বউ এত বড় কোম্পানি যাদের সেই পরিবারের মহিলার এতটা বন্ধুত্বসুলভ হাসিখুশি আচরণ, একেবারে নিরহংকার কথাবার্তা। তারা ভেবে নিলেন তাদের মেয়ে অথৈ ভীষণ ভাগ্যবতী! না হলে এমন সোনার সংসার সবার কপালে ধরে! যেমন শশুর শাশুড়ি তেমন বর!
রেজওয়ান চৌধুরী এবার মোক্ষম চালটা চাললেন। ছেলেকে চমকে দিতেই যেন তিনি নিজের ফোন থেকে রাদকে কল দিয়ে অথৈ র কানে আচমকা ফোনটা ধরিয়ে দিলেন। আদেশ দিলেন দুজনে একত্রে কিছুক্ষণ কথা বলতে। রাদ তখন ওপাশ থেকে দিশেহারা পাগলপারা প্রায়। অথৈ র বাবা-মা প্রস্তাবটায় রাজি হয়েছে কিনা এসব জানার জন্য মুখিয়ে আছে। ছেলেটা কল রিসিভ করে প্রশ্ন করবে তখনই তার কানে ভেসে এলো পরিচিত সুমিষ্ট মিহি কণ্ঠস্বরটা! কণ্ঠস্বরটা রাদের পরিচিত, ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই! দিবা রাত্রি জাগরনে ধ্যানে এই কণ্ঠস্বর ই ত তাকে তাড়া করে বেড়ায়!
রাদ শুনল মেয়েটা ওপাশ থেকে মিহি বলছে, ‘স্যার আমি অথৈ!’
রাত ভেবে পেলো না মেয়েটা কেন ফোন করছে? এভাবে বিয়ের প্রস্তাব দেয়ায় কথা শুনাবে নাকি! রাদ নিজেই কিছু বলবে তার আগেই মেয়েটা দ্বিতীয় কথাটা বলে বসলো। রাদ বুঝল মেয়েটা রাজ্যের সংকোচ জড়তা ঝেড়ে কথাটা বলেছে! ওয়াজিফা মেহনাজ অথৈ কে তার থেকে ভালো কে চিনবে! রাদ মেয়েটার নাড়িনক্ষত্র পড়তে পারে।
শুনল মেয়েটা থেমে থেমে বলছে, ‘স্যার! আপনার বাবা মা এসে বলছেন আমার সাথে আপনার বিয়ে হবে। আপনি কি আমাকে একটুও পছন্দ করেন? কারণ পছন্দ অপছন্দ ছাড়া এভাবে বিয়েটা কিভাবে হয়ে যাবে স্যার?’
মেয়েটা তখনো বিশ্বাস করতে পারছিল না তার মত সাধারন সামান্য একটা মেয়ের রাদের মতন কারো জীবনে কিভাবে ঠাঁই হবে! স্রেফ ভাগ্য তাকে টেনে এনেছে বিধায় রাদের জীবনে এসেছে যে? বেহায়া মনটা তবুও জানতে উশখুশ করছিল রাদ কি তাকে বিন্দুমাত্রও পছন্দ করে না!
রাদ মনে মনে ভাবনাটা গুছিয়ে নিল। মেয়েটার কথাবার্তায় ধরে ফেলল বিয়েটা হচ্ছে তাহলে। বাবা মা ব্যাপারটা সামলে নিতে পেরেছে। বহুল আকাঙ্খিত মেয়েটাকে পাবার খুশিতে ছেলেটা যেন নিজের স্বভাবসুলভ খোলশ থেকে বেরিয়ে এলো। তার ইচ্ছে হলো মেয়েটার সাথে খানিকটা দুষ্টুমি করার। তাই মেয়েটার সকালে বলা কথাগুলোর জের ধরে একেবারে হুবহু তার কথাগুলোর মত করে জবাবটা দিল।
‘পারিবারিকভাবে ঠিক করা বিয়েতে পছন্দ অপছন্দের এত অপশন থাকে না মিস অথৈ! আমার বাবা মা আমার পরিবার যেহেতু পাত্রী হিসেবে আপনার পক্ষে সায় দিয়েছে তাহলে আমারও কোনো আপত্তি নেই।’
এবার হতবিহবল হবার পালা ছিল অথৈর। মেয়েটা ভেবে পেল না ব্যাটার কিভাবে মনে আছে তার বলা কথাগুলো! এতটা মনোযোগ দিয়ে শুনেছিল!
মেয়েটার বড় রাগও হলো৷ তার এমন জীবনমরণ মুহূর্তে কিনা মজা করা হচ্ছে! জীবনমরণ দশা ই তো!, তাদের দুজনেরই আজীবনের সিদ্ধান্ত! এমন ছেলেখেলা করে উত্তর দিলে হবে!
অথৈ রাদ কে তার ব্যক্তিত্বের জন্য একটুআধটু পছন্দ আগে থেকেই করতো৷ এমন চমৎকার মানুষকে কে পছন্দ করবে না! কিন্তু রাদও যে তাকে পছন্দ করতে পারে সেই ভাবনা মেয়েটার মাথায় কিছুতেই এলো না। বরং মেয়েটা কুন্ঠিত বোধ করল। হুট করে মাথায় আসলো অন্য ভাবনাও৷
হাসান শু’’ য়োরের বাচ্চার ঘটনা টার পর থেকে অথৈ রাদকে কিছু বলতে বিশেষ সংকোচ করে না, কেনো জানি তার ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছে লোকটা। তাই মেয়েটা অনায়াসে বলে ফেলল তার মনে হঠাৎ আশা কথাটা। এরকম হঠাৎ বিয়ে সেটাও আবার অফিসের বসের সাথে! বাকি কলিগেরা যদি তার চরিত্র নিয়ে কথা তুলে, এটাওটা মন্তব্য করে! এমন ভাবনায় মেয়েটা প্রশ্নটা করে ফেলল রাদ কে।
‘স্যার এভাবে বিয়েটা হলে অফিসে সবাই কি ভাববে আমাকে!’
রাদ বুঝতে পারল মেয়েটার এমন দ্বিধা জড়তা। মেয়েটার মনের খবর পড়তে পারে সে মুখের কথায়। সে গলার স্বর একদম স্বাভাবিক রেখে একেবারে গম গমে গলায় একবাক্যে জবাবটা দিলো,
‘বসের বউ ভাববে!’
এমন ত্যাড়া জবাব দিয়ে ছেলেটা খট করে ফোনটা রেখে দিল। স্বাভাবিকভাবে কথা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছিল না তার খুশির তোড়ে! নিজের এমন পরিবর্তনে ছেলেটা নিজেও অবাক হলো অবশ্য! পছন্দের মানুষকে নিজের জীবনে পেলে সবার ই কি এমন খুশিতে গদগদ অবস্থা হয়! নাকি স্রেফ তার! রাদ বুঝল তার মা একদম ঠিক ধরেছে। সে একেবারে মার্কামারা বউপাগলা হবে! বউ কে ভীষণ ভালোবাসবে!
হায়! অন্তর্মুখী স্বভাবের ছেলেটার এমন আনন্দ উচ্ছলতা যদি অথৈ নামের মেয়েটা একটা বার দেখতে পেতো তবে মেয়েটা কি কখনো বিশ্বাস করত যে রাদ তেহযীব চৌধুরী তাকে মোটেও পছন্দ করে না! রাদ তাকে পছন্দ করার মত বিশেষ কিছু ই নেই তার মাঝে!
[ পরশু আমার প্র্যাকটিকাল খাতা সাবমিশন ডেইট। নাহলে কালকে আরো এক পর্ব লিখে পোস্ট করার মনোবাসনা ছিল। পারছি না যেহেতু দুঃখিত। গল্পের পরবর্তী পর্ব আমার ফাইনাল পরীক্ষার ফাঁকে ফাঁকে কিংবা একেবারে পরীক্ষা শেষে পাবেন।
আর নন ফলোয়ার মানুষজনেরা! এতদিন ত গল্পটা পড়লেন তবুও পেইজে একটা ফলো দেয়ার ইচ্ছে হয় না আপনাদের? এসমস্ত কথা বলা খুউব অস্বস্তির আর লজ্জার আমার জন্য। অথচ আপনারা জেনেবুঝে এমন লজ্জায় ফেলেন আমাকে। পেইজের বাইরে এতজন মানুষ গল্পটা পড়েন! সেটার অর্ধেক মানুষও ফলো দিলে পেইজে দুহাজার ফলোয়ার হতো এতদিনে ! আমি আপনাদের সাইকোলজি টা ধরতে পারি না আসলে। পেইজ ফলো দিতে এত কীসের অনীহা আপনাদের! ]

