#চোরাবালির_পিছুটানে (১৮)
#জেরিন_আক্তার
রাশেদ চৌধুরী আর রুবেল চৌধুরীর সামনে এসে দাঁড়ায় পুলিশ অফিসার। আর বাকি দুজন পুলিশ পেছনে দাড়িয়ে রইলো। পুলিশ অফিসার রাশেদ চৌধুরী ও রুবেল চৌধুরীর হাতে হাত মিলিয়ে কুশল বিনিময় করলেন। রাশেদ চৌধুরী বলেন,
“পুলিশ অফিসার আপনি হঠাৎ আমার বাড়িতে কোনো সমস্যা হয়েছে?”
“হ্যা, সমস্যা হয়েছে।”
পুলিশ অফিসার পেছনে তাকিয়ে হাত বাড়িয়ে আরেকজন পুলিশের থেকে একটা কাগজ নিলেন। এরপরে রাশেদ চৌধুরীর দিকে তাকিয়ে বলেন,
“রাশেদ সাহেব ওয়ারেন্ট বেরিয়েছে। আপনার কোম্পানি সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।”
রাশেদ চৌধুরী কপালে ভাজ নিয়ে বলেন,
“কি বলছেন? মাথা ঠিক আছে আপনাদের? কোম্পানি বন্ধ কেনো? আর আমার কোম্পানির কোনো ভুল বা নিয়ম ভঙ্গ করেনি তো। সব ঠিক মতোই চলছিলো। এগুলো কি করে হচ্ছে আমার মাথা কাজ করছে না।”
রুবেল চৌধুরী রাশেদ চৌধুরীকে ধরে বসিয়ে পুলিশ অফিসারের দিকে তাকিয়ে বলেন,
“আপনার কোথায় কোনো ভুল হচ্ছে না তো! আর এই কোম্পানি কি কারণে বন্ধ করে দেওয়া হলো!”
পুলিশ অফিসার হাতে থাকা কাগজটা রুবেল চৌধুরীকে দিয়ে বলেন,
“এখানে স্পষ্ট কারণগুলো দেওয়া আছে! দেখে নিন। আর এখন কোম্পানি বন্ধ রাখাই আপাতত বেটার সলিশন। বিষয়টা বেশি জানাজানি করার থেকে আমি নিজে এসে জানিয়ে গেলাম।”
এই বলে পুলিশ অফিসার হনহন করে বেরিয়ে গেলো। রুবেল চৌধুরী হাতের কাগজটা পড়ে মুহূর্তে রেগে গিয়ে বলে উঠেন,
“এইটা কোনো কারণ হলো! অকারণে এভাবে কোম্পানি বন্ধ করে দেওয়ার কোনো মানে হয়না।”
রাশেদ চৌধুরী মাথায় হাত দিয়ে ফ্লোরের দিকে তাকিয়ে আছেন। প্রথমে অফিসের সব কাছের পার্টনাররা চলে গেলো। এরপরে কারণ ছাড়াই ডিলগুলো ক্যানসেল করলো। আবার এখন পুলিশ অফিসার নিজে এসে অফিস বন্ধ করার নোটিশ দিয়ে গেলো।
রাশেদ চৌধুরী মাথা তুলে রুবেল চৌধুরীর দিকে তাকিয়ে বলেন,
“কোনো কারণ ছাড়া এগুলো করার কি কোনো মানে আছে? আমার মনে হচ্ছে কেউ ইচ্ছে করে এমন করছে!”
রুবেল চৌধুরী ভাবুক গলায় বলেন,
“আমারও তাই মনে হচ্ছে। হুট্ করে এমন হওয়ার কোনো কথা নয়। আজ পর্যন্ত আমাদের কোম্পানির উপরে কেউ কোনো রিপোর্ট আনতে পারেনি। আর আজ কোনো কারণ ছাড়াই কোম্পানি বন্ধ, ব্যাপারটা সত্যি খুব জটিল হয়ে দাঁড়াচ্ছে।”
রাশেদ চৌধুরী উঠে দাঁড়ালেন। এরপরে রুবেল চৌধুরীকে বলেন,
“চল!”
“কোথায় যাবো?”
“থানায়!”
“এখন থানায় গিয়ে কি করবি? যা বলার উনারা তো বলেই গেলো।”
“তবুও, উনাদের সাথে কথা আছে! এভাবে নোটিশ দিয়ে গেলেই তো হলো না। আমাদের জানতে হবে।”
রুবেল চৌধুরী বলেন,
“তাহলে চল!”
রাশেদ চৌধুরী রুবেল চৌধুরীকে নিয়ে চলে গেলেন।সায়মা চৌধুরী আর রুমানা চৌধুরীও চিন্তায় পড়ে গেলেন এই নিয়ে। সব তো ভালোই যাচ্ছিলো এর মধ্যে আবার কি হয়ে গেলো।
_________________
রাদিফ ড্রইং রুমে বসে ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করছে। উপরে সাইমন, রাহা আর রাজ একসাথে বসে আছে। রাদিফ জানে না ওরা কথা বলছে। মনে করছে তিনজনে যে যার যার মতো রুমে ঘুমিয়ে পড়েছে।
ওরা সবাই সাইমনের রুমে বিছানায় গোল হয়ে বসে কথা বলছে। রাহা সাইমনকে বলে,
“ভাইয়া আপনি জারাকে বলেছেন ভাইয়া বিয়ে করেছে, দেশে বউও আছে। এটা যদি জারা ভাইয়াকে বলে দেয় বা ভাইয়া কোনোভাবে জানতে পারে তখন কি হবে?”
সাইমন ডোন্ট কেয়ার ভাব নিয়ে বলে,
“বলুক! রাদিফ আমাকে কিচ্ছু বলবে না। আর শোনো, মিষ্টি রাদিফের বউয়ের থেকে কম নাকি? আমি দেশে বউ বলতে মিষ্টিকেই বুঝিয়েছি। এটা শুনলে রাদিফ রাগ করবে না বরং খুশিই হবে।”
রাজ বলে,
“কিন্তু ভাইয়া মিথ্যে বলেছেন কেনো?”
“আরে বোঝো না যে, আমরা চাই যে মিষ্টি আর রাদিফের মিল হোক। এখানে জারা থার্ড পারসন হয়ে ঢুকতে চাইছে। এখন আমি যে কাজটা করে এসেছি তোমরাও কি তাই করতে না বলো!”
রাহা আর রাজ দুজন দুজনের দিকে তাকায় এরপরে দুজনেই বলে উঠে,
“হুম, আমরাও তাই করতাম।”
সাইমন রাহা আর রাজের দিকে তাকিয়ে বলে,
“তোমাদের তো কোনো গোছগাছই দেখছি না!”
রাহা বলে,
“কিসের গোছগাছ?”
“কিসের গোছগাছ মানে? বিয়েতে যাবে না? আর রাদিফকেউ তো দেখছি না। যেমন করে থাকে তেমনই রয়েছে। ও কি বিয়ে করবে না?”
রাজ বলে,
“আমারও একই প্রশ্ন। ও কি মিষ্টিকে বিয়ে করবে না। আজ রাত গেলে হাতে আছে আর দুইদিন। এই ছেলের কি কোনো চিন্তা নেই! দেশে যাওয়ারও কোনো তোড়জোড় দেখছি না। আবার বিয়ে যে করবে তাও তো কোনো কথা মুখ দিয়ে বের করছে না। আমরা যে যাবো তাও বলার সাহস পাচ্ছি না। যদি রাগ করে।”
সাইমন বলে,
“হুম। পারে শুধু রাগ করতে। ভাই, ও রাগ ছাড়া কি কোনো কথা জানে না!”
রাজ রাহার দিকে তাকিয়ে হেসে হেসে বলে,
“আপনি বোনের সামনে ভাইয়ের বদনাম করছেন!”
সাইমন বলে,
“বদনাম কি? যদি মিষ্টিকে বিয়ে না করে তাহলে রাদিফের খবর আছে। শালার জন্য মিথ্যে বলে আসলাম আরেক মেয়েকে।”
রাহা খিলখিলিয়ে হেসে উঠে।
রাদিফ সব কাজ-বাজ শেষ করে চলে এলো উপরে। নিজের রুমে ঢোকার আগে সাইমনের রুমের দিকে চোখ যায়। খোলা দরজা দিয়ে রাহা আর রাজকে দেখা যাচ্ছে। রাদিফ সাইমনের রুমের সামনে যায়। ওকে দেখে তিনজনেই চুপ হয়ে যায়। সাইমন তালে তালে বলে উঠে,
“ওহ, রাদু তু্ই এসেছিস আয়, আয়! তোর কথাই হচ্ছিলো!”
রাজ সাইমনের দিকে এগিয়ে ফিসফিসিয়ে বলে,
“কি বলে ফেললেন!”
“ইশ, তালে তালে বলে ফেলেছি!”
“এবার সামলান!”
রাদিফ এগিয়ে গিয়ে দাঁড়ায়। সাইমনের দিকে তাকিয়ে বলে উঠে,
“আমার কথা কি হচ্ছিলো?”
সাইমন হেসে হেসে বলে,
“মানে আমরা তিনজনে মিলে কথা বলছিলাম আর তু্ই নিচে বসে কাজ করছিলি সেটাই বলছিলাম। তু্ইও যদি আমাদের আড্ডায় থাকতি ভালো হতো। কিন্তু কাজের জন্য থাকতে পারিসনা।”
রাদিফ গম্ভীর কণ্ঠে বলে,
“শুধু এই নিয়েই!”
সাইমন বলে,
“হুম।”
রাদিফ তপ্ত শ্বাস ছেড়ে তিনজনকে আরেকবার দেখে রুম থেকে বেরিয়ে গেলো। সাইমন বিছানায় থেকে নামতে নামতে বলে,
“ও চলে গেলো কেনো? রেগে গেলো না কেনো? আমি একটু ওকে খুঁচিয়ে আসি!”
রাজ রসিকতা করে বলে,
“সাবধানে খোঁচাবেন!”
সাইমন হাসতে হাসতে চলে যায় রুম থেকে। রাহা বিছানায় থেকে নেমে দাঁড়ায়। এরপরে রাজের দিকে তাকিয়ে বলে,
“চলে এসো! আমার ঘুম পাচ্ছে!”
“হুম, চলো!”
রাজও নেমে দাঁড়ায়। রাহা রুম থেকে বেরোনোর জন্য পা বাড়াতেই রাজ রাহাকে পেছনে থেকে ধরে পাঁজা কোলে তুলে নেয়। রাহা ছটফট করতে করতে বলে,
“কি করছো, নামাও! ওরা কেউ দেখে ফেললে!”
রাজ রুম থেকে বেরিয়ে যেতে যেতে বলে,
“দেখুক! আমার এতে কিচ্ছু যায় আসে না।”
“তবুও নামাও!”
“না। চুপচাপ থাকো!”
রাজ রাহাকে নিয়ে রুমে চলে আসে। বিছানায় বসায় রাহাকে। এরপরে রাহার কোলে মাথা রেখে শুয়ে বলে,
“আচ্ছা রাহা, তোমার মনে আছে আগে লুকিয়ে তোমাকে পাঁজা কোলে নিয়ে আমার রুমে নিয়ে যেতাম!”
রাহা মুচকি হেসে বলে,
“হুম মনে আছে।”
রাজ জড়ানো গলায় বলে,
“যেই বাড়িতে থেকে আমার কথায় চলে এসেছো। সেই বাড়িতে আমি তোমাকে পাঁজা কোলে নিয়েই ঢুকবো।”
“বেশ, তাই হবে। আচ্ছা তোমার কি মনে হচ্ছে ভাইয়া কি দেশে ফিরে মিষ্টিকে বিয়ে করবে?”
“মনে তো অনেক কিছুই হচ্ছে কিন্তু ঠিক কি হবে বুঝতে পারছি না।”
এদিকে সাইমন রাদিফের ঘরে ঢুকে বিছানায় চিত হয়ে শুয়ে আছে। রাদিফ ওয়াশরুম থেকে বের হয়। সাইমনকে দেখে বলে,
“তু্ই! কখন এলি?”
“তু্ই যখন ওয়াশরুমে ঢুকলি তখনই।”
“ডাকতে পারতি।”
এই বলে রাদিফ টাওয়ালটা রেখে বিছানায় বসলো। সাইমন বসে বলে উঠে,
“এই ভাই তু্ই কি করতে চাইছিস রে?”
রাদিফ কপাল কুঁচকে উঠে বলে,
“কি করতে চাইছি মানে?”
“ভাই মিষ্টির বিয়ের আর দুইদিন আছে। তু্ই তো দেশেও যাওয়ার নাম নিচ্ছিস না বা মিষ্টিকে বিয়ে করবি কিনা তাও বলছিস না। কি করবি না করবি কিছু তো বল!”
রাদিফ কর্কশ গলায় বলে,
“তু্ই এগুলো জেনে কি করবি?”
“মনকে একটু শান্তনা দিতাম। যতই হোক মিষ্টির জন্য কষ্ট হচ্ছে। ভাই তু্ই দেশে ফিরে যা না! মিষ্টিকে বিয়ে করে তারপর আবার আসিস।”
“তু্ই পাগল হয়ে গিয়েছিস! আমি যদি এখন মিষ্টিকে বিয়ে করতে দেশে যাই তাহলে আমার জব থাকবে?”
সাইমন ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে থেকে বলে,
“এই জব চলে গেলে অন্য একটা খুঁজে নিবি। তোর কি যোগ্যতার অভাব নাকি? ভাই তু্ই দেশে চলে যা। দরকার হলে তোকে নতুন জব আমি খুঁজে দিবো।”
রাদিফ ফোঁস করে শ্বাস ছেড়ে বলে,
“দেখ, সারাদিন পরে মেজাজটা খারাপ করে দিসনা। যা তোর রুমে যা।”
“ভাই রেগে যাস কেনো? টিকিটের টাকা নেই নাকি বল আমাকে? আমি তোকে টিকিট কেটে দেই!”
“আমার থেকে মনে হয় তোর চিন্তায় বেশি?”
“হুম। খুব বেশি। ভাই তু্ই ওকে বিয়ে না করলে তোর খবর আছে!”
“হুমকি দিচ্ছিস!”
“হুম। দিচ্ছি।”
দুইদিন এভাবেই কেটে যায়। কালকে মিষ্টির বিয়ে। রাতটুকু শুধু সময় আছে। রাদিফ এই দুইদিনে মিষ্টিকে আর কল দেয়নি। মিষ্টি লজ্জায়, সংকোচে তার ছোট আব্বুর কাছে ফোন চাইনি বা বলতে পারেনি সে রাদিফের সাথে কথা বলতে চায়। রুবেল চৌধুরী বুঝেছেন মিষ্টিকে। রাদিফ ফোন দিয়ে মিষ্টিকে চায়নি। তিনি নিজে থেকে বলেছেন কিন্তু রাদিফই মিষ্টির সাথে কথা বলার কোনো আগ্রহ দেখায়নি।
সন্ধ্যায় রাদিফ বাড়িতে ফিরে নিজের রুমে দরজার লাগিয়ে দেয়। রাহা আর রাজ কয়েকবার এসে রাদিফের রুমে থেকে ফিরে গিয়েছে। দরজা খুলেনি। এক ঘন্টা পরে রাদিফ রুমের দরজা খুলে দিয়ে নিজের বিছানায় গিয়ে বসে। রাহা কোনোপ্রকার নক না করে সাথে সাথে রুমে ঢুকে বলে,
“ভাইয়া তোমার সাথে আমার কথা আছে!”
রাদিফ রাহার দিকে তাকাতে তাকাতে বিছানায় হেলান দিয়ে বসে বলে,
“কি বলবি বল!”
রাহা ভাইয়ের সামনে বসে বলে,
“ভাইয়া, আমি আর না বলে থাকতে পারলাম না। কালকে মিষ্টির বিয়ে তুমি কি যাবে না?”
রাদিফ ফোনে কিছু একটা দেখতে দেখতে উত্তর দেয়,
“যাওয়াটা কি খুব দরকার!”
“তুমি না ওকে ভালোবাসো, ওর বিয়ে হয়ে যাচ্ছে তুমি বলছো যাওয়াটা কি খুব দরকার!”
“হুম, বলছি!”
“কিন্তু কেনো ভাইয়া! তুমি কি চাইছো বলো তো!”
রাদিফ গভীর গলায় বলে,
“আমি যা চাইছি তা আমি সময়মতো ঠিকই করে ফেলবো।”
রাহা দৃঢ় কণ্ঠে বলে উঠে,
“ভাইয়া কালকে বিয়ে এর মধ্যে বলতে আগেই কিছু করো নাহলে পরে আফসোস ছাড়া কিছুই করার থাকবে না আমাদের।”
রাদিফ ফোন দেখতে দেখতেই বলে,
“আফসোস পর্যন্ত যাবে না। তু্ই যা নিজের রুমে যা। আর সাইমন কোথায় রে?”
“নিজের রুমে!”
“হুম। যাওয়ার আগে ওকে একটু আমার রুমে পাঠিয়ে আসতে বলিস!”
“ঠিক আছে।”
রাহা মিন মিন করে কথা বলতে বলতে চলে যায়। রাদিফ চট করে উঠে দাঁড়ায়। সিফাতকে কল দেয়। সিফাত কল রিসিভ করতেই রাদিফ দাঁত চেপে বলে,
“এই শালা কখন থেকে মেসেজ দিচ্ছি, কোথায় তু্ই?”
“এই আসছি!”
রাদিফ হাতের স্মার্ট ওয়াচের দিকে তাকিয়ে তপ্ত স্বাদ ছেড়ে বলে,
“পাঁচ মিনিটের মধ্যে যদি না আসিস তোর খবর আছে। শালা লাইফ রিস্কে আছি!”
“আসছি ভাই, তু্ই বের হ!”
সাইমন রুমে আসে। রাদিফ কল কেটে দিয়ে বলে,
“তোর আবার আসতে দেরি হলো কেনো?”
“আমি খবর পাওয়া মাত্রই ছুটে এসেছি।
রাদিফ দরজার দিকে তাকিয়ে সাইমনকে বলে,
“শোন, তোর এখন কাজ একটাই।”
চলবে….
আজও দেরি হলো গল্প দিতে। দুঃখিত আমি। নেক্সট পার্টে স্পেশাল কিছু আসতে চলেছে। কালকে সন্ধ্যায়ই আসবে।
ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। কেউ বাজে মন্তব্য করবেন না। আর এই পার্টটা ভালো লাগলে রেসপন্স করবেন!!!!!!
[হেশট্যাগ ব্যবহার ছাড়া কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ]

