চোরাবালির_পিছুটানে (২৭) #জেরিন_আক্তার

0
2

#চোরাবালির_পিছুটানে (২৭)
#জেরিন_আক্তার

জারা তুহিনের হাত ধরে হেয়ালি কণ্ঠে বলে উঠে,

“ভাইয়া, নাম ছাড়ো! কালকে তোমাকে সামনাসামনি দেখাবো ওকে। এড্রেস জানি!”

“বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশি ছেলের এড্রেস পেলি কি করে?”

“ওই ছেলেটার মানিব্যাগ থেকে ওর বাংলাদেশি এনআইডি কার্ড দেখেছিলাম। আর আরেকটা কাগজে ওর বাড়ির এড্রেস দেখেছিলাম। এরপরে সেটা দেখে রেখে দিয়েছি ওর মানিব্যাগে। ওই এড্রেস সেইটা মনে আছে আমার। এখন চলো। কালকে সকালেই সেখানেই যাবো!”

তুহিনও এতে মাথা নাড়িয়ে বলে,

“ঠিক আছে, দেখবো তোর প্রেমিক পুরুষ কেমন!”

“হুম। এখন চলো!”

________________

রাজ বাহিরে থেকে মাত্রই বাড়িতে এসেছে। রাতের খাবার খেয়ে বেরিয়েছিলো বন্ধুদের সাথে দেখা করতে। নিজের রুমে ঢুকে দেখে রাহা শুয়ে শুয়ে টিভি দেখছে। রাজ রুমের দরজা লাগিয়ে দিয়ে ওয়াশরুমে চলে যায়। মিনিট পাঁচেক পরে বেরিয়ে এসে রুমের লাইট নিভিয়ে ডিম লাইট জ্বালিয়ে রাহার পাশে এসে শুয়ে ফোনটা বের করে। হোয়াটস্যাপে ঢুকে দেখে সাইমনের মেসেজ—রাজ ফ্রি হলে একটু কল দিও! ইম্পরট্যান্ট কথা আছে!

রাজ সাথে সাথে কল দিয়ে রাহাকে বলে,

“এই টিভি অফ কর, ফোন দিয়েছি সাইমন ভাইয়াকে!”

রাহা টিভি অফ করে রাজকে ঘেঁষে শোয়। সাইমন কল ধরে,

“হ্যালো ভাইয়া কেমন আছেন?”

“ভালো। তুমি?”

“ভালো। ”

“রাহা কেমন আছে?”

“ভালো। কি করছেন?”

“অফিসে থেকে বাড়ি আসলাম মাত্র। তুমি কি করছো?”

“কিছুনা, শুয়ে আছি। ভাইয়া কি যেনো ইম্পরট্যান্ট কথা বলতে চেয়েছিলেন?”

“হুম। শোনো, দুই-তিন দিন আগের কথা এইটা। আমি বাড়িতে ছিলাম না। অফিসে গিয়েছিলাম। তখন ওই জারা আবার আসে বাড়িতে। তখন মেইড বলে দিয়েছে রাদিফ দেশে গিয়েছে। সেই শুনে জারা দেশে গিয়েছে।”

এই শুনে রাজ উঠে বসে বলে,

“কিহ! জারা দেশে এসেছে!”

“হুম।”

“রাদিফের জন্য?”

সাইমন বিরক্তি নিয়ে বলে,

“হুম। কি যে বলবো ওই বেহায়া মেয়েটাকে। রাদিফের পেছনই ছাড়ছে না।”

রাজ কপালে ভাজ ফেলে বলে,

“ভাইয়া এখন তো মনে হয় রাদিফকে জানানো উচিত!”

“হুম, জানাবো। মেসেজ দিয়ে রেখেছি। তার আগে তোমাকে জানালাম।”

“ওহ, আচ্ছা!”

________________

রাত প্রায় এগারোটা,,
রাদিফ মিষ্টিকে নিয়ে বাড়ি ফিরলো। সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে। ড্রইং রুমে বসে আছেন রুমানা চৌধুরী। তিনি টিভি দেখছেন। রাদিফ মিষ্টিকে নিয়ে মায়ের সামনে এসে বলে,

“মা, তুমি জেগে আছো এখনও ঘুমাওনি?”

রুমানা চৌধুরী বলেন,

“কত রাত হয়ে গিয়েছে, তোরা আসছিলি না বলে তোদের অপেক্ষায়ই বসে ছিলাম।”

“তাই বলে মা এতো রাত পর্যন্ত জেগে থাকবে। আর আমরা কি বাচ্চা নাকি যে এখনও চিন্তা করতে হবে!”

রুমানা চৌধুরী টিভি অফ করে রাদিফের কাছে এসে হেসে বলেন,

“মায়ের কাছে সন্তানরা আজীবন ছোট্ট বাচ্চাই থাকে। ওরা বড় হয়না।”

মিষ্টি রুমানা চৌধুরীকে ধরে বলে,

“হুম। তুমি এখন পাকা পাকা কথা বাদ দিয়ে ঘুমাতে যাও। যদি অসুস্থ হও তাহলে ছোট আব্বু তোমাকে ঘর থেকে বের করে দিবে।”

রুমানা চৌধুরী মিষ্টির কথা শুনে হাসতে হাসতে চলে গেলেন। রাদিফ মিষ্টির দিকে তাকিয়ে গম্ভীর কণ্ঠে বলে উঠে,

“তোর শাশুড়ি হয়!”

“হুম, তো কি হয়েছে। শোনো, আমরা দুজন শাশুড়ি-বউমা নই। বেস্টফ্রেন্ড হই দুজন।”

এই শুনে রাদিফ বাকা হেসে বলে,

“শাশুড়ি নাহয় বেস্টফ্রেন্ড হয় তাহলে আমি কি হই?”

“মাই বিলাভড হাসব্যান্ড!”

এই বলে মিষ্টি হেসে বলে উঠে,

“তুমি আমার ভালোবাসা, জামাই প্লাস আমার সবকিছু।”

রাদিফ মুচকি হেসে বলে,

“হুম, এবার চল! ঘুম পেয়েছে!”

“চলো!”

মিষ্টি রাদিফের সাথে রুমে চলে আসে। বাহিরে থেকে দুজনে খেয়ে এসেছে। এখন আর কিছু খাবে না। মিষ্টি হিজাব, বোরখা খুলে চলে গেলো ওয়াশরুমে। ফ্রেশ হয়ে এসে বিছানায় বসে। রাদিফ ফ্রেশ হতে যায়। সে ফ্রেশ হয়ে এসে বিছানায় হেলান দিয়ে বসে। মিষ্টি লাইট নিভিয়ে শুয়ে পড়ে। রাদিফ বসে কিছুক্ষন মোবাইল দেখে। এর মাঝে সাইমনের মেসেজ চোখে পড়ে—কিরে ভাই, কেমন আছিস? ফ্রি হলে নক দিস!

রাদিফ মেসেজটা দেখা মাত্রই নিজেও মেসেজ দেয়—-ভালো। তু্ই কেমন আছিস?

—-ভালো। কি করছিস?

—-বসে আছি। তু্ই কি করছিস?

—-খাবার খেয়ে এখন বসে আছি।

—-ওহ!

—-বউ পেয়ে তো ভুলেই গিয়েছিস। তোর কোনো খবরই পাওয়া যায় না। আর ভাবি কেমন আছে?

—-ভালো।

—-এই ভাই শোন না, তোকে একটা ইম্পরট্যান্ট কথা বলার আছে।

—-হুম, বল!

—-ফোন দিয়ে বলি?

—-ঠিক আছে।

—-এই শোন, ভাবি কি তোর সাথে?

—-হুম। কেনো?

—-ভাবির থেকে একটু দূরে গিয়ে ফোন দে!

—-ঠিক আছে।

রাদিফের কেমন একটা চিন্তা শুরু হলো। কি এমন কথা বলবে যার জন্য মিষ্টির থেকে দূরে যেতে হবে। বেশ ভাবাচ্ছে রাদিফকে।

রাদিফ উঠে যাওয়াতে মিষ্টি উঠে বসে থাকে। রাদিফ বেলকনির দরজা খুলে দিয়ে বেতের চেয়ারে বসে সাইমনকে কল দেয়।

“হ্যা, বল কি বলবি?”

সাইমন বলে,

“ভাই তোর জারাকে মনে আছে?”

“হুম। কিন্তু ওর কথা বলছিস কেনো?”

“তোকে যে দেখতে এসেছিলো না এরপরেও একবার দেখতে এসেছিলো। তু্ই সেদিন রাজকে নিয়ে ঘুরতে গিয়েছিলি। এরপরে জারা আমাকে আর রাহাকে বলে তোকে ফোন দিয়ে বাড়িতে আসতে। আমরা ফোন না দিয়ে ওকে বলেছিলাম যে তোর আসতে দেরি হবে।”

“তারপর!”

“তারপর সেদিন ও চলে গিয়েছিলো। সেদিন আমাদের ওর কথা শুনে মনে হয়েছিলো যে ও তোকে ভালোবাসে। আর তু্ই তো মিষ্টিকে ভালোবাসতি। তাই ওকে আমরা মিথ্যে বলেছিলাম। এরপরে একদিন তু্ই যে আমাকে মাঝরাস্তায় নামিয়ে দিয়ে শপিং করতে গেলি সেদিন ওর সাথে ওই জায়গায়ই দেখা হয়েছিলো।”

“সেদিন কি বলেছিলো?”

“সেদিন ও আমাকে বলেছিলো ও তোকে ভালোবাসে। সেদিন আমি ওকে বলেছিলাম রাদিফকে ভালোবেসেও লাভ হবে না কারণ ও ম্যারিড। দেশে বউ আছে। সেটা কিভাবে যেনো জানতে পেরেছে তু্ই বিয়ে করিসনি। এরপরে তিনদিন আগে বাড়িতে এসেছিলো। আমি অফিসে ছিলাম। এরপরে মেইডের কাছে তোর কথা জিজ্ঞাসা করে জানতে পারে তু্ই দেশে গিয়েছিস।”

রাদিফ ভাবুক গলায় বলে,

“ও এই ব্যাপার! আর ওই দিন শপিং থেকে ফেরার পথে তোকে যে তুলে নিলাম সেদিনই কি তোকে বলেছিলো?”

“হুম, সেদিনই। ভেবেছিলাম ওই মেয়েটা ওই খানে থেকেই চলে যাবে। কিন্তু না তু্ই যে দেশে গিয়েছিস সেটা জেনেই ছাড়লো।”

রাদিফ হেয়ালি কণ্ঠে বলে,

“ওহ, ছাড় সমস্যা নেই। জেনেছে তো কি হয়েছে?”

সাইমন বলে,

“নারে ভাই, ও জেনে অলরেডি দেশে চলে গিয়েছে।”

রাদিফ উঠে দাড়িয়ে একটু জোরেই বলে উঠে,

“হোয়াট! কি বলছিস?”

“হুম, ঠিকই বলছি!”

এরপরে রাদিফ একটু আস্তে করে বলে,

“ওই মেয়েতো দেখা যায় বেহায়া! এতো কিছু বলার পরেও পিছু পিছু চলে এসেছে।”

ওপাশে থেকে সাইমন বলে,

“দেখ কি হয়! তোর এড্রেস বের করে তোর কাছে যদি যায় তাহলে বলবি যে আমি সত্যি সত্যি বিয়ে করে ফেলেছি। তাহলে দেখবি মেয়েটা নিজেই চলে যাবে।”

রাদিফ ভাবুক গলায় বলে উঠে,

“শালা, সেটা হলে তো হতোই। ভয় হচ্ছে মিষ্টিকে নিয়ে। সন্দেহ না করে বসলেই হয়। সন্দেহ হলে আরেক পর্যায়ে চলে যাবে। ধুর ভাই, ভালো লাগছে না। এ আবার নতুন ঝামেলা। ওই মেয়ে সত্যিই ছেচড়া কোথাকার!”

সাইমন ওপাশে থেকে বলে,

“ভাই, তাহলে কি হয় জানাস!”

“ঠিক আছে। রাখছি!”

রাদিফ ফোন কেটে দিয়ে রুমে এসে বেলকনির দরজা লাগিয়ে দিয়ে বিছানার কাছে আসে। মিষ্টি বিছানায় নেই। রুমের দরজাও খোলা। এই মেয়ে আবার কোথায় গেলো।

মিষ্টি রাদিফের থেকে একটু চোখের আড়াল হলেই রাদিফের আজকাল রাগ উঠে যাচ্ছে। কেনো হচ্ছে সেটাও যেনো অজানা। শুধু মিষ্টিকে না দেখতে পেলেই হলো কেমন একটা লাগে ভিতরে। রাদিফ রুমের বাহিরে চলে গেলো মিষ্টি কোথায় গিয়েছে দেখতে। রুম থেকে কয়েক কদম এগিয়ে যেতেই মিষ্টি তার সামনে এসে দাঁড়ায়। রাদিফ বলে,

“কোথায় গিয়েছিলি?”

মিষ্টি হাতে থাকা পানির জগ দেখিয়ে বলে,

“পানি ছিলো না। পানি আনতে গিয়েছিলাম।”

“ওহ। রুমে চল! তোর সাথে কথা আছে!”

“কি কথা বলবে? চলো!”

মিষ্টি রাদিফের সাথে সাথে রুমে চলে আসে। রাদিফ শুয়ে পড়ে। মিষ্টি দরজা লাগিয়ে দিয়ে রাদিফের কাছে এসে শুয়ে পড়ে। রাদিফ মিষ্টিকে নিজের বুকের উপরে আনে। আস্তে আস্তে মিষ্টির মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে থাকে। অন্ধকার নিস্তব্ধ রুমে শুধু দুজনের নিঃশ্বাসের আওয়াজ ভেসে যাচ্ছে।

মিষ্টি নরম কণ্ঠে বলে,

“বলো না কি বলবে?”

রাদিফ শ্বাস ছেড়ে বলে,

“শোন, বিদেশে থাকতে একটা মেয়েকে এক্সিডেন্ট থেকে বাঁচাতে গিয়ে আমি এক্সিডেন্ট হয়েছিলাম। রাজ আর রাহা তখন ওখানেই ছিলো। এরপরে মেয়েটা আমাকে দেখতে আমার বাসায় এসেছিলো। ওর নাম জারা। ওই জারা সেদিন দেখতে আসার পরেও নাকি আবারও দেখতে এসেছিলো। আমি বাসায় ছিলাম না। সেদিন ওই জারাকে সাইমন আর রাহা মিথ্যে বলে চলে যেতে বাধ্য করেছিলো। এরপরে সাইমনের সাথে নাকি ওর দেখা হয়েছিলো। পরে জারা বলে ও নাকি আমাকে ভালোবাসে। সাইমন সেদিনও মিথ্যে বলেছিলো যে আমার দেশে বউ আছে। ভালোবেসেও কোনো লাভ হবে না।”

এই শুনে মিষ্টি হেসে বলে,

“ও এই ব্যাপার! এটা আবার আমাকে বলার দরকার কি! মেয়েটা চলেই তো গিয়েছে!”

রাদিফ থমথমে মুখে বলে,

“চলে গেলে কি তোকে বলছি!”

“মানে?”

“মানে, ওই জারা সেদিনের সাইমনের কথা বিশ্বাস করেনি। এরপরে খোঁজ নিয়ে বের করেছে যে আমার বিয়ে হয়নি। এরপরে আবারও আমার বাসায় যায়। আমার সাথে দেখা করতে। তখন জানতে পারে যে আমি দেশে। সেইটা শুনে ওই মেয়েও দেশে এসেছে।”

মিষ্টি জোর গলায় বলে,

“এসেছে তো কি হয়েছে! আমার সামনে এলে আমি বলবো তুমি আমার।”

রাদিফ ধীর কণ্ঠে বলে,

“তু্ই সন্দেহ করবি ভেবে তোকে আগেই জানালাম বিষয়টা।”

মিষ্টি বলে,

“সন্দেহ করবো কেনো? তোমার তো দোষ নেই। তোমার তো মেয়েটার সাথে দেখাও হয়নি, কথাও হয়নি। তবে তুমি চিন্তা করো না আমি তোমায় বিশ্বাস করি। আর ওই মেয়ে আসুক আমি বলবো তুমি আমার, আমাকে বিয়ে করেছো!”

রাদিফ স্বস্তির শ্বাস ছেড়ে বলে,

“যাক এইটুকুই যে তু্ই বুঝতে পেরেছিস এই অনেক।”

_________

পরদিন সকাল দশটা এগারোটার দিকে বের হয়ে যায় তুহিন আর জারা। উদ্দেশ্য এখন রাদিফের বাড়ির খোঁজে যাবে। তুহিন এখনও জানে না যে জারা রাদিফকে ভালোবাসে। আর ওর জন্যই জাপানে থেকে চলে এসেছে।

তুহিন জারাকে নিয়ে এসে গাড়ির কাছে আসে। তুহিন ড্রাইভিং সিটে বসে আর তার পাশের সিটে জারা বসে পড়ে। তুহিন বাড়ির গেট পেরিয়ে রাস্তায় এসে জারাকে বলে,

“এই তু্ই যে এড্রেস জানিস সেটা জিপিএসে টাইপ কর!”

জারা জিপিএসে রাদিফের এড্রেস টাইপ করে দেয়। তুহিন সেটা ভালো করে খেয়াল না করেই ড্রাইভ করতে থাকে। যেতে যেতে আধঘন্টা পরে তুহিন রাদিফের বাড়ির কিছুটা কাছাকাছি আসে। এরপরে মনে চিন্তা ধরে যায়। জিপিএসে এড্রেস খেয়াল করতেই দেখে এটা রাদিফের বাড়ির এড্রেস।

তুহিন তৎক্ষণাৎ গাড়ি থামিয়ে বাজখাই গলায় জারাকে বলে,

“এই তু্ই কি এড্রেস দিয়েছিস?”

জারা তুহিনের দিকে তাকিয়ে বলে,

“কেনো কি হয়েছে? ভুল এড্রেস নাকি?”

তুহিনের আর বুঝতে বাকি রইলো না যে জারা কাকে ভালোবাসে। আর রাদিফও তো জাপানে থাকে। তুহিন কথা গুলো ভেবে জারাকে বলে,

“ছেলেটার নাম কি রাদিফ?”

জারা হেসে বলে,

“হ্যা, রাদিফ। আর তুমি ওকে চিনো?”

তুহিন কথাটা শুনেই যেনো আরও রেগে যায়। সাথে সাথে জারার মাথায় জোরে গাট্টা মেরে দাঁতে দাঁত চেপে বলে উঠে,

“শালী, ভালোবাসার জন্য আর ছেলে পাসনি? রাদিফকে তোর চোখে পড়েছে?”

চলবে….

পরবর্তী পর্ব কালকে সন্ধ্যার পরে আসবে। এর আগে এই গল্পের কোনো পর্ব আসবে না।

ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। কেউ বাজে মন্তব্য করবেন না। আর এই পার্টটা ভালো লাগলে রেসপন্স করবেন!!!!!!

[হেশট্যাগ ব্যবহার ছাড়া কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here