#শুনলাম_বসন্ত_নাকি_আবার_এসেছে
#লেখিকা_সিনথিয়া_জাহান
#পর্বঃ২৭
মেয়েদের বিদায় দেওয়া শেষে সবাই হাসান ভিলায় এসেছে ৷ কমিউনিটি সেন্টার থেকে ওদের বাসার দুরত্ব কম ৷ সকলের মুখগুলো কেমন ফ্যাকাশে হয়ে আছে ৷ কথা বলার মতো পর্যাপ্ত শক্তি যেন কারো মধ্যে নেই ৷ সাভাশ বাড়িতে আসার পর কোনোদিকে না তাকিয়ে সোজা লম্বা লম্বা পা ফেলে নিজের রুমে চলে গেল ৷ সিনু দুর্বল চোখে ওর গমনপথের দিকে তাকিয়ে থাকল ৷
সাভাশ অত্যন্ত স্বাভাবিক ভাবে রুমে প্রবেশ করে দরজা আলতো করে লাগিয়ে রাখল ৷ ওর ভিতরটা দুমড়ে মুচড়ে যাচ্ছে যেটার খবর কারো জানা নেই ৷ সাভাশ সোজা বেলকনিতে গিয়ে দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে বসে পড়ল ৷ আচানক ডোন্ট কেয়ার ভাব নিয়ে থাকা সাভাশ ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠল ৷ ওর কান্না দেখে হয়তো আজ আকাশের তারা রা, গাছের ডালে বসে নিজেদের ক্লান্তিময় শরীরটা জিরুতে দেওয়া পাখিরা, বাতাস অবাক হয়ে গেল ৷ কেউ হয়তো ব্যঙ্গ করে বলতেছে,,,
যার সাথে ঝ*গড়া না করে তোর দিন শুরু হয় না তাকে ছাড়া কিভাবে থাকবি?
সাভাশের কান্নারা যেন আজ বাঁধ ভেঙেছে আর সেটা আটকানোর জন্য কোনো চেষ্টাই যেন আজ ওর মধ্যে নেই ৷ মন খুলে কাঁদতেই লাগল ৷ হঠাৎ কাঁধে কারো হাত পেতেই সাভাশ সেদিকে ক্রন্দনরত চোখে তাকাল ৷ সিনু অসহায় মুখে ওর পাশে বসে পড়ল ৷ সাভাশ কান্না কিছুটা থামিয়ে বলল,,,
মাম্মা ও কি তোমাদের উপর বোঝা হয়ে যাচ্ছিল? ওর খরচ চালানো কি তোমাদের পক্ষে ক*ষ্টকর হয়ে যাচ্ছিল? তাহলে আমাকে একটাবার বলতে পারতে ওর খরচ আমি চালাতাম ৷ আমি ইনকাম করে এনে ওকে খাওয়াতাম ৷ তা না করে ওকে অন্যের বাড়িতে পাঠিয়ে দিলে কেন?
শেষের কথাগুলো বলতে সাভাশের গলা কাঁপতে লাগল ৷ সিনু নিশ্চুপ কাঁদছে ৷ এই নিস্তব্ধ রজনীতে দুই মা ছেলে কাঁদছে, নিশ্চুপভাবে হু হু করে কাঁদছে ৷ সাভাশ এবার মাকে জরিয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বলল,,,
ওকে কেন আমার থেকে আলাদা করে দিলে মাম্মা? আমি ওকে ছাড়া থাকব কিভাবে? কিভাবে থাকব আমি?
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
আয়েশা বারিশের রুমের ফুলসজ্জিত বিছানায় বসে আছে ৷ বীর এতোক্ষণ ওর সাথেই বসে ছিল বিধায় ও কাঁদতে পারেনি ৷ এখন ও রুমে একলা বসে আছে তাই মুখে হাত চেপে চোখ বন্ধ করে পরিবারের কথা ভেবে কাঁদতে লাগল ৷ ছোট থেকে যে মানুষগুলোর সাথে একই ছাদের নিচে থেকেছে, আনন্দ করেছে, হাসি ঠাট্টা করেছে সেসব আর পাবে না ভাবলেই আয়েশার চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছা করছে ৷
খট করে দরজা খোলার আওয়াজ হতেই আয়েশা কান্না থামিয়ে চোখ মেলে তাকাল ৷ বারিশ রুমের দরজাটা লাগিয়ে দিয়ে হাতের ঘড়ি খুলে ড্রেসিন টেবিলের সামনে রাখল ৷ পিছু ঘুরে এক পলক উদাস মুখের আয়েশার দিকে তাকিয়ে তপ্ত শ্বাস ফেলল ৷ অতঃপর বিছানার কিছুটা কাছাকাছি এসে বলল,,,
আই থিংক আমাদের নফল নামাজ পড়া উচিত ৷
আয়েশা রোবটের মতো বিছানা থেকে নেমে দাঁড়িয়ে থাকল ৷ বারিশ আরেকবার তপ্ত শ্বাস ফেলে দুটো জায়নামাজ বিছিয়ে দিল ৷ জীবনের এতো গুরুত্বপূর্ণ একটা অধ্যায়ের শুরু আল্লাহর ইবাদতের মাধ্যমেই হোক শুরু ৷ তাহলে দাম্পত্য জীবন টাতে আল্লাহর রহমত বিরাজ করবে ৷
নামাজ শেষ করে আয়েশা আবারও পূর্বের জায়গায় গিয়ে বসে পড়ল ৷ হঠাৎ কিছু একটা খেয়াল হতেই আয়েশার অস্থিমজ্জায় ভয়ের সঞ্চার হলো ৷ বারিশ নিজের স্বামী হওয়ার অধিকার খাটানোর চেষ্টা করবে না তো? যদি কিছু করতেও চায় আয়েশা তো বাধা দিতে পারবে না!
আয়েশা হাঁশফাশ করতে লাগল ৷ চোখ দুটো একদম অস্থিরভাবে আশেপাশে ছুটে চলেছে ওর ৷ বারিশ বিছানার দিকে এগিয়ে আসতে ধরলেই আয়েশা নিজেকে যথাসম্ভব গুটিয়ে নিল ৷ ভয়ে চোখ বন্ধ করে ফেলল ৷ ওর দ্বারা এসব সম্ভব হবে না ৷ বারিশ ঠান্ডা গলায় বলল,,,
আয়েশা ৷
আয়েশা কেঁপে উঠল ৷ ধীর কন্ঠে বলল,,, জ্বি ৷
শাড়ি টা পরিবর্তন করো ৷
আয়েশার সারা শরীর থরথর করে কাঁপতে লাগল ৷ ও মাথা তুলে তাকাচ্ছে না ৷ বারিশ পুনরায় বলে উঠল,,,
কি হলো শুনতে পাচ্ছ না? আই থিংক শুনেছো ৷ প্লিজ চেঞ্জ ইট ৷
আয়েশা দ্রুত বিছানা থেকে নেমে একটা সালোয়ার স্যুট নিয়ে বাথরুমে চলে গেল ৷ ও বাথরুমের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে চোখে মুখে পানি ছিটিয়ে নিজেকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করতে লাগল ৷ বেশ খানিকটা সময় পর ও বাথরুম থেকে বেরোল ৷ বারিশ ওর দিকে তাকিয়ে থেকে বলল,,,
এবার বিছানায় যাও এবং ঘুমিয়ে পড়ো ৷
আয়েশা চকিতে বারিশের দিকে তাকাল ৷ বারিশের মুখভঙ্গি অত্যন্ত স্বাভাবিক ৷ আয়েশাকে ওভাবে তাকাতে দেখে বারিশ ভ্রু কুঁচকে বলল,,,
কি? ঘুমাতে চাও না? যদি ইচ্ছা না করে আই থিংক তুমি আমাদের এপার্টমেন্টের দাড়োয়ান চাচার সাথে নাইট ডিউটি করতে পারো গিয়ে ৷
আয়েশা থতমত খেয়ে দ্রুত বিছানায় চলে গেল ৷ চোখ দুটো বন্ধ করতে যাবে এমন সময় আয়েশার ফোন বেজে উঠল ৷ সাভাশের কল ৷ আয়েশার মুখে হাসি ফুটে উঠল ৷ চট জলদি ও ফোন রিসিভ করল ৷ ওপাশ থেকে সাভাশ বলে উঠল,,,,
কি রে বারিশ স্যার তোকে এখন পর্যন্ত কয়টা থা’প্পড় দিয়েছে বল তো?
আয়েশা তর্কে না গিয়ে বলল,,, বাড়ির সবাই কি করছে সাভাশ?
আরে তুই যাওয়ার খুশিতে আমাদের বাড়িতে উৎসব উৎসব আমেজ সৃষ্টি হয়েছে ৷ সবাই মিলে আনন্দের সহিত আড্ডা দিচ্ছে ৷ মাম্মা আর ছোট মা মজার মজার সব ডিস বানিয়েছে ৷ আহা আমরা তো সেই খুশিতে আছি রে ৷
সাভাশের বাচ্চা! তুই কি ভালো হবি না? বেদ্দব এখনও আমার সাথে এমন করছিস?
যাহ বাবা আমি আবার কি করলাম? নিজের একটু সুখের কথাও কি তোকে বলতে পারব না? তোকে বিদায় করে যে আমরা কতটা সুখে আছি সেটা তোকে কি করে বোঝাই বল?
আয়েশা ভ্রু কুঁচকে বলল,,, তোর কন্ঠটা এমন শোনাচ্ছে কেন সাভাশ? তুই কেঁদেছিস?
সাভাশ জোরপূর্বক হেসে বলল,,, দূররর বা*ল কাঁদব আর আমি? তোকে কালাচাঁদের হাতে ধরিয়ে দিতে পেরে তো আমি মহাখুশি ৷ এখন আমার মিষ্টি বউটাকে এখানে আনতে আর কোনো অসুবিধা নেই ৷
আয়েশা হঠাৎ কেঁদে উঠে বলল,,, তোকে কয়লার খনিতে রেখে আসব কিন্তু সাভাশ!
সাভাশ নিজের কান্না বহুকষ্টে আটকে বলল,,, ফোন কাট বা*ল ৷ তোর ভাচাকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড় ৷
বলে সাভাশ দ্রুত ফোন কেটে দিয়ে চোখ বন্ধ করল ৷ ওর চোখের কর্ণিশ বেয়ে টপটপ করে পানি গড়িয়ে পড়তে লাগল ৷ এদিকে আয়েশা ফোনটা বুকে শক্ত করে জরিয়ে রেখে কাঁদতে লাগল ৷ বারিশ করুন চোখে সেদিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে দীর্ঘশ্বাস ফেলল ৷ অতঃপর রুমের লাইট অফ করে মেঝেতে শুয়ে পড়ল ৷ আয়েশা সাভাশের সাথে কথা বলার সময়ই ও মেঝেতে বিছানা পেতেছিল ৷ আয়েশা কান্নায় এতোটাই মগ্ন যে আশেপাশের কিছুই খেয়াল করল না ৷
এক পর্যায়ে কাঁদতে কাঁদতে আয়েশা ঘুমিয়ে পড়ল ৷ বারিশ ওর দিকে মুখ করে শুয়ে আছে ৷ জানালা দিয়ে চাঁদের আলো এসে আয়েশার মুখে পড়েছে ৷ সেই আলোয় মায়াবী মুখশ্রীর অধিকারী নিজের সদ্য বিবাহিতা বধুর দিকে বারিশ অপলক চাহনিতে তাকিয়ে থাকল ৷
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
স্বাধীনের খুব বেশি আত্মীয় স্বজন নেই এই শহরে ৷ তাই বিয়েতেও গুটি কতেক আত্মীয় এসেছে শুধু ৷ তুবার আচমকা এ*টাক আসায় স্বাধীন দিশেহারা হয়ে পড়েছিল ৷ হঠাৎ মাথায় বুদ্ধি আসতেই ও পানির বোতলে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তুবাকে খাইয়ে দিয়েছে ৷ অন্তত আজকের রাতটা তুবার হাত থেকে বাঁচতে তো পারবে ৷ কাল আত্মীয় স্বজনরা চলে গেলে খুব সহজেই বিষয়টা হ্যান্ডেল করা যাবে ৷ কিন্তু এখন সম্ভব না ৷
তুবা ঘুমন্ত অবস্থায় ফুলসজ্জিত বিছানায় নিশ্চিত মনে শুয়ে আছে ৷ আর স্বাধীন গালে হাত দিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে আছে এবং ক্ষণকাল পরপর দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলতেছে,,,
আমার বাসর! আমার বাসর!
এভাবেই রাতটা কোনোভাবে কেটে গেল ৷ স্বাধীন দম আটকে বসে আছে ৷ তুবার ঘুম ভাঙার সাথে একটা তুলকালাম কান্ড হতে চলেছে ৷ স্বাধীন মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত রাখার চেষ্টা করতে লাগল ৷ কিন্তু তুবাকে চোখ পিটপিট করতে দেখতেই ওর ভিতরের সব সাহস ফুঁশ হয়ে গেল ৷
স্বাধীন একটা টি-শার্ট পড়ে চশমা চোখে তুবার সম্মুখে বসে আছে ৷ অত্যধিক চিন্তিত থাকার কারনে আর সারা রাত নির্ঘুম কাটানোর দরুন স্বাধীনের চোখের নিচে কালি পড়ে গেছে ৷ ফর্সা হওয়ায় চোখের কালিটা খুব স্পষ্টভাবেই দেখা যাচ্ছে ৷ তুবা আড়মোড়া ভেঙে চোখ মেলে তাকাতেই চিৎ*কার করে উঠল ৷ তা দেখে স্বাধীন ভীষণ ঘা*বড়ে গেল ৷
তুবা বুকে থুথু দিয়ে বলল,,, এভাবে সকাল সকাল ভয় দেখানোর মানে কি ছেলে? এই শেষ বয়সে এসে হার্ট এ’ট্যাক করে ম*রতে চাই না আমি!
স্বাধীন বড় করে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল ৷ তুবা নিজের ভয় কাটিয়ে উঠে হঠাৎ অবাক হয়ে বলল,,,
আচ্ছা আমি এখন কোথায়? আমার বউ কোথায়? তুমি কি আমাকে কিডন্যাপ করে এনেছো?
স্বাধীন শীতল দৃষ্টিতে তুবার দিকে তাকিয়ে থাকল আর মনে মনে বলতে লাগল,,,,
যেখানে বলা উচিত ‘আমার স্বামী কোথায়’ সেখানে বলছে ‘আমার বউ কোথায়’! ছিহ!
স্বাধীনকে চুপ থাকতে দেখে তুবা উ*ত্তেজিত হয়ে বলল,,, এই ছেলে তুমি আবার মানবপাচারের সাথে জড়িত নও তো? তাহলে বলে রাখছি আমার বউ কিন্তু আমার মতো এতো ভোলাভালা না বরং ভ*য়ঙ্কর ডে*ঞ্জারাস! যদি ও জানতে পারে তুমি আমাকে পাচার করে দিতে চাও তাহলে তোমাকে জ্যা*ন্ত বালিচাপা দিয়ে দিবে!
স্বাধীন বড় করে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল,,, শুধু এটা শোনার ই বাকি ছিল ৷
তুবা স্বাধীনের কান টেনে ধরে বলল,,, এই ছেলে কথা বলছো না কেন? আমাকে আমার বউয়ের কাছে রেখে আসো ৷
স্বাধীন হঠাৎ খেই হারিয়ে ফেলে বলল,,, এই চুপপ ৷ আর একবার বউ বউ করলে কিন্তু….
কিন্তু কি?
স্বাধীন হুঁশ হারিয়ে ফেলেছিল ৷ তুবার প্রশ্নে ও হুঁশ ফিরে পেল ৷ আমতা আমতা করে বলল,,,
কি আর আমার দাদীশ্বাশুড়ীর কাছে তোমার আই মিন আপনার নামে নালিশ করব ৷
তোমার দাদীশ্বাশুড়ী কে?
তুবার দাদী ৷
তুবা বি*স্ফোরিত চোখে বলল,,, মানে তুমি আমার নাতজামাই? কিন্তু আমার নাতনীর তো এখনও বিয়ে হয়নি ৷
স্বাধীন বিরবির করে বলল,,,, আমার বউকে অবিবাহিত বলে কি সাহস!
কিন্তু মুখে বলল,,, আপনি ভুল জানেন ৷ আপনার নাতনির সাথে আমার গতকালকে বিয়ে হয়েছে ৷ আর আপনি ব্যাগরা না দিলে এতোক্ষণে একটা পোটলাকে দুনিয়াতে আনার ব্যবস্থাও হয়ে যেত!
শেষের কথাটা স্বাধীন বিরবির করে বলল তাই তুবা কিছু শুনতে পায়নি ৷ ও অবাক হয়ে বলতে লাগল,,,,
আমার নাতনীর বিয়ে হয়ে গেল আর আমি জানি না? এটা কিভাবে হতে পারে? বিয়ের সময় আমি কোথায় ছিলাম?
দাদীশ্বাশুড়ী আপনাকে দাওয়াত দিতে নিষেধ করেছিল তাই আপনি জানেন না ৷ আপনাকে দুইদিনের জন্য কফিনে ভরে রেখেছিলাম আমরা!
আশ্চর্য! কিন্তু কেন?
সেটা আপনার বউ ভালো বলতে পারবে ৷
আমার বউ এমন কেন করল বাবা? আমি কি বিয়েতে খুব বেশি খেয়ে ফেলতাম? না তো তাহলে এমন করল কেন? আমাকে তো দাঁতের সেট পড়ে খাওয়া দাওয়া করতে হয় ৷ তাহলে আমি কেন খাদ্যের অপচয় করতে যাব? এইই দাঁড়াও আমি কি তোমার সাথে তুবার বিয়ে দিতে রাজি হইনি? না হওয়ার তো কথা না ৷ তুমি তো ভালোই তাহলে কেন করল?
স্বাধীন গালে হাত দিয়ে বিছানায় ধপ করে বসে দীর্ঘশ্বাস ফেলতে লাগল ৷ অন্যদিকে তাহির ইসলাম রুপী তুবা একের পর এক বি*ভ্রান্তিকর প্রশ্ন ছুঁড়ে দিতে লাগল ৷
চলবে,,,,,,,

