#ফালাক #লেখিকা_ইনায়া_জারিশ
#পর্ব_________২৫
ভোরের স্নিগ্ধ আলো জানালার পর্দার ফাঁক দিয়ে রুমে ঢুকছে।দূরের গাছ থেকে পাখির কিচিরমিচির শোনা যাচ্ছে। ফালাকের ঘুম ভেঙে গেল। চোখ খুলে দেখল সাদ পাশেই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন।
এতদিন সাদের পাশে শুতে গেলে ফালাকের বুকটা ভয়ে ধড়ফড় করত, কখন জানি সাদ কোনো কারণে রেগে ওঠে। কিন্তু আজকের সকালটা অন্যরকম কেন যেন ভয় লাগছেনা । ফালাক খুব সাবধানে পাশ ফিরে শুলো যাতে সাদের ঘুমে ব্যাঘাত না ঘটে। কনুইয়ের ওপর ভর দিয়ে মাথাটা একটু উঁচু করে খুব গভীর মনোযোগ দিয়ে সাদকে পর্যবেক্ষণ করতে লাগে ।
ঘুমানোর সময় এই ভয়ংকর মানুষটাকে কতটা শান্ত আর নিষ্পাপ দেখায়! সাদের কপালে সবসময় যে একটা চিন্তার ভাঁজ থাকে, ঘুমের ঘোরে সেটা এখন নেই। তীক্ষ্ণ নাক আর ঘন কালো চোখের পাতাগুলো ফালাকের দৃষ্টি আটকে দিচ্ছে। ফালাক খেয়াল করল, সাদের ঠোঁট দুটো ঘুমের ঘোরে খুব সামান্য আলগা হয়ে আছে।
ফালাকের নজর গেল সাদের হাতের দিকে। ঘুমের ঘোরে সাদের একটা হাত ফালাকের বালিশের একদম কাছে পড়ে আছে। সাদের হাতের আঙুলগুলো অনেক লম্বা ফালাকের খুব ইচ্ছে হলো একবার ওই আঙুলগুলো ছুঁয়ে দেখতে, কিন্তু পরক্ষণেই ও লজ্জায় গুটিয়ে গেল।
হঠাৎ সাদ ঘুমের ঘোরেই একটু নড়েচড়ল। ফালাক ভয়ে দ্রুত চোখ বন্ধ করে ঘুমের ভান করল। বুকটা তখন ঢিপঢিপ করছে। কয়েক সেকেন্ড পর আবার খুব ধীরে চোখ খুলে দেখল সাদ এখন ওর দিকেই মুখ ফিরে শুয়ে আছে। দুজনের মাঝখানে দূরত্ব এখন খুবই সামান্য। ফালাক অনুভব করতে পারছে সাদের নিশ্বাসের উষ্ণতা মুখে আছড়ে পড়ছে।
ফালাক অপলক চোখে সাদের বন্ধ চোখের দিকে তাকিয়ে রইল। খেয়াল করল সাদের গায়ের পুরুষালি গন্ধটা এখন ফালাকের মস্তিষ্ককে আচ্ছন্ন করে দিচ্ছে। ফালাকের হঠাৎ মনে হলো—এই লোকটার ওপর রাগ করা, একে ঘৃণা করা এখন আর তার পক্ষে সম্ভব নয়। যেন অলক্ষ্যেই সাদের মায়ায় এক অদৃশ্য শৃঙ্খলে বন্দি হয়ে গেছে।
ঠিক তখনই সাদের চোখের পাতাগুলো একটু কেঁপে উঠল। ফালাক বুঝতে পারল সাদ হয়তো এবার জেগে যাবে। দ্রুত পাশ ফিরে চাদরটা টেনে নিল, কিন্তু ওর ঠোঁটের কোণে একটা লাজুক হাসি ঠিকই ফুটে রইল।
____________
ফালাক জানালার পাশে কাজ করেছিল , তখন হঠাৎ জানালার ওপাশে চোখ যায়। কালো রঙের জিপটার দিকে সাদ এগিয়ে যাচ্ছে,হাঁটাচলার মধ্যে আলাদা একটা আভিজাত্য আছে।
ফালাক জানালার পাশে একটু সরে এসে আড়ালে দাঁড়িয়ে একদৃষ্টে সাদের দিকে তাকিয়ে রইল।
ফালাক নিজের অজান্তেই মুচকি হাসছে । সাদের এই ব্যস্ত ভঙ্গি, গলার স্বরের গম্ভীর প্রতিধ্বনি—সবকিছুই এখন ফালাকের কাছে অন্যরকম লাগে। আগে যেখানে বুকটা ভয়ে শুকিয়ে যেত, সেখানে এখন এক ধরণের প্রশান্তি কাজ করে।
সাদ জিপের দরজা খুলে ড্রাইভিং সিটে বসল। ইঞ্জিন স্টার্ট দেওয়ার পর কেন যেন একবার ওপরের জানালার দিকে তাকায় । ফালাক তড়িঘড়ি করে জানালার আড়ালে চলে গেল,
জিপটা গেট দিয়ে বেরিয়ে গেল, ফালাক তখনো জানালার গ্রিল ধরে দাঁড়িয়ে রইল যতক্ষন অবধি দেখা যায় তাকিয়েই রইলো । সাদের অনুপস্থিতি এখন তাকে বিষণ্ণ করে দেয়। ফালাক জানে না কেন এমন হচ্ছে,সাদ যতক্ষণ চোখের সামনে থাকে না, ততক্ষণ ফালাকের মনটা অস্থির হয়ে থাকে।
ফালাক একটা লম্বা দীর্ঘশ্বাস ফেলে আবার নিজের কাজে মন দিল। ঠোঁটের কোণে লেগে থাকা লাজুক হাসিটা কিছুতেই মুছছে না।
___________
দুপুরে ফালাক শাওয়ার এ গেছে। শাওয়ারের ঝরনা থেকে পড়া শীতল জলধারা ফালাকের শরীরে প্রশান্তি দিচ্ছে। হঠাৎ ওর মনে পড়ল—
তাড়াহুড়োয় নিজের কাপড়গুলো বিছানায় রেখেই বাথরুমে ঢুকে পড়েছে। ফালাক কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে পড়ল। খুব সাবধানে বাথরুমের দরজাটা সামান্য ফাঁক করে উঁকি দিয়ে দেখল। রুম একদম খালি। তাই মনে কোনো দ্বিধা না রেখেই ভিজে একাকার অবস্থায় পা টিপে টিপে রুমে ঢুকল।
দ্রুত বিছানা থেকে নিজের কাপড়গুলো নিয়ে আবার বাথরুমে ঢুকে পড়ল। খেয়ালই করেনি যে বাথরুমের দরজার ছিটকিনিটা ঠিকমতো লাগেনি—সামান্য একটু ফাঁক হয়ে আছে।
ফালাক নিজের মনেই ভেজা শাড়িটা গা থেকে ছাড়িয়ে নিল। সবুজ রঙের শাড়িটা এখন মেঝেতে স্তূপ হয়ে পড়ে আছে। ফালাক এখন কেবল ওর পেটিকোট আর ব্লাউজ পরা অবস্থায় আছে। ব্লাউজটাও একদম ভিজে শরীরের সাথে লেপ্টে আছে, যা ওর শরীরের ভাঁজগুলোকে বড্ড স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলছে। খুব সাবধানে ব্লাউজের হুকগুলো একটা একটা করে খুলে ফেলল।
ঠিক সেই মুহূর্তেই রুমের দরজা খোলার শব্দ হলো। সাদ রুমে ঢুকে কাউকে না দেখে সরাসরি বাথরুমের দিকে এগিয়ে গেল ফ্রেশ হওয়ার জন্য।
সাদ খুব স্বাভাবিকভাবেই বাথরুমের দরজাটা পুশ করল। দরজাটা ছিটকিনি না লাগানো থাকায় অনায়াসেই খুলে গেল। আর তখনই সাদের সামনে ফুটে উঠল এক নিরেট দৃশ্য।
সাদ স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে গেল। দরজার ওপাশে ফালাক অর্ধনগ্ন অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। পিঠটা সাদের দিকে ফেরানো, মসৃণ পিঠের ওপর দিয়ে জলের কণাগুলো গড়িয়ে নামছে। ফালাক অনুভব করল কেউ একজন ভেতরে ঢুকেছে, বিদ্যুৎবেগে ঘুরে দাঁড়াল। দু-হাতে নিজের বক্ষদেশ ঢাকার এক বৃথা চেষ্টা, কিন্তু এই অপ্রস্তুত অবস্থায় ফালাকের রূপ যেন আগ্নেয়গিরির লাভার মতো উত্তপ্ত হয়ে ধরা দিল সাদের চোখে।
সাদের চোখের মণি স্থবির হয়ে গেল। নেশাতুর দৃষ্টি ফালাকের ভিজে শরীরে আটকে গেছে। সাদের শ্বাস-প্রশ্বাস ভারী হয়ে এল। ফালাকের ফর্সা শরীরে জলের বিন্দুগুলো হীরের মতো চিকচিক করছে। সাদের ভেতরের দাউদাউ করে জ্বলা পুরুষালি আক্রোশ,তৃষ্ণা মুহূর্তেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠল।
মুহূর্তের স্তব্ধতা যেন অনন্তকাল ধরে চলল। সাদ পাথর হয়ে দাঁড়িয়ে রইল, চোখের পলক পড়ছে না। ফালাকের ভিজে শরীরে জলের কণাগুলো হীরের মতো চিকচিক করছে, অর্ধনগ্ন অবস্থায় অপ্রস্তুত সৌন্দর্য সাদের মস্তিষ্কের সব শিরা-উপশিরায় এক তীব্র ঝংকার তুলল। ফালাক লজ্জায় যেন মাটির সাথে মিশে যাচ্ছে, হাত দুটো কাঁপছে, মুখ দিয়ে কোনো শব্দ বেরোচ্ছে না।
সাদের হুশ ফিরল কয়েক সেকেন্ড পর। নিজের ভেতরের অস্থিরতাকে কোনোমতে চেপে রেখে সাদ এক ঝটকায় মুখ ফিরিয়ে নিল।
“স্টুপিড!
দরজাটা কি ঠিকমতো লাগানো যায় না?
সাদ আর এক মুহূর্ত সেখানে দাঁড়াল না। গটগট করে বাথরুম থেকে বেরিয়ে গেল।
ভেতরে ফালাক তখনো কাঁপছে। দ্রুত ছিটকিনিটা এবার একদম শক্ত করে লাগিয়ে দিল। বুকের ভেতরটা যেন কেউ ড্রাম বাজাচ্ছে—ধুকপুক, ধুকপুক! লজ্জায় গাল, টকটকে লাল হয়ে গেছে।
“হায় আল্লাহ! কেন আমি এতোটা অসাবধান হলাম!”
লজ্জার চোটে ফালাক আর বাথরুম থেকে বের হচ্ছে না। সাদের নেশাতুর চাহনিটা চোখের সামনে থেকে সরছেই না।
অবশেষে অনেক সাহস সঞ্চয় করে, ফালাক অতি সাবধানে বাথরুমের দরজা খুলল। ভেবেছিল সাদ হয়তো এতক্ষণে নিচে চলে গেছে। কিন্তু না!
সাদ সোফায় বসে ছিল, ফালাক বের হতেই এক ঝটকায় উঠে দাঁড়ালো। দুজনের চোখাচোখি হতেই ফালাক আবার নিচের দিকে তাকিয়ে রইল। সাদ কোনো কথা না বলে, ফালাকের পাশ কাটিয়ে গটগট করে ওয়াশরুমে ঢুকে পড়ে,জোরে দরজাটা আটকে দিল।
ফালাক বিছানায় বসে পড়।
সাদ বাথরুমের ভেতরে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের মুখে সজোরে পানির ঝাপটা দিচ্ছে। বিড়বিড় করে বলছে—
“What have you done to me, Falak? (তুই আমার কী হাল করলি ফালাক?)”
সাদের মনের ভেতরে তখন এক তুফান চলছে। ফালাকের সিক্ত রূপ মস্তিষ্ক থেকে কিছুতেই যাচ্ছে না।
বাথরুম থেকে ভেজা অবস্থায় বের হওয়ার সময় ফ্লোরটা বেশ খানিকটা ভিজে গিয়েছিল। তাই ফালাক দ্রুত একটা শুকনো কাপড় নিয়ে ফ্লোর মুছতে বসে গেল। চুলগুলো তখনো আধা ভেজা, আঁচল টা কাঁধ থেকে বারবার খসে পড়ছে। খুব নিচু হয়ে একমনে ফ্লোরটা মুছছিল যাতে দ্রুত কাজ শেষ করে ওখান থেকে সরে যেতে পারে।
ঠিক তখনই সাদ বাথরুম থেকে বের হলো। মাথায় এখনো পানির ফোঁটা, গায়ে একটা টি-শার্ট। বেরোতেই দেখল ফালাক মেঝেতে বসে ঝুঁকে পড়ে ফ্লোর মুছছে। ফালাকের ঝুঁকে থাকা অবস্থায় শরীরের সাবলীল ভঙ্গি , বিন্দু বিন্দু জমে থাকা পানি, সাদের চোখে নতুন করে নেশা ধরিয়ে দিল।
সাদ একদম স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে । বুকের ভেতরের ঝড় এখনো শান্ত হয়নি। ভাবছিল ফালাক বোধহয় এতক্ষণে নিচে চলে গেছে, কিন্তু মেয়েটা এখনো ওর চোখের সামনেই ঘুরঘুর করছে। সাদের মেজাজটা আবার খিটখিটে হয়ে উঠল
“এই কাজ করার জন্য কি এ বাড়িতে লোক নেই? তুই কেন এসব করছিস?”
ফালাক চমকে গিয়ে মাথা তুলে তাকায় । সাদকে একদম সামনে দেখে আবার অপ্রস্তুত হয়ে পড়ে ।
“না… মানে, আমি আসায় ফ্লোরটা ভিজে গিয়েছিল তো, তাই…”
সাদ এক কদম এগিয়ে এল। পায়ের শব্দে ফালাকের বুকটা আবার দুরুদুরু করতে লাগল। সাদ ফালাকের হাতের ভেজা কাপড়টা এক টান দিয়ে কেড়ে নিল।
“রাখ এসব।
যা এখান থেকে। তোকে দেখলে আমার মেজাজ এমনিতেই ঠিক থাকছে না, তার ওপর আবার এসব নাটক শুরু করেছিস!”
ফালাক স্তম্ভিত হয়ে সাদের দিকে তাকিয়ে রইল। সাদের চোখের গাঢ় চাউনি আর কর্কশ কণ্ঠস্বরের পেছনে যে এক তীব্র আকর্ষণ লুকানো আছে, সেটা বুঝতে ফালাকের বাকি রইল না।
ফালাক আর এক মুহূর্ত দেরি করল না। মাথা নিচু করে প্রায় দৌড়ে রুম থেকে বেরিয়ে গেল। করিডোরে এসে লম্বা একটা নিশ্বাস নিল। সারা শরীর এখনো কাঁপছে। সাদের রাগী চাউনির আড়ালে যে কী পরিমাণ তৃষ্ণা লুকিয়ে ছিল, সেটা ভেবেই ফালাকের লজ্জায় আবার গা শিউরে উঠল।
রুমে একা থাকা সাদ নিজের মনেই বিড়বিড় করল—
“পাগল করে দেবে এই মেয়েটা আমাকে!”
_____________
রমজান মাস সমাগত। মির্জা বাড়ির দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য অনুযায়ী আজ বিকেলে গরিব-দুঃখীদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। মির্জা মঞ্জিলের সামনের বিশাল রাস্তায় সারিবেঁধে মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। বাড়ির তিন নতুন বউ—রিমা, নীলা আর ফালাক—আজ নিজ হাতে এই ইফতারি সামগ্রী তুলে দিচ্ছে। সবার পরনে মার্জিত পোশাক, মাথায় ঘোমটা। ফালাক খুব মন দিয়ে প্রতিটি মানুষের হাতে প্যাকেট তুলে দিচ্ছিল।
রাস্তার একপাশে যখন বিতরণের কাজ চলছে, ঠিক তখনই ভিড়ের ভেতর থেকে এক বৃদ্ধা মহিলা রাস্তা পার হওয়ার চেষ্টা করছিলেন। মহিলাটি সম্ভবত চোখে একটু কম দেখেন। ঠিক সেই মুহূর্তেই এক কোণ থেকে একটা দ্রুতগামী গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি মহিলার দিকে ধেয়ে আসছিল।
ফালাকের চোখ তখন সেই মহিলার ওপর। এক মুহূর্ত দেরি না করে ফালাক নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দৌড়ে গিয়ে মহিলাকে এক ঝটকায় রাস্তার অন্য পাশে সরিয়ে নিল। গাড়িটা একদম ফালাকের গা ঘেঁষে প্রচণ্ড শব্দে ব্রেক কষে থামল। অল্পের জন্য এক বড় দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে গেল ফালাক।
বৃদ্ধা মহিলাটি ভয়ে কাঁপছিলেন। ফালাক তাঁকে জড়িয়ে ধরে শান্ত করতে লাগল। মহিলাটি ফালাকের মাথায় হাত রেখে অঝোরে কাঁদতে কাঁদতে দোয়া করতে লাগলেন—
“বেঁচে থাকো মা, আল্লাহ তোমার কোল আলো করে চাঁদ আনুক। তোমার মতো দয়ালু মানুষ যেন ঘরে ঘরে হয়।”
রাস্তার ওপাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি কালো গাড়ির ভেতর থেকে এক জোড়া তীক্ষ্ণ চোখ এই পুরো দৃশ্যটি লক্ষ্য করছিল। গাড়ির পেছনের সিটে বসা লোকটি তার পাশের সঙ্গীকে জিজ্ঞেস করল—
“মেয়েটা কে রে?
“চিনতে পারোনি বস? ও হলো মির্জা বাড়ির বউ , সাদ মির্জার বউ।”
লোকটির চোখের মণি মুহূর্তেই সরু হয়ে এল। ঠোঁটের কোণে ফুটে উঠল এক পৈশাচিক হাসি। স সিটে হেলান দিয়ে আয়েশ করে বসল। মনে মনে আওড়ালো ” সাদ মির্জার বউ “!
“হা হা! তাহলে এটাকেই টার্গেট করা যাক।”
“কেন বস?
“হুম… পুরোনো শত্রুতা।
চলবে……..
#everyonefollowers #উপন্যাস #উপন্যাসপ্রেমী #গল্পফ্যাক্ট

