গুপ্ত_প্রেমের_সুপ্ত_পিয়াসা” 🖤|২১| #শার্লিন_হাসান

0
32

#গুপ্ত_প্রেমের_সুপ্ত_পিয়াসা” 🖤|২১|
#শার্লিন_হাসান

নির্মাণ নাক-মুখ কুঁচকে তাকায়। বিড়বিড় করে বলে,
“শালা, একজনকে ভালোবেসে অনুভূতি পুষছে অন্যদিকে বন্ধুর গার্লফ্রেন্ড নিয়ে ডেটে যেতেও একপায়ে রাজী আছে।”

আদনান প্রেমময় কাব্য বলা শেষ করে নির্মাণের দিকে তাকিয়ে হো হো করে হেঁসে উঠে। বাকীরাও নির্মাণের চেহারা দেখে হেঁসে মজা নিচ্ছে। এদিকে নির্মাণ বেচারা মুখখানা গম্ভীর করে বলে, “কথার কথা বলেছি কবিতা শোনালে, আমার গার্লফ্রেন্ডের সাথে ডেটে যেতে দেব। কিন্তু তুই শালা যে বড় বজ্জাত,মেয়েবাজ আর হারামী সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। কত বড় মেয়েবাজ হলে ডেটের যাওয়ার কথা শোনে কবিতা শোনায়!!”

“রেসে জিতলে ট্যুরের টাকা তোর। আমি কারোর গার্লফ্রেন্ডের সাথে ডেটে যাচ্ছিনা।”

আদনানের কথায় নির্মাণ খুশি হয়ে বলে, “সত্যি তো?”

আদনান কিছুক্ষণ চুপ থাকে। ভেবে জবাব দেয়, “নাহ্। টাকাটা কোন গরিবকে দিলে কাজ হবে। তুই সর এখান থেকে।”

সাথে সাথে নির্মাণের মুখের খুশি হাওয়াই মিঠাইয়ের মতো মিইয়ে যায়। আদনান আড়মোড়া ভাঙে। বাকীরা তাকিয়ে আছে তাদের দিকে। শেজান বলে, “সত্যি করে বল কার প্রেমে পড়েছিস?”

“তোর বোনের।”

আদনানের কথায় শেজান জবাব দেয়, “আমার বোন বিবাহিত। তোর নজর এতোটাও খারাপ না।”

“আমি হৃদয়ে যার বাস, সে একটা ধানিলংকা। যার তীব্র ঝাঁঝে আমার হৃদয় মাঝেমধ্যে জ্বলে উঠে।”

আদনানের কথায় সবাই হাসে। রাহা জবাব দেয়,
“ঠান্ডা হয়না?”

“হয়। যখন তার দিকে কোমল দৃষ্টিতে তাকাই।”

“মেয়েটা আশেপাশেই আছে।”
নিশাতের কথায় আদনান কৌতূহল রাখতে বলে, “ছবির দিকে তাকাই। আশেপাশে থাকলে তো হতোই। দিনে চারবার করে চু’মু দিতাম।”

“আসতাগফিরুল্লাহ। ছিঃ,ছিঃ!”

নিশাতের কথায় আদনান ঠোঁট কামড়ে হেঁসে বলে, “আর কিছু জিজ্ঞেস করবিনা?”

সবাই চুপ। আদনানের মুখে লাগাম কম। যখন যেখানে খুশি সেখানে, যা খুশি তাই বলতে পারে। যাকে তাকে মুখের উপর কথা শোনাতে পারে। আদনান বাইকের চাবি ঘোরাতে, ঘোরাতে বলে, “ক্লাসে যাবি না তোরা?”

সবাই হ্যাঁ বোধকে মাথা নাড়ায়। ক্লাসে যেতে যেতে নির্মাণ বলে, “ট্যুরে যাবো। কিছু টাকা দিস।”

“প্লেট নিয়ে গেটের সামনে আয়। নিশ্চয়ই দেবো।”

“শালা। তুই এমন তেঁতো কেন?”

“ওই যে তোর নানীকে ভালোবাসি সেজন্য।”

“আমার নানী পটল তুলেছে অনেক আগে। সময় আছে ভালো হয়ে যা আদনান।”

“ভাবছি মেয়েদের ইভটিজিং করা ছেড়ে দেবো।”

“মাশা-আল্লাহ। এভাবেই পরিবর্তন আসুক তোর মাঝে।”

“আচ্ছা, ছেলেদের ইভটিজিং করলে কেমন হয়? ইউনিক না?”

আদনানের কথায় নির্মাণের মুখের কথা উড়ে গেছে। হতভম্ব হয়ে তাকায় আদনানের দিকে। নির্মাণের তাকানোতে আদনান হাসে। নির্মাণ তখন আদনানের পিঠে চাপড় মেরে বলে, “তোর প্রেমিকনারীর কাছে বিচার দেবো?”

ইলমার কথা উঠাতে আদনান বিরক্তিতে নাক মুখ কুঁচকে নেয়। গম্ভীর কন্ঠে বলে, “ওর কথা বাদ দে। শ্লীর মেয়ে, আমাকে যে অপমান করে। মুখের উপর থ্রেট দেয়। তুই বল, আজ পর্যন্ত কারোর বুকের পাঠা এতো বড় হয়নি যে আমাকে থ্রেট দিবে। কিন্তু এই মেলিচা, কথায় কথায় থ্রেট দিবে।”

“কী বলে থ্রেট দেয়?”

“হাত ভে’ঙে গলায় ঝুলিয়ে দেওয়ার। পান থেকে চুন খসলে বলবে,
” খবর আছে।”

আদনানের কথায় নির্মাণ শব্দ করে হাসে। তার হাসি দেখে আদনান ভীষণ বিরক্ত হয়।

★★★

দু’টো দিন পর আদনান নির্মাণের সাথে বেরিয়েছে বাইক রেসের উদ্দেশ্য। তাঁদের সিলেক্ট করা লোকেশনে আসে দু’জন। শেজানও আসবে সেখানে। আদনান বাইক থেকে নামতে জয়কে দেখে। যে নিজের বাইকের সামনে দাঁড়িয়ে সিগারেট টানছে। আদনান একনজর জয়কে পরখ করে নেয়। একটু সাইডে এসে সিগারেট ধরিয়ে সেটা টানতে থাকে। বাকীরা সব ঠিকঠাক করছে। আদনানের সিগারেট খাওয়া শেষ হতে সবাই রেসের জন্য তৈরি হয়। তার পাঁচ জন বাইকার মিলে রেস করবে। তাঁদের মধ্য আছে, জয়,আদনান সাথে তাঁদের ভার্সিটির আরো তিনজন ছেলে।। সবাই নিজেদের বাইকে উঠে বোসে। তৈরি হয়ে বোসতে, তাঁদের রেস শুরু হয়।

নির্মাণ তাকিয়ে আছে সবার যাওয়ার দিকে। মূহুর্তের মাঝে বাইকগুলো তাঁদের চোখের আড়াল হয়ে যায়।
তবে রাস্তার পাশে সেট করা মিনি ক্যামরায় তাঁদের অবস্থান দেখা যাচ্ছে। নির্মাণ চিন্তিত, আদনান জিতবে তো?
বাকীরা মিলে ঠান্ডা কোমল পানীয় পান করছে। শেজান নির্মাণের পাশে দাঁড়ানো। নির্মাণ তার গার্লফ্রেন্ডের সাথে কথা বলছিলো ম্যাসেজে। শেজান রাস্তার দিকে চোখ বুলিয়ে রেখেছে।

নির্দিষ্ট একটা সময় পেরুনোর পর তাঁদের আসতে দেখে সবাই। আদনান,জয় প্রায় আগেপিছে। কখনো জয় আগে তো কখনো আদনান আগে। দু’জন প্রায় প্রতিযোগিতায় আছে। যেকোনো একজন জিততে পারে। নির্মাণ চিৎকার করে বলে, “আদনান জিতবিইই।”

ছেলেপেলে গুলো জয়ের নাম তোলছে। কারণ তারা সবই জয়ের লোক। তাঁদের জয়, জয় স্লোগানের মাঝে আদনান এসে লাল ফিতা ক্রস করে থামে। বাকীরা হতভম্ব হয়ে তাকায়। নির্মাণ চিৎকার করে বলে, “জিতসে রে প্রেমিকনারীর আদনান জিতসে।”

নির্মাণের এমন স্লোগানে শেজান চট করে চড় বসায় নির্মাণের কাঁধে। আদনান চোখ রাঙিয়ে তাকায়। নির্মাণ কৃত্রিম হেঁসে বলে, “জিতসে রে জিতসে আদনান ভাই জিতসে।”

শেজান, নির্মাণ আদনানের কাছে আসে। আদনান বাইকের হেলমেট খোলে জয়ের সামনে আসে। চোখে-মুখে তার তাচ্ছিল্যের হাসি। একটু আগে বাইক রেসে জয় আবরণকে হারিয়েছে আদনান। সেজন্য একটু অহংকার তো মনে আসছে। বিশেষত, জয়ের চেলাপেলা গুলো জয়ের নামে গীত গাইছিলো। কিন্তু বেচারা জয় আবরণ, একাত্তরে হেরে যাওয়া জয় পাকিস্তানের মতো হয়ে গেছে। আদনানের তাচ্ছিল্যের হাসি দেখে জয় বিরক্ত হয়। আদনান শীস বাজিয়ে আবরণের উপর-নিচে পরখ করে। আদনানের এরকম চাহনিতে আবরণ কিছুটা অস্বস্তিতে পড়ে। সেটা স্পষ্ট ভাবে নিজের চেহারায় ফুটে উঠেছে। আদনান কী জেনো আনন্দ পেলো জয়ের অবস্থা দেখে। পুনরায় শীস বাজিয়ে আবরণের উদ্দেশ্য বলে,
“বারবার যারা হেরে যায়, তাঁদেরকে জয় বলে ডাকতে ইচ্ছেই করেনা।”

কথাটা বলে শব্দ করে হাসে আদনান। আবরণ চোয়াল শক্ত করে বলে, “জয়, বারবার হেরে জায়গা মতো জিতে যাবে। শুধু সময়ের অপেক্ষা।”

“আমার বা’ল টা জিতবি। এক কাজ কর, তোর জয় নামটা পাল্টে নে। বারবার হেরে যাওয়া মানুষকে নিশ্চয়ই জয় বলে ডাকতে ইচ্ছে হবেনা।”

“তোর সমস্যা তোর কাছে রাখ। আর তুই কী শীস বাজিয়ে আমাকে ইভটিজিং করছিস?”
আদনান হাসি থামায়। আশেপাশে তাকায়। হাত নাড়িয়ে বলে, “বিশ্বাস কর ভাই ইউনিক কিছু ট্রাই করছিলাম। এই ধর, বারবার হেরে যাওয়া লুজারকে একটু ইভটিজিং করা।”

“আমার তোকে দেখে কী মনে হয় জানিস?”

আদনান বিরক্ত হয়ে জবাব দেয়, “কী?”

“লাইফ লেস।”

“নাইস এন্ড এট্রাক্টিভ।”

আদনানের কথায় জয় চোয়াল শক্ত করে নেয়। আদনান পুনরায় হেঁসে জয়কে ব্যাঙ্গ করে নেচে বলে, “নামটা পাল্টে নিস। লুজার রাখতে পারিস। লুজার আবরণ!”

আবরণ মৃদু চিৎকার করে বলে, “এর মূল্য তোকে দিতে হবে।”

“কত টাকা?”

আবরণ রেগে জবাব দেয়না। রাগে শরীর কাঁপছে তার। আদনান সেই মজা নিচ্ছে জয়কে নিয়ে। আদনান নিজের টাকা গুলো নিয়ে শেজান এবং নির্মাণকে নিয়ে বিদায় হয়। আবরণ তাদের যাওয়া দেখে ছেলেপেলেদের জিজ্ঞেস করে, “আদনান কী নতুন রিলেশনে গেছে?”

তখন একটা ছেলে বলে, “মনে হয়না। রিয়ানা আজাদের সাথে মনে হয় ব্রেক আপ করে নিয়েছে। এখন সিঙ্গেল মনে হয়।”

“না। আদনানের মতো প্লেবয় সিঙ্গেল থাকবেনা। নিশ্চয়ই কেউ আছে। প্রকাশ করছেনা।”

“কীভাবে জানব?”

“যেকোন মূল্যে। যেকোন ভাবে ওই মেয়ের ডিটেইলস চাই আমার।”

“চেষ্টা করব।”

আবরণ ধমকে বলে, “চেষ্টা কিসের? ওই মেয়ের ডিটেইলস আমার চাই মানে চাই।”

কথাটা বলে আবরণ বাইক নিয়ে চলে যায়। ছেলেগুলো তার যাওয়ার দিকে তাকিয়ে আছে।

আদনান বাজারে এসে বাইক থামায়। আশেপাশে চোখ বোলাচ্ছে সে। টাকাগুলো কাকে দেওয়া যায়। আদনান কিছুক্ষণ বসে থাকার পর কিছুই পেলো না। সেজন্য বাইক রেখে উঠে দাঁড়ায়। বাজারে হাঁটে। আশেপাশে দেখে।

হুট করপ নজরে আসে একজন রিকশা চালক। আদনান দূরে দাঁড়িয়ে তাকে পরখ করে। লোকটার একটা পা নেই। এক পা দিয়ে রিকশা চালায়। কিন্তু লোকটার রিকশায় কেউ উঠছেনা। ঠিকই তার রিকশা ক্রস করে পেছনের রিকশায় গিয়ে উঠছে। আদনান বেশ কিছুক্ষণ সেটা পরখ করে এগোয়। রিকশাওয়ালার সামনে যেতে লোকটা একটা হাসি দিয়ে বলে, “সাহেব যাইবেন?”

আদনান নিজেও হাসে। আওড়ায়, “হ্যাঁ যাবো।”
কথাটা বলে রিকশায় উঠে আদনান। লোকটা খুশি হয়ে রিকশা চালাতে শুরু করে। আদনান জিজ্ঞেস করে, “আপনার পায়ে কীভাবে এরকম হয়েছে?”

লোকটা জবাব দেয়, “অ্যক্সিডেন্ট করেছিলাম। এরপর পা কেটে ফালাই দিতে হয়েছে।”

“ডেইলি কেমন চলছে রোজগার?”

“চলে কোনরকম। মানুষ আমার রিকশায় উঠতে চায়না তেমন।”

আদনান জবাব দেয়না। নিচে তাকায়। লোকটা জিজ্ঞেস করে, “কোথায় যাবেন সাহেব?”

আদনান সামনে তাকায়। কিছুটা দূরে তার বাইক দেখা যাচ্ছে। আদনান বলে সে সামনের বাইকটা অব্দি যাবে। লোকটা সেখানে নিয়ে যায়। আদনান রিকশা থেকে নেমে পকেট থেকে টাকার বান্ডেলটা বের করে। লোকটার দিকে এগিয়ে দিলে লোকটা হাত দিয়ে ঠেলে দেয়। সে নিবেনা। আদনান জবাব দেয়, “আপনার উপকার হবে।”

লোকটা জবাব দেয়,
“না সাহেব। এতো টাকা লাগবে না। আপনেরে আমি খুশি মনে এনে দিছি।”

আদনান মৃদু হাসে। জোর করে টাকাটা লোকটার হাতে দেয়। নরম কন্ঠে বলে, “আপনার জন্য। একদিন বড় হবো, তখন আপনার মতো অনেকেই সাহায্য করব।”

লোকটা কৃতজ্ঞতার হাসি দেয়। আদনান সালাম দিয়ে হেঁটে বাইকের কাছে আসে। লোকটার দিকে আরেকবার তাকিয়ে বাইকে উঠে বসে। বাইক স্টার্ট দিয়ে বাসার উদ্দেশ্য রওনা হয় সে।
আলাদা একটা শান্তি কাজ করছে নিজের মাঝে। খুশি মনে বাসায় আসে আদনান। এসে কলিং বেল চাপতে ইলমা দরজা খোলে দেয়। আদনান ইলমাকে দেখে বিরক্ত হয়। পাশ কাটিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে।
আদনান এসে সোফায় বোসে। তখন তৃপ্তি সেখানে উপস্থিত হয়। ইলমাকে বলে, “এক্সাম কেমন দিচ্ছিস?”

“আলহামদুলিল্লাহ, ভালো।”

ইলমার কথায় আদনান তার দিকে তাকায়। বিরক্তি নিয়ে বিড়বিড় করে বলে, “রেজাল্ট আসলে দেখব ন্যাকা কান্না। মেয়ে জাতির সব মিস গেলেও ন্যাকামী মিস যায়না।”

তৃপ্তি এসে আদনানের সামনের সোফায় বোসতে আদনান সাথে সাথে বলে, “এক গ্লাস ঠান্ডা পানি এনে দে তো।”

তৃপ্তি গর্জন দিয়ে বলে “যখন দাঁড়িয়ে ছিলমা বলতে পারলে না।”

“এই বেয়াদব পানি চেয়েছি, পানি এনে দে।”

“উঠতে ভালো লাগছেনা।”

আদনান চোখ রাঙায়। তৃপ্তি ইলমার দিকে তাকাতে আদনান জোরে বলে, “ওর দিকে তাকাচ্ছিস কেন? ওর আনা পানি আমি পান করব না।”

তৃপ্তি ইলমা দু’জন ভ্রু কুঁচকে তাকায়। তৃপ্তি জবাব দেয়, “ইলমার আনা পানি পান করলে কী হবে?”

“যদি বিষটিষ মিশিয়ে দেয়। প্রেমিকনারীর চক্ষুশূল আমি। যেকোন সময় মে’রে দিতে পারে।”

আদনানের কথায় ইলমা তেজ দেখিয়ে বলে, “আমাকে খোঁচা না মারলে হয়না।”

“এই তৃপ্তি তোর ছেলেফ্রেন্ড আছে?”

তৃপ্তি হতভম্ব হয়ে জবাব দেয়, “না।”

“গুড। কখনো ছেলেফ্রেণ্ড বানাবিনা। ভালো মেয়েদের ছেলেফ্রেন্ড থাকেনা।”

তৃপ্তি জবাব দেয়না। মুখ টিপে হাসে। আদনান যে ইলমাকে খোঁচা মেরে কথাটা বলেছে সেটা স্পষ্ট। আদনান সোফায় দু’হাতে ছিটিয়ে বলে, “তৃপ্তি পানি আন।”

তৃপ্তি উঠে যায় পানি আনতে। ইলমা বিরক্ত হয় আদনানের প্রতি। সোফার উপর থেকে একটা কুশন নিয়ে আদনানের মুখ বরাবর ছুঁড়ে মেরে বলে, ” নিজেরটা আগে দেখ। তোর নিজেরও মেয়েফ্রেন্ড আছে। আমার ছেলেফ্রেন্ড নিয়ে আমার জামাইয়ের সমস্যা থাকবে কোন পরপুরুষের না।”

“এই মেলিচা একদম তুই তোকারী করবি না।”

“আমার পার্সোনাল ব্যপারে নাক গলাবি না।”

কথাটা বলে ইলমা চলে আসে। আদনান ইলমার যাওয়া দেখে মৃদু চিৎকার দিয়ে বলে, “প্রেমিকনারী বেশি বেড়েছিস তুই।”

#চলবে

যারা আদনান -ইলমাকে মিস করবেন তারা চাইলে “বুকপকেটের মায়াবিনী” বইটা কিনতে পারেন। যখন খুশি তখন বইটায় আদনান-ইলমাকে পড়তে পারবেন। তারা সবসময় আপনার সাথেই থাকবে। ৩৫% ছাড়ে ২৪০৳ টাকায় বইটা অর্ডার করতে ম্যাসেজ
https://www.facebook.com/boiprangon1

আমার গ্রুপ লিংক
https://m.facebook.com/groups/582123563029858/?ref=share&mibextid=NSMWBT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here