#গুপ্ত_প্রেমের_সুপ্ত_পিয়াসা” 🖤|৩৬|
#শার্লিন_হাসান
আদনান এবং ইলমার দূরত্বটা হুট করে এমন বেড়েছে যেনো কেউ কাউকে চিনে না। তাঁদের পরিচয়ও হয়নি কোনদিন। এর পেছনের কারণটা অবশ্য আদনান ভালো জানে। সেদিন জয়ের সাথে ঝামেলার পর, সন্ধ্যায় আদনান ব্যালকনিতে ইলমাকে বলেছিলো, “প্রেমিকনারী, এতোক্ষণ ব্যালকনিতে আসার সময় হলো।” কিন্তু সেসময় ইনান শেখ ছিলো। ইলমা না। আদনান শুধু দাঁড়িয়ে বাবা-মেয়ের কান্ড দেখছিলো। শেষে ইলমা রুমে চলে গেলে, আদনান এবং ইনান শেখ মুখোমুখি হয়েছিলো।
অথচ সেদিন জয়ের সাথে ঝামেলার পর আদনান সরি বলার কথা ছিলো। কিন্তু এরকম কিছুই হলোনা। তাঁদের কাছাকাছি আসতে খুব সময় লাগেনি, আবার দূরে যেতেও সময় লাগেনি।
লোকে বলে, “খুব দ্রুত যেসব সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায়, সে সম্পর্কে বেশিদিন স্থায়ী হয়না। ভেঙে যায়!”
হয়ত ইলমা আদনানের বেলায়ও সেম হয়েছে।
এদিকে আদনানের উপস্থাপকের সাথে বলা ত্যাড়া কথার ছোট্ট ভিডিও ক্লিপস টা ভাইরাল হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরপাক খাচ্ছে সেই ভিডিও। হুট করে আদনানের আইডিতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে পাবলিক। তার পরিচয়,ডিটেইলস বের করছে।
এছাড়া তার গানের ভয়েজে অনেকের পছন্দ হয়েছে। তার ড্যাশিং লুকেও অনেকে ফিদা। সব মিলিয়ে আদনান জেনো অল্প কয়দিনে আলোচনায় চলে এসেছে।
বিভিন্ন জায়গা থেকে মিউজিক ভিডিও করার অফার আসছে। তার সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিতে, মেয়েদের কমেন্ট,রিয়েক্ট। অহরহ ম্যাসেজ আসছে!
এই সব ব্যপার তৃপ্তি এবং ইলমা দু’জনের চোখে পড়ছে। আদনানের বন্ধুমহল কল দিয়ে কংগ্রাচুলেশনস জানায়। ইয়ার্কি করে!
তৃপ্তি তো আদনান রুম থেকে বেরুলে বলে, “সেলিব্রিটি আসছে! সবাই সাইড দাও।”
এই নিয়েও আদনানের ত্যাড়া কথা শোনতে হয়।
আদনান কখনোই চায়নি সোশ্যাল মিডিয়ায় আসতে। সেজন্য হয়ত তাকে নিয়ে পাবলিকের কৌতূহল বেড়েছে।
আদনান দেখতে সুন্দর এবং ভীষণ সুদর্শন। এখানকার চেয়ারম্যানের ছেলে! বাবার অঢেল টাকা পয়সা আছে। সব মিলিয়ে মেয়েদের আগ্রহতে সে আছে।
সেদিন বিকেল বেলা। সূর্যের কোমল আভা ছড়িয়েছে আকাশ জুড়ে। কিছুক্ষণ পর অন্ধকার নেমে যাবে। আদনান ব্যালকনিতে বসে ফোন স্ক্রোল করছিলো। মূলত মিউজিক ভিডিওতে কাজ করা নিয়ে কথা বলছিলো। আদনান কথাবার্তা ফাইনাল করে আড়মোড়া ভেঙে উঠে দাঁড়ায়। দিনে কত মেয়ের রিকুয়েষ্ট আর ম্যাসেজ আসে! কিন্তু আদনান সেসবে পাত্তা দিচ্ছেনা। এখন মেয়েমানুষ বা প্রেমের প্রতি আগ্রহ পাচ্ছেনা সে।
হুট করে দখিনা বাতাস ছুটে। শীতল বাতাস। মন-প্রাণ ঠান্ডা করার মতো অবস্থা। আদনান রুমে যেতে গিয়েও যায়নি। ঠান্ডা বাতাসটা ভালো লাগছো তার।
তুমুল বাতাসে ইলমার রুমের, জানালার পর্দা গুলো এলোমেলো ভাবে উড়ছে। বিছানা ছেড়ে উঠে দাঁড়ায় ইলমা। লাইট অন করে জানালা লাগিয়ে দেয়। তাড়াহুড়োয় ব্যালকনিতে যায়। টেবিলের উপর তার কিছু গল্পের বই রাখা আছে। বৃষ্টি আসলে সব ভিজে টইটুম্বুর হয়ে যাবে। সেজন্য বইগুলো নিতে ব্যালকনিতে যায় ইলমা। চারপাশ তখন তমসায় ঘেরা। শুধু পাশাপাশি দুটো ব্যালকনিতে লাইট জ্বলছে। দু’টো ব্যালকনিতে দু’জন মানুষ দাঁড়ানো। তবে কেউ কারোর দিকে তাকায়নি। আদনান ইলমার উপস্থিতি টের পেতেই ব্যালকনি ছেড়ে দেয়।
সোজা লিভিং রুমে এসে বসে। উপস্থিত আছে বাকীরাও। তারেক মাহমুদ, ইনান শেখকে বলেন, “বাড়ির কাজ তো শেষের দিকে। খুব তাড়াতাড়ি সেখানে শিফট হবো। এখন সবাই সবার পছন্দের রুম নির্বাচন করে নিও।”
ইনান শেখ জবাব দেন, “এখনকার মতোই।”
তখন তৃপ্তি বলে, “বেশ হবে। আমার আর দাদীর রুম পাশাপাশি।”
আদনান বলে, “না। আমার রুমের পাশের রুম যাকে তাকে দেওয়া যাবেনা। ব্যালকনিতে গেলে, ডিস্টার্ব হই।”
আদনানের এমন কথা ইনান শেখ গুরুগম্ভীর ভাব করেন। ছেলেটার জেদ আছে বলতে হবে! সেজন্য ইনান শেখ জবাব দেন, “এখন বোসে আছো কেন? তৃপ্তির সাথে রুম এক্সচেঞ্জ করে নেও।”
“করব। যদি আপনি আমার রুমের ফার্নিচার গোছানোর কাজে লাগেন।”
আদনানের বিরক্ত মাখা কথায় তারেক মাহমুদ বিরক্ত হোন। ইনান শেক চোয়াল শক্ত করে নেন। তৃপ্তি হা করে তাকিয়ে আছে। আদনান সেসব পাত্তা দেয়না। ইনান শেখ তৃপ্তিকে বলেন, “ইলমাকে ডেকে আনো তো।”
তৃপ্তি মাথা নাড়ায়। উঠে যায় ইলমাকে ডেকে আনার জন্য। আদনান গুরুগম্ভীর ভাব করে ইনান শেখের দিকে তাকায়। দু’জনের মনে,মনে রাগ তবে সেটা সংযত করে রাখছে। দু একটা কথার মাধ্যমে প্রকাশ করছে। এর মাঝে তুমুল ঝড় শুরু হয়। ইলমা, তৃপ্তির পেছন,পেছন আসে। এসে তার বাবাকে বলে, “ডেকেছ?”
“পাশে বসো।”
ইলমা বসে। তাঁদের বাবা মেয়েকে দেখে আদনান বিরক্ত হয়। নাকমুখ কুঁচকে বিড়বিড় করে বলে, “আজকের ধারাবাহিক নাটকের নতুন এপিসোড শুরু হচ্ছে।”
তার বিড়বিড় করে বলা কথা, তারেক মাহমুদ পাশে বসে থাকায় শুনে নিয়েছেন। ছেলের কথায় হাসি চেপে রাখেন তিনি। দিনদিন ইনান শেখ জেনো, আদনানের চক্ষুশূল হয়ে উঠেছে। আগে থেকে ইনান শেখের চক্ষুশূল আদনান থাকলেও, আদনানের দিক থেকে তেমন প্রতিক্রিয়া ছিলো না। এখন তো দু’জনের ভেতরে,ভেতরে ঝামেলা চলছে।
তারেক মাহমুদ নিজের ভাইয়ের দিকে তাকান। তারপর আদনানের দিকে। একনজর ইলমাকেও দেখেন। কপাল স্লাইড করতে,করতে ভাবেন, “ইনান শেখ তো মেয়েকে দিবে না আদনানের কাছে। যদি কোন ভাবে বিয়েটা হয়ও! তাঁদের জামাই শ্বশুর সম্পর্কটা কেমন হবে ভেবেই ঢোক গিলেন তারেক মাহমুদ।”
সন্ধ্যার নাশতা সেরে কেউ,কেউ রুমে চলে গেছে। শুধু ইনান শেখ, আদনান,ইলমা,তৃপ্তি আছে। তখন ইজাজ এসে আদনানের পাশে বোসে। কৌতূহল নিয়ে নজর দেয় আদনানের ফোনে। আদনানও কিছু বলেনা। দু’জন রিলস দেখছে। আদনানের সাথে ইজাজকে, ইনান শেখের ঠিক সহ্য হলো না। বিরক্তিতে নাক মুখ কুঁচকে নিয়ে ইজাজকে বলেন, “তোমার পড়া নেই? এসেই দেখি ফোনে নজর দিয়ে বসেছ।”
আদনান ফোনটা অফ করে ইজাজকে মুখের উপর তাড়িয়ে দিয়ে বলে, “পড়ার টেবিলে যাও। ইজাজচন্দ্রবিদ্যার সাগর না হলে তোমার বাপের প্রেস্টিজ কমে যাবে। বাজে মানুষদের পাশে বোসতে নেই। কিছু ভালো মানুষদের চুলকানি শুরু হয়ে যায়।”
ইলমা হা হয়ে তাকিয়ে আছে আদনানের কথায়। তৃপ্তি একটা ঢোক গিলে। ইনান শেখ চোয়াল শক্ত করে নেয়। ইজাজকে জোরে ধমক দিয়ে বলেন, “এখনো বসে আছো? বেয়াদবের সাথে থাকলে বেয়াদব হতে সময় লাগবে না। ইলমা রুমে যাও। আশেপাশে তাকানোর দরকার নেই।”
ইনান শেখের ধমকে ইলমা,ইজাজ,তৃপ্তি তিনজন ছুট লাগিয়েছে। আদনান ডোন্ট কেয়ার ভাব নিয়ে ইনান শেখকে বলেন, “আপনার বাচ্চারা সোনায় মোড়ানো নাকী? এদের নিয়ে খুব অহংকার না। মানুষকে তো মানুষ মনে করেন না। আপনার চোখে, আমি ভীষণ বাজে ছেলে । দেখবেন এই বাজে ছেলেই একদিন আপনার কাজে আসবে।”
” তোমার থেকে সাহায্য নিতে হবে এমন কোন বিপদ আমার না আসুক। আমার মেয়ের সাথে তোমার ভাব নেই সেটাতে আমি খুশি ”
“আপনার কী মনে হয়, আমার রুচি এতো খারাপ যে আপনার ঘরকুনো মেয়ের সাথে প্রেম করব?”
কথাটা বলে আদনান রুমে চলে আসে। ইনান শেখ তাকিয়ে আছেন আদনানের যাওয়ার দিকে। এই ছেলের সাথে তার ঝামেলা সত্যি শেষ হওয়ার না।
আদনান রুমে এসে খাটের উপর বোসে। হাত দিয়ে কপাল স্লাইড করছে। এক ইলমা নিয়ে ইনান শেখের এতো আদিখ্যেতা দেখে আদনান বিরক্ত। সে কী মানুষ না? এতো তুচ্ছতাচ্ছিল্য কেন?
★★★
ঠিক এভাবে বেশ কয়েকমাস কেটে যায়। আদনান এবং ইলমা, কারোর সাথে কারোর এখন আর দেখা হয়না বললেই চলে। ইলমা নিজের ভার্সিটির ক্লাস নিয়ে ব্যস্ত। আদনান নিজের কাজের ব্যস্ততা নিয়ে তার সময়টা এখন খুবই ভালো কাটছে। তার বেশ কয়েক মিউজিক ভিডিও বের হয়েছে। সবগুলোতে ভালো রেসপন্স। এছাড়া কয়েকটা কনসার্টও করেছে সে। ইনান শেখকে, নিজের সফলতা না দেখানো অব্দি আদনানের শান্তি নেই।
নতুন বাড়ির কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। এখন সেখানে শিফট হওয়া নিয়ে পরিকল্পনা চলছে।
ভার্সিটিতে জয়ের সাথে ঝামেলা থাকলেও ইলমার সাথে জয়ের মুখোমুখি সাক্ষাৎ হয়না। বলা যায়, জয় তাকে চিনতে পারেনা। ইলমা বোরকা, হিজাব পড়ে মুখ ঢেকে যায়। সেজন্য জয় তাল করতে পারেনা। তবে সে তো খোঁজ করেই চলেছে।
আগামী কাল সন্ধ্যায়, আদনানের একটা কনসার্ট আছে। তৃপ্তি আবদার করেছে, সেও যাবে কনসার্টে। আদনান কিছু বলেনি। শুধু বলেছে, “বাবা দিতে রাজী হলে নিবে। নাহলে নাই।”
বিকেল থেকে তৃপ্তি তারেক মাহমুদের কানের কাছে ঘ্যানঘ্যান করে বলেই যাচ্ছে। কিন্তু তারেক মাহমুদ হেলদোল করছেন না। ইলমাকে ইনান শেখ কনসার্টে যেতে দিবেনা শিওর। সেখানে তৃপ্তি একা কেন যাবে! আদনান থাকবে ব্যস্ত।
তৃপ্তি বিরক্ত হয় সবার প্রতি। আদনানকে বলে, “নিশাত, রাহা ওনারাও তো যাবে। আমি ওনাদের সাথে থাকব।”
আদনান তারেক মাহমুদের দিকে তাকিয়ে বলে, “তৃপ্তি, নিশাতের সাথে থাকবে।”
“আসার সময় সুন্দর করে নিয়ে আসবে।”
তৃপ্তি অনুমতি পেয়ে খুশি হয়। আরেকটা আবদার করে, “ইলমাকেও নিয়ে যাব।”
আদনান বিরক্ত হয়। তারেক মাহমুদ ইনান শেখের দিকে তাকান। আদনান ধমকে বলে, “মুখটা বন্ধ করে শান্তি দে। বিকেল থেকে কানের কাছে বকবক করেই যাচ্ছিস।”
তারেক মাহমুদ জবাব দেন, “ইলমাও যাক। ভার্সিটি ছাড়া তো তেমন বেরোয় না।”
ইনান শেখ ইলমার দিকে তাকায়। সে চুপচাপ! আদনান কলের ব্যস্ততা দেখিয়ে সরে আসে। তৃপ্তি, ইনান শেখকে বলে, “ইলমা গেলে কী হবে?”
“ইলমা রাজী থাকলে যাক।”
তৃপ্তি ইলমাকে চোখ দিয়ে ইশারা করে হ্যাঁ বলার জন্য। ইলমা মুখের উপর বলে, ” আমি কোথাও যাব না।”
তারেক মাহমুদ আর কিছু বলেননি। ফরিদা পারভীন ইলমাকে বলেন, “সারাক্ষণ তো রুম একটায় থাহোস। ভার্সিটি,ভার্সিটি। তৃপ্তি একা যাইব, তুইও যা।”
“এতো মানুষের ভীড়ে যাব না।”
কেউ আর জোর করেনি। তৃপ্তি উঠে চলে যায়। ইলমাও চুপচাপ রুমে চলে আসে। দরজা বন্ধ করতেই কেমন হাঁসফাঁস অনুভব হলো। হুট করে মন খারাপ হয়ে গেলো। পুরোনো দিনের কথা ভাবলেই মস্তিষ্ক এলোমেলো হয়ে যায়। মনটা হু হু করে কেঁদে উঠে।
একসময় যার চোখে নিজের জন্য এক সমুদ্র মায়া-টান-ভালোবাসা দেখছিলাম, সময়ের বিবর্তনে সেই চোখে বিরক্ত, এড়িয়ে চলা, দূরত্বটা সুস্পষ্ট হলো।
রাতের নিরব আকাশে জ্বলজ্বল করে জ্বলছে একটা চাঁদ। আদনান দাঁড়িয়ে, দাঁড়িয়ে চাঁদ দেখছে। চাঁদ দেখা তো ছুঁতো! মনের গহীনের তিক্ত ব্যথাটা নাড়া দিয়ে উঠেছিলো। সেটা তাড়াতেই যত আয়োজন। খুব সাধনা করে পাওয়া মানুষটাকে খুব সহজে দূরে ঠেলে দেওয়ার অভিজ্ঞতাটা ভীষণ বাজে ছিলো।
★★★
অতঃপর তৃপ্তি এসেছে আদনানের কনসার্টে। আদনানের বন্ধুমহলের সাথেই দাঁড়ানো সে। একদিকে লাইভ হচ্ছে, অন্যদিকে মিউজিক বাজছে। আদনান ড্যাশিং লুকে স্টেজে উঠেছে। সহস্র মানুষের ভীড় সেখানে। আদনান সুকন্ঠে মাইকে দু’চারটা কথা বললো। চারপাশ নিস্তব্ধ হতে আদনান গাওয়া শুরু করে,
তুমি না ডাকলে আসবো না
কাছে না এসে ভালোবাসবো না
দুরত্ব কি ভালোবাসা বাড়ায়?
নাকি চলে যাওয়ার বাহানা বানায়?
দূরের আকাশ নীল থেকে লাল
গল্পটা পুরনো,
তখন সবাই একসাথে বলে উঠে,
ডুবে ডুবে ভালোবাসি
তুমি না বাসলেও আমি বাসি,
ডুবে ডুবে ভালোবাসি
তুমি না বাসলেও আমি বাসি।
এটা কি ছেলেখেলা আমার এই স্বপ্ন নিয়ে
চাইলে ভেঙে দেবে গড়ে দেবে ইচ্ছে হলে,
আমি গোপনে ভালোবেসেছি,
বাড়ি ফেরা পিছিয়েছি
তোমায় নিয়ে যাবো বলে।
একবার এসে দেখো,
এসে বুকে মাথা রেখো
বুলে দেবো চুলে রেখে হাত।
দূরের আকাশ নীল থেকে লাল
গল্পটা পুরোনো,
ডুবে ডুবে ভালোবাসি
তুমি না বাসলেও আমি বাসি,
ডুবে ডুবে ভালোবাসি
তুমি না বাসলেও আমি বাসি।
খুব সুন্দর একটা সময়ের মধ্য দিয়ে গান গাওয়া শেষ হলো।
ইলমা রুমে বসে ফোনে আদনানের কনসার্ট দেখছে। আদনানের সুকন্ঠে গাওয়া গানটা তার ভেতরটা এলোমেলো করে দিয়েছে। একেকটা লাইন জেনো তাদের পুরোনো গল্পকে দোলা দিয়েছে।
আচ্ছা কী এমন হয়েছিলো যে এমন দূরত্ব তৈরি হলো? প্রশ্নটা প্রায়ই ইলমার মাথায় আসে। কিন্তু উত্তর মিলাতে পারেনা। কিছুতো হয়েছে যে আদনান এমন দূরত্বের দেওয়াল তুলে দিলো।
#চলবে
(এটার পেছনে অনেক কাহিনী আছে। সামনে জানতে পারবেন।)
আদনান-ইলমার বইটা সবাই অর্ডার করছেন তো?
গ্রুপ লিংক,
https://m.facebook.com/groups/582123563029858/?ref=share&mibextid=NSMWBT

