আমার_বোবাফুল(২৮) #তৃপ্তি_এহসান_নাওরা

0
65

#আমার_বোবাফুল(২৮)
#তৃপ্তি_এহসান_নাওরা

রাতের দিকে অভ্র এলো বর্ণ’র রুমের দ্বারে।হাতে মিষ্টি এবং পাশে তুহফা।তার শঙ্কা এখনো কাটেনি। ভাইয়া যদি পুণরায় হামলে পড়ে?তাই মূলত তুহফাকে সাথে রাখা। রেজাল্ট উপলক্ষে মিষ্টিমুখ তো করাতে হবে!
যদিও অভ্র’র অভিমান এখনো উবে যায়নি কিন্তু দিনশেষে ভাইয়াকে ছাড়া দিনটি উদযাপন করাটাই বৃথা মনে হচ্ছে।

“ আসবো?”

সবে শাওয়ার নিয়ে বর্ণ বসেছিলো সোফায়।গায়ে কালো টিশার্ট। বেডে অবলিলায় পড়ে আছে কালো জ্যাকেটখানা।হাতের পুরোনো ব্যান্ডেজ তুলে নতুন করে বাঁধার কার্যক্রম চলছে। অভ্র’র কন্ঠ পেয়ে মাথা তুলে চাইলো নিষ্প্রভ দৃষ্টি মেলে। দরজা চেপে রাখা। খানিক আগে আযাদ শিকদার এসেছিলেন।উঠে আর দ্বোর লক করেনি সে।ফাঁক দিয়ে অভ্র’র মুখশ্রী অল্পস্বল্প দৃশ্যমান। বর্ণ’ হাতের ইশারায় প্রবেশের অনুমতি দিলো।
অভ্র দুঃখ পেলো মনে মনে। ভাইয়া ঠিক আগে যেমন নির্বিকার থাকতো –এখনো তাই আছে! তাকে দেখে একটুও অপরাধবোধ কাজ করছে না ভাইয়ার? অভিমানের পাল্লা ভারী হয় অভ্র’র। নিঃশব্দে ভেতরে প্রবেশ করে বর্ণ’র সামনে মিষ্টির প্লেটটা রেখে পুণরায় উল্টো পা চালায়।

“ জিপিএ?”

আপনাআপনি পা থেমে যায় অভ্র’র।এক মূহুর্তের জন্য অভিমান-টভিমান ছুটে পালিয়ে শঙ্কা জেঁকে বসে ।সে জানে, ভাইয়া তার আগেই জিপিএ দেখে নিয়েছে।এখন তার মুখ থেকে শুনে নির্ঘাত হেঁয়ালি করবে!

বর্ণ চোখ তুলে তখনো দেখেনি তাকে। ব্যান্ডেজের কাজ অর্ধ-সমাপ্ত রেখেই কাঁটা চামচের আগায় মিষ্টি গেঁথে মুখে পুরে দিলো দুটো।নজর অদৃশ্যে।গলা খাঁকারি দিয়ে অভ্র বললো,

“ ফাইভ পয়েন্ট!”

ফট করে তার দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপন করলো বর্ণ।কী সূচালো সেই দৃষ্টি!অভ্র ভড়কে গেলো।থমথমে গলায় বললো পরপর,

“ 4.78”

ঠোঁটে ঠোঁট চেপে কপাল কুঞ্চিৎ করে বর্ণ ছোট ছোট চোখে তাকিয়ে রইলো।অভ্র শক্ত নিষ্প্রাণ মুখে দাঁড়িয়ে রয়।বুঝিয়ে দিতে চায় –ভাইয়ার সাথে কথা বলতে সে ইন্টারেস্টেড নয়!

বর্ণ আচমকা উঠে দাঁড়ালো। আড়চোখে একবার অভ্রকে দেখে ড্রেসিং টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে একটা বোতল হাতে তুলে নেয়। অতঃপর আরো একবার অভ্রকে দেখে নিয়ে আচমকা বোতলটা তার দিকে ঢিল ছুড়ে দিলো।সাথে সাথে অভ্র ক্যাঁচ করে নেয়।অবাকতার শীর্ষে পৌঁছে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখে সেটা।

পারফিউম! ভাইয়ার জিনিসে অনুমতি ব্যতীত হাত দেয়া বারণ।সে একবার এই পারফিউম অগোচরে গায়ে মেখেছিল বলে শাস্তি দিয়েছিল, তবে আজ হঠাৎ..

“ এটা কেনো?”
“ রেখে দে তোর কাছে!”

প্রফুল্লে মন হেলেদুলে উঠলেও গম্ভীর মুখে সে বললো,
“ লাগবে না তোমার জিনিস!”

“ আচ্ছা?”

বর্ণ ঘাড় কাত করে সন্দিহান দৃষ্টিপাত করতেই অভ্র খানিকটা ভয় পেয়ে যায়। কেড়ে নেবে নাকি?কচি কাল থেকে ভাইয়ার ব্যবহৃত জিনিসে তার অসীম লোভ।তাকে নকল বলো বা অনুসরণ –দুটোই করতে প্রচন্ড ভালোবাসে অভ্র।
‘যাচ্ছি’ বলে চলে আসতে নিয়েছিল সে। পথিমধ্যে বর্ণ’র একখানা মুখনিঃসৃত বাণী শুনে থেমে গেলো,

“ সেদিন খুব জোরে লেগেছিল, না? ”

লিফট সংস্কার করা হয়েছে।এখন আর সিঁড়ি চড়ার অলসতা জাপটে ধরবে না।তামিজ শিকদার ফিফ্থ ফ্লোরে যাবেন।দ্বার বন্ধ হওয়ার আগে কোত্থেকে উড়ে এসে তড়িঘড়ি করে লিফটে ঢুকে গেলো সুখ।আব্বুকে দেখতে পেয়ে প্রসস্থ হাসলো।

“ আমাদের বাড়ি অতিথি হয়ে যাচ্ছো আব্বু?”

সুখের ইশারা বুঝে হেসে ফেললেন ভদ্রলোক। সজোরে মাথা দুলিয়ে বললেন,

“ হ্যাঁ, হ্যাঁ ছেলে মেয়েদের বাড়ি যাই না বহুদিন।আজ চক্কর কাটার সুযোগ পেয়ে হাত ছাড়া করতে চাইছি না!”

সুখ নিজেও হাসলো ঠোঁট এলিয়ে।আব্বুর কাছাকাছি গিয়ে নিজের দিকে ইশারা করে হাত নেড়ে বললো ঠোঁট উল্টেপাল্টে,

“ এই মেয়ের বাড়ি তো আর যাবে বলে মনে হচ্ছে না। কোথায় যাবে? নিশ্চয়ই ছাদে?”

হাসি খানিকটা ক্ষীণ হয়ে আসে তামিজ শিকদারের। অন্যমনস্ক হয়ে অল্পক্ষণ পর মৃদু হেসে বললেন,

“ বর্ণ’র সাথে কিছু বলার আছে আম্মু!”

পুরুষটির নাম উঠে আসতেই প্রদীপের আলো নিভে আসার মতো করে সুখের হাসি সরে যায় অধর ছেড়ে। দুচোখের তাঁরায় সূর্যোদয়ের ন্যায় ভেসে উঠে খানিক আগের দৃশ্যপট।সে ঢোক গিলে এদিক ওদিক চায়। জিজ্ঞেস করতে বড্ড ইচ্ছে করছিল –বর্ণ ভাইয়ের সাথে কী কথা বলবে আব্বু?
কিন্তু বলা হয়নি আর! রুমে এসে বই মেলে টেবিলে বসলো সুখ।আজ কলেজ যাওয়া হয়নি,কাল জরুর যেতে হবে।কিছুক্ষণ অতিবাহিত হওয়ার পর বেখেয়ালে হঠাৎ মস্তিষ্কে আগমন ঘটে কিছু একটার। পরোক্ষণে বইয়ে কুনুক ঠেকিয়ে গালে হাত রেখে সুখকে অন্যমনস্ক হতে দেখা গেলো।

নক্ষত্ররাজি মিটমিট করছে ওই দূরে।ঘনকালো আকাশ। চাঁদের একখন্ড নম্র আলো ছাদের একপ্রান্তে ছিটকে এসে পড়েছে।গুটি কয়েক জোনাকি টিমটিমে আলো ছড়িয়ে ছুটছে এদিক থেকে ওদিক।

ছাদে আসার পূর্বে বৈদ্যুতিক আলো নিভিয়ে দিয়েছিলো বর্ণ। ফলস্বরূপ, মৃদু মন্দ আলো আঁধারির লুকোচুরি চলছে এখানে।

রেলিং ঘেঁষে দাঁড়িয়ে সে একদৃষ্টে জমিনের দিকে চেয়ে রইলো।গলায় বরাবরের মতো হেড ফোনটি রয়েছে। এটা গলেতে না নিলে যেনো তার চলেই না।ছাদ থেকে সুইমিংপুলটা অতি ক্ষুদ্র পরিসরে দেখাচ্ছে। চাঁদের আলো এবং কৃত্রিম আলোর মিশিলে পুলের মধ্যভাগের পানি জ্যোতি ছড়াচ্ছে,ঠিক যেনো কল্পনার নাগমণি।

তামিজ শিকদার পাশেই দাঁড়িয়ে আছেন।উনার অপলক দৃষ্টি বর্ণ’র মুখশ্রীতে স্থির। যদিও কেবল মুখের একপাশই উনার নজরে আসছে।

সেদিনের পর আজো একটা বিষয়ে আযাদ শিকদারের সাথে কথা হয়েছে উনার।কোন-সে বস্তু বর্ণকে তাড়া করে বেড়ায় যা মনে পুষে রাখতে রাখতে তার আজ এই পরিণতি –তা উদ্ঘাটন করার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা করতেই এখানে আসা।তবে ভদ্রলোক আশাহত।ইনিয়ে বিনিয়ে বহুবার জিজ্ঞেস করার পরেও ছেলেটা এড়িয়ে গেছে বিষয়টি।তামিজ শিকদার দীর্ঘ শ্বাস ছাড়লেন।বর্ণ হঠাৎ তার দিকে ফিরলো।খুব স্বাভাবিক ভাবেই জিজ্ঞেস করল,

“ তুমি বোধহয় কিছু বলতে চাও চাচ্চু? নির্দ্বিধায় বলতে পারো!আই ডোন্ট মাইন্ড!”

হতাশ হলেন ভদ্রলোক,রাগও হলো কিঞ্চিৎ পরিমাণে।কী বলতে চাইছে তা জেনেও…!
তিনি বুঝলেন ভেঙে ভেঙে না বললে বর্ণ কথা ঘুরাতেই থাকবে।বললেন গম্ভীর বলায়,

“ তুই কোনো বিষয়ে ট্রমাটাইজ্ড? আমাদের অথবা বাহিরের কারো কাছে কোন কিছুতে দুঃখ পেয়েছিস? অথবা অন্য কোন যন্ত্রনা তোকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে?কী হয়েছে আমাদের বল?”

বর্ণ বুঝি এবার আশ্চর্য হলো।এমন করেই চাচ্চুর দিকে তাকিয়ে বললো,

“ একদফা আম্মু, এরপর আব্বু এখন আবার তুমিও একই কথা জানতে এসেছো চাচ্চু?ট্রমা, শক,দুঃখ, যন্ত্রণা আর আমি?কী বলো তোমরা।এসবের কোনো একটাই বা কেনো হতে যাবে আমার?হোয়াই?চাচ্চু..আ’ম অল রাইট! ট্রাস্ট মি!”

“ আর ইউ্যু শিওর?”
“ ইয়াহ!”

“ কাউকে ভালোবেসে হারিয়ে ফেলেছিস অথবা ধোঁকা দিয়েছে কেউ?”

বর্ণ এবার শব্দ করেই হেসে উঠলো। আশেপাশে প্রতিধ্বনিত হলো সেই হাসির ঝংকারে।তামিজ শিকদার কপাল কুঁচকে তাকিয়ে রইলেন। ভদ্রলোক এখন বিরক্ত হচ্ছেন বর্ণ’র উপর।হাসি থামিয়ে বর্ণ’ সগর্বে জবাব দিলো ,

“ ভালোবাসা আর আসফিয়ান বর্ণ’র সম্পর্ক আকাশ আর জমিনের মতো।একটা থেকে অপরটার দূরত্ব যোজন যোজন।তবে এতোটাও হেলাফেলা ভেবো না চাচ্চু। আন-ফরচ্যুনেটলি তোমার ভাইপো কাউকে ভালোবেসে ফেললেও হারানোর প্রশ্নই উঠবে না।যা আমার তা আমার করে নিতে জানি।আর রইলো বাকি ধোঁকা?তার পরিণাম…

বর্ণ ঠোঁট একপেশে বাঁকা হাসলো।তামিজ শিকদার অধৈর্য গলায় বললেন,

“ তাহলে তোর মানসিক অশান্তির কারণ কী?”
“ কোন কারণ নেই!”

“ বলবিনা তো?”
“ শুনলে সহ্য ক্ষমতা হারাবে! ”

তামিজ শিকদারের কানে কথাটি স্পষ্ট পৌঁছায়নি। জিজ্ঞেস করেন,

“ কিছু বললি?”
“ উঁহু!”

বাড়ির পেছনে পাশ ঘেঁষে যাওয়া রাস্তা থেকে ক্ষণে ক্ষণে গাড়ি চলার আওয়াজ ভেসে আসছে হালকা হালকা।
সেই শব্দগুলোও এখন বিরক্তিকর ঠেকছে তামিজ শিকদারের কানে। তিনি চেয়ারে গিয়ে বসলেন। অল্পক্ষণ নিরবতা চললো দু’জনের মাঝে।বর্ণ আড়চোখে একবার পিছনে চাচ্চুকে দেখে প্রলম্বিত শ্বাস ছাড়লো।

“ তুই আমাদের আগের বর্ণ’টা নেই!সেটা জানিস?”

“ মানুষ পরিবর্তনশীল!কথাটা কিন্তু মিথ্যে নয়!”

“ পরিবর্তনের আগে তুই আমাদের কাছে অনেকদিন ছিলি না।ইনফেক্ট কোন যোগাযোগও রাখিস নি.. এটা মনে পড়ে?”

“ পড়বে না কেনো! ইম্পর্ট্যান্ট কাজে দেশের বাহিরে গিয়েছিলাম। তোমাদের সাথে যোগাযোগ রাখলে ওখানে মন নাও টিকতে পারে। যখন তখন চলে আসতে ইচ্ছে করবে তাই তো সমস্ত যোগাযোগ অফ রেখেছিলাম! বলেছিলাম আগে, মনে করার চেষ্টা করো?”

“ জানতে পারি কোন সে-দেশ?যদিও সঠিক জবাবের আশা করা বোকামি!”

বর্ণ হাসলো অদ্ভুত ভঙিমায়। আসলেই বোকামি! বাঁ হাতটা প্রচন্ড অবহেলায় রেলিংয়ে রাখলো সে। আঘাতপ্রাপ্ত জায়গা টনটন করে উঠে।আলোতে নিয়ে গেলে নিশ্চয়ই দেখা যাবে –সেলাই থেকে রক্ত ছুটছে।বর্ণ দমে গেলো না।সেই হাতেই রেলিং সর্বশক্তি দিয়ে চেপে ধরে নিষ্প্রাণ গলায় হিসহিসিয়ে বললো,

“ যে দেশে সূর্যের আলো পৌঁছা বারণ!”

গলা শুকিয়ে আসে সুখের।পানির তেষ্টা পায়।ধীর ধীর চোখে একঝলক দৃষ্টি তুলে বর্ণকে দেখে পুণরায় নজর নামিয়ে নেয়।কলেজ যেতে পরিপাটি হয়ে লিফটে মাত্রই প্রবেশ করেছিল সে। পরপরই বর্ণ এসে মজাদার খাবারে বাঁ হাত ঢুকিয়ে দিলো যেনো। ইচ্ছে করেই এখন মাঝপথে লিফট বন্ধ করে করে দিয়ে বাজপাখির দৃষ্টিতে চেয়ে আছে লোকটা।সুখ বারংবার ঢোক গিলে গলায় হাত বুলিয়ে নেয় অবচেতন মনেই। মস্তিষ্কে ঘুরঘুর করছে একটিই ভাবনা –সেদিন অভ্রকে যেভাবে গলা চেপে ধরেছিল তাকেও যদি ধরে?অথবা রুমের ত্রিসীমানায় ঘেঁষতে নিষেধ করার পরেও সেদিন অমান্য করার অপরাধে এখন শাস্তি দেয়?

পরপরই মনে পড়ে সে প্রতিরাতে বর্ণ’এবং বাকি সবার সামনে নিজেকে শক্ত পেশ করার প্রতিজ্ঞা নেয়।তবে এখন ভয় পাচ্ছে কেনো?সেতো এতোটাও ভীতু নয়!ফিরতি মস্তিষ্কে শাসিয়ে দিলো আরো একটিবার,

“ বর্ণ’র ওই দানবীয় হাতখানা একবার গলায় উঠে আসলে সকল সাহস উড়ে যাবে ডানা মেলে!”

মস্তিষ্কের কথা এবারে আমলে নিলো না সুখ।দেখা যাক বর্ণ ভাই কী করতে পারে?অনুভূতি শূন্য দৃষ্টিতে সুখ বুকে বই চেপে অন্যত্র তাকিয়ে রয়।

বর্ণ তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে সুখকে পরখ করে যাচ্ছে বারবার।কী দেখছে সে নিজেও হয়তো বোধগম্য নয়।মূলত, স্বপ্নে দেখা ফুলকে এই ফুলের সাথে মেলাতে চাইছে।এই ফুল স্বপ্নের মতো লাজুক হাসে না আজ বহুদিন।তার দিকে মন্ত্রমুগ্ধ হয়েও তাকায়না আর!কেনো?এই কেনোর উত্তরটা অন্তঃকরণ থেকে কেউ একজন দিয়ে দিলো যেনো,

“সেদিন প্রত্যাখ্যান করার অপরাধে!”

মুখ কুঁচকালো বর্ণ।লিফট পুণরায় অন করে সুখের দিকে চেয়ে থাকতে থাকতে আচমকা তুচ্ছ তাচ্ছিল্য স্বরে বললো,

“ হাতের নখগুলো দেশি মুরগির মতো পেলে পুষে এতো বড় করতে তোর বিবেকে একবারো বিধলো না,না?চ্যাহ, ওয়াশরুম…

চোখ খিচে মুখের উপর বই তুলে ধরে সুখ। ছিঃ কী বাজে চিন্তা ভাবনা লোকটার!

আজ শুট ডেট আছে বর্ণ’র। স্পট কোথায়? উত্তর মাহির জানে। মাহির অবশ্য জানিয়েছিল বর্ণকে কিন্তু তার মনে পড়ছে না।এখনো ফ্ল্যাটেই আছে তারা।মাহির প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র প্যাকিং করছে।বর্ণ’র উদম গা।বডিতে স্প্রে করছে।জামা কাপড় বেডেই রাখা।

ফোন বেজে উঠলো সশব্দে।বর্ণ কপাল কুঁচকে একবার উঁকি দিয়ে চাচ্চু নামটা দেখে ফোন রিসিভ করে স্পিকার অন করে পাশে রেখে দিলো।মজার ছলে কিছু বলতে নেওয়ার আগে ওপাশ থেকে ক্রন্দনরত গলায় বলে উঠলেন তামিজ শিকদার,

“ আমার মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছি না বর্ণ!তুই আয় এখুনি…

#চলবে🥀
[ভুল ক্রুটি ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন!আগামী পর্বে মোড় ঘুরে যাবে সম্ভবত]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here