#গল্প_তোর_কারণে_ফিরে_আসা
#পর্ব_১০
#লেখিকা_ছায়ালিপি
তূবা রাগ করে নিচে নামলো,
নিলা অনেক বুঝিয়েছে তূবাকে কিন্তু তূবা চার জন এক সাথে ঘুমাবে না
তূবা: মিষ্টি আপু আগে বললেই পারতো এখানে থাকবে তাহলে আমি আব্বু আম্মুর সাথে চলে যেতাম। তোমরা থাকো আমি বাড়ি চলে যাচ্ছি।
নিলা: বোন এত রাতে তুই কিভাবে যাবি।
তূবা: ভাইয়াকে বলবো নিয়ে যেতে।
অনি: এই তূবা আমি একা কি করবো।
তূবা: আমি সকালে চলে আসবো চিন্তা করো না
( তূবা কথা বলতে নিচে নামছিলো)
তূবা হঠাৎ কারো সাথে ধাক্কা খায়, উপরে চেয়ে দেখে গালিব দারিয়ে আছে।
গালিব: লিটিল বার্ড কোথায় যাওয়ার কথা বলছো এত রাতে?
অনি: ভাইয়া দেখো না ও এত রাতে বাড়ি চলে যাবে বলছে।
গালিব: কেনো কি প্রব্লেম?
নিলা সব খুলে বললো গালিবকে, গালিব সব শুনে বলে
( এত বড় বাড়ি কিনেও আমার বউ এর ঘুমানোর জায়গা নেই হাউ ফানি)
গালিব: অনি আর তূবা আমার ঘরে থাকুক আমি এখানে ঘুমিয়ে পরবো।
মিষ্টি : আমার জন্য এত কষ্ট হবে জানলে আমি চলে যেতাম সরি ভাইয়া। আপনি আপনার ঘরে থাকে আমি এখানে ঘুমাবো।
গালিব: ( আমার বউ এর সমস্যা করে এখন নাটক করছে, মেয়ে মানুষ এত ন্যাকামি করে কেনো বুঝি না।
আমার বউটাও তো পারে এরোকম একটু ন্যাকামি করতে আমার সাথে)
অনি: আপনাকে আর কষ্ট করতে হবে না আপু আমরা দুইজন ভাইয়া রুমে ঘুমাতে যাচ্ছি।
সবাই যে যার রুমে চলে গেলো, গালিব আজ অনেক টায়াড তাই তারাতাড়ি ঘুমিয়ে পরেছে।
—————————————————-
সকাল ৭ টা তূবার ঘুম ভেঙে যায় পাশে দেখে অনি নেই,তূবা তারাতাড়ি করে উঠে
( তারাতাড়ি বের হতে হবে গালিব ভাইয়া আসলে আবার ফাজলামো শুরু করবে আমার সাথে)
গালিব জিম থেকে এসে দেখে অনি নিজে বসে টিভি দেখছে গালিব সোজা উপরে চলে গেলো। তূবা যেই না দরজা খুলতে যাবে অন্য পাশ থেকে দরজা খুলার শব্দ পেয়ে তূবা ভয়ে পর্দার ভিতরে গিয়ে লুকিয়ে পড়লো।
গালিব এসে শার্ট খুলে জানালার পর্দা সরাতে গেলো আলো আসার জন্য ডান পাশের টা সরিয়ে বাম পাশের টা সরাতে গিয়ে সরাতে পারছে না। গালিব ভালো ভাবে দেখতে গিয়ে দেখে তূবা লুকিয়ে আছে।
তূবা গালিবকে এভাবে খালি গায়ে চিতকার দিয়ে চোখ বন্ধ করে নেয় গালিব ঠোঁট বাকিয়ে হেসে তূবার কাছে যা-
গালিব : অনড্রেস তো আমি হয়েছি লিটিল বার্ড তুমি লজ্জা পাচ্ছো কেনো?
তূবা: বেহায়া লোক কিভাবে লজ্জা দিচ্ছে। আপনি দেখে শুনে কাপড় খুলবেন না।
গালিব : আমার ঘর আমার শরীর এখানে দেখে কাপড় খুলার কি আছে। আর একটা কথা তুমি কি আমাকে এভাবে দেখার জন্য পর্দার ভিতরে লুকিয়ে ছিলে?
তূবা: ছি ছি! আমি কেনো আপনাকে দেখতে যাবো এভাবে, আমি তো…….আপনার…….ভয়ে……
তূবা একটা শুকনা ঢোক নিলো, গালিবের ধবধবে ফর্সা শরীরে বিন্দু বিন্দু ঘামের ফোটা তূবা আগে কখোনো কারো দেখেনি।
( এই ছেলের প্রতি আমি ছোট বেলায় দুর্বল ছিলাম এখন এই বডি দেখিয়ে সে কি প্রমান করতে চায়)
তূবা গালিব কে হাত দিয়ে ঠেলে দৌড়ে চলে যায়। গালিব হাসা শুরু করে শাওয়ার নিতে চলে গেলো।
অনি: কি ঘুম ভেঙে গেলো?
তূবা: জ্বি ভাবি। আপনি এমনটা কেনো করলেন আমার সাথে একা ওই সিংহের গুহায় রেখে চলে আসার কোনো মানে হয়।
অনি: তুমি ঘুমাচ্ছিলে তাই ডাকিনি। কেনো কিছু হয়েছে।
তূবা: হওয়ার আর বাকি আছে, বাদ দাও ওই সব চলো রুমে চলো।
———————- ———————-
বিকেলে সবাই হলুদের প্রোগ্রাম এর জন্য রেডি হচ্ছে, নিলার মেক-আপ করা শেষ। তূবা এলো নিলার কাছে
তূবা: মাশাল্লাহ আপু তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছে।
নিলা: তুইও সাজ না বোন, তুইতো ছোট বেলায় অনেক সাজু গুজু পছন্দ করতি। আজ একটু মেক-আপ কর।
আজ কোনো ড্রেস কোড নেই তাই সবাই সবার পছন্দ মত ড্রেস পরেছে। তূবা নিলার শপিং করে দেয়া একটা বেগুনি রঙ এর শাড়ি পরলো, সাথে আজ মেক-আপ করতে বসেছে তূবা।
সিম্পিল মেক-আপ করেছে, তূবা নিজে নিজেকে দেখে অবাক এত সুন্দর লাগছে তাকে, অনিও সেজে নিলো। অনি কালকের পর থেকে আর জিসান এর দিকে ফিরেও তাকায়নি। তাই আজ সে শাড়ি পরেনি একটা সিম্পিল চুরিদার পরেছে।
নিলাকে নিয়ে অনি আর তূবা নিচে হেটে আসছে। মিসেস ফাতেমা আর ফিরোজ আহমেদ দুজনেই দেখে মাশাল্লাহ বললো। মিসেস ফাতেমা কান্না করে দিয়েছে কালকে তার এক মেয়ে চিরকাল এর জন্য শশুর বাড়িতে চলে যাবে। আসলেও আসবে অতিথিদের মত, তিন জন নিচে চলে আসলো।
তূবা: আম্মু / আব্বু কেমন লাগছে আমাকে?
মাশা-আল্লাহ মা সুন্দর লাগছে তোমাকে,
তূবা আর অনি নিলাকে নিয়ে হলুদ স্টেজে বসিয়ে দিলো, গালিব ফোনে কিছু একটা করতে করতে একবার চোখ তুলে তাকিয়ে আমার ফোনে দেখতে যাবে তার আগে আবার চোখ উপরে করলো, বেগুনি প্রজাপতি তার সামনে দারিয়ে আছে।
গালিব: এই মেয়ে আমাকে আজ মেয়েরি ফেলবে( এত কেউ সাজে, এমনই আমি তার রূপের আগুনে জ্বলে যাচ্ছি তার উপরে এত সাজ। কিন্তু আমার বউটাকে সুন্দর লাগছে)
গালিবের হাসফাস লাগছে, কেমন জানি অস্থির অস্থির লাগছে। কি করবে কিছুই বুঝতে পারছে না, তূবাকে খুব করে কাছে পেতে ইচ্ছে করছে তার। কিন্তু কি করবে এখন কিছু তো করার নেই। তাই সে কিচেনে চলে গেলো,
নিলা পানি খেতে চাইছে তাই তূবা কিচেনে গেলো পানি আনতে, কিচেনে গিয়ে দেখে গালিবের চোখ মুখ লাল হয়ে গেছে, সে একটার পরে একটা কাচামরিচ খাচ্ছে –
তূবা: গালিব ভাইয়া কি হয়েছে আপনার এভাবে মরিচ খাচ্ছেন কেনো?
গালিব: এত সেজেছো কার জন্য?
তূবা: নিলা আপু রিকুয়েষ্ট করেছিলো তাই সেজেছি, আমি তো সাজিনা আজ শখ করে সেজেছিলাম। আমাকে কি ভালোলাগছে না।
গালিব: সেজেছো ভালো কথা আমার সামনে আর আসবে না, আসার হলে এই আটা ময়দা ধুয়ে তারপরে আসবে। এখন যেটা নিতে এসেছো সেটা নিয়ে যাও।
তূবা পানি নিয়ে চলে গেলো, গালিব এর ঝাল খেয়েও যেনো অস্থিরতা কমছে না।
হলুদ স্টেজে ডান্স করছে একে একে সবাই, গালিব অনেকক্ষণ পরে একটু স্বাভাবিক হয়েছে তাই হলুদ স্টেজে এসেছে।
আজ নিলয়ের কয়েকজন ছেলে কাজিন এসেছে, তারা কেমন ডেবডেব করে তূবার কাছে তাকিয়ে আছে। গালিবের রক্ত মাথায় উঠে গেলো, তার লিটিল বার্ড কে কেই এইভাব দেখছে এটা ভেবেই রাগ হচ্ছে।
গালিব: ( মনে হচ্ছে এখনি গিয়ে সব কিছু লেপ্টে দেই, কিন্তু মেয়েটা যে শখ করে সেজেছে তাই তো কিছু করতে পারছি না)।
—————————————————-
গালিব তূবার হাত ধরে টেনে উপরে নিয়ে যায়,
তূবা: ভাইয়া কি হয়েছে এভাবে কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন ছারুন আমাকে আমার হাতে লাগছে।
গালিব উপরে এসে তূবাকে বললো চেঞ্জ করে এসো আমরা বের হবো,
তূবা: কোথায় যাবো আমি, আমি এখন কোথাও যাবো না।
গালিব: নিলার জন্য গিফট কিনতে যাবো মেয়েদের জিনিস সম্পর্কে আমার তেমন ধারণা নেই তাই যেতে বলছি।
তূবা: তাহলে অনি কে নিয়ে যান ও এসব ভালো বুঝে।
গালিব: তুমি কি নিজে থেকে ফ্রেশ হয়ে নিবে নাকি আমি কলে করে নিয়ে যাবো ফ্রেশ করার জন্য।
তূবা: লাগবে না আমি নিজেই যাচ্ছি।
( গালিব সবার থেকে তার লিটিল বার্ড কে আরাল করার জন্য এই প্লানটা করেছে, আর সাথে গিফট ও কিনা হয়ে যাবে)
৩০ মিনিট পরে তূবা ফ্রেশ হয়ে বের হয়ে আসলো, দুজনেই বেরিয়ে গেলো।
তূবা মন খারাপ করে বসে আছে, বিয়ে বাড়িতে সবাই কত সুন্দর আনন্দ করছে আর এই মনস্টার টা তাকে সাথে করে নিয়ে এলো।
গালিব তূবার মন খারাপ বুঝতে পেরে গান ছেরে দিলো,
Saanson ko jeene ka ishaara mil gaya
Duba main tujh mein to kinara mil gaya
Sanson ko jeene ka ishaara mil gaya
Zindagi ka pata dobaara mil gaya
Tu mila toh khuda ka sahara mil gaya
Tu mila toh khuda ka sahara mil gaya
Ghamzada ghamzada dil yeh tha gamzada
Bin tere bin tere dil yeh tha gamzada
Aaraam de tu mujhe
Barson ka hoon main thakaa
গালিব: গাড়ি ব্রেক করে, তূবাকে বললো তুমি একটু বসো আমি এখনি আসছি।
কিছুক্ষণ পরে গালিব এক গুচ্ছো পদ্ম ফুল আর আইস্ক্রিম নিয়ে এলো, তূবা পদ্ম ফুল গুলো দেখে অনেক খুশি হয়ে গেলো,
তূবা: কোথায় পেলেন ভাইয়া এইগুলো, আমার খুব পছন্দ পদ্ম ফুল।
গালিব: সামনে পেয়েগেলাম তাই আমার বউ এর জন্য নিয়ে আসলাম।
তূবা: ও,
গালিব: তুমি নিবে এই গুলো,
তূবা: না থাক ভাবিকে দিয়েন
গালিব: ( বোকার ডিম একটা নিজেকে নিজেই ভাবি বলছে)
আমার মনে হয় এই ফুলগুলো তোমার অনেক পছন্দ তাই তুমি নাও। বউকে অন্য কিছু দিয়ে দিবো।
তূবা অনেক খুশি হয়ে গেলো, যদিও অন্য কারো জন্য নেওয়া কিন্তু তূবার যে পদ্ম ফূল খুব পছন্দ।
গালিব বড় একটা জুয়েলারি শপ এ গাড়ি দার করালো, তূবাকে এসে দরজা খুলে দিলো।
তূবা গালিব দুইজনই ভিতরে গেলো-
গালিব: তুমি কিছু পছন্দ করে দাও দাম নিয়ে টেনশন করো না, তোমার চোখে যেটা সুন্দর লাগবে সেটাই বলবে।
গালিব এর একটা সিম্পিল নেকলেস এ চোখ গেলো, তূবা সেটাই হাতে নিলো।
সেলস ম্যান : মেম আপনি চাইলে পরে দেখতে পারেন।
তূবা নেকলেসটা পরে দেখলো গালিব বলছে এটা অনেক সিম্পিল অন্য কিছু দেখো একটু গরজিয়াছ টাইপ।
তূবা ঐ নেকলেসটা রেখে অন্য গুলো দেখলো, এবার একটা ভারি গহনা সেট দেখলো।
গালিব সেলস ম্যান কে দুইটা সেট প্যাক করে দিতে বললো।
জুয়েলারি নিয়ে বাড়ির উদেশ্য রওনা হলো।
গালিব: লিটিল বার্ড একটা কথা জিজ্ঞেস করি।
তূবা: হুম..!!
গালিব: আচ্ছা লিটিল বার্ড তোমার কি কোনো বয়ফ্রেন্ড আছে।
তূবা: না.! আমার এই সব প্রেম ট্রেম ভালো লাগে না।
গালিব: কেনো ভালোলাগে না?
তূবা: জানিনা তোবে ভালো লাগেনা!!
গালিব: কেমন ছেলে তোমার পছন্দ,?
তূবা: সেটা এখনো ভাবিনি!! তবে আমার বাবা বলেছে আমার জন্য রাজপুত্র এনে দিবে।
গালিব: আচ্ছা!!!!
গালিব বাড়ির সামনে এসে গাড়ি দার করালো, তারপরে ছোট বক্সটা তূবার হাতে দিয়ে বললো এটা আমাকে হেল্প করার জন্য তোমার গিফট।
তূবা: ভাইয়া এটা আমি কি করবো, আমি এত দামি গিফট নিতে পারবো না।
গালিব: তাহলে ফেলে দাও।
গালিব বাড়িতে ডুকে গেলো, তূবাও পিছন পিছন চলে গেলো।
হলুদের প্রোগ্রাম এখনো চলছে, তূবা গিয়ে অনির পাশে বসলো।
অনি : কিরে কোথায় ভুতের মত চলে গিয়েছিলে?
তূবা: তোমার সিংহ ভাইয়ের সাথে ঘুরতে গেছিলাম।
অনি: র্যালি,তুমি ভাইয়ার সাথে ঘুরতে গেছিলে।
তূবা: আমার ঠেকা পরেছে, আর তোমার ভাবি জানলে আমার খবর করে ছেরে দিবে। আমি গিফট পছন্দ করে দিতে গিয়েছিলাম।
অনি: ও সেটা বলো।
তূবা আজকে বাড়ি চলে যাবে প্রতিদিন গালিবের ঘরে ঘুমোতে আনইজি লাগে তাই সে বাড়ি চলে যাবে।
তূবা চুপিচুপি মিসেস ফাতেমা কে বললো আম্মু আমি আজ বাড়ি যাবো।
মিসেস ফাতেমা : আচ্ছা, ঠিক আছে আমারো তোকে ছাড়া ভালোলাগে না।
গালিব: না আন্টি ও কোথাও যাবে না, আর তো একটা দিন একটু কষ্ট করে থাকলেই হয়, আমরা সবাই কত ইনজোয় করছি এখানে বাড়ি গিয়ে কি করবে তুমি। কোথাও যাওয়া চলবে না।
—————————————————-
আজ সব ছেলেরা মিলে ব্যাচেলর পার্টি করবে নিলয়ের বিয়ে উপলক্ষে –
নিলয়ের কাজিনরা পার্টির প্লান করেছে, গালিব তো না করে দিয়েছিলো কারণ এই ছেলেগুলো তার লিটিল বার্ড এর দিকে খারাপ নজরে তাকিয়েছে।
বিয়ে বাড়ি বলে ছেরে দিয়েছে-
সবাই সাদে বসে ড্রিংকস করছে, গালিব খেতে না চাইলে নিলয় জর করে খাওয়ায়। গালিব ড্রিংকস করলে নিজেকে সামলাতে পারে না। জাপানে এগুলো কোনো সমস্যা না, ওখানে সে একা থাকতো কিন্তু আজ ড্রিংকস করে উল্টো পালটা কিছু করলে কি হবে কে জানে।
জিসান তো নিজের মনে একের পর এক পেগ শেষ করেই যাচ্ছে। লাইফে এমন একজন কে পছন্দ হলো যাকে কিনা সে কোনোদিন পাবে না।
ড্রিংকস করে সবাই বেসামাল হয়ে গেছে, জিসান একা বসে আছে দেখে গালিব তার কাছে গিয়ে বলে ছোট ভাই কি হয়েছে কোনো সমস্যা?
জিসান: হেসে! অনেক বড় সমস্যা ভাই।জীবনে কোনোদিন কারো প্রেমে পরলাম না, আর যখন প্রেমে পরলাম তখন টাকা আমাদের মাঝে দেয়াল হয়ে দারালো।
গালিব: ছোট ভাই প্রেম জিনিসটা এমন, যত সহজে প্রেমে পড়া যায় তত সহজে পাওয়া যায় না।
কিন্তু তুমি আমার সাথে শেয়ার করতে পারো আমি তোমাকে হেল্প করবো।
জিসান: পারবেন না ভাই! নিজের বেলায় সবাই সার্থপর।
গালিব: মানে কি ছোট ভাই খুলে বলো।
জিসান: আমি যদি বলি আপনার বোনের সাথে আমার বিয়ে দিতে আপনি কি বিয়ে দিবেন?
গালিব: আচ্ছা ছোট ভাই এই ব্যাপার! কেনো দিবো না তুমি ছেলে হিসেবে যথেষ্ট ভালো তোমার কাছে আমার বোন দিতে কোনো সমস্যা নেই।
আরো দুইজনই হাবিজাবি কথা বলে নিচে চলে আসে নিলয়ের ঘরে সব গুলো এক সাথে আছে।সবাই যে যার মত করে ঘুমিয়ে পরেছে।
চলবে…………..

