#গল্প_তোর_কারণে_ফিরে_আসা
#পর্ব_৯
#লেখিকা_ছায়ালিপি
গালিব সকালে উঠে জিমে গিয়েছে জিমে যাওয়াত পরে তার মনে পরেছে তূবা রুপে লক করা আছে, তাই তারাহুরো করে বাড়ি এসে রুমে গেলো। তূবা তখনো ঘুমাচ্ছে’ গালিব তূবার পাশে এসে বসে তূবাকে দেখছে। কি মিষ্টি লাগছে মেয়েটাকে দেখতে, আসলেই মনে হচ্ছে ঘুমন্ত পরি। গালিব বাইরের আলো আসার জন্য পর্দা গুলো সরিয়ে দিলো।
তূবা: Good Morning বাবা!
গালিব: Good Morning লিটিল বার্ড! উঠে পরো তারাতাড়ি, দেখি তোমার পায়ের কি অবস্থা।
তূবা দারানোর চেষ্টা করলো,
উঠে দারিয়ে লাফাচ্ছে সে হাটতে পারছে তাই জন্য!
তূবা খুশির ঠেলায় গালিব কে জরিয়ে ধরে গালিব স্ট্যাচু হয়ে গেছে। তূবা বুঝতে পেরে তারাতাড়ি করে ছেরে দিয়ে সরি বলে মাথা নিচু করে থাকে।
গালিব : বেপার না!! এখন নিজের রুমে যাও ফ্রেশ হয়ে নাও।
তূবা মৌমাছির মোট ভো করে দিলো এক দৌড়।
——————————————–
দুপুরের পরে সব গেস্টরা আসা শুরু করেছে, তূবার সেই সকালে রুমে ডুকেছে আর লজ্জায় বের হয়নি। মেকআপ আটিস্টরা এসেছে বৌকে সাজাতে, তূবা নিলার কাছে এলো-
তূবা: আপু দাও আজ কি পরবো বের করে দাও।
নিলা: একটা নিল কালার এর শাড়ি বের করে দিলো,
( আজ সবার ড্রেস কোড নিল)
তূবা: এটা পরবো কি করে,
নিলা: তুই বস, আমার মেকওভার শেষ হলে তুই সাজতে বসিস।
তূবা: আমি এত আটা ময়দা মাখবো না, আমি অনির কাছে গেলাম।
তূবা অনির কাছে চলে গেলো, অনি সুন্দর করে শাড়ি পরিয়ে দিলো, মেক-আপ করে দিতে চাইলে তূবা না করে।
অনি: তাহলে একটু চোখে কাজল আর লিপবাম দিয়ে দেই নাহলে ভালো লাগবে না।
তূবা: অকে দাও তাহলে!
অনি কাজল আর লিপবাম দিয়ে বলে এখন তুমি থাকো আমি রেডি হতে গেলাম, অনি চলে গেলো তূবা মিরোরের সামনে সেলফি তুলছে-
গালিব দরজায় দারিয়ে তূবাকে পিছন থেকে দেখছে,
তূবা গান ছেরে ডান্স প্রাকটিস করেছে যে শাড়ি পরে ডান্স করতে পারবে কি না, হঠাৎ তূবার চোখ গেলো দরজা সামনে দারিয়ে থাকা দুই জোরা চোখে দিকে। গালিব ও নীল পাঞ্জাবি পরেছে, পাঞ্জাবিতে বেশ হ্যান্ডসাম লাগছে।
তূবা স্ট্যাচু হয়ে গেলো, গালিব আসতে আসতে তূবার কাছে চলে আসে তূবা পিছনে পিছতে পিছতে বসে ভাইয়া আমি পরে ইচ্ছে করে আপনাকে জরিয়ে ধিরিনি প্লিজ সরি। এবারের মত ছেরে দিন আমি আর কোনো দিন টার্চ করবো না, তূবা দেয়ালের সাথে আটকে যায় গালিব তূবার অনেক কাছে চলে আসে এত কাছে চলে আসে যে গালিবের নিশ্বাস তূবার চিন এ পরছে তূবা চোখ বন্ধ করে জোরে জোরে নিশ্বাস নিচ্ছে। গালিব একটা কালো টিপ নিয়ে তূবার কপালে পরিয়ে দিলো।
গালিব: লিটিল বার্ড এভাবে সাজলে তো লোকের নজর লেগে যাবে।
তূবা:……..
গালিব: তোমাকে অনেক প্রিটি লাগছে!
তূবা:……
তূবা চোখ বন্ধ করেই আছে, গালিব আর কিছু না বলে চুপচাপ চলে গেলো তূবা কারো কোনো কথার শব্দ না পেয়ে চোখ খুলে দেখে কেউ নেই, তূবার হার্ডবিট বেরে গিয়েছে তাই সে ধপ করে বিছানায় শুয়ে পরে।
গালিব বাইরে বের হয়ে সব কিছু চেক করছে ঠিক আছে কি না
এর মধ্যে নিলার কাজিনরা চলে এসেছে গ্রাম থেকে।
জিসান সবাইকে ভিতরে নিয়ে আসে গালিবের সাথে দেখা হলে গালিব জিসান কে জিজ্ঞেস করে-
গালিব: কারা এরা?
জিসান: আমার কাজিন এরা গ্রাম থেকে এসেছে।
গালিব: ইঞ্জয় করো সবাই ( একটু হেসে)।
নিলার কাজিনদের মধ্যে একটা মেয়ে ছিলো নাম মিষ্টি, সেতো গালিবএর দিকে ডেব ডেব করে তাকিয়ে আছে। গালিব ইগনোর করে চলে গেছে।
সন্ধ্যা হয়ে এসেছে মেহেদী প্রোগ্রাম শুরু হয়ে গেছে, নিলা রেডি হয়ে ফাংশনে চলে আসে, গালিব, জিসান, নিলয় সবাই হা করে তাকিয়ে আছে।
গালিব আর জিসান এক সাথে বলে উঠে (মাশাআল্লাহ)
নিলয় 🙁 আমার বউ যে এত সুন্দর সেটা যদি আগে জানতাম তাহলে অনেক আগেই বিয়ে করে নিতাম)।
গালিব: বেডা তুই কথা গুলো একটু জোরে বলে ফেলেছিস আমরা শুনে নিয়েছি।
অনি তূবাকে ডাকতে যায় কিরে এই সময় শুয়ে আছো কেনো?
তূবা: কিছু না এমনি, মাশা-আল্লাহ ভাবি তোমাকে তো অ এক সুন্দর লাগছে আমার তো মনে হচ্ছে এখনি তোমাকে ভাবি বানিয়ে ফেলি।
অনি: আচ্ছা পরে ভাবি বানিও এখন চলো প্রোগ্রাম শুরু হয়ে গেছে।
তূবা মিরোরের সামনে গিয়ে সব ঠিক আছে কি না দেখে নিলো
দুজনি নিচে নামছে, গালিব আর জিসান এক সাথেই দারিয়ে ছিলো তাই জিসান অনিকে ইগনোর করলো, কিন্তু গালিব তূবাকে অপোলক দৃষ্টিতে দেখে যাচ্ছে। তূবা এটা দেখে কিছুটা লজ্জা পেয়ে যায়। গালিব সেটা বুঝতে পেরে সেখান থেকে চলে যায়।
অনি: তূবা তূমি যাও আমি একটু তোমার ভাইয়ের সাথে ফ্লাট করে আসি।
তূবা: আচ্ছা যাও, দেখি আমার ভাইয়ের কিন্তু অনেক রাগ।
অনি জিসানের সামনে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো
অনি: কেমন লাগছে আমাকে?
জিসান: হুম সুন্দর লাগছে,
বলে চলে যাচ্ছিলো, অনি বলে উঠে ইগোনর করছেন আমায় কেনো।
জিসান: অন্যের আমানত জিনিসে আমি নজর দেই না।
জিসান চলে যায়, অনি রে আগুন হয়ে যায়। যার জন্য এত সাজলাম সে একটু দেখলো না।
সবাই হাতে মেহেদী পরা শুরু করে দেয়, নিলাকে দুইজন মেহেদি পরিয়ে দেয়ার পিপারেশন নিচ্ছিলো নিলয় এসে নিলার কপালে একটা ছোট করে চুমু দিয়ে বলে মাশাল্লাহ বউ,
নিলা অবাক হয়ে যায় নিলয়ের এমন কান্ড দেখে সাথে লজ্জাও পায়। আবার ভালোও লাগে। নিলয় একটা মেহেদী নিয়ে নিলার হাতের তালুতে একটা লাভ একে সেখানে নিলয় নিলা লিখে দেয়।
গালিব: কি কালকে না বলল কিছু করে না এখন যখন করেছে এত লজ্জা পাচ্ছিস কেনো।
নিলা: কুত্তা তুই সব বলে দিয়েছিস তাই না।
গালিব: নো ওয়ে! আমি কিছুই বলিনি। সে যা করেছে নিজের ইচ্ছেতে করেছে।
সবার মেহেদী দেয়া শেষ হয়ে ডান্স প্রোগ্রাম শুরু হয়
সবার প্রথমে গালিবরা স্ট্রেজে উঠে, গালিব, জিসান, সাগর, নিলয়। ডান্স করা শুরু করে, তূবা গালিবের ডান্স স্ক্রিল দেখে পুরাই অভাব,
মুখ থেকে বেরিয়ে আসে ওয়াও কি সুন্দর
অনি: আমার ভাই ছোট থেকেই ডান্স এক্সপার্ট।
সব মেয়েরা যেনো গালিবকে চোখ দিয়ে গিলে খাচ্ছে,
ডান্স শেষ করে সবাই নিচে নেমে আসে, এবার অনি আর তূবার পালা
তূবা: এই অনি আমি ডান্স করবো না রে তোমার ভাইয়ের কাছে আমাদের এই ডান্স আলো মনে হবে। থাক আমরা বরং বসে বসে ইঞ্জয় করি।
মিষ্টি : ভাইয়া আপনি তো অনেক সুন্দর ডান্স করেন। আমার অনেক ভালো লেগেছে। আপনি কি আমার সাথে কাপল ডান্স করবেন।
গালিব: প্রথমত থ্যাংকস, দ্বিতীয়ত না।! কারণ আমার বউ পিটাবে আমাকে অন্য কোনো মেয়ের সাথে ডান্স করলে।
তূবা আর অনি হাসা শুরু করে দেয়।
মিষ্টি তূবার থেকে দুই বছরের বড়, মেয়েটা চঞ্চল অনেক। সুন্দর ছেলে দেখলেই পিছনে লেগে যায়। মিষ্টি তূবার ফুফুর মেয়ে।
অনি আর তূবা মেহেদী হাতেই ডান্স করছে, সবাই হাত তালি দিচ্ছে, ডান্স করতে করতে হঠাৎ তূবার শাড়ি খুলে যাওয়ার মত হয় তূবা বুঝতে পেরে স্টেজ থেকে নেমে যায়, রুমে চলে যায় গালিব পিছন পিছন যায়-
গালিব: লিটিল বার্ড কোনো প্রব্লেম?
তূবা: ভাইয়া কাউকে একটু ডেকে দিবেন প্লিজ,
গালিব: অকে আমি ডেকে দিচ্ছি।
গালিব নিচে এসে দেখে সবাই ব্যস্ত অনি তো ডান্স করছেই।
গালিব এসে বলে লিটিল বার্ড বাড়ির সবাই ব্যাস্ত তুমি আমাকে বলো কি হয়েছে
তূবা:……
গালিব: তুমি কিছু না বললে আমি বুঝবো কিভাবে যে তোমার কি প্রব্লেম।
তূবা:………।
গালিব: আচ্ছা আমি আবার দেখি গিয়ে কাউকে পাই কি না।
তূবা: আসলে আমার শাড়ি খুলে গেছে আর হাতে মেহেদী আর আমি শাড়ি পরতেও পারি না তাই।
গালিব: তূবার কাছে এসে, আমি যদি তোমাকে শাড়ি ঠিক করে দেই তোমার কোনো প্রবেল হবে?
তূবা:…… আমি আপনার সামনে কি ভাবে কি, আর আপনি শাড়িও পরাতে পারেন?
গালিব একটা ওড়না দিয়ে নিজের চোখ বেধে নিলো, তার পরে তূবার শাড়ির কুচ গুলো ঠিক করতে করতে বললো, অনি যখন ছোট ছিলো তখন মাঝে মাঝে অকে শাড়ি পরিয়ে দিতে হত তাই মামুনির কাছ থেকে শিখে নিয়েছিলাম।
গালিববের চোখ বন্ধ থাকায় গালিবের হাত তূবার ফর্সা ধবধবে পেটের নিচে চলে যায় তূবা এই স্পর্শে কেপে উঠে,
গালিব: সরি লিটিল বার্ড কোনো উপায় নেই তাই তোমাকে টাচ করতে হলো,
তূবা…….।
তূবা এই স্পর্শে কোনো খারাপ ইংগিত বুঝতে পারেনি তাই সে চুপ করে ছিলো।
গালিব চোখর বাধন খোলে দিলো হুম এখন পারফেয়
হয়েছে।
গালিব: পিন কোথায় আছে বলতে পারো?
তূবা: আমি তো জানিনা,
গালিব নিজেই খুজা শুরু করে দিলো তারপরে সুন্দর করে জায়গায় জায়গায় পিন গুলো সেট করে দিলো।
মনে হচ্ছে প্রফেশনাল কেউ শাড়ি পরিয়েছে।
তূবা: ( আপনার আর কি কি গুন আছে কে জানে)
তূবা: আপনি যে আমাকে শাড়ি পরিয়ে দিলেন এখন আপনার বউ পিটাবে না আপনাকে।
গালিব: ( বউ কেই তো শাড়ি পরিয়েছি পিটাবে কেনো)
বউ জানলে হয়তো বা আর বিয়েই করবে না আমাকে।
তূবা: তাহকে তো চিরোকুমার থেকে যেতে হবে আপনাকে।
গালিব: বউ বিয়ে না করলে তোমাকে বিয়ে করে নিবো।
তূবা:……।
গালিব: মজা করলাম, চলো নিচে চলো।
—————————————————-
গালিব আর তূবা নিচে আসলো, গালিব ছেলের পাশে চলে গেলো তূবা অনির পাশে গিয়ে বসলো।
অনি: ডান্স করতে করতে কোথায় হারিয়ে গিয়েছিলে।
তূবা: একটু প্রবলেম হয়েছিলো তাই উপরে গেছিলাম।
অনি: ঐ মেয়ে গুলো কে রে।
তূবা: আমার ফুফুর মেয়ে চাচার মেয়ে, কেনো কি হয়েছে?
অনি: না তোমার ভাই কি সুন্দর ওদের সাথে হেসে হেসে কথা বলছে আর আমার সাথে কথা বললেই মুখটা হুতুম প্যাচার মত করে রাখে।
———————- ———————-
মিষ্টি : হাই তূবা কেমন আছো?
তূবা: হ্যাঁ আপু ভালো আছি, তুমি?
মিষ্টি : ভালো আছি, তোমার সাথে একটা কথা ছিলো একটু এদিকে আসবা।
মিষ্টি অনির দিকে তাকিয়ে হেসে সরি বলে তূবাকে নিয়ে চলে গেলো-
তূবা: হুম বলো আপু!
মিষ্টি : ঐ ছেলেটা কে রে?
তূবা: ওটা তো নিলা আপুর ফ্রেন্ড,
মিষ্টি : ছেলেটার নাম কি?
তূবা: আবরার খান গালিব!
মিষ্টি : ছেলেটার কি সত্যি বিয়ে হয়ে গেছে?
তূবা: না, ভাইয়া জাপানে থাকে কিছু দিন হলো দেশে এসেছে।
মিষ্টি : কি সুন্দর হ্যান্ডসাম ছেলেটা….
তূবা: আপু তোমার কথা বলা শেষ হলে যাই আমি।
মিষ্টি : দারা না, শুন ছেলেটাকে দেখে তো কোটিপতি মনে হচ্ছে। ওরা মনে হয় অনেক বড় লোক তাইনা রে।
তূবা: হ্যাঁ, তোবে তার বাবা তিনি নন। উনি যা কিছু করেছে নিজের উপার্জনের টাকায় করেছে। আর এই বাড়িটা যে দেখছো এটাও তার বাড়ি আর যার কাছ থেকে আমাকে নিয়ে এসে সে তার এক মাত্র বোন।
মিষ্টি : বলিস কি, চল চল… ননদিনী কে রাগানো যাবে না।
তূবা একটু বিরক্ত হয়ে বলে আর কিছু জানার থাকলে বলো আমি গালিব ভাইয়াকে ডেকে এনে দিচ্ছি।
তূবা: ( বিয়ে খেতে এসে নিজের বিয়ের ব্যবস্থা করে ফেলছে)
——————————————–
প্রোগ্রাম সুন্দর করে শেষ করে সবাই চলে যায় কিন্তু মিষ্টি যাবে না, নিলাকে বলে আপু তোমার তো বিয়ে হয়ে যাবে অনেক মিস করবো তোমাকে প্লিজ এই কয়দিন তোমার সাথে থাকি না প্লিজ। তূবা ঠিক বুঝতে পারছে মিষ্টি কেনো থাকতে চাইছে, তূবা বলে এখানে কি চার জন থাকা সম্ভব। নিলা কি বলবে ভেবে পায় না, তাই তূবাকে বলে চুপ করতে। নিলয় আর গালিব একটু বাইরে গেছে জিসান নিচ থেকে উপরে হেটে আসছিলো হঠাৎ জিসানের হাত কেউ গেচকা টান মেরে একটা অন্ধকার জায়গায় নিয়ে আসে।
অনি জিসান কে দেয়ালের সাথে লাগিয়ে বলে-
অনি: এই যে মিস্টার আমাকে এতো ইগনোর করার কারণ কি জানতে পারি।
জিসান শুকনো ঢোক গিলছে মেয়েদের এত কাছাকাছি কোনো দিন আসেনি।
জিসান: তখনি তো বললাম অন্যার আমানত জিনিসে আমি নজর দেই না।
অনি আরেকটু কাছে এসে কে বলেছে আমি অন্যকারো আমানত আমি এখনো সিংগেল আছি।
জিসান: তুমি যে আমার এত কাছে এসেছো, তুমি বলো একটা ছেলে কি ঠিক থাকতে পারবে বলো। এখন যদি আমি কিছু করে বসি তখন তো আবার বলে বেরাবে’ ছেলে জাটি খারাপ তারা খালি সুযোগ খুজে মেয়েদের কাছে পাবার।
অনি: আমি চাই আপনি কিছু করে বসুন, প্লিজ স্টাট করোন।
জিসান : কি ডেঞ্জারাস মেয়ে রে বাবা, বাড়িতে কি বাপ/ ভাই নেই নাকি।
অনি: বাবাও আছে ভাইও আছে কিন্তু জামাই নেই একটা জামাইয়ের খুব দরকার।
জিসান: ঠিক আছে আমি গালিব ভাইয়াকে বলবো আপনার জামাই দরকার।
অনি: এই না না না! আমি মজা করছিলাম।
জিসান: ভাইয়ের কথা শুনে হাওয়া ফুস হয়ে গেলো।
অনি এবার কান্না করে দেয়, কেনো ইগনোর করছেন আমায়। কি অপরাধ করেছি আমি?
জিসান: ( অপরাধ তুমি করোনি, তোমার যোগ্য আমি না। তোমাকে ভালোবেসে না পাওয়ার থেকে দূরে থাকাই আমার জন্য বেশি ভালো মনে হয়েছে। তোমার ফ্যামিলি কোনোদিন আমাকে মেনে নিবে না)
চলবে………..

