গল্প_তোর_কারণে_ফিরে_আসা #পর্ব_১৩

0
41

#গল্প_তোর_কারণে_ফিরে_আসা
#পর্ব_১৩
#লেখিকা_ছায়ালিপি

সকালে গালিব জিম করে এসে ফ্রেশ হয়ে তূবার জন্য নাস্তা বানাতে শুরু করে, গালিব জাপানে যেগুলো খেতো জাপানিজ কিছু নাস্তা বানায়। তূবা চোখ কচলাতে কচলাতে নিছে নেমে এসা-

গালিব: সুভ সকাল বিবি জান, ঘুম কেমন হলো?

তূবা: হুম ভালো হয়েছে, এখন বেশ ভালো লাগছে।

গালিব: তুমি বসো আমি আসছি।

গালিব সব কয়টা আইটেম নিয়ে গেলো, তূবা দেখে তো অভাক,

এত সব কিছু আপনি বানিয়েছেন ভাইয়া বলে গালিবের দিকে চোখ তুলে তাকালো। গালিব এমন ভাবে তূবার পাশে দেখছে এখনি তূবাকে কিস করে দিবে। তূবা সাথে সাথে হাতের উলটো পাশ দিয়ে ঠোঁট ঢেকে নেয়-

গালিব: বিয়ের পরের দিন বউরা জান,বাবু,সোনা, এগোলো ডাকে আর আমার বউ কিনা ভাইয়া ডাকছে। এটাও লিখা ছিলো কপালে আমার।

তূবা: সরি অনেক দিন এর অভ্যাস তাই একটু সময় লাগবে।

গালিব: সময় দিতে পারবো না, ভাইয়া ডাকলে পানিশমেন্ট হিসেবে লিপ কিস করে দিবো।

তূবা:( নিজেই বলে টার্চ করবে না আবার নিজেই এই সব কথা বলে)

গালিব: টার্চ করবো না বলেছি কিস করব না সেটা তো বলিনি সুইটহার্ট।

তূবা: আচ্ছা বাদ দিন আমি খাওয়া শুরু করি, দেখতে অনেক সুন্দর হয়েছে।

গালিব: অকে খেয়ে জানাও কেমন হয়েছে।

তূবা খাওয়া শুরু করলো, প্রথম এক চামুচ খেয়ে চোখ বন্ধ করে নিলো।

গালিব: সুইটহার্ট খাবার ভালো হয়নি?

তূবা: ভিষণ মজা হয়েছে, আমি তো কখনো ভাবতেও পারিনি আপনি এত সুন্দর রাধনী।

গালিব: আমি শুধু জাপানিজ কিছু আইটেম রান্না করতে পারি, বাঙালি কিছু রান্না করতে পারি না।

তূবা: আমি তো কিছুই রান্না করতে পারি না,

গালিব: সমস্যা নেই আমরা দুইজন এক সাথে রান্না করবো, তাহলে কেউ কারো খাবারের দোষ দিতে পারবো না কেমন।

তূবা: অকে ডান।

তারাতাড়ি খাওয়া শেষ করে নাও আমাদের তো রিসিপশনে যেতে হবে।

তূবা: আচ্ছা……

——————————————–
তূবা রেডি হওয়ার জন্য উপরে চলে গেলো, সব কাপর বিছানায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, তূবা কি পরবে ভেবে পাচ্ছে না, গালিব দরজায় নক করে বললো ভিতরে আসবো-

তূবা: হুম আসেন,

গালিব একটা বক্স তূবার কাছে দিয়ে বলল এটা পরে নিও,
কি আছে এটাতে?

গালিব: খুলে দেখো,

তূবা বক্সটা করে দেখে একটা ব্লাক কালারের শাড়ি, সাথে একটা ছোট নেকলেস।

তূবা: এই নেকলেসটা তো নিলয় ভাইয়া পছন্দ করেছিলো আপুর জন্য, তখন সেলস ম্যান বললো এটা বিক্রি হয়ে গেছে। তাহলে এটা আপনার কাছে কিভাবে আসলো?

গালিব: এটা আমি আমার বউ এর জন্য আগে পছন্দ করছিলাম তাই এটা আজ আমার বউ এর কাছে। আচ্ছা রেডি হয়ে নাও তারাতাড়ি, আর হ্যাঁ! বেশি সেজো না নিজেকে কন্ট্রোল করতে সমস্যা হয় আর এখন তো তুমি আমার রেজিস্টিরি করা বউ তাই বলছি।

তূবা: কিন্তু আমি তো শাড়িও পরাতে পারি না, সাজতেও পারি না।

গালিব: আচ্ছা আমরা তো এখন বন্ধ, তাহলে আমি কি তোমাকে শাড়ি পরতে হেল্প করবো?

তূবা:…

গালিব: ভয় নেই আমি সেদিনের মত চোখ অফ রাখবো।

তূবা মাথা নারালো, গালিব চোখ বেধে নিলো খুব সুক্ষ্ণভাবে শাড়ি ঠিক করছে গালিব, তূবা এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে গালিবের দিকে, এটাও সম্বভ আমার ছোট বেলা ক্রাস এখন আমার স্বামী। গালিবে কথায় তূবার ধেন ভাঙে।

গালিব: কুচ গুলো পেটে গুজে নাও।

গালিবের কথা মত তূবা তাই করলো, গালিব কাধে আচল উঠিয়ে দিয়ে চোখের বাধন খুলে শাড়ির কুচ গুলো ঠিক করে দিলো। সাজ বলতে মুখে মশচারাইজার দিয়ে একটু লিপবাম আর কাজল দিলো তূবা, গালিবের সামনে এসে বলে দেখেন তো ঠিক আছে কি না।

গালিব তূবার কাছে আগাচ্ছে, তূবা সাজ কি বেশি হয়ে গেছে? গালিব আঙুল কামরে সামনে আসছে কোনো কথা নেই মুখে।তূবা দেয়ালের সাথে লেপ্টে গেলে চোখ বন্ধ করে নেয়, গালিব একটা ছোট কালো টিপ পরি দিয়ে বলে এবার ঠিক আছে।

——————————————————————————————————–

তূবা আর গালিব নিলয়ের রিসিপশনে চলে গেলো, সেখানে তূবার ফ্যামিলির সবাই চলে এসেছিলো। তূবা আর গালিব ফিরোজ আহমেদ ও মিসেস ফাতেমা কে সালাম দিলো-

মিসেস ফাতেমা : কেমন আছিস রে মা?

তূবা: ভালো আছি আম্মু, তোমরা কেমন আছো?

মিসেস ফাতেমা : তোদের ছেরে কিভাবে ভালো থাকিরে মা।

গালিব: আম্মু তাহলে আপনি আর আব্বু আমাদের সাথে এসে থাকুন।

মিসেস ফাতেমা : সেটা কি হয় বাবা, মেয়ের বাড়িতে বাবা মা থাকলে লোকজন কি বলবে।

গালিব : আচ্ছা বাদ দেন ঐ সব কথা, আম্মু আপনার সাথে আমার কিছু পারসোনাল কথা আছে। একটু সাইডে আসবেন।

তূবা : আপনি আম্মুর সাথে কথা বলুন আমি তাহলে আপুর সাথে কথা বলে আসি।

——————————————————————————————————–

আসালামু আলাইকুম আপু, কেমন আছো?

নিলা: ওয়ালাইকুম সালাম বোন, আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। তুই কেমন আছিস?

তূবা: ভালো আছি আপু।

নিলা : তোকে আজ অনেক সুন্দর লাগছে রে বোন, গালিব শাড়ি পরিয়ে দিয়েছে তাই না।

তূবা: হ্যাঁ, কিন্তু তুমি কিভাবে বুঝলা?

নিলা: আমি বলেছিলাম গালিবকে যে তুই শাড়ি পরতে পারিস না, তাই ও ট্রেনিং নিয়ে শাড়ি পরানো শিখেছে।

তূবা: তাই এত প্রফেশনাল ভাবে শাড়ি পরাতে পারে। কিন্তু উনি তো বলেছিলেন অনির জন্য শিখেছে।

নিলা: ও তকে এখনো বলেছে ও তোকে ভালোবাসে?

তূবা: না, সেটা তো বলে নি।

সেই সময় গালিব সেখানে আসে,

গালিব: তোর প্রানের ধন স্বামী কোথায় রে বিয়ে করে বন্ধুকে ভুলে গেছে।

নিলয়: বিয়ে কি আমি একা করেছি, না তুইও করেছিস। ফোন দিলে আবার বলতি বাসর রাতে ডিস্টার্ব করতেছি।

গালিব: বেটা কথা ঘুরাবি না, এতদিন শুধু বিয়ে করার জন্য ফোন দিতি আমাকে।

তূবা এদের ঝগড়া শুনছে নিলা হাসছে, গালিব তূবার দিকে দেখে চুপ হয়ে গেলো। ক্যামেরা ম্যান এসে সবার ফ্যামিলি ফোটো নিলো।

অনি কিছুক্ষণ পরে আসলো, তূবাকে দেখতে পেয়ে তূবার কাছে গেলো। কেমন আছো ভাবি বলে পিছন থেকে জরিয়ে ধরলো।

তূবা সামনে ঘুরে হাসি দিয়ে বললো ভালো আছি ননদিনী,

অনি: ওয়াও তোমাকে তো অনেক সুন্দর লাগছে ভাবি, তাকে সাজিয়ে দিয়েছে।

তূবা: তোমার ভাই শাড়ি পরিয়ে দিয়েছে, আর আমি বাকি কাজ করেছি।

অনি: আমার ভাই এত রোমান্টিক সেটা তো জানাছিলো না।

তূবা: এই অনি ওদিকে দেখো, তোমার ভাই আমার ভাইকে কিসে টাকা দিচ্ছে বলো তো।

অনি : কেনো কালকে কি হয়েছে তুমি যানো না?

তূবা : কই না তো!

(কাল রাতে)

গালিব তূবাকে কোলে করে রুমে নিয়ে গিয়ে দেখে দরজা লক করা, গালিব অনিকে বলে আমার রুম কে লক করেছে।

অনি: তোমার ঘর সাজানো হয়েছে, আগে টাকা দাও তার পরে দরজা খুলে দিচ্ছি।

গালিব : দেখ বোন আমি আগে রুমে রেখে আসি তারপরে কথা বলি।

অনি: কোনো দরকার নেই। আমার সব প্লান শেষ করেছো এটা আমি হাত ছাড়া করছি না।

গালিব : আচ্ছা কত লাগবে বল।

অনি: ১ লক্ষ্য দিলে চলবে।

জিসান: ( কি ডাকাত মেয়েরে বাবা, ২৫ হাজার খরচ করে চায় ১ লাক্ষ।)

গালিব: আমার কাছে তো এতগুলো ক্যাশ নেই।

জিসান: ভাইয়া আমি দিয়ে দিচ্ছি আপনি তূবাকে দিয়ে ভিতরে যান।

অনির হাত থেকে চাবি কেরে নিয়ে জিসান দরজা খুলে দিলো, অনি জিসানের শার্টের কোলার চেপে ধরে

অনি: আপনার সাহস হয় কি করে আমার হাত থেকে চাবি কেরে নেয়ার।

জিসান: আমি কিছু বলিনা বলে ভেবো না আমি কিছু করতে পারবো না। আমার বোন অসুস্থ আর তুমি মজা শুরু করে দিয়েছো।

অনি: বা বা! আপনি দেখি রেগে যাচ্ছেন, রাগলে তো আপনাকে আরো কিউট লাগে।

জিসান অনির হাত উপরে ধরে দেয়ালে চেপে ধরে, চোখে চোখ রেখে বলে। আমার চোখের দিকে তাকিয়ে দেখো কিছু দেখতে পাচ্ছো।

অনি: হুম চোখ দুটো লাল হয়ে গেছে।

জিসান হাত ছেরে দিয়ে মনে মনে ( এই পিচ্ছির জন্য নাকি আমি পাগল হয়েছি, যে আমার ইমোশনই বুঝে না)

গালিব তূবাকে শুয়ে দিয়ে বাইরে বের হয়ে আসলো,

গালিব: জিসান ভাই তুমি তাহলে অকে টাকা তুলে দিও আমি কালকে তোমাকে দিয়ে দিবো। এখন তূবাকে রেখে আমি বাইরে যাবো না, আর ডক্টর ও আসবে এখনি। তোমরা চলে যাও।

—————————————————

রিকশায় জিসান আর অনি দুইজন বসে আছে, কোনো কথা নেই। অনেক্ষন তাই নিরবতা ভেঙে জিসান বলা শুরু করলো –

জিসান: পাপাকি পারি গাড়ি বাদ দিয়ে আমার সাথে রিকশায় আসলো কেনো। কষ্ট হচ্ছে না বুঝি।

অনি: টাকাটা নেয়ের জন্য এসেছি, না হলে আমার বয়েই গেছে। জিসান আচ্ছা এ বাত হে।

জিসান এটি এম বুথ এ গেলো, অনি একটু সাইডে দারিয়ে ছিলো৷
কয়েকটা বখাটে ছেলে অনির কাছে এসে টিচ করা শুরু করে, এক জন অনির কাছে গিয়ে অনির হাত যেই না ধরতে যাবে জিসান এসে বখাটের হাত মচরে পিঠে নিয়ে আসে, ঠাস ঠাস করে চর বসিয়ে দেয়।

মেয়েদের টিচ করা তাই না, ছেলে গুলো দৌড়ে পালায়।

জিসান: তোমরা এরকম খোলা মেলা পোশাক পড় কেনো বলো তো, আজ তোমার ড্রেস-আপ এর জন্য তোমাকে এই অবস্থায় পরতে হয়েছে।

অনি: এখন তো এই গুলোই চলে,

জিসান: এই মর্ডান যুগ তোমাদের ধংশ করে দিয়েছে।যাক আমার তায়াতে কি, তোমাদের বড় লোকদের তো আবার এভাবে চলা ফেরা না করলে যাত থাকবে না।এই যে টাকা নাও, আর বাড়ি চলে যাও।

অনি: আমি কিভাবে একা একা বাড়ি যাবো।

জিসান: অনির কানের কাছে এসে, নাটক কম করো প্রিও। গালিব ভাই যে বর্ডিগাড ছাড়া তোমাকে কোথাও যেতে দেয় না সেটা আমি ভালোকরে জানি।আর এতক্ষণে ঐ ছেলে গুলো হার হাড্ডি সব গুরো করে দিয়েছে।

অনেক রাত হয়েছে বাড়ি যাও।

—————————————————-
তূবা এতক্ষণ সব কিছু শুনলো,

তূবা: তুই কি আমার বন্ধু নাকি শত্রু?আমার এই অবস্থায় তুমি টাকা নিয়ে পরে ছিলাম।

অনি: তাতে আমার কি তুমি তো তোমার জামাইর করে ভালোই ছিলা।

অনির মাথায় কারো হাত পরে, অনি পিছনে তাকিয়ে দেখে গালিব।

অনি: ভাইয়া……

গালিব: কালকে কি রাগ করছিলি?

অনি: কই না তো, ভাইয়া মামুনি………

গালিব: থাক আর কিছু বলতে হবে না, বলে দিস আমি আমার বউকে নিয়ে ভালো আছি। আমাকে ডিস্টাপ না করলে খুশি হব।

তূবাকে নিয়ে গালিব সেখান থেকে চলে গেলো,
তূবা ভাবছে গালিব কে কিভাব তাদের বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়।

খাওয়া দাওয়া শেষ, তূবারা সবাই বাড়ি ফিরবে। নিয়ম ওনুযায়ি আজ নিলাদের বাড়িতে যাওয়ার কথা থাকলেও, নিলয়ের ছুটি না থাকায় তারা যাচ্ছে না। তাই তূবা আর গালিব ও যাবে না, তূবার মন খুব খারাপ হয়ে যায়। তাই সেই তখন থেকে গাড়িতে গাল ফুলিয়ে বসে আছে তূবা।

গালিব: সুইটহার্ট তোমার কি মন খারাপ?

তূবা: হ্যাঁ,

গালিব: কেনো?

তূবা: ভেবেছিলাম আজ আপু আর আমি বাড়ি যাবো কিন্তু হল না। তাই একটু মন খারাপ!

গালিব: ও এই ব্যাপার, আচ্ছা তাহলে চলো তোমাকে রেখে আসি।

তূবা: দরকার নেই, মেয়ে একা গেলে হয় না জামাইকে সাথে যেতে হয়। আর আপনি তো বললেন আপনার একটা ইনপোটেন কাজ আছে। আপনি কাজ সারেন ভাইয়া ছুটি পাক সবাই এক সাথে যাবো।

গালিব: অকে বিবি জান! তোমার কথাই থাক তাহলে।

গালিব তূবা বাড়িতে চলে আসলো, গালিব ফ্রেশ হয়ে তূবাকে ঘুমিয়ে পরতে বলে পাশের রুমে চলে গেলো।

তূবাও ফ্রেশ হয়ে ঘুমিয়ে পরলো

—————————————————-

সকালে ফোনের এর্লাম এ শব্দে তূবার ঘুম ভেঙে গেলো, তূবা ইচ্ছে করেই আজ এর্লাম দিয়ে রেখেছিলো, গালিব এর কাজ আছে তাই তার জন্য ব্রেকফাস্ট বানাবে। ( ছোট বেলা থেকে দেখে আসছে তূবা তার মাকে সকাল বেলা আম্মু উঠে আব্বুর জন্য নাস্তা বানায়) তাই আজ তূবাও গালিবের জন্য ব্রেকফাস্ট বানাবে। নিজে গিয়ে দেখে নিলো গালিব এসেছে কি না, না এখনো আসেনি।

তাই তূবা কাজে লেগে পরলো-
প্রথমে ডিম শেদ্ধ দিলো তার পরে পাউরুটি টোস্ট করে নিলো, এর মধ্যে গালিব চলে এসেছে,

তূবা: আপনি এসে পরেছে-

তূবার কথা শুনে গালিব চমকে যায় ভুত দেখার মত তারাতাড়ি তূবার কাছে গিয়ে বলে

গালিব: সুইটহার্ট তুমি কিচেনে কেনো? কি লাগবে তুমি আমাকে বলো আমি বানিয়ে দিচ্ছি।

তূবা: এত পেনিক হচ্ছেন কেনো, কালকে আপনি ব্রেকফাস্ট বানিয়েছেন তাই আজ আমি বানালাম। আপনি ফ্রেশ হয়ে নিন।

গালিব ফ্রেশ হতে চলে গেলো, তূবা টেবিলে সব রেডি করে কফি বানাতে গেলো। কফি বানানো হয়ে গেলে তূবা কফি নিয়ে যাচ্ছিলো হঠাৎ হাত ফোসকে গরম কফির মগ তূবার পায়ে পরে যায় তূবা সেখানে বসেই কান্না করছে।

গালিব ফ্রেশ হয়ে টাওয়াল নিয়ে নিচে আসছিলো, উপর থেকে তূবাকে কান্না করতে দেখে গালিব দ্রুত নিচে নেমে আসে।

গালিব: কি হয়েছে তোমার কান্না করছো কেনো,

গালিব দেখে তূবার পা লাল হয়ে গেছে, গালিব দ্রুত ফ্রিজ থেকে আইস কিউ নিয়ে তূবার পায়ে লাগিয়ে দেয়,

গালিব: বেইবি খুব জলছে? তোমাকে বলেছিলাম না কিচেনে না আসতে কেনো আমার কথা শুনলে না।

চলবে……

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here