গল্প_তোর_কারণে_ফিরে_আসা #পর্ব_১৫

0
51

#গল্প_তোর_কারণে_ফিরে_আসা
#পর্ব_১৫
#লেখিকা_ছায়ালিপি

দুই দিন পরে,

এই দুইদিন খুব ভালোভাবে কেটেছে তূবা আর গালিবের, নিলা আর নিলয় আফিসে ব্যাস্ত হয়ে গেছে, অনি কলেজে যাচ্ছে আর জিসান চাকরিতে চলে গেছে।

এই দুইদিন গালিব অনেক যত্ন করেছে তূবার, কোনো কাজ নিজে করতে হয়নি তূবাকে। এই দুইদিন এ তূবা গালিবের প্রতি অনেকটা দুর্বল হয়ে পরেছে,

গালিব: বিবিজান তুমি কি কলেজে যাবে না?

তূবা: কলেজে তো যাবো কিন্তু আমার বই তো সব বাড়ি তে কিভাবে যাবো।

গালিব একটা বক্স এনে দিলো, এটা খুলে দেখোতো কিছু পাও কি না।

তূবা বাক্স খুলে দেখে তার প্রোয়জনীয় সব জিনিস বক্স এ আছে,

তূবা: এইগুলো আপনি কবে আনলেন, আর আপনি কি আমাকে ছেলে আব্বুর বাড়িতে গেছিলেন?

গালিব: না তো আমার লিটিল বার্ড, এইগুলো জিসান সেদিন নিয়ে এসেছিলো। আমি আগেই বলেছিলাম তোমাকে সারপ্রাইজ দিবো বলে কিন্তু উল্টো তুমি আমাকে সারপ্রাইজ করে দিলা।

তূবা: আমি কি তাহলে আজ থেকে কলেজে যেতে পারবো?

গালিব: হুম! তাহলে তূমি রেডি হয়ে নাও, আমি তোমাকে দিয়ে আসবো।

তূবা অকে বলে রেডি হতে চলে গেলো, একটু পরে এসে দেখে গালিব ও রেডি হয়েছে প্রফেশনাল ভাবে।

তূবা: আপনি কি কথাও যাবেন?

গালিব: হুম তোমাকে তো বলা হয়নি আমিও জব এ যাচ্ছি।

তূবা: তাহলে আপনি আপনার কাজে যান আমি না হয় একা একা চলে যাবো।

গালিব: আমি থাকতে আমার বউ একা একা যাবে এটা কিভাবে সম্ভব।

দুইজন রেডি হয়ে চলে গেলো তূবার কলেজে, তূবাকে নামিয়ে দিলো তূবা বিদায় জানিয়ে নিজের ক্লাসে চলে গেলো। অনির পাশে বসলো,

তূবা: কোন স্যার কি পড়া আছে একটু বলে দাও তো, তা না হলে দারিয়ে থাকতে হবে।

অনি: সব সাবজেক্ট এর পড়া বলে দিলো, ইংরেজি নতুন নাকি কোন টিচার আসবে, এখনো আসেনি তাই ঐ আগের পড়াগুলোই আছে।

তূবা অনির কথায় ওতটা মন দিলো না সে পড়ায় ব্যস্ত, ক্লাস এ স্যার চলে আসে। ক্লাস করা শুরু করলো, এক এক করে সব ক্লাস হয়ে গেলো আর একটা ক্লাস বাকি আছে।

তূবা ভাবছে উনি এখন কি করছে কে জানে আজ জবের প্রথম দিন একবার ফোন দেই।

তূবা ফোন করলো-

গালিব: হ্যাঁ বলো বিবিজান!

তূবা: আপনি ঠিক মত পৌঁছে গেছেন?

গালিব: ঠোঁট ওসার করে হেসে উত্তর দিলো, জ্বি বিবিজান আমি ঠিক মত এসেছি।
তোমার ক্লাস কি শেষ?

তূবা: না আর একটা ক্লাস বাকি আছে, কোন নিউ টিচার নাকি আসছে কিন্তু এখন ক্লাসে আসেনি।

গালিব: ও আচ্ছা ঠিক আছে তাহলে ক্লাস করো পরে কথা হবে।

তূবা ফোন রেখে দিলো, কিছুক্ষণ পরে একজন এসে বললো ক্লাসে নতুন স্যার আসছে।

নতুন স্যার ক্লাসে ডুকলো,

Hello Everyone,
I’m your new English Teacher
Mr’ Aborar Khan Galib

তূবা আর অনি চোখ তুলে সামনের দিকে তাকালো, তূবা তো পুরো অবাকের শেষ সিমান্ত পৌঁছে গেছে,

অনি: ভাইয়া তুমি একখানে, একবার জানালে না কেনো?

গালিব: মিস অনি এটা কলেজ বাড়ি নয়, ছো আমি এখানে আপনার ভাইয়া নই অকে।

ক্লাসের সব মেয়েরা গালিব এর দিয়ে হা হয়ে তাকিয়ে ছিলো এতক্ষন, অনির কথাতে এবার সবাই অনির দিকে তাকালো।
গালিবের স্মাটনেস, এটিটুট, লুক আবার এ অল্প বয়সে প্রফেসর হয়েছে এসব দেখে ক্লাসের সব মেয়েরা ফিদা হয়ে গেছে।

তূবা যেনো এই ধাক্কা সামলাতে পারছে না, তার হাসবেন্ড তারি কলেজের প্রোফেসর। ওথচো সে জানতই না,

গালিব: মিস তূবা আপনি কি স্বপ্নের রাজ্জে হারিয়ে গিয়েছেন?

তূবা: জ্বি কই না….তো….

গালিব: ক্লাসে মন দিন সবাই।

গালিব ক্লাস নিচ্ছে আর সব মেয়েরা গালিবকে কে দেখছে, এটা দেখে তূবার খুব জেলাসি ফিল হচ্ছে। তার হাসবেন্ড কে অন্য কোনো মেয়ে কেনো এভাবে দেখবে।

পড়া শেষকরে গালিব ক্লাস থেকে থেকে বিদাই নেয়ার জন্য বের হবে সেই সময় কিছু মেয়ে বলে উঠে স্যার আজ প্রথম দিন আমরা সবাই সবার সাথে পরিচিত হই।

গালিব বললো গুড আইডিয়া, অকে তাহলে ছেলেদের পাশ থেকে বলা শুরু করো। সব ছেলে তাদের পরিচয় দেয়া শেষ করে নিজের নাম এবং কোথা থেকে এসেছে সেটা বলে, মেয়েরা বলা শুরু করলো, প্রথম লাইনের মেয়েরা শুরুকরলে নাম, কোথা থেকে এসেছে, বয়স, সিংলেল আছে কি না সব।

তূবার এই সব দেখে গা জ্বলে যাচ্ছে, মনে হচ্ছে সব কয়টাকে পানিতে ডূবায়।

গালিব: এযে আমি তোমার কাছে তোমাদের বায়োডাটা শুনতে চাইনি ছেলেদের মত সুন্দর করে বলো।

এবার অনি দারিয়ে অনির পুরো নাম বলোলো, মাস্তারা খান অনি। বাড়ি কোথায় সেটা তো আপনি জানেন স্যার ( রাগ করে)।

এবার তূবার পালা-
তূবা: আমার নাম তূবা আহমেদ, বাড়ি…….

গালিব: মিস তূবা, আপনি সিওর তো আপনি তূবা আহমেদ ( চোখ বড় বড় করে বললো গালিব)

তূবা: সরি সরি তূবা খান।

গালিব:That’s like a good Girl”!!

তূবা বসে পরলো, রাগে গজ গজ করছে, এমন একটা ভাব করছে মনে হয় আমাকে চিনেই না। আর মেয়েদের সামনে এত এটিটুট নিয়ে কথা বলার কিছে।

পিছনে সবার পরিচয় নিয়ে গালিব দারিয়ে আছে, একজন বলে উঠলো, স্যার আপনার সম্পর্কে কিছু বলুন, আর আপনি তো ১০ দিন আগে জয়েন্ট দেয়ার কথা তাহলে এত দেরি করলেন কেনো।

আমি আবরার খান গালিব,
আমি জাপানের একটা কলেজে টিচার হিসেবে ছিলাম, এখন দেশে এসে এখানে জয়েন্ট দিয়েছি। আর কিছু পারসোনাল কাজের জন্য আমি একটু লেট করে এসেছি।

অকে ইভরিওয়ান আজিকের মত ক্লাস এখানেই শেষ কাল সবাই পড়া করে আসবে।

গালিব বের হয়ে গেলে সব মেয়েরা গালিব কে নিয়ে গল্প করা শুরু লরে দিলো, কি সুন্দর দেখতে আমি তো প্রথম দেখাতেই প্রেমে পরে গেছি। অন্য জন বলে স্যার এর কথা বলার স্টাইল টা অনেক সুন্দর, সবাই এভাবে বলাবলি করছে।

তূবা আজ লিটিল বার্ড থেকে অ্যাংরি বার্ড হয়ে গেছে,

তূবা: অনি চলো এদের পেচের পেচের আমার ভালো লাগছে না।

অনি আর তূবা চলে যেতে নিলে সামনের মেয়ে গুলো অনিকে ডেকে বলে,

প্রোফেসর আবরার খান তোমার কি হয়??

অনি: কলেযে স্যার হয়, আর কলেজের বাইরে নিজের মায়ের পেটের ভাই।

অনি আর তূবা চলে গেলো

কিছু দূর গিয়ে তূবা গালিব কে দেখতে পেলো অন্য এক টিচারের সাথে কথা বলছে, তূবা ভেবেছিলো গালিব তূবার সাথে কথা বলবে কিন্তু গালিন তূবাকে ইগনোর করলো।

তূবার খুব মন খারাপ হল, সকালেও তো সব ঠিক ছিলো এখন কি এমন হলো যে উনি আমার সাথে এমন ব্যাবহার করছে।
নাকি এই কয়েকদিন শুধু আমার সাথে অভিনয় করেছিলো, এখন কলেজে অন্য সব মেয়েদের দেখে আমাকে আর বুঝি ভালো লাগছে না।

এই সব ভাবতে ভাবতেই কলেজের গেটে চলে আসলো তূবা আর অনি,

অনি: ভাবি চলো তোমাকে বাড়িতে দিয়ে আসি।

তূবা: না উনি দেখলে যদি রাগ করে,

অনি: রাগ কেনো করবে ভাইয়া!

তূবা: উনি নিজে তার বাবার কিনা গাড়িতে উঠে না আমি উঠলে হয়তো রাগ করবে।
তুমি চলে যাও আমি রিকশা নিয়ে চলে যাবো।

—————————————————-

তূবা যেতে যেতে ভাবে নিলো আজ থেকে তূবা প্রপার বউ হয়ে যাবে গালিবের, আর এই বন্ধু বন্ধু খেলা খেলবে না। বাড়িতে এসে তাই নিলাকে ফোন দিলো তূবা-

তূবা: হ্যালো আপু কেমন আছো?

নিলা: ভালো আছি বোন তুই কেমন আছিস, বিবাহিত জীবন কেমন যাচ্ছে?

তূবা: আর বিবাহিত জীবন আমরা তো এখন দুইজন বন্ধু, তাহলে বিবাহিত জীবন কেমন কাটবে আর।

নিলা: কি তোদের এখনো বাসর রাত হয় নি।

তূবা: না আপু, উনি আমাকে সময় দিয়েছিলো। উনাকে বুঝার জন্য ‘ কিন্তু আপু আমি যে আবার তার প্রেমে পরে গেছি সেটা কি উনি বুঝে না।

নিলা: কি বলতে চাচ্ছিস ভালো করে বলতো।

তূবা: এখন যখন আমি উনাকে ভালোবাসছি এখন উনি আমাকে ইগোনর করছে। আর আমি এটা কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না।

নিলা: বোন গালিব কে ভালোবেসে ফেলেছিস সেটা বলে দে তাহলেই তো হয়।

তূবা: আপু আমি একটা মেয়ে মানুষ হয়ে কিভাবে বলবো। উনি কি বুঝে না।

নিলা : আচ্ছা আমি নিলয়ের সাথে কথা বলবো।

তূবা: এই সব বলোনা আবার। আচ্ছা ভালো থাকো।

—————————————————-

তূবা আজ গোসল করে কাবাট থেকে সুন্দর একটা শাড়ি বের করে পরে নিলো, ইউটিউব দেখে দেখে পরেছে তবুও ঠিক মত পরতে পারেনি। একটু হালকা মেক-আপ করেছে সাথে কাচের কালো চুরি পরেছে। আজ গালিবকে সারপ্রাইজ দিবে তাই এত সেজেছে তূবা।

গালিব তূবার জন্য ফুল কিনতে এসেছে, গালিব জানে তার লিটিল বার্ড খুব রেগে আছে তাই ফুল দিয়ে রাগ ভাঙাবে, সেই সময় গালিবের ফোন বেজে উঠলো। ফোন হাতে নিয়ে দেখে নিলা ফোন করেছে।

গালিব: হুম বল হঠাৎ কি মনে করে।

নিলা: সম্মান দিয়ে কথা বলবি আমি তোর বউ এর বড় বোন।

গালিব: আসালামু আলাইকুম আপু, কেমন আছেন আপু, দুলাভাই কেমন আছে আপু?

নিলা: হেসে বললো থাক আর ঢং করতে হবে না। যেটার জন্য ফোন করেছিলাম।

গালিব: : জ্বি আপু বলেন কেনো ফোন করেছেন।

নিলা: শুনলাম আমার বোনকে নাকি ইগনোর করছিস,

গালিব: আমি আর আমার লিটিল বার্ড ইগনোর হতেই পারে না,

নিলা: তাহলে তূবা যে বললো তুই ইগনোর করেছিস।

গালিব: তুই তো জানিস আমি আমার প্রোফেশনাল লাইফে খুব সিরিয়াস, তো আমি তূবাদের কলেজের নতুন ইংরেজি প্রোফেসর। তো আমি কলেজে আমি ওর টিচারের মতই ব্যবহার করেছি এতটুকুই।

নিলা: হুম সবি বুঝলাম, কিন্তু আমার বোনটাকে নিজের করে নিচ্ছিস না কেনো এখনো।

গালিব: সেই সময়টা এখনো আসেনি, আমি তোর বোনকে সময় দিয়েছি।

নিলা: সে তো সময় চাচ্ছে না, সেতো এখন তোর ভালোবাসা চায় সেও তোকে ভালোবেসে ফেলেছে।

গালিব: সেটা তোর বোনকেই বলতে হবে আমাকে।

নিলা: ও মেয়ে হয়ে কিভাবে বলবে এই সব কথা।

গালিব: সেটা তোর না ভাবলেও চলবে।

গালিব ফোন কেটে দিলো, লিটিল বার্ড তুমি জেলেছিল ফিল করছো তাই আজ কনফেছ করেই নিয়েছো তোমার বোনের কাছে আমাকে ভালোবাসো। কিন্তু আমি তো এভাবে তোমার কাছে ধরা দিবো না তোমাকে নিজে আমার কাছে আসতে হবে।

——————————————————————————————————–

গালিব বাড়িতে চলে আসলে গাড়ির শব্দে তূবা নিচে চলে আসে দরজা খুলতে, গালিব দরজা খুলে দেখে তার অপসারী দারিয়ে আছে কালো শাড়ি পরে।

গালিব: ( এই মেয়ে এটা কি করেছে এভাবে সেজেছে কেনো, কন্টোল গালিব কন্টোল)।

তূবা: ওয়াও ফুল, এগুলো কি আমার জন্য?

গালিব: না এগুলো আমার এক স্টুডেন্ট অয়েলকাম করেছে।

তূবা: ভ্রু উচু করে, ছেলে স্টুডেন্ট নাকি মেয়ে স্টুডেন্ট?

গালিব: সেটা জেনে তুমি কি করবে? স্টুডেন্ট তো স্টুডেন্ট হয় ছেলে হোক বা মেয়ে।

তূবা আর কিছু না বলে উপরে চলে গেলো, গালিব যাওয়ার দিকে তাকিয়ে আসছে, লিটিল বার্ড তো দেখি আমার পুরাই আগুন হয়ে গেছে।তূবা উপরে গিয়ে শাড়ি খুলে একটা লং টিশার্ট আর আর প্লাজু পরে নিলো।

তূবা: যা মন চায় করুক বাসবোনা ভালো, আমার সাথে তেরামি করছে, বলে দিলে কি হত কি দিয়েছে। আর আমি এত সুন্দর করে সাজলাম দেখেও না দেখার ভান করলো, (আনরোমান্টিক মানুষ একটা)

গালিব : কে আনরোমান্টিক?

তূবা: কই…. কেউ… না…. তো…… আমি আমি নিজেই একটা আনরোমান্টিক।

গালিব: তুমি না শাড়ি পরেছিলে তাহলে চেঞ্জ করলে কেনো।

তূবা: (শয়তান বেডামানুষ দেখেছে কিন্তু না দেখার ভান করে ছিলো) আমার ইচ্ছা হয়েছে তাই খুলেছি।

গালিব: ও আচ্ছা ঠিক আছে বলে, কাবাট থেকে কাপর বের করে বাথরুমে চলে গেলো।

তুবা: ভ্যাগিস শুনতে পায়নি, নাহলে আজ আমার কি হত কে জানে।

গালিব বাথরুমে গিয়ে আসছে আর বলছে লিটিল বার্ড আমি কতটা আনরোমান্টিক সেটা না হয় কাছে এলেই জানতে পারবে।

গালিব ফ্রেস হয়ে চলে আসলো,

গালিব: কি খাবে আজ বলো?

তুবা: আমি বিরিয়ানি ওয়াডার করে দিয়েছি, কিছুক্ষণের মধ্যে চলে আসবে।

গালিব আর কিছু না বলে ল্যাপটপ নিয়ে বসলো ,

তূবা: ক্লাসে আজ কেনো আমার সাথে এমন করলেন।

গালিব: তুমি যে বিবাহিত সেটা সবাইকে বুঝালাম, যেতে কেউ তোমার দিকে নজর না দেয়।

তূবা: আর আপনাকে যে মেয়ে গুলো চোখ দিয়ে গিলে যাচ্ছিলো সেটার বেলায় কিছু না।

গালিব: তুমি কি জেলাস লিটিল বার্ড?

তূবা: থতলাতে থতলাতে বললো আমি কেনো জেলাস হবো, আপনাকে যে যেভাবে খুশি দেখুক আমার কিছু যায় আসে না।

গালিব: আমি একটু বেশি কিউট কি না তাই মেয়েরা একটু দুর্বল আমার প্রতি।

তূবা একটা বালিশ ফিকে মারে গালিবের দিকে, গালিব চোখ বড় করে এটা কি করলে।

তূবা: কাচু মাচু হয়ে বললো স্লিপ হয়ে চলে গেছে।

কলিং বেল বেজে উঠে, তূবা বলে বিরিয়ানি এসে গেছে বলে দৌর দেয়।

গালিব: লিটিল বার্ড তুমি যে আমার প্রতি সিরিয়াস এটা তোমাকেই মুখ ফুটে বলতে হবে।

তূবা এসে বললো চলুন লাঞ্চ সেরে নেই আমার খুব খুদা পেয়েছে, আর বিরিয়ানি তো আমার ফেবারিট তাই খিদে আরো বেরে গিয়েছে।

চলবে………..

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here