চাঁদের_হাসি #লেখিকা_সিনথিয়া_জাহান #পর্বঃ৩৬ (৯৯+ এলার্ট)

0
21

#চাঁদের_হাসি
#লেখিকা_সিনথিয়া_জাহান
#পর্বঃ৩৬ (৯৯+ এলার্ট)

পুরো বাড়ি আত্মীয় স্বজনে ভরপুর ৷ হেনিন বাগানে বসে চাঁদের দিকে তাকিয়ে আছে কিছুটা বিরক্তি আর কিছুটা হতাশা নিয়ে ৷ ওর পাশেই অলি গালে হাত দিয়ে বসে আছে ৷ একটু পর হেনিন দাঁতে দাঁত চেপে বলতে লাগল,,,

দেখো অলি ভাইয়া লজ্জার সাথে ব্রেকআপ করো ৷ অনন্যা আপু তোমার জন্য অপেক্ষা করছে যাও ৷

অলি করুন চোখে ওর দিকে তাকিয়ে বলল,,, যেতেই হবে রে চিতা?

হেনিন ঠিক কি প্রতিক্রিয়া করবে বুঝতে পারছে না ৷ তবে ওর মাথায় একটা মা*র্ডার করার প্লান ঘুরছে যেটা ভালো লক্ষণ নয় ৷ তবে মা*র্ডার টা লজ্জাকে করতে পারলে সেই ভালো হতো ৷ যেহেতু সেটা করা সম্ভব নয় তাই হেনিন তড়াক করে বসা থেকে উঠে পড়ে বলল,,,

অলি ভাইয়া ওঠো আর যাও ৷

অলি অনিচ্ছা সত্ত্বেও উঠে দাঁড়াল ৷ তবে সামনের দিকে অগ্রসর হলো না ৷ তা দেখে হেনিন কপাল কুঁচকে বলল,,,

কি হলো? যাও ৷

ওর কথায় এবার অলি হাঁটতে শুরু করল ৷ তবে ওর পা কাঁপছে ৷ ও কাঁপাকাঁপি থামানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করে চলেছে কিন্তু পারছে না ৷ হঠাৎ হেনিন পিছন থেকে ধমকে উঠে বলল,,,

এই তোমার পা কাঁপছে কেন? নিজের মধ্যে পুরুষ ভাব নিয়ে আসো ৷ এসব লজ্জার কথা ভুলে যাও ৷

অলি কাঁপাকাঁপি পুরোপুরি থামাতে না পারলেও খানিকটা থামিয়ে দিল ৷ আস্তে আস্তে হাঁটতে হাঁটতে ও দোতলায় চলে গেল এবং সবশেষে নিজের রুমের সামনে চলে গেল ৷ তবে এবার ওর কাঁপাকাঁপি বহুগুণ বেড়ে গেল ৷ ও নিজের উপর ব্যর্থতা দেখিয়ে মাছি তাড়ানোর মতো করে বলল,,,

আমার দ্বারা হবে না!

তবে পিছন ঘুরে হেনিনের রাগত মুখটা চোখে পড়তেই অলি চমকে উঠল ৷ অলি নিজের হয়ে সাফাই গাওয়ার আগেই হেনিন কাটকাট গলায় বলল,,,

আমি জানতাম তুমি এমন কিছুই করবে! এবার সোজা রুমে প্রবেশ করো নয়তো দোতলা থেকে তোমাকে ধা*ক্কা মে*রে নিচে ফেলে দিব ৷

অলি ঢোক গিলে রুমে প্রবেশ করল ৷ ও ভাবেনি এই ল্যাদা বাচ্চা ওকে এতোটা আ*তঙ্কে ফেলে দিবে! ও রুমে প্রবেশ করার কয়েক মিনিট পর হেনিন নিচে নেমে গেল ৷ অন্যদিকে অলি চোখ বন্ধ রেখেই রুমে প্রবেশ করেছে, এখনও চোখ খোলেনি ৷ নিজের মনের সাথে যু*দ্ধ করতে লাগল চোখ খোলা ঠিক হবে কিনা সেটা ভেবে ৷ এরই মাঝে অনন্যা বলে উঠল,,,

কোথায় ছিলেন? পিকু আপনাকে খুঁজছিল ৷

অলি এবার চোখ খুলে ফেলল ৷ তবে আশ্চর্যের ব্যাপার হলো অনন্যার দিকে তাকাতেই ওর লজ্জা হারিয়ে গেল ৷ লজ্জার জায়গায় মুগ্ধতা এসে ভর করল ৷ বউরুপে নিজের কাঙ্ক্ষিত নারীটাকে দেখলে যে কারোরই মনে লাড্ডু ফুটবে ৷ অলিরও ফুটেছে ৷

অনন্যা ফুল দিয়ে সাজানো বাসরঘরে বসে আছে ৷ অলি সেদিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকল একদৃষ্টিতে ৷ অনন্যা নিজের প্রশ্নের জবাব না পেয়ে বলল,,

কি হলো কথা বলছেন না কেন?

অলি অস্ফুট স্বরে বলতে লাগল,,, আমি হেনিনের সাথে ছিলাম ৷

হেনিন দেখছি আপনার সাথেই বেশি সময় কাটাল ৷ আমাকে তো পাত্তাই দিল না খুব একটা ৷

অলি মনে মনে বলল,,, এমন পাত্তা যেন কেউ না পায়! পুরোটা সময় আমাকে ধমকের উপর রেখেছে ৷ সে হিসেবে আপনাকেই বেশি পাত্তা দিয়েছে ৷

অনন্যা ভ্রু কুঁচকে বলল,,, আপনি বিরবির করে কি বলছেন বলুন তো?

অলি তৎক্ষণাৎ জবাব দিল,,, ক-ক-কিছু না ৷

কথা বন্ধ হয়ে গেল ৷ অলি আরও কিছুক্ষণ ওখানেই দাঁড়িয়ে থাকল ৷ অতঃপর এক পা এক পা করে অনন্যার সম্মুখে এসে বসে পড়ল ৷ কিছু না বলে ও শুধু নিজের বউকেই দেখতে থাকল ৷ এতে করে অনন্যার এবার লজ্জা করতে লাগল ৷ এই লজ্জা কাটানোর জন্য অনন্যা বলতে লাগল,,,

আপনার রামছাগল দুটোর এবার বিয়ে দেওয়াই যায় কি বলেন? ছাগলের বাবার তো আজ বিয়ে হয়ে গেল ৷

অলি সে প্রসঙ্গে গেলই না ৷ ও অনন্যার গালের তিল টাতে একটা আঙুল ছোঁয়াল ৷ এতে করে অনন্যা ইষৎ চমকে উঠল ৷ তবে মুখে কিছু বলল না ৷ অলি শান্ত গলায় বলতে লাগল,,,

আপনার এই তিল স্পর্শ করার আমার অনেকদিনের শখ ছিল ৷

আপনি কি অ*শ্লীল!

ওর কথায় অলি লাজুক হাসল ৷ এতে করে ওর কানও লাল হয়ে গেল ৷ তা দেখে অনন্যা বলতে লাগল,,,

আপনি পুরুষ জাতের অপমান করছেন রীতিমত! ছেলে হয়ে এতো লজ্জা পেলে চলে? যেখানে ছেলেদের লজ্জাই থাকে না ৷

এটা আমার বৈশিষ্ট্য ৷ এই বৈশিষ্ট্যকে আমি শত চেষ্টা করেও বদলাতে পারিনি ৷ কি করব বলুন?

আচ্ছা মানলাম ৷ কিন্তু আপনি একবারও আমার থেকে মাফ চাইলেন না কেন?

কোনো ভুল করেছি?

করেননি আবার? নিজের বোনকে বিয়ে করে নিলেন এটা বুঝি ভুল না?

অলি সামান্য হেসে বলল,,, উহু ভুল না ৷ কারন বিয়ের প্রস্তাব আপনি পরিবারে দিয়েছেন ৷ আপনি নিজ দায়িত্বে আমাকে বিয়ে করেছেন ৷

অনন্যা চোখ সরু করে ওর দিকে তাকিয়ে বলল,, ওহ আচ্ছা তার মানে আপনার কোনো ইচ্ছা ছিল না? তাহলে ডিভোর্স টা কাল সকালে দিয়ে দিই?

অলি আচানাক বিছানা থেকে নেমে অনন্যাকে পাজাকোলা করে তুলে বেলকনিতে নিয়ে গেল ৷ এতে করে অনন্যা হকচকিয়ে গেল ৷ লজ্জারা এসেও হানা দিল ৷ বেলকনিতে মাদুর পাতা ছিল ৷ সেই মাদুরে অনন্যাকে বসিয়ে দিয়ে অলি ওর পাশে ঘনিষ্ঠভাবে বসে বলতে লাগল,,,

আমি অনুমতি দিলে তো ডিভোর্স দিবেন নাকি? বেঁচে থাকার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত ছাড়ছি না আপনাকে ৷

অনন্যার লজ্জা কাটিয়ে উঠতে বেশ সময় লাগল ৷ তবে অলির মতো লজ্জা না থাকায় খুব দ্রুতই সেই লজ্জা কাটিয়ে উঠতে পারল ৷ ও অলির কাঁধে মাথা রেখে আকাশে ভাসমান চাঁদের দিকে তাকাল ৷ এতে করে এবার অলি বাবু লজ্জা পেয়ে গেল ৷ ফলশ্রুতিতে ওর কান দুটো লাল বর্ণ ধারণ করতে শুরু করল ৷ তা চোখে পড়তেই অনন্যা জোরে জোরে হাসতে লাগল ৷

ওর হাসির দিকে তাকাতেই অলির লজ্জা ভেঙে গেল ৷ ও মুগ্ধ গলায় বলতে লাগল,,,

আশ্চর্য! হাসলে একজনকে এতো সুন্দর লাগতে যাবে কেন?

অনন্যার হাসি বন্ধ হয়ে গেল ৷ ও একদৃষ্টিতে অলির দিকে তাকিয়ে থাকল ৷ অলিও ওর দিকে তাকিয়ে আছে ৷ ওদের চোখাচোখি থেকে ভালোবাসা শুরু হতে লাগল ৷ দূরের আকাশে দুটো পাখি একসাথে উড়ে যাচ্ছে ৷ তাদেরও হয়তো ভালোবাসা আছে ৷ সকলের ভালোবাসার মাধ্যম তো আলাদা ৷

°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

বিয়ের বেশ কয়েক মাস কেটে গেছে ৷ অন্যক্ষেত্রে লজ্জা পেলেও অলি এখন অনন্যার বিষয়ে লজ্জা পায় না ৷ তবে মাঝে মাঝে কানটা একটু লাল হয়ে যায় এই আরকি ৷ ওদের দুজনের ট্রাভেল এজেন্সি ভালোই চলছে ৷ ভ্রমনপিপাসু মানুষদের জন্য নতুন এক মাধ্যম হচ্ছে ওদের এজেন্সি ৷

অলি এজেন্সির কিছু কাগজপত্র মনোযোগ দিয়ে দেখছে ৷ অনন্যা ওর থেকে খানিকটা দূরে বিছানায় বসে আছে চুপচাপ ৷ তবে ওর হাতে একটা মোবাইল আছে যে মোবাইল টা চুপচাপ না ৷ সেটা ক্রমাগত আওয়াজ করেই চলেছে ৷ অনন্যা একপাক্ষিক ভালোবাসার একটা স্যাড শায়েরি টানা দুই তিনবার শুনল ৷ এতে করে অলির মনোযোগ বিঘ্নিত হলো ৷ ও কাজ করা বাদ দিয়ে বউয়ের দিকে তাকিয়ে বলল,,,

কি ব্যাপার? এটা বারবার শুনছেন কেন?

অনন্যা তৎক্ষণাৎ জবাব দিল,,, কারন আপনি আমাকে ভালোবাসেন না ৷

কথাটা বলা শেষ করে অনন্যা পুনরায় ভিডিও দেখতে ব্যস্ত হয়ে পড়ল ৷ কিন্তু অলির ভ্রু কুঁচকে গেছে ৷ ও আর কাজে মনোযোগ দিতে পারছে না ৷ বেশ কয়েক মিনিট অতিক্রম হওয়ার পর অলি লম্বা লম্বা পা ফেলে অনন্যার সম্মুখে গিয়ে বসল ৷ তারপর ওর হাতে হাত রেখে কাটকাট গলায় বলল,,,

আমি আপনাকে ভালোবাসি না?

অনন্যা হকচকিয়ে গেল ৷ পর মুহূর্তে মাথায় দুষ্টু বুদ্ধি আসতেই ও স্বাভাবিক গলায় বলল,,,

না বাসেন না ৷

অলির মুখে চিন্তার ছাপ ৷ ও এক মিনিট নিরব থাকার পর বলল,,,

কি করলে বিশ্বাস করবেন আমি আপনাকে ভালোবাসি? সত্যি বলছি যা বলবেন তাই করব ৷

অনন্যা হাসি চেপে রাখল বহু কষ্টে ৷ অতঃপর একপলক বেলকনির দিকে তাকাল ৷ বাইরে ঝড় বৃষ্টি হচ্ছে ৷ সেদিক থেকে চোখ সরিয়ে ও অলির দিকে তাকিয়ে বলল,,,

আমাকে কদম ফুলের পাশাপাশি তিন চার প্রকারের ফুল এক্ষুণি এনে দিন ৷ তাহলে বিশ্বাস করব যে আপনি আমাকে ভালোবাসেন ৷

অলি অনন্যার হাত ছেড়ে দিয়ে বাইরে তাকাল ৷ ভালোই ঝড় বৃষ্টি হচ্ছে ৷ ওর দিকে তাকিয়ে অনন্যা বলতে লাগল,,,

যাক ব্যাপার না ৷ আনতে হবে না ৷

অলি কাতর চোখে অনন্যার দিকে তাকিয়ে কিছু বলতে যাবে তার আগেই নিচে থেকে ইয়াসির প্রামানিকের আওয়াজ এলো ৷ তাই অলি নিচে চলে গেল ৷ এদিকে ও চলে যেতেই অনন্যা মুখে হাত চেপে রেখে অনেকক্ষন হাসল ৷ অলির করুন মুখটা চোখের সামনে ভাসলেই ওর প্রচন্ড হাসি পাচ্ছে ৷ হাসাহাসির পর্ব শেষ করে ও বাথরুমে চলে গেল ফ্রেশ হওয়ার জন্য ৷

ফ্রেশ হতে অনেক সময় লাগাল ও ৷ বাথরুম থেকে বেরিয়েও অলির দেখা না পেয়ে ও রুম থেকে বের হলো ৷ নিচে নামার সময় ইয়াসির প্রামানিকের সাথে দেখা হলে ও জিজ্ঞেস করল,,,

বাফু উনি কোথায়?

বাবা আর ফুফামশাইয়ের সমন্বয়ে অনন্যা ইয়াসির প্রামানিক কে বাফু বলে ডাকে ৷ সে যাই হোক , প্রতি উত্তরে ইয়াসির প্রামানিক বললেন,,,

জানি না ৷

আপনি না উনাকে ডেকে পাঠালেন?

হ্যাঁ সেটা তো অনেকক্ষন আগে ৷ কথা বলাও শেষ হয়েছে ৷ এখন আরাফাত কোথায় সেটা আমি জানি না ৷

ইয়াসির প্রামানিক চলে গেলেন ৷ অনন্যা নিচে নেমে অলিকে খুঁজতে লাগল ৷ কোথাও না পেয়ে ও রিনা বেগমের কাছে গিয়ে বলল,,,

মা উনি কোথায়?

কে? আরাফাত?

হু ৷

জানি না রে ৷ দেখিনি ওকে ৷

অনন্যা মায়ের কাছ থেকে চলে আসল ৷ সোজা চলে গেল আলমগীর প্রামানিকের কাছে ৷ উনি চিৎ হয়ে শুয়ে নাক ডাকছেন ৷ অনন্যা উনার পিঠ ঝাকিয়ে বলল,,,

এই বুড়ো তোমার অলি বাবুকে দেখেছো?

আলমগীর প্রামানিক ঘুমের ঘোরে থেকেই বললেন,, ও তো আমার সাথেই ৷ আমরা দুজন ঘোড়ার পিঠে চড়ে ছুটছি সেটা দেখতে পাচ্ছ না লালকুমারী?

অনন্যা কপাল কুঁচকে বলতে লাগল,,, ধুরর বুড়ো তোমার সাথে কথা বলাই ভুল হয়েছে ৷

অনন্যা দাদুর কাছ থেকেও চলে আসল ৷ উঠোনের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল ৷ অলি কোথায় যেতে পারে এই ঝড় বৃষ্টির মাঝে? হঠাৎ মাথায় একটা বিষয় আসতেই অনন্যা অস্ফুট স্বরে বলল,,,

উনি আবার সত্যি সত্যি ফুল আনতে গেলেন না তো? হায় আল্লাহ!

ওর চিন্তার মাঝেই কলিংবেল বেজে উঠল ৷ অনন্যা ছুটে গিয়ে দরজা খুলে দিল ৷ অলি হাস্যজ্জ্বল মুখে কাকভেজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ৷ ওর হাতে একগুচ্ছ ফুল ৷ অনন্যার চোখ বড় বড় হয়ে গেল ৷ অলি মুচকি হেসে বলতে লাগল,,,

কি গো মনের রানী, খুশি? এক জাতের ফুলে হবে না?

অনন্যা কয়েক মুহুর্ত থম মেরে দাঁড়িয়ে থাকল ৷ অতঃপর হুশ হতেই অলিকে টেনে ভিতরে প্রবেশ করিয়ে বলল,,,

আপনি কি পাগল? আবারও জ্বর বাঁধাতে চান? এই বৃষ্টিতে বাইরে কেন গিয়েছিলেন?

বারে নিজের ভালোবাসা প্রমাণের জন্য আমার বউ আমাকে একটা উপায় বলল আর আমি সেটা পালন করব না?

আমি মজা করেছিলাম ৷ এটা প্রমাণের কিছু নেই ৷ আমি জানি আপনি আমাকে ভালোবাসেন ৷

ভালোবাসা নিয়ে কোনো চান্স নিতে ইচ্ছুক নই মনের রানী ৷

অনন্যা ভ্রু কুঁচকে ওর দিকে ক্ষণকাল তাকিয়ে থেকে ওর ভেজা মাথা গামছা দিয়ে মুছে দিতে লাগল ৷ তারপর বলল,,,

দ্রুত গিয়ে ভেজা কাপড় বদলান ৷

অলি মুচকি মুচকি হাসছে ৷ অনন্যার এই রুপটাও ওর বেশ ভালো লাগছে ৷ ওর অবস্থা দেখে অনন্যা কাটকাট গলায় বলল,,,

এসব ফ্লাটিং আপনি আপনার রামছাগল দুটোর থেকে শিখেছেন তাই না? তবে আমি মনজু চাচার ছাগল না যে পটে যাব! শুধু জ্বর হোক তখন আপনার দাঁড়ি টেনে ছিঁড়ে দিব!

চলবে,,,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here