মন_হারালো_বেঘোরে #লেখনীতে_মেহেরীন #বোনাস_পর্ব

0
24

#মন_হারালো_বেঘোরে
#লেখনীতে_মেহেরীন
#বোনাস_পর্ব

আরশান রিমির বাহুর ওপর থেকে নিজের কবজির বাঁধন একটু আলগা করল ঠিকই, কিন্তু ওর দৃষ্টি তখনও রিমির ঠোঁটে নিবদ্ধ। ঘরের পরিবেশটা আচমকা যেন ভারী হয়ে উঠল। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই আরশান রিমির কোমরে এক হাত জড়িয়ে ওকে আরও নিবিড়ভাবে নিজের দিকে টেনে নিল। রিমির নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম হলো। আরশান ওর কপালে নিজের কপাল ঠেকিয়ে খুব নিচু স্বরে ফিসফিস করে বলল…

“You talk too much, Rimi. মাঝে মাঝে তোমার এই অবাধ্য ঠোঁটগুলোকে থামিয়ে দেওয়া খুব জরুরি হয়ে পড়ে।”

রিমির বিস্ময় কাটতে না কাটতেই আরশান খুব আলতো কিন্তু গভীর আবেশে রিমির ঠোঁটে নিজের ঠোঁট ডুবিয়ে দিল। রিমির শরীরটা এক মুহূর্তের জন্য পাথর হয়ে গেলেও পরক্ষণেই এক তীব্র শিহরণ ওর মেরুদণ্ড বেয়ে নেমে গেল। লোকটার স্পর্শে এমন এক মায়াজাল আছে যা ঘৃণা আর রাগকেও ক্ষণিকের জন্য ভুলিয়ে দেয়। কিন্তু রিমির ভেতরের বিদ্রোহী সত্তাটা দমে গেল না। ও জোর করে নিজেকে আরশানের বাহুবন্ধন থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে সজোরে একটা ধাক্কা দিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে বললো…

“আপনি…আপনি বড্ড বাড়াবাড়ি করছেন!”

আরশান কোনো উত্তর দিল না, শুধু একটা হাসি দিয়ে একটা টি শার্ট বের করে গায়ে জড়িয়ে বিছানার দিকে এগিয়ে গেল। ঘড়িতে তখন রাত সাড়ে বারোটা পার হয়েছে। আরশান বিছানার একপাশে শুয়ে পড়ে মাথার দিকের ড্রিম লাইটটা জ্বালিয়ে দিল। পুরো ঘরটা একটা নীলচে মায়াবী আলোয় ভরে উঠল যা মোটামুটি ঘরটাকে বেশ স্পষ্টভাবেই আলোকিত করে রেখেছে। রিমি বিছানার অন্য পাশে দাঁড়িয়ে ভ্রু কুঁচকে তাকাল। ও দেখেছে আরশান সাধারণত অনেক রাত পর্যন্ত স্টাডি রুমে কাজ করে, কিন্তু আজ ও আগেই শুয়ে পড়েছে। রিমি কিছুটা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল — “লাইট বন্ধ করবেন না?”

আরশান চোখ বন্ধ করেই নির্বিকার ভঙ্গিতে জবাব দিল — “I sleep with the lights on.”

রিমির মেজাজটা এবার সপ্তমে চড়ল। সারাদিন আরশানের জন্যে নানান কারণে ওর মাথা গরম হয়ে থাকে তাই রাতটাই শুধু শান্তিতে বিশ্রাম নেওয়ার সময় এখন কি আরশান বলছে লাইট বন্ধ করবেনা?

“বলছেন কী? ঘরে আলো জ্বললে কারও ঘুম আসে নাকি? আমার অন্ধকার ছাড়া একদম ঘুম হয় না। দয়া করে ওটা বন্ধ করুন।”

আরশান এবারও কোনো নড়চড় করল না। যেন রিমির অভিযোগগুলো ওর কানে পৌঁছাচ্ছেই না। রিমির ধৈর্যের বাঁধ এবার ভেঙে গেল। ও গজগজ করতে করতে বলল — “আপনি নিজেকে ভাবেন কী বলুন তো? আমাকে এখানে ঠিক কেন রেখেছেন? আমার কোনো কথা, কোনো স্বাচ্ছন্দ্যের কি বিন্দুমাত্র মূল্য নেই আপনার কাছে? নিজের মর্জিমতো যা খুশি করছেন, কিন্তু আমি আমার রাতের ঘুম নষ্ট করতে পারব না।”

রিমি জেদ করে বিছানার থেকে নামতে গেলো, কারণ আরশান ওর কথা শুনবে না তাই নিজেই এগোতে চাইল লাইটটা বন্ধ করতে চেয়েছিল। কিন্তু ও সুইচ পর্যন্ত পৌঁছানোর আগেই আরশান এক ঝটকায় উঠে এসে রিমির কবজি ধরে ফেলল এবং চোখের পলকে ওকে বিছানায় টেনে শুইয়ে দিল। রিমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই দেখল আরশান ওর ওপর উপুড় হয়ে দু-হাতে ওকে বিছানার সাথে পিন করে রেখেছে। আরশানের চোখের সেই নেশাতুর চাউনি আর ঠোঁটের কোণের বাঁকা হাসি রিমির হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দিল বহুগুণ।আরশান রিমির কানের কাছে নিজের তপ্ত নিশ্বাস ফেলে খুব নিচু, ফ্লার্টি একটা টোনে বলল — “Sleep like a good girl, sweetheart. নাহলে আজকের রাতটা তোমাকে ঘুমাতে না দেওয়ার অজুহাত আমার কাছে অনেক আছে। And trust me, you won’t like the alternative ways I have in mind to keep you awake.”

আরশানের কণ্ঠস্বরে এক ধরণের প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারির আভাস পাওয়া যাচ্ছে আর ও কি করতে চাইছে সেটাও রিমির বুঝতে অসুবিধা হলো না। ও এখন মোটেই আরশানের আগ্রাসনের শিকার হতে চায় না তাই আর একটা শব্দও করলো না। আরশানের চোখের ওই তীব্র চাউনি যেন বলে দিচ্ছিল, এখন কথা বাড়ানো মানেই নিজেকে আরও বড় বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া। রিমি অনিচ্ছাসত্ত্বেও অসহায়ভাবে চোখ বন্ধ করে ফেলল, আর আরশান এক অদ্ভুত তৃপ্তি নিয়ে নিজের জায়গায় শুয়ে পড়লো। রিমি যখন চোখ বুজে ঘুমানোর চেষ্টায় ছিলো তখনই আরশান ওর দিকে ঘুরে ওকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো। রিমি কিছু বলতে চেয়েও বলতে পারলো না, বললেই কি আর এই লোক শুনবে? অগত্যা ওভাবেই ঘুমানোর চেষ্টা করলো!
__________________________________

পরদিন সকালের নাস্তা শেষ হতেই আরাফাত সাহেব সবাইকে বসার ঘরে ডেকে পাঠালেন। সবাই আসার পর আরাফাত সাহেব গলার স্বর পরিষ্কার করে বললেন…

“বিয়েটা যখন হুট করে হয়েই গেছে, তখন সমাজ আর আত্মীয়-স্বজনের একটা ব্যাপার থাকে। তো আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ছোটখাটো একটা রিসিপশনের আয়োজন হবে।”

সুরভী বেগম একটু আশ্বস্ত হলেন। গত কিছুদিন ধরে উনি এটা নিয়েই স্বামীর সঙ্গে আলোচনা করছিলেন কিন্তু আরাফাত সাহেব রাজিই হচ্ছিলেন না! আরাফাত সাহেব আবার বললেন — “সুরভী, তুমি রিমিকে সাথে নিয়ে গিয়ে কেনাকাটাগুলো সেরে ফেলো। সামনের সপ্তাহেই সেরে ফেলবো অনুষ্ঠান। সময় বেশি নেই।”

বাবার মুখে রিসিপশনের কথা শুনে ইনায়া মুহূর্তেই উত্তেজিত হয়ে উঠল। ও হাসিমুখে বলল — “বাহ আব্বু! দারুণ হবে তাহলে। আমি ভাবছিলাম ডেকোরেশনটা যদি একটু থিম বেইজড করা যায় আর…”

ইনায়ার কথা শেষ করার আগেই আরাফাত সাহেব হাত তুলে তাকে থামিয়ে দিলেন।

“অতিরিক্ত কোনো জাঁকজমক আমি চাই না। এটা কেবল সামাজিক ফর্মালিটি রক্ষার জন্য। আমার অনেক বিজনেস পার্টনার আসবে সেখানে, সবমিলিয়ে সিম্পল একটা রিসিপশন হবে।”

আয়ান তখন একটু সাহস যুগিয়ে বললো — “আব্বু, ভাইয়ার বিয়ে আর কোনো সুন্দর আয়োজন হবেনা এটা কিভাবে হয়? আমাদেরও তো কতো ইচ্ছা আছে ভাইয়ার বিয়ে নিয়ে, কতো প্ল্যান আছে”

“জীবনে সবকিছু প্ল্যান মাফিক হয় না আয়ান, তোমার ভাইয়ের বিয়েটাও হঠাৎ হয়েছে ভুলে যেও না। কোনো বিনোদনমূলক আয়োজন হবেনা ব্যাস”

বাবার এমন কথায় দুই ভাইবোনের উচ্ছ্বাসটা মুহূর্তেই উবে গেল। রিমি মাথা নিচু করে চুপ হয়ে ছিলো, ওর শ্বশুর যে আরশানের জেদের জন্যে বাধ্য হয়েই এই রিসিপশনের আয়োজন করতে চাইছে আর এই বিয়েটা যে উনি এখনো মানতে পারেননি সেটা রিমি বেশ বুঝতে পারছে। এরপর আরাফাত সাহেব আরশানের দিকে ফিরলেন।

“আরশান, তোর তরফ থেকে গেস্ট লিস্টটা তুই দেখে নিস। কাকে কীভাবে দাওয়াত দিতে হবে সেটা তোর দায়িত্ব আর রিমি, তুমিও তোমার পরিবারে জানিয়ে দিও।”

রিমির বুকের ভেতরটা হুট করে কেঁপে উঠল। পরিবার? পরিবার বলতে এখন আদৌ কি ওর কেউ আছে? ওর চাচা চাচী তো রিমির বেরিয়ে আসার পর ওর সঙ্গে সাথে সব যোগাযোগ ছিন্ন করে দিয়েছেন আর মা? রিমি জানে, ওর মা এইসবের মধ্যে আসতে চাইবে না। রিমি কিছু একটা বলতে গিয়েও শব্দ খুঁজে পেল না। ওর গলার কাছে দলা পাকানো কান্না আর অস্বস্তি দানা বাঁধছে। ও যখন আমতা-আমতা করছিল, ঠিক তখনই আরশানের ওর বাবাকে উদ্দেশ্য করে বললো…

“রিমির পরিবার আসবে কি আসবে না, বা ও ওর বন্ধুদের দাওয়াত দেবে কি না সেটা সম্পূর্ণ ওর ব্যক্তিগত ব্যাপার আব্বু। সেখানে পরিবারের লোকদের আসতেই হবে এমন কোনো বাধ্যতামূলক নিয়ম দেখছি না।”

আরাফাত সাহেব ভ্রু কুঁচকে তাকালেন।

“বউয়ের বাড়ির লোকজন ছাড়া একটা রিসিপশন অনুষ্ঠান কীভাবে হয়? লোকে তো কথা তুলবে।”

আরশান এবার খাওয়ার চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়াল। ওর দু হাত পকেটে, চোখে সেই অবিনশ্বর জেদ। সে সরাসরি বাবার চোখের দিকে তাকিয়ে শান্ত স্বরে বললো — “Now, I’m her guardian and family. আমার উপস্থিতিই ওর জন্য যথেষ্ট। আর কাউকে এখানে প্রয়োজন নেই।”

কথাটা বলেই আরশান আর এক মুহূর্ত সেখানে দাঁড়াল না। নিজের ড্রয়িংরুমের গাম্ভীর্য বজায় রেখে ও বেরিয়ে গেল কারণ ওর অফিসে যাওয়ার সময় হয়ে গেছে। রিমি স্তব্ধ হয়ে আরশানের চলে যাওয়ার পথের দিকে তাকিয়ে ছিলো। মেয়েটার হৃদস্পন্দন যেন এক মুহূর্তের জন্য থমকে গেল। আরশানের ওপর ওর রাগ হয়, ওর নিয়ন্ত্রণে রিমির দম বন্ধ হয়ে আসে, মাঝেমধ্যেই মনে হয় এই লোকটা একটা আস্ত পাষাণ। কিন্তু মাত্র বলা আরশানের ‘I am her family’ এই কয়েকটা শব্দের মধ্যে এমন এক ধরণের নিশ্চয়তা আর আশ্রয়ের আশ্বাস ছিল, যা রিমি ওর নিজের মায়ের কাছে গিয়েও কোনোদিন পায়নি। এই মানুষটা একদিকে যেমন ওকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতে চায়, অন্য দিকে তেমনই সমস্ত পৃথিবীর সামনে বুক চিতিয়ে ঢাল হয়ে দাঁড়ায়! অদ্ভুত এক দোটানায় পড়েছে রিমি, লোকটাকে ছেড়ে যাওয়া উচিত নাকি তার সঙ্গে থেকে যাওয়া উচিত এই বিষয়টাই এখনও ঠিক করে উঠতে পারছেনা!
___________________________________

ভার্সিটিতে এসেছিলো রিমি ও ইনায়া, দুপুরের দিকে করিডোরটা বেশ শান্ত থাকে। লাইব্রেরি থেকে প্রয়োজনীয় কিছু বই দেখে রিমি আর ইনায়া বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। আবিদের সাথেও ওদের দেখা হয়েছে, কিছুটা সময় আলাপও হলো। আবিদ এখনও জানে না যে তার বান্ধবী রিমির বিয়ে হয়ে গেছে, তাও আবার ইনায়ার ভাইয়ের সাথে। রিমি নিজেও কথাটি আপাতত গোপন রেখেছে। হঠাৎ ইনায়ার ফোনে একটা কল আসায় ও লাইব্রেরি থেকে একটু আগে বেরিয়ে করিডোরের এক কোণে গিয়ে দাঁড়াল। রিমি তখনও ভেতরে নিজের ব্যাগ গোছাচ্ছিল। ইনায়া কথা শেষ করে যখন করিডোর দিয়ে লাইব্রেরির দিকে ফিরছিল, তখনই ওর পথ আগলে দাঁড়াল শাফিন। শাফিনকে দেখে ইনায়ার বুকটা ভয়ে ঢিপঢিপ করে উঠল। এই ছেলেটিকে কেন্দ্র করেই ওর মনের সবটুকু টানাপোড়েন ছিল, কিন্তু রিমির দেওয়া সাহস আর নিজের আত্মসম্মানের খাতিরে ও এখন শাফিনকে এড়িয়ে চলার আপ্রাণ চেষ্টা করছে।শাফিনের চোখেমুখে এক ধরণের বিদ্রূপ আর অস্থিরতা। ও ইনায়ার খুব কাছে এসে নিচু স্বরে বিষাক্ত ভঙ্গিতে বলল — “কী ব্যাপার ইনায়া? ইদানিং আমাকে ইগনোর করা শুরু করেছ দেখছি।”

ইনায়া কোনোমতে নিজেকে সামলে নিয়ে বলল — “রাস্তা ছাড়ো শাফিন, আমার তাড়া আছে।”

শাফিন হাসল, তবে সেই হাসিতে কোনো মমতা ছিল না — “তাড়া তো থাকবেই। শুনলাম ডিপার্টমেন্টের এক সিনিয়র ভাইয়ের সাথে খুব ভাব জমিয়েছ? বইপত্র দেওয়া-নেওয়া চলছে। তা নতুন শিকার পেয়ে কি পুরনোকে ঝেড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিলে? বাহ! মেয়েদের চরিত্র বদলাতে যে বেশি সময় লাগে না, সেটা তোমাকে না দেখলে বিশ্বাস হতো না।”

শাফিনের এই নিচুতম অপবাদ ইনায়ার সহ্যক্ষমতার বাইরে চলে গেল। ওর চোখে টলটল করে পানি চলে এল। ও একবার চারদিকে তাকাল, কিন্তু করিডোরটা বেশ নিরিবিলি। শাফিন ওর পথ আগলে দাঁড়িয়ে এক ধরণের পৈশাচিক আনন্দ পাচ্ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে রিমি লাইব্রেরি থেকে বেরিয়ে এল। করিডোরের মাঝপথে ইনায়ার এই অবস্থা দেখে ওর রক্ত মাথায় চড়ে গেল। ইনায়ার জলভরা চোখ আর শাফিনের উদ্ধত ভঙ্গি দেখে ওর বুঝতে বাকি রইল না যে এখানে কী ঘটছে। রিমি ঝড়ের গতিতে এগিয়ে এল। শাফিন তখনও ইনায়াকে বিদ্রূপ করে কিছু একটা বলছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে রিমি কোনো কথা না বলে নিজের সর্বশক্তি দিয়ে শাফিনের গালে সজোরে একটা থা’প্পড় বসিয়ে দিল। ঠাস করে শব্দটা করিডোরের দেয়ালে প্রতিধ্বনিত হলো। আশেপাশে থাকা গুটিকয়েক ছাত্রছাত্রী স্তম্ভিত হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল। শাফিন নিজেও কয়েক সেকেন্ডের জন্য থতমত খেয়ে গেল। ওর ফর্সা গালে রিমির আঙুলের লাল দাগ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।রিমি ইনায়াকে নিজের আড়ালে টেনে নিয়ে শাফিনের দিকে তাকালো।

“ভদ্র মানুষের মুখোশ পড়ে তো পুরোটা সময় ভার্সিটিতে ঘুরে বেড়াও, দমবন্ধ লাগে নিশ্চয়ই নিজের আসল রূপ এভাবে গোপন করে রাখতে তাইনা? ভবিষ্যতে যদি আরেকবার ইনায়াকে বিরক্ত করো তাহলে আমি ডিপার্টমেন্টে অভিযোগ করতে বাধ্য হবো”

শাফিন রাগে কাঁপতে কাঁপতে নিজের গাল হাত দিয়ে চেপে ধরে এদিক ওদিক তাকালো, ওখানে গুটিকয়েক স্টুডেন্ট ছিলো যদিও তারা অন্য ডিপার্টমেন্টের। ডিপার্টমেন্টে ওর আলাদা একটা ইমেজ আছে, আজ সবার সামনে একটা সাধারণ মেয়ের হাতে এই লাঞ্ছনা ওর সম্মানে সজোরে আঘাত করল!

চলবে…

আগের পর্বের লিংক: https://www.facebook.com/share/p/1CQmbi9aV8/?mibextid=oFDknk

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here