#বোকামন
#বিয়ে_স্পেশাল
#Tahsin_Atoshi
স্টেজে পাশাপাশি আহান ও হুমায়রা বসে আছে। হুমায়রার মুখটা এখনো গম্ভীর। মাথায় তখনকার কাহিনী ঘুরছে। কে ছিল লোকটা? আহান? না আহান হলে এতক্ষণে বলে দিতো। এসব উদ্ভট চিন্তার কারণে ঠিকমতো মনোযোগও দিতে পারছে না। তা দেখে আহান ভ্রুঁ কুঁচকে তাকায়৷ সে ভাবে হয়তো মায়ের “অপয়া” বলা কথাটার কারণে এখনো মন খারাপ তার। তাই হালকা নিচু হয়ে কানের কাছে এসে বলে,
-এই যে মিসেস আহান এখনো মন খারাপ করে থাকবেন নাকি হুম? আপনি অপয়া হলে আমার এই বোকামনে ঝড় তুলতে পারতেন নাকি?
আহানের কথায় হুমায়রার ধ্যান ভাঙে হুমায়রার। কৌতুহল নিয়ে আহানের দিকে তাকাতেই আহান হেসে দেয়। চোখের ইশারায় সামনে তাকাতে বলে। হুমায়রাও তাই করে। সকলে মিলে আনন্দে মেতে আছে। বড়রাও হলুদ নিয়ে হাজির হয়েছে। এখন হলুদ দেয়ার পালা। নীলা বেগম হুমায়রা আহানকে পাশাপাশি দেখে ভ্রুঁ কুঁচকে তাকায়৷ গম্ভীর কন্ঠে বলে,
-আহান বাবা বিয়ের আগে এভাবে পাশাপাশি থাকতে নেই। তোমরা বলেছ তাই একসাথে অনুষ্ঠান করছি। কিন্তু পাশাপাশি বসতে বলিনি৷
এরপরই আশেপাশে অমিতকে খুঁজে ডাক দেয় নিজের কাছে। অমিতও এসে হাজির হয়৷ নীলা বেগম গম্ভীর কন্ঠে বলে,
– ওদের মাঝে একটা পর্দার মতো ব্যবস্থা কর। আর বিয়ের আগে যেন ওরা আর একে অপরকে না দেখে।
নীলা বেগমের কথায় আহান বিরক্ত হয়। কিছু বলবে তার আগেই পাশ থেকে তার খালা সুমি শেখ বলেন,
-হ্যাঁ আহান। বিয়ের আগে কিছু নিয়মনীতি আছে। তোমরা মর্ডান যুগের মানুষ না-ই মানতে পারো। কিন্তু আমরা মানি৷ আর তোমাদেরও এখন আমাদের কথা শুনতে হবে।
খালার কথায় ঠোঁট উল্টায় আহান। মনে মনে বিরবির করে,
“এক ঝামেলার শেষ নেই আরেকজন হাজির। ”
কিন্তু সামনে জোরপূর্বক হেসে বলে,
-আরে মনি হ্যাঁ মানবো তো। দাও দাও কাপড় দেও।
কথামতো অমিত ও অনিল মিলে মাঝে একটা হলুদ কাপড় দিয়ে পর্দা দিয়ে দেয়। বড়রা নিজেদের মতো হলুদ লাগিয়ে স্থান ত্যাগ করে। এখন সবার নিজেদের মতো মজা করার পালা। তুহিন এসে হুমায়রার পাশে বসে এবার। কানের কাছে এসে বিরবির করে বলে,
-হুমু তুই তো বিয়ে করে ফেললি। আমারও একটা ব্যবস্থা করে দে না বোন আমার।
তুহিনের কথায় ভ্রুঁ কুঁচকায় হুমায়রা। তুহিনও জোরপূর্বক হেসে বলে,
-তুই তো জানিসই স্মৃতিকে আমার ভালো লাগে। একটা ব্যবস্থা করে দে না ইয়ার। শা*লার বন্ধুগুলোকে বলবে তারও উপায় নেই। একজনের বোন হয়ে বসে আছে।
হুমায়রা হাসে একটু। গম্ভীর কন্ঠে বলে,
-আহানের মতো করে নেও।
আহানের কথা শুনে ঠোঁট উল্টায় তুহিন। মনখারাপ করে বলে,
-আরে ওই শা*লার মতো ছ্যাচরা হলে তো কবেই প্রপোজ করে ফেলতাম। কিন্তু ভয় হয় যদি রিজেক্ট করে দেয়।
-কিন্তু…
হুমায়রা বলার আগেই স্মৃতি এসে হাজির হয় ওর পাশে। বাটি থেকে হলুদ নিয়ে গালে ছুয়িয়ে দিয়ে বলে,
-ফাইনালি আমার বান্ধুবীর বিয়ে হচ্ছে। কি মজা!
তুহিনের দিকে তাকিয়ে বলে,
– বেয়াই মশাই চলেন ডান্স করা যাক। হাজার হোক বেস্টির বিয়ে বলে কথা!
তুহিন অবাক হয়। হুমায়রার দিকে তাকাতেই হুমায়রাও হেসে চোখের ইশারায় যেতে বলে। তুহিনও উঠে চলে যায় স্টেজের সামনে। দু’জন মিলে গান ডিসাইড করে কোন গানে নাচা যায়। এদিকে দূর থেকে দাঁড়িয়ে শুভ দেখে যাচ্ছে সকলের কাহিনী। ঠোঁটে ফুটে আছে হালকা হাসি। শুভকে দেখে অর্নি হাত টেনে স্টেজের সামনে এনে বলে,
-এখানে ঢং করে দাড়িয়ে থাকতে এসেছিস নাকি হ্যাঁ? নাচ, মজা কর।
মাঝে স্মৃতি ও তার দুই পাশে শুভ ও তুহিন দাড়ায়। অর্নি গিয়ে স্মৃতির পছন্দ অনুযায়ী সুইটহার্ট গানটা স্টার্ট দিতেই সকলে নাচে মনোযোগ দিলো–
Do nain sitaare
Hai chaand sa mukhda
Kya kehna uska
Aafreen ..
Daavat mein jaise
Ho shaahi tukda
Uske jaisi na koi
Naazneen ..
Shaahi joda pehenke
Aayi jo banthan ke
Vahi toh meri
Sweetheart hai ..
Sharmaayi si bagal mein
Jo baithi hai dulhan ke
Vahi toh meri
Sweetheart hai ..) × 2
(পুরোটুকু দিলাম না নিজেরা গান শুনে নিয়েন 🙃)
দূর থেকে দাড়িয়ে আহানের খালাতো বোন জ্যোতি সবটাই দেখছে। কিন্তু মুখে তার হাসি নেই অজানা কোনো কারণে। তাতে তো আর কারো কিছু যায় আসে না। সকলে মিলে নিজেদের মতো ব্যস্ত অনুষ্ঠানে। মাঝে মাঝে আহান পর্দার আড়ালে হুমায়রাকে দেখার ব্যর্থ চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু তা আর হয় কোথায়। পাশ থেকে তুলি আবার মাথায় গাট্টি মে’রে ঠিক হতে বলছে।
এদিকে হুমায়রার আহানকে নিয়ে কোনো চিন্তা নেই সে সবার নাচ দেখায় ব্যস্ত। তার জন্য আহানের আরো বিরক্ত লাগছে। কেমন বউ পেলো সে যে তাকে দেখার জন্য ছটফটই করছে না। আহানের ভাবনার অবসান ঘটিয়ে স্মৃতি হাত ধরে সামনে নিয়ে এলো এবার।
এরপর ছেলেদের সকলকে একসাথে দাড় করিয়ে মেয়েরা চুপচাপ বসলো। আহান এতে খুশিই হলো। এর পরিবর্তে সে তার প্রেয়সীকে দেখতে পাচ্ছে কিনা৷ হুমায়রার ঠোঁটে অকৃত্রিম হাসিটাই যেন তার জন্য যথেষ্ট ছিল। ছেলেরা সকলে এবার নাচার জন্য রেডি হলো। কিন্তু গান সিলেক্ট করতে গিয়ে হয়েছে আরেক ঝামেলা। একেকজন বলছে একেক গানের কথা। অবশেষে সবাই মিলে “Maahi Ve”গানটা স্টার্ট দেয়ার সাথে সাথেই সকলে এক্সাইটেড হয়ে উঠলো,
“Maahi Ve Maahi Ve
That’s The Way Maahi Ve
Tere Maathe Jhumar Damke
Tere Kannno Baali Chamke Hai Re
Maahi Ve
Tere Haatho Kangana Khanke
Tere Pairo Payal Chance Hai Re
Maahi Ve
Naino Se Bole Rabba Rabba
Mann Mein Dole Rabba Rabba
Amrut Ghole Rabba Rabba
Tu Soniye
Jind Maahi Ve Soni Soni Aaja Mahi Ve
Everybody Sing Soni Soni Aaja Mahi Ve
Jind Maahi Ve Soni Soni Aaja Mahi Ve
Everybody Sing Soni Soni Aaja Mahi Ve”
মেয়েরাও আর চুপচাপ থাকতে পারলো না। মাঝে গিয়ে ছেলেদের সাথে তারাও ডান্স শুরু করলো। কিন্তু এতো আওয়াজে হুমায়রাও এখন বিরক্ত লাগছে। চোখের সামনে ঝাপসা কিছু একটা চলে আসছে। হয়তো এমন মুহূর্ত সে আগেও দেখেছে। কিন্তু মনে পড়ছে না তার। চোখের সামনে সবকিছু কেমন জানি পাল্টে যেতে লাগলো। ভেসে উঠলো কিছু লোক,একটা ছোট্ট বাচ্চা আর তার ভাইয়েরা। আর থাকতে পারলো না হুমায়রা৷ এক দৌড়ে নিজের ঘরে এসে দরজা আটকে বসে রইলো।
হুমারার এমন আচরণে সকলেই বোকাবনে গেল। হুট করে এমন ব্যবহার করার কোনো মানেই হয়না৷ সকলে মিলে এবার ওর ঘরের কাছে এসে হানা দিয়েছে। কয়েকবার ডাকাডাকি করলো দরজা খোলার জন্য। কিন্তু না দরজা খুলছে না।
হুমায়রা ঘরেও বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারলো না। সেখানেও কিছু স্মৃতি, কিছু ঘটনা তার চোখের সামনে ভেসে উঠলো। কিন্তু পরিষ্কারভাবে না। তাই আবার দরজা খুলে বাইরে যাবে সেই মুহূর্তেই সকলকে দেখে থমকে গেল। নীলা বেগম মেয়ের কাছে এগিয়ে এলেন এবার। দুই গালে হাত রেখে জিজ্ঞেস করলেন কি হয়েছে। কিন্তু ভয়টা কাটছে না হুমায়রার৷ শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো নীলা বগমকে। নীলা বেগমও মেয়েকে জড়িয়ে ধরলেন। বুঝতে বাকি রইলো না ওর ভয়ের কারণ।
কেটে গেল কিছুক্ষণ। সবার আনন্দের বারোটা বেজে গেছে। হুমায়রা ঘুমিয়েছে কিছুক্ষণ হলো। আহান ও তার বাড়ির মানুষও এবার যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এদিকে স্মৃতি পাশে বসে হুমায়রার ঘুমন্ত অবস্থাতেই হাতে মেহেদী পড়িয়ে দিচ্ছে নিজের মতো। এখন শুধু হাতে বরের নাম লেখার পালা।কিন্তু স্মৃতি পরে লিখবে নামটা। পাশে অর্নি ও তুলি বসা। হুমায়রাকে মেহেদী দেয়া হলেই তারা মেহেদী পড়বে হাতে। কথামতো তাই হলো। সবাইকে মেহেদী দিতে দিতে রাত প্রায় বারোটা বেজে গেছে। তুলি ও অর্নি মিলে অমিতের ঘরে জায়গা দখল করে নিলো ঘুমানোর জন্য। বেচারা অমিতের আর কি সেও চুপচাপ চলে গেল অনিলের ঘরে। এখন শুধু স্মৃতি বাকি মেহেদী পরার জন্য। কিন্তু সে মেহেদী পরা পছন্দ করে না বলে আর পরা হলো না। হুমায়রার হাতে বরের নাম লিখে সেও পাশ সুয়ে পরলো।
°°
গভীর রাত। সকলেই ঘুমে মগ্ন হয়ে আছে। তখনই হুমায়রার ঘরে সামনে এক মানব মূর্তীর ছায়া পড়ে। চুপচাপ ঘরে ঢুকে এসে দাড়ালো হুমায়রার মাথার কাছে। দেখেনিলো সে হুমায়রাকে। মন চাইলো হয়তো একটু ছুয়ে দেখার। পাশে বসে হুমায়রার কপালে আলতো করে নিজের ঠোঁট ছুয়িয়ে দিয়ে আবারো স্থান ত্যাগ করলো।
~★~
সকাল সকাল সকলের চেচামেচিতে হুমায়রার ঘুমটা একটু ভাঙলো। কিন্তু বিছানা থেকে উঠতে আর ইচ্ছে করে না। তাই আবারো কাঁথা মুরি দিয়ে সুয়ে পরেছে। তখনই মেয়েদের দল এসে হামলা করলো তার উপর। আজ বিয়ে অথচ বিয়ের কনে এখনো পরে পরে ঘুমাচ্ছে। স্মৃতি কানের কাছে এসে এক চিৎকার দিতেই হুমায়রা একলাফে উঠে বসলো এবার। আশে পাশে তাকিয়ে জোরে জোরে বলতে লাগলো,
“ডাকাত পরেছে ডাকাত।”
এরপর ভালোমতো চারপাশটা পর্যবেক্ষণ করতেই বুঝলো আসলে কি হয়েছে। হুমায়রার কাহিনীতে কেউ না এসে পারলো না। নীলা বেগমও এবার মেয়েকে বকা দিয়ে ওয়াশরুমে পাঠিয়ে দিলেন ফ্রেশ হওয়ার জন্য। হুমায়রাও ফ্রেশ হয়ে কিছু খেয়ে এবার বসলো সাজার জন্য।
পার্লার থেকে লোক এসেছে কিছুক্ষণ আগে। হুমায়রা ফ্রেশ হয়ে বের হতেই সাজানো শুরু করলো এবার। হুমায়রার লেহেঙ্গার বদলে বিয়ের শাড়িই চুজ করেছে শেষে। সেই অনুযায়ী পার্লারের লোকেরাও সাজিয়ে দিয়েছে। সাজানো শেষে খেয়ে তারাও স্থান ত্যাগ করলো।
এখন স্মৃতি পাশে বসে বসে হুমায়রাকে পর্যবেক্ষণ করছে। বউসাজে হুমায়রাকে একদম পুতুলের মতো লাগছে। নীলা বেগমও একবার উঁকি দিয়ে মেয়েকে দেখে গেছেন। কিন্তু খুব একটা সামনে আসেনি মেয়ের। সামনে আসলেই হয়তো কান্না করে দিবেন। তাই দূরত্ব বজায় রাখা।
অনেকক্ষণ সময় কাটার পর স্মৃতি হুমায়রার সামনে এক গ্লাস জুস দিয়ে বললো খেয়ে নিতে। হুমায়রার পানি তৃষ্ণা লেগেছিল খুব। তাই আর বারণ করলো না সে। এক নিঃশ্বাসে পুরোটা সাফার করলো। এরই মাঝে বাইরের গাড়ির হর্ণ ও চেচামেচিতে বুঝলো বর এসে গেছে। গেট ধরাও তো বাকি। তাই হুমায়রাকে ঘরে একা রেখে এক দৌড়ে গেটের সামনে এসে হাজির হলো।
অর্নি এবং তুলি আগে থেকেই হাজির ছিল সেখানে। আহান হয়তো আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল এসবের সম্মুখীন হওয়ার জন্য। তাই কোনো কথা না বাড়িয়ে পকেট থেকে একটা কার্ড বের করে ওদের হাতে ধরিয়ে দিলো। এতে তাদের খুশি দেখে কে। স্মৃতিও হাসি মুখে মিষ্টি মুখ করিয়ে প্রবেশ করালো ভেতরে। স্টেজে বরকে বসিয়ে দিয়ে চলে এলো অর্নির কাছে। এটা ডিসাইড করতে কত টাকা তোলা যায়। কার্ড হাতে তিনজন মিলে ভাবনায় মগ্ন হয়ে রইলো। এরই মাঝে তুলি হঠাৎ কার্ডটা হাতে নিয়ে বলল,
-এই এক সেকেন্ড এটা তো ক্রেডিট কার্ড না ওর কম্পানির কার্ড।
তুলির কথায় অর্নি ও স্মৃতি দুজনই বোকার মতো তাকায়। আহান তাদের বোকা বানালো। সাথে সাথেই অর্নি তেড়ে আহানের কাছে আসতেই আহান হাসতে হাসতে বলল,
-বিয়ে আমি করতে এসেছি। আমার বউ। তোদের টাকা দিবো কোন দুঃখে হুম?
-আহানের বাচ্চাআআআআ..
-আরে আরে এখনো বিয়েই করলাম না আবার বাচ্চা এলো কোথা থেকে! ভাগ এখন বিয়ের মুডে আছি। তবে..
স্মৃতি কৌতুহল নিয়ে জিজ্ঞেস করল,
-তবে কি?
-বউকে দেখার পর বউ যদি বলে তোদের টাকা দিতে তাহলে দিতে পারি।
স্মৃতি ভ্রুঁ কুঁচকে তাকালো শুধু। কিন্তু কোনো প্রতুওর ছাড়াই স্থান ত্যাগ করলো। এদিকে বড়রাও উদ্যোত হলো বউকে আনার জন্য। বিয়ের প্রোগ্রামও তে শুরু করতে হবে। বড়দের কথা অনুযায়ী অমিত,অনিল, অর্নি, তুলি ও স্মৃতি গেল হুমায়রাকে নিয়ে আসার জন্য।
কিন্তু ঘরে ঢুকতেই সকলে অবাক হলো। হুমায়রা ঘরে নেই। পুরো ঘর ফাঁকা। টেবিলের উপর শরবতের গ্লাস খালি পরে আছে। ঘরটা আগের মতোই। শুধু হুমায়রা নেই সেখানে। সকলে মিলে ভালোমতো ওয়াশরুম, বারান্দা সব চেক করার পর না পেয়ে সকলকে খবরটা জানালো।
সকলে মিলে উদ্যত হলো হুমায়রাকে খোঁজার জন্য। নাহ সে কোথাও নেই। কোথায় গেলো হুমায়রা? সব ঠিক কাছে তো?
#চলবে….

