বোকামন #পর্ব_১৭

0
5

#বোকামন
#পর্ব_১৭
#Tahsin_Atoshi

চারিপাশে ঘুটঘুটে অন্ধকারের মাঝে ছোট একটা ড্রিম লাইটে আলোয় বসে আছে এক মানবমূর্তি। তার সামনে বসে আছে তার স্বপ্নের রাজকন্যা। কি মায়াবী না লাগছে বিয়ে সাজে। কিন্তু সব সাজ অন্যকারো জন্য। কথাটা মনে আসতেই আবারো মাথায় রক্ত উঠে গেল তার৷ কিন্তু তা আর বেশিক্ষণ চিরস্থায়ী রাখতে পারলো কোথায়৷ প্রেয়সীর মায়াবী মুখটা দেখতেই সব রাগ আবার মাটি হয়ে গেল।
হঠাৎ হুমায়রাকে নাড়াচাড়া করতে দেখে মানবমূর্তিটাও এবার ঠিক হয়ে বসলো। ধীরে ধীরে চোখ খুললো হুমায়রা৷ আশেপাশে ভালোমতো খেয়াল করতেই বুঝলো সে আসলে কোথায়। কিন্তু এমন জায়গায়। পাশে তাকাতেই সেই মানবমূর্তি চোখে পরলো। কিন্তু চেহারা দেখা মুশকিল। ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করল,

-কে?কে আপনি?আমাকে এখানে কেন এনেছেন।

বলেই উঠতে যাবে খেয়াল করলো তার দুই হাত বাঁধা চেয়ারের সাথে। না চাইতেও আবার কান্না করে দিলো। রোদের করা ঘটনার কথাটা মাথায় আসতেই গলা শুকিয়ে এলো হুমায়রা৷ কাঁপা কাঁপা কন্ঠে জিজ্ঞেস করল,

-র্ রোদ? আপনি র্ রোদ? আমাকে আবার কেন তুলে এনেছেন। কি চাই আপনার৷

মানবমূর্তিটা কোনো প্রতুওর করলো না। ধীরে ধীরে উঠে লাইট জ্বালিয়ে দিলো। হঠাৎ অন্ধকারের মাঝে আলো আসতেই চোখ বন্ধ করে ফেললো হুমায়রা। এরপর আবার ধীরে ধীরে খোলার চেষ্টা করলো। ভালোমতো চোখ খুলতেই সামনের মানুষটাকে দেখে মাথায় বাজ পড়লো তার। কাঁপা কাঁপা কন্ঠে জিজ্ঞেস করল,

-আপনি..আপ্ আপনি আমাকে এখানে কেন এনেছেন? বেঁধে রেখেছেন কেন? আহান অপেক্ষা করছে তো।

কোনো কথা ছাড়া মানুষটা সামনে এসে মেঝেতে বসলো। হালকা গম্ভীর কন্ঠে বলল,

-আমাদের বিয়ে হবে আজ হূর। বিয়ে করবে তো আমায়?

বিয়ের কথা শুনে অবাক হলো হুমায়রা। একটু উচ্চস্বরে বলল,

-পাগল হয়ে গেছেন আপনি? আর হূর কে হ্যাঁ? আহানের সাথে বিয়ে ঠিক হয়েছে আমার। ছাড়ুন আমাকে।

-কিন্তু আমাকে বিয়ে করবে তুমি। ভালোবাসি তো তোমায়। অন্য কারো বউ হতে কীভাবে দেখি বলো।

-ভা্ ভালোবাসলে আমার বাবা-মাকে বলতেন। অথবা ভাইয়াদের বলতেন। আমাকে ছেড়ে দিন। ওরা সবাই চিন্তা করছে হয়তো। যেতে দিন।

-যাবো তো দুজনই যাবো। আগে বিয়ে হোক আমাদের।

-কি্ কিসের বিয়ে? আমার আহানের সাথে বিয়ে ঠিক হয়েছে। ছাড়ুন আমাকে।

-আহান.. আহান..আহান.. ওই নাম ছাড়া আরকিছু মাথায় আসে না নাকি হ্যাঁ। আর শুনতে চাইনা তোমার মুখে আমি।

-শুভ!আপনি আহানের ফ্রেন্ড হয়ে কীভাবে করছেন এমনটা। এটা ঠিক না। আহান ভালোবাসে আমাকে। ও্..

-স্টপ! বিয়ে হবে আমাদের আজ। আমিও ভালোবাসি। আমার কাছে ভালোবাসা আগে।

-আমাকে ছেড়ে দিন। বিয়ে করবো না আমি আপনাকে। কখনো না।

-করতে তো হবে। না হলে..

-না হলে কি?

শুভ একটা হাসি দিলো শুধু। এরপর নিজের ফোন বের করে একটা ভিডিও চালু করলো হুমায়রার সামনে। যেখানে স্মৃতিকে অজ্ঞান অবস্থায় একটা কাঠের চেয়ারে বেঁধে রাখা আছে। তা দেখে হুমায়রা আরো ভরকে গেল। বিস্ময়ের স্বরে বলল,

-স্মৃ.. স্মৃতু আপনার বোন। আপনি ওর সাথে এমন করতে পারেন না।

-বোন? হুম বোন তো সৎ বোন। তাহলে করতেই পারি। জানো তো স্মৃতির কাছে শুনেছি তুমি নাকি ওর জন্য সব করতে পারো। তাই তো এমনটা করা।

-আপনি..আপনাকে আমি ভালো ভেবেছিলাম। আপনি একটা জা*নো*য়া*র। ছাড়ুন ওকে। ওর সাথে এমনটা করবেন না প্লিজ। ও অনেক কষ্ট সহ্য করেছে। প্লিজ আর কষ্ট দিবেন না ওকে।

-ওকে দিবো না। বিয়ে করো আমাকে।

-বিয়ে একটা পবিএ বন্ধন। এটা জোর করে হয়না শুভ। জোর করে বিয়ে করা হারাম।

-হারাম! তাহলে মন থেকে করো আমাকে বিয়ে। বলো করবে তো আমায় বিয়ে?

-ছাড়ুন আমাকে।

শুভ আর কথা না বলে হুমায়রার হাটুর কাছে বসলো। শান্ত ও অসহায় কন্ঠে বলতে লাগল,

-ভালোবাসি তো তোমাকে। কেন বুঝতে চাও না। তুমি.. তুমি জানো আমার জীবনের প্রথম ভালোলাগা, ভালোবাসা তুমি। তোমাকে প্রথম দেখার পর বউ বানানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম নিজের কাছে নিজে। তোমাকে না পেলে ম*রে যাবো হূর। প্লিজ বুঝার চেষ্টা করো।

-আপনি পাগল হয়ে গেছেন৷ এভাবে হয় না। ছাড়ুন আমাকে। বাসার সবাই চিন্তা করছে।

-বিয়ে করো আমাকে। এরপর যাবো তো বাসায়।

হুমায়রা চুপ হয়ে রইলো এবার৷ তার কি বলা উচিত সে নিজেও জানে না। কোনোভাবে কি এখান থেকে মুক্তি পাওয়া যায় না। শুভও কথা না বাড়িয়ে ফোন নিয়ে কল করলো কাউকে। কিছুক্ষণের মাঝেই তিনজন লোক এসে হাজির হলো সেখানে। একজন কাজী এবং বাকি দুজন শুভর পরিচিত কেউ। হুমায়রা স্তব্ধ হয়ে শুধু দেখছে ঘটনা। হুমায়রাকে বাধা অবস্থায় দেখে কাজী সাহেব কিছুটা ভয় পেলেন। তবুও শক্ত হয়ে শুভকে উদ্দেশ্য করে বললেন,

-এভাবে বিয়ে হয়না বাবা। ছেলে-মেয়ে দুজনারই মন থেকে সম্মতি দিতে হয়।

শুভ এক নজর কাজীকে দেখে হুমায়রার দিকে তাকালো। হুমায়রার দুইগালে হাত রেখে বলল,

-তুমি… তুমি মন থেকে আমায় বিয়ে করবে না বলো? করবে তো আমাকে বিয়ে? কি হলো বলো না করবে তো?

হুমায়রার কি হলো জানা নেই। মাথানিচু করে বলল,

-হুমম।

শুভ এবার কাজীর দিকে তাকিয়ে বলল,

-ও রাজি। আপনি বিয়ে পড়ান।

কাজী সাহেবও কথা বাড়ালেন না৷ বিয়ে পড়ানো শুরু করলেন। গম্ভীর কন্ঠে জিজ্ঞেস করলেন,

– দেনমোহর কত দিবো বাবা?

-আমার লা*শ।

শুভর কথায় চমকে তাকালো হুমায়রা। কাজী সাহেব গম্ভীরতার সাথেই বললেন,

-এভাবে হয়না বাবা। দেনমোহর কত রাখতে চাও তাই বলো।

শুভ হুমায়রার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল,

-ও যা চায় তাই লিখুন।আর সাথে যদি কখনো ছেড়ে যেতে চায় আমার লা*শটা পাবে সেটাও লিখবেন।

কাজী সাহেব এবার হুমায়রার দিকে তাকালো। হুমায়রা কি বলবে বুঝতে পারছে না। কিছু একটা ভেবে বলল,

-যদি আমি মুক্তি চাই?

শুভ অসহায় চোখে তাকিয়ে রইলো শুধু। চোখ দুটো লাল হয়ে আছে অনেকটা। কাজী সাহেব বিরক্ত হলেন এবার৷ পাশ থেকে একটা ছেলে শুভকে উদ্দেশ্য করে বলল,

-ভাই দশ লক্ষ টাকা লিখতে বলি?

কাজী সাহেবও কারো কথার পরোয়া না করে সেই পরিমাণ টাকাই লিখে বিয়ে পরিয়ে দিয়ে চলে গেলেন। এখন আবারো শুভ ও হুমায়রা একা। কিন্তু বিয়ে নামক এক পবিএ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে আছে তারা। হুমায়রার চোখ স্থির হয়ে আছে। চোখের সামনে আহানের চেহারাটা ভেসে উঠছে। যখন জানতে পারবে ওর বিয়ে হয়ে গেছে তখন কি করবে আহান? মেনে নিতে পারবে কথাটা।
হুমায়রার কথার মাঝেই শুভ হুমায়রাকে উদ্দেশ্য করে বলল,

-চলো বাসায় যাই।

হুমায়রা কোনো প্রতুওর করলো না। হাতের বাঁধন খুলে রওনা দিলো বাসার উদ্দেশ্যে।

.

সারা বাড়ি তল্লাশি করেও হুমায়রাকে না পেয়ে সকলের মনেই ভয় কাজ করছে। নীলা বেগম এতক্ষণে কান্না করে কয়েকবার জ্ঞান হারিয়েছেন। অর্নি ও তুলি নীলা বেগমকে সামলাতে ব্যস্ত। অমিত,অনিল তখনও স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
আহানও চুপ হয়ে আছে৷ বুঝার চেষ্টা করছে হুমায়রা আসলে কোথায় যেতে পারে। একা একা পালিয়ে যাওয়ার মেয়ে হুমায়রা না। তাহলে কোথায় গেল? হুমায়রার অতীত কি ফিরে এসেছে আবার? কিন্তু এও কি সম্ভব! ছোটবেলার চেহারা আর এখনের চেহারার তফাত যে অনেক। তাহলে? স্মৃতি বাড়ি চলে গিয়েছে অনেক্ষণ আগে। কোনো এক কাজের বাহানায়। হঠাৎ অমিতের ফোনে কল আসায় সবার চোখই সেদিকে গেল এবার৷ হয়তো হুমায়রার কোনো খবর পাবে তারা। ঠিক তাই হলো। স্মৃতি কল করেছে। কিন্তু কি বলেছে তা সকলেরই অজানা। সকলে মিলে রওনা দিয়েছে সৈয়দ বাড়ির উদ্দেশ্যে।

প্রায় আধঘন্টার পথ পেরিয়ে পৌছালো সকলে সৈয়দ মেনশনে। বাড়িতে ঢুকতেই সকলের মাথায় বাজ পড়লো যেন। হুমায়রা বউ সাজে বসে আছে সোফায়। কান্নার তোপে চোখমুখ ফুলে আছে কিছুটা৷ তার থেকে কিছুটা দূরে শুভ বসে আছে। মেয়েকে দেখে নীলা বেগম একটু স্বস্তির নিশ্বাস ফেললো। হুমায়রা তখনও নিচে তাকিয়ে আছে। চোখ থেকে পানি পরছে নিজের মতো করে। নীলা বেগম এবার কাঁপা কাঁপা কন্ঠে ডাকলেন মেয়েকে।
নিজের মামনির কন্ঠ শুনে চমকে তাকালো হুমায়রা৷ মনের মাঝে একটু প্রাণ ফিরে পেলো যেন। মামনি বলে দৌড়ে কাছে আসতে চাইলেই শুভ হাত ধরে আটকে দিলো। গম্ভীর কন্ঠে বলল,

-বসো এখানে।

এবার রাগ হলো হুমায়রার৷ রাগ দেখিয়ে উচ্চস্বরেই বলতে লাগলো,

-আর কি চাই আপনার। করেছেন তো বিয়ে। এখন কি আমার পরিবার থেকেও দূরে সরিয়ে দিবেন আমাকে। কি করেছি আমি। কেন এমন করছেন?

বিয়ের কথা শুনেই সকলে চমকে তাকালো। আহান বিস্ময়ের স্বরে বলল,

-বিয়ে করেছে মানে? মায়রা কি বলছো তুমি?

কথাটা শেষ করেই আহান হুমায়রার কাছে এগিয়ে এলো। কিন্তু কাছে আর যাওয়া হলো না। ঢাল হয়ে সামনে দাঁড়ালো শুভ। গম্ভীর কন্ঠে বলল,

-এখন ও আমার বিয়ে করা স্ত্রী। পর পুরুষ ওর কাছে আসুক তা আমি মানবো না।

এক মুহূর্ত থমকে যায় আহান। কি বললো পর পুরুষ? আহান এখন তার মায়রার জন্য পর পুরুষ হয়ে গেল। তবুও যেন মানতে পারছে না। হুমায়রার দিকে তাকিয়ে অসহায় কন্ঠে জিজ্ঞেস করল,

-শুভ মিথ্যা বলছে তাই না মায়রা? মজা করছো তোমরা আমার সাথে?

পরপরই অর্নি ও তুলির দিকে তাকিয়ে বলল,

-তোরা এমন প্ল্যান করেছিস গেট ধরার টাকা দেইনি দেখে তাই না? কিরে বল না।

-না ও সত্যিই আমার বিয়ে করা বউ আহান। ভুলে যা ওকে।

শুভর কথায় আহান থমকে যায় আবার। পর মুহূর্তেই শুভর কলার চেপে ধরে বলে,

-কেন কেন করলি এমন? কি করেছিলাম তোর। তুই তো জানিস আমি ওকে ভালোবাসি তাহলে কেন করলি এমন?

-আমিও ভালোবাসি ওকে। আর আমার কাছে ভালোবাসা মানে নিজের কাছে ছিনিয়ে নেয়া। ত্যাগ করতে পারবো না আমি।

শুভর নিরুদ্বেগ উওর। সবাই কিছুক্ষণ তাকিয়ে রয় শুভর দিকে। পেছন থেকে হুমায়রা কান্না মাখা কন্ঠে বলে,

-মামনির কাছে যাবো।

সবাই এবার হুমায়রার দিকে তাকায়। আবার শুভর দিকে। শুভ এবার বাধা দেয়না। সরে দাড়ায় হুমায়রার সামনে থেকে। হুমায়রা এবার ছুটে নিজের মামনিকে জড়িয়ে ধরে কান্না করে দেয়। নীলা বেগমও মেয়েকে জড়িয়ে ধরে নিজের সাথে।
পাশ থেকে অনুরাগ হোসেনও শান্তনা দেয় নিজের মতো। অমিত,অনিল তখনও স্তব্ধ। তাদের আসলে কি করা উচিত সেটাই ভেবে পাচ্ছে না৷ কি হচ্ছে তাদের বোনের সাথে। একটু শান্তি কি মিলবে না তাদের বোনের। ভাবনার মাঝেই শুভর বাবা অর্থাৎ সৈয়দ আসিফ ইসলাম বলেন,

-দেখুন যা হওয়ার তা তো হয়ে গেছে। এখন হুমায়রা আমার বাড়ির বউ। আমরা সকলেই মেনে নিয়েছি। আপনারাও মেনে নিন।

এরই মাঝে আহান উচ্চস্বরে বলে উঠে,

-মেনে নিবে মানে? মানি না আমি। মায়রা শুধু আমার। মানে আমারই থাকবে।

বলেই হুমায়রার কাছে আসতেই অমিত সামনে দাঁড়ায়। গম্ভীর কন্ঠে বলে,

-যা হয়েছে মেনে নে প্লিজ। আমার বোনটা এসব ট্রমা সহ্য করতে পারে না। আর কিছু করিস না।

আহান থমকায় অমিতের কথায়। অসহায় চোখে তাকিয়ে থাকে নিজের বন্ধুর দিকে। কি বলবে সে? কেমন বন্ধু পেলো সে? যারা তার পাশেই থাকে না। এক বন্ধু ভালোবাসাকে কেরে নেয়। আর আরেকজন? সমর্থন করে। কিছুক্ষণ সবার পানে তাকিয়ে কোনো কথা ছাড়াই বেরিয়ে যায় বাসা থেকে। অনিল আটকায় একবার৷ কিন্তু খুব একটা লাভ জনক হবে না তা সে ভালোভাবেই জানে। আহানকে একাও ছাড়তে পারছে না। আর না পারছে এই পরিস্থিতিতে এখান থেকে চলে যেতে। এরই মাঝে আহানের বাবা আয়াশ সিকদার আহানের পিছু পিছু বেরিয়ে যায়। তা দেখে অনিল হাফ ছেড়ে বাঁচে। কেউ একজন তো আছে আহানের সাথে।

হুমায়রার কান্নার তোপটা কমেছে কিছুটা। তবুও হিচকি দিয়েই যাচ্ছে৷ এক মুহূর্তের জন্যও সে বাকিদের দিকে তাকায়নি৷ নিজের মামনিকে জড়িয়ে আছে। মাথায় হাজারে কথা চলছে। মনের মাঝে দ্বিধা কাজ করছে। একদিকে আহান অন্যদিকে শুভ। ভালোবাসার মানে সে জানে না। সকল পরিস্থিতি মেনে নিতেও কষ্ট হয়না৷ কিন্তু কারো মনে কষ্ট দিয়ে কি সুখ পাওয়া যায়? সে তো ইচ্ছে করে দেয়নি কষ্ট। কিন্তু কষ্ট তো পেয়েছে আহান। কোথায় চলে গেল? নিজের কোনো ক্ষতি করতে?

হাজার কথা ঘুরছে হুমায়রার মাথায়৷ কিন্তু এর কোনো উওর নেই তার কাছে।

#চলবে…

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here