#বোকামন
#পর্ব_১৮
#Tahsin_Atoshi
বিছানার উপর চুপটি করে বসে আছে হুমায়রা। পরনে সেই বিয়ের শাড়ি এখনো আছে। রাতে কান্না করতে করতে তার মামনির কোলেই ঘুমিয়ে ছিলো সে। ভেবেছিল বাসার কেউ হয়তো মানবে না। কিন্তু না তেমন কিছু হয়নি৷ উল্টো সকলেই সবটা মেনে নিতে বলেছে। তার মামনি তাকে শিখিয়ে গেছেন শশুড় বাড়ির মানুষের সাথে কেমন আচরণ করতে হয়। মামনির কথায় থমকায় হুমায়রা। কিন্তু কিছু বলারও ইচ্ছে নেই তার৷ সে সবকিছু মেনে নিতে জানে। এটাও মেনে নিতে পারবে হয়তো। উপরওয়ালা হয়তো এটাই চেয়েছেন।
শুভ কিছুটা দূরে রাখা কাউচে ঘুমিয়ে আছে। হুমায়রার চোখ যায় সেদিকে ৷ ঘুমন্ত অবস্থায় কতটা নিষ্পাপই না লাগছে দেখতে।অথচ গতকাল এই লোকই নাকি তাকে কিডন্যাপ করে বিয়ে করেছে। ভাবতেই হাসি এলো। আবার হুট করে মনে পড়লো আহানের কথা। কোথায় আহান? ঠিক আছে তো? গতকাল রাতে তো রাগ করেই বেরিয়ে গেলো বাসা থেকে।
এতো ভাবনার মাঝেই দরজার নক পরলো। কিন্তু উঠে খুলতে ইচ্ছে করছে না তার। এ বাড়ির মানুষ বলতে স্মৃতি ও শুভকেই সে ভালোমতো চেনে। বাকিদের তো চেনে না। কার সাথে কি কথা বলবে জানে না। মূলত তার কথা বলতে ইচ্ছেও করে না। তাই চুপটি করে বসেই রইলো সেই।
দরজার শব্দে শুভর ঘুম ভাঙায় এক নজর হুমায়রাকে দেখে উঠে নিজেই দরজা খুলে দিলো । দরজা খুলতেই স্মৃতির একবার শুভকে দেখে হুমায়রার কাছে চলে আসে। শুভও কিছু না বলে ওয়াশরুমে ঢুকে যায় ফ্রেশ হতে। স্মৃতি হুমায়রার সামনে বসে ভালোমতো পরোখ করে দেখে বলে,
-এখনো বিয়ের শাড়িই পরে আছিস কেন? ড্রেস চেঞ্জ করে ফ্রেস হয়ে আয়। নিচে খাবার দিয়েছে তো।
হুমায়রা স্মৃতিকে এমন শান্ত দেখে অবাক হয় কিছুটা। ভেতর থেকে একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে। হালকা নিচুস্বরে বলে,
-জামাকাপড় তো আনিনি।
হুমায়রার কথার কোনো প্রতুওর করে না স্মৃতি। চুপচাপ কাবার্ডের কাছে গিয়ে একটা কলাপাতা রঙের শাড়ি বের করে বলে,
-এই যে এই শাড়িটা পরে নে। নতুন বউ বলে কথা। শাড়ি তো পরতেই হবে।
হুমায়রা অবাক হয় কিছুটা। শুভর কাবার্ডে এতো শাড়ি এলো কোথা থেকে? পূর্বপ্রস্তুতিই নিয়ে রেখেছিল নাকি শুভ তাই ভেবে পায়না। ওয়াশরুমের দরজার শব্দে পুনরায় ধ্যান ভাঙে হুমায়রার। স্মৃতিও ওকে টেনে ওয়াশরুমে পাঠিয়ে শুভর দিকে তাকিয়ে চোখ টিপ মেরে হেসে দেয়। শুভও ঠোঁটেও হাসি ফুটে ওঠে কিন্তু তা মলিন ও কৃত্রিম হাসি। স্মৃতি বুঝতে পারে শুভর ব্যাপারটা। তবুও প্রশ্ন ছাড়াই ঘর থেকে বেরিয়ে যায়।
শুভও নিজের মতো আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে পরিপাটি করে সাজাতে ব্যস্ত হয়ে পরে। এরই মাঝে হুমায়রাও শরীরে শাড়ি পেচিয়ে বের হয়। মন খারাপ করে বিছানায় বসে পরে। তা দেখে শুভ ভ্রু কুঁচকায়। হালকা গম্ভীর ও ভালোবাসা মিশ্রিত কন্ঠে জিজ্ঞেস করে,
-শাড়ি পরতে পারো না?
হুমায়রা মন খারাপ করে তাকায় এবার। কান্না পাচ্ছে তার। শুধু শাড়ি পরতে পারে না এর জন্য না। এর মাঝে আছে হাজারো কারণ। বিয়ে হয়ে শশুড় বাড়ি এসেছে। শুনেছে শাশুড়ীরা নাকি দজ্জাল হয়। শুভর মা -ও যদি দজ্জাল হয় তখন কি হবে। আহানের তো মা ছিল না। শান্তিতে থাকতো। এখন কি হবে তার। রান্নাবান্নাও তো পারে না। আর ভাবতে পারছে না সে৷ না চাইতেও ঠোঁট উল্টে কান্না করে দেয় এবার৷ হুমায়রার কান্না দেখে শুভ উওেজিত হয়ে পরে এবার৷ হুমায়রার সামনে মেঝেতে হাঁটু গেড়ে বসে জিজ্ঞেস করে,
-কি হয়েছে কাঁদছো কেন? শাড়ি পরতে পারো না তাই বলে কাঁদতে হবে নাকি হ্যাঁ?
-মামনির কাছে যাবো।
হুমায়রার কথায় থমকায় শুভ। বাচ্চা মেয়েকে বিয়ে করলো সে। শুধু মামনি মামনি করতে থাকে। গম্ভীর কন্ঠে আবারো জিজ্ঞেস করে,
-কি হয়েছে আমাকে বলো। মামনি কি সব সময় থাকবে নাকি হুম।
ঠোঁট উল্টায় হুমায়রা। কান্নামাখা কন্ঠে জিজ্ঞেস করে,
-আপনি আমাকে কেন বিয়ে করেছেন? আমি কোনো কাজ পারি না, শাড়ি পরতে পারি না। কিছু পারি না আমি৷
-তার জন্য আমি আছি৷ করে দিবো, শিখিয়ে দিবো।
শান্ত হয় হুমায়রা৷ কাঁপা কাঁপা কন্ঠে জিজ্ঞেস করে,
-আপনি পারেন?
-একটুআধটু। দেখি এখন এখানে দাঁড়াও। শাড়ি পরিয়ে দিচ্ছি।
-শা্ শাড়ি পরিয়ে দিচ্ছি মানে কি। আন্টিকে পাঠান। উনি পরিয়ে দিবে শাড়ি।
-মাকে লাগবে কেন? আমি আপনার বিয়ে করা হাসবেন্ড ম্যাম৷ তো সমস্যা কি হ্যাঁ?
এবার কঠোর হয় হুমায়রা৷ রাগ দেখিয়ে বলে,
-মানি না আমি। জোর করে বিয়ে হয়না৷
থামে শুভ। ভেবেছিল হুমায়রা হয়তো মেনে নিয়েছে। কিন্তু না তেমন কিছুই হয়নি৷ সে এখনো মেনে নেয়নি। তবুও কথা বাড়ায় না। এক প্রকার জোর করেই নিজে শাড়ি পরিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে যায় সে৷ হুমায়রাও চুপচাপ মেঝেতে বসে পরে। কান্না পাচ্ছে খুব। আহানকে মনে পরছে তার। ভালোবেসে ফেলেছিল সে আহানকে৷ তাহলে সেই মনে কীভাবে অন্যকে জায়গা দিবে৷ এতোটা সহজও তো না সবকিছু মেনে নেয়া৷
সামনে কারো উপস্থিতি টের পেয়ে চোখ তুলে উপরে তাকায় হুমায়রা৷ স্মৃতি দাঁড়িয়ে আছে সামনে। ধীরে ধীরে হুমায়রার সামনে বসে। চোখের পানি মুছে দিয়ে বলে,
-খুব তো আমাকে বলতি রাজপ্রাসাদ হয়েছে আমার। আমি রাজপ্রাসাদের প্রিন্সেস। দেখ তুই তো রানি হয়ে গেলি এই রাজপ্রাসাদের। মেনে নে না শুভকে। ও খুব ভালো রে। দেখবি তোর খুব খেয়াল রাখবে।
‘ভালো’ শব্দটা শুনতেই হাসি পায় হুমায়রার। চোখে পানি অবস্থাতেই হাসে সে। গম্ভীর ও তাচ্ছিল্যের স্বরে বলে,
-তুই বলছিস এই কথা স্মৃতু? উনি যে তোকে আটকে রাখলো আমাকে বিয়ে করার জন্য। এরপরও এই কথা বলছিস?
হুমায়রার কথায় স্মৃতি হাসলো। হুমায়রার চোখের পানি মুছে দিয়ে বলল,
-চল খাবার খেয়ে নিবি। এরপর তোকে একটা কাহিনী শুনাবো ওকে?
-কিসের?
-যখন বলবো তখনই শুনিস। ওকে। এখন চল।
হুমায়রা ভ্রু কুঁচকে তাকায়। স্মৃতির কথামতো নিচে চলে আসে এবার। টেবিলে সকলেই বসে আছে। আড়চোখে কেউ কেউ তাকাচ্ছে ওর দিকে। কিন্তু হুমায়রা মাথা নিচু করেই আছে। কারো চোখের দিকে তাকাতে পারছে না। ভয় করছে খুব। অপরিচিত সকলে। টেবিলে এসে চুপচাপ বসলো সে। পাশের চেয়ারেই শুভ বসা। কিন্তু মাথা তুলে কাউকে দেখার সাহস হলো না। কোনো রকম খাবার খেয়ে আবারো ঘরে চলে এলো।
হুমায়রার কাহিনীতে সবাই অবাক হলেও তাদের কিছুই বলার নেই। ছেলে নিজের পছন্দে বিয়ে করেছে। তাদের কিই বা করার আছে। স্মৃতি ও শুভ চুপচাপ হুমায়রার পিছু পিছু ঘরে এলো। তবে শুভ বেশিক্ষণ থাকলো না ঘরে। গাড়ির চাবি নিয়ে বেরিয়ে গেলো কোথাও একটা। আর স্মৃতি হুমায়রার পাশে বসলো। মুচকি হাসি দিয়ে বলল,
-একটা গল্প শুনবি?
হুমায়রা কৌতুহল নিয়ে তাকায়। স্মৃতি মুচকি হাসি দিয়ে বলতে শুরু করে।
..
একটা ছেলে ছিল ছন্নছাড়া জীবন। নিজের মতো চলতো। বাবা মায়ের একমাত্র ছেলে হওয়ায় কোনো বাধাছিল না তার৷ কিন্তু এর মাঝেই হুট করে এক ঘটনায় সে জানতে পারলো তার নাকি একটা বোনও আছে। তবুও সে মেনে নিলো। অন্য ভাই-বোনদের দেখলে নিজেরও তে একটা আক্ষেপ থাকে আমার কোনো ভাই-বোন নেই কেন। তাই সে তার বোনকে আদর করা শুরু করলো। বোনের পছন্দের খাবার থেকে শুরু করে সবকিছু এনে দিতো সে। ভাইয়ের এতো আদর,ভালোবাসা দেখে বোনটাও খুব খুশি হতো। কিন্তু হুট করেই ছেলেটা চুপ হয়ে গেল। বোনের সব ইচ্ছে তো পূরণ করতো। কিন্তু তার মনে ঝড় বইতে শুরু করলো। ভালোবাসার মানুষকে হারিয়ে ফেলার ভয়। প্রথম দেখায় একজনকে ভালোবেসে ফেলেছিল সে। কিন্তু সেই মানুষটাকে বা অন্য কাউকে বলার সুযোগ হয়ে ওঠেনি। তার বোকামনটা মানতেই চাইছিল না যে তার ভালোবাসার মানুষটা অন্যকারো হয়ে যাবে। ভাইয়ের এমন চুপ হওয়া,অগোছালো হয়ে যাওয়ারা মানতে পারছিল না তার বোন। তাই নিজ থেকেই জিজ্ঞেস করে কি হয়েছে। ভাইটাও বোনকে সবটা বলে। সব শোনার পর তারা একটা প্ল্যান করে কিডন্যাপ করার৷ কারণ ভাইটা যাকে ভালোবাসে সে আসলে তার বোনেরই বেস্টফ্রেন্ড। আর বোনটা তার বেস্টফ্রেন্ডের দূর্বলতা জানে। সেরকম ভাবেই ঠিক করে নেয় তারা। একটা ছোট্ট ভিডিও করে। যেখানে বোনটার হাত পা বাঁধা অবস্থায় অজ্ঞান হয়ে আছে। এইটুকুই যথেষ্ট ছিল তাদের জন্য।
এরপর শুরু হয় বিয়ের অনুষ্ঠান। গায়ে হলুদের দিন ছেলেটার ইচ্ছে হয় তার প্রেয়সীকে সেই প্রথমে গায়ে হলুদ দিবে। এতেও তার বোনটা সাহায্য করে। সকলে যখন কাজে ব্যস্ত তখনই হুট করে লাইট অফ করে ঢুকে পরে সে তার প্রেয়সীর রুমে। নিজের মনের মতো করে হলুদ লাগিয়ে দেয়। রাতে ঘুমানোর পর প্রেয়সীকে দেখতে যাওয়াও যেন বাদ যায়নি। পরের দিন শুরু হয় বিয়ের অনুষ্ঠান। এদিকে তারা ভাবে কীভাবে কিডন্যাপ করা যায়। তাই মেয়েটার বেস্টফ্রেন্ড তাকে এক গ্লাস জুস খাওয়ায়। যেটায় ঘুমের ঔষধ মেশানো ছিল। ব্যাস হয়ে গেল৷। সব যখন বিয়েতে ব্যস্ত সেই ফাঁকেই ছেলেটা কিডন্যাপ করে নিয়ে নেয় তার প্রেয়সীকে। আর এখন তার প্রেয়সী তার কাছে আছে বউ হিসেবে।
সবটা বলে থামে স্মৃতি। হুমায়রা বোকার মতো তাকিয়ে থাকে শুধু। রাগ হচ্ছে খুব। তারমানে স্মৃতিও এসবের সাথে মিলে ছিল! দাঁতে দাঁত লাগিয়ে এবার স্মৃতির দিকে তাকিয়ে রইলো সে। তা দেখে স্মৃতি হেসে বলল,
-আরে রাগ করছিস কেন? আমাকে না বলতি এই বাড়ির প্রিন্সেস হয়েছি। তোরও যদি এমন একটা বাড়ি থাকতো। দেখ এখন এটা তোরও বাড়ি।
-আহানের কথাটাও ভাবলি না তুই? উনি ভালোবাসে আমাকে। আর আমি…
-তুমি শুধু আমাকে ভালোবাসবে। আর ওই নাম মুখে দেখতে চাইনা।
হুমায়রার কথার মাঝেই শুভ বলে ওঠে কথাটা। স্মৃতি ও হুমায়রা দু’জনই চমকে তাকায়। শুভর চোখের ইশারা পেয়ে স্মৃতি বেরিয়ে যায় ঘর থেকে। হুমায়রা তখনও হাঁটু ভাজ করে বিছানার উপর বসে আছে। শুভ দরজা আটকে এবার হুমায়রার সামনে বসে। গম্ভীর কন্ঠে বলে,
-বিয়ে হয়েছে তোমার আমার সাথে। তোমার মুখে পরপুরুষের কথা শুনতে চাইনা আমি। বুঝলে?
বলেই হুমায়রার মাথায় আঙুল দিয়ে বোঝায়৷ রাগ হয় হুমায়রার। রাগের মাথায় কান্না করাটা ওর আরেক স্বভাব। কান্নামাখা কন্ঠেই রাগ নিয়ে বলে,
-মানিনা আমি এই বিয়ে। জোর করে বিয়ে করলেই বর হওয়া যায় না। কখনো মানবো না আমি আপনাকে। আপনি রোদের মতো খারাপ। খুব খারাপ। আপনি..আপনি একটা…
কথা শেষ হওয়ার আগেই শুভ আবারো থামিয়ে দেয় হুমায়রারকে। হুমায়রার কাছে এসে কপালে কপাল ঠেকিয়ে চোখে চোখ রাখে। লাল হয়ে আছে চোখ। দাঁতে দাঁত লাগিয়ে বলে,
– তুমি মানো আর না মানো আমি তোমার হাসবেন্ড কথাটা মাথায় ঢুকিয়ে নিবে ভালোমতো। ভালোবাসি তোমাকে। বুঝলে?
বলেই ঘর থেকে আবারো বেরিয়ে যায়। হুমায়রাও এবার শব্দ করে কান্না করে ফেলে। কি হচ্ছে তার সাথে এসব। সে নিজেও বুঝতে পারছে না। জীবনটা কি এমন হওয়ার কথা ছিল? এতো সহজে কি সব মেনে নেয়া যায়। আহানের কথা মাথায় আসছে তার। কেমন আছে আহান? ঠিক আছে তো? কাউকে জিজ্ঞেস করবে? কিন্তু ফোন? ফোনের কথা মাথায় আসতেই আসে পাশে তাকায় সে। বিছানা থেকে একটু দূরেই ফোন পরে আছে একটা। শুভর ফোন হয়তো। দ্রুত সে ফোনটা হাতে নেয়৷ অন করতেই স্ক্রিনে ঝলঝল করে ওঠে একটা ছবি। উপর থেকে শিউলি ফুল পরছে। আর মেয়েটা হাসি মুখে শিউলি ফুল কুড়িয়ে নিচ্ছে। মেয়েটা আর কেউ না হুমায়রা নিজে। থমকায় হুমায়রা। তবুও পরোয়া করে না। ভেবেছিল ফোন লক করা। কিন্তু না কোনো লক নেই। হোমস্ক্রিনে যেতেই ঝলঝল করে ওঠে আরেকটা ছবি। যেখানে হুমায়রা শাড়ি পরা অবস্থায় গাড়ির সামনে দাড়িয়ে আছে। আবারো থামে। চোখের পানি মুছে আর কল না করেই গ্যালারিতে ঢুকে যায়৷ আরো কি ছবি আছে ফোনে? যা তারই অজানায় তোলা হয়েছে?
গ্যালারিতে ঢুকতেই তৃতীয়বারের মতো থমকায় এবার৷ গ্যালারিতে তার ছবির শেষ নেই। শুভর ছবির চাইতে হুমায়রার ছবিই আছে সেখানে। এর নামই কি ভালোবাসা? প্রতিটা দিনের,প্রতিটা ক্ষনের ছবি আছে সেখানে। সব দেখা শেষে ফোনটা আবার রেখে দেয় দূরে। হাঁটুতে মুখ গুজে বসে থাকে আবার। মাথায় অনেক চিন্তা ঘুরছে। কিন্তু উওর নেই। শুভকে জিজ্ঞেস করবে? দিবে উওর?
#চলবে….

