বোকামন #পর্ব_২১

0
5

#বোকামন
#পর্ব_২১
#Tahsin_Atoshi

ঘরের এক কোণে দাঁড়িয়ে আছে স্মৃতি। আহান পায়ের উপর পা তুলে বসে আছে সোফায়। তার সামনে সিঙ্গেল সোফায় মুখ ভার করে বসে আছে আহানের বাবা আয়াশ সিকদার। তার পাশে দাড়িয়ে আছে আহানের খালা আমিনা বেগম ও তার মেয়ে জ্যোতি। সবারই মুখটা ভার৷ সকাল সকালই তারা চলে এসেছে। মূলত আহানই তাদের বলেছে আসতে। বিয়ে করেছে পরিবারকে না জানালে হয়। তারা আসার পর সব ঘটনা বলে ফেলেছে আহান। সবটা শোনার পর আয়াশ সিকদার গম্ভীর কন্ঠে বললেন,

-আমি তোমার সাথে জ্যোতির বিয়ে ঠিক করে ছিলাম। গতদিন আমাদের কল করলে কি হতো না? আমরা কথা বলে ব্যাপারটা সমাধান করতাম।

আহান হাসে। এরপর গম্ভীর কন্ঠে বলে,

-প্রয়োজন মনে করিনি। আর রইলো জ্যোতি! ও আমার বোনের মতো। ওর সাথে বিয়ে ঠিক করেছেন কি ভেবে? আর আমি মানবো সেটাই বা ভাবলেন কীভাবে?

-তোমার এই ছন্নছাড়া জীবন কতদিন চলবে আহান? আমাকে কি একটু শান্তিতে থাকতে দিবে না?

-আপনাকে শান্তি থাকতে বারণ করিনি আমি। আর আমার জীবন আমার মতোই চলতে দিন না। সম্পর্কে বাবা হন তাই বিয়ের কথাটা জানালাম। আর কিছুই না৷

ছেলের কথায় দীর্ঘশ্বাস ফেললেন আয়াশ সিকদার। তার করা একটা ভুলের কারণে আজ বাবা-ছেলের মাঝে এতো দূরত্ব। কথা খুঁজে পাননা তিনি৷ কিছুক্ষণ নিস্তব্ধতা কাটে রুমে।

-আমি কাল চলে যাচ্ছি আহান।

আয়াশ সিকদারের কথাটা অসহায় শোনায়৷ মনে মনে অপেক্ষা করে ছেলে বলুক তার সাথে থাকার জন্য।

-সাবধানে যাবেন।

ভাবনার মাঝেই আহান কথাটা বলে নিজ রুমে চলে যায়৷ দীর্ঘশ্বাস ফেলে আয়াশ সিকদার। আমিনা বেগমের দিকে তাকিয়ে অসহায় কন্ঠে বলে,

-তুমি থাকো কিছুদিন এ বাসায়৷ ওর সংসারটা গুছিয়ে দিয়ে যাও৷ বাচ্চা মেয়ে একা পারবে না।

কথাটুকু শেষ করে স্মৃতির সামনে এসে দাড়ায়। হঠাৎ ওর কাছে আসায় স্মৃতি একটু ইতস্তত বোধ করে। আয়াশ সিকদার জোরপূর্বক একটু হেসে স্মৃতির মাথায় হাত রাখে। অসহায় কন্ঠে বলে,

-ছেলেটা আমার বড্ড বেপরোয়া৷ পারলে গুছিয়ে নিও৷ একবার গুছিয়ে নিতে পারলে আর কখনো দূরে ঠেলে দিতে পারবে না৷

-আঙ্কেল আপনি থাকুন এখানে।

-বাবা বলতে পারো।

কথাটা বলে একটু থামে। ভেতর থেকে বের হয়ে আসে একটা দীর্ঘশ্বাস। গলা আটকে আসে তার। চোখ লাল হয়ে আছে। নিজেকে সংযত রেখে বলে,

-ছেলের কাছ থেকে তো শুনতে পারলাম না। তুমি না হয় ডেকো। তবে জোরজবরদস্তি নেই কোনো।

স্মৃতির খারাপ লাগে আয়াশ সিকদারের জন্য। আয়াশ সিকদার নিজের পকেট থেকে কিছু টাকা বের করে স্মৃতিকে দিতে চাইলে স্মৃতি দূরে সরে যায়৷ গম্ভীর কন্ঠে বলে,

-আমি নিতে পারবো না এটা। আপনার কাছে রাখুন।

-শুনেছি নতুন বউয়ের মুখ দেখলে দিতে হয়৷ তাই দিলাম।

-বাবা বলতে বলছেন কিন্তু মেয়ে ভাবতে পারছেন না?

স্মৃতির কথায় হাসে আয়াশ সিকদার। মাথায় হাত বুলিয়ে বলে,

-ঠিক আছে দিলাম না৷ তবে কখনো প্রয়োজন হলে এই বাবাকে কল করতে পারো। আসি।

আর উওরের অপেক্ষা করেন না তিনি। সাথে সাথেই স্থান ত্যাগ করলেন। স্মৃতিও যাওয়ার পানে তাকিয়ে রইলো। ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো দীর্ঘশ্বাস। মনের মাঝে প্রশ্ন জাগলে বাবা ছেলের এই দূরত্বের কারণ জানার। তবুও সংযত রাখলো নিজেকে। ভাবনার মাঝে আমেনা বেগম বলে উঠলেন,

-মেয়ে তুমি ভালোই মানুষকে তেল মাখতে পারো। সে যাই হোক। রান্নাবান্না পারো কিছু? যাও সকালের নাস্তা বানায়।

স্মৃতি চুপচাপ তাকায়। হালকা নিচু কন্ঠে জিজ্ঞেস করে,

-কোথায় কি রাখা আমার তো জানা নেই।

-সে আমি দেখিয়ে দিচ্ছি চলো।

স্মৃতিও চুপচাপ আমেনা বেগমের পিছু পিছু চলে আসে রান্না ঘরে। জ্যোতিও সোফায় পায়ের ওপর পা তুলে রান্না ঘরের দিকে তাকিয়ে থাকে। মুখটা ফ্যাকাসে হয়ে আছে। তবুও মনে মনে পণ করে আহানের মন জেতার৷ কারণ আহান এখনো হুমায়রাকে ভালোবাসে। স্মৃতিকে মেনে নেয়ার প্রশ্নই আসে না তার। সেই ভেবেই ধীরে ধীরে আহানের রুমের দিকে পা বাড়ায়। দরজা নক করে চুপচাপ ভেতরে ঢুকে পরে। আহান সোফায় বসে আছে পায়ের ওপর পা তুলে। পাশে গিয়ে বসে জ্যোতি। গম্ভীর কন্ঠে জিজ্ঞেস করে,

-তুমি তো হুমায়রাকে ভালো বাসতে৷ তাহলে ওকে কেন বিয়ে করলে? তাও বিয়ে করলে করলে সেই যে তোমার ভালোবাসার মানুষকে ছিনিয়ে নিলো তার বোনকেই?

-সেই কৈফিয়ত কি আমার তোকে দিতে হবে?

-তোমাকে দেখে ভালো লাগে না আহান। আচ্ছা ওই মেয়ের সাথে তুমি সুখী হতে পারবে? ডিভোর্স দিয়ে দেও।

ডিভোর্সের কথা শুনতেই রক্তচক্ষু নিয়ে তাকায় আহান। গম্ভীর ও রাগ মিশ্রিত কন্ঠে বলে,

-সেই নিয়ে তোর না ভাবলেও চলবে। যা এখান থেকে৷

-কিন্তু আহান….

-যেতে বলেছি আমি?

কথা শেষ করার আগেই ধমক দিয়ে ওঠে আহান৷ জ্যোতিও আর কথা বাড়ায় না। চুপচাপ ঘর থেকে বেরিয়ে যায়৷ কিছুক্ষণ পর আহানও বাড়ি থেকে বাইরে চলে যায়৷ এক পলক দেখে নেয় স্মৃতি। আহান চলে যাওয়ায় মনের মাঝে একটা ভয় কাজ করে। কিন্তু এর নির্দিষ্ট কারণ সে খুঁজে পায়না। চুপচাপ পরোটা ভাজতে থাকে। এরই মাঝে আমিনা বেগম কটু স্বরে বলে,

-হ্যা গো মেয়ে আমার ছেলেটাকে এভাবে না ফাসালেও পারতে। এক ছিল ওর মা আহানের বাবার জীবনটা নষ্ট করেছে। আর এখন তুমি এসেছ আহাের জীবন নষ্ট করতে?

আমেনা বেগমের কথায় অসহায় চোখে তাকায় স্মৃতি। ধীর কন্ঠে বলে,

-আ্ আমি তো ইচ্ছে করে বিয়ে করিনি। স্ সবটায় হুট করে হয়েছে। এমনটা হবে জানলে এই বাসায় আসতাম না আমি৷

-হয়েছে জানি আমরা সব। আর তোমার ব্যাপারেও জানি৷ আহানকে ভোলা ভালা পেয়েছ তো তাই এমন করতে পেরেছ৷ তবে আমিও দেখবো সংসার কীভাবে টিকে।

পেছন থেকে হঠাৎ জ্যোতির এমন কথায় কেঁপে ওঠে হুমায়রা৷ ভয় হতে শুরু করে তার। পরিস্থিতির শিকার হলেও সে তার সংসার বাঁচাতে চায়। কিন্তু এরা কি তাও হতে দিবে না৷ ভয় কাজ করে তার মাঝে। শুনেছে খালা শাশুড়ীরা খুব খারাপ হয়। গ্রামে এমন একবার হয়েছিল একটা মেয়ের সাথে। মেয়েটা তো মারা গিয়েছে৷ ভাবনার মাঝেই কলিং বেলের আওয়াজে ধ্যান ভাঙে স্মৃতির। চুপচাপ গিয়ে দরজা খুলতেই গতদিনের সেই মহিলাটার দেখা মেলে। স্মৃতিকে দেখতেই ঠোটে ফুটে ওঠে মুচকি হাসি। হাসি মুখেই জিজ্ঞেস করে,

-আহান সাহেব কোথায় মা?

-জ্বী বাইরে গেছে।

-তুমি একা বাসায়?

-নাহ। ওনার খালা আর বোন আছে৷

কথাটা শুনে ভ্রু কুঁচকায় মহিলাটা। তবে আর কথা বাড়ায় না৷ চুপচাপ চলে যায় রান্না ঘরে। স্মৃতিও পিছু পিছু কাজ করার জন্য এসে দাড়ায়৷ পরোটা বানানো প্রায় শেষ। শেষ একটা ভাজার জন্য হাত বাড়াতেই তেল ছিটকে এসে পরে স্মৃতির হাতে। ব্যথায় কিছুটা কুঁকড়ে ওঠে। তবে শব্দ করে না৷ এসবে অভ্যস্ত সে। তেমন একটা প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে আবারো নিজের কাজে ব্যস্ত হয়ে পরে৷ কাজের মহিলাটা সব খেয়াল করলেও কিছুই বলার ভাষা নেই তার৷

.
কেটে যায় অনেকক্ষণ। প্রায় অনেকক্ষণ পর আহান হাতে কিছু ব্যাগসহ উপস্থিত হয়। তা দেখে জ্যোতি এক্সাইটেড হয়ে বলে,

-আহান কি এনেছ আমার জন্য? দেখি আমাকে দেও।

বলেই ব্যাগটা ধরতে গেলে আহান দূরে সরিয়ে দেয়। গম্ভীর কন্ঠে বলে,

-তোর জন্য না এগুলো। স্মৃতি কোথায়?

-দেখো পরে পরে ঘুমাচ্ছে৷

ভ্রুঁ কুচকে তাকায় আহান। অসময়ে কে ঘুমায়৷ ধীরে ধীরে পা বাড়ায় রুমে। বিছানার উপর শপিং ব্যাগগুলো রেখে চুপচাপ ওয়াশরুমে চলে যায়৷ ফ্রেশ হয়ে আবারো বাইরে এসে দাড়ায় আয়নার সামনে৷ নিজেকে পরিপাটি করতে থাকে। আয়নার প্রতিবিম্বে চোখ পরে স্মৃতির ঘুমন্ত চেহারার দিকে। ফ্যাকাশে হয়ে আছে মুখটা। ক্লান্ত! ভেবে পায়না সে। ধীরে ধীরে গিয়ে বসে মাথার কাছে। ইচ্ছে হয় মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়ার। দ্বিধা কাজ করে৷ তবুও নিজেকে ঠিক করে হাত বাড়িয়ে ছুয়ে দেয় স্মৃতির চুলগুলো। দরজার শব্দে ধ্যান ভাঙে তার। মহিলাটা এসেছে। তাকে দেখে একটু হাসি দিয়ে বলে,

-রানী খালা কিছু বলবেন?

-তোমার সাথে কথা ছিল বাপ। সময় হইবো?

-হুম হবে না কেন৷ বসুন না।

রানীও চুপচাপ বসে বিছানার এক কোণে। গম্ভীর অথচ অসহায় কন্ঠ শোনায় তার। বলতে শুরু করে নিজের মতো,

-শোনো বাপ তোমার কথামতো এতো কিছু হইছে। বিয়া করছো৷

-জ্বী খালা। কোনো সমস্যা?

-তোমার জন্মের এক বছর আগে থেকেই আমি এই বাড়িত কাম করি। এই বাড়ির সবাইরেই চেনা আছে আমার৷ তাই কই মাইয়ার খেয়াল রাইখো। তোমার আপন মানুষই তেমাগো শততুর মাথায় রাইখো।

রানী খালার কথা ঠিক বোধগম্য হয়না আহানের। কৌতুহল নিয়ে বলে,

-ভালোমতো ক্লিয়ার করে বললে ভালো হয় খালা।

-কওনডা ঠিক হইবো কিনা জানি না। হেয় তোমার আপন মানুষ, ছোট থেকে বড় করছে। কিন্তু হেয় মানুষটা ভালা না। তোমার বাপ মায়ের সম্পর্কডাও হেরাই ভাঙছে। তোমার বাপ সবই জানে। তোমার মা যহন জানতে পারছে তহন অনেক দেরি হইয়া গেছিলো। জানি না তোমার মায়ের ব্যাপারে কি কইছে যে হের নাম শুনতে চাওনা। কিন্তু তোমার মা অনেক ভালো ছিল।

এবার কিছুটা বোধগম্য হয় কথাগুলো। তবুও কৌতুহল নিয়ে তাকিয়ে থাকে আহান। রানীও নিজের মতো বলতে থাকে,

-নিজের বাপরে ভুল বুইঝো না। হেয় মানুষটা ভালো। খালি পরিস্থিতির শিকার কইতে পারো। তোমারে তো তেমন পাইনা৷ আজকে পাইলাম তাই কইলাম। খালি এইডু কমু মাইয়াডা অনেক ভালো। খেয়াল রাইখো। আর নিজের সংসার যদি বাঁচাইতে চাও তাইলে বাইরের মানুষরে ঢুকতে দিও না।

-আপনি আসলে কার কথা বলছেন?

-তোমার আমিনা খালার কথাই কইতাছি বাপ। তোমার বাপ মায়ের সংসারডা ভাঙছে। এহন তোমার সংসার ভাঙার লইগ্গা উইঠ্যা পইরা লাগছে। হের মাইয়ার লগে বিয়া দেয়ার স্বপ্ন দেহে। তোমাগো সম্পদের লইগ্গাই এতে কিছু। ঢুকতে দিও না সংসারে। নিজের বাপের মতো ভুল কইরো না। আহি আমি।

বলতে বলতে দরজার কাছে গিয়ে থামে রীনা। আবারো পেছন ফিরে বলে,

-তেল ছিটটা হাত পুড়ছে মাইয়াডা। মলম লাগাইয়া দিও। আর চেহারা দেইখা তো মনে হয়না গতকালকের ঘটনার পর কিছু খাইছে। এহনও খাইতে দিলো না ওই চুন্নিডায়। ঘুম ভাঙলে খাওন খাইতে কইয়ো আহি আমি৷ আর যা কইলাম ভালোর জন্যই কইলাম। ভুল বুইঝো না।

চলে যায় রীনা। আহান তার যাওয়ার পানে তাকিয়ে ভাবতে থাকে রীনার বলা কথাগুলো। আবার চোখ যায় স্মৃতির হাতের দিকে। চুপচাপ মলম লাগিয়ে বাইরে আসে। আমিনা বেগম ও জ্যোতি বসে বসে স্টার জলসার সিরিয়াল দেখতে৷ তা দেখে আহানও বসে৷ মাথায় রীনার বলা কথাগুলো ঘুরে। মনোযোগ দেয় সিরিয়ালের দিকে। সেখানের ঘটা ঘটনাই যেন তার পরিবারের মিল পায়। মনে পরে যায় ছোটবেলার ঘটনাগুলো৷ কীভাবে আমিনা বেগম তার মায়ের কাছে তার বাবার নামে দূর্নাম বলতো। সবটা কেমন পরিষ্কার লাগে তার কাছে৷ আর কিছু না ভেবেই গম্ভীর কন্ঠে জিজ্ঞেস করে,

-ভালো লাগে সিরিয়ালগুলো?

আমিনা বেগম ও জ্যোতি দুজনই সিরিয়ালে ডুবে ছিল৷ আহানের কথায় ধ্যান ভাঙে৷ আহানের বলা কথা বোঝার চেষ্টা করে তারা৷ বোধগম্য হতেই আমিনা বেগম বলে,

-হুম। আমাদের জীবনেও তো এমন ঘটনা ঘটে৷

-হুমম। তা এভাবে মানুষের জীবন নষ্ট করতে ভালো লাগে খুব?

-মানে বাবা ঠিক বুঝলাম না৷

-বুঝতে হবে না৷ চুপচাপ বাসা থেকে বের হন মা আর মেয়ে।

-কি হয়েছে তোর আহান? সব ঠিকঠাক?

-হ্যাঁ। এখন যেতে পারেন।

আমিনা বেগম এবার কান্না মাখা কন্ঠে বলে,

-সারাজীবন কি আর থাকতে এসেছি বাবা? চলেই যাবো। তোর সংসারটা ভালোমতো গুছিয়ে দিয়ে নেই৷

-আমার সংসার আমি গুছিয়ে নিতে পারি৷ আপনাদের প্রয়োজন নেই। আসতে পারেন।

-আহান বাবা কি হয়েছে তোর? বিয়ের একদিন হতে না হতেই ওই মেয়ে তোকে হাত করে নিলো? আরে ছোট থেকে তোকে বড় করেছি এই হাতে৷

-তার জন্য কৃতজ্ঞ। আর না জেনে কিছু বলবেন না। স্মৃতি কিছু করেনি। ঠান্ডা মাথায় যেতে বলছি। চলে যান। পরে ঘার ধাক্কা দিয়ে বের করবো।

-তুই বলতে পারলি এভাবে আহান!

-হুম পারলাম।

-ঠিক আছে আছে। চলে যাচ্ছি। পরে এই আন্টিকেই মনে পরবে তোর। চল জ্যোতি।

বলেই স্থান ত্যাগ করে তারা৷

#চলবে….

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here