বোকামন #পর্ব_২৬ #Tahsin_Atoshi

0
4

#বোকামন
#পর্ব_২৬
#Tahsin_Atoshi

সকাল সকাল ঘুম ভাঙতেই শরীরের উপর কারো হাত আবিষ্কার করে হুমায়রা৷ কিন্তু ও তো রুমে একা ঘুমালো গতরাতে। তাহলে? তাই দ্রুত উঠে বসার চেষ্টা করে। কিন্তু শক্তপোক্ত হাত আটকে দেয় তাকে। ভয়ে এবার চিৎকার করতে নিলেই মুখ চেপে ধরে সেই মানুষটা। ভয়ে চোখটা বন্ধ করে নেয় এবার। আবারো পিটপিট করে চোখ খুলে কাঙ্ক্ষিত মানুষটাকে দেখে মেজাজটা আরো গরম হয়ে গেল। গায়ের জোরে একটা ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে এবার উঠে বসে হুমায়রা। রাগ দেখিয়ে বলে,

-সমস্যা কি আপনার। আর..আর আপনি কখন এসেছেন?

হুমায়রার ধাক্কায় শুভ বিছানার অর্ধেকটা ঝুলে আসে। এটা ভেবেই কুল পাচ্ছে না তার বউ এতো শক্তিশালী..!বাবার বাড়ি আসলে সব মেয়ে কি এমন করে? ভেবে পায়না শুভ। বাসায় এতোটাও রাগ দেখায়না হুমায়রা। তাহলে? ধীরে ধীরে নিজেকে ঠিক করে বসে সে বিছানায়। একটুর জন্য বিছানা থেকে পড়ে গিয়ে কোমড়ে ব্যথা পায়নি৷ ঠিকঠাক করে বসে গম্ভীর কন্ঠে বলে,

-এভাবে কেউ ধাক্কা দেয়? পরে গেলে তখন?

-ভালো হতো। আপনি..আপনি এখানে কি করেন হ্যাঁ?

-কেন আসতে পারি না আমি?

-পা্ পারেন। কিন্তু কখন এসেছেন? আর এভাবে জড়িয়ে ধরে ছিলেন কেন আমাকে?

-মিস করছিলাম তোমাকে..!

বলেই মাথায় চুলকে ভোলাভালা হাসি দেয় শুভ। হুমায়রা রাগ দেখিয়ে উচ্চস্বরেই বলে,

-কেন আমি কি এখানে এসেছি এক বছর হয়েছে নাকি হ্যাঁ? একরাতই তো থাকলাম। তাহলে এতো ঢং এর কি আছে শুনি?

-এক রাতই আমার কাছে এক যুগ মনে হচ্ছিল হূর। তাই চলে আসলাম। ব্যথাও পেয়েছি একটু।

ব্যথা পাওয়ার কথা শুনে নরম হয় হুমায়রার মন। কৌতুহল নিয়ে জিজ্ঞেস করে,

-ব্ ব্যথা পেয়েছেন কীভাবে?

-ওই আসলে পা্ পাইপ বেয়ে উঠার অভ্যাস নেই তো তাই আরকি?

আবারো রাগ হলো হুমায়রার। কিছু বলতে যাবে তার আগেই শুভ থামিয়ে বলে,

-আ্ আসলে এতো রাতে আসলে সবাই কী ভাববে। আর এতো রাতে সবাই ঘুমিয়ে ছিল তাই আরকি। তোমাকে না দেখেও থাকতে পারছিলাম না৷

চোখ ছোট ছোট করে তাকায় হুমায়রা। ভ্রুঁ কুঁচকে বলে,

-আমাকে কল দেয়া যেত না?

-ঘুমাচ্ছিলে তো…!

কিছু বলে না হুমায়রা। চুপচাপ পাশ থেকে নিজের ওড়নাটা নিয়ে ওয়াশরুমে চলে যায়। শুভ তার যাওয়ার পানে তাকিয়ে আবারো বিছানায় সুয়ে পরে। কিন্তু ঘুম আসে না তার। তবুও চোখ বন্ধ করে থাকে কিছুক্ষণ। দরজা খোলার শব্দে আবারো চোখ খুলে সে৷ গোসল করে বের হয়েছে হুমায়রা৷ দেখে ভ্রুঁ কুঁচকায় একটু। গম্ভীর কন্ঠে বলে,

– সকাল সকাল গোসল করা জরুরি?

-ভার্সিটি যাবো। অনেকদিন যাওয়া হয়না।

-দেরি তো…!

-চুল শুকাতে সময় লাগবে…।

-ওহ্ আচ্ছা।

থামে শুভ। আবারো চোখ বন্ধ করে শুয়ে পরে সে। কিন্তু সেটাও আর বেশিক্ষণ সম্ভব হয়না তার। চোখ বন্ধ করতেই হুমায়রার শাওয়ার নিয়ে আসা ভেজা চুল ওয়ালা মুখটা চোখের সামনে ভেসে ওঠে। আবারো চোখ খুলে তাকায় সে। হুমায়রা আয়নার সামনে বসে চুল ঠিক করছিল। তা দেখে আরো ঘোর লাগে তার। ধীরে ধীরে উঠে পেছন থেকে কোমড় জড়িয়ে ধরে সে। অবাক হয় হুমায়রা। কিন্তু সরতেও পারছে না সে। শুভর এমন স্পর্শে জমে যায় সে। তবুও ধীর কন্ঠে বলে,

-ছাড়ুন আমাকে।

ছাড়ে না শুভ। আরো বেশি শক্ত করে জড়িয়ে ধরে এবার। ভেজা চুলে মুখ গুজে দেয় সে। ধীরে ধীরে সুর তুলে গাইতে শুরু করে,

“Pehli Nazar Mein
Kaise Jaado Kar Diya
Tera Ban Baita Hai
Mera Jiya

Jaane Kya Hoga
Kya Hoga Kya Pata
Is Pal Ko Milke
Aa Jee Le Zara
Mein Hoon Yahan
Tu Hai Yahan
Meri Bahon Mein Aa
Aa Bhi Ja……”

আর গাইতে পারে না শুভ। এরই মাঝে বাইরে থেকে ডাক আসে অমিতের। দু’জনই দূরে সরে যায়। ভেতরে ঢুকে শুভকে দেখে অবাক হয়৷ গম্ভীর কন্ঠে জিজ্ঞেস করে,

-তুই কখন আসলি?

মাথা চুলকায় শুভ। হুমায়রা আড়চোখে শুভকে দেখে হালকা তুতলিয়ে বলে,

– র্ রাতে এসেছিল।

-ওহ্ আচ্ছা।

কথা বাড়ায় না অমিত। দু’জনকেই এক নজর দেখে বের হতে হতে বলে,

-মা খাবার দিয়েছে। জলদি চলে আয় দুজন।

ওরাও মাথা নাড়িয়ে সায় দেয়। অমিত যেতেই শুভ আবারো হাত ধরে কাছে টেনে নেয় এবার৷ কোমড় জড়িয়ে বলে,

-মুভিতে দেখেছিলাম প্রেম করার সময় শালারা নাকি প্রেমে ব্যাঘাত ঘটায়। আর এখন দেখছি সম্বন্ধীরাও একই পাবলিক। কেমন লাগে বলো তো?

ভ্রুঁ কুঁচকায় হুমায়রা। গম্ভীর কন্ঠে বলে,

-আপনি আজ একটু বেশি করছেন না?

-কই না তো…!

-এভাবে আমার কাছে আসছেন যে? আবার গানও গাইছেন। লজ্জা করে না?

-যাহ্ বাবা। নিজের বউয়ের কাছে যাবো,গান গাইবো এতে লজ্জার কি আছে?

-বেশি হয়ে যাচ্ছে না এবার? কি ভাবছেন এমন করলে আমি আপনাকে মেনে নিবো?

-সে তো একদিন না একদিন মেনে নিতেই হবে আপনাকে ম্যাম। কিন্তু….!

-কিন্তু কি?

-আশা করছি সেই দিনটা খুব জলদি আসুক।

বলে থামে শুভ। হুমায়রার কানের কাছে এসে ফিসফিস করে বলে,

-দেরি হলে যদি হারিয়ে যাই! তখন যে আর খুঁজে পাবেন না ম্যাম।

কথা শেষ করেই শুভ বাইরে চলে যায়। হুমায়রা চুপচাপ যাওয়ার পানে তাকিয়ে থাকে। শেষের কথাটা ঠিক বুঝতে পারে না সে। হারিয়ে যাবে মানে? কোথায় যাবে? মন খারাপ হয় তার। চুপচাপ বিছানায় বসে পরে সে।

.

আহান সোফায় বসে বসে ফোন টিপছে। স্মৃতির অপেক্ষায় বসে আছে। কখন রেডি হয়ে আসবে এরপর ভার্সিটি যাবে তারা। কিন্তু এই মেয়ে এখনো বেরই হচ্ছে না৷ বিরক্ত হয় সে। বিরক্তি নিয়ে চুপচাপ ঘরে আসতেই বোকাবনে যায়৷ স্মৃতি রেডি না হয়ে বিছানায় বসে আছে। মুখটাও বাংলার পাঁচ এর মতে হয়ে আছে৷ গম্ভীর কন্ঠে জিজ্ঞেস করে,

-এখনো রেডি হওনি কেন?

মন খারাপ করে তাকায় স্মৃতি। ঠোঁট উল্টে বলে,

-হিজাব কীভাবে পরে? আমি তো কখনো পরিনি।

-ভার্সিটির প্রথম চার পাঁচদিন তো পড়েছিলে দেখেছিলাম।

-আরে সেগুলো তো রেডিমেট তৈরি করা। শুধু মাথায় পরলেই হয়ে যেত। কিন্তু এটা তো পিন দিয়ে আটকাতে হয়। আমি পারি না।

-আচ্ছা বোরকাটা তো আগে পড়ো। আমি হিজাব বেঁধে দিচ্ছি।

-আপনি পারেন?

– চেষ্টা করি। আসো এখন।

কথা বাড়ায় না স্মৃতি। কথামতো বোরকা পড়ে আহানের সামনে এসে দাড়ালো। আহানও কথা বাড়ায় না। নিজের মতো করে হিজাব বেঁধে দিলো। খুব একটা পারফেক্ট না হলেও খারাপও হয়নি। তাই আর কিছু বলে না স্মৃতি। দু’জন মিলে বের হয় ভার্সিটি যাওয়ার জন্য। আহান আজ আর ভার্সিটি যাবে না। স্মৃতিকে ভার্সিটিতে নামিয়ে দিয়ে সে চলে যাবে অফিসে। মূলত এটা স্মৃতিরই নির্দেশ। প্রথমে রাজি না হলেও স্মৃতির মন খারাপ ও জোরাজুরিতে রাজি হতেই হয়েছে তার।
ভার্সিটি পৌছাতেই শুভ ও হুমায়রার সাথে দেখা হয়ে যায় স্মৃতির। আহানও এক পলক নিজের না হওয়া প্রেয়সীকে দেখে নেয়। কিন্তু খুব একটা প্রতিক্রিয়া দেখায় না সে। আহান যেতেই তিনজন মিলে ভেতরে ঢুকে পরে। ঢুকতেই চোখে পরে তুহিনকে। একটা গাছের নিচে দাঁড়িয়ে ছিল সে। ওদের দেখেই ঠিক হয়ে দাড়ায়। স্মৃতি মুচকি হাসি দিয়ে জিজ্ঞেস করে,

-ভালো আছেন?

-জ্বী আলহামদুলিল্লাহ। আপনি? সংসার কেমন চলছে?

হাসে স্মৃতি। এরপর বলে,

-জ্বী আলহামদুলিল্লাহ।

-আহান এলো না?

-নাহ্ ওই নিমের বংশধরকে অফিসে পাঠিয়েছি। বিয়ে করেছে। বউয়ের দায়িত্ব নিতে হবে না নাকি?

অবাক হয় সকলে। পাশ থেকে অমিত বলে,

-পাঠাতে পেরেছ তুমি? একে তো সেই ফাস্ট ইয়ার থেকে ওর বাবা বলছে যেতে। সাথে সাথে থাকলে শিখতে পারবে। কিন্তু সে তো যায়ই না।

-হুম পারলাম। যেতে তো হবে। এখন একা নাকি। আমি আছি না সাথে৷

হাসে সকলে। পাশ থেকে তুলি বলে,

-হুমম…!বুঝলাম। আমাদের আহানকে টাইট দেয়ার জন্য স্মৃতি পারফেক্ট। আল্লাহ বুঝেই জোড়া তৈরি করে।

দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে তুহিনের। হুমায়রাও আড়চোখে শুভর দিকে তাকায়। শুভ আগে থেকেই হুমায়রার দিকে তাকিয়ে থাকার দরুন চোখেচোখ পরে দু’জনার৷ হুমায়রাকে ইশারায় জিজ্ঞেস করে কি হয়েছে। চোখ সরিয়ে নেয় হুমায়রা। সবাই এবার যার যার মতো ক্লাসে চলে যায়। ক্লাসে এসে বসতেই স্মৃতি হুমায়রাকে জিজ্ঞেস করে,

-ভাইয়ার সাথে সব ঠিকঠাক?

আড়চোখে তাকায় হুমায়রা। কোনো উওর দেয়না সে। স্মৃতি উওর না পেয়ে আবারো জিজ্ঞেস করে,

-আজকে কি আবারো ঝগড়া করেছিস তোরা?

এবারও উওর পায়না সে৷ এবার ঠোঁট উল্টেই বলে,

-এমন কেন করছিস হুমু? ভাইয়া তোকে খুব ভালোবাসে রে। একটা সুযোগ দে না ভাইয়াকে। প্লিজ…!

এবারও উওর দেয়না হুমায়রা। চুপচাপ সামনে তাকিয়ে থাকে। ক্লাসে শিক্ষক চলে আসায় কথা বলারও সুযোগ পায়না স্মৃতি।

অফিসে আসতেই প্রথমে বাধা হয়ে দাঁড়ায় অফিসের দারোয়ান। কিছু জিজ্ঞাসাবদের পর ঢুকতে দেয় সে৷ এরপর ভেতরে যেতেই এক এমপ্লয়ি এসে বাধা দেয়। প্রথমেই জিজ্ঞেস করে কার কাছে যাচ্ছে। অফিসে না আসার দরুন কেউই আহানকে চেনে না।
শুধুমাত্র নামটা সকলের জানা৷ আগে থেকে বলেওনি সে যে অফিসে আসবে। তাই তো এতো বাধা সহ্য করতে হচ্ছে। তবুও অফিসের মানুষদের পরীক্ষা করার জন্য এটাই মক্ষম সুযোগ কিনা। হাতছাড়া করে না আহান। চুপচাপ বলে দেয় সে অফিসে জয়েন হওয়ার জন্য ইন্টারভিউ দিতে এসেছে।

যেই কথা সেই কাজ। সেই মুহূর্তেই সিভি জমা দিয়ে ওয়েট করে কিছুক্ষণ। এরপরই ডাক পরে তার ইন্টারভিউ জন্য। সেও চুপচাপ চলে যায় ইন্টারভিউ দিতে। ভেতরে ঢুকতেই মেজাজটা গরম হয়ে যায় তার। তবুও সংযত রাখে নিজেকে। সাধারণ মানুষের মতোই ইন্টারভিউ দেয় সে। সিলেক্টও করা হয় তাকে। কিন্তু জয়েন হওয়ার আগে আগে পঞ্চাশ হাজার টাকা জমা দিতে হবে কম্পানিকে। ব্যাপারটা হজম হয়না তার। কারণ তাদের কম্পানিতে এমন কোনো নিয়মই নেই। তাই কৌতুহল নিয়ে জিজ্ঞেস করে,

-টাকা দেয়ার কারণ?

এমন প্রশ্নে একজন বলে ওঠে,

-কম্পানি থেকে ব্রেক টাইমে খাবার দেয়া, বিদ্যুৎ বিল এবং দারোয়ানদের জন্য।

অবাক হয় আহান। সবাই কম্পানি থেকে বেতন পায়। খাবার সবার জন্য ফ্রী। তাহলে এসবের কারণটা বোধগম্য হয়না তার। কোনো কথা ছাড়াই অফিস থেকে বের হয় সে। চুপচাপ ম্যানেজারের কাছে এসে দাড়ায়। এসবের কারণ জানতে চায় সে। কিন্তু সে বলতে ইচ্ছুক নন। অপরিচিত বাইরের মানুষকে বলতেই বা যাবে কেন সে?

ভার্সিটি শেষে গেটের কাছেই অপেক্ষা করতে থাকে স্মৃতি। আহান বলেছিল যাওয়ার সময় সে নিয়ে যাবে। কিন্তু এখনো আসছে না দেখে রাগ হয় তার। কল করার পরেও রিসিভ করে না। তুহিন স্মৃতিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে পাশে এসে দাঁড়ায়। জিজ্ঞেস করে এখনো দাড়িয়ে থাকার কারণ…! স্মৃতিও চুপচাপ বলে দেয় আহানের জন্য অপেক্ষা করছে সে। স্মৃতির মুখে আহানের কথা শুনলেই বুকটা কেঁপে ওঠে তুহিনের। কিন্তু তারও বা বলার কি আছে। নিজেকে সংযত রেখে আবারো বলে,

-আহান দেরি করে না। যেই সময় দেয় সেই সময়ই চলে আসে। আজ দেরি হচ্ছে মানে আসবে না হয়তো। চলো আমি পৌছে দেই।

স্মৃতি এক পলক দেখে নেয় তুহিনকে। জোরপূর্বক একটু হাসি দিয়ে বলে,

-না তার প্রয়োজন পরবে না। আমি একাই চলে যাচ্ছি।

কথা বাড়ায় না তুহিন। স্মৃতির চেহারা দেখেই বোঝা যাচ্ছে সে কতটা অস্বস্তি বোধ করছে। চুপচাপ স্থান ত্যাগ করে। স্মৃতিও বেশিক্ষণ অপেক্ষা না করে রিকশা নিয়ে বাসায় চলে আসে।

ঘরে ঢুকতেই গা শিউরে ওঠে তার। কেমন নিস্তব্ধ হয়ে আছে ঘরটা। ভেতরে ঢোকাটাও দায় হয়ে যায় তার। তবুও সাহস জুগিয়ে ঢুকে পরে ভিতরে। দরজা আটকে প্রথমে সব রুমের লাইট জ্বালিয়ে দেয়। অন্ধকারে সে ভয় পায় খুব। কিন্তু বাইরেও অন্ধকার হয়ে আছে। ঝড় হবে হয়তো। আর উপায় না পেয়ে আবারো কল করে আহানকে। কিন্তু রিং হয় ঠিকই। আহান আর কল রিসিভ করে না।
কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে থাকে স্মৃতি। মনে মনে সাহস জোগায় কিছু হবে না এই ভেবে। ধীরে ধীরে রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নেয়। সন্ধ্যা হয়ে এসেছে। কিন্তু আহানের আসার নাম নেই। বিরক্ত হয় স্মৃতি। সে তো বার বার বলেছে তার একা ঘরে কতটা ভয় করে।।তবুও কেন লোকটা এমন করে? বুঝে ওঠে না স্মৃতি।

#চলবে……

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here