#বোকামন
#পর্ব_২৭
#Tahsin_Atoshi
ঘরে চুপচাপ বসে আছে অনিল। ভালো লাগছে না তার। ঘরটা আগের মতো শান্ত। বিরক্ত লাগছে সবকিছু। অমিত এসে পাশে বসে এবার। গম্ভীর কন্ঠে জিজ্ঞেস করে,
-তোর কি হয়েছে হঠাৎ? এমন চুপচাপ বসে আছিস যে?
-কিছু না৷
মাথা নিচু করেই উওর দেয় অনিল। উওরটা পছন্দ হয়না অমিতের। আবারো প্রশ্ন করে,
-অর্নির সাথে কি কিছু হয়েছে?
মাথা তুলে এবার অনিল। ভ্রুঁ কুঁচকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করে,
-ওর সাথে কি হবে আমার?
-না মানে তুই তো এমন চুপচাপ থাকিস না তাই আরকি।
-হুমুটাকে মিস করছি খুব। ঘরটা কেমন শান্ত হয়ে আছে।
-তুই মিস করছিস হুমুকে…!
অবাক হয় অমিত। চোখ ছোট ছোট করে ভাইকে পরোখ করে বলে,
-যেদিন হুমু বাসায় এসেছিল কি বলেছিলি মাকে? সারাদিন বিরক্ত করবে তোকে?
-আরে সেটা তো এমনি বলেছিলাম। হুমুটাকে ছাড়া ভালো লাগে নাকি? হাজার হোক একটা বোন আমাদের।
– তা ঠিক বলেছিস। বোনটাকে আর কাছে পেলাম ক’দিন। দূরেই রয়ে গেল। জানিস তো আমার একটা জিনিস ভেবে ভয় হচ্ছে খুব…!
-কি?
-হুমুর অতীত কি আবার ফিরে আসবে? নাকি তা শেষ হয়ে গেছে?
দীর্ঘশ্বাস ফেলে অনিল। গম্ভীর কন্ঠে বলে,
-মনে হয়না৷ কারণ সেদিনের ঘটনার পর ওরা একবারও বাসায় আসেনি। আর এক্সিডেন্টের ঘটনার পর তো আমরা সকলকে জানিয়ে দিয়েছি হুমু মা’রা গেছে। ওদের কান পর্যন্ত কি পৌছায়নি কথাটা?
কৌতুহল নিয়ে তাকায় অমিত। কিছু বলবে তার আগেই অনিল বলে,
-হুমুকে কি সত্যিটা বলে দেয়া উচিত আমাদের?
-কিন্তু ডাক্তারের কথাটাও মাথায় রাখ।
দুজনের মাঝে আবারো নিস্তব্ধতা বিরাজ করে৷ এরই মাঝে অমিত বলে ওঠে,
-ডাক্তারের সাথে আরেকবার কথা বলে দেখা যায় না? এটাও তো বলেনি যে কখনো মনে পরবে না তাইনা।
ভ্রুঁ কুঁচকায় অনিল। গম্ভীর কন্ঠে বলে,
– কি করবি তাহলে?
-বাবা-মায়ের সাথে বিষয়টা নিয়ে কথা বলে দেখা যাবে না হয়?
দু’জনারই চোখেচোখ পরে এবার। অনিল আবারো গম্ভীর কন্ঠে বলে,
-ভেবে দেখছি বিষয়টা।
-এছাড়া কোনো উপায় পাচ্ছি না আমি। হুমুকে অন্তত কোনো মেন্টাল প্রেসার দিতে পারবো না। দরকার পরলে এভাবেই থাকুক। যে পরিচয়ে আছি থাকি।
দু’জন আবারো চুপ হয়ে বসে।
অর্নি চুপ হয়ে বসে আছে। ভালো লাগছে না তার। অনিলের গম্ভীরতা তার ভালো লাগে না। কি হয়েছে সেটা জানারও উপায় নেই তার কাছে। তুলি পাশে বসে বসে আঁকিবুঁকি করছে।
আড়চোখে একবার অর্নিকেও দেখে সে। কিন্তু প্রশ্ন করার ইচ্ছে নেই। কারণ এই মেয়ে বাইরে নিজেকে যতটা শক্ত দেখায় ঘরের ভেতরে ততটাই নরম। এখন কিছু জিজ্ঞেস করলেই ভ্যাঁ ভ্যাঁ করে কান্না শুরু করে দিবে। আর এই মুহূর্তে তুলি ওর কান্না দেখতে চাচ্ছে না। মুডটা ফুরফুরে হয়ে আছে। কিছুদিন পরই মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষা। আর পরীক্ষা শেষ হলেই তাদের বিয়ে। এই খুশি আর রাখে কোথায় সে। তাই খুশি মনে উঠে বারান্দায় চলে গেল। ফোনটা হাতে নিয়েই আগে অমিতকে কল করলো। দুইবার রিং হতেই রিসিভ হলো কলটা। অপরপাশ থেকে ভেসে এলো অমিতের গম্ভীর কন্ঠ।
-হুম বলো..।
-ব্যস্ত?
-নাহ্ ফ্রী আছি।
-কোনোকিছু নিয়ে চিন্তিত?
-একটু।
-বলা….
-হুমুকে নিয়ে চিন্তা হচ্ছে খুব।
তুলি কথা শেষ হওয়ার আগেই অমিত বলে দেয় কথাটা। তুলিরও আর কিছু বলার থাকে না। দুইপাশ থেকেই নিরবতা পালন করে। কিছুক্ষণ এভাবে কাটতেই অমিত নিরবতা ভেঙে বলে ওঠে,
-বাইরে যাবে? অনেকদিন রাতে বের হওয়া হয়না।
তুলিও না করে না আর। উৎফুল্ল নিয়ে আবার ঘরে ঢুকে পরে। অর্নির গোমড়া মুখ দেখে রাগ হয় নিজেরই। অমিতকে কল করেছিল যেন অনিলকে বলে এই মেয়ের সাথে কল দিয়ে কথা বলে। কিন্তু সেই কথাও আর বলা হলো না। তবুও ডোন্ট কেয়ার ভাব নিয়ে রেডি হতে শুরু করলো। কিছুক্ষণের মাঝেই বাইরে গাড়ির হর্ণ শুনে বুঝতে বাকি রইলো না অমিত চলে এসেছে। এক দৌড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলো। মাঝে দেখা হলে তার মায়ের সাথে। তিনি গম্ভীর কন্ঠে জিজ্ঞেস করলেন,
-এতো রাতে কোথায় যাওয়া হচ্ছে?
-অ্ অমিত এসেছে। ওর সাথে বাইরে যাবো।
-বাইরে দেখেছিস আকাশ কত মেঘলা?বৃষ্টি পরবে যখন-তখন। এখন গিয়ে কি করবি?
-কিছু হবে না মা।
তুলির মা আর কথা কথা বাড়ায় না।
তুলিকে চলে যেতে দেখে অর্নিও এবার কান্না করে দিলো। একা একা বিরবির করতে করতেই বলে,
“কেউ ভালোবাসে না। সবাই শুধু নিজেকে নিয়েই ভাবে। ”
বিরবির করার মাঝেই ফোনে রিং হওয়ায় ফোনটা হাতে নিলো। অনিল কল করেছে। রিসিভ করতে ইচ্ছে হলো না তার। তবুও রিসিভ করে কানে ফোনটা ধরে রাখলো। অপরপাশ থেকে ভেসে এলো অনিলের কন্ঠ,
-কি করছো?
উওর দিলো না অর্নি। অনিল আবারো প্রশ্ন করল,
-রাগ?
-…….!
-খুব বেশি অভিমান হয়েছে নাকি ম্যাম-এর?
-……!
দু’পাশে নিস্তব্ধ রইলো কিছুক্ষণ। অর্নিও কল কাটলো না। শুধু নিঃশব্দে কান্না করতে রইলো। কেটে গেল বিশ মিনিট এভাবেই।
-আমার বউয়ের কি খুব বেশি অভিমান হয়েছে?
হঠাৎ পরিচিত কন্ঠ শুনে চমকে তাকালো অর্নি। অনিল দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। আর অপেক্ষা করলো না এক মুহূর্তও। দৌড়ে গিয়ে জড়িয়ে ধরলো এবার। শব্দ করেই কান্না করতে করতে বলল,
-তুমি খুব খারাপ হয়ে গেছ। আর ভালোবাসো না আমাকে। তাই এভাবে ইগনোর করো তাই না?
হাসে অনিল। নিজের সাথে শক্ত করে জড়িয়ে নেয় অর্নিকে। অর্নির মাথায় নিজের অধর ছুয়িয়ে বলে,
-সেই সাধ্য কি আমার আছে? যে মহারানীকে ইগনোর করবো..! তাকে ইগনোর করতে গেলে তো নিজেই নিঃস্ব হয়ে যাবো।
.★.
হুমায়রা ঘরে একা গম্ভীর হয়ে বসে আছে। ভালো লাগছে না তার। এর মূলত দুটি কারণ আছে। প্রথম কারণ শুভর বলা সকালের কথা আর দ্বিতীয় কারণ শুভর খালাতো বোন সাঈমা। দুটো ভেবেই মাথা ছিড়ে যাচ্ছে। সে ভেবে পায়না প্রত্যেক কাপলের মাঝে তৃতীয় ব্যক্তি কেন আসে।
শুভ এখনো বাসায় ফেরেনি। ভার্সিটি থেকে হুমায়রাকে বাসায় দিয়ে সে যে গেছে আর আসার নাম নেই বললেই চলে। কল দিতে মন চাইলেও দিচ্ছে না হুমায়রা। কি ভেবে কল দিবে? কল দিয়ে কি-ই বা বলবে। সে তো এখনো মেনে নেয়নি শুভকে তাইনা। তাহলে কিসের চিন্তা। কান্না পাচ্ছে তার। এতো চিন্তা নিয়ে ঘুমানো যায়।
দরজার শব্দে ঘোর থেকে বের হয় হুমায়রা। শুভ এসেছে। দেখে ক্লান্ত লাগছে। কিছু বলতে যাবে এরই মাঝে তার পিছু পিছু সাঈমা এসে হাজির হয়। বিরক্ত হয় হুমায়রা। আবারও মুখ ফুলিয়ে বিছানায় বসে পরে। শুভও পাশে এসে বসে। সাথে সাথেই সাঈমা শুভর অন্যপাশে বসে বলে,
-তোমাকে ক্লান্ত লাগছে শুভ। যাও ফ্রেশ হয়ে আসো। আমি তোমার জন্য কফি বানিয়ে আনছি।
ভ্রুঁ কুঁচকে তাকায় হুমায়রা৷ মনে মনে বিরবির করে বলে,
“কেন রে ওনার বউ কি মরে গেছে? ”
মনের কথা মনেই থেকে যায়৷ শুভর উওরের অপেক্ষা করে সে। হুমায়রাকে অবাক করে দিয়ে শুভও হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়ায়৷ রাগ হয় হুমায়রার৷ কিছু না বলেই বারান্দায় গিয়ে দাড়ায়৷ আকাশটা মেঘলা হয়ে আছে। বাতাস বইছে অনেক৷ ঝড় হবে হয়তো। মনে মনে ভাবতে দেরি বৃষ্টি পরতে দেরি হয়না। তবুও ঘরে যায়না হুমায়রা। বৃষ্টির মাঝেই দাঁড়িয়ে থাকে। খুব একটা বৃষ্টির ফোঁটা গায়ে পরে না তার। মাঝে মাঝে বাতাসে গায়ে ছিটে আসে কিছুটা।
হঠাৎ হাতের হেঁচকা টানে পরে যেতেই নিজেকে কারো বুকে আবিষ্কার করে। বুঝতে খুব একটা দেরি হয়না এটা যে শুভ। এরই মাঝে গম্ভীর কন্ঠ ভেসে আসে শুভর,
-বৃষ্টি পরছে দেখতে পাওনা৷ জ্বর বাধানোর ইচ্ছে আছে নাকি হ্যাঁ?
রাগ হয় হুমায়রার। রাগ দেখিয়ে বলে,
-জ্বর হলে আমার হবে। আপনার কি৷ যান আপনার….
কথা শেষ হওয়ার আগেই দরজায় নক পরে। সাঈমা দুই কাপ কফি হাতে দাঁড়িয়ে আছে। শুভও চুপচাপ গিয়ে হাত থেকে এক কাপ নিয়ে বিছানায় বসে। হুমায়রা এক কোণে দাঁড়িয়ে থাকে শুধু। সাঈমা নিজের কাপটা ধরেই শুভর গা ঘেষে বসে পরে। তা দেখে আরো রাগ হয় হুমায়রার৷ তবুও সংযত রাখে নিজেকে। দেখতে চায় সব কাহিনী।
শুভকে উদ্দেশ্য করে সাঈমা বলে,
-ইশ…! শুভ তুমি কত শুকিয়ে গেছো। আবার ভেজা চুলে কেন? ঠান্ডা লেগে যাবে তো।
বলতে বলতেই তোয়ালে নিয়ে চুলগুলো মুছে দেয় শুভর। হুমায়রা শুধু দাঁতে দাঁত লাগিয়ে দেখে যায়৷ সহ্য হয়না তার। হাতের পাশে থাকা ছোট বাক্সটা মেঝেতে ফেলেই ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। হুমায়রা চলে যেতে শুভ সরে দাড়ায় সাঈমার থেকে। গম্ভীর কন্ঠে বলে,
-আমার দেখাশোনা করার জন্য আমার বউ আছে৷ তোর এতো ভাবতে হবে না। বের হ ঘর থেকে।
তবুও ঠায় দাঁড়িয়ে থাকে সাঈমা। মন খারাপ করে বলে,
-সে তো দেখতেই পাচ্ছি কি দেখাশোনা করছে তোমার। তুমি যে কেন ওকে বিয়ে করতে গেলে।
-ভালোবাসি তাই বিয়ে করেছি। এই নিয়ে তোর ভাবতে হবে না। যা রুম থেকে।
সাঈমাও দাড়ায় না। শুভর কথায় অপমানিত হয় সে। তার সাথে এভাবে তো কেউ কথা বলে না। শুভও কখনো বলেনি৷ তাহলে আজ? শুধু মাএ হুমায়রার জন্য?
ঝড়ের মাঝে গাড়ি চালিয়ে আসতে আসতে রাত হয় আহানের। হালকা ভিজেও গেছে সে। দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করতেই পুরো রুম অন্ধকার দেখে রাগ হয় তার। লোডশেডিং হয়েছে৷ তাই বলে মোমবাতি তো জ্বালাতে পারতো এই মেয়ে৷ কিন্তু না সেটাও করবে না। ফোনের ফ্ল্যাশ লাইট অন করে ধীরে ধীরে ঘরের দিকে এগিয়ে যায়৷
হঠাৎ মাথায় আসে স্মৃতির বলা কথাটা৷ তার একা ঘরে থাকতে ভয় করে। এখন তো আরো অন্ধকার রুম। তাহলে এখন কি আরো ভয় পাচ্ছে। চিন্তা হয় খুব। ঘরের দিকে এগিয়ে গিয়ে গম্ভীর কন্ঠে ডাকে দুইবার স্মৃতির নাম ধরে।
কোনো উওর আসে না। রুমে ঢুকে চারপাশে ভালোকরে দেখতেই ঘরের এককোণে হাঁটুতে মুখ গুজে বসে থাকতে দেখে সে। ধীরে ধীরে এগিয়ে যায় ৷ স্মৃতির সামনে হাঁটু ভাজ করে বসে আবারো ডাকে নাম ধরে।
হঠাৎ পুরুষালী কন্ঠ শুনতে হালকা পিছিয়ে যায় স্মৃতি। কান্না করায় চোখ মুখ ফুলে আছে কিছুটা। তা দেখে অবাক হয় আহান। স্মৃতির আরো কাছে এগিয়ে যায় সে। চিন্তিত স্বরে জিজ্ঞেস করে,
-কি হয়েছে তোমার? ঠিক আছো তো?
আহানকে দেখে এক মুহূর্ত অপেক্ষা করে না স্মৃতি। সাথে সাথেই জড়িয়ে ধরে এবার শব্দ করে কান্না করে দেয়। কান্না করতে করতেই বলে,
-কোথায় ছিলেন আপনি। আম্ আমার একা ভয় করে বলেছিলাম না৷ এ্ এত্ এতো দেরি হলো কেন আসতে। আপ্ আপ্ আপনি না আসলে মরে যেতাম এবার। ও্ ওই লোকগুলো চলে আসতো। ত্ তখন তখন কি হতো বলুন। আপ্ আপনি এতো দেরি করে কেন এসেছেন?
কান্না করার কারণে হিচকি উঠে গেছে স্মৃতির৷ ঠিকভাবে কথাও যেন বলতে পারছে না। স্মৃতির হঠাৎ জড়িয়ে ধরায় আহান ঘোরের মধ্যেই আছে। শেষের প্রশ্ন ঘোর কাটে তার। ধীরে ধীরে নিজের হাতটা স্মৃতির মাথায় রাখে। শান্তনা স্বরূপ বলে,
-এখন এসেছি তো। কিছু হবে না। আ্ আম সরি। অফিসে একটু বেশি কাজ ছিল।
তবুও ছাড়েনা স্মৃতি। আহানও ছাড়ানোর চেষ্টা করে না।শক্ত করে জড়িয়ে রাখে নিজের সাথে। কিন্তু এর কারণটা সে নিজেও জানে না। কেন জড়িয়ে ধরলো সে। হার্টবিটাও বেড়ে গেছে অনেকটা। কেটে যায় কিছুক্ষণ এভাবেই।
আহানের বুকেই ঘুমিয়ে পরে স্মৃতি। বাধা দেয়না আহান। কেন যেন বাধা দিতে ইচ্ছে হয়না তার। ধীরে ধীরে কোলে তুলে বিছানায় শুয়িয়ে দেয় সে। রুমটা এখনো অন্ধকার। তাই দেখে দুটো মোমবাতি জ্বালিয়ে ফ্রেশ হতে চলে যায় সে৷
ফ্রেশ হয়ে রুমে ঢুকতেই স্মৃতির ঘুমন্ত চেহারাটাই চোখে পরে প্রথমে। মায়াবী লাগছে খুব।কাছে এসে একবার মাথা হাত বুলিয়ে দেয়। মন চায় কপালে চুমু দিতে। বারণ করে না মনকে। ধীরে ধীরে এগিয়ে যায় কপালের দিকে। আবারো থেমে যায়। সে বুঝতে পারে আসলে সে কি করছে। এমনটা করা তো ঠিক না। আবারো উঠে চলে যায়। আয়নায় সামনে দাঁড়িয়ে নিজের চোখেচোখ রাখে। কিন্তু তা আর বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়না৷ কিছু সেকেন্ডের মাঝেই আবারো চোখ সরিয়ে নেয়। কিছুক্ষণ আগের মুহূর্তটা মাথা নাড়া দিয়ে ওঠে। মাএ সে কি করতে যাচ্ছিলো। কেন করতে যাচ্ছিলো?
#চলবে….

