নন্দিত_চন্দ্রকলঙ্ক লেখনীতে: মিথিলা মাশরেকা ৩০.

0
2

#নন্দিত_চন্দ্রকলঙ্ক
লেখনীতে: মিথিলা মাশরেকা

৩০.

পুলিশস্টেশনে নিজের কেবিনে বসে সাইফ মনোযোগ দিয়ে চারমাস পুরোনো নিউজপেপার দেখছে। নির্মানাধীন ভবনের পাশে পাওয়া, বস্তাবন্দি, বিগলিতপ্রায় লাশটা নিয়ে সে সময় কম লেখালেখি হয়নি। ওর কেইসের স্বার্থে যাচাই করা এটা তিননম্বর কেইস। কেবল সময়ের সাথে থেমে গেছে। ভবন পুরো হয়েছে, এলাকা জনবহুল হয়েছে। শুধু সেই খুনী অপ্রকাশিত। যার সাথে জড়িয়ে আছে আরো চারটে খুন! এতোদিন পর আর কি কোনো প্রমাণ পাওয়া সম্ভব সেখানে? শূন্য সম্ভবনা জেনেও সেখানে গিয়েছিলো সাইফ। অনেকটা খোজাখুজিও চালিয়েছে। কিন্তু বাকিসবের করা তদন্তের মতো ওরও নতুন করে কিছুই মেলেনি। হতাশ হয়ে বেরিয়ে আসলো সাইফ। কিন্তু ড্রাইভিং করতে করতে হঠাৎ মনে হলো, ফেরার পথে যে টিনের বেড়ায় ওর ধাক্কা লেগেছিলো, সেখানে রক্তের দাগ ছিলো। তৎক্ষনাৎ গাড়ি থামিয়ে নিজের হাতের দিকে তাকায় ও। ওর হাত অক্ষত।

দ্বিতীয়বার না ভেবে তৎক্ষণাৎ গাড়ি ঘোরায় সাইফ। ঠিকঠাকমতো খুজে দেখে, ভুল দেখেনি ও। সত্যিই বেড়ার গায়ে শুকনো রক্তের দাগ। সাইফ দম ছাড়লো। ওর মন বলছে, সে রক্তের দাগ ভিক্টিমের না। ওটা খুনির রক্ত। ঠিক যেভাবে ওর ধাক্কাটা লেগেছে, সেভাবেই খুনিরও আঘাত লেগেছিলো। আড়াআড়ি থাকা রাস্তা দিয়ে যাওয়া সাধারণ জনগণের এতো তাড়া থাকবে না যে এভাবে আঁচড় লাগবে। হলেও হবে! এই কেইস নিয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহে থাকতে চায়না ও। তাই বেশি না ভেবে টিনের সে অংশ খুলে সোজা ফরেনসিক ল্যাবে পাঠায় সাইফ। সেখান থেকে জানানো হয়, রক্ত অনেকটা শুকিয়ে যাওয়ায় ব্লাডম্যাচিং করাটা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। ডিএনএ টেস্ট করালে তা ফলপ্রসূ হতে পারে। সাইফ সম্মতি দেয়। খবরকাগজটার দিকে তাকিয়ে কেবল একটা কথাই ঘুরপাক খাচ্ছে ওর মাথায়। এই ডিএনএ ম্যাচিং এর জন্য আরেকটা ডিএনএ স্যাম্পল লাগবে ওর। কিন্তু কোথায় পাবে ও সেই স্যাম্পল? এমন কোনোকিছুই কি অন্য খুনগুলোতে ধরতে পারেনি পুলিশ? এতোটা সতর্কতায় খুনি পাশ কাটিয়েছে? নাকি ওর কাছ থেকেই আড়াল করা হচ্ছে? হঠাৎ টেলিফোন বাজায় ধ্যান ভাঙে সাইফের। কল রিসিভ করলো ও। ওপাশ থেকে জবাব এলো,

– ফাইনালী ব্লাডের ডিএনএ নেওয়া হয়ে গেছে স্যার।

– গুড। এন্ড থ্যাংকস ডক্টর।

– ইটস ওকে স্যার। ইট ওয়াজ মাই ডিউটি। এবার শুধু আপনি সাসপেক্টের ডিএনএ স্যাম্পলটা পাঠিয়ে দিন। আমি কালকের মধ্যে আপনাকে ফাইনাল রিপোর্ট পাঠিয়ে দেবো।

– ইয়েস ডক্টর।

দ্বন্দগ্রস্ত স্বরে বলে কল কাটলো সাইফ। ওর চিন্তার কারনটাই ঘটলো। কপাল চেপে ধরে বসে, পেপারওয়েট ঘুরাতে লাগলো ও। তখনই আওয়াজ এলো,

– কি ব্যাপার অফিসার? বিয়ে উপলক্ষে চিন্তিত?

সাইফ কপাল থেকে হাত সরিয়ে সামনে তাকালো। ইন্সপেক্টর বাকের এসেছেন। সাথে ইন্সপেক্টর আফজালও আছেন। সাইফ সোজা হয়ে দাড়িয়ে স্যালুট জানালো তাদের। সৌজন্যের সাথে বললো,

– প্লিজ বি সিটেট স্যার।

ইন্সপেক্টর বাকের ওর বলার জন্য অপেক্ষা করেননি। আগেই বসে গেছেন। আফজাল সাহেব বসতে বসতে বললেন,

– তুমিও বসো সাইফ। কোনো সিরিয়াস ইস্যু নিয়ে কথা বলতে আসিনি আমরা। ফার্স্ট অফ অল, কনগ্রাটস। বিয়ে করছো জেনে খুশি হলাম।

– থ্যাংকস্ স্যার।

সাইফ বসলো। ইন্সপেক্টর আফজাল বর্ধিত হাসলেন। তাকে নিয়ে কোনোরুপ প্রতিক্রিয়া নেই সাইফের। মনোযোগী দৃষ্টিতে ইন্সপেক্টর বাকেরের উদ্দেশ্য পড়ার চেষ্টা করলো ও। উনি টেবিলে থাকা খবরকাগজটা হাতে নিয়ে বললেন,

– কবে বিয়ে করছেন অফিসার?

– আগামী শুক্রবার স্যার। কার্ড পৌছে যাবে আপনাদের কাছে।

সাইফের হাসোজ্জল জবাব। ইন্সপেক্টর বাকের ওর দিকে তাকালেন। যেনো এতেটা সুন্দর স্বাভাবিক জবাব পছন্দ হয়নি তার। শীতল কন্ঠে বলে উঠলেন,

– বিয়ের কার্ড কতোটুকো ছাপিয়েছেন, সেটার কৈফিয়ত আমাদের চাইনা অফিসার। বড়জোর এটা বলতে পারেন, আপনি কেইস কতোটুকু এগিয়েছেন।

দৃষ্টিনত করে, ঠোট টিপে হাসি আটকালো সাইফ। পরমুহূর্তেই চোখ তুলে, গলা ঝেড়ে বললো,

– আমি তো জাস্ট আফজাল স্যারের কথা অনুযায়ী কথাটা বলেছিলাম স্যার। নয়তো সাইফ এহমাদ জানে, তার প্রোফেশনাল লাইফ কোথায়, আর পারসোনাল লাইফ কোথায়। এন্ড ডোন্ট ফিল ব্যাড প্লিজ। অন্যসময় হলে আমি হয়তো আপনাকেও কৈফিয়ত দিতাম। কিন্তু যে পুলিশস্টেশনে পুলিশি প্রমাণাদি হস্তান্তর হয়ে যায়, সেখানে বসে কিছু বলাটা আমার সমাচীন বলে মনে হচ্ছে না।

সাইফ নিজেও শক্ত গলায় বললো। ইন্সপেক্টর বাকের খবরকাগজটা টেবিলে রাখলেন। আফজাল সাহেব বিস্ময়ে বললেন,

– হোয়াট ডু ইউ মিন বাই প্রমাণ হস্তান্তর সাইফ? তোমার পেনড্রাইভ ডিপার্টমেন্ট থেকে হারিয়েছে?

সাইফ ইন্সপেক্টর বাকেরের দিকে তাকিয়ে মৃদ্যু হাসলো। বললো,

– লেট ইট গো স্যার। তবে এটা আমি বেশ ভালোমতো বুঝে গেছি, ডিপার্টমেন্টে ব্যাকস্টেপ করার লোকের অভাব নেই। আর এ কারনেই ডিপার্টমেন্টের কাছে আমি কেইস রিলেটেড কোনো কৈফিয়ত দিতে চাইছি না। তাছাড়া বুঝতেই পারছেন, এখন আমার বিবাহোত্তোর সময়। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যথেষ্ট ব্যস্ত হয়ে পরবো আমি এখন।

– তুমি কি বলতে চাইছো সাইফ?

– আমাকে আমার মতো করে কেইস হ্যান্ডেলের সুযোগ দেওয়া হোক। আদারওয়াইজ এটা আমার লাইফের প্রথম আনসলভড-কেইস হবে।

মোটামুটি জোর গলায় কথাটা বললো সাইফ। ইন্সপেক্টর আফজাল, বাকের দুজনেই বিস্ময়ে তাকিয়ে রইলেন ওর দিকে। তখনই ফোন বেজে ওঠে সাইফের। সেখানে থাকা ‘শারাফ’ নামটা তিনজনেরই নজরে পরলো। সাইফ ‘এক্সকিউজ মি’ বলে, কাউকে কোনোরুপ পরোয়া না করে, ফোন নিয়ে উঠে গেলো। ইন্সপেক্টর বাকের ইন্সপেক্টর আফজালকে বললেন,

– এরপরও ওনাকে আপনারা এই কেইসের ইনচার্জ রাখতে চান?

– লেট হিম বি ইন্সপেক্টর। এই কেইসের জন্য, এখনো অবদি ডিপার্টমেন্টে সাইফের কোনো বিকল্প নেই। তবে মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষন এই কেইসের মুল। সেদিক থেকে আরেকটা নাম না যুক্ত করলেই নয়। ইয়াকীন শারাফ, দ্যা মাইন্ডগেইমার। আমি নিজে সাক্ষ্যী ইয়াকীন শারাফের পাওয়ার অফ অবজার্ভেশনের। দুজনে মিলে দ্রুতই দেখবেন আমাদের এক্যুরেট রেজাল্ট দেবে। খুনি খুব বেশিদিন গা ঢাকা দিয়ে থাকতে পারবে না।

নিরব রইলেন ইন্সপেক্টর বাকের। নিজের মতো করে ভাবতে লাগলেন কিভাবে কি করবেন উনি।

চারুকলায় আজ নবীনবরন। স্নিগ্ধতা ভার্সিটির বাসে করে সকাল সকাল ক্যাম্পাসে চলে এসেছে। সাইফ ঘুমোচ্ছিলো বলে ডাকেনি ওকে। আগেররাতে দেরিতে বাসায় ফিরেছে ও। কুচি ধরে নিচদিক তাকিয়ে গেইট দিয়ে ভেতরে ঢুকছিলো স্নিগ্ধতা। সাজসাজ রবে সবার মাঝেও ওকে দেখে কিছুক্ষণের জন্য থমকে গেলো যেনো আশেপাশ। শুভ্রাঙ্গে হালকা বেগুনী পাড়ের সাদা শাড়ি, ছাড়া চুলে ‘ইউ’ আকারে সাদাফুলের গাজড়া ঝোলানো, বা হাতভর্তি হালকা বেগুনী রঙের চুড়ি, কানে ঝুমকো। টানাটানা চোখগুলো যেনো আইলাইনারের ছোয়া পেয়েছে আজ। রক্তজবার মতো টকটকে ঠোটজোড়া বলছে, স্নিগ্ধতা আজ তাদের লিপস্টিকে সাজিয়েছে। কুচিটা ঠিক করে চোখ তুলে সামনে তাকিয়ে হাটা লাগালো স্নিগ্ধতা। আবির ক্যাফেটেরিয়ায় বসে ছিলো। বাসা ভার্সিটির কাছে হওয়ায় দিনের অনেকটা সময় এদিকেই কাটে ওর। চা দিতে আসা ছেলেটাকে বাইরে তাকিয়ে ওমন হা হয়ে দাড়িয়ে থাকতে দেখে ঘাড় ঘুরালো ওউ। স্নিগ্ধতাকে দেখে একটা হাসি দিয়ে বললো,

– মাশাআল্লাহ। নজর না লাগুক।

হাসিমুখে পাশ ফিরছিলো আবির। কিন্তু লক্ষ করলো সেখানের বেশিরভাগের দৃষ্টিই স্নিগ্ধতার দিকে। কাউকে কিছু বলতে না পেরে একটা ছোট শ্বাস ফেললো ও। চা নিয়ে আসা ছেলেটাকে বললো,

– তোর ভাবি লাগে মন্তু। শারাফ ভাইয়ের হবু বউ।

ধ্যান ছেড়ে ছেলেটা চকচকে চোখে তাকালো আবিরের দিকে। চা এগিয়ে দিয়ে উৎসাহী কন্ঠে বললো,

– কি কও আবির ভাই? সত্যই?

– হুম…

চায়ে চুমুক দিয়ে আরোকিছু বলতে যাচ্ছিলো আবির। কিন্তু তখনই টেবিলে তুমুল জোরে চড় দেওয়ার আওয়াজ কানে আসলো ওর। চমকে উঠে পাশ ফিরে দেখে একটা সুন্দরমতো মেয়ে তার সামনে বসা ছেলেটাকে অত্যন্ত কড়া কথা শোনাচ্ছে। অগ্নিশর্ম রাগ নিয়ে এক পর্যায়ে মেয়েটা সাইডব্যাগ নিয়ে উঠে দাড়ালো। আঙুল তুলে ছেলেটাকে বললো,

– অনেক দেখেছি! আর না! আজকে তিন ব্রেকাপ! ফার্দার আমার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করবি তো তোর নামে আমি থানায় মামলা দেবো।

– মানে? কি হলোটা কি তোমার? এভাবে তুই তোকারি করছো কেনো?

– হুদাই! এমনি! আমার খুশি! এখন তুইও তোর যাকে খুশি তার দিকে তাকিয়ে থাক গিয়ে! ওই সাদাশাড়িকেই দেখ! মনভরে চোখভরে প্রাণভরে দেখ! আমি যাচ্ছি!

আবির টের পেলো মেয়েটা সাদা শাড়ি বলতে স্নিগ্ধতাকেই বুঝিয়েছে। কথা শেষ করে হনহনিয়ে বেরিয়ে গেলো মেয়েটা। ছেলেটাও ছুটলো ওর পিছনপিছন। একটা বড়সর দম নিয়ে ক্যাফেটেরিয়া থেকে বেরোলো ও। অডিটোরিয়ামের দিকে এগোতে এগোতে শারাফকে কল লাগালো। কল রিসিভ হলে ওপাশ থেকে আওয়াজ এলো,

– হ্যালো?

– রাখ তোর হেলাহেলি! আগে বল কোথায় তুই? ভার্সিটি আসবি না?

– না। আজ বেরোবো না।

– বেরোবি না মানে কি?

– আসবো না ক্যাম্পাসে।

– কি বলছিস কি তুই শারাফ? আজ চারুকলায় নবীনবরন। আর তুই বলছিস আসবি না?

– তোর প্রলয়া ক্যাম্পাসে প্রলয় হানছে ভাই! কসমসে একটা দৃষ্টিও আজ বাদ যাবে না সে প্রলয়ে তেহেচ-নেহেচ হওয়া থেকে।

– কল রাখ!

এটুক বলে শারাফ নিজেই কল কেটে দিলো। মোবাইল কান থেকে নামিয়ে ওটার দিকে অবিশ্বাসী চোখে তাকিয়ে রইলো আবির। ওর মাথায় ঘুরতে লাগলো, হয় শারাফ পাগল হয়ে গেছে, নয় ও পাগল হয়ে গেছে। কিন্তু ওরা দুজনেই তো পাগলের মনমস্তিষ্ক পড়ার জ্ঞান লব্ধ করেছে। তাহলে নিজেরা পাগল হলে সেটা টের পেলো না কেনো? এইসব ভাবতে ভাবতে ক্যাফেটেরিয়ায় গিয়ে আরো দুকাপ চা শেষ করলো আবির। শারাফ কি আজ সত্যিই আসবে না?

– শারাফ স্যার আসেনি।

কথাটা শুনে চমকে উঠে থেমে গেলো স্নিগ্ধতা। অডিটোরিয়ামে প্রোগ্রাম শুরু হয়ে গেছে। সেখানে ব্যস্ত সবাই। কিন্তু কিছুতেই ভালো লাগছিলো না ওর। আজ তৈরী হতে গিয়ে, ওর শারাফের কথা মনে পরছে বারবার। ক্যাম্পাসে এসেছিলোও অনেক উদ্দীপনা নিয়ে৷ কিন্তু শারাফের অনুপস্থিতে সব খারাপ লাগায় পরিনত হয়েছে। নিজেকে আটকাতে পারেনি ও। গুটিগুটি পায়ে, উকিঝুকি দিতে দিতে মনোবিজ্ঞান বিভাগের দিকে রওনা হয়ে গেলো শারাফ এসেছে কিনা দেখতে। তখনই এমন কথাটা। স্নিগ্ধতা পেছনে ফিরে দেখে, মুহিব হাতভর্তি রজনীগন্ধার স্টিক নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। স্নিগ্ধতা গলা স্বাভাবিক করে বললো,

– মানে?

– মানেটা তো তুই বলবি স্নিগ্ধতা। ভালোবাসিস ইয়াকীন শারাফকে?

– উনি আমাকে ভালোবাসলেও আমার কিছু যায় আসে না, না বাসলেও আমার কিছু আসবে যাবে না মুহিব।

বাজপরা শব্দের ন্যায় কথাটা কানে বিধলো স্নিগ্ধতার। পাশে তাকিয়ে দেখে, শারাফ একহাত পকেটে গুজে, আরেকহাতক একটা বই নিয়ে দাড়িয়ে। ওর পরনে ল্যাভেন্ডার রঙের টিশার্ট, তার ওপর সাদা শার্ট, জিনস্, হাতের মুঠোয় সানগ্লাস। দু দন্ড তাকিয়ে রইলো ও শারাফের দিকে। এরমাঝে অনু চলে আসলো। কোনোদিক খেয়াল না করে স্নিগ্ধতাকে বললো,

– তুই এখানে? আমি পুরো ক্যাম্পাস খুজছি তোকে! তোর নাম এনাউন্স হয়েছে স্নিগ্ধতা। পারফর্ম…

অনু আশপাশ দেখে থেমে গেলো। নিজেকে সামলে তখনতখন হাটা লাগালো স্নিগ্ধতা। মনকে বোঝালো, যেখানে সব প্রশ্নোত্তর একাকার হয়ে যায়, ঠিক সেখানটা থেকে বেরোতে হবে ওকে! সে জায়গাটা শারাফ নিজে তৈরি করে দিয়েছে আজ। সে স্বচ্ছন্দের নাম, ‘কিছু আসবে যাবে না!’

#চলবে…

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here