#চোরাবালির_পিছুটানে (৩৬)
#জেরিন_আক্তার
রাদিফের অনীহা থাকা সত্ত্বেও ল্যাপটপ চাপিয়ে রায়ানকে বসতে বলে। রায়ান রাদিফের থেকে একটু দুরুত্ব রেখে বসলো। সাইমনও বসলো। রাদিফ রায়ানের দিকে তাকিয়ে বলে,
“কিরে কি খাবি কফি না চা!”
রায়ান সাথে সাথে বলে,
“কফি হলে মন্দ হয়না!”
রাদিফ মেইডকে বলে তিনটা কফি দিতে। এরপরে তিনজনে টুকটাক কথা বলতে থাকলো। রাদিফ কথা বলার তালে তালে ফোন বের করে সাইমনকে মেসেজ দিলো—-ভাই, তু্ই গিয়ে মিষ্টির রুমের দরজা বাহিরে থেকে লক করে দিয়ে আয়। ও বের হলে কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে।
সাইমনের ফোনে সাথে সাথে মেসেজটা যায়। সাইমন হেয়ালি করে ফোনের দিকে তাকালো না। রাদিফ সাইমনকে ইশারাও করতে পারছে না। আবার বলতেও পারছে না যে আমি মেসেজ দিয়েছি। রাদিফ উপায় না পেয়ে সাইমনকে মেসেজ দিতেই থাকলো….
—-এই সাইমন!
—-কিরে ভাই!
—-একটু ফোনের দিকে তাকা!
—-ওই!
—-ভাই!
—-কিরে!
—-শালা তোকে শুধু আলাদা পাই তোর খবর আছে!
—-মেসেজ সিন্ কর!
রাদিফের দেওয়া মেসেজগুলো সাইমনের ফোনে গিয়ে টুং-টাং শব্দ হচ্ছে। সাইমন বিরক্তি প্রকাশ করে বলে উঠে,
“এখন আবার কে মেসেজ দিয়েছে?”
এই বলে ফোনের দিকে তাকিয়ে দেখে রাদিফের থেকে মেসেজগুলো এসেছে। সাইমন সাথে সাথে মেসেজ গুলো দেখলো। এরপরে উঠে দাড়িয়ে বলে,
“রাদিফ, রায়ান তোরা কথা বল! আমি একটু উপরে থেকে আসছি!”
রায়ান বলে,
“যা! কিছু কথা আছে। তাড়াতাড়ি আসিস, আমি আবার চলে যাবো!”
“ঠিক আছে। দুই মিনিট থাক, আসছি!”
সাইমন তাড়াহুড়ো করে উপরে উঠতেই দেখে মিষ্টি সিঁড়ির কাছে এসে গিয়েছে। সাইমন তাড়াতাড়ি উপরে উঠে গিয়ে মিষ্টিকে বলে,
“ভাবি, তুমি কই যাচ্ছো?”
“নিচে, রাদিফকে ডাকতে। সেই যে রুম থেকে বেরিয়েছে এখনও যাওয়ার নাম নেই।”
“ওহ। তোমার যাওয়ার দরকার নেই। রাদিফ এখনই চলে আসবে। তুমি রুমে চলে যাও।”
মিষ্টি শোনে না সাইমনের কথা। হাঁটা দিয়ে বলে,
“আমি ওকে নিয়েই রুমে যাবো।”
সাইমন মিষ্টির সামনে এসে দাড়িয়ে বলে উঠে,
“না না, ভাবি তুমি শুধু শুধু এতো কষ্ট করে সিঁড়ি বেয়ে নামতে যাবে কেনো? তুমি বরং উপরে চলে যাও আমি রাদিফকে পাঠাচ্ছি।”
“কিন্তু ও যদি না আসে তখন!”
“আরে ভাবি, চিন্তা করো না। আমি এক্ষুনি ওকে পাঠাচ্ছি।”
“ঠিক আছে। তাড়াতাড়ি পাঠিয়ে দিবেন। নাহলে আমি আবারও আসবো।”
“হুম। তার আগেই রাদিফ চলে যাবে।”
মিষ্টি চলে যায়। সাইমন হাফ ছেড়ে সিঁড়ি দিয়ে নামতে থাকে। আর এদিকে মিষ্টি যায় না। কি মনে করে যেনো আবারও ফিরে আসে। সাইমন সেটা দেখতে পায় না। সে নিজের মতো সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে আসে। তার পেছন পেছন মিষ্টি চলে আসে। রাদিফ আর রায়ানের নজর তখন দুজনের দিকে যায়। রাদিফ কটমট করতে করতে সাইমনের দিকে তাকায়। সাইমন বুঝতে না পেরে এগিয়ে যায়। মিষ্টি ঠাই দাড়িয়ে আছে সিঁড়িতে।
সাইমন হঠাৎ সিঁড়ির দিকে তাকায়। মিষ্টিকে দেখে ভূত দেখার মতো চমকে উঠে। মনে মনে বলে,, মিষ্টি তো রুমে চলে গেলো। আবার কখন এলো।
মিষ্টি দুইহাত বুকে গুজে দাড়িয়ে আছে। রাদিফ উঠে মিষ্টির কাছে আসতে আসতে রায়ানকে বলে,
“রায়ান, পরিচিত হ! ও মিষ্টি, ইজ মাই ওয়াইফ।”
রাদিফ মিষ্টির কাছে দাঁড়ায়। রায়ান উঠে দাড়িয়ে বলে,
“ভাবি আস্সালামুআলাইকুম!”
“ওয়ালাইকুম আসসালাম!”
রায়ান রাদিফের দিকে তাকিয়ে বলে,
“কিরে বিয়ে করলি জানালি না কেনো?”
রাদিফ বলে,
“ওই এবার দেশে গিয়েছিলাম আর বিয়েটা হুট্ করে হয়ে গিয়েছে। কাউকেই জানানো হয়নি।”
“ওহ। তাহলে তোদের দাওয়াত রইলো আমার বাসায়। নতুন ভাবিকে নিয়ে ঘুরে আসিস।”
“হুম। যাবো। আর বলার জন্য থ্যাংকস!”
রায়ান টুকটাক কথা বলে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে বলে,
“ভাই, আজ তাহলে আসি!”
রাদিফ বলে,
“এখনই চলে যাবি! তু্ই না কি যেনো বলবি বলছিলি?”
“আজ সময় নেই। ফোন দিয়ে বলবো।”
রায়ান চলে যায়। মিষ্টি রাদিফের দিকে গম্ভীর দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলে,
“উপরে এসো!”
এই বলে রাগে হন হন করে চলে গেলো। রাদিফ তপ্ত শ্বাস ফেলে ঘাড় ঘুরিয়ে সাইমনের দিকে তাকায়। সাইমন মাথা নাড়িয়ে বলে,
“ও যে আমার পেছন পেছন এসেছে আমি সত্যি জানি না।”
“তু্ই টের পাসনি যে ও তোর পেছন পেছন এসেছে?”
“না, ভাই বিশ্বাস কর! সত্যি, আমি টের পাইনি। টের পেলে কি ওকে এখানে আসতে দিতাম বল!”
“হুম বুঝেছি। আর বলতে হবে না।”
“ভাই বিশ্বাস কর, সত্যিই আমি বুঝতে পারিনি!”
রাদিফ সাইমনের কথা না শুনে সোজা চলে যায় উপরে। নিজের রুমে এসে দেখে মিষ্টি লাইট অফ করে শুয়ে পড়েছে। রাদিফ রুমে ঢুকে ল্যাপটপ আর ফাইলগুলো জায়গা মতো রেখে দিয়ে দরজা লাগিয়ে দেয়। এরপরে বিছানায় চলে আসে। ডিম লাইটে মিষ্টিকে দেখে মিষ্টির কাছ ঘেঁষে শুলো।
মিষ্টি রাগ করে একটু সরে গেলো। রাদিফ আলগোছে মিষ্টির পেটে হাত রেখে নিজের কাছে এনে বলে,
“রেগে আছিস?”
“না!”
“তাহলে অমন দূরে গেলি কেনো?”
“আসতে হবে না আমার কাছে। তুমি আরও গল্প করো যাও!”
“আরে অমন করিস কেনো? একজন লোক এলে কি গল্প করবো না।”
মিষ্টি বিড় বিড় করে বলে,,, নিজের বেলায় লোক আর আমার বেলায় তেড়া তেড়া কথা। আমি যদি ভাইয়া বা রাহার সাথে কথা বলি তখন মনে হয়না আমিও কথা বলছি। আর এখন নিজের বেলায় ষোলো আনা।
রাদিফ মিষ্টির বিড়বিড় করে বলা কথাগুলো স্পষ্ট শুনতে পেয়ে বলে,
“হুম, ষোলো আনাই। কাছে আয়!”
“আসবো না। দূরে সরো!”
রাদিফ মিষ্টিকে ছেড়ে অন্যপাশ ফিরে শুলো। মিষ্টি রাদিফের থেকে উত্তর না পেয়ে চুপ করে রইলো। রাদিফ যে অন্যদিকে শুলো এটাও মিষ্টির কাছে খারাপ লাগলো। মিষ্টি ভেবেছে রাদিফ হয়তো একটু পরেই আবার তাকে জড়িয়ে ধরবে। এই ভেবেই পাঁচ মিনিটের মতো অপেক্ষা করলো। কিন্তু রাদিফ তাকে জড়িয়ে ধরলো না। যার জন্য মিষ্টির মনটা এক নিমিষেই খারাপ হয়ে গেলো। সাথে সাথে উঠে বসে কাঁদো কাঁদো হয়ে রাদিফকে ধরে বলে উঠে,
“এই তুমি কি রাগ করলে?”
রাদিফ গম্ভীর গলায় বলে উঠে,
“না!”
“তাহলে আমাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমাও? ওদিকে ঘুরে শুলে কেনো? আমার দিকে ঘুরো!”
রাদিফ আগের ন্যায় বলে উঠে,
“তু্ই তো বললি আমার থেকে দূরে সরো। আর ঘুম পাচ্ছে আমার। সকালে উঠতে হবে প্রেজেন্টশন আছে। ডিসটার্ব করিস না। ঘুমাতে দে!”
মিষ্টি রাদিফের কথা শুনে কাদতে থাকে। রাদিফ এই পর্যন্ত তাকে নিয়ম করে জড়িয়ে ধরেই ঘুমাতো। কিন্তু আজ অন্যদিকে ঘুরে শুলো শুধু তার রাগ করে কথা বলার জন্য। সত্যিই রাদিফের উপরে রাগ করা তার মোটেও উচিত হয়নি।
মিষ্টি কাদতে কাদতে বলে,
“আই এম সরি। আমি আসলে ওইভাবে বলতে চাইনি।”
রাদিফ মিষ্টির কান্না শুনে অবাক হয়ে উঠে বসে। মনে মনে বলে,, এইটুকুর জন্য কাঁদছে এই মেয়ে।
রাদিফ মিষ্টির দুইগালে হাত রেখে বলে,
“তোকে বকেছি আমি?”
মিষ্টি নাক টেনে বলে,
“না।”
“তাহলে কাঁদছিস কেনো?”
“আমি তোমাকে দূরে সরতে বলিনি। ওইটা রাগ করে বলেছি। মন থেকে বলিনি। আর তার জন্য তুমি আমার উপরে রাগ করলে তাই আমি কাঁদছি।”
“আমি তোর উপরে রাগ করেছি?”
“হুম!”
“কেমন করে বুঝলি?”
“ওইযে বললে যে ডিসটার্ব করিস না। আমি বুঝতে পেরেছি তুমি রাগ করেই বলেছো।”
রাদিফ মিনিট দুই চুপ থেকে হেসে উঠে। মিষ্টি রাদিফের হাসিতে ভাবাচ্যাকা খেয়ে যায়। সে কাদছে আর রাদিফ হাসছে। এখানে হাসার কি হলো! মিষ্টি সাথে সাথে রাদিফকে বলে উঠে,
“হাসছো কেনো? হাসির কি বলেছি?”
রাদিফ মিষ্টির মাথায় হালকা গাট্টা মেরে বলে,
“বোকা, তু্ই ভাবলি কি করে তোর উপরে রাগ করতে পারি। তু্ই বললি দূরে সরতে, আমিও তোর কথাটা নিয়ে একটু মজা করছিলাম।”
মিষ্টি এই কথা শুনে রাদিফের বুকে কিল মেরে বলে,
“তোমার কাছে মজা মনে হয় তাইনা। আমি ভাবলাম তুমি হয়তো সত্যিই রাগ করেছো।”
রাদিফ হেসে উঠে।
___________________
এদিকে রাজ আর রাহা নিচে এসেছে রাতের খাবার খেতে। সবাই আগেই খেয়ে নিয়েছে। শুধু সায়মা চৌধুরী বাদ ছিলেন রাজ আর রাহার জন্য। তিনি রাজ আর রাহাকে খাবার টেবিলে বসিয়ে, দুজনকে খাবার বেড়ে দিয়ে নিজেও খেতে বসে পড়েন। আনোয়ারা বেগম ড্রইং রুমে বসে টিভি দেখছিলেন আর কেউই নিচে নেই সবাই উপরে যে যার ঘরে।
রাজ খেতে খেতে রাহার দিকে তাকাচ্ছিলো। রাহা নিজের মতো খাচ্ছে। সায়মা চৌধুরী দুজনের দিকে তাকিয়ে দেখছেন আর খাবার খাচ্ছেন। রাহার খাওয়া আগেই শেষ হয়। যার কারণে সে উঠে বেসিনে চলে যায় হাত ধুতে। হাত ধুয়ে টিস্যু দিয়ে হাত মুছতে মুছতে আনোয়ারা বেগমের পাশে গিয়ে বসে। এখনই সিঁড়ি বেয়ে উঠতে পারবে না। আনোয়ারা বেগম রাহার দিকে তাকিয়ে হেসে হেসে বলেন,
“দাদুভাই, আরেকটু অপেক্ষা করো! এরপরে আমার রাজ দাদুভাইই তোমারে নিয়া যাইবো!”
সায়মা চৌধুরী তার কথা শুনে সাথে সাথে বলে উঠেন,
“রাহাকে কোথায় নিয়ে যাবে মা?”
রাজ তৎক্ষণাৎ তার মায়ের দিকে তাকায়। তার দাদিজান কি বলতে চাইছে রাজ তা বুঝে ফেলে। এরপরে রাজ তার মায়ের দিকে তাকিয়ে হেয়ালি কণ্ঠে বলে উঠে,
“মা, তুমিও না! দাদিজান বলতে চাইছে রাহা আর আমি যেনো একসাথে যাই। তাই রাহাকে আমার জন্য অপেক্ষা করতে বললো।”
সায়মা চৌধুরী কথাটা শুনে খাওয়ায় মনোযোগ দিলেন। রাহা আনোয়ারা বেগমের দিকে এগিয়ে ফিসফিস করে বলে উঠে,
“দাদিজান তুমি বড় আম্মুর সামনে বলছো কেনো? কি মনে করবে বলোতো!”
এদিকে সায়মা চৌধুরী রাজের দিকে তাকিয়ে কড়া গলায় বলে উঠেন,
“রাজ, রাহাকে কিন্তু এখন সন্ধ্যায় বা রাতে ছাদে, বাগানে কোথাও নিয়ে যাস না। যদি দেখি সন্ধ্যার পরে ওকে নিয়ে কোথাও গিয়েছিস। তোর খবর আছে।”
রাজ মনে মনে বলে,,, দাদিজান যা বলেছে তুমি যদি বুঝতে পারতে তাহলে এগুলো বলতে না।
____________________
পরদিন,,
রাদিফ আর সাইমন বিকেলের দিকে বাড়ি ফিরে আসে। রাদিফ রুমে এসে দেখে মিষ্টি ঘুমাচ্ছে। এই সুযোগে সাইমনকে নিয়ে ছাদে চলে যায়। কালকে যে ডেকোরেশনের জন্য জিনিসগুলো এনেছিলো সেগুলো নিয়ে সাজাতে থাকে। দুজনের সাথে মেইডও এসে কাজ করতে থাকে।
সন্ধ্যার আগ দিয়ে রাদিফের সব কাজ কমপ্লিট হয়। এদিকে মিষ্টি ঘুম থেকে উঠে যায়। এরপরে নামাজ পড়ে রুমেই বসে থাকে। মনে করে রাদিফ এখনও হয়তো আসেনি। তাই আর রুম থেকেও বের হয়না।
রাদিফ মেইডকে মিষ্টির কাছে যেতে বলে। এরপরে নিজেরাও চলে আসার সিদ্ধান্ত নেয়। এমন সময় রাদিফের মাথায় আসে সে মিষ্টির জন্য যে গিফট রেডি করতে দিয়ে এসেছিলো সেটা রেডি হয়েছে কিন্তু সে অফিসে থেকে নিয়ে আসার সময় যে নিয়ে আসবে সেটা মনের ভুলে নিয়েই আসেনি। এর সাথে সাথে সাইমনকে বলে,
“গাড়ির চাবি দে তো?”
“এখন কি করবি গাড়ির চাবি দিয়ে?”
“আরে অফিসে থেকে আসার সময় মিষ্টির জন্য গিফটই তো নিয়ে আসিনি।”
“ওহ। তু্ই থাক আমি যাচ্ছি!”
“না, তু্ই চাবি দে আমি যাবো আর আসবো।”
সাইমন বলে,
“আমি যাচ্ছি, তু্ই থাক, তোর এখন যেতে হবে না। তু্ই তাড়াহুড়ো করে ড্রাইভ করে আবার অন্য কিছু করে ফেলবি।”
রাদিফ অসম্মতি নিয়ে বলে,
“ধুর কিছু হবে না। আমার মোবাইল টা নিয়ে যা। আর চাবি দে!”
সাইমন চাবি দেয়। রাদিফ তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে যায়। সাইমনও ছাদে থেকে চলে আসে। এরপরে ফ্রেশ হয়ে ড্রইং রুমে মিষ্টির সাথে কথা বলতে থাকে।
আধঘন্টার মতো চলে যায় কিন্তু রাদিফ আসে না। মিষ্টি আর সাইমনও চিন্তা করছে। সাইমন মনে মনে ভাবছে,, গিফট আনতে তো এতো সময় লাগার কথা না। বিশ মিনিট সময় লাগবে। আসছে না কেনো এখনও। সাইমন মিষ্টিকে কিছু না বলে চেপে গেলো। আরও একটা ঘন্টা চলে গেলো কিন্তু রাদিফের আসার নাম নেই। ফোনটাও তো সাইমনের কাছে রেখে গিয়েছে। ফোন দিবে কি করে এখন?
জাপানে রাত তখন বারোটা ছুঁই ছুঁই। রাদিফ এখনও বাড়ি ফিরে আসেনি। সাইমন সব বলে দিয়েছে মিষ্টিকে। মিষ্টি সব শোনার পর থেকে কেঁদেই চলেছে। মিষ্টি আর সাইমন দুজনেই আন্দাজ করতে পেরেছে রাদিফ কোনো বিপদে পড়েছে। নাহলে ওর এতো দেরি হতো না।
চলবে….
পরবর্তী পর্ব কালকে সন্ধ্যার পরে আসবে।
ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। কেউ বাজে মন্তব্য করবেন না। আর এই পার্টটা ভালো লাগলে রেসপন্স করবেন!!!!!!
[হেশট্যাগ ব্যবহার ছাড়া কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ]

