আন্তঃনগরের_ভালবাসা লেখকঃ আবির খান পর্বঃ ০১

0
248

— জানি না আমাদের আর কত অপমানিত হতে হবে এই ছেলের জন্য। লজ্জা হচ্ছে আমার। কিভাবে এরকম একটা ছেলে আমার কপালে হলো! কি ভুল করে ছিলাম আমি বল তো?

অনেকটা চেঁচিয়েই কথাটা বাবা বলল। আমি আমার রুম থেকে হল রুমে আসতে নিলে বাবার কথা শুনে আড়ালে দাঁড়িয়ে যাই। বাবার কথায় সায় দিয়ে বড়ো ভাইয়া মানে সায়েদ ভাইয়া বলে উঠে,

— ঠিকই বলেছো বাবা, ওর জন্য আমাদের মতো এত নামীদামী পরিবার, যাদের সমাজে এত নাম দাম সব শেষ হয়ে যাচ্ছে। বাবা এটাই লাস্ট। আজকে হলে হবে, নাহলে আর না। আর এভাবে ওর জন্য আমরা অপমানিত হতে পারবো না অন্যদের কাছে।

অনন্যা ভাবী সায়েদ ভাইয়াকে থামাতে নিলে ভাইয়ার কথায় সায় দিয়ে আমার ছোট বোন নিলা অনেকটা রাগী কণ্ঠে বলে উঠে,

~ ঠিক বলেছো ভাইয়া। তার জন্য আমি আমার ফ্রেন্ডসদের বাসায় আনতে পারি না৷ ওরা আমার সাথে অনেক মজা করে ভাইয়ার ব্যাপারটা নিয়ে। আর ভালো লাগে না এসব…

নিজের পরিবারের মানুষের মুখে এসব শুনে ভিতরটা পূড়ে ছারখার হয়ে যাচ্ছিলো। কিন্তু তাদের দোষ দিয়ে লাভ নেই। তারা যা বলছে বা ফেইস করছে তা স্বাভাবিক। এমনটাই হওয়ার কথা। আমি তাদের কাছে স্রেফ বোঝা মাত্র। আর কিছুই না। চোখ ভেঙে কান্না আসছিল। একমাত্র মা’ টা সবসময় আমাকে সাহস দিত৷ অনেক বছর হলো সেও নেই। আজ থাকলে মাকে জিজ্ঞেস করতাম, মা আমার দোষটা কোথায়? চোখের অশ্রু গুলো গড়িয়ে পড়ার আগেই তা মুছে নিজেকে সামলে নিয়ে আস্তে করে আড়াল থেকে বেড়িয়ে সবার সামনে গেলাম। আর নিচু স্বরে বললাম,

— চলুন৷

ভাইয়া আমাকে দেখে রাগী কণ্ঠে বলে উঠে,

— এতক্ষণ লাগে রেডি হতে? মেয়ে মানুষেরও তো এতক্ষণ লাগে না।

পাশ থেকে ভাবী ভাইয়াকে থামিয়ে বলে উঠে,

~ আরে ওর সমস্যাটা তো বুঝো। তাই একটু দেরি হয়েছে। ওকে বোকো না প্লিজ।
— তুমি চুপ করো। বাবা চলো।

মাথাটা আরও নিচু হয়ে গেল। ভাবীর দিকে আমি লজ্জায় তাকাতেই পারিনি কখনো। তবে তাকে খুব সম্মান করি৷ তিনি সবসময় আমাকে আগলে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু… যাই হোক বাবা একবারও আমার দিকে তাকালো না। ভাবী বাদে বাকিরা সবাই বেশ বিরক্তি নিয়ে বাড়ির বাইরে চলে গেল। আমিও তাদের পিছু পিছু যাচ্ছি। সবাই একে একে আমাদের মাইক্রোতে উঠে গেল। আমি যথারীতি সবার লাস্টে গিয়ে বসলাম। ভাইয়ার আদেশে ড্রাইভার গাড়ি ছেড়ে রওনা হলো তার গন্তব্যে।

ওহ! বলাই তো হয় নি আমরা কোথায় যাচ্ছি। আসলে আমরা যাচ্ছি মেয়ে দেখতে। আমার বিয়ের জন্য। এটা সম্ভবত ৭/৮ নং মেয়ে হবে। এর আগে বাকি সবাই মুখের উপর না করে দিয়েছে। সাথে অপমান তো আছেই। এটাও যে না করবে না তা ভাবা রসিকতা। আমি কোন ভাবেই আর বিয়ে করতে চাচ্ছিলাম না৷ আর কত? আর কত ছোট হবে তারা সবাই আমার জন্য? কিন্তু বাবার কথা ফেলতে পারি নি। তবে এটাই শেষ। আর বিয়ে করার ইচ্ছা নেই আমার। আমার মতো মানুষের কোন বিয়ে, ভালবাসা সুখ নেই। আমরা শুধু বোঝা। শুধু একটা সমস্যার জন্য আমি আজ সবার কাছে বোঝা। সমস্যাটা কি? একটু পরই জানতে পারবেন।

দেখতে দেখতে এক ঘণ্টার মধ্যে আমরা আমাদের গন্তব্যে পৌঁছে যাই। একে একে সবাই গাড়ি থেকে নামে। আমি সবার লাস্টে নামি। দেখলাম একজন ভদ্রলোক সবার সাথে কুশল বিনিময় করছেন৷ সে নিশ্চয়ই মেয়ের বাবা। সাথে আবার তার ছেলেও আছে। আমাকে দেখে দ্রুত আমার কাছে আসলেন৷ আমি সালাম দিলাম। তিনি উত্তর দিয়ে হাসি মুখে হ্যান্ডশেক করার উদ্দেশ্যে হাত বাড়িয়ে দিয়ে জিজ্ঞেস করলেন,

— কেমন আছো বাবা? আসতে কোন সমস্যা হয় নি তো। (মেয়ের বাবা)
— না আঙ্কেল হয় নি৷

আমি তার প্রশ্নের উত্তর ঠিকই দিলাম কিন্তু তার সাথে হ্যান্ডশেক আর করতে পারলাম না। তিনি অবাক হয়ে তাকিয়ে আছেন৷ পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আগেই ভাইয়া দ্রুত এসে উনার সাথে হ্যান্ডশেক করে বলেন,

— আঙ্কেল আমাদের কি বাইরেই দাঁড় করিয়ে রাখবেন? ভিতরে নিবেন না?
— হ্যাঁ হ্যাঁ চলো চলো।

মেয়ের বাবা আমাকে নিয়ে হাসি মুখে ভিতরে গেলেন। নিজের কাছে খুব খারাপ লাগছিল। মনে হচ্ছিলো বেয়াদবি করেছি। কিন্তু আমি অপারগ। আমি চাইলেও উনার সাথে কখনো হ্যান্ডশেক করতে পারবো না৷ নিজেকে এতটা অসহায় মনে হচ্ছিলো বলে বুঝাতে পারবো না৷ যাই হোক বাসার ভিতরে গিয়ে বুঝলাম এই মেয়েও আগের গুলোর মতো অনেক ধনী পরিবারের। আসলে আমরা অনেক ধনী পরিবারের। বাবার অনেক বড়ো ব্যবসা। শুধু দেশে না দেশের বাইরেও। মহান আল্লাহর ইচ্ছায় আমাদের টাকা, ধন সম্পদের কোন অভাব নেই৷ দেশের নামকরা একজন ব্যবসায়ী বাবা৷ তাই আমার জন্য যেসব মেয়ে দেখা হয়েছিলো তারাও সবাই অনেক ধনী পরিবারের ছিল।

বাসার ভিতরে গিয়ে আমরা সবাই হল রুমে বসি৷ মেয়ের বাবা আমাকে দেখছিলেন৷ আমি দেখতে বেশ সুন্দর ছিলাম। উঁচা লম্বা এবং গায়ের রঙটাও ফরসা৷ সবাই বলতো একদম মায়ের মতো হয়েছি। আর বড়ো ভাইয়া আর ছোট বোন টা বাবার মতো হয়েছে। যাইহোক আঙ্কেল সবার সাথে কথা বলে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন,

— তা বাবা তোমার পড়াশোনা কতটুকু হয়েছে? নাকি এখনো পড়ছো?
— না আঙ্কেল শেষ। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ এবং এম এ শেষ করেছি।
— মাশাল্লাহ মাশাল্লাহ। এবার তাহলে বাবার ব্যবসায় হাত দিবে?

আবার সেই হাত৷ যত সমস্যা ত এই হাত নিয়েই৷ আমি আর কিছু না বলে হাসি দিলাম। এর মধ্যেই মেয়ে চলে আসলো। তার বাবার পাশে বসলো। আঙ্কেল বললেন,

— ভাইজান এইযে আমার চাঁদের টুকরার মতো মেয়ে তামান্না। পড়াশোনায় অনেক ভালো আর মেধাবী। মা মরা মেয়ে হলেও সব কিছুই ও পারে।
— মাশাল্লাহ। তামান্না মামনী তো বেশ সুন্দরী। আমাদের সবার পছন্দ হয়েছে। আমরা শুধু আপনার মেয়েকে চাই। আমাদের বাসায় সার্ভেন্টের অভাব নেই। ওকে কোন কাজই করতে হবে না। ও একদম রাণীর মতো থাকবে৷ ওর কাজ হলো শুধু আমার ছেলেটাকে দেখে রাখা৷
— আলহামদুলিল্লাহ। তাহলে তো আর কোন কথাই নেই। কি মা পছন্দ হয়েছে আবিরকে?

তামান্না আড় চোখে আমাকে এক নজর দেখে লজ্জা পেলে। ওর বাবা বুঝে গেল যে পছন্দ হয়েছে। তিনি হাসি দিয়ে বলেন,

— ভাইজান মেয়ে আমার রাজি৷ তাহলে আসেন দিন তারিখ পাকা করে ফেলি?

এবার আমার হৃদস্পন্দন ক্রমশ বেড়ে যাচ্ছে। কারণ প্রতিবার এখানে এসেই সব শেষ হয়ে যায়। আজকেও যে তাই হবে তা আমার জানা। বাবা প্রতিবারের মতো ভাইয়াকে ইশারা করলেন৷ ভাইয়া আস্তে করে আমতা আমতা করে বললেন,

— আঙ্কেল আমাদের একটা কথা ছিল। যদি কিছু মনে না করেন তাহলে বলতাম।
— কি কথা বাবা? বলো সমস্যা নেই? (কিছুটা চিন্তিত স্বরে)

ভাইয়া বেশ ভয়ে ভয়ে বলতে শুরু করলো,

— আসলে আঙ্কেল, আমরা চাইনা আবিরের এই সমস্যা টা আপনাদের কাছে লুকিয়ে রেখে ওর বিয়েটা দিতে৷ আসলে ওর ডান হাতটা জন্মের পর থেকেই প্যারালাইজড। ও ডান হাত দিয়ে কিছুই করতে পারে না। তাছাড়া ওর আর কোন সমস্যা নেই। চাইলে আপনারা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।

লজ্জায় আমার মাথাটা নিচু হয়ে যায়। মেয়ে পক্ষের সবাই পুরো স্তব্ধ হয়ে আছে। আমি শুধু অপেক্ষায় ছিলাম কখন মেয়ের বাবা চেঁচিয়ে উঠবেন। কিন্তু আমার সব ধারণা বদলে দিয়ে তিনি বলে উঠলেন,

— সামান্য একটা হাতের জন্য আমি আপনাদের ফিরিয়ে দিতে পারি না৷ আমার মেয়ে আপনাদের কাছে নিঃসন্দেহে অনেক ভালো থাকবে৷ এটা আমি জানি। আবিরের তো শুধু একটা হাতে সমস্যা। শরীরের বাকি সব অঙ্গ তো ভালোই আছে। মাশাল্লাহ দেখতে ও অনেক সুন্দর। পড়াশোনায়্ও ভালো। তাহলে সমস্যা কিসের। আমরা রাজি ভাইজান। কোন সমস্যা নেই।

আমি এবং আমার পরিবার যেন বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। আমি তো স্তব্ধ হয়ে আছি। আমি কি স্বপ্ন দেখছি? এটা কি কোন স্বপ্ন? আমার না বিশ্বাসই হচ্ছে না? পৃথিবীতে তাহলে কেউ আমাকে বোঝা না একজন মানুষ হিসেবে ভাবে। জীবনে প্রথম নিজেকে মানুষ মনে হচ্ছিলো। জীবনে প্রথম খুব খুশি হলাম আমি। এতই খুশি হয়েছি যে চোখে জল এসে গিয়েছিল। বাবা আর ভাইয়া তো বেশ খুশি। তারা আঙ্কেলকে ধন্যবাদ দিচ্ছিল। কিন্তু আমার পোড়া কপালে এই খুশি বেশিক্ষণ স্থায়িত্ব পেল না৷ তামান্না বসা থেকে দাঁড়িয়ে বলল,

~ বাবা তুমি কি পাগল হয়ে গিয়েছো? আমাকে না জিজ্ঞেস করেই তুমি কিভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছো? আমি এই বিয়েতে রাজি না৷ আমি কোন ভাবেই এরকম একজনের কাছে আমার জীবনটা তুলে দিতে পারি না৷ আমার একটা ভবিষ্যৎ আছে। আমার ফ্রেন্ডস আছে, আত্নীরা আছে। তারা কি বলবে? অলয়েজ আমার কথা শুনতে হবে৷ ইমপসিবল। আমি এই ছেলেকে বিয়ে করবো না৷ তুমি এরকম করতে পারো না৷ সরি আঙ্কেল আমার পক্ষে আপনার হাত ভাঙ্গা ছেলেকে বিয়ে করা সম্ভব না৷ আপনারা চলে যান।

তামান্নার বাবা রাগী কণ্ঠে তামান্না বলে চিৎকার দিয়ে বলেন,

— এসব কি যা তা বলছিস তুই? চুপ কর….

বাবা দাঁড়িয়ে ওনাকে থামিয়ে বললেন,

— ভাইজান, থাক ওকে কিছু বলবেন না। আমরা চলে যাচ্ছি।
— না না প্লিজ আপনারা এভাবে যাবেন না। আমি দেখছি বিষয়টা৷
— ভাইজান, মেয়ে যদি রাজি না থাকে জোর করে কখনো বিয়ে হবে না। আমরা আসি। সায়েদ নিলা চল।

আমরা সবাই দ্রুত বাইরে চলে আসি। বাবা গাড়ির কাছে এসে লজ্জায় আর রাগে কাঁপছিলেন৷ আমি হতভম্ব হয়ে ছিলাম। হঠাৎ কি থেকে কি হলো বুঝলাম না৷ ভাইয়া, ভাবী আর বোন কোন মতে বাবাকে সামলাচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎই বাবা আমার কাছে এসে আমার কলার ধরে প্রচন্ড রাগী কণ্ঠে বললেন,

— আজ থেকে তুই আর আমার ছেলে না৷ আমার একটা ছেলে আর একটা মেয়ে। তুই আজ থেকে মরে গিয়েছিস আমাদের জন্য। সায়েদ ওকে আমাদের বাগান বাড়িতে পাঠিয়ে দে। ওকে যেন আমি আর বাসায় না দেখি। আমার চোখের সামনে আর কোন দিন আসবি না তুই।

বলেই বাবা গাড়িতে উঠে বসলেন। ভাইয়া আর বোনটা আমার দিকে কেমন করে যেন তাকালো। ভাবী আমাকে ধরে গাড়িতে বসতে বললেন। আমি চুপচাপ গাড়িতে উঠে পাথরের মতো বসে আছি। ড্রাইভার আবার গাড়ি স্টার্ট দিয়ে বাসার দিকে রওনা হয়৷ বাবা একটু আগে যা বলল আমার ভিতরটা পুরো শেষ করে দিল। দেখতে দেখতে বাসায় চলে আসলাম। গাড়ি থেকে সবাই নামলে ভাইয়া ড্রাইভারকে বলে,

— ওকে বাগান বাড়িতে দিয়ে আসবেন৷

বলেই আমার দিকে তুচ্ছ দৃষ্টিতে তাকিয়ে বাসার ভিতরে চলে যায়৷ আমি স্তব্ধ মলিন মুখে আমার রুমে গিয়ে বেডে বসে পড়ি৷ অনেকক্ষণ মাটির দিকে তাকিয়ে থেকে একটা সিদ্ধান্ত নেই। তারপর একটা ব্যাগ বের করে যা যা নিতে হবে সব নিয়ে বাসার বাইরে চলে আসি৷ ড্রাইভার আমার জন্য গাড়ির দরজা খুললেও আমি তার কাছে গিয়ে বলি,

— লাগবে না রফিক চাচা৷ আনি একাই যেতে পারবো। আপনাকে কিছু কথা বলে যাই। যদি আমাকে কেউ খুঁজে তাহলে কথাগুলো তাদের বলে দিবেন।
— কি কথা স্যার?

আমি রফিক চাচাকে সবটা বলে চলে আসলাম। চাচা আমাকে আটকানোর অনেক চেষ্টা করলেন৷ কিন্তু পারলেন না৷ আমি বাড়ি থেকে বেড়িয়ে যাই৷

রাত ১০ টা। বাসার সবাই জেনে যায় আমি বাসায় নেই। রফিক চাচাকে ডাক দেওয়া হয়। সবাই হল রুমে বসে ছিল। সায়েদ ভাইয়া চাচাকে জিজ্ঞেস করেন,

— ওকে দিয়া আসছেন?
— আসলে স্যার, আবির স্যার বাগান বাড়িতে যায় নি। তিনি আমাকে আপনাদের একটা কথা বলতে বলেছেন।
— কিহ! কি কথা?
— আপনাদের কাছে সে ত মরে গেছে। তাই সেও অনেক দূরে চলে যাচ্ছে। তাকে আর কোন দিন আপনারা পাবেন না৷

ভাইয়া, ভাবী আর নিলা পুরো স্তব্ধ হয়ে যায়। বাবা বলে উঠে,

— ভালোই হয়েছে৷ আপদ বিদায় হয়েছে। ও যাক যেখানে খুশি। দরকার নেই ওকে আমাদের।

কমলাপুর রেলস্টেশনের রেল লাইনের উপর হাঁটছি। কাঁধে ব্যাগটা ঝুলছে। ভাবছি, দ্রুতগামী ট্রেনটা আমাকে কত জোরে পিষে দিয়ে চলে যেতে পারবে। সামনেই একটা ট্রেন আসছে হর্ণ বাজিয়ে।

চলবে…?

#আন্তঃনগরের_ভালবাসা
লেখকঃ আবির খান
পর্বঃ ০১

অনেক দিন পর আবার গল্প দিলাম। আশা করি সবার ভালো সাড়া পাবো। আর জানাবেন কিন্তু কেমন লেগেছে। সাথে থাকবেন সবাই। ধন্যবাদ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here