তোমাকে খোঁজে- (পর্বঃ6+7+8 )

0
90

তোমাকে_খোঁজে
পর্বঃ ( 6+7+8 )

টানা দুইঘন্টা ধরে নেহাল ঘুমিয়ে আছে। ঘুম থেকে উঠতেই নেহালের আদিবার কথা মনে পরে যায়। আর ঠিক সেই মুহূর্তেই নেহাল ঝাপসা চোখ ডলতে ডলতে আদিবার রুমে ছুটে আসে। এসে দেখে আদিবা বালিশে হেলান দিয়ে বসে আছে।আর আদিবার পাশে মিতি বসা।নেহালকে দেখে মিতি একটা মুচকি হাসি দিয়ে বেরিয়ে যায়। যেটা দেখে নেহাল অবাক হয়। মিতির হাসির কারণটা খুঁজতে খুঁজতে আস্তে করে হেঁটে নেহাল আদিবার পাশে এসে বসে।নেহাল আদিবার দিকে তাকাতেই চোখের সামনে সবকিছু ঝাপসা দেখতে থাকে। মাথাটা আবার ঘুরে ওঠে নেহালের।আর তখন নেহালকে পরে যেতে দেখে আদিবা ধরে বসে নিজের পাশে টেনে বসায়।যেটা দেখা নেহাল খুব খুশি হয়।

আদিবা মুখ তুলে নেহালের দিকে তাকায়, মিতি বলেছে আপনি নাকি আমাকে রক্ত দিয়ে বাঁচিয়েছেন? কি দরকার ছিলো আমাকে বাঁচানোর? আপনার শরীরের রক্ত আমাকে না দিলে কি হতো না?
কথাটা আদিবা নেহালের চোখের দিকে তাকিয়ে বলে।

নেহাল আদিবার গাল দুই হাত দিয়ে আকড়ে ধরে বলে, না হতো না! ভালোবাসি তোমাকে আমি।বেঁচে থাকলে তোমাকে নিয়েই একসাথে বাঁচবো।আর যদি তুমিই না থাকো তাহলে বেঁচে থেকে কি করবো?

তাই বলে এতোটা রক্ত দিবেন? যদি আপনার কিছু হয়ে যেতো? মিতির কি হতো? আমি না হয় আমার বাড়িতে চলে যেতাম কিন্তু আপনার বোন? তার তো আপনি ছাড়া আর কেউ নেই নেহাল! ভালোবাসায় এতোটাও অন্ধ হয়েন না যেটাতে আপনার আপনজনেরা নিঃস্ব হয়ে যায়। আমার জীবনটাতো আপনি নস্ট করেই ফেলেছেন।এখন আপনার সাথে জড়িয়ে থাকা মানুষগুলোর কথা অন্তত ভাবুন।

তোমার জীবন আমি নস্ট করেছি আদিবা? আমি তো তোমাকে শুধু ভালোবেসেছি।যেই ভালোবাসাটা একদিন তুমি আমাকে শিখিয়েছিলে।কাঁপা কাঁপা কন্ঠে আস্তে করে বলে নেহাল।

তাই? ভালোবাসেন আমাকে আপনি? কোনটা ভালোবাসা বলতে পারেন নেহাল? আমাকে আটকে রেখে যেভাবে শারীরিক অত্যাচার চালাচ্ছেন আমার উপর আপনি সেটাকে ভালোবাসা বলেন?

তোমার উপর আমি শারীরিক অত্যাচার চালাচ্ছি?

নয়তো কি? কাল কি করেছিলেন আমার সাথে আপনি ভুলে গেছেন?

কিচ্ছু করি নি আমি।আমি শুধু তোমার ড্রেসটা চেঞ্জ করে দিয়েছিলাম।

সেটা আবার লম্বা গলায় বলছেন? লজ্জা করছে না আপনার? কোন অধিকার আছে আপনার আমার কাছে আসার, আমাকে স্পর্শ করার? আমি আপনাকে আবারও বলছি নেহাল ভালোবাসা জোড় করে হয় না। আমি অন্য কাউকে ভালোবাসি।আপনাকে পারবো না কখনো ভালোবাসতে।তাই প্লিজ আমাকে তার কাছে যেতে দিন।

আদিবার কথা শুনে নেহাল জোড়ে একটা ধমক দেয়।ধমকটা শুনে আদিবা একদম নিশ্চুপ হয়ে যায়।তারপর নেহাল আদিবার দুই বাহু চেপে ধরে।আদিবাকে ঝাকিয়ে বলে, জ্ঞান দিচ্ছো আমাকে? ভালোবাসার মানে শেখাচ্ছ? ভুলে যেও না একদিন তুমিই আমাকে ভালোবাসতে বাধ্য করেছিলে।আর অধিকারের কথা বলছো না তুমি? তাহলে শুনে রাখো তোমার উপর তোমার বাবা-মায়ের থেকেও এখন আমার বেশি অধিকার।আমি চাইলেই তোমাকে নিজের করে নিতে পারি।কিন্তু সেটা আমি করবো না।কারণ ভালোবাসি তোমাকে আমি।আর কাল যেই খারাপ ব্যাবহারগুলো করেছিলাম সেটা তোমার উপর রাগ করে করেছি।তার মানে এই নয় যে তোমাকে আমার জীবন থেকে আলাদা করে দেব।তুমি আমার।বুঝেছ?

আদিবা ভয়ে ভয়ে মাথাটা ঝাকিয়ে হ্যাঁ বলে।আর মনে মনে ভাবে, এভাবে নেহালের থেকে নিজেকে ছাড়ানো যাবে না।আরেকবার নেহালের সাথে ভালোবাসার নাটক করে তাই এখান থেকে পালাতে হবে।তাছাড়া নেহালকে বোঝানো সম্ভব নয়।

ওদিকে,,,, সায়ানের বাবা-মা অনেকগুলো ছবি নিয়ে সায়ানের কাছে এসেছে।সায়ানকে বলছে এর মধ্যে থেকে যে কোনো একটি মেয়েকে পছন্দ করতে।কিন্তু সায়ানের মন মানছে না।যেই মন এতোগুলো বছর ধরে শুধু আদিবাকে ভালোবেসেছে, আদিবার কথা ভেবেছে, সেই মনে কি অন্য মেয়ের জায়গা হয়?

কি হলো সায়ান কিছু বলছিস না কেন? সায়ানের মা মুখটা শুকনো করে জানতে চাইলো।

সায়ান তার বাবা-মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে তাদের খুশি করতে একটু মুচকি হাসি দিয়ে না দেখেই একটা ছবি তুলে মায়ের হাতে দিলো।আর বললো, এই মেয়েটা দেখতে ভালো।

সত্যি বলছিস তো বাবা একে তোর পছন্দ হয়েছে?

সায়ান মাথা ঝাকিয়ে হ্যাঁ বলে।

একটা গাল ভরতি হাসি দিয়ে সায়ানের মা আবার বলে, এর সাথেই তোর বিয়ে হবে সায়ান।কথাটা বলে বাড়ির সবাইকে ডাকতে ডাকতে ছবিটা দেখাতে যায়। আর সায়ানের বাবা তার পিছনে পিছনে ছোটে।বাবা-মায়ের চলে যাওয়ার পর সায়ান বলতে থাকে, বিয়ে আমি অবশ্যই করবো মা।সেটা শুধু তোমাদের খুশির জন্য।কিন্তু কোনোদিনও আমি আদিবাকে ভুলতে পারবো না।কারণ আদিবাকে আমি সেই ছোটবেলা থেকে ভালোবাসি।

চলবে,,,,

#itzlovestory
#TheLight
#JS
,তোমাকে_খোঁজে
পর্বঃ০৭

নেহাল চোখ রাঙিয়ে উঠে আদিবার সামনে থেকে চলে যেতে লাগে।আর আদিবা নেহালের হাতটা ধরে বসে।আর বলে, আমি সত্যিই ভুল করেছি নেহাল।প্লিজ আমায় ক্ষমা করে দিন।আমাকে আপনি আরেকটা সুযোগ দিন আমার ভুলগুলোকে শুধরে নেওয়ার জন্য। নেহাল মুহূর্তের মাঝেই আদিবার এমন পরিবর্তন দেখে অবাক হয়। আদিবার চোখ মুখের দিকে তাকিয়ে দেখে যেখানে সত্যের কোনো ছাপ নেয়।নেহাল বুঝতে পারে আদিবা আবার তার সাথে অভিনয় করছে।তাই নেহাল মনে মনে বলতে থাকে, আদিবা আবার ছলনা করছো আমার সাথে? এতোটাও বোকা আমি নই।যে তোমার এসব ছলনা আমি বুঝবো না।

আদিবার ঝাঁকানিতে নেহাল নরে ওঠে।বলুন আমাকে আপনি ক্ষমা করে দিয়েছেন? আদিবার প্রশ্নের জবাবে নেহাল কি উত্তর দেবে তা বুঝে উঠতে পারে না।একদিক থেকে আদিবাকে বিশ্বাস না হলেও ভালোবাসার টানে নেহাল আদিবাকে কস্ট দিতে চাই না।তাই আদিবার গালে হাত রেখে বলে, ঠিক আছে তোমাকে আমি বিশ্বাস করলাম।এবার অন্তত আমাকে ঠকিও না।কথাটা বলেই নেহাল রুম থেকে বেড়িয়ে যায়। আর নেহাল চলে যাওয়ার পর আদিবা ঠোঁটে বাঁকা হাসি হাসে।মনে মনে ভাবে নেহাল সত্যিই বড্ড বোকা।কত্ত সহজেই কিছু বলে ওকে বিশ্বাস করানো যায়।

ওদিকে সায়ান ও তার বাবা-মা ঘটকের সাথে নেহালের বাড়িতে আসে।যেই ছবিটা সায়ানের পছন্দ হয়েছিল বলে উঠিয়েছিলো সেটা মিতির ছিলো।তাই বিয়ের ব্যাপারেই তারা এসেছে।বেল বাজতেই মিতি গিয়ে মেন ডোরটা খুলে দেয়। আর আদিবা রুমে বসে বেল বাজার শব্দ শুনে বুঝতে পারে মেন ডোর খোলা হয়েছে।আদিবা ভাবে, চাবিটা এখন কোথায় রাখবে সেটা দেখা দরকার।তাই আস্তে আস্তে আদিবা বিছানা ছেড়ে উঠে সিঁড়ির কাছে হেটে আসে।দেখে তিন-চারজন মেহমান অপজিট দিকে মুখ ঘুরানো বসে আছে।তাদের কন্ঠস্বর অনেকটা চেনা চেনা লাগছে আদিবার কাছে।তাহলে কি তারা আমার পরিচিত? কথাটা ভাবতেই নেহাল এসে পিছনের থেকে আদিবার কাঁধে হাত রাখে।আর আদিবা ভয় পেয়ে কেঁপে ওঠে।

ভয় ভয় চোখে পেছনের দিকে ঘুরে তাকাতেই নেহাল আদিবাকে কোলে তুলে নেয়। তারপর রুমে নিয়ে গিয়ে বিছানায় বসিয়ে দিয়ে বলে, বাইরে কেন গিয়েছিলে? ডাক্তার কি বলেছে যানো? বলেছে তোমার পেটের এই ক্ষত না শুকানো পর্যন্ত হাঁটা-চলা, ব্যায়াম কিছুই তুমি করতে পারবে না।এমনকি আমার অবাধ্যও হতে পারবে না।তাই এখানেই বসে থাকো।বাড়িতে কিছু মেহমান আসছে আমি কথা বলে আসি।

তারপর নেহাল দরজাটা বাইরে থেকে বন্ধ করে দিয়ে চলে যায়।

সায়ানের বাবা-মায়ের সাথে কথা বলে নেহাল।তাদের মিতিকে খুব পছন্দ হয়েছে।ছেলের বউ করতে চাই।নেহালও খুব খুশি হয়।সায়ানদের সাথে কথা বলতে পেরে। নেহালের ভালো লাগে তাদের কথাবার্তা।আর সায়ানকে পছন্দও হয়।তাই তাদের প্রস্তাবে না করতে পারে না।পরসু শুক্রবার সায়ান আর মিতির বিয়ে।

ওদিকে চৌধুরী মহলে,

আবির চৌধুরীর মেয়েকে নিয়ে এখনো আত্নীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীদের কানাঘুঁষা চলছে। সকলের মুখে এক কথা আবির চৌধুরীর মতো বিজনেসম্যানের মেয়ে বিয়ের দিন বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে।টিভিতে, নিউজে এই খবর এখনো চলছে।সারাদেশে পুলিশ লেগে পরেছে আদিবার সন্ধানে।পেপারেও আদিবার ছবি ছাপা হয়েছে।যদি কেউ সন্ধান দিতে পারে তাহলে তাকে ২৫লক্ষ টাকা পুরষ্কার দেওয়া হবে।পুলিশ আদিবার ক্লোজ ফ্রেন্ডদের সাথে কথা বলতে চায়।পুলিশ স্টেশনে নিয়ে আসে তাদেরকে। তারপর তাদের কাছে জানতে চায় আদিবার কারও সাথে সম্পর্ক ছিলো কিনা।আর তারা পুলিশের ভয়ে সব বলে দেয়-

নেহালের সাথে আদিবার সর্ম্পকের কথা। সম্পর্কটা যদিও ছিলো এক তরফা।কারণ শুধু নেহালই আদিবাকে ভালোবেসে এসেছে। আর আদিবা,,?? ও,, বন্ধুদের সাথে বাজি ধরে নেহালের সাথে অভিনয় করে ভালোবাসার।যার জন্য ছলে বলে কৌশলে আদিবাকে অনেক কিছু করতে হয়।নেহালের বাড়িতে গিয়ে ওর বোনকে খুশি করা।নেহালের পছন্দ অনুরূপ রান্না করা।এমনকি সাংসারিক যে কোনো কাজই আদিবা করে।শুধু একটা কারণে,,,বাজিতে জিতবে বলে।আর তাই হয়তো এমনো হতে পারে আদিবা নেহালের কাছে।হতে পারে অভিনয় করতে করতে নেহালকে ভালোবেসে ফেলেছে।তাই পালিয়েছে।

আদিবার ফ্রেন্ডদের কথাগুলো শুনে পুলিশ এবার নেহালের বাড়িতে আসে।

চলবে,,,,

#itzlovestory
#TheLight
#JS

তোমাকে_খোঁজে
পর্বঃ০৮

নেহাল দরজাটা খুলতেই পুলিশ নেহালকে ধাক্কা মেরে বাড়ির ভেতরে চলে আসে।তারপর পুরো বাড়িটা চার্স করে।পুলিশ নেহালের রুমে গিয়ে আদিবাকে পায়।আদিবাকে পেয়ে আবির চৌধুরীকে ফোন করে পুলিশ জানায় আদিবা কোথায় আছে।

আবির চৌধুরী মেয়ের খোঁজ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ছুটে আসে নেহালের বাড়িতে।আর আদিবার সাথে কথা বললে সব দোষ নেহালের উপরে চাপিয়ে দেয় আদিবা।

আদিবা কাঁদতে কাঁদতে বলে, বিয়ের দিন আত্মহত্যার ভয় দেখিয়ে নেহাল আমাকে ডেকে এনে বন্দী করে রেখেছে। এমন কি আমাকে মেরে ফেলারও চেস্টা করেছে।

আদিবার এমন কথা শুনে নেহাল একটা বড় রকমের ধাক্কা খায়। যেই আদিবাকে নেহাল এতোটা ভালোবেসেছে।যাকে বাঁচানোর জন্য নিজের শরীরের সবটুকু রক্ত পর্যন্ত দিতে চেয়েছে।আজ সেই আদিবা সব যেনেও এমন কথা বলছে! নেহালের ভেতরটা ভেঙে চুরে যাচ্ছে আদিবার কথায়।

পুলিশ আদিবাকে বলে, আমারাতো শুনেছি আপনি নেহালের সাথে ভালোবাসার অভিনয় করেছেন।কথাটা কতোটুকু সত্য মিস চৌধুরী?

আদিবা কিছুক্ষণ ভেবে তাই বলে, হ্যাঁ আমি অভিনয় করেছি।বন্ধুদের সাথে বাজি ধরে।কিন্তু সেটা খেলার ছলে করেছি।নেহালকে ভালোবেসে নয়। একটা নির্দিষ্ট সময় পর আমি নেহালকে বলেছি ব্রেকাপ করবো।যাতে নেহালের মনে না হয় আমি অভিনয় করেছি।আপনারাই বলুন ব্রেপাক হওয়া কি স্বাভাবিক ব্যাপার নয়? এতে আমার ভুলটা কোথায়? তারপরও নেহাল আমার পিছু ছাড়ে নি।শোনেনি আমার কথা।আমার বিয়ের দিন নেহাল আমাকে আত্নহত্যার ভয় দেখিয়ে ডেকে আনে।এমন কি রাগের বসে আমাকে মেরে ফেলারও চেস্টা করে।ওকে নিয়ে যান আপনারা। আর এমন শাস্তি দেন যেন আর কখনো এই রকম পাগলামো কারও সাথে নেক্সট টাইম না করতে পারে।

আদিবার কথা শুনে মিতি রেগে যায়।মিতি নেহালের দিকে চেয়ে দেখে নেহালের দুচোখ লাল রক্ত বর্ণ ধারণ করেছে।যেখানে চোখের পানিতে দুচোখ টলমল করছে।মিতি বুঝতে পারছে, নিশ্চয় ভাই খুব কস্ট পেয়েছে ভাবির কথায়।এর আগে কখনো মিতি তার ভাইকে এতোটা নিরূপায় আর অসহায়ের মতো কারও দিকে চেয়ে থাকতে দেখিনি। তাই মিতি আদিবাকে বলে, সবকিছুই যখন বলে দিয়েছো ভাবি তখন এটাও বলে দাও যে ভাইয়া তোমার স্বামী।

মিতির কথা শুনে আদিবা বলে, আমি তোমাকে আগেও বলেছি মিতি তোমার ভাইকে আমি কখনো বিয়ে করবো না।তাই প্লিজ আমাকে আর ভাবি বলে ডেকো না।

মিতি জোড়ে হেসে ওঠে।আর হাসতে হাসতে বলে, তোমার কি আমার ভাইটাকে এতোটাই বোকা মনে হয় ভাবি?
তারপর সবাইকে অপেক্ষা করতে বলে মিতি উপরে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর একটা পেপার নিয়ে আসে।আর আদিবার হাতে দেয়।

আদিবা জানতে চায়,,কিসের পেপার এটা?

তার উত্তরে মিতি বলে, তোমার আর ভাইয়ার বিয়ের রেজিষ্ট্রি পেপার।ভালোভাবে দেখে বলো ভাবি সিগনেচারটা তোমার কিনা?

আদিবা তাকিয়ে দেখে হ্যাঁ, সিগনেচারটা তারই।কিন্তু এটা কিভাবে সম্ভব?
তাহলে কি নেহালও সব জেনে আদিবার সাথে খেলেছে?

তুমি আমার ভাইয়ের স্ত্রী। তারপরও কেন অন্য কাউকে বিয়ে করতে চেয়েছো ভাবি! আমাদের সবাইকে বলো?

আদিবা কিছু বুঝতে পারছে না।কিভাবে সিগনেচারটা হলো। চুপ করে আছে আদিবা।
,
,
,
চলবে,,,,,,,

(পরবর্তী পর্বগুলো আমার পেইজে দেওয়া হবে আমার প্রোফাইলে পেইজ এ গিয়ে চেক করে নিবেন। তাই শুধু next না লিখে আমার পেইজ ফলো করলে ভালো হবে। ধন্যবাদ। তাছাড়া স্টোরি পার্ট গুলো খুঁজে পাবেন না তাই অনুগ্রহ করে পেজটি ফলো করেন)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here