#না_চাহিলে_যারে_পাওয়া_যায় পর্ব ১২

0
77

#না_চাহিলে_যারে_পাওয়া_যায় পর্ব ১২
#ফারহানা ইয়াসমিন

রাযীনের দাদা শাহরিয়ার নাজিম ছিলেন ছোটখাটো ঠিকাদার। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে হঠাৎ করেই জাহাজ ভাঙা শিল্পে নাম লেখান। গড়ে তোলেন এস এন্ড এস নামক শিল্প প্রতিষ্ঠান। সেই সময় এই শিল্পের খোঁজ হাতে গোনা যে দু’একজন জানতেন তাদের মধ্যে রাযীনের দাদা অন্যতম। মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহন ছিলো বলে সকলের আকন্ঠ সমর্থন পেয়েছিলেন ব্যবসার কাজে। কঠোর পরিশ্রমী শাহরিয়ার নাজিম ব্যবসায়ী হিসেবে দ্রুত নাম কামালেন। দু’হাতে টাকা আসতে লাগলো হুর হুর করে। কয়েক বছরের মধ্যেই শাহরিয়ার নাজিম চিটাগং এর অন্যতম বড় ব্যবসায়ী হয়ে উঠলেন।
রা্যীনের বাবা আশরাফ শাহরিয়ার তখন ব্যরিস্টারি পড়ার উদ্দেশ্যে লন্ডন। শাহরিয়ার নাজিমের খুব ইচ্ছে তার বড় ছেলে ব্যরিস্টারি পড়ে দেশে ফিরুক।
সেই সময় ব্যরিস্টারি পড়াটা পারিবারিক ঐতিহ্যের অংশ ছিলো। কিন্তু হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে শাহরিয়ার নাজিম মারা যাওয়ার পর তার ব্যবসার ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কা দেখা দেয়। কর্নধার না থাকার কারণে এস এন্ড এস এর ব্যবসা দ্রুত দেনার দায়ে মুখে পড়লো। ফলে আশরাফকে দেশে ফিরে ব্যবসার হাল ধরতে হয়। আশরাফ সেই মৃত প্রায় ব্যবসাকে শুধু জীবিত করলেন না উপরন্তু ব্যবসার শাখা প্রশাখা বাড়লো। নতুন ব্যবসা হিসেবে জাহাজ তৈরির কারখানা স্হাপন করলেন নিজের উদ্যোগে। পরিবার বাড়ার সাথে সাথে ব্যবসার পরিধি দিন দিন বেড়েছে বই কমেনি।

শাহরিয়ার নাজিম মারা যাওয়ার সময় স্ত্রী তাহেরা, তিনকন্যা আর দুই পুত্র রেখে যান। আশরাফ নিজ উদ্যোগে তিনবোনের বিয়ে দেন, ছোট ভাই আফজালকে ব্যরিস্টারি পড়িয়েছেন মায়ের পচ্ছন্দে বিয়ে দিয়েছেন নিজে। বড়বোন খুকুর স্বামী অকালে রোড এক্সিডেন্টে মারা যাওয়ার পর মা তাহেরা মেয়ের বিধবার জীবনের শোক সইতে না পেরে মারা যায়। যদিও আশরাফ বোনকে আরেকবার পাত্রস্থ করার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু খুকু আর বিয়ে করবেনা বলে কঠিন ব্রত নেওয়ার পর আর জোর করেননি। সেই থেকে খুকু এই সংসারের অলিখিত মুরুব্বির জায়গা নিয়েছেন। আশরাফ একগুঁয়ে, সংসার আর ব্যবসায় একক কতৃত্ব চালিয়েছেন। কখনো কারো মতামত শোনার প্রয়োজন মনে করেননি। নিজে যতদিন সুস্থ ছিলেন ততদিন এরকমই চলেছে। হঠাৎ করে ব্রেন স্ট্রোক করে পক্ষঘাতগ্রস্থ হওয়ার পর থেকে যেন ধীরে ধীরে সবকিছু পাল্টে যাচ্ছিলো। বিছানায় শুয়ে থাকলেও বেশ টের পাচ্ছিলেন আশরাফ। ব্যবসাগুলো কে নেতৃত্ব দেবে সেটা নিয়ে সুক্ষ দ্বন্দ হয়তো আগে থেকেই ছিলো, সেটাই মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো। তার নিজের সন্তান ব্যবসায় আগ্রহ বোধ করে না। ছোট ভাই আর তার সন্তান নিজের মতো ব্যবসা চালায়। মাঝে মাঝে আশরাফের খুব কাছের লোকজন দু’একটা কথা বলে যায়। বিছানায় শুয়ে থাকা আশরাফের কিছু করার থাকে না। এই পরিবারকে একসাথে বেঁধে রাখতে তার ত্যাগ কম নয়। অনেক কিছু হারাতে হয়েছে তাকে। স্ত্রী সন্তানের চক্ষুশুল হয়েছেন। বাকীরাও হয়তো তাকে খুব একটা পচ্ছন্দ করে না। তবুও চেয়েছেন পরিবার একত্রে থাক। কিন্তু এবার মনেহচ্ছে সব ভেঙে যাবে। তার এতোদিনের চেষ্টা, পরিশ্রম সব পণ্ডশ্রম হয়ে যাবে। জীবনের শেষ কালে এসে এতোদিনের সাধনায় গড়ে তোলা ইমারত ভেঙ্গে পড়বে ভাবতেই বুক কাঁপে তার। শেষ চেষ্টা হিসেবে একটা ট্র্যাম্পকার্ড হাতে রেখেছিলেন। সেটারই চাল দিতে জাল ছড়িয়েছেন। শেষ পর্যন্ড ট্র্যম্পকার্ডে কাজ হবে কিনা তিনি জানেননা।

★★★

পুরো বাড়ি জুড়ে উৎসবের আমেজ। বাচ্চারা ছোটাছুটি করছে, বড়রা হলরুমের অর্ধেক জুড়ে বসে কাপড় বাছাই করছে। কে কি পরবে তা নিয়ে কাড়াকাড়ি চলছে। আগামী কালকের অনুষ্ঠানের আলোচনা চলছে বলেই মনেহয় আজ মোটামুটি সবাই বাড়িতে। রুহির সময় কাটছিলো না। রাযীন ভোরেই কোথায় বা বেড়িয়ে গেছে। তারপর থেকে রুহি একা একা কি করবে ভেবে পাচ্ছে না। এ বাড়ির সবার সাথে আলাপ হলেও কার কাছে যেয়ে আলাপ জুড়বে তা ভেবে পেলোনা। একা একা কতক্ষণ এদিক সেদিক ঘুরলো। রুহির অবস্থা বুঝেই হয়তো রোজী মর্জিনাকে পাঠালো রুহিকে পুরো বাড়ি ঘুরিয়ে দেখানোর জন্য। রুহির সাথে থেকে মর্জিনা বকবক করে ওকে বাড়ির ফিরিস্তি দিচ্ছিলো। নিচতলায় হলরুম, রান্নাঘর আর দুটো শোবার ঘর যার একটাতে খুকু নানী থাকে। দোতলায় বাড়ির বাকী সবার থাকার ব্যবস্থা। ছাদে এসে সবচেয়ে বেশি চমৎকৃত হলো রুহি। খুব সুন্দর করে বসার বেদী বানানো আছে। সুইমিংপুল আর সাথে ঝোলা দোলনা যা দেখলেই বসে দোল খেতে মন চাইবে। একেবারে দক্ষিণ কোনে একটা রুম গ্রামের বাড়ির মতোন করে তৈরি করা। রুহি কৌতুহলে এগিয়ে যেতেই মর্জিনা হাত ধরে থামালো-
“ওদিকে যাইতে মানা নতুন ভাবি।”
“কেন?”
রুহি চোখ ফিরায় না। মর্জিনা ঠোঁট উল্টে জানায়-
“আমি তো এতো কিছু জানিনা। এইখানে আসার পর থেকেই এই ঘর তালা দেওয়াই দেখছি। সব্বাইকে মানা করা আছে এই ঘরের আশেপাশে না যাইতে।”
“ওহহহ। আচ্ছা চলো ফেরত যাই।”
রুহি ছাদ থেকে নেমে আসতেই রোজীর সাথে দেখা-
“সবাই তোমার খোঁজ করছে। তোমার হাতের চা খেতে চাইছে। চা বানাতে পারো তো?”
রুহি মাথা নাড়তেই রোজী মর্জিনাকে ইশারা করে-
“মর্জিনা ওকে রান্নাঘর দেখিয়ে দে।”

রুহি সবার জন্য চা বানিয়ে আনতেই ঝিলিক সবার আগে ট্রে থেকে চায়েরকাপ তুলে নিলো-
“ভাবি, সুগার দাও নিতো?”
রুহি মাথা নেড়ে না করতেই ঝিলিকের মুখে হাসি ফুটলো-
“থ্যাংক ইউ। আমি চায়ে সুগার খাই না ফ্যাট হয় বলে। একচুলি এ বাড়ির কেউই খায় না দু একজন বাদে। তোমার স্বামী সেই দু’একজনের একজন।”
ঝিলিক মুখচোরা হাসি হাসলো।
“ওহহহ।”
রুহি বাকীদের চায়ের কাপ এগিয়ে দিলো এক এক করে। বেনু চায়ে চুমুক দিতেই ওর মুখে চোখে উচ্ছলতা ফুটে উঠলো-
“আরে ভাবি, তুমি তো দারুণ চা বানাও?”
“উমমম ভাবি, এককথায় অসাধারণ। তোমার হাতের রান্নাও নিশ্চয়ই ভালো হবে। যারা চা ভালো বানায় তারা রান্নাও ভালো পারে।”
রেনু আন্তরিক গলায় বললো। রুহি চলে যাচ্ছিলো বেনু ডাকলো-
“ভাবি, এখানে এসে বসো না। আমরা কালকের অনুষ্ঠানের জন্য কাপড় সিলেক্ট করছি। তোমার জন্য এই লেহেঙ্গাটা পচ্ছন্দ করেছি। দেখতো পচ্ছন্দ হয় কিনা।”
একটা সোনালী জরী কাজের লেহেঙ্গা এগিয়ে দিলো রুহির দিকে। রুহি সবসময় সুতি কাপড় পড়ে অভস্ত্য। অফিসে ব্যবহারের জন্য ভারী জর্জেট। শখের বশে শাড়ী পরলে জামদানী অথবা তাত। এতো ভারী পোশাক কি সে সামলাতে পারবে? রুহি দীর্ঘ শ্বাস গোপন করলো। এতো ভারী জীবন যখন সামলে নিতে পেরেছে তখন ভারী পোশাক আর কি।
অনিচ্ছায় প্রশংসা করে-
“হ্যা, বেশ সুন্দর।”
রেনু নিজের জন্য পচ্ছন্দ করা সবুজ রঙের ভারী কাতানটা এগিয়ে দিলো-
“এটা কেমন বলতো ভাবি?”
“এটাও সুন্দর। আপনাকে মানাবে।”
“হায় হায় ভাবি আপনি? আপনি কেন? তুমি করে বলো। আমি তো ভাইয়ার ছোট। বেনু আপা বড় তাকে আপনি বলতে পারো। আমাকে তুমি তুমি করে বলবে।”
রুহি হেসে দিলো-
“আচ্ছা।”
“বউমা, চাকরি করতে নাকি? সব ছেড়ে ছুড়ে দিয়ে এলে নাকি এ বাড়ির বউ হতে?”
ওপাশ থেকে শিখা এগিয়ে এসে বসলো রুহির পাশে। রুহি ভেবে পেলোনা কি বলবে। তবে এখন কিছু না বললে আরো কথা শুনতে হবে ভেবে চুপ থাকতেও রাজি নয় সে। একটু মুচকি হেসে শিখার দিকে তাকালো-
“না ছোটমা, চাকরি ছাড়িনি। ওটা নিজ যোগ্যতায় পাওয়া চাকরি তাই ছাড়ার প্রশ্নই আসে না। ছুটি নিয়ে এসেছি।”
“বলো কি? তোমার শশুর তো ভেবেই নিয়েছে তুমি এখানে স্থায়ী হবে।”
“আর আপনি? আপনি কি ভেবেছেন?”
শিখা পাল্টা প্রশ্নে একটু থতমত খেলো-
“আমি! আমি কি ভাববো?”
“মানে আমার থাকা নিয়ে কি ভেবেছেন? থাকবো না চলে যাবো?”
শিখা এমন প্রশ্নে একটু দমে গেলো-
“আরে আমার ভাবনায় কিছু এসে যায়? তোমার জীবন, তুমি যা ভাববে তাই করবে। কি বলো ঝিলিক?”
“হ্যা মামনী, সেটাই। তবে চাকরি জিনিসটা আমার অপচ্ছন্দের। চাকরি মানেই চাকর। এর চাইতে বিজনেস ভালো, নিজের স্বাধীন জীবন। এইজন্যই আমি বুটিক হাউজ দিয়েছি।”
রুহি অবাক হলো, এই মেয়েকে দেখে মনে হয়না কিছু করে। সারাদিন মুখে মেকাপ নিয়ে ঘুরে বেড়ায়।
“তোমার বুটিক আছে? বাহ বেশ ভালো তো?”
ঝিলিক খুশি হয়ে গেলো-
“হ্যা, তোমাকে একদিন নিয়ে যাবো আমার দোকানে।”
“তুমি নিজে ডিজাইন করো?”
“আরে না। ইন্ডিয়া থেকে কিনে এনে সেল করি। আমার অবশ্য কিছু করতে হয় না। লোক আছে তারাই করে।”
ঝিলিক মুখের ওপর থেকে মাছি তাড়ানোর মতো হাত নাড়ে। রুহি হাসলো-
“এটা কেমন হলো? নিজে মাথা না খাটালে সেটা নিজের হয় কি করে? তোমার ডিজাইন করা পোশাক হলে অন্য রকম হতোনা ব্যপারটা? ধার করা জিনিসে কতোদিন টিকে থাকবে?”
চট করে ঝিলিকের মুখ কালো হয়ে গেলো। সে উঠে দাড়িয়ে গেলো-
“মামনী আমি গেলাম। মুখে উপটান দেওয়ার সময় হয়ে গেছে।”
এ কথা শুনে রুহি ফিক করে হেসে দিলো।

রাতে খেয়ে দেয়ে রুমে ঢুকতেই কিছুক্ষন পরে দরজায় নক। দরজা খুলতেই রেনু এসে জড়িয়ে ধরলো রুহিকে। রুহি এতোটা বিস্মিত কখনো হয়নি।সে নিজেকে ছাড়িয়ে নিলো। কিছু বলবে তার আগেই রেনু হাতের ইশারায় ওকে চুপ থাকতে বললো। ভালোমতো দরজা আঁটকে ওকে নিয়ে বিছানায় এসে বসলো-
“ভাইয়া নেই?”
“আছে পাশের রুমে।”
রুহি ইশারা করে দেখিয়ে দিলো। রেনু ওর হাত চেপে ধরলো-
“আমি যে আজ কি খুশি তোমাকে বলে বোঝাতে পারবোনা। তুমি আজ জব্বর জবাব দিয়েছো ছোটমা আর ঝিলিক ভাবিকে। এদের জ্বালায় আমরা কোনঠাসা হয়ে গেছি। বাবা যতদিন সুস্থ ছিলো ততদিন তাও একটু ভালো ছিলাম কিন্তু বাবা অসুস্থ হওয়ার পর থেকেই এরা ভীষণ এগ্রেসিভ।
মা তো কিছুই বলে নাই কোনদিন। ভাইয়াও ছিলোনা, আমি একা অসহায় ওদের সব হ্যা তে হ্যা মিলাতে হয়।”
“মানে!”
রুহি অবাক হয়ে রেনুর মুখপানে তাকায়।
“মানে, আমি তোমার আপন ননদ আর বেনু আপা চাচাতো। দু’দিন ধরে ভাবছি তুমি কেমন মানুষ তাই কথা বলতে আসার সাহস হয়নি। আজ বুঝলাম তুমি ওদের মতো না। আমার না খুব ভালো লাগছে জানো? মনেহচ্ছে এতোদিন আপন কাউকে পেলাম।”
রুহি হা করে রেনুর দিকে তাকিয়ে রইলো। পরিচয় দেওয়ার সময় রোজী অবশ্য নির্দিস্ট করে কিছু বলেনি রুহিও মাথা ঘামায়নি।
“তুমি এতো অবাক হচ্ছ কেন ভাবি? আমার কথা জানতে না আগে?”
রুহি না বোধক বলতেই রেনুর চোখ বড় বড় হলো-
“বলো কি? ভাইয়া কিছু বলেনি?”
“কি বলবে? আমি আসলে তোমাদের সম্পর্কে কিছু জানতে চাই নি কখনো। সম্পর্কটা তো ছিলো না থাকার মতো।”
রেনুর মন খারাপ ভাব মুখে ফুটে উঠলো-
“ওহহহ। তাও ঠিক বলেছো।”
দু’মিনিট চুপ করে বসে রইলো রেনু। হঠাৎ মুখ তুলে বললো-
“অতীতে যাইহোক ভাবি, তুমি প্লিজ এখন আর ফিরে যাওয়ার কথা ভেবোনা। ভাইয়ার কাছ থেকে কিছু আশা করি না। ও আমাদের নিয়ে ভাবেনা বলেই পালিয়ে ছিলো। আমার খুব একলা লাগে গো। এ বাড়িতে আসতে ইচ্ছে করে না। আর যখন তখন আসাও যায় না। বেনু আপা না এলে আমারও আশা হয় না। একা এলে এমন ভাব করে যেন আমি মেহমান। তুমি থাকলে অন্তত আমার নিজের কেউ আছে মনে হবে।”
“আরে কি বলো। আমি তো এই দু’দিন হলো এলাম। না জেনে এতো ভরসা করা ঠিক না।”
রুহি নিজেকে সামলে নিলো। রেনু ওর হাত চেপে ধরলো-
“প্লিজ ভাবি, তুমি থেকে যাও। একমাত্র তুমিই পারবে এই সংসার..”
“তুই এখানে কি করছিস?”
বোনকে দেখে সে ভীষণ অবাক।
“কিছু না। ভাবির সাথে গল্প করছি।”
রেনু জরসর হয়ে জবাব দিলো। রা্যীন যেন আকাশ থেকে পড়লো-
“গল্প!”
রেনু আর কিছু না বলে উঠে দাঁড়ায়-
“আমি যাই ভাবি।”
জবাবের অপেক্ষা না করেই রেনু চলে গেলো। রুহি ভাবলো হঠাৎ কি হলো এই মেয়ের? ভাইকে ভয় পায় নাকি অন্য কিছু? এ বাড়ির মানুষগুলো সবাই অদ্ভুত। বাইরে একরকম ভেতরে আরেকরকম। মুখে একটা বললেও মনে আরেকটা চলছে। মনেহচ্ছে সবাই মুখোশ পরে ঘুরছে।

চলবে—
© Farhana_Yesmin

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here