মেঘবতী_কন্যা পর্ব ২০

0
303

#মেঘবতী_কন্যা পর্ব ২০
#সুমাইয়া আক্তার মিম

এক দিন,দুই দুই দিন করে অনেকগুলো দিন কেটে যায়।সময় কারোর জন্য অপেক্ষা করে না সে তাঁর আপন গতিতে ছুটে বেড়ায়।নিউ ইয়ারের আজ সপ্তাহ দুই কেটে গিয়েছে। সময়ের পরিবর্তনের সাথে অনেক কিছু পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে।সময় যেমন স্থির নয় তেমনি স্থির নয় মানুষের দৈনন্দিন দিনের জীবন যাপন।রূপ বারিশের সম্পর্কটাও অনেক স্বাভাবিক, দুজনের মাঝে প্রেম প্রেম শুভ্রতা।সকল দ্বিধা দ্বন্দ্ব বাদে রয়েছে আবেগময় অনুভূতি এক অন্যরকম ভালোলাগা আর ভালোবাসা।বারিশের রূপের মুখে শোনা ম্যাজিকাল সেই তিনটি ওয়ার্ড এর অপেক্ষা আর রূপ তাকে নানা ভাবে জ্বালাতন করার পরিকল্পনা।এই নিয়ে বেশ চলছে সব কিছু।বেশ ভাব জমেছে দুজনের মাঝে জেনো নবম দশম শ্রেণীর কিশোর কিশোরীর স্কুল পালিয়ে প্রেম নিবেদন করছে ঠিক সেই রকম।রূপ বারিশকে কিছু শর্ত দিয়েছে,যদি রূপের মুখ থেকে ভালোবাসি কথাটি শুনতে হয় তাহলে তাঁর সকল শর্ত মানতে হবে আর এটা হচ্ছে প্রধান শর্ত। বারিশও বেশ রূপের পছন্দ অনুযায়ী সব করে চলছে,রূপ যেমন যেমন পছন্দ ঠিক তেমন ভাবেই চলছে সবকিছু। কোনো কিছুতে বাধা নয় মন খুলে সব করে,সবই বারিশের সীমানায় বারিশের সাজানো গোলকের মাঝে চলছে।এতে জেনো রূপের ভালোলাগা ভালোবাসা তিরতির করে বেড়ে চলছে বারিশের প্রতি।মুখে প্রকাশ বাকি তবু ভালোবাসা অফুরন্ত।দিনকে দিন বারিশের ভালোবাসা পাগলোমো বাড়ছে সাথে রূপেরো বারিশের প্রতিটা কাজ মনোমুগ্ধকর লাগে। হয়তো ভালোবাসে বলে ভালোবাসার মানুষের প্রতিটি পাগলামোই অমৃত সুধা মনে হয়। লেখিকা সুমাইয়া আক্তার মিম।বারিশের অতিরিক্ত ভালোবাসা, পাগলামো রূপকে তাঁর ভালোবাসার কাছে বরাবর পরাজিত হতে হয়।একটু আহ্ করলে সারা বাড়ি মাথায় করে রাখে বারিশ, রূপের সামান্য কষ্ট তাঁর সহ্য হয়না।সব কিছু ধংস করে দিবে তাঁর রাগ।জেনো রূপের সামান্য কষ্ট বারিশকে একটু একটু করে নিখুঁত ভাবে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দেয়।যা একটুও বদলায়নি তা হলো বারিশের অতিরিক্ত রাগ,ভয়ংকর হিংস্রতা কিন্তু রূপের সাথে তাঁর এসব পেরে উঠে কখনো।রূপ তাঁর রাগকে কন্ট্রোল করার জন্য প্রদান অস্ত্র। সকলের কাছে বারিশ ভয়ংকর কোনো আইটেম বোমা হলেও রূপের কাছে তাঁর এসব চলে না। সবসময় রূপের মনের মতো গড়ে রেখেছে নিজেকে যাতে রূপের বিন্দুমাত্র কষ্ট না হয় তাঁর দ্বারা। সকলের কাছে দ্যা বারিশ খান একজন আতংকের নাম হলেও বিবির কাছে একদম শান্ত সে।কথাই আছে বনের বাঘ সারা পৃথিবীতে রাজত্ব করলেও ঘরে তাঁর বাঘিনীর রাজত্ব চলে।ভালোবাসা খুবই অদ্ভুত তেলকে জল আবার জলকে করে তোলে কঠিন বাষ্প। মাঝে মাঝে রূপও ভীষণ ভয় পায় বারিশকে যখন বারিশ মাত্রারিক্ত রেগে যায় কিন্তু ঠিক তখনি ম্যাজিকের মতো সব ঠিক হয়ে যায়, বারিশ তাঁর চোখের দিকে তাকালে সব রাগ উধাও হয়ে যায় তাই রূপও নিজের আদুরে আদুরে কথা দিয়ে সবসময় বারিশকে জব্দ করে কিন্তু বারিশের তীক্ষ্ণ বুদ্ধির কাছে তাঁর বুদ্ধি কিছুই না তবুও হয়ে যায়। রূপের দুষ্টুমি বাচ্চামো আগের তুলনায় অনেক বেড়ে গিয়েছে।কথায় আছে অতিরিক্ত ভালোবাসা পেলে খাপছাড়া হয়ে যায় ঠিক সেইরকম। সকলের ভালোবাসা বারিশের ভালোবাসা সে দিনকে দিন দুষ্ট হয়ে উঠছে, জীবনের সুখের মুহূর্ত গুলো প্রিয় মানুষটার সাথে প্রান খুলে উপভোগ করতে চায় সে। কিছু চাওয়ার আগে বারিশ তাঁর সব ইচ্ছে পূরন করছে, একজন আদর্শ স্বামী হওয়ার পাশাপাশি একজন ভালো বন্ধু হয়ে উঠেছে।এই ধমকিয়েছে,বকেছে আবার অতিরিক্ত ভালোবাসা দিয়ে পূরণ করে দিয়েছে।বারিশের কথা,আমি তোমাকে কষ্ট দিবো আবার আমি তোমাকে মাত্রারিক্ত ভালোবাসা দিয়ে সব ভুলিয়ে দিবো।বারিশের কথার অমান্য হলে তাকে শাস্তি পেতে হবে কোনো ছাড় নেই।এইভাবে চলছে তাদের খুনসুটি আর ভালোবাসার সংসার। রূপের ভার্সিটির ক্লাস শুরু হয়ে গিয়েছে তাই বারিশ তাকে রোজ ভার্সিটি দিয়ে আসে এবং নিয়ে আসে।মাত্র দুই দিন ভার্সিটির ক্লাস।যতোক্ষন ভার্সিটিতে থাকবে ততক্ষণ গার্ড তাঁর আগে পিছে থাকবে এটা জেনো আরেকটি মহা ঝামেলা। রূপের মতে এতোই যদি ভয়, তাহলে ঘরে বসিয়ে রাখলে পারে পড়াশোনার কি প্রয়োজন।সব আমাকে প্যারা দেওয়ার আর টর্চার করার নতুন নতুন নিন্জা টেকনিক। সবসময় চোখের সামনে থাকতেই হবে জেনো আড়াল হলে সে চুরি হয়ে যাবে। রূপ উপরে রাগ দেখালেও ভেতরে ভেতরে প্রচন্ড খুশি সেই,যদি এমন না হতো তাহলে তাঁর খুব রাগ হতো।

.
বারিশ অফিসে চলে গিয়েছে বেশ অনেক সময় হলো।সবাই সবার মতো বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত। রূপের আজ ভার্সিটি নেই যেহতু দুই দিন ক্লাস তাই বেশিরভাগ সে বাড়িতেই থাকে।এই দুই দিনও সে যেতে ইচ্ছুক নয়,নানা অজুহাতে দিয়ে না যাওয়ার চেষ্টা করলেও তা বারিশের কারনে হয়ে উঠে না।রূপ স্মাইলিকে খাবার খাইয়ে দিচ্ছে এমন সময় বাড়ির ল্যান্ড ফোনটি খুব উচ্চ স্বরে বেজে উঠলো। একজন সার্ভেন্ট গিয়ে কলটি রিসিভ করতে অপাশ থেকে কিছু বলাতে সার্ভেন্টি রূপের দিকে তাকিয়ে নিচু স্বরে বলল,

‘ম্যাম স্যার কল করেছেন আপনার মোবাইলে এক্ষুনি কলটি রিসিভ করতে বলেছেন।এক মিনিট এদিক সেদিক জেনো না হয়।’

সার্ভেন্টের কথা শুনে রূপ ভয়ে শুকনো কয়েকটি ঢোক গিললো।পাশে তাকিয়ে কোথাও নিজের মোবাইলটি না পেয়ে বুঝতে পারলো মোবাইল তাঁর রুমে রেখে এসেছে।বারিশ অফিসে গিয়েছে এগারোটায় এখন বাজছে বারোটা নিশ্চয়ই অনেক গুলো কল দিয়েছে। অফিসে গিয়েও তাঁর শান্তি নেই সারাদিন রাত তাঁর সাথে কলে লেগে থাকতে হবে। উফ্ এই জীবনে আর শান্তি মিলবে না। আজকে তাঁর অবস্থা বেহাল করে দিবে বারিশ।কোল থেকে এক জাটকায় স্মাইলিকে সোফায় ফেলে দিয়ে দিলো এক দৌড় নিজেদের রুমের দিকে। সবাই হা করে রূপের দিকে তাকিয়ে আছে বেচারি স্মাইলিও।রিনি আর মিসেস মিথিলা রূপের অবস্থা দেখে একে অপরের দিকে তাকিয়ে হেসে দিলেন। রিনি আলতো হাতে স্মাইলিকে কোলে তুলে নিয়ে আদর করতে লাগলো। পশমে হাত বুলিয়ে আফসোস সুরে বলতে লাগলো,

‘ইশ্ বেচারি পুতুল ভাবি আজকে নির্ঘাত ভাইয়ার হাতে নাজেহাল হবে।’

কথাগুলো বলে হেসে দিলো। মিথিলা মেয়ের মাথায় আস্তে চাপড় মেরে মিহি রাগ দেখিয়ে বললো,

‘সবসময় দুষ্টুমি।রূপ তোমার ভাবি হয় এসব কেমন কথার ধরন রিনি! বারিশ তোমার এমন কথা শুনলে তুলে এক আছাড় মারবে পাজি মেয়ে। সবসময় অভদ্রের মতো কথাবার্তা। তোমাদের নিয়ে আর পারা যায় না।’

রিনি তাঁর মায়ের দিকে তাকিয়ে দাঁত বের করে হেসে বললো,

‘ কী করবো আম্মি?আমার ভাইয়া এতো রোমান্টিক বেচারি পিচ্চি ভাবির নাজেহাল তো হওয়ারি কথা।’

রিনির কথা শুনে মিথিলা খান এইবার আরো জোরে ভারি মেরে বকতে বকতে কিচেনে চলে যান।এই ছেলে মেয়ে দুটোই বেশরম কারোর মুখেই কথা আটকায় না।যা মনে আসবে তাই বলবে। মায়ের সামনে কিসব কথা বলছে।রিনি মায়ের যাওয়ার দিকে তাকিয়ে কিটকিট করে হাসতে লাগলো।

~রূপ রুমে প্রবেশ করে নিজের মোবাইলটা হাতে নিতেই পুনরায় উচ্চ স্বরে বেজে উঠলো।মোবাইলটা ভয়ে ভয়ে কানে দিতেই বারিশের দাঁত কিরমির করার আর ফুসফুস নিঃশ্বাসের আওয়াজ ভাসতে লাগলো। ভীষণ রেগে আছে বারিশ যা তাঁর ফুসফুস নিঃশ্বাস প্রমানিত। রূপ সামনে থাকলে নির্ঘাত কাঁচা চিবিয়ে খেতো । ‌রূপ ভয়ে রিতিমত কাঁপছে কিছু বলার জন্য মুখ দিয়ে কথা বের করবে তাঁর পূর্বে বারিশ চিৎকার করে দিলো এক ধমক, সাথে সাথে কান থেকে কিছুটা দূরে নিয়ে গেলো মোবাইলটা। বুকে হাত দিয়ে মোবাইল কানে দিতেই বারিশ দাঁতে দাঁত চেপে হিসহিসিয়ে বলতে লাগলো,

‘মোবাইল কী এখানে সেখানে রাখার জন্য দেওয়া হয়েছে তোমাকে। ফাজিল মেয়ে থাপ্পড় মেরে একদম গাল লাল করে দিবো। কয়টা কল দিয়েছি?

রূপ ভিতু গলায় মিনমিন করে বললো,

‘জ্বী ১০৫ টা।’

বারিশ পুনরায় ধমকিয়ে বললো,

‘কোথায় ছিলে আর মোবাইল কেনো পাশে ছিল না। আমি বলেছিলাম না একটা রিং হওয়ার সাথে সাথে আমার তোমাকে কলে চাই। চব্বিশ ঘন্টা মোবাইল পাশে চাই,ওয়াশরুমে যাওয়ার সময় জেনো মোবাইল পাশে থাকে। তাহলে ভুল কেনো হয়েছে!আন্সার মি ড্যাম ইট।’

বারিশের চিৎকার শুনে রূপ ঠোঁট উল্টিয়ে নিলো। সবসময় এতো তেতে থাকে কেন এই লোকটা। রূপ স্মাইলির কথা বলতে নিও বলেনি।যদি শুনেছে সামান্য কারোর কারনে তাঁর কল রিসিভ করতে দেরি হয়েছে তাহলে হয়ে গেলো লংকাকান্ড।এক থাবায় স্মাইলিকে মেরে গুম করে দিবে।এই পৃথিবীতে রূপের কাছে একজন ইমপ্যটেন্ট হতে হবে আর সেটা বারিশ নিজেই।রূপ আস্তে করে বললো,

‘স্যরি আর হবে না। পরবর্তী থেকে মোবাইল প্রয়োজন পরলে গলায় ঝুলিয়ে রাখবো তবুও সাথে সাথে রাখবো এবং কল ধরতে একবিন্দু দেরি হবে না।প্রমিস। এইবার একটু শান্ত হোন।’

রূপের কথা শুনে বারিশ দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বাঁকা হেসে বলল,

‘গুড!এখন পাঁচ মিনিটের মাঝে রেডি হয়ে নিচে আসো,গার্ড তোমার জন্য অপেক্ষা করছে। অফিসে চলে আসবে।পনেরো মিনিটের মাঝে তোমাকে আমার সামনে চাই।ইউর টাইম স্টার্ট।’

কথাটা বলে গট করে মোবাইল কেটে দিলো বারিশ।রূপ থ মেরে বসে থেকে জলদি জলদি রেডি হতে লাগলো ‌।এক মিনিট এদিক সেদিক হলে নিস্তার নেই।রেডি হয়ে নিচে আসতে গার্ড তাকে নিয়ে গাড়িতে বসতে বললো। গাড়িতে বসতে গাড়িটি আপন গতিতে চলতে লাগলো বারিশের অফিসের উদ্দেশ্যে। পেছনে আরেকটি গাড়ি সেখানে গার্ড রয়েছে তাঁর সেফটির জন্য।রূপ মিনমিন করে হায় হুতাশ করে বললো,

‘যেখানে বিখ্যাত বারিশ খান এতোটা ভয়ংকর সেখানে সেফটির জন্য গার্ড বিলাসিতা।’

কথাটা বলে মুখ ভেংচি কেটে জানালা দিয়ে বাহিরের দৃশ্য দেখতে মগ্ন হয়ে পরলো।

_

অন্ধকার রুম।রুমের চারিদিকটা লাল পর্দা দ্বারা আবরন করা সাথে লাল রঙের লাইট মিটমিট আলো দিচ্ছে।পর্দা ঠেলে একজন পুরুষ রুমে প্রবেশ করে।টেবিলের উপর হাতে থাকা ড্রাগসের প্যাকেট থেকে ড্রাগস ঢেলে নিচু হয়ে ড্রাগস নিতে লাগলো।চোখ মুখ খুবই ভয়ংকর হয়ে আছে।বেশ কিছুক্ষণ ড্রাগস নেওয়ার পর দুই হাত দিয়ে পাগলের মত মাথা ঝাকাতে লাগলো।নাক দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে অতিরিক্ত ড্রাগস নেওয়ার ফলে।ফ্রেশ হয়ে টিভি অন করতে নিজের আজকের করা কুকর্মের হ্যাড লাইন দেখে পৈশাচিক আনন্দ পেতে লাগলো।হ্যাডলাইনে বড় বড় অক্ষরে লিখা বিখ্যাত খেলোয়াড় ছায়ান সিত্তিস ডিজে ক্লাবে পার্টিতে উপস্থিত একটি মেয়েকে সকলের সামনে বিয়ারের বোতল দিয়ে পিটিয়ে নির্মম ভাবে হত্যা করেছেন। এতো টুকু দেখে উচ্চ স্বরে হেসে উঠলো ছায়ান। কিছু করতে পারবে না তাঁর কেউ।খুব শান্তি লাগে যখন সকলে তাকে ভয় পায়। আজকে পার্টিতে মেয়েটিকে কিস করতে গেলে তাকে সকলের সামনে থাপ্পড় মারে যার শাস্তি আরো ভয়াবহ হওয়ার কথা ছিলো ভাগ্যিস আজ রাতে তাঁর ফ্লাইট তাই বেশি একটা কষ্ট দিয়ে মারেনি।এটা তাঁর বেস্ট ক্লাভ সম্পূর্ণ এক বড় জায়গা জুড়ে এর অবস্থান। এখানে সে সব কুকর্ম করে বেড়ায়।যাদের খুব হিংস্র ভাবে মেরে ফেলে তাদের এখানে নিয়ে আসে এবং নিজের কাজের পরিনতি দেয়।ড্রয়ার থেকে একটি মেডিসিন বের করে খেয়ে নিলো।এই মেডিসিন টা না নিলে মাথার যন্ত্রনায় তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাঁর জীবন তাঁর কাছে সবচেয়ে মূল্যবান।তৈরি হয়ে আয়ানায় নিজেকে দেখে নিলো।এই পৃথিবীতে সে নিজেকে ভালোবাসে আর কাউকে না। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে কাঁধ হেলিয়ে বের হয়ে যায়। ইন্টারন্যাশনাল খেলার জন্য তাঁকে আমেরিকায় যেতে হবে আজকে রাতের ফ্লাইটে।সাথে নিজের ড্রাগস বিজনেস এর ডিল ফাইনাল করতে হবে।একজন গার্ড দরজা খুলে দিতে সে গাড়িতে উঠে বসে ।

ছায়ান সিত্তিস একজন চায়নিজ নাগরিক।বাবা একজন ড্রাগস ডিলার হওয়ায় সেও ছোট বেলা থেকে ড্রাগস নেশা নিয়ে মত্ত ছিলো। অতিরিক্ত ড্রাগস সেবনের ফলে তাঁর মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে যায়।ড্রাগস নেওয়ার পর একদিন নিজের হাতে নিজের বাবা মা কে খুন করে। এরপর থেকে সে হয়ে উঠে খুব জঘন্য ড্রাগস আসক্ত মাডারার। দিনকে দিন তাঁর পাগলামো বেড়ে খুব খারাপ রূপ নেয়। সকলের সামনে এই ভালো আর যার উপর রেগে যায় তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত। একজন নামিদামি বড় খেলোয়াড় এর পাশাপাশি সে একজন ড্রাগস ডিলার।খুন করা তাঁর আরেক নেশা সকলে তাকে ভয় পাবে এটা তাকে পৈশাচিক আনন্দ দেয়।নারী আসক্তি আর ড্রাগস সেবন ছাড়া তাঁর চলে না।

#চলবে,,,❣️
[লেখিকা-সুমাইয়া আক্তার মিম✵]
❌কার্টেসী ছাড়া কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ❌
[আজকের পর্বটা কেমন হয়েছে সবাই গঠন মূলক মন্তব্য করুন]
গল্প সম্পর্কে আলোচনা করতে এবং আড্ডা দেওয়ার জন্য নিচের গ্ৰুপে জয়েন হওয়ার অনুরোধ রইল 🦋
https://www.facebook.com/groups/317078740134340/?ref=share

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here