অদৃষ্টচর #written_by_Nurzahan_Akter_Allo #Part_04

0
79

#অদৃষ্টচর
#written_by_Nurzahan_Akter_Allo
#Part_04

রুপকে ওর খালা কিছুদিন থাকার জন্য জোর করলো। রুপ প্রথমে থাকতে চাইনি। পরে যখন ওর আব্বু বললো, তখন সে আর না করতে পারেনি। মুখের উপর না বলে চলে যাওয়াটা অভদ্রতা হবে। রুপের আব্বু রুপকে কলেজ মিস করতে বারণ করলো। উনি ড্রাইভারকে দিয়ে ওর কলেজ ড্রেস আর বই পাঠিয়ে দিবেন বলেছেন। একথা শুনে রুপ খুশিই হলো। সাথে খালামণিও জানালো রুপকে রাহীদ নাহলে রাহাত কলেজে পৌঁছে দিবে আবার নিয়ে আসবে। একথায় ঠিক হলো যে রুপ এখানে থাকবে। রুপের আব্বু-আম্মু রাতের ডিনার সেরে চলে গেল। যাওয়ার আগে রুপের আব্বু বার বার বলে গেছে যেন সাবধানে থাকে। দুইদিন পর উনি এসে নিয়ে যাবে। ওর বাবার কথা শুনে রুপে মুচকি হেসেছে। কারণ সে জানে ওর আব্বু ওকে ছাড়া থাকতে পারবে না। দেখা যাবে দুইদিন হওয়ার আগেই ওকে নিয়ে যাবে।

রুপ বেডে হেলান দিয়ে একটা উপন্যাস পড়ছিলো। বইটা সে রাহীদের থেকে নিয়ে এসেছে। ও এতটা মনোযোগ দিয়ে উপন্যাস পড়ছে যে একপ্রকার ডুবে গেছে উপন্যাসটার মধ্যে।
রাহাত নিজের রুমে শুয়ে গেম খেলছে। খালামণি পাশের ভাবির বাসায় গেছে। বাসায় ভালো কিছু রান্না হলে উনাকে দিয়েই খায়। এক কথায় পাশের বাসার ভাবি উনার বান্ধবী। রাহীদের আব্বুও একটু আগে বাইরে গেছে উনার প্রেশারের মেডিসিন আনতে। সাথে চায়ের দোকানে বসে একটু আড্ডাও হয়ে যাবে। বাসায় চা খেলেও, বন্ধুরা মিলে টং দোকানে চায়ের সাথে আড্ডা দেওয়ার মজাই আলাদা।

রাহীদ ওর রুম থেকে বের হয়ে, রান্না ঘরে গিয়ে নিজে দু’মগ কফি বানালো। ট্রেতে করে মগ দু’টো নিয়ে রাহীদ রুপের দরজায় নক করে বললো,

–“আসবো রুপ?”

–“জ্বি‌ ভাইয়া, এসো।”

রাহীদ রুপের দিকে কফির মগ এগিয়ে দিলো। রুপ মুচকি হেসে মগটা নিলো। রাহীদ রুপের সামনে বসলো। রুপ রাহীদের চোখে মুখে টেনশনের ছাপ দেখতে পাচ্ছে। হয়তো সে কিছু নিয়ে টেনশনে আছে। আর টেনশনের কারণ কাউকে শেয়ার করলে নিজেকে হালকা লাগে। তবে শেয়ার করা উচিত অবশ্যই বিশ্বাসযোগ্য কোনো লোকের কাছে। যাতে কেউ টেনশনের কারণ জানতে পেরে পরে ফায়দা উঠাতে না পারে। সেটা হোক ভাই, বোন, বন্ধু, বান্ধবী, অফিসের কলিগ, পাশের বাসার ভাবি থেকে শুরু করে সবার ক্ষেতেই। রাহীদকে চুপ করে থাকতে দেখে রুপ বলে উঠলো,

–“কিছু কি হয়েছে? আমার কাছে শেয়ার করতে পারো ভাইয়া। কথা দিচ্ছি অবিশ্বাসের কিছু করবো না। আর আমি তোমাকে ভা‌লো বুদ্ধি দিতে না পারলেও খারাপ কোনো বুদ্ধি দিবো না।”

রুপের কথা শুনে রাহীদ নিঃশব্দে হাসলো। যাকে মন প্রাণ উজার করে দিয়ে নিঃস্ব হয়ে বসে আছে। তাকে অবিশ্বাস করার প্রশ্নই আসে না। রাহীদ আস্তে ধীরে
রুপকে দিপার কথাটা বললো। রুপ শুনেও স্বাভাবিকই আছে। যেন এটাও নরমাল একটা ব্যাপার। রাহীদ রুপের দিকে তাকালো। রুপ স্বাভাবিক ভাবেই কফির মগে চুমুক দিচ্ছে। রুপের এতটা স্বাভাবিক থাকার কারণ আছে। আর সেটা হলো, আমাদের পৃথিবীটাই তো ভালো-খারাপ মিলে। এখানে অবাক হওয়ারও কিছু নেই। আগে এসব মুভিতে হতো। এখন বাস্তবেও এসব হয়ে থাকে। যুগ বদলানোর সাথে সাথে এসব জঘন্য কাজগুলো আরো বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিছু কিছু ঘটনা প্রকাশ হলেও বাকি গুলো অপ্রকাশিত থেকে যায়। আর কোথায় তো লিখা নেই যে মেয়েরা ধোঁয়া তুলছি পাতা হয়েই পৃথিবীতে বিচরণ করছে। যুগের সাথে সাথে আমরা বিবেকের ক্যালকুলেটরকে বন্ধ করে দিচ্ছি। এজন্য এত পাপে লিপ্ত হতে আমাদের বিবেকে বাঁধছে না। রুপ গভীর ভাবে কিছু একটা ভাবলো। এরপর রাহীদের দিকে তাকিয়ে, কফির মগে আর একবার চুমুক দিয়ে শান্ত কন্ঠে বললো,

–“তোমার মান-সন্মান ধুলোয় মেশানোর আগে তার অপকর্ম সবাইকে জানিয়ে দাও। তোমার যদি দোষ না থাকে, তুমি সাইলেন্ট হয়ে বসে থাকবে কেন? আর তুমি চুপ করে থাকলে সে আরও উগ্র আচরণ করতে থাকবে। আজকে সরাসরি তোমাকে শরীরের লোভ দেখাচ্ছে। কালকে ইডিটের মাধ্যমে তোমার নুড পিক বের করবে না, এর কোনো গ্যারান্টি নেই। মেসেজ, চিঠি, কল রেকর্ড, তোমার কাছে যা প্রমান আছে, সেগুলো নিয়ে তুমি কলেজের সর্বপ্রধানকে দেখিয়ে দাও। তুমি চুপ থাকলে তোমার জায়গায় আসা অন্য টিচারও যে এমন ফাঁদে পড়বে না, এটার গ্যারান্টি কে দিবে? সে যেন এমন করতে না পারে এজন্য তার রাস্তাটাই বন্ধ করে দাও। ভাইয়া শোনো, যার থুতু ফেলে সেটা চেটে খাওয়া স্বভাব থাকে। তাকে সোনার থালায় খেতে দিলেও সে সেইম কাজটাই করবে। তাই যার স্থান যেখানে, তাকে সেই স্থানেই রাখাটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।”

রাহীদ মনোযোগ দিয়ে রুপের কথা গুলো শুনলো। এজন্যই রুপকে রাহীদ এতটা ভালবাসে। রুপের মধ্যে অদ্ভুত এক গুন আছে, যেটা দিয়ে ও সহজেই কোনো মানুষকে সমাধান খুঁজে দিতে পারে। শান্ত আর চুপচাপ থাকা মেয়েটা মারাত্নক বুদ্ধিমতী। এই বয়সেও গভীর চিন্তা করে সমস্যা সমাধান করার ক্ষমতা রাখে। রাহীদ রুপকে খুব ভালো ভাবে খেয়াল করেছে। আর এটাই বুঝেছে যে, রুপের মধ্যে ছেলে মানুষী খুব কম দেখা যায়। ওর বয়সের তুলনায় নিজেকে সেভাবেই গড়ে তুলেছে। রাহীদও ঠিক করলো রুপের কথা অনুযায়ী সে তাই করবে। কারণ শিক্ষকতা খুব সন্মানিত একটা পেশা। দিপার কাজে প্রশ্রয় দেওয়ার মানে শিক্ষকতাকে অসন্মান জানানো।

শ্রেয়ান ওর প্রোগ্রাম শেষ করে বাসায় ফিরলো। একটু পর বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে যাবে৷ হালকা নাস্তা করে রেডি হয়ে আবার বাইক উঠে বসলো। কিন্তু সে বাইক নিয়ে বের হতে পারছে না। সামনের বিল্ডিংয়ে নতুন কেউ উঠছে মনে হয়। এজন্য ট্রাক ভর্তি জিনিসপত্রে রাস্তা আটকে ফেলেছে৷ শ্রেয়ান বিরক্ত হয়ে উঁকি-ঝুঁকি দিলো। কিন্তু কাউকে পেল না। একটা ছেলেকে দেখে শ্রেয়ান তাকে উদ্দেশ্য করে বললো,

–“ভাই আসসালামু আলাইকুম ।”
–“ওয়ালাইকুম আসসালাম।”
–“আমি শ্রেয়ান।”
–“আমি পবিত্র।”
–“বলছিলাম যে আপনি কি এই বিল্ডিংয়ে নতুন উঠছেন?”
–“জ্বি।”
–“আমার একটু তাড়া ছিলো। এই ট্রাকটার জন্য যেতেও পারছি না। কাইন্ডলি আমাকে যদি একটু সাহায্য করতেন।”
–“জ্বি অবশ্যই।”

পবিত্র ড্রাইভারকে গাড়িটা সাইড করতে বললো। এরপর নিজেও হাত লাগিয়ে শ্রেয়ানকে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিলো৷ শ্রেয়ান মুচকি হেসে পবিত্রের সাথে আবার দেখা হবে বলে নিজের গন্তব্যে চলে গেল। পবিত্রও মুচকি হেসে বিদায় দিয়ে নিজের কাজ করতে লাগালো।

আদ্রিয়ান চার ঘন্টা হলো ওটিতে ঢুকেছে। ওর এই পেশেন্টের বয়স ১৯ বছর। সারাজীবন ওর পরেই আছে। আদ্রিয়ান নিজেও চাই এই মেয়েটাকে সুস্থ করতে তুলতে। এই মেয়েটার মাথায় রক্তের চাপ বেঁধে রক্তক্ষরণ হয়েছে৷ এজন্য ওর প্রাণ সংশয় দেখা দিচ্ছে। এই অপারেশনটা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। মেয়েটার বাবা-মা, ভাই-বোন সাকসেস কথাটা শোনার জন্য ওটির বাইরে অধীর আগ্রহের বসে আছে। এমনকি এই মেয়েটার ভালবাসার মানুষ অাদ্রিয়ানের পা ধরতে গিয়েছিল। সে হাত জোর করে কেঁদে কেঁদে ওর প্রাণ ভিক্ষা করছিল। আদ্রিয়ান ছেলেটার কাঁধে হাত রেখে শুধু একটা কথায় বলেছিলো,

–“আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন।”

ওটিতে আরো ডক্টররা উপস্থিত আছে। এই পেশেন্টের অবস্থা বেশ খারাপ। সবার কপালে ভাঁজ পড়েছে। শুধু আদ্রিয়ান একদম স্বাভাবিকভাবে অপারেশনের যন্ত্রপাতি নিয়ে ওর ব্রেণ আর হাতকে ধীর গতিতে চালিয়ে যাচ্ছে।
সে এক একটা অপারেশনকে যুদ্ধ ভাবে। আর প্রতিটা যুদ্ধে সে জয়ী হয়েই ফিরতে চাই। এই যুদ্ধেও সে জয়ী হয়ে ট্রপি হিসেবে লুফে নিতে চাই পেশেন্টের মায়ের থেকে দোয়া আর ভালবাসা। এই অপারেশনটা যেমন ঝুঁকিপূর্ণ, তেমনি রোগ নিরাময়ের হবারও একটা মাধ্যমও বটে। এই পেশেন্টের এমআরআই থেকে মাথায় একটা অ্যানিউরিজম ধরা পড়েছে৷ মস্তিষ্কের অ্যানিউরিজম মানে মগজের কোনো ধমনিতে রক্ত চাপ বেঁধে একটি জায়গা ফুলে ওঠা৷ এ ধরনের অ্যানিউরিজম প্রায়শ মাত্র কয়েক মিলিমিটার পুরু হয়। এবং তার কোনো উপসর্গ থাকে না৷ অ্যানিউরিজম যতক্ষণ পর্যন্ত ফেটে না যাচ্ছে, ততক্ষণ আশঙ্কার কিছু নেই৷ কিন্তু ফেটে গেলে ভয়ংকর কিছু ঘটে। অর্ধেক রোগী সঙ্গে সঙ্গে কিংবা কিছুক্ষণের মধ্যে মারা যান৷ আল্লাহ রহমত আর ডক্টরদের প্রচেষ্টায় মেয়েটির অপারেশন সাকসেসফুল হলো৷ প্রায় চার ঘন্টা পর আদ্রিয়ান ও অন্যান্য ডক্টররা ওটি থেকে বের হলো। মেয়েটি মা আদ্রিয়ানের সামনে গিয়ে হাউমাউ করে কেঁদে বললো,

–“বাবা আমি তোমাকে ছুঁয়ে দেখতে পারি। তোমার হাতে যশ আছে।”

অাদ্রিয়ান মুচকি হেসে ওই মায়ের হাতটা ওর মাথার উপরে রাখলো। উনি কেঁদে কেঁদে আদ্রিয়ানের জন্য দোয়া করলো। আদ্রিয়ান মুচকি হেসে উনার হাত ধরলো। উনি থরথর করে কাঁপছে। অাদ্রিয়ান উনাকে একটা চেয়ারে বসিয়ে মৃদুভাবে বললো,

–“একজন মায়ের চোখের পানি আল্লাহর দরবার থেকে ব্যর্থ হয়ে ফিরে যায় না। আল্লাহ ভরসা! ধৈর্য ধরুন সব ঠিক হয়ে যাবে। ”

একথা বলে আদ্রিয়ান চলে গেল। ওর পুরো শরীরে রক্তে মাখামাখি। টানা চার ঘন্টা পর ওটি থেকে বের হওয়া পর, সাকসেস কথা শুনে পেশেন্টের বাড়ির লোকদের হাসিমুখ দেখলে সব কষ্টই যেন ওর কাছে ফিকে হয়ে যায়। আদ্রিয়ান ওর কেবিনে গিয়ে একেবারে হট শাওয়ার গিয়ে অযু করে নিলো। এরপর সে এশার নামাজে দাঁড়িয়ে গেল। আল্লাহর রহমতের জন্য সে এই ঝুঁকিপূর্ণ কাজটা সফল করতে পারলো। এজন্য অবশ্যই তার আল্লাহর শুকরিয়া জানানো উচিত। আর প্রতিটা অপারেশন পর অাদ্রিয়ান আল্লাহর শুকরিয়া আর পেশেন্টের সুস্থতার জন্য দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ে নেয়। আর এটা করে আসছে সে সেদিন প্রথম অপারেশন করে সফল হয়েছিলো সেদিন থেকে।

পরেরদিন_____!!

কালকে রাতে রুপের খালা-খালু, রাহাত, রাহীদ আর রুপ মিলে রাত তিনটা অবধি গল্প করেছে। শেষ রাতের দিকে সবাই ঘুমাতে গেছে। আর যাওয়ার আগে রাহীদের আব্বু মেইন গেইটে বড় তালা ঝুলিয়ে গেছে। বড় বাড়ি, দিন কাল ভালো না। চোর ডাকাতের তো বিবেক বুদ্ধি নাই। যখন তখন হানা দিতে পারে। এজন্য মেইন গেইটে দারোয়ান থাকা সত্ত্বেও উনি তালা দেয়। রাতে কারো ঘুম হয়নি। এজন্য সবাই আটটার দিকে ঘুম থেকে উঠলো।

এদিকে সংবাদপত্রের প্রথম পেজে একটা মেয়ের ক্ষত-বিক্ষত লাশের খবর বড় করে হেডলাইন করা হয়েছে। মেয়েটাকে ভয়ংকর ভাবে মারা হয়েছে। এতটা ভয়ংকর দৃশ্য যে, হুট করে এই ছবিটা কারো চোখে পড়লে যে কেউ ভয়ে আঁতকে উঠবে। এর সাথে টেলিভিশন, সংবাদপত্র, ফেসবুক থেকে শুরু করে সব জায়গায় নিখোঁজ সংবাদ ছড়িয়ে পড়ছে। আটটা জেলা থেকে আটজন যুবক উধাও। আর সেই সব যুবকের বয়স ২০/২৪ এর মধ্যে।

একদিকে সবুজের মৃত্যু, তারপরে এই মেয়ের মৃত্যুর সংবাদ। তার উপরে মরার উপর ফাঁড়ার ঘা হয়ে আটজন যুবক উধাও। এসব নিয়ে প্রশাসনের লোকরা হিমশিম খাচ্ছে। খুনীকে ধরতে গিয়ে তাদের কাল ঘাম ছুটে যাচ্ছে। তারাও দৌড়ের উপর আছে। রাস্তায় মানববন্ধন করা শুরু হয়ে গেছে।

কয়েকজন পুলিশ তো বিশ্রীভাষায় সে খুনীকে গালাগালও করেছে। উসমান নামের একজন পুলিশ তো রাগে গজরাতে গজরাতে বলেই ফেললো,

–“হালার পো হালা খুনীকে ধরার ট্যানশান, তাঁর সাথে উপর মহলের চাপ। দুইডা মিলাইয়া আমার কোষ্ঠকাঠিন্য হইয়া গেছে গা। পায়খানার প্যানে বইসা কুত পারতে পারতে আমার জানখান বাইর হইয়া যাইতেছে গো জলিল ভাই। মাগার এক ফুটাও হা* বাইর হইতাছে না। একবার ওই কুত্তার ছাও খুনীরে পাইলে, ওরে গরম গরম ডিম থেরাপি দিবো; যতক্ষণ ওই হালার জানখান বাইর না হয়।”

উসমানের কথা শুনে ওপর পাশের পুলিশও কিছু একটা বললো। রোদের মধ্যে উনারা ডিউটি করছে। কড়া রোদে মাথার চাঁদিটাও গরম হয়ে উনাদের মেজাজ বিগড়ে গেছে৷ ওইদিকে রাস্তায় মানব বন্ধন চলছে। তাই গাড়ি আটকে জ্যাম বেঁধে গেছে। এজন্য এই পুলিশগুলো ওইদিকেই গেল।

এই বিল্ডিংয়ের কারো ফোন কলে পুলিশ মেয়েটার বাসায় আসে। মেয়েটার রুম থেকেই পুলিশ মেয়েটার বিধস্ত লাশ উদ্ধার করেছে। আর রুম খুঁজে পেয়েছে দশটা কন**র প্যাকেট, ছিয়াত্তর পিস ইয়াবা। এর সাথে সাতটা ইনটেক করা সিরিঞ্জ আর ৮ টা প্যাথোডিন। পুলিশ মেয়েটার হ্যান্ড ব্যাগ চেক করে একটা আইডি কার্ডও পেয়েছে। আর সেখান থেকেই জানা যায় মেয়েটার নাম দিপা সাখাওয়াত। রাহীদ যে কলেজের প্রফেসর, মেয়েটা সেই কলেজেই পড়ে। এক রাতের মধ্যে দিপা খুন, অন্যদিকে আটটা যুবক উধাও। কে আছে এর পেছনে? সে কেনই বা এমনটা করছে? আর তার আসল উদ্দেশ্যটাই বা কি?

To be continue…..!!

( রেসপন্স না করলে এই গল্পটাও এখানেই সমাপ্ত হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here