বিষাক্তময় আসক্তি – পর্ব ১৪

0
137

বিষাক্তময় আসক্তি (The Villain😈)
Sumaiya Akter Mim
পর্ব ১৪…………🌼

জিসানের গাড়িটা একটা তিনতলা বিশিষ্ট বাড়ির সামনে থামলো।আয়ানা নিভু নিভু চোখে চারিপাশে তাকিয়ে দেখলো। কখন জানি চোখ দুটো লেগে গেছে বুঝতে পারিনি সে!আয়ানা সোজা হয়ে বসে পাশে তাকাতে দেখলো জিসান তার দিকে ঘোর লাগা দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে!তা দেখে ভরকে যায় আয়ানা সোজা হয়ে বসে নিজের চাদরটা ভালো করে জরিয়ে ঢুক গিলে বলতে থাকে আয়ানা,,,,

“আমরা কোথায় এসেছি ভাইয়া?আর এটা কোন জায়গা? আমি বাসায় যাবো ভাইয়া!

আয়ানার কথা শুনে রেগে জিসান আয়ানার বাহু ধরে একদম নিজের কাছে নিয়ে আসে।তা দেখে ভয়ে চোখ বন্ধ করে ফেলে আয়ানা।।

জিসান আয়ানার মুখের চুল গুলোকে সরিয়ে, কঠিন গলায় বলতে লাগলো,
আর যদি একবার ভাইয়া ভাইয়া বলিস তো আমার থেকে খারাপ আর কেউ হবে না। বলে আয়ানার হাত ছেড়ে দেয় জিসান।।

জিসানের কথা শুনে ভয়ে কান্না করে দেয় আয়ানা।সে বুঝতে পারছে না জিসান এমন কেনো করছে তার সাথে!আয়ানা কাঁপা কাঁপা গলায় বলল,,

এমন কেনো করেছো ভাইয়া? আমি কি করেছি?যে তুমি আমার সাথে এমন করছো?

জিসান এবার রেগে আয়ানার চুলের মুঠি ধরে মুখের কাছে এনে জোরে চিৎকার করে বললো,,,

“আমি তোর ভাই না। আমি তোকে ভালবাসি বুঝতে পেরেছিস!আর আজকে আমাদের বিয়ে!বলে আয়ানাকে নিয়ে নিচে নামতে যাবে আয়ানা টান দিয়ে হাত টা সরিয়ে ফেলে।

“তুমি পাগল হয়ে গেছো ভাইয়া কী উল্টো পাল্টা কথা বলছো! আমার তোমাকে একদম ভালো লাগছে না! বলে বের হয়ে যেতে নিলে জিসান আয়ানার হাত ধরে ফেলে।।

“কোথায় যাচ্ছিস আয়ু পাখি আজকে আমাদের বিয়ে চল বলে গাড়ি থেকে টেনে নামায় আয়ানাকে।

আমি তোমায় কখনো বিয়ে করবো না ভাইয়া তুমি পাগল হয়ে গেছো! আমি তোমাকে সেই ছোটবেলা থেকেই নিজের ভাই মনে করি আর তুমি! আমার ঘৃনা লাগছে তোমাকে বলে রেগে মুখ ফিরিয়ে নেয় আয়ানা।।

আয়ানার কথা শুনে আরো ক্ষেপে যায় জিসান!আয়ানার চুলের মুঠি আরো শক্ত করে ধরে ব্যাথায় আর ভয়ে আয়ানা কান্না করতে লাগলো। তবু যেনো জিসানের হেলদুল নেই সে আয়ানার চুলের মুঠি আরো শক্ত করে ধরে বলতে থাকে,,,

“ঘৃণা করিস আমাকে! ঘৃণা! এতো বড় সাহস তুই কোথায় পেলি আয়ানা ! সেই ছোটবেলা থেকে তোকে আমি ভালোবাসি আর তুই বলে জোরে চিৎকার দিল জিসান।।
জিসানের চিল্লানোতে আয়ানা আরো ভয় পেয়ে যায়।। কখনো এমন রূপ দেখেনি জিসানের। সবসময় খুব ভালো ব্যবহার করতো।। সবসময় আয়ানার খেয়াল রাখতে!আয়ানা একটু ব্যাথা পেলে সারা বাড়ি মাথায় করে রাখতো!আর আজ সেই জিসান ভাইয়া তাকে হার্ট করছে ভাবতে আরো কষ্ট হচ্ছে তার।।আয়ানার ভাই নেই বলে সে জিসানের সাথে অনেক ফ্রী কখনো এমন কিছু জিসান কে নিয়ে ভাবে নি আর জিসান যে তার সম্পর্কে এমন ভাবে তা ও বুঝতে পারে নি।।যদি বুঝতো দ্বিতীয় বার কোনো দিন তার সামনে আসতো না।।।ব্যাথার কারণে আয়ানা কান্না করতে লাগলো।।।

“আয়ানাকে কান্না করতে দেখে জিসান আয়ানার চুলের মুঠি ছেড়ে দেয়! তারপর আয়ানার গালে হাত রেখে বলে;;

স্যরি আয়ু পাখি আমি এমন করতে চাই নি টার্স মি কাঁপা কাঁপা গলায় বললো জিসান। তুই প্লিস রাজি হয়ে যায়। আমি তোকে সেই ছোটবেলা থেকেই ভালোবাসি।তোর আমার বিয়ে ছোট বেলায় ঠিক করে রেখেছে আব্বি জান আর চাঁচা জান! শুধু মাত্র তোর বড় হওয়ার উপেক্ষায়।আয়ানা তো কান্না করেই চলেছে সে এসব কথা কিছুই বুঝতে পারছেনা!আর বুঝতে ও চায় না সে কিছু!তার এখন এখান থেকে পালাতে হবে।এক ঝামেলা পার করে আরেক নতুন ঝামেলায় পরছে।। আজকে মনে হচ্ছে তার কাছে সে অবশ্যই কোনো ঝামেলা লগ্নে জম্ম গ্রহণ করেছে তা নাহলে এতো ঝামেলা কীসের তার লাইফে।।।

“জিসান আয়ানাকে জোর করে দোতলায় একটি ফ্লাটে নিয়ে যায়!আয়ানাকে একটি রুমে আটকিয়ে বাহিরে চলে যায়।আর আয়ানা জোরে জোরে চিৎকার করতে লাগলো তাকে ছাড়ার জন্য। নিজেকে বড্ড তুচ্ছ জীব মনে হচ্ছে তার কাছে।। কান্না করতে করতে দরজার সাথে হেলান দিয়ে বসে পড়ে আয়ানা।।

“কিছুক্ষণ পর জিসান দ্রুত রুমে প্রবেশ করে আয়ানাকে দাঁড় করিয়ে টানতে টানতে নিয়ে যায় ড্রইংরুমে।। আয়ানা অনেকবার ছাড়া পাওয়ার চেষ্টা করেছে কিন্তু জিসানের হাত থেকে ছাড়া পায় নি। আয়ানাকে নিয়ে জিসান একটা সোফার উপর বসে যায় আর অপর পাশে একজন উকিল আর একজন কাজী বসে আছে তারা টেবিলের উপর কিছু কাগজপত্র ঠিক করছে।।

উকিল তার সামনে কাগজ রাখতে জিসান গটাগট সাইন করে দেয়! আয়নার কাছে জিসান কাগজটি ধরে সাইন করতে বললে আয়ানা না করে দেয় সে সাইন করবে না।।

“সাইন কর আয়ানা আমাকে রাগাবি না।। জলদি জলদি সাইন কর বলে আয়ানার সামনে জোরে কাগজটা রাখলো জিসান।।

আ_আমি সাইন কর_বো না। আমি বিয়ে করবো না তোমাকে __ হিচকি তুলতে তুলতে বললো আয়ানা।।

আয়ানার কথা শুনে রাগে হিরহির করে কাঁপছে জিসান। জিসান কিছু বলতে যাবে ,পাশ থেকে উকিলটা বলে উঠলো!

“মেয়ে কি বিয়েতে রাজি না? আপনি জোর করে বিয়ে করছেন ? এমন হয়ে থাকলে আমি কিন্তু স্টেইপ নিতে বাধ্য হবো।।।

ঔকিলের কথা শুনে ঘাবড়ে যায় জিসান!সে আমতা আমতা করে বলে কেন রাজি থাকবে না সে রাজি আছে সে একটু ভয় পেয়ে গেছে আমরা পালিয়ে বিয়ে করছি তো তাই আপনারা বসুন আমি ওকে একটু বুঝিয়ে নিয়ে আসছি।।।

আচ্ছা ঠিক আছে আমরা উপেক্ষা করছি! একটু জলদি করবেন আমার তাড়া আছে।।(উকিল)

আচ্ছা ঠিক আছে!বলে জিসান আয়ানাকে টেনে আবার রুমে নিয়ে যায়।।আর আয়ানা তো ভয়ের কারণে আর কান্নার কারনে কথা বলতে পারছে না।। চোখ মুখ ফুলে ডাবল হয়ে গেছে।।।

জিসান আয়ানার বাহু শক্ত করে ধরে বলতে লাগলো।
“সাইন করবি কিনা বল আয়ু ।””

“না ভাইয়া আমি তোমাকে বিয়ে করবো না! আমি আব্বি আম্মির কাছে যাবো !ছাড়ো আমাকে।।(আয়ানা)

একদমই না!এতো বছর তোর জন্য অপেক্ষা করেছি ছেড়ে দেওয়ার জন্য!বারো বছর ধরে ভালোবাসি আমি তোকে। কখনো ছেড়ে দেবো না। তোকে আমার চাই আয়ু আজই চাই আর একক্ষুনি।। বলে আরো জোরে চেপে ধরে।।

“না ভাইয়া দয়া করে আমাকে ছেড়ে দেও আমি আমার আব্বির কাছে যাবো। তোমার মাথা এখন ঠিক নেই। বাসায় চলো সবাই হয়তো চিন্তা করছে।।।(আয়ানা)

যে যা খুশি করোক,ভাবোক আমি কিছু কেয়ার করি না। আমার শুধু তোকে চাই আয়ানাকে নিজের সাথে মিশিয়ে বললো।।

আয়ানার জিসানের ছোঁয়া গুলো খুব খারাপ লাগছে!সে এবার আরো জোরে কান্না করতে লাগলো।। তাঁর কান্না কষ্ট আজ জিসানকে গলাতে পারছে না।।সে উন্মাদের মতো ব্যাবহার করছে।।।

“”আমি আজকে তোকে নিয়ে ইউএস চলে যাবো।।ওই ইরফান খান খুঁজে ও পাবে না। ওইখানে গিয়ে আমরা সুন্দর একটা পরিবার বানাবো।। আমাদের কাউকে প্রয়োজন নেই বুঝতে পারছিস । আমাদের আমি আর তুই হলে চলবে।। পাগলের মত প্রলেপ করছে জিসান।।

জিসানের কথায় আয়ানা থরথর করে কাঁপছে।।
হঠাৎ জোরে জোরে বন্দুকের আওয়াজে আয়ানা ভয়ে গুটিয়ে যায়।। জিসান ভয়ে আয়ানার হাত ছেড়ে দিয়েছে! তার বুঝতে বাকি নেই সে ধরা খেয়ে গেছে এখন সে কি করবে।।। জিসানের মাথা কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে। ভয়ে সারা শরীর ঘেমে নেয়ে একাকার।।তার আজ মৃত্যু অনিবার্য তার এখন আয়ানার চেয়ে নিজের জীবন নিয়ে বেশি চিন্তা হচ্ছে।। রুমের বাহিরে থেকে অনেক পায়ের আওয়াজ আসছে।এই বুঝি তার গর্দান নেওয়ার সময় হয়ে গেল।। জিসান আর কিছু না ভেবে।। পাশের ড্রয়ার থেকে একটা ছুরি বের করলো,আর এগিয়ে গেলো আয়ানার কাছে।

“জিসান কে ছুরি হাতে আসতে দেখে আয়ানা ভয়ে পিছিয়ে যায়।। জিসান আয়ানার হাত ধরে টেনে জিসানের সাথে বাহিরে নিয়ে যায়।।।

_________________________________________

সোফার উপর পায়ের উপর পা তুলে আয়েস করে বসে আছে ইরফান, হাতে তার দামি ব্রেন্ডের সিগারেট।। চোখ বন্ধ করে বারবার ফু দিচ্ছে !আর সাথে সাথে উপরের দিকে ছরিয়ে যাচ্ছে ধোঁয়া।।। সারা রুমে গার্ডে বড়া! বাহিরে ও ছরিয়ে আছে গার্ড।।এই গার্ড থেকে জিসান কখনো বের হতে পারবে না।।আর ইরফানের চোখ থেকে পালানো এতো সহজ না।। জিসানের মাথা একপ্রকার খারাপ হয়ে গেছিল আয়ানার বিয়ে হচ্ছে তাই।। সারা রাত ড্রিংস করে সকাল সকাল আয়ানাকে বাড়িতে নিতে আসে উদ্দেশ্য আজকে বিয়ে করে রাতে ইউএসে চলে যাবে।। তাঁর মাথায় একবার ও আসে নি ইরফানের কথা, সে জানলে কী হবে?আয়ানা বাড়ি থেকে পালিয়ে যেতে দেখে সে আয়ানাকে নিয়ে আসে।।

“আয়ানার হাত ধরে থরথর করে কাঁপছে জিসান।তার সামনে স্বয়ং তার জম ইরফান বসা।। সেইখানে দাঁড়িয়ে থাকা তার খুবই কষ্টকর।।আর আয়ানাতো ভয়ে চোখ বন্ধ করে রেখেছে।।তার আশেপাশে হুঁশ নেই!তার পাশে কে আছে কে সামনে আছে তার কোনো হুঁশ নেই।।‌

___________________________________

ইরফান নিজের হাতের সিগারেট খাওয়া শেষ করে! নিজের কালো ঠোঁট গুলো বৃদ্ধা আঙ্গুল দিয়ে স্লাইট করে সামনের দিকে তাকালো।। ইরফানের চোখ মুখে হিংস্রতা কিন্তু ঠোঁটের কোণে বাঁকা হাসি বৃদ্ধামান।। তার দৃষ্টি আয়ানার হাতে যা এখন জিসান ধরে রেখেছে। ইরফান নিচ থেকে ভালো করে আয়ানার সব স্কেন করে তাঁর পর সোফায় থেকে উঠে আসতে আসতে আয়ানার কাছে আসে।।আয়ানার চোখ এখনো চেপে বন্ধ করে রেখেছে।আয়ানার কপালের চুল গুলো বার বার মুখে বারি খাচ্ছে। ঠোঁট দুটো অসম্ভব রকমে কাঁপছে।।
ইরফান নিজের গারটাকে বাঁকা করে নেশাখোরের মতো আয়ানার দিকে তাকিয়ে আছে।।তার ঠোঁট দুটো ও তিরতির করে কাঁপছে শুধু মাত্র তার নেশার ঠোঁট দুটো ছুয়ে দেওয়ার জন্য।। জিসানের কথা শুনে ইরফান মাথাটা আরেকটু বাঁকা করে জিসানের দিকে তাকালো।‌

“আমাকে মাফ করে দিন স্যার! আমার ভুল হয়ে গেছে! এমন ভুল আর কখনো করবো না।।
ইরফান জিসান থেকে দৃষ্টি সরিয়ে আয়ানার দিকে তাকালো।আয়ানার গারের নিচে হাত রেখে আয়ানাকে নিজের দিকে টেনে আনলো ইরফান।আয়ানার দিকে ঘোর লাগানো দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ইরফান বৃদ্ধা আঙ্গুল দিয়ে গালে স্লাইট করতে লাগলো ধিরে ধিরে।।আয়ানা আস্তে আস্তে সামনের দিকে তাকালো।আয়ানার অশ্রুসিক্ত নয়ন ইরফানের লাল হয়ে যাওয়া চোখের দিকে তাকিয়ে ভয়ে থরথর করে কাঁপছে । ইরফানের মুখটা আস্তে আস্তে আয়ানার কাছে আসতে দেখে ভয়ে চোখ বন্ধ করে ফেলে আয়ানা।।‌ইরফান আয়ানার দু চোখের পাতায় চুমু খেয়ে ছেড়ে দেয়।।

“ইরফানের কোনো কথার জবাব না পেয়ে জিসান তারাতাড়ি করে ইরফানের পায়ে ধরে বলতে লাগলো,,,,

“আমাকে আজকের মতো ছেড়ে দেন স্যার আমি আর কখনো আয়ানার সামনে আসবো না। আমার ভুল হয়ে গেছে আমাকে ক্ষমা করে দেন, বলে পা জরিয়ে কান্না করতে লাগলো।। আমি আজকে রাতের মধ্যে ইউএস চলে যাবো আর কখনো ফিরে আসবো না ! সত্যি বলছি আমাকে ছেড়ে দেন।। ইরফান সেই আগের মতো শান্ত দৃষ্টিতে আয়ানাকে দেখছে।তার ভাব আবেগ বুঝা মুশকিল।।।

“এবারো ইরফানের কোনো হেলদোল না দেখে ভয়ে এবার রিতিমত জিবন যায় যায় অবস্থা।। হঠাৎ জিসান নিজের পকেটে থেকে ছুরিটা বের করে দাঁড়িয়ে আয়ানার কাছে গেল তারপর আয়ানার গলায় ছুরিটা জোরে চেপে ধরল। সাথে সাথে আয়ানার চোখ দুটো ভয়ে বড় বড় হয়ে গেল।।।

ইরফানের শান্ত মুখ খানা হিংস্র বাঘের রুপ ধারণ করলো।। চারপাশের গার্ডরা সাথে সাথে জিসানের চারপাশে বন্দুক তাক করলো তাকে মারার জন্য।।।
জিসান চিৎকার করে বলে উঠলো,,,

একদম আমার সামনে আসবে না, তাহলে আমি আয়ানাকে শেষ করে দিবো বলে আয়ানাকে নিয়ে চারিদিকে ঘুরতে লাগলো।।আয়ানা ভয়ে প্লাস ব্যাথায় কান্না করে দেয়।। ধারালো ছুরির আঘাতে আয়ানার গলা কিছুটা কেটে যায়।। ইরফান ফুস ফুস করে শ্বাস ফেলছে চোখ দুটো আগে তুলনায় আরো লাল হয়ে গেছে চোখে চিকচিক পানি।।

“ইরফান হিংস্র বাঘের মতো এক পা এক পা করে এগোতে থাকে জিসানের দিকে আর জিসান ভয়ে আয়ানাকে নিয়ে পিছোতে থাকে।। জিসান ইরফানের উদ্দেশ্য করে বলল,,,

“থেমে যান ইরফান স্যার।না হলে আমি আয়ানাকে মেরে ফেলবঝ।। এইভাবে ও আমি আয়ানাকে পাবো না। তারচেয়ে ভালো মেরে ফেলি বলে আয়ানার গলায় আরো জোরে ছুরি চেপে ধরে। আয়ানা মৃদ্যু চিৎকার করে উঠল ব্যাথায়। ইরফান আয়ানার আওয়াজে থেমে যায়।।

আয়ানাকে আমি ভালোবাসি! কিন্তু তাকে আমি পাবো না।।যদি নিজের ভালোবাসাকে সুরক্ষিত চান তাহলে আমাকে যেতে দে্্্ আহ্হ্হ্হ্হ্ করে জোরে চিৎকার করে মাটিতে লুটিয়ে পড়লো জিসান।।আর আয়ানাকে ছুরে মারতে আয়ানাকে টেনে ইরফান নিজের সাথে জরিয়ে ফেললো ।।।।

ইরফান জোরে হুংকার দিয়ে বললো,,,
“এই ড্রাসবিনটাক দ্রুত নিয়ে চল আমরা স্পেশাল ওয়ার্ল্ডে ! আজকে এর জীবনের খাতিরদারি করাবো আমি নিজের হাতে জিসান কে দেখিয়ে বললো।।‌

ইরফানের নির্দেশ পেতে জিসান কে টেনে নিয়ে যায় গার্ডরা।। জিসান অনেক চিৎকার করেছে ছারার জন্য!

“যে তোমার গায়ে হাত তুলেছে তোমাকে আমার কাছ থেকে দূরে সরাতে চেয়েছে তাকে আমি ছাড়বো না আয়ু জান।নোপ কখনো না।তার শাস্তি আমি কঠিন থেকে কঠিনতর মৃত্যু দেবো।।আয়ানাকে নিজের বুকের সাথে জড়িয়ে মাথায় চুমু খেয়ে বলে ইরফান।।।

“এটা তুমি ঠিক করো নি আয়ু জান তুমি এখন কেন সেন্সলেস হয়েছো বলো তো। তোমাকে তো শাস্তি পেতে হবে আমার কাছ থেকে দূরে পালানোর শাস্তি।।আর তোমার শাস্তি হলো নিজ চোখে এই কঠিন মৃত্যু দেখবে।। হুম এমনটাই হবে তোমাকে এই শাস্তি পেতে হবে। বলে বাঁকা হেসে আয়ানাকে কুলে তুলে নেয়।।আয়ানার কপালে গভীর চুম্বন করে ইরফান।।

“তোমাকে কিছুটা সময় দিয়েছিলাম কিন্তু তুমি সেই সময়টা কাজে লাগাতে পারো নি।। তুমি যাতে সব কিছু মানিয়ে নিতে পারো তাই আমি তোমাকে একটু ছাড় দিয়েছি।আজ থেকে তোমার সেই সুযোগ টা ও শেষ।।রেডি হোও জান এই মরন খেলা নিজের চোখে দেখার জন্য।। আমার #বিষাক্তময়_আসক্তিতে নিজেকে জ্বালানোর জন্য।।।।

#To_be_continued……..🌼

(আমি কিছুটা ব্যাস্ততার মধ্যে আছি।।তাই বেশি বড় করে দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়।যদি বড় করে পর্ব আপনারা চান তাহলে আমাকে এক দিন পর পর গল্প দিতে হবে আর এমনটা অবশ্যই আপনারা চাইবেন না।।আর বোনাস পর্ব দিতে আমার ও ইচ্ছে করে কিন্তু সময়ের অভাবে দিতে পারিনা।। আজকে পর্বে সম্পূর্ণ ঘটনাটা শেষ করতে চেয়েছি কিন্তু পারিনি।। কিন্তু আগামী পর্বে সম্পূর্ণ ঘটনাটা ক্লিয়ার করবো।।।সবার ভালো মতামত আশা করছি 😊😊)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here