#ফ্লুজি
#অনুপ্রভা_মেহেরিন
[পর্ব ১৮ বাকি অংশ]
ব্লাক জিন্স,ব্লাক টপস,গলায় ঝুলানো ব্লাক স্কার্ফ, দু’ঠোঁট ন্যুড লিপস্টিকে রাঙানো।আরশাদ আগাগোড়া দেখলো তার ফ্লুজি তার উদ্দীপ্ত চাহনি খুশবুকে জানান দেয় আরশাদ কতটা এক্সাইটেড।আরশাদ কিঞ্চিৎ হাসে,খুশবুর গালে ঠোঁট মিশিয়ে বলে,
” লুক লাইক ব্লাক কুইন।”
” আর কিছু? ”
“মাই ব্লাক কুইন?”
” আর কিছু?”
” ব্লাক ডায়মন্ড।”
” আর কিছু? ”
” সো হট…”
হাতের ব্যাগটা আরশাদের দিকে ছুড়ে মা রলো খুশবু।কথা থামিয়ে ব্যাগটি ধরে ফেললো আরশাদ।খশবুর গোমড়া মুখখানি দেখে বোঝাই যাচ্ছে মেয়েটা কতটা বিরক্তি নিয়ে আছে।আরশাদ হাত বাড়িয়ে দিল খুশবুর দিকে খুশবু সেই হাতে হাত রাখতে মেয়েটাকে টেনে আনলো সে।
” এবার তো যাওয়া যাক?”
” আরশাদ আমি উনাদের সাথে কিভাবে নিজেকে মানিয়ে নেব!আমার কেমন কেমন যেন লাগছে।”
” ওরা ফ্রেন্ডলি দেখবে তুমি সহজ হতে পারবে ওদের সাথে।
আরশাদ যতই অভয় দিক খুশবু তো জানে তার মনে কী চলছে।অচেনা মানুষ অচেনা পরিবেশে এদের সামনে নির্ঘাত সে দম ব ন্ধ হয়ে ম রবে।আরশাদ ফ্লুজির কোমড়ে হাত রাখলো সে আজ নিজেও ব্লাক শার্ট পরেছে।আজ দুজন ম্যাচিং, দেখতেও তাদের পারফেক্ট লাগছে।
.
আলিশান রেস্টুরেন্ট চারিদিকে মোটামুটি নিরবতা, তেমন কারো কোন কথার আওয়াজ আসছে না।সবাই মন দিয়ে খাবার খাচ্ছে টুকটাক আলাপ সারছে কিন্তু এই আলাপে আওয়াজ অনেক কম।
খুশবু মাত্র রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করলো একটি লম্বা টেবিলে একদল ছেলেকে দেখে তার আর বুঝতে বাকি নেই আরশাদের বন্ধু নিশ্চয়ই এরাই।হলোও তাই আরশাদ বন্ধুদের দেখেই হাত মেলালো বন্ধুদের মাঝে উল্লাস শেষে সবার মনোযোগ ভিড়লো ফ্লুজির দিকে।সবাই যেন চিড়িয়াখানার বাঘ দেখছে অবাক পানে সবাই তাকিয়ে আছে আরশাদের ফ্লুজির পানে।একদল ছেলে পর পর হাত বাড়িয়ে বলে, “হ্যালো আ’ম ডিলান।”, ” হ্যালো আ’ম অ্যাডেন”
,”হ্যালো আ’ম কডি”, হ্যালো আ’ম এলোন।”
খুশবু ঘাবড়ে গেল সবার হাস্যজ্বল মুখটা তাকে বারবার নার্ভাস করে তুলছে।সবার সাথে পরিচিত হলো খুশবু।এর মাঝে রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করে জন।লম্বা চওড়া দেহের অধিকারী জন এগিয়ে এসে সবার উদ্দেশ্যে সরি জানালো।জনকে দেখে আরশাদ কিছুটা অবাক হলো, কই সে তো জানে না জন আসবে!
ফ্লুজি জনের পানে তাকালো জন মুহূর্তে অপ্রস্তুত হয়ে পড়লো।যদিও সে জানতো আজ সে এই মেয়ের মুখোমুখি হবে কিন্তু হঠাৎ তার ঘাবড়ে যাওয়ার কারণটা নিজেই খুঁজে পেল না।
জন হাত বাড়ালো খুশবুর দিকে।
” হ্যালো আ’ম জন।ইয়ু লুক লাইক ব্লাক কুইন।”
জনের মন্তব্য আরশাদের মুড পালটে গেল।জনের প্রতি তার প্রকাশ পেল ক্ষোভ।ডিলান আরশাদের চাহনি বুঝতে পেরে জনকে বলে,
” জন ভাইয়া প্লিজ বসুন।কেমন আছেন আপনি?অনেকদিন পর এলেন।”
জন বসলো। আরশাদ ডিলানের পানে তাকিয়ে বলে,
” জন ভাইয়ার কি আসার কথা ছিল?না মানে আজ তো বন্ধুদের মিট করার কথা।”
” তোমার ওয়াইফ কি সবার ফ্রেন্ড? না মানে তাহলে সে এখানে কি করছে?আজ নাকি ফ্রেন্ডরা মিট করবে।”
আরশাদ পালটা জাবাব দেওয়ার আগে এলোন বলে,
” এই তোমরা চুপ করবে?আজকের মিট শুধুই আমরা ভাবির সাথে করতে এসেছি।প্লিজ সবাই চুপ কর।”
আরশাদের পানে তাকিয়ে সবাই ঢোক গিললো এই ছেলে একবার যদি রেগে যায় তবে সবটা লন্ডভন্ড করে ছাড়বে।ডিলান,কডি,অ্যাডেন সবাই ফ্লুজিকে দেখছে জহুরি চোখ।জন কলগার্ল বলে যেই মেয়ের ছবি দেখিয়েছিল তার সাথে খুশবুর হুবহু মিল।আশ্চর্য তারা তো আশা করছিল জন এবং ফ্লুজি মুখোমুখি হলে বিস্ফোরণ ঘটবে কিন্তু ফ্লুজির ভাবাবেগে স্বাভাবিক।মেয়েটা শুরুতে যেমন নার্ভাস আছে এখনো ঠিক একই অবস্থা।
জন সবার সহিত চোখাচোখি করলো।আরশাদ নিজের মেজাজ সামলে খাবার অর্ডার করলো।বন্ধুরা সবাই ইতালিয়ান ফুড অর্ডার করলো এদিকে খুশবু এসব খাবারে অভ্যস্ত নয় তাই মেয়েটার জন্য বেছে বেছে খাবার অর্ডার করলো আরশাদ।
জন আরশাদের সিনিয়র তাই চাইলেও কিছু বলতে পারবে না সে।সিনিয়রদের সাথে বেয়াদবি অন্তত যায় না।কডি ভদ্রতার হাসি দিয়ে খুশবুকে বলে,
” আপনি পড়াশোনা করছেন?”
প্রশ্নটা যেহেতু এবার খুশবুকে সরাসরি করা হয়েছে তাই মেয়েটা ঢোক গিললো।ইংরেজিতে টুকটাক কথা বলতে পারে সে কিন্তু এদের সামনে যদি আটকে যায় মান সম্মান জানলা দিয়ে পালাবে।খুশবু ধীরে ধীরে বলে,
” জি।”
” আপনার বাড়িতে কে কে আছে?”
” মা বাবা এবং আমি।”
” আরশাদের সাথে আপনার পরিচয় কীভাবে?না মানে প্রেমটা শুরু হলো কি করে?”
খুশবু থমকে গেল এবার সে কী বলবে?সে তো আরশাদের ফ্লুজি নয়।আরশাদ তো এসব কথা মানতেও চায় না।মূলত আরশাদের সাথে তার আগের ফ্লুজির পরিচয় কীভাবে খুশবু সেসব কিছুই জানে না।
খুশবুর নীরবতা আরশাদ বুঝতে পারে।সবার উদ্দেশ্যে আরশাদ বলে,
” আমাদের পরিচয় রিলেশনের সব কারো অজানা নয় নতুন করে জেনে কি করবি?”
সবাই মাথা দুলালো।অ্যাডান ফ্লুজির উদ্দেশ্যে বলে,
” আরশাদের মাথার তার দুই তিনটা যে ছিড়ে গেছে আপনি সেটা জানেন?সে তো মেন্টালি সিক যদিও সেটা তার ফ্লুজি জন্য অর্থাৎ আপনার জন্য হয়েছে।”
খুশবু বিষম খেল।আরশাদ বন্ধুদের দিকে তাকাতে সবাই দাঁত কেলিয়ে হাসে।সবাই তো খুশবুর উত্তরের আশা করছে।মেয়েটা গ্লাস ভরতি পানি গিলে বলে,
“পাগল হলেও আমার,ভালো হলেও আমার।সব মিলিয়ে সে আমার।”
আরশার ফ্লুজির কাছে এমন উত্তর আশা করেনি হয়তো সে এড়িয়ে যেত।কিন্তু তার ভাবনা মিথ্যা হলো ফ্লুজির দু’লাইনের একটা উত্তর তার বুকে প্রশান্তির ঢেউ খেলে গেছে।মস্তিষ্কে আজ আন্দোলন করছে, এই মেয়েটাকে আরো আরো ভালোবাসতে হবে,যতটা ভালোবাসলে অতীত আর ভবিষ্যৎ ভুলে জীবনটা শুধু আরশাদের সহিত লেপ্টে থাকে।
বন্ধুরা সবাই হই হই করে উঠলো।নীরব রেস্টুরেন্টে তাদের চেচামেচিতে আশেপাশের সকলে একবার করে আড়চোখে তাকালো।জন কোন প্রতিক্রিয়া জানালো না।অর্ডারকৃত খাবার আসতে সবাই খাবারে মনোযোগ বসালো।
সবাই স্বাভাবিক হতে পারলেও জন স্বাভাবিক হতে পারে না।তার চোখে ভেসে উঠছে সেই রাতের কথা।ফ্লুজির উন্মুক্ত শরীরের ভাজে ভাজে কীভাবে নিজেকে জড়িয়ে নিয়েছে ভাবতেই মনটা পুলকিত হয়।দু’টো মেয়ের সাথে সে লিভ ইনে ছিল কই তাদের জন্য জনের মন এতটা খচখচ করেনি যতটা ফ্লুজির জন্য করছে।
বাঙালি মেয়েটা জনকে যে তৃপ্তি দিয়েছে এই তৃপ্তি আর কি কেউ দিতে পারবে?এই জন্যই কি আরশাদ এই মেয়েকে নিজের গুহায় এনেছে?
আচ্ছা আরশাদ কি সবটা জেনেশুনে এমন করেছে?নাকি ফ্লুজি কলগার্ল ক্যারিয়ার ছেড়ে বেরিয়ে এসেছে?
জন এসব ভাবতে পারে না।আচমকা তার দেহের ক্ষুদা বৃদ্ধি পেয়েছে অন্তত আর একটা রাতের জন্য ফ্লুজি যদি তার হতো…এসব ভাবা হয়তো বৃথা।
জন ফ্লুজিকে বাজিয়ে দেখতে বলে,
” আমি বাংলাদেশে গিয়েছিলাম কক্সবাজার।এক সাপ্তাহ থেকেছি অনেক সুন্দর প্লেস।আপনি কক্সবাজার গিয়েছেন?”
” না।আমার কখনো দূরে কোথাও যাওয়া হয়নি।”
জন সহ বাকিরা চোখাচোখি করে।জনের সাথে ফ্লুজির দেখা হয়েছিল কক্সবাজার বিলাশ বহুল এক হোটেলে।
জন সন্দিহান কণ্ঠে বলে,
” সিরিয়াসলি!মিথ্যা বলছেন কেন?কক্সবাজার আপনি জাননি?”
” না।”
অকপটে স্বীকার করলো খুশবু।সে কখনো কক্সবাজার যায়নি।
জন উত্তেজিত হলো তার গলার স্বর ক্রমাগত বাড়লো,
” আপনি কক্সবাজার গেছিলেন মিথ্যা বলছেন কেন?নাকি স্বীকার করতে চাইছেন না।”
ফ্লুজি ঘাবড়ে গেল দ্রুত পানি গিলে তাকালো আরশাদের পানে।জনের এমন আচরণ আরশাদের ভালো ঠেকলো না সে বিরক্ত হয়ে বলে,
” ও যখন বলেছে যায়নি তাহলে আপনি এমন করছেন কেন জন ভাইয়া?”
জন বুঝতে পারে সে একটু বেশি বাড়াবাড়ি করে ফেলেছে।কথা ঘুরাতে সে বলে,
” আশ্চর্য এত সুন্দর একটা জায়গায় উনি যায়নি তাই আমার ভীষণ অবাক লাগলো।”
সবার মাঝে ঠেকলো নীরবতা।এলোন জনের হাত চেপে ধরলো ইশারায় বোঝালো কোন প্রতিক্রিয়া না জানাতে।খাবার শেষে সবার মাঝে টুকটাক কথা হচ্ছিল।এলোন সবার মাঝে বলে,
” চলো নাইট ক্লাবে যাই।”
জন শার্টের হাতা ফোল্ড করে বলে,
” আজ যেতেই হতো চলো সবাই একসাথে যাই।”
ডিলান সহ অনন্যরা সাড়া দিল।মুহূর্তে খুশবুর চোখে মুখে ছড়িয়ে গেল আতঙ্ক।আরশাদ কি তাকে এখন ক্লাবে নিয়ে যাবে?সেদিনের বিশ্রি অভিজ্ঞতা তার আর যাওয়ার ইচ্ছে নেই।অথচ সবাই সম্মতি দিলেও আরশাদ যেতে রাজি হলো না।ফ্লুজিকে নিয়ে তো কখনোই বন্ধুদের সহিত সে ক্লাবে যাবে না।এরা এখন ক্লাবে গিয়ে ঠিক কি কি করবে সবটাই আরশাদের জানা।ফ্লুজি এসব স্বাভাবিক ভাবে নিতে পারবে না তাই আরশাদ যেতে চায় না।
জন বিরক্ত হলো আরশাদের অসম্মতিতে। সে তার বিরক্ত ধরে রেখে ফ্লুজিকে বলে,
” কেন আপনাদের দেশে কি এসব নেই?নাকি আপনি কখনোই যাননি?”
” আমি ভদ্র ফ্যামিলির মেয়ে এসব আমি ভাবতেও পারি না সেখানে আমি এসব জায়গায় যাব?আপনারা যান আরশাদ আমাকে বাসায় পৌঁছে দেবে।”
” ভদ্র অভদ্র জানিনা।এসব আমাদের কাছে ডাল ভাতের মতো।আপনিও চলুন ইতালিতে যখন এসেছেন অভ্যস্ত হয়ে যাবেন।”
আরশাদ গম্ভীর মুখে সবার উদ্দেশ্যে বলে,
” তোমরা সবাই যাও আমি যেতে চাই না।”
এলোন আরশাদকে সম্মতি দিয়ে বলে,
” ভাবি না গেলে আরশাদের যাওয়ার প্রয়োজন নেই।আমরা যাই।”
আরশাদ বিল মিটিয়ে রেস্টুরেন্টে থেকে বেরিয়ে এলো।আরশাদ চলে যেতে বাকিরা চলে গেল নাইট ক্লাবে।এর মাঝে কেউ কোন কথাই বললো না।সবার মাঝে চলছে ঘোর।
নিঃসন্দেহে ফ্লুজি মেয়েটা সুন্দরী তবে সে যে কলগার্ল কারো কোন দিক দিয়ে মনে হলো না।ক্লাবে এসে দ্রুত রেড ওয়াইন অর্ডার করলো জন।সবাই ওয়াইনের গ্লাস হাতে তুলে বসলো সমালোচনার উদ্দেশ্যে।
সবার আগে ডিলান প্রশ্ন করে,
” এই মেয়েকে কলগার্ল মনে হচ্ছে না।”
জন হাসে।ওয়াইনের গ্লাসটা ঘুরিয়ে বলে,
” ক্লেভার গার্ল।নিজের খোলসটা বাইরে আনতে দিল না।দেখলে নিজেকে কীভাবে গুটিয়ে রাখলো।”
কডি সম্মতি জানিয়ে বলে,
” দেখলে মেয়েটা কেমন যেন নার্ভাস ছিল।তার চোখে মুখ অস্বস্থির ভাব ছিল।”
জন হাসে।পকেট থেকে ফোন বের করে একটি ছবি ধরে সবার সামনে।যেখানে দেখা যাচ্ছে রেড ইনার পরাহিত ফ্লুজি অন্য একটি যুবকের সহিত চুম্বনরত অবস্থায় মগ্ন।আরেকটি ছবিতে মেয়েটার বুকের খাঁজ অন্য পুরুষের বুকের সহিত মিশে আছে।এমন ছবি দেখে সবাই নজর সরালো।আরশাদের স্ত্রী তাদের কাছে সম্মানীয় ব্যক্তি অথচ সেই সম্মানীয় ব্যক্তির কুকীর্তি তারা মানতে পারছে না।সব প্রমাণ তো জনের কাছে আছেই।
এলোন বিস্ফোরিত নয়নে বলে,
” জন ভাই এসব ছবি কোথায় পেলে?”
“বলেছিলাম না সিনিয়রদের সাথে কক্সবাজার গিয়েছিলাম।এরাই সেই সিনিয়র।তোমাদের যদি আমাকে বিশ্বাস না হয় তাহলে আমি তাদের উপস্থিত করবো।”
” তারা হ্যাপি কাপল আমাদের কি উচিত তাদের সংসার ভাঙা?”
” আমি এতকিছু জানি না।বাট এই মেয়েকে আরেকটা রাতের জন্য চাই প্রয়োজনে ডাবল পেমেন্ট করবো।”
ডিলান রেগে গেল জনের দিকে তাকিয়ে চোখ গরম করে বলে,
” প্লিজ জন ভাইয়া এসব বলবেন না।আগে আমাদের এসবের মুখোমুখি হতে হবে।আরশাদের ওয়াইফকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করার পরিণাম কতটা ভয়াবহ তা আর নিশ্চয়ই বলতে হবে না।আমি এসব ভাবতেই পারছি না এর সমাধান চাই।”
ডিলানের কথায় দু’একজন সম্মতি জানাল।জন ঠোঁক বাকিয়ে হেসে উঠে যায়।একটি মেয়ে তাকে এতক্ষণ ইশারায় ডাকছিল সেই মেয়েটার কাছে গিয়ে জন ঠোঁটে ঠোঁট মেশায়।মেয়েটির সাড়া পেয়ে জন আরো বেশি উত্তাল হয়।শুরু হয় দুজনের মগ্নতা।আশেপাশে কেউ আছে কি নেই এসবে পাত্তা দিল না জন।
চলবে….
২ দিন গল্প দিতে পারিনি বলে দুঃখিত।এখন সিজন পরিবর্তন হচ্ছে আশেপাশের অনেকের অসুস্থতা লেগে আছে।তার ব্যতিক্রম আমার সাথেও হয়নি, অসুস্থ ছিলাম, ব্যস্ত ছিলাম তার মাঝে আমার এক্সাম চলছে।সব মিলিয়ে মরার উপর খাড়ার ঘা।ইনশাআল্লাহ এবার থেকে আগের মতো গল্প পাবেন।”

