#ভালোবাসার_কাব্য_গাঁথবো
(৪৬)
তামিম এবং তানভীর রোজীর বাসায় বসে। টেবিলে বিভিন্ন রকম ফল মিষ্টি দেওয়া হয়েছে। রোজীর মা না খাইয়ে কুটুমকে যেতেই দিবে না। তামিম নিজের কথা বললো না। সোহানা রোজীকে নিয়ে যেতে বলেছে জানালো। রোজীর বাবা আপত্তি করলো না। রোজীর মা মেয়ে রেডি হয়েছে কিনা খোঁজ নিতে গেলো। ছেলে মেয়ে যত একসাথে থাকবে ততো তাঁদের জন্য ভালো। রোজী টিয়া রংয়ের পাকিস্তানি সেলোয়ার কামিজ পড়েছে। চুল গুলো পেঁচিয়ে কাটা লাগিয়ে মাথায় ওড়না দিয়েছে। তাকে দেখতে খুব স্নিগ্ধ লাগছে। তামিমের চোখে চোখ পড়তেই দেখে তার দিকেই তাকিয়ে আছে। এভাবে তাকানোর কি মানে? এখনও কি তাকে রোগী মনে করছে? রোজী এক পা দু পা পিছিয়ে জানালার সচ্ছ গ্লাসে উঁকি দিলো। নাহ তাকে তো তরতাজা দেখাচ্ছে। অসুস্থতার ছিটে ফোঁটাও চেহারায় নেই। তামিমের এরকম চাহনিতে কনফিডেন্স লেভেল কোথায়ও যেন টুট যাচ্ছে। রোজী নার্ভাস। প্রচন্ড পরিমান নার্ভাস। তামিম ওকে নার্ভাস করে দিয়েছে। তানভীরকে দেখে রোজী আরও বেশি নার্ভাস। চার দেয়ালে বন্দী থাকা একজন নারী জোয়ান দুজন পুরুষের সাথে এক গাড়িতে যাবে ভেবেই শরীরে কাটা দিয়ে উঠছে। তামিমের সাথে কিভাবে কথা বলবে? বুকে ভয় বাসা বেঁধেছে। শ্বশুড়বাড়িতে গিয়ে শ্বশুড় শ্বাশুড়ির সাথে কনভারসেশন গুলো কেমন হবে? ফ্যামিলির প্রত্যেকটা মেম্বার যেভাবে ঠাট পাট বজায় রেখে চলাফেরা করে! বড় লোক দের একটা আঙুল দেখেই বোঝা যায় তারা বড়লোক। সেখানে এই ফ্যামিলি তো রাজনৈতিক ফ্যামিলি। তার সাথে এদের আচরণ কেমন ধরনের হবে? রোজীর ভাবনার ভাটা পড়ে তামিমের ডাকে। তামিমের পেছন পেছনই আসছিলো সে। তামিম সামনে সিটের ডোর খুলে দিয়ে বললো, ” উঠো।”
রোজী পেছন সিটের দিকে তাকালো। তার নাকের ডগা দিয়ে তানভীর গিয়ে পেছন সিটে বসে পড়লো। রোজী জোরে শ্বাস টেনে গাড়িতে উঠে বসলো। সরাসরি চোখ রাখলো বাহিরের দিকে। পুরো রাস্তা এভাবেই যাবে। একদমই তাকাবে না তামিমের দিকে।
ঘুমন্ত লাবিবাকে গাড়িতে দেখে তানভীর অবাকই হলো। তার তো জানার কথা নয় তানভীর এখানে এসেছে। কার সাথে এতোপথ আসলো? কখনই বা আসলো? কেনো আসলো? ভেতরে গেলো না কেন ? না এই বউটা তানভীরকে পাগল করে ছাড়বে। নিশ্চয় একা এসেছে। গাড়িও তো নিয়ে আসেনি। নাকি রোজীর কাছেই এতোবেলা ছিল? গাড়িতে বসে ঘুমুচ্ছে! হাতে কলেজ ব্যাগ। গাড়ি স্টার্ট দেবার শব্দেও ঘুম ভাঙল না। তানভীর নাকিবকে কল করলো। লাবিবার কথা জিজ্ঞেস করার আগেই নাকিব সোজা গড়গড় করে বলতে লাগলো,
” স্যার আমার কোনো দোষ নেই। ওকে আটকাতে চেয়েছিলাম কিন্তু ও বললো ওর নতুন জা নাকি বিপদে আছে তার পাশে থাকতে হবে। লাব্বু রোজী আপুর বাসায় গিয়েছে স্যার। ক্লাস শেষে আমি পৌঁছে দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু ও ক্লাস তো করলোই না উল্টে এস্যাইনমেন্টটা আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে দৌড় দিলো।”
” আচ্ছা। আমার সাথেই আছে। রাখছি।”
” ওকে স্যার। ”
তানভীর এতোক্ষনে বুঝলো গাড়িতে বসে ঘুমোনোর ব্যপারটা। রাত জেগে এস্যাইনমেন্ট করে সকালেই বেরিয়েছে। নিশ্চয় মাথা ব্যাথা করছিলো গাড়ি দেখতে পেয়ে উঠে বসে ঘুমিয়ে পড়েছে। তানভীর লাবিবাকে কাছে টেনে বসালো। ঘাড় টা ছেড়ে দিতেই ঝট করে ধরে ফেললো। একবাহুতে জড়িয়ে ধরে বসালো। কমফোর্টেবল হচ্ছে কিনা চেক করলো। জানালার কাঁচ টা খুলে দিলো। বাহিরে থেকে বাতাস আসাতে নাকের উপর উপর জমে থাকা ঘামের বিন্দু ধীরে ধীরে শুকিয়ে গেলো। আরাম খুঁজতে লাবিবা ঘুমের মাঝেই আরো সেটিয়ে গেলো। তানভীর বুঝলো অসুবিধা হচ্ছে। মাথাটা বুকের সাথে মিশিয়ে নিয়ে দু হাতে জড়িয়ে রাখলো। কিছুক্ষন পর লাবিবার এক অদ্ভুত আচরণের সাথে তানভীর পরিচিত হলো। নাকটা থুতনির নিচে লাগিয়ে দিয়েছে। বুঝতে পেরেই তানভীর লাবিবার দিকে তাকালো। লাবিবা তানভীরের স্মেল পেয়ে নড়ে চড়ে পুরো শরীরের ভাড়টা ছেড়ে দিলো। দু হাতে পেট জড়িয়ে ধরে গভীর ঘুমে তলিয়ে গেলো। তানভীর লাবিবার পাতলা উড়নাটা মুখের উপর মেলে দিলো যাতে রোদের আলোটা সরাসরি না পরে চোখে। লাবিবার নড়াচড়া থেমে গেলে তানভীর ঝুকে লাবিবার মাথার উপর ঠোঁট ছোয়ালো। কিছুক্ষন সময় নিয়ে জানালার বাইরে দিকে মুখটা বাড়িয়ে নিঃশব্দে হেসে দিলো। মিররে তামিম তানভীরকে হাসতে দেখলো। তানভীরের হাসিতে তামিমও একটু হাসলো। মানুষ প্রেমে পড়লে এমনই হয়। কারণ অকারণে হাসে। ঘাড় ঘুরাতেই রোজীর চোখে চোখ পড়ে। তামিমের হাসিটা এতোক্ষন নজরে রাখলেও চোখাচোখি হবার সাথে সাথে চোখ ঘুরিয়ে নেয়। তামিম হাসিমুখ নিয়েই আজ দীর্ঘশ্বাস ফেলে।
খান বাড়িতে প্রবেশের পর তামিম গাড়ি থেকে নেমে যায়। রোজীও নেমে পাশে দাঁড়ায়। তামিম তানভীরের নামার অপেক্ষা করে। সে নামলে চাবিটা দারোয়ানের হাতে দিয়ে পার্কিং করতে বলে যাবে। দেড়ি দেখে জিজ্ঞেস করে,
“নামছিস না কেন?”
” বুকে বউ আছে।”
তামিম এগিয়ে এলো। জানালা দিয়ে উঁকি দিতেই তানভীরের বুকে উড়নার নিচে লাবিবার ঘুমন্ত মুখটা দেখতে পেয়ে মুচকি হাসলো।
” ওহ মাই গুডনেস! লাবিবা কোথা থেকে এলো?”
” মাইগ্ৰেন প্রব্লেম আছে। ড্রয়িংরুমটা একটু চেক দিয়ে আসো।”
” প্রব্লেম হবেনা। নেমে আয়। আমরা ঢুকলে সবাই আমাদের নিয়েই বিজি হয়ে পড়বে। তখন তুই ওকে নিয়ে উপরে চলে যাস। ”
লাবিবার নাম শুনে এতোক্ষণে চেপে রাখা অস্বস্তি রোজীর নিমেষেই কেটে এলো। তামিম সরে দাড়াঁতেই রোজী এসে লাবিবাকে ডাকতে লাগলো। তানভীর রোজীর দিকে কটমট করে তাকালো। রোজীর গলা মুহুর্তেই শুকিয়ে গেলো। সাহস নিয়ে বললো,
” ওকে ডেকে তুলুন। এসে গেছি তো। ”
তামিম পিছু ডাকলো।
” রোজী পিছিয়ে দাঁড়াও। এদিকে এসো। ”
রোজী ঝটপট তামিমের পাশে এসে দাঁড়ালো। তানভীর লাবিবাকে কোলে করে গাড়ি থেকে বেরিয়ে এলো। লম্বা উড়নাটা মাটি ছোয়ালো। তামিম স্ব যত্নে উড়নাটা তুলে দিলো। রোজী অবাক হয়ে তাদের এই বন্ডিং টা দেখলো। তামিম লাবিবার দিকে তাকিয়েই জিজ্ঞেস করলো,
” ভুতনীটা কোথা থেকে এলো?”
” জানিনা। গাড়িতে উঠে দেখি বেঘোরে ঘুমুচ্ছে। রাতে একটুও ঘুমায়নি আমি নিশ্চিত। ”
তানভীর লাবিবাকে নিয়ে বাসার দিকে গেলে তামিম রোজীও পা বাড়ালো। রোজীর মুভমেন্ট বুঝতে পেরে তামিম বললো, ” লাবিবা এখন ঘুমোবে। ওকে পাবার আশা ছেড়ে দাও। ”
রোজী একটু গাই গুই করে বলেই ফেললো,
“বাড়ির লোক দেখলে কি বলবে?”
তামিম হাসলো। রোজীর অবাক হওয়াটা কেন যেন ইনজয় করলো। রোজীর সাথে এতো সময়েই অনেককিছু বুঝে গেছে। এই মেয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন পায়নি। সামান্যতম বিষয়ে তার অবাক হওয়াই তা প্রমান করে।
ড্রয়িংরুম ভর্তি লোকজন। তামিম যা ভেবেছিলো তাই। হবু বউ আসার খবর সোহানা তার চৌদ্দগুষ্টীতে ছড়িয়ে দিয়েছে আর তারাও এতোক্ষনে হাজির হয়ে গেছে। একান্তে কথা বলার সময় পেলেই হয়! এই মেয়ের সাথে অনেক কথা জানার এবং বলার আছে। তামিম রোজীকে নিয়ে আগেই বাসায় ঢুকলো। সুযোগ পেয়ে তানভীর লাবিবাকে নিয়ে নিজ রুমে চলে গেলো। শুইয়ে দিতে গিয়ে লাবিবা জেগে গেলো। কিন্তু চোখ খুলতে পারলো না। বিছানায় হাত বুলালো। বামপাশে না পেয়ে ডানপাশে হাত রাখলো। তানভীর দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে লাবিবার এসব কর্মকাণ্ড দেখছিলো আর নিঃশব্দে হাসছিলো। লাবিবা এই চোখ খুলবে খুলবে তাড়াহুড়ো করে তানভীরের লাবিবার দিকে ঝুঁকে উপরে সওয়ার হলো। সবথেকে প্রিয় স্মেলটা পেতেই লাবিবা থমকে গেলো। আবার ঘুমিয়ে গেলো। তানভীর ঘুমন্ত লাবিবার নাকে নিজের নাক ঘষলো। আদুরে সুরে বললো,
” আশেপাশে থাকলে বোঝে যাও, কাছাকাছি থাকলে ঘ্রাণ নাও। বউ! তোমার হাত থেকে আমার পাড় নেই। বড্ড চালাক হয়ে গেছো। ”
কয়েকঘণ্টা পর তামিম রোজীকে একা পেলো। তামিম ডাকেনি। রোজীই এসেছে তামিমের রুমে। হাতে কফি মগ। নিশ্চয় কফির অযুহাতে মম এখানে পাঠিয়েছে। রোজী ডাকলো।
” আসবো। ”
দরজায় কফি হাতে তামিম কিছুক্ষন তাকিয়ে থেকে বললো,
“এসো। মাঝবরাবর দাঁড়াও তো। একদম বেডের পাশে।”
তামিমের কথায় রোজী হকচকিয়ে গেলো। রুমের মাঝবরাবর কেনো দাঁড়াবে? রোজী দাড়াতেই তামিম রোজীকে অপলক দেখতে লাগলো। রোজীর অস্বস্তি তিনগুণ বেড়ে গেল। আবার কি রোগী মনে করলো? পাগলের ডাক্তাররা নিজেরাও একেকটা পাগল হয়। তামিমের তো আবার প্রেমিকার শোক রয়েছে। পাগল না হলে বার বার এভাবে দেখার কি মানে?
” আমাকে পটানোর বুদ্ধিটা কোথা থেকে পেলে?”
তামিমের প্রশ্নে রোজী অবাক হয়ে গেলো। কাঁপা গলায় উত্তর করলো, ” আআআমি আপনাকে চিনি না। ”
” তাহলে আমার ফ্যামিলিকে কিভাবে চেনো? লাবিবাকে তো তোমার সাথে পরিচয় করানো হয়নি। ওদের বিয়েটাও তেমন ভাবে পাবলিশ হয়নি তোমার তো চেনার কথা নয়। ”
” লাবিবা আমার পূর্ব পরিচিত। লাবিবার যে আগে একজনের সাথে বিয়ে ঠিক হয়েছিলো আমার এক্স হাজবেন্ড তার কাজিন ছিলো। লাবিবার বিয়ের পরই আমাদের ডিভোর্স হয়েছে। ”
“তারমানে আসল মাধ্যম লাবিবা? ইন্টারেস্টিং। ”
” দেখুন আমি ঐ বাড়ির বউ হলেও বউয়ের মর্যাদা কখনও পায়নি। বিয়ের পর থেকেই হ্যারেস হয়ে আসছি। হাজবেন্ডও আমার সাথে ছিলো না। বলতে গেলে বছরে দু একবার ফিজিক্যাল ছাড়া আমাদের মাঝে কোন টানই সৃষ্টি হয়নি। আমি ভালো ফ্যামিলির মেয়ে হলেও দাসীর মতো জীবন কাটিয়েছি। সাহস ছিলো না। সাপোর্ট ছিলো না। আমাকে সাহস যুগিয়েছে লাবিবা। আমি যদি সেখানে আর একটা বছর থাকতাম হয়তো বেচেঁই থাকতাম না। এমনিতেও মরার মতোই ছিলাম। আমি বুঝে গিয়েছিলাম সে আমার জন্য না। সে আগেই একটা বিয়ে করেছিলো আমি জানতাম। সবাই জানতো। যেখানে যেখানে পোষ্টিং হতো ঐ বউকে নিয়েই চলতো। আমি ছিলাম বাড়িতে শুধু তার পরিবারের কাজ করার জন্য। প্রকাশ করতে পারতাম না। আমার এক্স হাজবেন্ড আমাকে ডিভোর্স দিতে চায়নি। আমি অনেক ঝড় ঝাপটা সামলিয়ে ডিভোর্স নিয়েছি। তিনি বা তার পরিবার এখনও আমার উপর নাখুশ। আমার ক্ষতি করার জন্য সুযোগ খুঁজে চলে। সেজন্যই আমাকে তাড়াতাড়ি বিয়ে দিতে চায় বাবা। কিন্তু একজনও দেখতে আসার পর টিকতে পারেনি। উনারা জিদ খেয়ে লেগেছেন আমার বিয়ে হতে দিবে না। একদিন লাবিবা যায় এমপি সাহেবকে নিয়ে। এমপি সাহেব আমাকে পছন্দ করেন। লাবিবার কথাতেই আমাকে দেখতে যান তিনি। এসবের আমি কিছুই জানি না। আমি ডিভোর্সী তাই বলে আমি লোভী নয়। আমাকে এমন দোষ দিবেন না যা আমি করিনি। আপনি একবার না করে দিন আমার বাবা বললে বিয়েটা ভেঙে দিবে। আপনাকে কেউ কোন প্রশ্ন করবে না। ”
” আমি আমার আগের স্ত্রীকে ভালোবাসি। ভীষণ ভাবে ভালোবাসি। আমাদের ডিভোর্স হয়ে গেছে। এখন সে এক পথযাত্রী আমি এক পথযাত্রী। আমাদের এক হওয়া সম্ভব নয়। তার মানে এই নয় যে আমি আমার দায়িত্ব থেকে সরে আসবো। তোমার প্রতি আমার সব দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করবো। কিন্তু তুমি আমার প্রথম স্ত্রীর জায়গাটা পাবে না। তোমার কিছু বলার আছে?”
” এ পৃথিবীতে যারা ভালোবাসা বঞ্চিত মানুষ আমি তাদের দলের। কেউ আমাকে ভালোবাসুক আমি আশা করি না। ”
” এতো নিল কিভাবে হলে? কিছুদিন হলো ডিভোর্স হয়েছে তোমার এক্সের প্রতি কি কোনো ভালোবাসা কাজ করেনা?”
” আমি উনাকে ঘৃণা করি। তার জন্য শুধুই আমার তরফ থেকে ঘৃণা। ”
” তাহলে তো তুমি ঠকে গেলে রোজী। একসাথে থাকতে থাকতে হয়তো তুমি আমাকে ভালোবেসে ফেলবে কিন্তু আমি তো তোমাকে তা দিতে পারবো না। ”
রোজী ছল ছল চোখে তাকালো। নাক টেনে বললো,
” আমার কিছু লাগবেনা। ”
রোজী মাথা নিচু করে কাঁদছিল তামিম বুঝতে পারলো। তামিম হেসে বললো,
” আমরা সামর্থবান মানুষকেই মনে হয় বেশি বেশি অফার দিই। তাঁরা আরো বড়ো অফারের জন্য প্রতিনিয়ত রিজেক্ট করে চলে। আমার মনে হয় তাঁদের পেছনে শ্রম ব্যয় না করে তাকে অফার করা উচিত যার কাছে ছোট্ট একটি অফারও আকাশের চাঁদ সমান। ডিনার করে যেও রোজী। য়্যু য়্যার মোষ্ট ওয়েল কাম।”
ফুল ফুটুক আর নাই ফুটুক আজ বসন্ত। সবাইকে বসন্তের শুভেচ্ছা। 🌼
চলবে___

