কার্নিশ_ছোঁয়া_অলকমেঘ লেখনীতে: মিথিলা মাশরেকা ৯.

0
479

#কার্নিশ_ছোঁয়া_অলকমেঘ
লেখনীতে: মিথিলা মাশরেকা

৯.

বুকে হাত গুজে, চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে আছে তাশদীদ। সামনেই রিংকি অংক করছে আর লিখতে লিখতেই অদ্ভুতভাবে হাসছে। কোনোরুপ প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও, বারবার কানের পেছনে কপালের চুল গুজছে মেয়েটা। বিরক্ত হয়ে এদিকওদিক তাকালো তাশদীদ। হাত বাড়িয়ে পাশের ড্রেসিংটেবিল থেকে হেয়ারব্যান্ড নিলো। টেবিলে রেখে, ঠেলে রিংকির দিকে এগিয়ে দিলো ওটা। বললো,

– পরেরবার পড়তে বসার আগে চুল ঠিকঠাকমতো সেট করে নিও কেমন?

রিংকি হাসি বর্ধিত করে হেয়ারব্যান্ড হাতে নিলো। মাথায় পরতে পরতে বললো,

– কেনো? আপনার বেবি হেয়ার পছন্দ না?

– আমার পড়ার সময় উঠকো ঝামেলা পছন্দ না। পড়ায় কনসেনট্রেট করো।

তাশদীদের স্পষ্ট জবাব। রিংকি নিশব্দে হেসে আরো দুইকলম লিখলো খাতায়। তারপর খাতাটা এগিয়ে দিলো তাশদীদকে। তাশদীদ সুক্ষ্মভাবে পরখ করলো খাতাটা। রিংকিকে পড়াশোনায় ও যতোটা গা ছাড়া ধারনা করেছিলো, ততোটা ও নয়। অংকগুলো একদম ঠিকঠাক করেছে। উপরন্তু ওর হাতের লেখাও যথেষ্ট সুন্দর। খাতাটা ফেরত দিলো তাশদীদ। কিছু বলতে যাবে, রিংকি কলম মুখে পুরে, ঘাড় বাকিয়ে বললো,

– কেমন বুঝলেন তাশদীদ ভাই? আমি আপনার যোগ্য তো?

– স্টুডেন্ট হতে যোগ্যতা লাগে না। মজার বিষয় হলো, মা তামজীদের লেখা দেখলেই রেগে যায়৷ ওর হাতের লেখা দেখলে নাকি কেউ মানবে না যে ও আমার ভাই। বাট ট্রাস্ট মি! তোমার হাতের লেখা মাশাআল্লাহ! যে কেউ দেখলেই বলবে, তুমি আমারই ছোট বোন! নো ডাউট ইন দ্যাট!

বলতে বলতে উঠে দাড়ালো তাশদীদ। রিংকি বা হাতের কনুই টেবিলে ঠেকিয়ে, তালুতে মাথা গুজলো। মুগ্ধতা নিয়ে চেয়ে রইলো সবরকমের যুক্তিখন্ডন করতে জানা মানবের দিকে। তাশদীদ টেবিল থেকে নিজের ওয়ালেট আর ফোনটা মুঠোয় নিলো। বললো,

– রেগুলার পড়া করে রেখো। আমি পড়া জমানো স্টুডেন্টদের পড়াই না।

বলা শেষে তাশদীদ মানিব্যাগ প্যান্টের পকেটে গুজে রুম থেকে বেরিয়ে আসলো। রিংকি একদৃষ্টিতে ওর বেরিয়ে যাওয়া দেখলো। তারপর উঠে গিয়ে তাশদীদের চেয়ারে বসে গেলো। টেবিলের ওপরে দু পা তুলে, চেয়ার দুলাতে দুলাতে চোখ বন্ধ করে নিলো ও। মৃদ্যু আওয়াজে আওড়ালো,
‘বিশ্বাস করুন তাশদীদ ভাই, আপনার এই স্টুডেন্ট কোনোরকম পড়া জমাবে না। একটুও পড়া চুরি করবে না। সে কেবল আপনার মনটা চুরি করবে। সবেতো আপনার জায়গায় বসেছি। হুট করেই দেখবেন, রিংকি আপনার মনেও বসে গেছে। ইউ নো হোয়াট তাশদীদ ভাই? আপনি শুধু আমার। আপনাকে কেবল আমার সাথেই মানাবে। ‘

মাগরিব পরে বাসায় ফিরলো তাশদীদ। রুমে ঢুকেই আগে ওয়ালেটটা বিছানায় ছুড়ে মারলো ও। তারপর নিজেও এসে বসলো। দুহাতে মুখ মোছার মতো করে ক্ষুদ্র শ্বাস ফেললো একটা। তামজীদ আধশোয়া হয়ে মোবাইলে গেমস খেলছিলো। একপলক ভাইকে দেখে নিয়ে, আবারো খেলায় মনোযোগ দিলো ও। বললো,

– তারপর? নাটকের কারখানা দর্শন করে কেমন বোধ করছিস?

– রিডিকিউলাস।

বিরবিরিয়ে বললো তাশদীদ। স্পষ্টভাবে শুনতে না পেয়ে তামজীদ ভাইয়ের মুখের দিকে উকি দিলো। তারপর ফোন রেখে উচ্চস্বরে হাঁক ছাড়লো,

– মা? ও মা? শুনছো? তোমার ছেলে ছাত্রী পড়াতে গিয়ে ছাত্রীকে বিয়ে করে ফেলেছে। তাড়াতাড়ি এসো!

বিমূর্ত চোখে চাইলো তাশদীদ। তামজীদ সরল-শব্দহীন একটা হাসি দিয়ে বললো,

– চিল। মা বাসায় নেই। নামাজ পরে পাশের দর্জিবাড়ি গেছে। তুই আমাকে পাত্তা দিচ্ছিস না বলে ওভাবে বলেছি। এবার বল, কি কি হলো ও বাসায়। সৈয়দ ফ্যামিলি কি তোকে শুধু আপ্যায়নই করেছে? নাকি সত্যিসত্যিই বিয়ে পরিয়ে দিয়েছে?

তামজীদের মাথায় চাটি লাগালো তাশদীদ। গুরুত্ব দিলো না ওর প্রশ্নকে। উঠে গিয়ে টেবিলে থাকা বইপত্রের দিকে এগোলো ও। ওগুলো কিছুটা এলোমেলো দেখে, গুছাতে গুছাতে বললো,

– এগুলো এলোমেলো কেনো?

– বিকেলে তোর এক্স ভার্সিটির এক্স প্রফেসর বাসায় এসেছিলো। তোর রুমে দেখতে এসেছিলো, ভার্সিটি পাল্টে তুই কি পড়ালেখা করে দুনিয়া উল্টে দিচ্ছিস।

মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বললো তামজীদ। ওর কথা শুনে তাশদীদের হাত থেমে যায়। ভাইয়ের দিকে ফিরে কিছুটা বিস্ময় নিয়ে বললো,

– এক্স ভার্সিটির এক্স প্রফেসর মানে?

– আরে তোর ডিপার্টমেন্টের টিচার। সুবোধ না কি যেনো নাম, সে। হঠাৎ বাসায় ঢুকে পরে বাবাকে বললো সে নাকি এদিকদিয়েই যাচ্ছিলো, তাই তোর সাথে দেখা করতে এসেছে। তোকে না পেয়ে বাবার সাথে বেশ অনেকটাসময় কথাটথা বললো ভদ্রলোক। তারপর এই রুম ঘুরে চলে গেলো।

তাশদীদ চুপ করে আছে। তামজীদ একটা বড় দম নিয়ে সটান হয়ে শুয়ে পরলো বিছানায়। বললো,

– হাহ….! হ্যাঁ রে ভাইয়া? তুই কি জাদুটোনা জানিস নাকি বলতো? যেখানেই যাস, ফ্যানবেইস তৈরী করেই আসিস! কোনোদিনও শুনিনি কোনো ভার্সিটির টিচার তার স্টুডেন্টের বাসায় যায়। আর তোর কপাল দেখ! প্রফেসর বাড়ি বয়ে তোর পড়ার ঘর দেখতে আসে। ভাবা যায়? আমি তো…

তামজীদ বলে চলেছে। তাশদীদ নিচের ঠোঁট কামড়ে ধরে হাসলো। তারপর টেবিলের সামনের তাকে থাকা কলমদানী থেকে একটা কলম হাতে নিলো ও। চেয়ারে ঠেস দিয়ে দাড়িয়ে, কলমের নিব ওঠানামা করাতে লাগলো। চেয়ে রইলো সর্বসামনের লেখাবিহীন খাতাটার দিকে। দুদন্ড পর কলমে থাকা ছোট্ট বোতামটা চাপলো তাশদীদ। তাক করলো খাতাটার দিকে। কলম থেকে বেরোনো সবুজরঙা রশ্মি খাতার ওপর পরতেই ফ্রন্টপেইজে স্পষ্টাক্ষরের লেখা ফুটে এবারে। সেখানে গোটাগোটা হরফে লেখা, ‘Reactions and Modifications.’

তৈয়ব আলফেজ বাসায় নেই। ড্রয়িংরুমের সোফায় গা এলিয়ে দিয়ে বসে টিভি দেখছে তুল্য। হাতের বার্গারে কামড় দিতে যাবে, জুতার আওয়াজ শুনে টনক নড়ে ওর। পাশে তাকিয়ে দেখে তাথৈ গটগট করে সিড়ি দিয়ে নামছে। তুল্য বার্গারটা টি-টেবিলে রেখে, একদৃষ্টিতে চেয়ে রইলো বোনের দিকে। এলোমেলো চুল, শুকনো দেহ, চোখ বসে গেছে তাথৈয়ের। অজ্ঞান অবস্থায় ওকে হসপিটালাইজড করা হয়েছিলো। কিন্তু জ্ঞান ফেরার পর হসপিটালে একবেলাও ছিলো না ও। জ্বরের শরীর নিয়েই চলে এসেছে অম্বুনীড়ে। নিজেই নিজেকে সুস্থ করার চেষ্টা করেছে। দিনকয়েকের ব্যবধানে হয়তো জ্বর কমেছে কিছুটা। কিন্তু জেদ কমেনি। এই শরীর নিয়েই বাইরে বেরোতে উদ্যত হয়েছে ও। তুল্য বেশ বুঝলো, তাথৈ ক্যাম্পাসেই যাচ্ছে। দুদিনের নোটস জোগার করতে, পড়তে। উচু গলায় বললো,

– নোটিশ দেখিসনি? আজ ক্লাস নেই।

তাথৈ থামলো না। জবাবও দিলো না। বেরিয়ে গেলো। তুল্য নিজের কপাল চেপে ধরে। পরপরই ছুট লাগায়। তাথৈ গাড়ি স্টার্ট দিচ্ছিলো। এরইমাঝে তুল্য এসে ফ্রন্টসিটে বসে যায়। স্টেয়ারিং ছেড়ে ভাইয়ের দিকে ঘুরে বসে তাথৈ। ওর প্রশ্নসূচক চাওনি। তুল্য স্বাভাবিক গলায় বললো,

– বাস্কেটবল টুর্নামেন্ট আছে। ক্যাম্পাস যাবো।

– নিজের গাড়িতে যা!

– আমার ক্লাস নেই জেনে তোর ড্যাড ড্রাইভারকে নিয়ে বেরিয়ে গেছে।

– আ’ম নট ইওর ড্রাইভার তুল্য!

– তোকে ড্রাইভার কে বানাচ্ছে? ফেভার ব্যাক কর! জ্বরের ঘোরে যখন অন্তুকে স্মরণ করছিলি তখন অন্তু এসে তোকে হসপিটালাইজড করায় নি। আমার গাড়িতেই হসপিটাল নিয়ে গিয়েছিলাম তোকে! মাইন্ড দ্যাট!

তাথৈ দাঁতে দাঁত চেপে গেলো। ওর চোখ গেলো তুল্যর পায়ের দিকে। হাটুর নিচ অবদি থ্রি কোয়াটার প্যান্ট পরা অবস্থাতেই বেরিয়ে এসেছে তুল্য। কিন্তু সেদিকে ওর কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। কিছু না বলে গাড়ি স্টার্ট দিলো তাথৈ। ড্রাইভিং করতে করতে কয়েকমিনিট পর কাউকে কল করলো ও। কানে গোজা ব্লুটুথে বললো,

– হ্যাঁ রুমন? ক্যাম্পাসে আছিস তুই?

রুমনের নাম শুনেই চটে গেলো তুল্য। ও বেশ জানে, তাথৈ ইচ্ছে করে ওকে রাগাচ্ছে। হুট করেই ওর খেয়াল হয়, ও বাসায় পরা থ্রি কোয়াটার পরেই চলে এসেছে। তীব্র আক্ষেপে চোখ খিচে বন্ধ করে নিলো তুল্য। তাথৈ না তাকিয়েও বুঝলো, ওর পাশেরজনের চেহারায় বিপুল বিব্রতবোধ। বিশ্বজয়ের হাসি দিয়ে গাড়ির স্পিড বাড়ালো ও।
ভার্সিটি পৌছে গাড়ি পার্ক করে গাড়ি থেকে নামলো তাথৈ। হাতের উপরপিঠে গলার দিকটা ডলা লাগালো। বুঝলো শরীরের উত্তাপ একেবারে অগ্রাহ্য না। জ্বরটা পুরোপুরি ঠিক হয়নি ওর। জানালা দিয়ে মাথা ঢুকিয়ে ব্যাকসিট থেকে ব্যাগ নিলো তাথৈ। একপলক সামনে তাকিয়ে দেখে তুল্য উঁকিঝুঁকি দিয়ে কাউকে খুজছে৷ তাথৈ কাধে ব্যাগ বাঝিয়ে হাটা লাগালো। আশপাশ দেখে তুল্য বেরিয়ে আসলো। পকেট থেকে সিগারেট বের করে ধরালো একটা। তখনই আওয়াজ আসলো,

– ভর দুপুরে ভরা ক্যাম্পাসে লোমশ পায়ের লোভনীয় পেশি দেখিয়ে বেরাচ্ছো তুল্যবাবু? নট ফেয়ার!

তুল্য অনড় হয়ে দাড়িয়ে থাকে। ওর নাক মুখ দিয়ে সিগারেটের ধোয়া বেরোয়। আপাতদৃষ্টিতে দেখা না গেলেও, মাথা, কান দিয়েও হয়তো অদৃশ্য ধোঁয়া বেরোচ্ছিলো ওর। রাগের। রুমন পেছন থেকে হেলতেদুলতে পাশ কাটায় তুল্যকে। তুল্যকে আপাদমস্তক দেখতে দেখতে উল্টো হয়ে হাটছিলো ও। তুল্য অস্থিরচিত্ত্বে আশপাশে তাকালো। কিছু না পেয়ে নিজের পকেট থেকে রুমাল বের করলো। তারপর পার্ক করা একটা সাইকেলের চেইনে ডলা মেরে কালি লাগালো রুমালটায়৷ দাঁতে দাঁত চেপে বললো,

– নট ফেয়ার? আজকে ফেয়ারনেস ক্রিম লাগিয়ে দেবো তোর চেহারায়! দাড়া!

রুমন বুকে হাত দিয়ে আঁতকে ওঠে। ঘুরে উঠে দেখে তাথৈ অনেকটাই দুরে চলে গেছে। ‘তাথৈ’ বলে চিৎকার দিয়ে ওঠে ও। ওর ডাক শুনে হতাশ শ্বাস ছাড়লো তাথৈ। পেছন ফিরে দেখে, রুমন হাত নাড়িয়ে নাড়িয়ে দৌড়াচ্ছে, আর ওর পেছনে তুল্য রুমাল হাতে তেড়ে আসছে। তাথৈকে থামতে দেখে তুল্য কিছুটা দুরেই থেমে যায়। রুমালটা ছুড়ে ফেলে অন্যদিকে চলে যায় ও। রুমন হাপাতে থাকে। তাথৈ রাগ নিয়ে ওর পান্জাবীর কলার চেপে ধরলো। বললো,

– তোকে বলেছি না তুল্যর থেকে দুরে থাকতে? হু?

– তোর না জ্বর ছিলো তাথৈ? জোর কমেনি কেনো? ছেড়ে দে প্লিজ! ছেড়ে দে! আর কোনোদিনও তোর ভাইকে কিছু বলবো না। আজকের মতো ছেড়ে দে প্লিজ!

রুমন চেচাচ্ছে। নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করছে। এতে ওর শলাকার মতো শরীরটা আরো ঝাকি দিয়ে উঠছে। হঠাৎই পাশ থেকে কেউ রুমনের কলার মুঠো করা তাথৈয়ের হাত ধরে ফেলে। তাথৈ থেমে যায়৷ বিস্ময় নিয়ে সে হাতের দিকে তাকালো ও। হাতের মালিক রুমনের কলার থেকে তাথৈয়ের একটা একটা আঙুল ছাড়িয়ে নেয়। তারপর কবজি ধরে ফেলে। রুমনের ফোকলা হাসিটা দেখে মানুষটার দিকে দৃষ্টিতাক করলো তাথৈ। কিন্তু সে হাসোজ্জল চেহারাটা দেখতেই গায়ে আগুন ধরে গেলো ওর। ওর হাত ধরা মানুষটা অন্য কেউ ছিলো না। সে স্বয়ং তাশদীদ। পরনে অফ হোয়াইট শার্ট। বড়হাতা গুটানো। বিভাগের বাস্কেটবল টুর্নামেন্ট দেখবে বলে মাঠের দিকে এগোচ্ছিলো তাশদীদ। যাওয়ার পথে রুমন-তাথৈকে দেখে থেমে যায়। তাথৈকে আপাদমস্তক দেখে নিলো ও। কালো জিন্স, সাদা কুর্তা পরিহিত রমনীর শরীরে জ্বরের উষ্ণতা, চেহারায় বিধ্বস্ততা। তবুও রাগের কোনো কমতি নেই। তাশদীদ ঘাড় কিছুটা বাকিয়ে কপাল কুচকালো। আগ্রহীস্বরে শুধালো,

– এতো রাগ কেনো?

– নান অফ ইওর বিজনেস!

তাথৈয়ের শক্তকন্ঠের জবাব শুনে ওর হাত ছেড়ে দিলো তাশদীদ। হাত ছাড়া পেতেই তাথৈ ঠাস করে চড় লাগালো রুমনের মাথায়। তাশদীদ স্তব্ধ। একমুহুর্তের জন্য ওর মনে হয়েছে, মারটা যেনো ওর গায়েই লেগেছে। একনজর তাশদীদকে দেখে নিয়ে তাথৈ দ্রুতপদে চলে গেলো ওখান থেকে। তাশদীদ রুমনের মাথায় হাত বুলাতে লাগলো। তাথৈয়ের চলে যাওয়ার দিক চেয়ে অজান্তেই বলে উঠলো,

– আমার তো বিজনেস না। কিন্তু যার বিজনেস হবে, তার কি হবে?

#চলবে…

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here