#পাথর_হৃদয়ে_ফুল
Writer – Nodi Karim
পর্ব – ৯
[অনুমতি ব্যতীত কপি করা নিষেধ]
আদিয়াত পকেটে এক হাত ডুকিয়ে মোবাইল টিপতে টিপতে পার্কে ডুকে সামনে তাকাতেই যেনো তার পৃথিবী থমকে যায়।
তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে কালো রংঙের শারী পরিহিতা এক নারী। ফর্সা শরীলে কালো রং টা ফুটে আছে। বড় বড় মায়াবি চোখ গুলোতে কাজল দেয়া। ঠোঁটে হালকা লিপস্টিক আর কোনো সাজ নেই।গরমের কারনে কাপালে ফোটা ফোটা ঘাম,গাল গুলো লাল হয়ে আছে।হাটু পর্যন্ত লম্বা চুলগুলো ছেরে দেওয়া যা বাতাসে উরছে।আদিয়াত এই প্রথম আরহার চুলগুলো দেখলো। সব সময় জুটি আর খোঁপা করে রাখার কারনে বুঝতে পারে নি আরহার চুল এতো বড়।
আদিয়াতকে দেখেই আরহা বসা থেকে দাঁড়ায়।আদিয়াতের কথায়ই আরহা আজ ওয়েস্টার্ন ড্রেস পরে আসে নি। আদিয়াতকে তার দিকে এভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে আরহা গাল ভরে হাসে।যার কারনে তার গালের টোল টা দৃশ্যমান হয়।
আদিয়াত আরহার টোল পরা হাসির দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতেই আরহার সামনে এসে দাঁড়ায়। বাতাসে ওরে এসে কিছু চুল আরহার মুখে পড়ে। আদিয়াত হাত দিয়ে চুলগুলো সরানোর জন্য যখনি হাত টা উঠাবে তখনি আরহার কথায় তার ধ্যান ভাঙে
_ধন্যবাদ আদিয়াত আমার কথা রাখার জন্য।
আদিয়াত নিজের উপর বিরক্ত হয় সে কি করতে গিয়েছিলো একটু আগে।
আদিয়াত নিজেকে সামলে বলে
_আদিয়াত কখনো কথা খেলাপ করে না।
_হ্যা দেখছি
আসুন এখানে বসি। আদিয়াত আর আরহা পর্যাপ্ত দূরত্ব রেখেই বসে।
আরহা সামনে দিকে দৃষ্টি রেখে বলে-
_আমি ঘুরিয়ে পেচিয়ে কথা বলতে পারি নাহ। তাই বেশি ঘুরিয়ে পেচিয়ে না বলে সরাসরিই বলছি।
আপনি বলেছিলেন আপনার লাইফে কোনো মেয়ে নেই আপনার দিদিভাই আর ছোট বোন ছারা তাই তোহ
_তো এতে কি হয়েছ?
_যদি বলি আমি আপনাকে ভালোবাসি?
আরহা এক দমে কথাটা বলে
আদিয়াত আরহার কথায় তার দিকে কয়েক পলক তাকায়,তারপর ডোন্ট কেয়ার মুড নিয়ে বলে
_তোহ?
_তোহ মানে? আই নো আপনাকে অনেক মেয়ে পছন্দ করে।আপনি অনেক মেয়ের সাথে বেড সেয়ার ও করেছেন। আপনি একজন মাফিয়া,একজন মানুষকে ভালোবাসতে তার সাথে থাকতে সেই মানুষ টার সম্পর্কে যা জানতে হয় আমি জেনেছি।আমার ধারনা আমার ভালোবাসা দিয়ে আমি আপনার ভুলগুলো শুধরে দিতে পারবো।
আমি আপনার উওরটা আজ শুনবো না চারদিন পর আপনি আমাকে উওর টা জানাবেন।আমি অপেক্ষা করবো আপনার উওরের,আর উওর টা যেনো হ্যা হয়।
আদিয়াত আরহার কথা শুনছিলো
আরহা কথা শেষ হতেই আদিয়াত বলে উঠে
_এখন যাওয়া যাক তাহলে?
_ওকে চলুন
বলেই আরহা আদিতের গাড়িতে উঠে বসে।
আদিয়াত আর আরহা গাড়ির পিছনে বসে আছে,মাঝখানে যথেষ্ট দূরত্ব রেখে। সামনে ড্রাইবার গাড়ি চালাচ্ছে তার পাশেই শিহাব বসা। তাদের গাড়ির পিছনে সব সময় কার মতো তিনটা গার্ডদের গাড়ি।
জানালার গ্লাস খুলে দেয়া হয়েছে আরহার কথায়।জানালা দিয়ে মুখ বের করে প্রাকৃতিক সুন্দর্য উপভোগ করছে আরহা। বাতাসে তার সামনের লেয়ার কাট দেয়া চুলগুলো উরছে। আদিয়াত ফোন দেখছে কিন্তু আদেও কি সে ফোনে মনোযোগ দিতে পেরেছে। হয়তো পারে নি তাই তো মাঝে মাঝে আরহার দিকে আর চোখে তাকাচ্ছে।
শিহাব সামনে বসে গাড়ির আয়ানার দিকে তাকিয়ে। তার বসের ভাবমূর্তি বোঝার চেষ্টা করছে। আদিয়াতের আরহার সাথে নরম গলায় কথা বলা ও চলাফেরা নিয়ে শিহাবের সন্দেহ হচ্ছে।তার কারন সে আদিয়াতকে কোনো মেয়ের সাথে এভাবে কথা বলতে ও চলাফেরা করতে দেখে নি।
তাদের ভাবনার ব্যাঘাত ঘটে আরহার চিৎকারে। ড্রাইবার সাথে সাথে গাড়ি থামিয়ে দেয়,আদিয়াত আরহাকে বিরক্ত হয়ে জিজ্ঞাসা করে
_কি হয়েছে এভাবে চিৎকার করছো কেনো?
_আমি হাওয়ার মিঠাই খাবো।
আরহা বাচ্চাদের মতো মুখ করে বলে।
_হোয়াট, এই কই পাবো?
_ওইযে দেখুন রাস্তায় একটা ছেলের হাতে
আদিয়াত রাস্তার দিকে তাকিয়ে দেখে একটা ছেলের হাতে বাস জাতীয় কিছু সাথে ঠোঙ্গা বাঁধা যার ভিতর গোলাপি সাদা কালারের কিছু আছে।
_ওগুলো,এসব জিনিস তুমি খাও
আদিয়াত মুখ ছিটকিয়ে কথাটা বলে
_হ্যা আমি ওগুলোই খাবো এনে দিন। আপনি যানেন আমি ছোটো থাকতে যখন বাংলাদেশ ছিলাম স্কুলে যাওয়ার সময় ফ্রেন্ডের সাথে খেতাম।দেশের বাহিরে যাওয়ার পর আর খাওয়া হয় নি অনেক দিন পর দেখলাম এনে দিন নাহ।
আরহা কাঁদো কাঁদো মুখে বলে
আদিয়াত আরহার মুখের দিকে তাকিয়েই শিহাবকে বলে
_শিহাব ও যেটা বলছে সেটা এনে দে
_ওকে ভাই।
শিহাব বের হতে গেলেই আরহা বলে
_পাঁচ টা আনবেন ঠিক আছে
_ম্যাম
.
.
আরহা এক মনে বসে বসে হাওয়ার মিঠাই খাচ্ছে অলরেডি তার তিনটা শেষ। আদিয়াত অভাব হয়ে আরহার খাওয়া দেখছে।
আদিয়াতকে আরহা তার দিকে এভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে বলে
_আপনি খাবেন খেয়ে দেখুন না, আমি আপনাকে একটা ম্যাজিক দেখাচ্ছি হা করুন।
_হোয়াট,
_হোয়াট হোয়াট না করে হা করুন নাহ
_আমি এসব খাই না তোমার খেতে ইচ্ছা হইছে তুমি খাও।
_আচ্ছা ম্যাজিক টা তো দেখাতে দিন চোখ বন্ধ করে হা করুন।
_পারব না
আরহা অসহায় চোখে তাকাতেই আদিয়াত হা করে চোখ বন্ধ করে
আরহা আদিয়াতের মুখে কিছুটা হাওয়ায় মিঠাই দেয় তারপর বলে
_এবার মুখ বন্ধ করুন।
আদিয়াত মুখ বন্ধ করে নেয় সে ফিল করে মুখে কিছু দেওয়া হয়েছে মিস্টি জাতীয়। বাট কিভাবে যেনো হাওয়া ও হয়ে গেলে।
আদিয়াত চোখ খুলে ড্যাব ড্যাব করে আরহার দিকে তাকায়।
আরাহা আদিয়াতের এভাবে তাকানোর মানে বুঝতে পেরে ভ্রু নাচিয়ে বুঝায়
কেমন ম্যাজিক টা।
_এটা কি হলো তুমি তো আমার মুখে কিছু দিয়েছিলে সেটা কোথায়?
_হাওয়া হয়ে গেছে।এটাকেই বলে হাওয়াই মিঠাই বুঝেছেন বলেই আরহা খিলখিল করে হেসে ওঠে।
আদিয়াত মুগ্ধ হয়ে আরহার হাসির দিকে তাকিয়ে থাকে। সে বুঝতে ও পারছে সে দিনে দিনে আরহার উপর দুর্বল হয়ে পরছে।
_________
আদিয়াত ৫ঃ৩০ সের দিক আরহাকে তার বাসার সামনে নামিয়ে দিয়ে তার গোডাউনে যায়।যেখানে তার লোকেরা দুইজন ছেলেকে ধরে নিয়ে এসেছে।
আদিয়াত গাড়ি থেকে নেমে গোডাউনের ভিতর ডুকতে ডুকতে নিজের শার্টের হাতা গুটাতে থাকে। রুমের সামনে আসতেই মাথার উপরের হালকা হলুদ বাল্বের আলোতে দেখে দুইজন ছেলেকে চেয়ারের সাথে হাত পা বেধে রাখা হয়েছে। তাদের পাশেই দুজন লোক লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে আছে যেগুলো দিয়ে এতক্ষন ছেলে দুটোকে পেটানো হয়েছে। শক্ত লাঠি দিয়ে মারা’র কারনে ছেলে দুটোর শরীলের বিভিন্ন যায়গা ফেটে গিয়ে র’ক্ত বের হচ্ছে। মাথা ফেটে গেছে দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেক মার খেয়েছে।
আদিয়াত রুমের ভিতরে ডুকতেই একজন গার্ড এসে আদিয়াতকে চেয়ার দেয় বসার জন্য।আদিয়াতের সাথে শিহাব ও রুমে ডুকে,আদিয়াত চেয়ারে পায়ের উপর পা উঠিয়ে বসে।ছেলে দুটো কারো উপস্থিতি বুঝতে পেরে মাথাটা হালকা উচিয়ে তাকায়।
আদিয়াতকে চেয়ারে বসে থাকতে দেখে তাদের প্রান পাখি উরে যাওয়ার জোগার।
আদিয়াতের লাল হয়ে যাওয়া চোখ দেখে বুঝে যায় আদিয়াত রেগে আছে।তারা বুঝতে পারছে না তাদের এখানে কেনো ধরে রাখা হয়েছে
_তোদেরকে আমি গত দু দিন যাবত দেখছি আমার আশে পাশে। এমনকি আর গাড়িও তোরা ফলো করতি এখন বল কাহিনি কি?
আদিয়াতে হাতের রিভলভারটা কাপালের সাইটে গসতে গসতে ঠান্ডা কন্ঠে কথাটা বলে।
আদিয়াতের ঠান্ডা কন্ঠ শুনতেই ছেলে দুটোর ঘাম ছুটে যায়।তারা যানে আদিয়াতের এই ঠান্ডা কন্ঠ ঝরের লক্ষন।তাই নিজেকে বাঁচাতে বলেই ফেলে
_স্যার স্যার.. বিশ্বাস করুন আমরা আপনাকে ফলো করি নি।আপনার কোনো ক্ষতিও আমরা করতাম না।
একটা ছেলে ভয়ে ভয়ে কথাটা বলে।
_আচ্ছা তাই।তাহলে আমার গাড়ি ফলো করছিলি কেনো বল
_আমরা আরহা খানকে ফলো করছিলাম।সে আপনার সাথে ছিলো তাই আপনার গাড়ি ফলো করেছি।
দ্বিতীয় ছেলেটার মুখে আরহার নাম শুনেই। আদিয়াত মাথা উঠিয়ে রাগে লাল হয়ে যাওয়া চোখ গুলো দিয়ে তাকিয়ে ঠান্ডা কন্ঠেই বলে
_কেনো,কে পাঠিয়েছে তোদের?
_আমারা কিছু যানি নাহ স্যার আমাদের ছেরে দিন।আমরা তো আপনার কোনো ক্ষতি করি নি।
ছেলে দুটোর মুখে মিথ্যা কথা শুনে আদিয়াত রেগে হুংকার দিয়ে উঠে দাড়িয়ে বসে থাকা চেয়ার টা লাথি নিয়ে ফেলে দেয়। রুমের সবাই ভয়ে কেপেঁ উঠে।
_ওরা যতক্ষন না সত্যে কথা মুখ থেকে বের করছে ততক্ষন মারতেই থাকবে। কিন্তু জানে মারবে না বেঁচে থাকে যেনো।
আদিয়াতের কথা শুনে ছেলে দুটো কাদঁতে থাকে কিন্তু মুখ থেকে কথা বের করে না।
ঘুরে
আদিয়াত আর কোনো কথা না বলে রুম থেকে বের হয়ে যায়,পিছে পিছে শিহাব ও আসে।
_শিহাব আমার আরহার ফুল ডিটেইলস চাই। ওকে কেনো এরা মারতে চায়,কেনো আহনাফ খান মেয়েকে এতো সিকিউরিটির ভিতর রাখেন।আর আরহা লন্ডকে কেমন লাইফ লিড করতো এভরিথিং। সব কিছুর খবর নাও
_ওকে ভাই
আদিয়াত গোডাউন থেকে বের হয়ে একটা জরুলি কাজ সেরে রাত এগারো টার দিকে হোটেলে এসে নিজের জন্য বরাদ্দকৃত রুমে ডুকে রুমের লাইট অন করে। আজ দুই দিন পর সে হোটেলে আসলো। প্রতিদিন কার মতো আজও আদিয়াতের বেডের উপর একটা মেয়ে বসে আছে। আদিয়াত সেদিকে না তাকিয়েই ওয়াসরুমে চলে যায়।
দশ মিনিট পর ফ্রেস হয়ে বের হয়ে বেডের মেয়েটার কাছে যেতেই আদিয়াত অভাক হয়ে তাকিয়ে বলে
_আরহা তুমি এখানে?
বেডের মেয়ে থতমত খেয়ে বলে
_সরি, আমার নাম আরহা না ফারহানা।
আদিয়াত মেয়েটার কথায় চোখ বন্ধ করে গভীর শ্বাস নিতেই আরহার টোল পড়া গালে মিস্টি হাসি দেওয়া মুখটা ভেসে ওঠে।
আদিয়াত ফট করে চোখ টা খুলে ফেলে।বিরক্ত হয়ে বেডের মেয়েটাকে বিছানায় থাক্কা দিয়ে শুইয়ে ফেলে।তারপর মেয়েটার উপর আদ শোয়া হয়ে যেই মেয়েটার দিকে মুখ আগাতে নেয় তখনি আরহার বিরক্ত হয়ে মুখ সরানোর দৃশ্য টা চোখের সামনে ভেসে ওঠে। আদিয়াত বিরক্ত হয়ে উঠে বসে মেয়েটাকে বলে
_গেট আউট, এখনি আমার রুম থেকে বেড়িয়ে যাও টেবিলের উপর চেক আছে নিয়ে যাও
মেয়েটা অভাব হয়ে বলে
_ জ্বি
আদিয়াত রেগে চিল্লিয়ে বলে
_শুনতে পাও নি বের হয়ে যাও আমার রুম থেকে।আই সে গেট আউট
মেয়েটি ভয় পেয়ে চেক টা নিয়ে রুম থেকে বেড়িয়ে যায়।
আদিয়াত দুই হাত দিয়ে মুখ ডেকে বসে গভীর কয়টা শ্বাস নিয়ে নিজেকে শান্ত করে। তার দাদিজান আলেয়া চৌধুরী কে ফোন দেয়।
_দাদু ভাই তুমি কোথায় এখনো বাসায় আসছো না।
আলেয়া চৌধুরী জেগেই ছিলো আদিয়াত একবার ফোন দিতেই ধরে। ধরার সাথে সাথে কানে আসে আদিয়াতের উত্তেজিত কন্ঠস্বর
_দিদিভাই আমাকে হেল্প করো আমি এলোমেলো হয়ে যাচ্ছি।
আলেয়া চৌধুরী চিন্তিত হয়ে বলে
_কি হয়েছে দাদুভাই?
আদিয়াত আলেয়া চৌধুরীকে তার সাথে ঘটে যাওয়া সব কিছু বলে।সব শুনে আলেয়া চৌধুরী মিটিমিটি হেসে টিটকিরি করে বলে
_বাহহ আমার দাদু ভাই ও দেখি প্রেমে পড়েছে। তা কে সে কার এতো বড় সাহস যে আদিয়াত আবরার চৌধুরীর মন চুরি করে। অবশেষে আটাশ বছর বয়সে আপনার #পাথর_হৃদয়ে_ফুল ফুটলো।আমি তো ভেবেছি তোর বউ দেখে আমি মর’তে পারবো না।
_কিসের প্রেম, দিদিভাই তুৃমি মজা নিচ্ছো,দু দিনের দেখায় প্রেম ভালোবাসা হয়।
_হয় দাদুভাই এক পলকের দেখায় ও ভালোবাসা হয়।এখন তুই যতো তাড়াতাড়ি বুঝতে পারবি ততোই ভলো।আবার দেখিস তোর ফুলকে যেনো কেউ নিয়ে যায় না।
বলেই আলেয়া চৌধুরী ফোন কেটে দেয় হাসতে হাসতে তার এতো দিনের দোয়া আজ কবুল হলো।সে আজ অনেক খুশি কালকেই এতিমখানায় নিয়ে বাচ্চাদের খাইয়ে আসবে বলে ঠিক করলো।
আদিয়াত কানে থেকে ফোন নামিয়ে এক ধ্যানে সাদা দেয়ালটার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থেকে কিছু ভাবে।
তারপরি ডেভিল হাসি দিয়ে বলে উঠে
_আমার অন্ধকার নগরীতে আপনার স্বাগতম আরুপাখি। আপনি নিজ-ইচ্ছায় পর্দাপন করেছে আমার রাজ্য।কিন্তু নিজ ইচ্ছায় বের হতে পারবেন নাহ। বের হতে গেলেই জালে কাটকে যাবেন যে। যেই জাল থেকে আপনি চাইলেও নিজেকে ছারাতে পারবেন না। এই অন্ধকার নগরীর কালো বাতাসেই আপনার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত থাকতে হবে। আপনার স্বাধীনতা জীবন যে শেষ আরুপাখি,আপনি আমার #পাথর_হৃদয়ে_ফুল এই ফুল কে আমি যত্ন সহকারে আগলে রাখবো।আপনাকে যে ছুতে আসবে সে যেই হোক না কেনো তাকে ভয়ংকর মৃত্যু দিতে আমার হাত কাপবে না।
কথা বলেই আদিয়াত রহস্যময় হাসি দেয়।
চলবে……
(ভুল-ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টি তে দেখবেন রিচেক করার সময় চাই নি। গাইস আদিয়াত তো আরহা কে ভালোবাসে ফেললো🙆♀️। পর্বটা কেমন হয়েছে কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না।আজকের পর্বটা কিন্তু অনেক বড় দিয়েছি)

