মায়ার_যাতনা #পর্ব_১২ #অরুনিতা_আঁখি

0
215

#মায়ার_যাতনা
#পর্ব_১২
#অরুনিতা_আঁখি

মায়া রুদ্রের রুম থেকে হ্যান্ড ব্যাগ নিয়ে চলে যাচ্ছিলো,,কিন্তু কিছু একটা ভেবে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে গেল।। অনেকক্ষণ ধরে ঘরে কারো ঘোঁঙ্গানোর আওয়াজ তার কানে আসছিল,, কিন্তু তাড়াহুড়ায় সে এটাকে খুব একটা পাত্তা দেয়নি।।কিন্তু এখন বিষয়টা তাকে ভাবাচ্ছে,,ঘরে সে আর রুদ্র ছাড়া আর কেউ নেই।।তাই অন্য কারো আওয়াজ হওয়ার কথা ও না।।

মায়া নিঃশব্দে রুদ্রের বিছানার কাছে এসে দাঁড়িয়েছে,, লোকটার দিকে তার তাকাতেও ইচ্ছা করছে না,, কিন্তু কিছু একটার অদ্ভুত কৌতূহল বাধ্য করছে, তাকে লোকটাকে পর্যবেক্ষণ করার!!

রুদ্র সবসময়ই কোমর পর্যন্ত ব্লাঙ্কেট টেনে উপুর হয়ে ঘুমায়,,শার্টলেস অবস্থায় ঘুমানো তার অভ্যাস!! অন্তত মায়া যতদিন এসেছে ততদিন দেখেনি রুদ্রকে গায়ে কিছু জড়িয়ে ঘুমাতে।।

কিন্তু আজ পুরো উল্টো,,একে তো এসি চালু দেওয়া নেই,,তার উপর রুদ্র আষ্টেপৃষ্ঠে পুরো শরীরে ব্ল্যাঙ্কেট জড়িয়ে ঘুমিয়ে আছে,,যদিও রুদ্র একটু বেশি লম্বা হওয়ায় কাঁধের উপরের অংশ আর মুখ ঢাকা যায়নি।।

মায়া ঘরের আলো জ্বালায়নি,,মোবাইলের টর্চ অন করে এসেছিল ব্যাগ খুঁজতে,,টর্চের আলোতেই রুদ্রকে ভালোভাবে খেয়াল করে দেখলো,,, মুখ ও কাধের যতোটুকু অংশ উন্মুক্ত ততটুকুতে লাল লাল রেশ দেখা যাচ্ছে,,ফর্সা হওয়াতে একটু বেশিই চোখে লাগছে!!

-“লোকটাকে দেখে মনে হচ্ছে ঠান্ডায় কাঁপছে,,কিন্তু এ.সি তো অফ করে রাখা!!ঘোঁঙ্গানোর আওয়াজ’ও ওনার মুখ থেকেই আসছে।।”

মায়ার বুজতে সময় নিলো না যে,’জ্বর এসেছে রুদ্রের!!’

– “উনার জ্বর এসেছে তাতে আমার কি??দুই দিন আগে আমিও জ্বরে কাঁতরেছি!!”

মায়া আর বেশি ভাবাবেগ না দেখিয়ে নিজের ঘরে এসে শুয়ে পড়লো।।কিন্তু অনেকক্ষণ এপাশ-ওপাশ করার পরেও তার চোখে ঘুম ধরা দিচ্ছে না!! বিবেকের তাড়না তাকে ঘুমোতে দিচ্ছে না,,কে যেন বারবার তার কানের কাছে এসে বলছে,,”তুই কি পাষান হয়ে গেলি রে মায়া!!একটা মানুষকে অসুস্থ অবস্থায় দেখে তুই শান্তি পাচ্ছিস?তাহলে তুই যাকে জানোয়ার বলিস,,তার আর তোর মধ্যে পার্থক্য থাকলো কি?তুইও তো ওই লোকের মত অমানুষে পরিণত হয়েছিস!! তুই’ও অমানুষ মায়া!!

– “না না নাহ!!আমি ঐ শয়তানটার মতো অমানুষ নই “,, মায়া দুই কানে হাত চেপে ধরে চিৎকার করে উঠে বসে বললো।ফুপিঁয়ে উঠলো মেয়েটা,,

~”আমি লোকটাকে ঠিক কতটা ঘৃণা করি,,যে তার অসুস্থতায়ও আমার তাকে দেখতে’ও ইচ্ছে করছে না!!”……..
~~~~~~~~~~~~~

রাতের আঁধার এখনো কাটেনি,,সময় কত হবে এখন??
হঠাৎ’ ই রুদ্রের ঘুম ভেঙ্গে গিয়েছে,,চোখ খুলে কিছুক্ষণ থম মেরে বসে থাকলো।।”গরম লাগছে কেন?”

ধীরে ধীরে মস্তিষ্ক কাজ করা শুরু করে দিয়েছে,,তার তো জ্বর এসেছিল।আসবে নাই বা কেন?গাড়ি যেখানে নষ্ট হয়েছে,,তারপর পুরোটা পথ তো সে বৃষ্টিতে ভিজে হেঁটে হেঁটে এসেছিল।।
পুরো শরীর ব্যথা হয়ে আছে,,ঘাড় এদিক ওদিক কাত করে মট মট করে ফুটালো!!কিন্তু কিছু একটা তার দৃষ্টি জোড়াকে মুহূর্তেই থমকে দিয়েছে,,,

“চেয়ারে বসে বিছানার কার্নিশে হেলান দিয়ে এক মায়ারাজ্যের পরি চোখ বুজে ঘুমিয়ে আছে।।এটা তো সেই শ্যামল কন্যা!!শুভ্র পোশাকে মোমবাতির টিম টিমে হলুদ আলোয় মেয়েটাকে এতটা আবেদনময়ী আর মায়াবী লাগছে যে,, রুদ্রের চোখ ধাঁধিয়ে যাচ্ছে মনে হচ্ছে!!
বিস্ময় আর এক অদ্ভুত আকর্ষণ রুদ্রের চোখে!!

মায়া কে হালকা নড়তে দেখে রুদ্রের ধ্যান ভাঙলো,,

-“এই নারী এই সময়ে এখানে কি করছে!!”

মায়ার থেকে চোখ সরিয়ে চারদিকে তাকিয়ে দেখলো, টেবিলের উপর বাটিতে পানি আর ভেজা কাপড় রাখা!!

~তারমানে সারারাত জেগে মেয়েটা……!!

মায়ার চোখ লেগে এসেছিল মূলত কিছুক্ষণ আগে,,রুদ্রের শরীরের তাপমাত্রা কমে আসায় কিভাবে যেন বিছানার কার্নিশে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়েছিল।।

চোখ খুলে নিজের দিকে রুদ্রকে এভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে মায়া হতভম্ব হলো।।তড়িঘড়ি করে গায়ে ভালোভাবে ওড়না জড়িয়ে নিলো,,”ছি ছি,,সে কি এতক্ষণ এভাবে এলোমেলো অবস্থায় ছিল নাকি!!

মায়া ওড়না দিয়ে সম্পূর্ণ শরীর ঢেকে নিয়েছে,,কিন্তু মুখ ঢাকলো না,,কারণ এখন থেকে সে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে,,”অন্য কারো জন্য সে কেন মুখ লুকিয়ে বাঁচবে?”।

রুদ্রের দৃষ্টি তাকে অস্বস্তিতে ফেলছে,,,সে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালো,,,তারপর টেবিল থেকে বাটি আর ভিজে কাপড় নিয়ে নিঃশব্দে চলে যাচ্ছিলো।।

~”দাঁড়াও!!”

রুদ্রের গুরু গম্ভীর থমথমে কণ্ঠ শুনে মায়ার পা অটোমেটিক থেমে গিয়েছে,,কিন্তু সে পিছু ফিরলো না৷।

রুদ্র আবারো বললো,,

~”কোথায় যাচ্ছো?”

~”এখানে থাকার কথা নয় আমার,,,আমার জন্য বরাদ্দকৃত ঘরে যাচ্ছি।।”

~”পিছে ফিরে কথা বলো,,আর কাছে আসো!! ”

অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি,,রুদ্রের এমন গম্ভীর কণ্ঠ শুনেও মায়া সামান্যতম বিচালিত হয়নি,, তার চোখে মুখে এক অদ্ভুত সাহস আর আত্মবিশ্বাসী সত্তা ফুটে উঠেছে,,যেন এখানে কিছুই হচ্ছে না!!
সে পিছু ফিরে এসে রুদ্রের সামনে দাঁড়ালো।।

~”এই ঘরে কি করছিলে তাহলে??”

~”আপনার জ্বর এসেছিল!!”মায়ার সোজা সাপ্টা উত্তর।।

রুদ্র এবার পুরোপুরি নিশ্চিত হলো যে মেয়েটা তার সেবা করছিলো।। কিছু একটা তার হৃদয়ে সামান্য আঘাত আনলো যেন,,কয়েকদিন আগেও এই মেয়েটাকে সে মেরে রক্তাক্ত করেছিল,,,আর এ কিনা এখন তার অসুস্থতায় কেয়ার করছে!!

রুদ্র মায়ার দিকে তাকিয়ে ভাবছে,, “এই মেয়েটা দেখতে যতটা নিষ্পাপ তার মন কি সত্যিই ততটা সরল!!”
“মেয়েটাকে জানার আগ্রহ বাড়ছে তার!!”

ভাবনা থেকে বেরিয়ে রুদ্র অদ্ভুত কৌতূহল নিয়ে জিজ্ঞাসা করলো,,

~”আমি তোমাকে এতটা কষ্ট দিয়েছি,,,আর তারপরেও তুমি আমার সেবা করছিলে??”

~ জ্বি,, কারণ আমি মানুষ।।তাই অন্য একটা মানুষের কষ্টে পৈশাচিক আনন্দ নিয়ে চুপ করে বসে থাকতে পারিনা।।

~”তুমি কি ইনডিরেক্টলি আমাকে অমানুষ বলছো?”রুদ্রের তেজী কণ্ঠস্বর।।

মায়া কোনো জবাব দিল না৷ এই মুহূর্তে এখানে থাকতে তার এখন রীতিমতো অসহ্য লাগছে,,, নিজের উপর রাগ হচ্ছে,, “এত কিসের মানবিকতা তার? মানবিকতা একটু কম হলে বিন্দাস লাইফ কাটানো যেত,,কিন্তু হায় তার পোড়া কপাল!”

রুদ্র আবারো বললো,, “কি হলো,,কিছু বলছো না কেন?”

~” নিজেরটা যদি নিজেই ভেবে নেন,তাহলে আমার আর বলার দরকার কি? ”

~”ওকে ফাইন,, আমাকে তোমার কাছে অমানুষ মনে হয়।। দ্যাট মিন্স তুমি আমাকে ঘৃণা করো,,, তাহলে এতক্ষন আমাকে সেবা করলে কেন?”

মায়ার বিরক্তি চরম সীমায়,,,”এই লোকের কি আবার জ্বর বেড়েছে নাকি?না হলে এমন বকবক করছে কেন,,,এর তো কথার আগে হাত’ই বেশি চলে!!”

মায়া তাচ্ছিল্য হেসে উত্তর দিল,,

~কি বলুন তো,,,আমার সবচেয়ে বড় বদ অভ্যাস কি জানেন??আমার ভিতরে প্রয়োজনের তুলনায় অধিক মানবিকতা,,যেটা রীতিমত এখন আমার অশান্তির কারণ।।আর এর কারণে আমি কারো কষ্ট দেখতে পারিনা,,হোক তারা শত ঘৃণিত মানুষ!!আমার তাদের প্রতি করুণা হয়।।

রুদ্র দাঁতে দাঁত চাপলো,,,”মেয়েটার একটু বেশি সাহস!আমার সামনে দাঁড়িয়ে আমাকে বলছে ঘৃণা করে!!কিন্তু আমার রাগ হচ্ছে না কেন?এতক্ষণে তো এই বেয়াদব নারী আমার হাতে দু চারটে থাপ্পর খাওয়ার কথা ছিল!!”

~”তারমানে তুমি আমাকে করুণা করছিলে এতক্ষন??”

মায়ার আর কথা বাড়াতে ইচ্ছে হচ্ছে না,,সে চলে যাওয়ার জন্য পা বাড়াচ্ছিল।।
কিন্তু রুদ্র যেতে দিল না তাকে,,খপ করে তার হাতের কব্জি টেনে ধরলো,,,টান দিয়ে তাকে বিছানায় এনে ফেলল৷।তারপর মায়ার মুখের দিকে ঝুঁকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে আস্তে ধীরে হিস-হিসিয়ে বললো,,

~শোনো মেয়ে,, এসব স্যিলি জ্বর অসুস্থতায় আমাকে এক চুলও কাবু করতে পারবে না,, আমি এই অবস্থায়ও যেই পরিমাণ স্ট্রং আছি তাতে করে তোমার মত একশ’টাকে জাস্ট আছাড় মেরে উড়িয়ে দিতে পারব!!
‘ রুদ্র কায়নাথ মির্জা’ কখনো কার’ও দয়া বা করুনা নেয় না।।
তাই কথা বলার আগে সাবধানে বলবে,,,আর নিজের ভালো চাইলে আমাকে ভয় করো।।

মায়ার মনে হচ্ছে তার হাতে কেউ কেরোসিন দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে,,রুদ্রের শ্বাস তার চোখে মুখে পড়ছে,,ঘৃণায় সে মুখ ঘুরিয়ে নিল।।
ঝঁটকা দিয়ে হাত ছাড়িয়ে ধাক্কা দিয়ে রুদ্রকে নিজের উপর থেকে সরালো,,তারপর বিছানা ছেড়ে দ্রুত উঠে দাঁড়ালো।।

~”খবরদার,,কারণে অকারণে যখন তখন আমাকে স্পর্শ করবেন না!!
আপনার লজ্জা করে না,,নোংরা কুৎসিত চেহারার মেয়েকে অযথা স্পর্শ করতে??
এখন থেকে যা বলার দূর থেকে দাঁড়িয়ে বলবেন।।”

কথাগুলো বলে রুদ্রকে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই মায়া দৌড়ে ঘর ছেড়ে চলে গিয়েছে।।

~তোমার সাহস কি করে হয়??
-এই মেয়ে দাঁড়াও বলছি…. কোথায় যাচ্ছো দাঁড়াও!!

রুদ্র অপমানে আর রাগে থরথর করে কাঁপছে,,আজ পর্যন্ত কেউ তাকে এভাবে অপমান করতে পারেনি।।

~~~~~~~~~~~

মায়া ঘরে এসে ঘষে ঘষে হাত ধুলো,,যেখানে রুদ্র স্পর্শ করেছে!!কারো অস্তিত্ব’ও যে বিশ্রী অনুভূতির কারণ হতে পারে সেটা রুদ্রকে না দেখলে বুজতেই পারতো না কোনোদিন।।

মায়া আর ঘুমালো না,,একটু পরেই হয়তো ফজরের আজান দিবে।।নামাজ পড়ে ঘরের কাজ সেরে মারিয়ার সাথে দেখা করতে যেতে হবে।।
~~~~~~~~~~~

মারিয়া~ দোস্ত কি যেন বলবি বলছিলি??

মায়া~ ওও হ্যাঁ!! দোস্ত আমাকে স্বল্প ভাড়ার মধ্যে একটা বাসা খুঁজে দিতে পারবি? আর পার্ট টাইম কোন কাজ?

মারিয়া~একি তোর তো বিয়ে হয়েছিল? এখন তুই বাসা আর কাজ খুঁজে কি করবি!!

মায়া থমকে কিছুক্ষণ বসে থাকলো,,”মারিয়াকে কি সবকিছু বলে দেওয়া উচিত,,শুনলে মেয়েটা কষ্ট পাবে,,না বলেও তো উপায় নেই!!”
মায়া ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিল মারিয়াকে তার কথাগুলো বলতেই হবে।।

মারিয়া~ কিরে কথা বলছিস না কেন?কি ভাবছিস?

মায়া~ আসলে সংসারটা আর আমি করতে পারবো না রে।।

মারিয়া~ কিহহহ!! কি যা তা বলছিস,,কেন পারবিনা??

মায়া~ উনি আমাকে পছন্দ করেন না,,উনার গার্লফ্রেন্ড আছে।।তাকে তিনি অনেক ভালোবাসেন,,আর ভবিষ্যতে তাকেই বিয়ে করবেন।।

মারিয়া~ What nonsense!! ওই লোক যদি তার প্রেমিকাকে এতই ভালবাসে তাহলে তোকে কেন বিয়ে করেছে!!
প্লিজ আমাকে ক্লিয়ার করে সবকিছু প্রথম থেকে বল।।

মায়া প্রথম থেকে এ পর্যন্ত সবটা গুছিয়ে বলল মারিয়াকে,,সবটা শুনে মারিয়া ভীষণ রেগে গিয়েছে,, বোঝাই যাচ্ছে প্রিয় বান্ধবীর এহেন কষ্ট মেনে নিতে পারছে না।।

মায়া~” রিলাক্স মারিয়া!!এভাবে রেগে গেলে কিছু হবে না।। বড়জোর এভাবে গালাগাল করতে পারবি,, এভাবে মুখ খারাপ করা ছাড়া আর কিছুই করতে পারবিনা “,,, মায়া হাসছে।।

মারিয়া~ সিরিয়াসলি মায়া! তুই হাসছিস!!আর তোর অবস্থা দেখে কিনা আমার বুক ফাটা যন্ত্রণা হচ্ছে!!

মায়ার কেমন সুখ সুখ অনুভূতি হচ্ছে,,,”শুধু শুধুই সে এতদিন ভেবেছে তার কেউ নেই,, এইযে তার একটা পাগল বান্ধবী আছে,,নানুমা মামা-মামনী সবই তো আছে!! আর কি লাগে জীবনে??”

মারিয়া~ মায়া তুই এখনো হাসছিস??আমার কিন্তু এবার রাগ হচ্ছে।। তুই ওদেরকে জেলে কেন দিচ্ছিস না??

মায়া হাসি থামিয়ে এবার সিরিয়াস হলো,,

~তুই পাগল হয়েছিস??শুধু শুধু আমি কেন ঝামেলা বাড়াবো??
ওরা বাঁচুক ওদের মতো,,,আর আমি আমার মতো শান্তিতে থাকতে পারলেই তো হলো।।
আর তাছাড়া দেশের শীর্ষ ক্ষমতাশীল ব্যক্তিদের তালিকায় ওদের নাম রয়েছে,,,আমরা কি ওদের সাথে কোনদিন পারবো নাকি??

মারিয়া~ ও দোস্ত তোর যেন কার সাথে বিয়ে হয়েছিল??নাম বলিস নি তো আমাকে,,ছবিও দিস নি!!

মায়া~ বলবো তোকে,,তবে আমাদের বিয়ের কথা আর কাউকে বলিস না তুই।।আমি বা উনি কেউই চাই না বিয়েটার ব্যাপারে আর অন্য কেউ জানুক।।

মারিয়া~ আচ্ছা ঠিক আছে,, ঠিক আছে!! তুই নাম বল আগে।।

মায়া~ “রুদ্র কায়নাথ মির্জা”

মারিহা~ কিহহহহহ ……….!!!!! ………..

~~~~~~~~~~~~~~~~~~

ঔষধ খাওয়ায় জ্বরটা একটু কম,,,তাই রুদ্র আজকেও অফিস গিয়েছিল,,,তবে বিকেলেই বাড়ি ফিরে এসেছে সে।
বাসায় ফিরে ওয়াশরুম থেকে ফ্রেশ হয়ে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে ঠিক করছিলো,,,হঠাৎই নজর গেল ড্রেসিং টেবিলের উপর রাখা একটি সাদা চিরকুটের উপর,,, যেটা আপাতত একটা কলম দিয়ে আটকে রাখা আছে,,,
রুদ্রের কৌতূহল হলো,,,চিরকুটটা হাতে তুলে নিল সে……………….!!!

…….চলবে??

https://www.facebook.com/share/1AYhCCqwqL/
https://www.facebook.com/share/g/1AufQdkZf8/
এই গল্পের নেক্সট পার্ট এর হাইলাইট নোটিফিকেশন পেতে অবশ্যই কমেন্ট অথবা follow ফলো করে রাখুন..!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here