শুভ্রফুল — ২৮ #কলমে_লিজা_আক্তার_আলো

0
28

#শুভ্রফুল — ২৮
#কলমে_লিজা_আক্তার_আলো

[ কপি নিষিদ্ধ ]

” শুভ্র কেমন আছো?

খাবার টেবিলের বসতে বসতে শুধালো হিয়া। শুভ্র কিঞ্চিত অবাক হলো। বললো,

” তুই এখানে?

” আসতে পারি না বুঝি? আন্টি দেখেছো কতবছর পর তোমাদের বাসায় আসলাম তোমার ছেলে তো আমায় দেখে খুশিই হয়নি। আমি কি চলে যাবো?

” মম কি বলবে? এসেছিস ভালো কথা। আজকের
রাতটা থেকে কাল সকালে চলে যাবি।

” শুভ্র কি বলছিস এসব? ও তোর ফ্রেন্ড হই। আর এই বাড়ির অতিথি।

আফিয়া চৌধুরীর কথার জবাব দিলো না শুভ্র। সে
বিরক্ত হিয়াকে এই বাড়িতে দেখে। নীলিমা চৌধুরী বলে,

” ও তোর ছোটবেলার ফ্রেন্ড ওর সাথে এমন করে?

” কি হয়েছে কি নিয়ে কথা বলছো তোমরা?

আসিফ চৌধুরী ও আরিফ চৌধুরী আসে খাবার টেবিলে। আসিফ চৌধুরীর কথায় আফিয়া চৌধুরী
বলেন,

” কিছু হয়নি। এমনি কথা হচ্ছিলো।

” আংকেল কেমন আছেন আপনারা? অনেকদিন পর দেখা হলো আপনাদের সাথে।

” আরে হিয়া না তোমাকে সেই কবে দেখেছিলাম আর তো দেখাই পেলাম না। আমরা বিন্দাস আছি
তো কি করছো এখন পড়াশোনা তো কবেই কমপ্লিট।

” মেয়েটা চোখের পলকে বড় হয়ে গিয়েছে তোমার
আব্বু আম্মু কেমন আছে?

” আলহামদুলিল্লাহ আংকেল সবাই ভালো আছেন।
চাচ্চু আমরা তিনজনেরই একটায় ইচ্ছে বড় হয়ে অন্যকে শিক্ষা দিবো আই’মিন টিচার হবো। সেটাই করছি।

টিচার না আস্তো একটা চিটার হয়েছে সয়তান বেডি একটা। আলো চুপচাপ শুভ্রর পাশে বসে বিরবির করছে। প্রথমদিন এসেই আসল রুপ দেখিয়ে দিয়েছে। আর চেনার বাকি নেই।

” বিদেস’ই পড়ে রবে নাকি দেশে থাকবে ?

” নাহ আংকেল দেশেই থাকবো। যাওয়ার কোনো অপশন নেই। অনেক কাজ বাকি যে। তাছাড়া আমাদের ভার্সিটিতেই জবের এপ্লাই করেছি। দেখি কি হয়।

” তো বিয়ে সাদি কি খাবো না আমরা হিয়া?

নীলিমা চৌধুরীর কথায় হিয়া লাজুক হাসলো। বললো,

” অবশ্যই কাকিয়া। সময় হোক তারপর। আর তোমরাই তো আমার সবচেয়ে আপনজন। তোমাদের ছাড়া আমার বিয়ে কোনোদিন সম্পূর্ণ হনে না।

হাসলো সকলে। সবার হাসি দেখে ঘা পিত্তি জ্বলে ওঠলো আলোর। খাবার খাওয়ার রুচি উবে গেলো
ওঠে দাঁড়ায় আলো কোনো কথা না বলে সোজা দোতালায় নিজের রুমের দিকে পা বাড়ায় সে। পাশ থেকে শুভ্র অবাক হয়ে দাঁড়ালো। সকলেই অবাক’বনে গেলো।

” এই আলো খাবার না খেয়ে চলে যাচ্ছিস কেন?

” আলো মা কি হয়েছে তোর?

” শুভ্র আলো চলে যাচ্ছে কেন?

” কি হলো হলো হঠাৎ মেয়েটার?

আফিয়া চৌধুরী, আসিফ চৌধুরী পিছু ডাকলো। আলো শুনলো না। আরিফ চৌধুরী কথায় শুভ্র
কিছুই বলতে পারলো না। সে ও ওঠে আলোর পিছু নিলো। আলো চলে যাওয়ায় মৃদু হাসিতে ঠোঁটের কোণটা মেতে উঠলে ও শুভ্রর চলে যাওয়ায় মুহুর্তের মধ্যে অমাবস্যা নেমে এলো। মুখটা ভার করে রইলো হিয়া।

” তোমরা সবাই খেয়ে নাও। ওদের খাবার রুমে পাঠিয়ে দিলেই হবে। আর পরে না-হয় কারনটা জানা যাবে।

উপস্থিত সকলেই খাবার খাওয়া শুরু করলো।

” আলো! আলো কি শুরু করেছো খাবার খাওয়া ছেড়ে ওঠে আসছো কেন?

আলো বিছানায় এসে বসে পড়লো রেগে। কাঁপছে সে থরথর করে। শুভ্রর কথায় কিটকিটে মেজাজে বলে উঠলো,

” আপনি আসছেন কেন? চলে যান এখান থেকে।
ওইদিন এই মেয়ের ঠোঁটের লিপস্টিকই তো লেগে ছিলো আপনার শার্টে আর আজ মেয়েটা বাড়িতে ওঠেছে। আবার কত ডং করে বলছে আপনারই তো আমার সবচেয়ে আপনজন। তারপর কি বললো বাড়ি দখল করে ভার্সিটি ও দখল করবে।
আপনার পিছু ছাড়বে না ওই শাঁকচুন্নিটা। আমি বুঝি না নাকি? ও আপনাকে আমার কাছে থেকে কেঁড়ে নিতে আসছে ও যদি এই বাড়িতে থাকে আমি পানি অব্দি খাবো না। চলে যান আপনি।

” আলো প্লিজ ট্রাই টু আন্ডার্স্ট্যান্ড! মুখের উপর তো আর না করা যায় না। তবুও তো বলেছি আমি তুমি শুনোনি। ও কাল চলে যাবে।

” ও যেখানে থাকবে সেখানে আপনার ছায়া ও যেন না থাকে। আপনি এই রুম থেকে বের হতে পারবেন না। যা করার আমি করবো।

” ওকে ফাইন আলো তুমি যা বলবা তাই হবে। এখন খেতে চলো তো।

” কই যাবেন কোথাও যাবেন না আপনি। আপনি এখানেই বসে থাকবেন। আমি খাবার আনছি। রুমেই খাবেন আপনি। যতোক্ষণ না শাঁকচুন্নিকে তাড়াচ্ছি।

আলো দরজা লক করে বের হলো নিজের কাছে চাবি নিয়ে। শুভ্র ভাবতেও পারেনি আলো এতোটা
সিরিয়াস হবে সামান্য বিষয় নিয়ে। বাধ্য হাসবেন্ডের মতো বসে রইলো সে৷

আলো নিচে আসলো। চুপচাপ খাবার প্লেট গুলো
বড় ট্রে-তে নিলো এক প্লেটেই খাবে।

” আলো হঠাৎ চলে গেলি কেন? আর খাবার নিয়ে উপরে যাচ্ছিসই বা কেন?

আফিয়া চৌধুরীর কথায় আলো নিজের কাজ করতে করতে বলে উঠলো,

” মামুনি অনেকদিনের অভ্যাস তো রুমে খেয়ে তাই
রুমেই খাবো ভাবছি। আর তোমার ছেলের পেটে একটু সমস্যা এখানে খেলে আরো নজর লাগবে তাই সে ও উপরেই খাবে।

আলো সুন্দর করে বলে ট্রে টা নিয়ে গেলো৷ অন্যদিকে বোকার মতো তাকিয়ে রইলো অনেক গুলে চোখ। হিয়া রেগে ফুঁসে ওঠে। তাকে অপমান করছে দু’টাকার মেয়েটা। তার নজরে খারাপ কিছু
হবে। আধখাওয়া প্লেটটাতেই হাত ধুইয়ে ওঠে পড়ে
হিয়া। চলে যায় নিজের রুমে।

” এই নিন খাবার খেয়ে রুমের মধ্যেই থাকবেন। কোথাও যাবেন না। আর ফোনে যদি ওই শাঁকচুন্নির নাম্বার অথবা যেকোনো আইডি এড থাকে তাহলে আমার চেয়ে খারাপ কেউ হবে না। ফোন কোথায় আপনার?

আলোর এরুপ দেখে শুভ্র আলোকে চিনতেই পারছে না। কি হলো হঠাৎ বউটার? ইশারায় ফোন
দেখিয়ে দিলো বেড সাইড টেবিলটার উপর রাখা।
ফোন চেইক করলো সাথে মেয়েদের আইডি দেখে দেখে ব্লক করছে।

” আলো কি করছো তুমি? ওই মহিলা আমার মমের বয়সের। ওনি তোমার টিচার চেনো না নাকি? ওনার সাথে এড থাকাটা জরুরি।

” কোনো মহিলার থাকার প্রয়োজন নেই। আপনি একান্তই আমার আর কারোর না। আমি ছাড়া কোনো মহিলা আপনার কাছে এলাউ না। এতোদিন কোথায় ছিলো শাঁকচুন্নিটা এখন আসছে আমার থেকে আপনাকে কেঁড়ে নিতে। আমি ও গ্রামের মেয়ে মাথার চুল একটা ও তার জায়গায় রাখবো না।

” আলো অতিরিক্ত হচ্ছে কিন্তু, এদিকে আসো আমি খাইয়ে দিচ্ছি। আগে পানি খাও কথা বলতে বলতে হাঁপিয়ে গিয়েছো গলা শুঁকিয়ে গিয়ে কথা স্পষ্ট হচ্ছে না।

পানি খেলো আলো। তারপর বললো,

” আপনি আমার সাথে ইয়ার্কি করছেন?

” ছিহ! আলো তুমি আমার বউ হও বেয়াই নও যে ইয়ার্কি মশকরা করবো। যায় হোক হা করো আমি খাইয়ে দিই।

খিদে লেগেছে ভিষণ তাই কথা না বাড়িয়ে খেয়ে নিলো আলো। খাওয়া শেষে খাবার প্লেটটা নিয়ে আর নিচে গেলো না। দরজাটা অব্দি লক করে রেখেছে।

” আলো কি হয়েছে তোমার এমন করছো কেন হুহ?

আলোর দু’বাহু আঁকড়ে ধরে মুখোমুখি হয়ে বলে উঠলো শুভ্র। আলো তাকাতে পারছিলো না শুভ্রর দিকে। এড়িয়ে যেতে বলে উঠলো,

” আমার পড়া আছে পড়তে বসবো। আপনি আপনার কাজ করুন। আমাকে যেতে দিন

” কুয়েশ্চন করেছি আলো আনসার দাও?

আলো রেগে বলে উঠলো,

” কি বলবো আমি? কি বলার আছে আমার বলুন?
আপনাকে হারানোর ভয়! আমার অসহায়ত্বতার ভয়। কি বলবো আপনাকে?

” রাগ করছো কেন? কেনো এতো আপসেট তুমি ? কেন আমার আলোর মন ভালো নেই বলো?

আলতো হাতে চোয়াল চেপে ধরে বললো শুভ্র। আলো আকস্মিক আঁকড়ে ধরলো শুভ্রকে ফুঁপিয়ে কেঁদে ওঠলো সে৷ চাইলে ও বিষাদময় কিছু শব্দের বাক্য নিজের মধ্যে রাখা যায় না উপড়ে বেরিয়ে আসতে চাই। বলেই ফেললো আলো,

“আমি মরে গেলে যেতাম। তবু ও কেন আমায় এলোমেলো করে দিলেন চৌধুরী সাহবে? কেন আমি মা হতে পারবো না? আপনি বাবা হতে পারবেন না? আমি মা হতে চাই শুনছেন আপনি?

শুভ্র বিস্ময়ে হতবাক! এই কথা আলো জানলো কিভাবে? তাহলে তারজন্যই মেয়েটা এমন উদ্ভট আচরন করছিলো? শান্তনা দিয়ে বলে উঠলো শুভ্র,

” আলো কিছুই হয়নি। সব ঠিক হয়ে যাবে। কে বলেছে তোমায় এসব বাজে কথা?

শুভ্রর বুকে মাথা রেখেই কেঁদে কেটে একাকার অবস্থা আলোর নাক টেনে জোড়ে শ্বাস ছেড়ে বলে
আলো,

” আপনি জানেন না আমার সব শেষ। আমাকে নিঃস্ব করার জন্য এই দু’টো কথায় যথেষ্ট। তা না হলে কেউ এতোটা কনফিডেন্স নিয়ে বলতে পারে সে আপনাকে তার করেই ছাড়বে। কেন আমার সাথে এমনটা হলো চৌধুরী সাহেব? আমি মা হতে চাই আমাদের সন্তান হবে আমাদেরকে বাবা মা বলে ডাকবে আপনি আমার সব আশা নষ্ট করে দিয়েছেন। কেন করলেন আপনি? কেন আমায় সর্বহারা করলেন?

শুভ্র আলোকে একহাত দিয়ে আঁকড়ে ধরে অন্য হাত দিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বলে উঠলো,

” পাগলামো করে না আলো। কে বলেছে তুমি মা হতে পারবে না? কে বলেছে আমি বাবা হতে পারবো না? এতিমখানায়, আশ্রমে কতশত বাচ্চা মা বাবাহীন জীবন কাটাচ্ছে। আমরা না হয় তাদের মধ্যে একজনকে তাদের ইচ্ছে পূরণের সঙ্গী হবো। শুধুই কি আপনরা আপন হয়? পরকে ও তো আপন করে ভালোবেসে আগলে রাখা যায় যেমনটা তুমি আর আমি এক হয়ে আছি। রক্তের সম্পর্ক হতে হবে কে বলেছে তোমায়? এখন শান্ত হয়ে বসো তো। এভাবে মরা কান্না করার মতো কিছুই হয়নি বোকা মেয়ে।

আলো শান্ত হয়ে বসলো। শুভ্রর কথায় ভরসা পেলো। কিন্তু, বাড়ির কেউ মানবে তো? যদি অপমান করে? কেউ সহ্য করতে না পারে? তারপর যদি শুভ্রকে বিয়ে করাতে চাই তাহলে কি হবে? ধক করে উঠলো আলের বুকটা। ভয়ে তটস্থ সে। আবার ভাবনায় এলো আচ্ছা সে নিজে ও তে এতিম মেয়ে তাকে তো এই বাড়ির সবাই আদর করে ভালোবেসে আগলে রেখেছেন। নিশ্চয়ই তাদের সন্তান আসলে ও এভাবেই আগলে রাখবে।

মনের অস্থিরতা খানিকটা কমলো আলোর। স্থির হয়ে বসে ভাবতে থাকলো সে। শুভ্র হাফ ছাড়লো ক্লান্ত সে বোঝাতে তবে কিভাবে জানলো কথাটা? কেবল তো ডক্টরই জানতো তাহলে কি ডক্টর কিছু বলেছে? নাকি অন্য কেউ ? জানতেই হবে!
__________________

” আন্টি আমি আর অপেক্ষা করতে পারছি না। সব
বলে দিবো আমি আংকেল আর আন্টিকে। তারপর না-হয় আংকেল আন্টি বাড়ি থেকে বের করার দায়িত্বটা পালন করবে।

” তাড়াহুড়ো করা মানেই সব ভুল অথবা এলোমেলো হয়ে যাওয়া। আলোকে তাড়ানোর কাজটা এতোটা সহজ না আমি প্রায় সারে তিন বছর যাবত চেষ্টা করে গিয়েছি শুধুই আফিয়া বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যা করবে ঠান্ডা মাথায় ভেবে চিন্তে করতে হবে। সবার আগে আলোকে খারাপ বানাও। আফিয়ার চোখে তারপর না হয় সত্যি কথাটা সামনে আনা যাবে। নয়তো দেখা যাবে দয়ালো আপা বলবে আমার মেয়ে থাকলেই হয় নাতি নাতনির দরকার নেই।

ফোনটা কানের কাছে ভালোভাবে দিয়ে টেনশনের
সহিত বলে উঠলো হিয়া,

” তো এখন উপায় কি আন্টি? ভালোবাার মানুষকে
অন্য কারোর সাথে দেখে আমি সহ্য করতে পারছি না। তার উপর মেয়েটা একটু বেশিই বাড়াবাড়ি করছে।

” তোমার আংকেল আসছে রাখি পড়ে জানাবো কি করতে হবে তোমায়।

” আচ্ছা আন্টি বাই।

বিরক্তিতে কপাল কুঁচকে ফেললো হিয়া সহজ সরল কাজটা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। নাহ! আন্টি ঠিক বলেছে তাড়াহুড়ো করলে হবে না ধীরে ধীরে ভেবে চিন্তা কাজ করতে হবে।

হাসলো হিয়া।
_________________

” ডক্টর আমার ছেলে আমাকে আমাদের কাউকে
চিনতে পারছে না কেন? এমনকি নিজেকে ও না।

” রোগীর শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। তবে আপনাদের না চেনার কারন হলো এক্সিডেন্টের সময় মাথায় আঘাত লাগার কারণে ওর স্মৃতিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সহজ করে বললে এক্সিডেন্টের আগের জীবনের অনেক কিছুই ওর মনে নেই। নিজের পরিচয়, পরিবার, পরিচিত মানুষ সবকিছুই এখন ওর কাছে অচেনা লাগতে পারে। তবে ভালো খবর হলো, ও নতুন করে যা দেখবে, যা শিখবে, তা মনে রাখতে পারবে। এখন সবচেয়ে জরুরি হলো ওকে মানসিকভাবে চাপ না দেওয়া। জোর করে কিছু মনে করানোর চেষ্টা করবেন না। পরিচিত পরিবেশ, পরিচিত মানুষ, ধীরে ধীরে সবকিছু ওকে সাহায্য করবে। স্মৃতি ফিরবেও আবার নাও ফিরতে পারে। এটা সময়ের ওপর নির্ভর করছে।

” ভালোই হয়েছে ডক্টর সাহেব। আমি চাই না ওর কখনোই পুরনো স্মৃতি মনে পড়ুক!

চলবে,,,,

Note : যারা ফলো করেননি তারা প্লিজ পেইজটি ফলো দিয়ে রাখবেন। অনেকেই আছেন শুধুই রিয়াক্ট দেন তাই আপনাদের বলছি, সুন্দর করে একটা গঠনমূলক কমেন্ট করে যাবেন এতে লিখতে উৎসাহ পায় আমি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here