আমার উপমা তুমি (২৪) আফরোজা আঁখি

0
31

আমার উপমা তুমি (২৪)
আফরোজা আঁখি

দেখতে দেখতে কেটে গেছে অনেকগুলো দিন। কাশফিয়ার প্রেগন্যান্সির এখন ৯ মাস চলছে। সামনের সাপ্তাহেই ডেলিভারি ডেট দিয়েছে ডাক্তার। ইয়াশ তার কাজ থেকে ছুটি নিয়েছে, আপাতত পুরো দিন বাড়িতেই থাকে কাশফিয়ার সাথে। মাঝেমধ্যে ওর মুড সুইং হলে ইয়াশ ঘুরতে নিয়ে যায় বাইরে,সব রকম ভাবে ভালো রাখার চেষ্টা করে তার উপমাকে। কৌশিক আর ইনায়া মাঝেমধ্যেই আসে কাশফিয়াকে দেখতে। কৌশিক ইয়াশের সাথে কথা বলতে চাইলেও ইয়াশ তেমন গুরুত্ব দেয় না ওকে। এতে আরও রাগ বাড়ে কৌশিকের, মনে মনে ইয়াশকে কত সময় বকাঝকা করে শান্ত হয়ে যায় আবার।

ল্যাপটপ হাতে নিয়ে সোফায় বসে আছে ইয়াশ। কাশফিয়া ওর কোলে বসে আছে, কাঁধে মাথাটা রেখে নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে সে। কাশফিয়ার পেট বড় হওয়ায় নড়াচড়া করতে কষ্ট হয় এখন। বাথরুমে গেলেও ইয়াশ নিয়ে যায় হাত ধরে, দাঁড়িয়ে থাকে দরজার সামনে, ওকে একা ছাড়ে না কোনো ভাবেই। এই যে এখন কাজ করছে, জোর করেই নিজের কোলে বসিয়ে রেখেছে ওকে। ল্যাপটপের থেকে চোখ সরিয়ে কাশফিয়ার দিকে তাকাল ইয়াশ, দেখে নিল সজাগ ও কিনা। ঘুমিয়ে পড়েছে দেখে দেরি করল না আর,কোলে তুলে বিছানায় শুইয়ে দিল ওকে। ইয়াশ উঠে চলে যেতে চাইলে বাধা দিল কাশফিয়া।পেটে হাত দিয়ে উঠে বসতে চাইলে ইয়াশ চিন্তিত কণ্ঠে জিজ্ঞেস করল ওকে,
“কি হলো উপমা? কোথায় কষ্ট হচ্ছে, আমাকে বলো।”

কাশফিয়া কোনোমতে উঠে বসল, ইয়াশের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে মাথা রাখল ঘাড়ে। ঘন ঘন শ্বাস ফেলে বলল,
“প্রফেসর সাহেব, তাড়াতাড়ি একটা চুমু দিন, নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে আমার।”

ইয়াশ প্রথমে ভেবেছিল কাশফিয়ার পেইন উঠেছে, কষ্ট হচ্ছে ওর। কিন্তু এখন বুঝতে বাকি নেই, বউ ওর দুষ্টুমি করছে। কি আর করবে ইয়াশ,একমাত্র বউয়ের কথা ফেলবে কী করে!কথা না বলে কাশফিয়াকে জড়িয়ে ধরল সে, আলতো করে নিজের ঠোঁট ছুঁইয়ে দিল ওর পুরো মুখে। কাশফিয়া খামছে ধরেছে ইয়াশের মাথার চুলগুলো। বিরক্ত হলো ইয়াশ,গম্ভীর কন্ঠে বলল কাশফিয়াকে,
“ছিঁড়ে ফেলো আমার মাথার চুলগুলো সব।”

কাশফিয়ার রাগ হলো ইয়াশের কথায়, বুকে ঘুষি মেরে বলল,
“ধুর, আনরোমান্টিক লোক একটা। রোমান্সের সময় বউরা এমন করেই মুভিতে দেখেননি?”

ইয়াশ মাথায় হাত ঠেকিয়ে বসে রইল ওখানেই। ইয়াশ চুপ করে বসে আছে তাও এমন ভঙ্গিতে! কাশফিয়ার মনে হলো শরীর খারাপ করেছে ওর, ইয়াশের গালে মুখে হাত দিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে জিজ্ঞেস করল,
“কি হয়েছে আপনার?”

ইয়াশ এক ধ্যানে তাকিয়ে আছে কাশফিয়ার মুখটার দিকে, ঘন ঘন নিঃশ্বাস ফেলছে ক্রমাগত। কাশফিয়া আর ইয়াশের ঠোঁটদ্বয়ের দূরত্ব খুব একটা বেশি নয়। এই দূরত্ব কমিয়ে দিতে সময় নিল না ইয়াশ, আঁকড়ে ধরল কাশফিয়ার গোলাপ রাঙা ঠোঁট দুটো। শত চেষ্টা করেও ইয়াশকে নিজের থেকে সরাতে পারল না কাশফিয়া। কিছুক্ষণ পর ইয়াশ ছাড়ল ওকে, ভেজা ঠোঁটে আঙুল ছুঁইয়ে বলল মাদকতা মিশ্রিত কণ্ঠে,
“এতো কাছে এসো না উপমা,আমি কন্ট্রোললেস হয়ে গেলে বেবির ক্ষতি হবে যে!”

রাগে ফুসছে কাশফিয়া, ইয়াশের কাজে বিরক্ত সে। চুমু দিতে বলেছিলো কিন্তু এভাবে? দম আটকে ম’রেই যাচ্ছিলো আরেকটু হলে। ইয়াশ আবারও কাশফিয়ার কাছে আসতে চাইল,আলতো করে ওর বুকে ধাক্কা দিয়ে বলল কাশফিয়া,

“সরুন তো! আরেকটু হলে দম বন্ধ করে মে’রে ফেলছিলেন আমাকে। আপনার এসব লুচ্চামি দেখে আমার বাচ্চাটাও পেট থেকে পেকে বেরুবে।”

“আমি লুচ্চামি করি?”

“তাছাড়া কি?”

“তুমি ই তো চুমু খেতে চাইলে উপমা। চুমু দিতে গিয়ে কন্ট্রোললেস হয়ে গেলে আমার কি দোষ বলো? লোভ তো দেখালে তুমি নিজেই।”

ইয়াশের কথার জালে আটকা পড়ল কাশফিয়া,কথা কাটাতে বলল সে,

“আর কতো লজ্জা দিবেন আমাকে?সরুন এবার,ঘুম পাচ্ছে।”

ইয়াশ নড়ল না এক চুলও, কাশফিয়ার কথায় ঠোঁট কামড়ে হাসল সে। কাশফিয়া ঘুমিয়ে পড়লে ওর পেটে চুমু দিল ইয়াশ, বলল বিড়বিড় করে,
“জুনিয়র, তাড়াতাড়ি চলে এসো। তোমার মাম্মার আদর না পেয়ে পাপ্পা শুকিয়ে যাচ্ছি দিন দিন।”

কাশফিয়া চোখ খুলে তাকাল, হাসল ইয়াশের কথা শুনে। ও বুঝে ফেলার আগেই আবারও বন্ধ করে নিল চোখের পাতা।

_________________

সময়টা সন্ধ্যা। সাইফানের সাথে দেখা করতে একটা ক্যাফেতে এসেছে ইয়াশ। মেহেকের ব্যাপারেই কথা বলছিল দুজনে। এর মধ্যেই ইনায়ার কল আসল ইয়াশের ফোনে। আসার আগে ইনায়াকে রেখে এসেছিল কাশফিয়ার কাছে। কোনো দরকারে কল দিচ্ছে ভেবেই রিসিভ করল ইয়াশ। ফোনের ওপর প্রান্তে থাকা ইনায়া বলল ইয়াশকে,
“ইয়াশ, তাড়াতাড়ি হসপিটালে আয়। আমি কাশফিয়াকে নিয়ে ওখানেই যাচ্ছি।”

“কেন, কি হয়েছে? আমার উপমা ঠিক আছে?”

“ঠিক নেই ইয়াশ,ওর লেবার পেইন উঠেছে। এতো কথা না বলে যত দ্রুত সম্ভব চলে আয়।”

“আ…আমি এক্ষুণি আসছি।”

কথাটা বলে দেরি করেনি ইয়াশ দ্রুত ছুটে এসেছে হসপিটালে।
কাশফিয়াকেও ততো সময়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ওটিতে। হসপিটালের করিডোরে পায়চারি করছে ইয়াশ। কেমন অস্থির অস্থির লাগছে ওর, শান্তি পাচ্ছে না কোনো ভাবেই। ইয়াশের বাড়ির সার্ভেন্ট, সাইফান আর কৌশিক সবাই দাঁড়িয়ে আছে একপাশে। বাড়ি থেকে বারবার উজ্জ্বল আর সুফিয়া বেগমের কল আসছে। ইয়াশের মাথা ঠিক নেই, বিরক্ত হয়ে ফোনটাই অফ করে রেখেছে।কৌশিক এগিয়ে এলো ইয়াশের দিকে, মান অভিমান দূরে ঠেলে কথা বলল ওর সাথে,
“শান্ত হ ইয়াশ। সবটা ভালোই হবে।”

“আমি শান্ত হতে পারছি না কৌশিক। এতো সময় হলো, ইনায়া বেরুচ্ছে না কেন? আমার যে দম বন্ধ লাগছে, আমার উপমা ঠিক আছে তো?”

ইয়াশের করা একের পর এক প্রশ্নে ওকে কি উত্তর দেবে বুঝল না কৌশিক। ওরও চিন্তা কম হচ্ছে না বোনের জন্য! কাশফিয়ার বয়স কম, এই বয়সে বাচ্চা নিলে কত রকমের সমস্যায় পড়তে হয় মায়েদের। কিন্তু ওর যে কিছুই করার নেই, সবই আল্লাহর ইচ্ছা। বারবার উনাকে ডাকছে আর বলছে যেন সুস্থ থাকে ওর বোনটা।

__________________

অপেক্ষার অবসান ঘটল অবশেষে। একটা ছোট্ট বাচ্চাকে সাদা রঙের তোয়ালেতে জড়িয়ে ওটি থেকে বেরোলো ইনায়া। নার্সরা মিলে কাশফিয়াকে নিয়ে গেলো অন্য কেবিনে। বাচ্চাটা কান্না করে যাচ্ছে ক্রমাগত, ছোট ছোট হাত পা গুলো নাড়ছে সে। কৌশিকের মুখের অন্ধকার সরে গেল, ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটল ওর। বাচ্চাটাকে দেখবে বলে দৌড়ে গেল ইনায়ার কাছে। ইয়াশ এখনও দাঁড়িয়ে আছে আগের অবস্থানেই। ইনায়া হেঁটে এল ওর কাছে, বাচ্চাটাকে দেখিয়ে বলল,
“তোর প্রিন্সেসকে দেখবি না ইয়াশ? দেখ, ও দেখতে পুরো তোর মতো হয়েছে।”

ইয়াশ তাকাল না বাচ্চাটার দিকে, জিজ্ঞেস করল ইনায়াকে,
“আমার উপমা কেমন আছে, ইনায়া?”

ইনায়া কথা বলল না, চুপটি করেই দাঁড়িয়ে রইল সে। ইনায়ার মুখটা দেখে চিন্তা হলো ইয়াশের,ওর উপমা কি ভালো নেই? উত্তর দিচ্ছে না কেন ইনায়া? ইয়াশ অপেক্ষা করল না আর, দ্রুত ছুটে গেল কাশফিয়ার কেবিনের দিকে। ইনায়া পিছু ডাকলেও শুনল না সে। কৌশিক তাকিয়ে আছে ইয়াশের যাওয়ার পানে। অবাক হচ্ছে কৌশিক। এই বদমেজাজি, একরোখা ছেলেটা কাউকে এতো ভালোবাসতে পারে? কৌশিক তো এতোদিন ভুল ভেবে এসেছে ইয়াশের ব্যাপারে, ওর কাছে কাশফিয়া ভালো আছে, ভালো থাকবে আজীবন। ইয়াশের মতো ছেলেরা সহজে কাউকে ভালোবাসে না, ভালো যদি ভাসে তবে মন প্রাণ দিয়েই ভালোবাসে।

__________________

বেডে শুয়ে থাকা কাশফিয়ার হাতটা শক্ত করে ধরে রেখেছে ইয়াশ। এতো সময় হলো সেন্স ফিরছে না কাশফিয়ার। ইয়াশ ওকে অন্য কোনো ভালো হসপিটালে নিয়ে যেতে চাইলে মানা করেছেন ডাক্তাররা। শরীর দুর্বল, তাই জ্ঞান হারিয়েছে, এটা বলেই বুঝিয়েছেন ওকে। এখনও বাচ্চার মুখ দেখেনি ইয়াশ, ওর যে চিন্তা হচ্ছে উপমার জন্য। কেমন পাগল পাগল লাগছে নিজেকে। কাশফিয়ার বন্ধ করে রাখা দুই চোখের পাতায় চুমু দিল ইয়াশ, হাতটা ধরে রাখল আগের মতো করেই।

প্রায় অনেক সময় পর চোখ খুলে তাকাল কাশফিয়া। চোখ খুলতেই ইয়াশকে দেখল সে। শরীরের সব অসুস্থতা, ক্লান্তি কোথায় যেন মিলিয়ে গেল ইয়াশের মুখটা দেখে। ইয়াশ এখনও ধরে রেখেছে কাশফিয়ার হাতটা, চুমু দিচ্ছে বারবার। কাশফিয়া হাসল, আস্তে করে বলল ইয়াশকে,
“পুচকের বাপ, সব চুমু কি হাতেই দিবেন? মুখটা আমার শুকিয়ে গেছে দেখুন।”

কাশফিয়ার কণ্ঠ কানে আসতেই দ্রুত মুখ তুলে ওর দিকে তাকাল ইয়াশ। কাশফিয়ার হাসিমুখটা চুপসে গেল মুহূর্তেই ইয়াশের চোখ ভিজে আছে কেন? কান্না করেছে বুঝি! ভালো করে ইয়াশকে পর্যবেক্ষণ করল কাশফিয়া। গায়ে থাকা শার্টের বুকের দিকের বোতাম গুলো সব খুলে রাখা ওর, মাথার গুলো এলো মেলো হয়ে আছে মুখটা কেমন শুকিয়ে আছে। কাশফিয়ার বুঝতে বাকি রইল না, ওর জন্যই ইয়াশের চোখ মুখের এই অবস্থা। ইয়াশ কাশফিয়ার দিকে কিছুটা ঝুঁকলেই ওর মুখ স্পর্শ করল কাশফিয়া, বলল ইয়াশকে,
“কাঁদছেন কেন? আমি ঠিক আছি দেখুন।”

ইয়াশ কাশফিয়ার হাত ধরে চুমু দিল আবারও, বলল ওকে,
“কই, কাঁদছি না তো।”

“মিথ্যে বলতে হবে না আর। আমাদের পুচকে কোথায়? দেখেছেন ওকে? কার মতো হয়েছে?”

ইয়াশের মনেই ছিল না বাচ্চার কথা। বউয়ের চিন্তায় এতটাই উদাসীন হয়ে পড়েছিল যে মেয়ের মুখটাও দেখেনি তখন। ইনায়া রুমে ঢুকল, কোলে ইয়াশ আর উপমার ছোট্ট প্রিন্সেস। ইনায়া হেঁটে এল দুজনের কাছে, বাচ্চাটাকে কাশফিয়ার পাশে শুইয়ে দিয়ে অভিনন্দন জানালো দুজনকেই। ইয়াশ মুচকি হেসে ধন্যবাদ জানাল ইনায়াকে।

ইনায়া চলে গেলে ইয়াশ তাকাল মেয়ের ছোট্ট মুখটার দিকে,ইস, কতো মায়া মুখটাতে! ইয়াশ চুমু দিল মেয়ের হাতে। বাচ্চা মেয়েটা কি বুঝল কে জানে, বাবার স্পর্শ পেয়ে কান্না থামিয়ে দিল সে। কাশফিয়া তাকিয়ে আছে মেয়ের মুখের দিকে, গায়ের রঙ থেকে শুরু করে চোখ, নাক সবই যেন ইয়াশের মতো। বাবা মেয়ের দিকে বেশ অনেক্ষন তাকিয়ে,কাশফিয়া হেসে বলল ইয়াশকে,

“ব্যাপারটা কী হলো? আমি পেটে ধরলাম, এতো কষ্ট করে পৃথিবীতে আনলাম, আর মেয়ে হলো আপনার মতো?”

ইয়াশ হাসছে কাশফিয়ার কথা শুনে। ভাব দেখিয়ে বলছে ওকে,

“তুমি পেটে ধরলে কি হবে? মেয়েকে পৃথিবীতে আনার অর্ধেক কাজ তো আমিই করেছি।”

কাশফিয়া উত্তর খুঁজে পেল না আর। মানুষটা বড্ড চালাক যাই বলুক না কেন, উনার কাছে যেন উত্তর রেডি করাই থাকে। ফোনের রিংটোন বেজে উঠলো ইয়াশের,চোখের সামনে আনলে দেখলো ওর আম্মু সুফিয়া বেগম কল দিয়েছেন,কথা বলতে উঠে যাচ্ছিলো ইয়াশ। কী যেন মনে হলো কাশফিয়ার, ইয়াশ চলে যাচ্ছে বুঝতে পেরে বলল ওকে,
“আমাকে একা ফেলে কোথায় যাচ্ছেন?”

“মেয়ে আর তার মায়ের জন্য গিফট আনতে। লাগবে না গিফট?”

“ওসব পরে হবে,মেয়ের নাম কী রাখব বলুন?”

ইয়াশ চোখ বুলাল মেয়ের দিকে, কিছুক্ষণ চুপ মুচকি হেসে থেকে বলল,
“ইরা।”

“না, হৃদি রাখব।”

“উঁহু, আমার মেয়ের নাম আমি-ই রাখব।”

“মেয়ে বুঝি আপনার একার? ওকে জন্ম দিল কে?”

কাশফিয়া এমনভাবে কথাটা বলেছে, ইয়াশ না মেনে পারল না ওর কথা। তবে এই নাম রাখার কারণটা কি বুঝল না সে। ইয়াশ বা কাশফিয়ার নামের সাথে তো মিলে না নামটা! নিজের মনের কৌতূহল মেটাতে জিজ্ঞেস করল কাশফিয়াকে,
“হৃদি নামটাই কেন?”

“কারণ আছে তাই।”

কিছুক্ষণ ভাবুক দৃষ্টিতে কাশফিয়ার দিকে চেয়ে রইল ইয়াশ। কী যেন ভেবে হাসল সে, হয়তো বুঝল কাশফিয়ার এই নামটা রাখার কারণ। কথা বাড়াল না আর,মাথা নাড়িয়ে সম্মতি জানাল কাশফিয়ার কথায়। তবে মনে মনে ভেবে নিল ইয়াশ কাশফিয়া মেয়ের যে নামই রাখুক না কেন ইয়াশ ওর পুচকেকে ‘ইরা’ নামেই ডাকবে।

#চলবে…..

২৪ পর্বে শেষ করলে বেমানান লাগে তাই ভাবলাম ২৫ পর্বে শেষ করি। আপনাদের কথা রাখলাম, গল্পের পর্ব বাড়িয়েছি। তবে পরের পর্বই হবে শেষ পর্ব। আগের পর্ব আপলোড দেওয়ার সময় বলেছিলাম, আজকে শেষ করতে না পারলে পিংক কালারের বিষ খেয়ে সুইসাইড করব! কারো কাছে পিংক কালারের বিষ থাকলে আমার দিকে ছুড়ে মারেন। 😭
১.
পড়ুন রোমান্টিক ই-বুক “প্রাণ প্রণয়িনী”
https://link.boitoi.com.bd/4T8X
২.
পড়ুন রোমান্টিক ই-বই “রাগে অনুরাগে সিক্ত কাব্য”
https://link.boitoi.com.bd/GQcM

গল্প রিলেটেড সব আপডেট পেতে গ্রুপে জয়েন হোন।
https://facebook.com/groups/569604222322147

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here