#আপনার_হৃদয়ে_আমি
#পর্ব_৩৪
#জান্নাত_সুলতানা
নির্ভাণ সকালে অফিসের জন্য তৈরী হয়ে যখন ব্রেকফাস্ট টেবিলে এলো নিজাম সিদ্দিকী গম্ভীর চোখে ছেলেকে চশমার নিচ দিয়ে বারকয়েক ঘুরে-ঘুরে দেখেন। দেখতে খুবই হ্যান্ডসাম। স্মার্ট, শিক্ষিত ছেলে। সাধে কী আর ওইটুকু মেয়ে টা পাগল হয়েছে? শুধু যে সানায়া পাগল মোটেও তেমন নয়। স্কুল থাকতে নাগাদই নির্ভাণের জন্য বহু মেয়ে পাগল ছিলো। এই যে এখন কোম্পানি গিয়েও কিছু মেয়ে কে পাগল বানিয়েছে। সুরাইয়া নামের মেয়ে টা তো সেদিন তালবাহানা করে ওনার কাছেও নাম্বার চাইছিল ইনিয়েবিনিয়ে। ভদ্রলোক বুঝে বন্ধুর মেয়ের খাতিরেও এখন কথা বলতে ভয় পান। ছেলের জন্য আবার বন্ধুর সাথে না সম্পর্ক খারাপ হয় সে নিয়েও চিন্তা।
“তুমি পারবে সবকিছু হ্যান্ডেল করতে?” নিজাম সিদ্দিকীর গম্ভীর স্বরে প্রশ্ন। নির্ভাণ খাবার খেতে খেতে বাবা-র প্রশ্নের বিপরীতে বলে,
“বিশ্বাস না হলে তুমি ও চলো।”
“তোমাকে? আর বিশ্বাস? ওইটুকু একটা মেয়ের মাথাটা পুরো বিগড়ে দিয়েছো বেয়াদব ছেলে।” ফিসফিস করে নিজাম সিদ্দিকী।
“আমি কিছু করিনি। বরং আমার সাথে হয়েছে।”
নিজাম সিদ্দিকী আরও এটা-সেটা বলে ছেলের ওপর রাগ ঝাড়েন। নির্ভাণ বাবার কথা শুনেও শুনে না এপর্যায়ে। চুপচাপ খেতে থাকে যেনো খাওয়া ছাড়া আপাতত এখানে আর কোনো কিছু নেই।
ভদ্রলোক খুব কথা জানেন ছেলের ওপর বিশ্বাস করাই যায়। যেখানে নির্ভাণের সমবয়সী ছেলেরা এখন রাস্তাঘাটে মেয়েদের পেছনে ঘুরেন। চায়ের দোকানে বন্ধুদের নিয়ে আড্ডায় বসে ক্যারাম খেলে। সেখানে নির্ভাণ পরীক্ষা শেষ করেই নিজেদের ব্যাবসার হাল ধরতে নেমেছে। খুবই বিশ্বাস করা যায় ছেলেকে। খুব স্মার্ট কি-না। তবুও ছেলের সামনে এসব ভালো গুণ ছেলেকে বলতে ঘোর আপত্তি ভদ্রলোকের মনের।
সানায়া আজ নির্ভাণের বিপরীতে বসেছে। তাই দেখতে খুবই অসুবিধা হচ্ছে। কারণ টেবিলের ওই মাথা থেকে দৃষ্টি তুলে সামনে তাকালে নির্ভাণের পাশের চেয়ারে বসা নানির দিকে ও দৃষ্টি যাচ্ছে।
“তুমি জানো আপু, বাড়ির বড়োরা কেউ যাচ্ছে না ঘুরতে।”
প্রিয়ম ফিসফিস করে। সানায়া না বুঝেই জিজ্ঞেস করলো,
“মানে?”
“হ্যাঁ। শুধু আমি তুমি আফি আপু, বড়ো ভাইয়া তুষ ভাইয়া, একান্ত ভাই আর সেহের যাব।”
সানায়া ভাবনায় পড়ে। কাল পর্যন্ত তো সবাই যাওয়ার কথা ছিলো। তবে হঠাৎ কেনো সিদ্ধান্ত বদলেছেন সবাই? সানায়া খাওয়া শেষ সুড়সুড় করে নির্ভাণের পেছনে এলো। বাইরে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। আজ ভোর রাত থেকে। নির্ভাণ এসে গেইটের ছাউনির নিচে দাঁড়াল। দারোয়ান তাকে দেখেই গাড়ি বের করতে গেলেন গ্যারেজ থেকে। নির্ভাণের ঠিক পিছেই দাঁড়িয়ে মেয়ে টা হাসফাস করছে। নিজেই কাছে আসে আবার নিজেই অস্থির হয়। নির্ভাণ ঠোঁট কামড়ে হাসলো একটু।
“কী হয়েছে?”
“আজকে বৃষ্টি হচ্ছে নির্ভাণ ভাই।”
“তো?” নির্ভাণের স্বভাবগত গম্ভীর স্বর। সানায়া আঙুলে ওড়নার কোণ পেচায়। আবার ফাঁকে চুল টা শুধু শুধু কানের পিঠে গুঁজে। যদিও ওর চুল বেণী করা। তবুও নির্ভাণের সামনে কিংবা আশেপাশে এসে ও স্থির থাকতে পারে না। বলে,
“আজকে দুপুরে খিচুড়ি রান্না করবে বড়ো মামুনি।”
নির্ভাণ নিশ্চুপ। হাত ঘড়িতে টাইম দেখে। সানায়া অপেক্ষা না করেই আবার বলে উঠলো,
“আমি নিয়ে যাব আপনার জন্য?”
গ্যারেজ থেকে গাড়ি বের করে নিয়ে আসে দারোয়ান চাচা। সানায়ার চঞ্চল মন ছটফট করে। নির্ভাণ ওর ছটফটানি দেখে কোনো রকম নিজের হাসি চেপে বললো, “আমি আজকে আগে ফিরবো। দুপুরে খাবার পাঠাতে হবে না তোর মামুনিকে বলে দিস।”
সানায়া আর কিছু বলার সুযোগ পায় না। নির্ভাণ গাড়িতে ওঠে বসলো। দারোয়ান চাচা ছাতা হাতে গেইট খুলতেই নির্ভাণের গাড়ি বেরিয়ে যায়। সানায়া হেলে-দুলে বাড়ির ভেতর প্রবেশ করে। সে আজ যাবে। যাবেই।
—–
সানায়ার আগের সাইকেল টা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। কলেজে উঠলে নতুন কিনে দিবে বলে ফারাজ সিদ্দিকী আর পুরনো টা ঠিক করাতে দেয়নি। সানায়া আজ সেহেরের টা বের করলো। বড়ো মামিকে বলেনি নির্ভাণ ভাই যে খাবার দিতে নিষেধ করেছে। ফারাজ সিদ্দিকী শহরে নেই। আর নিজাম সিদ্দিকী একটা কাজের জন্য অফিস যায়নি। নেয়ামত সিদ্দিকী এমনিতেও একদিন গেলে তিন দিন তিনি বন্ধুদের সাথে থাকেন। সানায়া জানে অফিসে এখন নির্ভাণ ভাই ছাড়া তাদের পরিচিত লোক কেউই নেই। সে সাইকেল টা দেখে দেখে নির্ভাণের গাড়ির সাথে নিয়ে রাখলো। কিন্তু একজন সিকিউরিটি এসে আচমকাই তাকে জেরা করতে শুরু করলো। সানায়া ভয় পেলো। ভীত কাঁপা গলায় নিজের মামাদের নাম বলতেই গার্ড তড়িঘড়ি করে ওর হাত থেকে খাবারের ব্যাগ টা নিতে নিতে বললো, “আপনি আমার সাথে আসেন। বড়ো স্যার কেউই আজ অফিস আসেনি। শুধু ছোট সাহেব আছে।”
ভদ্রলোক হেঁসে হেঁসে কথা বলতে বলতে আগে আগে হাঁটেন। হাত দিয়ে সানায়া কে সামনে রাস্তা দেখায়। সানায়দ একটু ইতস্তত করে। হাত বাড়িয়ে বলে, “ব্যাগ টা আমাকে দিন৷ আমি নিতে পারবো।”
“লিফটের কাজ চলে মা। একটু আগেই সমস্যা হইছে। পাঁচ তলায় এই ব্যাগ হাতে উঠতে তোমার কষ্ট হইবো।”
আসলেই সানায়া খেয়াল করলো এলিভেটরে কাজ চলছে। তাই সে আর কথা না বাড়িয়ে লোকটার পেছনে পেছনে গেলো। তিন তলা উঠতে উঠতে হাঁপিয়ে গেলো সে৷ ভদ্রলোক কিছু টা গিয়ে ওর জন্য আবার অপেক্ষা করে। সানায়া মিনিট খানিক সময় বাদে আবারও সিঁড়ি বেয়ে উঠতে থাকে।
সানায়া আগেও বেশ কয়েকবার ফারাজ সিদ্দিকী এবং নেয়ামত সিদ্দিকীর সাথে এসেছে৷ তাই তাদের কেভিন চিনলেও নির্ভাণের কেভিন সে চিনে না। একদম করিডর ধরে হাঁটতে হাঁটতে শেষে গিয়ে একটা কেভিনে গার্ড নক করলো।
ভেতর থেকে তক্ষুণি দরজা খুলে লম্বাটে দেহের তিয়ান উঁকি দিয়ে বললো, “জি কিছু প্রয়োজন?” থেমে পাশে তাকাতেই সানায়া কে দেখে সে মিষ্টি করে হাসলো।
“সানায়া!”
পরপরই সে দরজা টা সম্পূর্ণ খুলে দিলো। গার্ডের সাথে কথা শেষ ব্যাগ হাতে নিয়ে গার্ড বিদায় করে দিলো। সানায়া তখন গোলগোল চোখে ভেতরে নজর বুলিয়ে নিচ্ছে।
কিন্তু কেউ নেই। সানায়া হতাশ হয়ে যখনই তিয়ানের দিকে তাকালো তার কিয়ৎক্ষণ বাদেই নির্ভাণ ভেতরে ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে এলো। সাদা শার্ট কনুই পর্যন্ত গুটিয়ে ফ্রেশ হয়ে বেরিয়েছে সে। সানায়া কে দেখেই অবাক হলো। বিস্মিত দৃষ্টি সে কয়েক সেকেন্ড ওকে পরখ করে নিয়ে বললো, “বৃষ্টি ভিজেছিস কেনো?”
“একটু ভিজেছি শুধু। এই-যে দেখুন শুঁকিয়ে এলো প্রায়।”
সানায়া ওড়নার এপ্রান্ত দিয়ে শরীর থেকে পানি মুছতে মুছতে বলে। নির্ভাণ তৎক্ষনাৎ তিয়ানের সামনে আর কিছু বলতে পারলো না। তিয়ান নিজেই খাবার রেডি করে টেবিলে দিলো। সানায়ার সাথে এরমধ্যে বেশ ভাব জমেছে তিয়ানের।
“আমি ভাবছি আপনি আমাদের বাড়ির রাস্তা ভুলে গেছেন তিয়ান ভাই।”
সানায়ার অভিযোগ। নির্ভাণ চুপচাপ খাবার মুখে তুলে গলাধঃকরণ করে। মায়ের হাতে খিচুড়ি আর গোরুর মাংস সিদ্দিকী বাড়ির সবার প্রিয়। খুব ভালো বানায় কি-না।
তিয়ান মিষ্টি করে হাসে মেয়ে টার কথায়। বলে,
“রাস্তা ভুললেও তোমাদের ভোলা যাবে না।”
তিয়ান নিজের খাবার টা কোনো রকম খেয়ে কাজের বাহান দিয়ে কেভিন থেকে বেরিয়ে গেলো। সানায়ার পাত থেকে খাবার টা তখন বেশি নড়েনি।
“খাবার শেষ কর।”
নির্ভাণের গম্ভীর গলা। সানায়া দ্রুত হাতের সাথে মুখ ও চালায়। কারণ নির্ভাণ ওর সামনে থেকে ওঠে গেছে। তার খাওয়া শেষ।
সানায়া খেয়ে প্লেট গুছিয়ে নিয়ে ওয়াশরুমে যাওয়ার জন্য উদ্যত হতেই নির্ভাণ বলে উঠলো,
“রেখে দে আর নিজের হাত ধুয়ে আয়।”
“আচ্ছা।”
সানায়ার এই কাজ টা করতে কোনো অসুবিধা ছিলো না। তবে নির্ভাণ ভাই না করেছে যেহেতু তাই হাত ধুয়ে এলো। এসে কেভিন টা ঘুরঘুর করে দেখতে লাগলো। মাঝে একটা ডেস্ক। একপাশের দেওয়াল জুড়ে হরেকরকমের গাউনের ডিজাইন আর তার সামনে সোফা সেট। যেখানে নির্ভাণ বসে ল্যাপটপে কাজ করছে। সানায়া দেয়ালের ফাঁকা অংশ টার সামনে গিয়ে দাঁড়াল। এখান থেকে বাইরে সবকিছু স্পষ্ট। সে কোমরে হাত গুঁজে দাঁড়াল। যায়গা ভীষণ মনোমুগ্ধকর।
“নির্ভাণ ভাই এটা কী সুন্দর।”
“হুম।”
বাইরে তখনও বৃষ্টি। নির্ভাণ বললো, “বাড়ি থেকে বলে কেনো আসিস নি?”
“বললে আম্মা আসতে দিতো না বলতো, বাইরে বৃষ্টি যেতে হবে না। তাছাড়া আপনি লাঞ্চ দিতে নিষেধ করেছেন।”
নির্ভাণ ওর মতামত শুনে দীর্ঘ শ্বাস ফেললো। ল্যাপটপ আর নিজের কাজের সব জিনিস ব্যাগে নিয়ে কাঁধে ঝুলে ওর হাত ধরলো। সানায়া থমকে রইলো। নির্ভাণ সেভাবে হাত ধরেই অফিস থেকে বেরিয়ে এলো। ততক্ষণে লিফট ঠিক হয়েছে। নির্ভাণ পার্কিং এড়িয়া থেকে গাড়ি নিতে গেছে।
সানায়া দাঁড়িয়ে থাকে গেইটের কাছে। সাইকেল পরে বাড়ি পাঠিয়ে দেব গার্ড দিয়ে।
“তোমার নাম কী মিষ্টি মেয়ে?”
ওয়েস্টার্ন পরা মেয়ে টা দেখতে খুবই সুন্দরী। আর্টিফিশিয়াল বিউটিফিকেশন বেশি তার মধ্যে। সানায়া নিজের দিকে চাইলো। মেয়ে টার তুলনায় সে খুব সাধারণ পোশাকে আছে। একটা সুতির থ্রি-পিস গায়ে। বেণী করা চুল আর পায়ে এক জোড়া এথনিক লোফার।
“সানায়া এহমাদ।”
“নির্ভাণ তোমার কী হয়?” মেয়ে টার চোখ-মুখে অস্থিরতা। সানায়া নির্ভাণের গাড়িটা আসতে দেখলো। সে দিকে তাকিয়ে খুব আস্তে করে আওড়াল,
“খুব আপন কেউ।”
নির্ভাণ আসা আর মেয়ে টা কিছু বলতে পারলো না। নাম জেনে বিদায় নিয়ে চলে গেলো মেয়ে টা। সানায়া গিয়ে গাড়ির সামনে সিটে বসলো। তখনও গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। নির্ভাণ জানালা বন্ধ করতে চাইলে সানায়া বাঁধা দিলো। নির্ভাণের ইচ্ছে না থাকা স্বত্তেও প্রেয়সীর জন্য মেনে নিলো।
“ওই সুরাইয়া মেয়ে টাও সুন্দর।”
সানায়া ফিসফিস করে। নির্ভাণ জানে তার কাছেই তার অভিযোগ করছে। সে গোপনে হাসলো। ঠোঁট চেপে কিছু সময় নিশ্চুপ থেকে প্রতিবারের ন্যায় গম্ভীর স্বরে জবাব দেয়, “দেখিনি আমি।” সে আসলেই দেখেনি খেয়াল করে। শুধু জানে ওই মেয়ে বাবার বন্ধুর মেয়ে। একবার তার সাথে পরিচয় হয়েছে মাত্র।
সানায়ার বোধহয় এই কথাটা ভালো লাগলো। তার মুখ টা আর অন্ধকার অভিমানী দেখালো না। সে চুপচাপ একটু পরপরই নির্ভাণের দিকে তাকায়। কখনো বা শক্ত করে স্টিয়ারিং ধরে রাখা নির্ভাণের হাতের দিকে। কখনো বা মুখের দিকে। নির্ভাণ ওর কাঁধ ব্যাগ টা নিজের কোলে নিয়ে বসেছে। গাড়িতে বসলেই সে ব্যাগ কাছে রাখে না। নির্ভাণ মেয়ে টার ছোটখাটো সব বিষয় খুব গোপনে নোটিশ করে। তাই তো গাড়িতে বসেই ব্যাগ টা নিজের কাছে নিয়ে নিয়েছে। আর সানায়া নিজের পা গুটিয়ে সিটে তুলে রেখেছে। নির্ভাণ গাড়ি চালানোর ফাঁকে ফাঁকে ওকে দেখে। তার মস্তিষ্ক অচল হয় যখন এই মেয়ে টা সামনে থাকে৷ বুকের ভেতর থাকা হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া, চোখের নিয়ন্ত্রন হারিয়ে বেহায়া দৃষ্টিতে তাকিয়ে দেখার তৃষ্ণা যেনো মিটেই না। আর যখন গাল ফোলায়। নির্ভাণের কান দিয়ে তখন আগুন বের হয়। এতো অসহ্য যন্ত্রণা করে বুকে। সে মূহুর্তটা ভেবেও অস্থির হয়।
“মাই ডিয়ার ওম্যান। মাই আইজ অনলি সি ইউ।
মাই মাইন্ড অলওয়েজ থিংক্স অ্যাবাউট ইউ। অ্যান্ড মাই হার্ট ইট অনলি বিলংস টু ইউ।
আই ডোন্ট নিড এনিথিং এলস, জাস্ট ইউ।”
খুব সাবধানে তার মুখ দিয়ে শব্দগুলো বেরিয়েছে। সানায়া শুনেছে অল্পস্বল্প। তবে তার এতোক্ষণে চোখ লেগে এসছে। তাই খুব ভালো করে কিছুই বুঝেনি। নির্ভাণ হাসলো একটু। এরপর হাত বাড়িয়ে নিজের অজান্তেই ওর গাল টা ছুয়ে দিলো তর্জনী আঙুল টা দিয়ে। পরক্ষণেই নিজের বুকের ভেতর আন্দোলন টের পেতেই ঝট করে নিজের হাত গুটিয়ে নিলো।
#চলবে……
[সাধারণ প্লটের কাজিন রিলেটেড গল্প। খুব ইউনিক কোনো কিছু নেই। যারা পড়তে বিরক্তবোধ করছেন দয়া করে এই গল্প টা পড়ার দরকার নেই। আর আমি ইদানীং নতুন গল্প লেখার অবস্থায় নেই। এটা শেষ হলে নতুন গল্প এলে পড়িয়েন। কী লিখেছি জানি না, ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।]
