গুপ্ত_প্রেমের_সুপ্ত_পিয়াসা” 🖤|১৬| #শার্লিন_হাসান

0
38

#গুপ্ত_প্রেমের_সুপ্ত_পিয়াসা” 🖤|১৬|
#শার্লিন_হাসান

ঋতুর শেষের ঝড়ের তাণ্ডব মূলত প্রাকৃতিক বৈরিতা এবং ঋতু পরিবর্তনের সময়ের অস্থিরতার লক্ষণ হিসেবে ধরা যায়। এটি বাংলার সাংস্কৃতিক চেতনাতেও গভীরভাবে প্রোথিত।

আকাশের অবস্থা মেঘাচ্ছন্ন সকাল থেকেই। এরই ভেতরে খবর এসেছে ফাইজার মা মা-রা গেছেন। হুট করেই মা-রা গেছেন। অবশ্য মৃত্যুুর গ্যারান্টি নেই। কখন কার ডাক পড়ে। মানবজনমে অত্যাবশ্যক এবং চরম সত্য হলো মৃত্যু। সমস্ত প্রাণী মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে এটি মিছে নয়। আপনি, আমি,আমরা সবাই একদিন মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করব।
মায়ের মৃত্যুর খবর পাওয়া মাত্রই ফাইজা কেঁদে কেটে অস্থির। তাঁদের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রাম। তার মাও সেখানেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছে। যেহেতু আত্নীয়, সেজন্য শেখ পরিবারের নিয়ম অনুযায়ী প্রথমদিন সবাই মৃ’ত বাড়িতে যায়। সে অনুযায়ী সকাল থেকে ব্যাগ গোছাচ্ছে ফাইজা। ঈশিতা,তারেক মাহমুদও যাবেন। ফরিদা পারভীন এতো দূর জার্নিতে অসুবিধা হবে সেজন্য তিনি যাবেন না। এমনিতেও তৃপ্তি, ইলমার সামনে পরীক্ষা। এখন চট্টগ্রাম গেলে কমপক্ষে চার-পাঁচদিন সময় নষ্ট হবে। তৃপ্তি যেতে পারলেও ইলমাকে নিতে রাজী না ফাইজা। এই নিয়েও ইনান শেখের সাথে ঝগড়া হয়েছে দুদণ্ড। ফরিদা পারভীন, তৃপ্তি ফাতিহার বাসায়। এখন চাইলেও আসবেনা। আগামী কালকে পাত্রী দেখতে যাবে। এদিকে ইলমাকে এক ছেড়ে যেতে রাজী না ইনান শেখ।
আদনানের কোন খোঁজখবর নেই। সেজন্য সেসব নিয়ে ভাবছে না কেউই।
ফাইজা ইজাজের ব্যাগ গুছিয়ে, নিজে বোরকা গায়ে জড়ায়। ইনান শেখ চিন্তিত ভঙ্গিতে লিভিং রুমে আসেন। ফোন হাতে ফরিদা পারভীনকে কল দেয়। রিসিভ হতে বলে, “আম্মা, বিকেলে চলে এসো। ইলমা একা থাকতে পারবেনা।”

“আচ্ছা।”

ইনান শেখ দীর্ঘ শ্বাস ছেড়ে ইলমাকে ডাকে। বাবার ডাক পেয়ে ইলমা আসে। ফাইজা তখন লিভিং রুমে এসেছে। ইলমাকে দেখে বিরক্ত হয় ফাইজা। তবে মুখে প্রকাশ করেনা। তারেক মাহমুদ এবং ঈশিতা এসেছে তৈরি হয়ে। ইনান শেখ ইলমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলেন, “সাবধানে থেকো। বিকেলে তোমার দাদি চলে আসবে।”

“থাকতে পারব। সমস্যা নেই।”
কন্ঠস্বর খাদে নামিয়ে জবাব দেয় ইলমা। ইলমাকে কিছু টাকা দিয়ে ইনান শেখ সহ বাকীরা বেরিয়ে যায়। তাঁদের বিদায় দিয়ে ইলমা দরজা লক করে নেয়। কিচেনে গিয়ে ভেজানো মাংশ রান্না বসায়। ভাত কুকারে বসিয়েছিলো ঈশিতা। তরকারি রান্নার আগেই ছুটতে হচ্ছে। যেহেতু রাতে ফরিদা পারভীন এবং তৃপ্তি আসবে সেইভাবেই রান্না করে ইলমা।

কিছুটা সুস্থ অনুভব করে আদনান। সেজন্য ঠিক করে আজকে বাসায় চলে যাবে। এমনিতেও গতকাল থেকে এখন অব্দি নিজের ফোন বন্ধই রেখেছে। ভেবেছিল, দুই তিনদিন থাকবে নির্মাণদের বাসায়। সেটা সম্ভব না। এখানে তার মন টিকছেনা তেমন। বাসায় গিয়ে একটা ঘুম দিবে।

লান্স করে রেডি হয় আদনান। আড়াইটার দিকে সবাইকে বিদায় জানিয়ে বাইরে আসে আদনান। আকাশের অবস্থা খুবই খারাপ। কিছুক্ষণের মধ্যেই জেনো সব তছনছ করে দিবে ঝড়ের তান্ডবে। আদনান ক্ষিপ্ত কালো অম্বরে দৃষ্টি মেলে। সে বাসায় গিয়ে পৌঁছাতে পারবে কি-না শিওর না।

রিকশা ধরে বাসার উদ্দেশ্য রওনা হয় সে। কিন্তু অর্ধেকপথ আসতেই তুমুল বেগে বাতাসের সাথে ঝুপঝুপ করে বৃষ্টি শুরু হয়। আদনান আকাশের দিকে তাকায়। এই বৃষ্টি কয়দিনের জন্য কে জানে।
চারপাশ অন্ধকার প্রায়। এখন কী বিকেল নাকী রাত বোঝা মুশকিল।

সমস্যা হয় অন্যত্রে। আদনান বাসার কাছাকাছি আসতে তার রিকশা আটকে ধরে দু’টো মাইক্রো। আদনান কী ভেবে রিকশা থেকে নেমে ভাড়া মিটিয়ে সামনে এগোয়। আরেকটু সামনেই তাঁদের বাসা।

প্রায় আট-নয় জনের মতো ছেলেপেলে আদনানকে ঘিরে ধরে। তাঁদের একেকজনের চাহনি একটু অন্যরকম। আদনান বুঝে এরা আবরণের লোক। সেজন্য না ঘাবড়িয়ে জিজ্ঞেস করে, “কী চাই?”

তখন একজন বলে, “বৃষ্টিময় রাত,অন্ধকারে ঘেরা চারপাশ।
খেঁকশিয়ালরা ধরেছে একটা পোষা বিড়াল।”

“তোর বাপ বিড়াল। তুই বিড়ালের বাচ্চা মোরগ। আদনান হলো সিংহ।”

আদনানের এরকম কথায় ছেলেটি তার মাথা দিয়ে আদনানের কপালে বা’রি মারে। বৃষ্টির পানিতে ভেজা শরীর। চুলের পানি নাকের কপাট বেয়ে সরু হয়ে গড়াচ্ছে। আদনান সবার দিকে আঁড়চোখে তাকায়। পকেটে হাত দিয়ে একটা ছুড়ি আলগোছে বের করে। একটা ছেলের গলা কন্ঠ নালি চেপে ধরে গাড় বরাবর ছুড়ি বসিয়ে দেয়। খুব দ্রুত হওয়ায় বাকীরা হতভম্ব হয়ে যায়। বাকী সাতটা ছেলে আদনানকে ঘিরে ধরে। কেউ লা’থি, কেউ ঘু’ষি দেয়। আদনান ছুড়ি দিয়ে কয়েকজনকে আঘাত করে। তবে সে প্রচুর মার খেয়েছে। নাক-মুখ রক্তে সিক্ত। তখন একটা ছেলে আকস্মিক একটা চুড়ি আদনানের হাতে গভীর ভাবে বসিয়ে দেয়। সাথে সাথে গলগলিয়ে রক্ত বের হতে থাকে হাত থেকে। হাতের যন্ত্রণায় দিকবিদিকশুন্য হয়ে পড়ে আদনান। সর্বশক্তি প্রয়োগ করে চুড়িটা টেনে বের করে। বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে যায় সেই ছুড়ির টকটকে লাল রক্ত। ছেলেগুলো নিজেদের নিয়ে পালিয়ে যেতে ব্যস্ত। আদনান হাত চেপে ধরে এগোয় সামনে। গতকাল মার খেয়ে অবস্থা খারাপ হয়েছিলো। ঔষধ খেয়ে যাই ব্যাথা কমিয়েছে। এখন তো তিন ডাবল। পুরো শরীরে জেনো কেউ বিষ ঢেলে দিয়েছে। বৃষ্টির পানিতে ভিজে এবার না জ্বর চলে আসে। বিভিন্ন ভাবনা মাথায় আসছে আদনানের।

কোনরকম বাসায় এসে কলিং বেল চাপে আদনান। বার কয়েকবার কলিং বেল চাপতে ইলমা এগিয়ে আসে। দরজার হোল দিয়ে বাইরে দেখে। ভেবেছিলো, দাদী আর তৃপ্তি এসেছে। কিন্তু সম্পূর্ণ উল্টো ব্যপার। আদনান এসেছে। ইলমা দরজা খোলতে আদনান দাঁতে দাঁত চেপে বলে, “হাতে কী গজব পড়েছে? দরজা খোলতে এতো সময় লাগে?”

“মুখ সামলে কথা বলো।”
“চোপ। তোর মুখ তুই সামলে রাখ।”
“বজ্জাত।”
“মাথা গরম করবিনা।”

কথাটা বলে ভেজা শরীর নিয়ে আদনান সোফায় বোসে। ইলমা দরজা লাগিয়ে নজর দিতে দেখে ফ্লোরে লাল রঙের কিছু। হতভম্ব হয়ে আদনানের দিকে তাকায় ইলমা। ডান হাত রক্তে টইটুম্বুর। গোলাপী ঠোঁট এবং ফর্সা গলা কালো হয়ে আছে। আদনানের অবস্থা দেখে ইলমা ভয় পায়। কাঁপাকাঁপা স্বরে জিজ্ঞেস করে, “কী হয়েছে তোমার?”

আদনান হাত চেপে রেখে জবাব দেয়, “একটা ওরনা আন তো। রক্ত ঝড়ছে।”

ইলমা মাথা নাড়ায়। কোথা থেকে ওরনা আনবে? এদিকসেদিক ঘুরে পুরোনো ওরনা পায়না। সেজন্য নিজের রুমে গিয়ে কাবাড থেকে কালো রঙের একটা ওরনা নিয়ে আসে। হাত অসম্ভব কাঁপছে তার। এমনিতে চারপাশে যা বৃষ্টি হচ্ছে। মাঝেমধ্যে বাজ পড়ছে। ভাগ্যিস বাসায় আইপিএস আছে। নাহলে তো কাজ সারত।

আদনানের হাতে বোধ নেই যে শার্টের বোতাম খোলবে। ইলমা ওরনা এগিয়ে দিলে আদনান চোখ তোলে তাকায়। খুবই শীতল কন্ঠে বলে, “হেল্প কর।”

“কী?”
“আমার শার্টের বোতাম গুলো খুলে দে।”
“কীহ্!”
চোখ বের করে বলে ইলমা। আদনান বিরক্ত হয়। জবাব দেয়, “হাতে শক্তি নেই বোতাম খোলার। থাকলে তোকে বলতাম না।”

ইলমার মায়া হয়। এমনিতে আদনানের অবস্থা দেখে তার খারাপ লাগছে। বাসায় কেউ নেই যে হেল্প করবে। এখন তার ভরসায় আছে বেচারা। ইলমা মৌনতা কাটিয়ে বলে, “তুমি চোখ বন্ধ করে রাখবে।”

“চোখ খোলা থাকলে সমস্যা কী?”
“আরেহ্। লজ্জা লাগে।”
“ঢঙ ছাড়। হেল্প করবি কি-না বল।”

ইলমা কাচুমাচু হয়ে দাঁড়ায়। আদনান ভেজা শরীর নিয়ে উঠে দাঁড়ায়। ইলমা এগিয়ে গিয়ে শার্টের বোতাম গুলো খুলে দেয়। শার্টের অবস্থা খারাপ। সেই সাথে হাতটা যে রক্ত মেখে লাল হয়ে আছে। ইলমা চোখমুখ খিঁচে রেখে আদনানের আঘাতের জায়গায় ওরনা শক্ত করে বেঁধে দেয়।

আদনান চোখ বন্ধ করে ব্যাথা গিলে নেয়। ইলমা আওড়ায়, ” এতো ব্যাথা কীভাবে সহ্য করছ? এসব কী করে হয়েছে?”

“পরে বলব। বাকীরা কোথায়?”

“ওই ইজাজের নানু মারা গেছে। সবাই চট্টগ্রাম গেছে।”

“তোকে নেয়নি?”
হতভম্ব হয়ে জিজ্ঞেস করে আদনান। ইলমা জবাব দেয়না। আদনান আর কিছু বলেনি। উঠে রুমে চলে আসে। ওয়াশরুমে ঢুকে হাত না ভিজিয়ে শাওয়ার নেয়। কোনরকম চেঞ্জ করে বাইরে আসে। রক্ত ঝড়ছে না বোধহয়। আদনান ভেজা চুল নিয়ে খাটের উপর বোসে। বা হাতে তোয়ালে নিয়ে মাথায় রাখে। ধীরে,ধীরে চুলগুলো মুছতে থাকে।

তখন তার দরজায় কড়া নাড়ে ইলমা। আদনান খুব আস্তে বলে, “আয়।”

ইলমা হাতে একটা মগ নিয়ে এগিয়ে আসে। আদনানের দিকে তাকায়। জবাব দেয়, “ঠোঁটে মলম লাগাওনি?”

“বেশি কেটেছে?”

“মনে হয়।”

“হাতটা ড্রেসিং করে দিস।”
“চা-টা পান করো ভালো লাগবে।”

“টেবিলে রাখ।”
ইলমা চায়ের মগ টেবিলের উপর রাখে। আদনান আদেশ করে, “ওয়ারড্রবের প্রথম তাকে ফাস্ট এইড বক্স আছে। নিয়ে আয়।”

আদনানের কথামতো ইলমা ফাস্ট এইড বক্স নিয়ে আসে। ওরনার বাঁধন খোলে দেয়। খুব সাবধানে যত্নের সাথে কাটা জায়গায় ড্রেসিং করিয়ে মলম লাগিয়ে দেয়। আদনান পুরোটা সময় ইলমার কাজ দেখছিলো। ইলমাকে দিয়ে বা হাতে মলম ঢলিয়ে নেয় আদনান। কিছুক্ষণের ভেতর হাতের জ্বলুনি শুরু হয়। একটু পর ব্যাথা ছেড়ে দিবে। শরীরও অসম্ভব ব্যাথা হয়ে আছে। ইলমা চায়ের মগ এগিয়ে দিয়ে বলে, “ভাত আনব?”

“নাহ্। যতটুকু করেছিস অনেককিছু।”

ইলমা জবাব দেয়না। আদনান চা-টা শেষ করে খাটের সাথে হেলান দিয়ে চোখ বন্ধ করে। মাথায় অসম্ভব যন্ত্রণা হচ্ছে। তখন ইলমা বলে, “ঔষধ খাওনি?”
“রাতে খাব।”
“এখন খেয়ে ঘুমাও।”
“দাদী,তৃপ্তি আসবে না?”

ইলমা ঘড়িতে সময় দেখে। সন্ধ্যা সাতটা বেজে গেছে। এখনো বৃষ্টি থামার নাম-গন্ধ নেই। হয়ত আসবেনা। ইলমা জবাব দেয়, “আজকে আসবে বলে মনে হয়না।”

“কবে,কখন আসবে আমাকে বলিস।”

“হয়ত আগামী কাল আসবে।”
“তাহলে আমি আগামীকাল সকালে চলে যাবো।”

“ওমাহ্। কেন?”

“বাসায় কেউ নেই। আমি হুটহাট না জেনে ফিরেছি, লোকে জানলে তোকে নিয়ে বাজে ধারণা পোষণ করবে। ওরা আসলে আমায় ম্যাসেজ দিয়ে বলিস, রাতে ফিরব।”

“বাসা তো তোমাদেরও।”
আদনান জবাব দেয়না। ইলমা পুনরায় বলে, “নাশতা দিয়ে যাই। ঔষধ খেয়ে নিও।”
“এতো ভাবতে হবেনা।”
“আরেহ্ তোমার হাতের অবস্থা দেখো। মনে হচ্ছে জ্বরও আসবে।”
“তুই এতো ব্যাকুল হচ্ছিস কেন? কাটা হাত আর সমান্য একটু জ্বরই তো হবে।”

“এরকম কিছুনা।”
কণ্ঠস্বর খাদে নামিয়ে জবাব দেয় ইলমা। আদনান কিছু বলেনা। ইলমা নিজের ওরনা হাতে রুমে আসে। আদনান ইলমার যাওয়ার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসে। একহাত কপালে দিয়ে দেখে অসম্ভব গরম হয়ে আছে। অসময়ে জ্বর আসলে প্রেমিকনারী সেবা করবে তো? নাকী লজ্জায় দূরে দূরে থাকবে। ইলমার তখনকার বলা কথা, ভেবেই আদনান হাসে। চোখ বন্ধ করে রাখবে, আমার লজ্জা লাগে।

রুমে আসতেই ইলমা দেখে তৃপ্তির অনেকগুলো মিসড কল। সেজন্য ইলমা নিজে কল ব্যাক করে। রিসিভ হতে তৃপ্তি জানায়, “বৃষ্টির জন্য আসা হয়নি। নয়টার দিকে বৃষ্টি থামলে চলে আসব আমি আর দাদী।”

“সমস্যা নেই। এতো কষ্ট করে আসতে হবেনা আমি থাকতে পারব।”

“আরে না কী বলিস।”
“একটা কয়েক ঘন্টার’ই তো ব্যপার।”

“চাচ্চু জানলে খবর আছে।”
“আমি বাবাকে কল দিচ্ছি।”

“নাহ্। চলে আসব।”
“আসতে হবেনা। আমি এখন খাবার খেয়ে ঘুম দেব।”
“দাদী কী বলে। জানাচ্ছি তোকে।”

ইলমা কল কাটে। এখন তৃপ্তি এবং দাদী আসলে ঝামেলা আরেকটা বাঁধবে। আদনানকে দেখলে যদি সন্দেহ করে। এই মূহুর্তে বাসা ছেড়ে আদনানের যাওয়ার মতো কোন জায়গা নেই। এমনিতে সে অসুস্থ। ইলমা বুঝতে পারছেনা কী করবে। এখন আদনানকে এটা বললে বেচারাও চিন্তায় পড়ে যাবে। তারচেয়ে বৃষ্টি দশটার পর থামলেই হবে। আর আসা হবেনা তাঁদের। এছাড়া কোন উপায় নেই। এই আদনানেরও আসার সময় নেই। আজকেই কেন আসতে হলো? বৃষ্টিও বুঝি সময় বুঝেছে।

#চলবে

যারা আদনান -ইলমাকে মিস করবেন তারা চাইলে “বুকপকেটের মায়াবিনী” বইটা কিনতে পারেন। যখন খুশি তখন বইটায় আদনান-ইলমাকে পড়তে পারবেন। তারা সবসময় আপনার সাথেই থাকবে। ৩৫% ছাড়ে ২৪০৳ টাকায় বইটা অর্ডার করতে ম্যাসেজ
https://www.facebook.com/boiprangon1
আমার গ্রুপ লিংক
https://m.facebook.com/groups/582123563029858/?ref=share&mibextid=NSMWBT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here