#গুপ্ত_প্রেমের_সুপ্ত_পিয়াসা” 🖤|২৫|
#শার্লিন_হাসান
ইনান শেখ বাসায় এসে ফ্রেশ হয়। মাগরিবের নামাজ আদায় করে নাশতা খেতে বোসতে ফরিদা পারভীন আদনানের বলা কথাটা তোলেন। ফাইজা ইলমাকে আপদ বলেছে। সাথে তাকে বি’ষ খাইয়ে মা-রার কথা বলেছে। মায়ের থেকে এরকম একটা কথা শোনে ইনান শেখ বিস্ময় প্রকাশ না করে থাকতে পারেনি। চোখমুখের রঙ পরিবর্তন হয়।
চুপচাপ ইজাজকে ডাকে। ইজাজ আসতে ইনান শেখ আদেশ করেন, “তোমার আম্মুকে ডেকে আনো।”
ইজাজ মাথা নাড়ায়। চলে যায় ফাইজাকে ডাকার জন্য। তখন সবাই এক, এক করে লিভিং রুমে হাজির হয়। শুধু ইলমা আসেনি। আদনান সবার শেষে এসেছে। কথার আওয়াজে বুঝেছে গণ্ডগোল একটা বাঁধবে। নিশ্চয়ই ওই হিটলার ইনান শেখ তার বউ রীনাখান ওরফে ফাইজাকে বকব বা চড় মারবে। আদনান কেন সেটা মিস দিবে? এতো কষ্ট করে, এতো সুন্দর ড্রামা ক্রিয়েট করে দিলো, শেষে যদি মজাই না পায় তাহলে ব্যপারটা হলো নাকী?
আদনান সোফায় বোসে বাকিদের দিকে তাকায়। ইলমাকে কোথাও দেখেনি। আদনান বিরক্ত হয় প্রচুর। হুট করে ইলমা নিজেকে আড়ালে রাখছে কেন ? কী হয়েছে তার?
ফাইজা আসতে ইনান শেখ জিজ্ঞেস করেন, “তুমি নাকী ইলমাকে আপদ বলেছ?”
ফাইজা চুপ। বাকীরা তাকিয়ে আছে তার দিকে। আদনান মিটমিট হাসছে। সেই হাসি ফাইজার চোখ এড়ায়নি। তখন ইনান শেখ পুনরায় বলে, “আমাকে বি’ষ খাইয়ে মারতে চাও?”
“আমি এরকম কিছু বলিনি।”
ফাইজা জবাব দেয়। তখন ফরিদা পারভীন মাথায় হাত দিয়ে বলেন, “কতবড় মিথ্যা কথা। কেমনে কও তুমি? আর কত রুপ দেখানো বাকী আছে তোমার?”
“আদনানকে জিজ্ঞেস করুন। আমি বি’ষ খাওয়ানোর কথা বলিনি।”
তখন আদনান বিরক্ত মাখা কন্ঠে জবাব দেয়, “খোদার গজব পড়বো, যে আমার উপর দোষ চাপাতে চায়।”
আদনানের কথায় ইনান শেখ বিরক্ত হয়। ফাইজা চেতে উঠে। জবাব দেয়, “বেয়াদব ছেলে, তুমি তো বানিয়ে কথাগুলো বলেছ।”
“আমার কী ঠেকা পড়েছে এসব বানিয়ে বলার? আমার এতো সময় আছে নাকী?”
ফাইজা কিছু বলতে যাবে তখন ইনান শেখ ধমকে বলেন, “আর কোন কথা বলবে না তুমি। টক্সিক মহিলা। আমার তো ভাবতেও ঘৃণা হচ্ছে, তুমি আমার বউ।”
“আমি এসব বলিনি।”
“ইলমাকে তোমার আপদ মনে হয়? ও আমার মেয়ে। তুমি আরো মিথ্য বানাও,ঝগড়া করো তবে ইলমার জন্য আমার মনে যে ভালোবাসা সেটা একফোঁটাও কমাতে পারবে না। আমার মেয়ে আমার গর্ব। আমার অহংকার।”
ফাইজা চেঁচিয়ে বলে, “আমার সমস্যা ঠিক এই জায়গায়। ইলমার জন্য তোমার মনে টান ভালোবাসা, যেটা আমার ছেলের বা আমার জন্যে নেই। ও তোমার গর্ব না? বেশি অহংকার করো না। এই মেয়েই তোমার মান সন্মান ধুলোয় মিশেয়ে দিবে। আমার কথা মিলিয়ে নিও তুমি।”
“ফাইজা….
চিৎকার করে বলে ইনান শেখ। বাকীরা চুপ। তারেক মাহমুদ কী বলবেন খুঁজে পাচ্ছেন না। যতই বলুক, তাঁদের মধ্যকার ঝামেলা শেষ হবে না কোনদিন। যতকিছু হোক,ঘুরেফিরে ইলমার ঘাড়ে দোষ আসবেই। ফাইজা ইলমাকে দুচোখেও সহ্য করতে পারেনা। অথচ সব জেনেই বিয়ে করেছে। সময়ের সাথে সাথে ইলমা তার চক্ষুশূল হয়ে গেছে। ভাগ্যিস তার দাদী আছে। বাকীরাও তাকে আদর যত্ন করে। বিশেষত ইনান শেখের সক্রিয়তা,টান,মায়া,ভালোবাসা,যত্নের কারণে ইলমা মায়ের অভাব তেমন বুঝেনা। ফাইজা যা করে, যদি বাকীরাও ওইরকম হতো তাহলে ইলমা আর ইলমা থাকতো না। অনেকটাই ভে’ঙে যেতো। কিন্তু সবার ভাগ্য তো আর ইলমার মতো হয়না। যাদের সৎ মা আছে তারাই জানে বাস্তবতা কী! যার একাংশ ইলমা উপলব্ধি করে মাঝেমধ্যে।
ইনান শেখের চিৎকারে রুম জুড়ে নিরবতা নেমেছে। ফাইজা চোখমুখ শক্ত করে স্থান ত্যাগ করে। ইনান শেখ সোজা ইলমার রুমের দিকে যায়। দরজা খোলা থাকায় ভেতরে প্রবেশ করে। রুমের কোথাও ইলমার অস্তিত্ব নেই। ইনান শেখ ব্যালকনিতে যান। অন্ধকার ব্যালকনিতে চাঁদের আলো এসে পড়ছে। সেখানে আনমনা হয়ে দাঁড়ানো ইলমা। বাবার অস্তিত্ব খানিক টের পেতে ঘাড় ফিরিয়ে তাকায়। ইনান শেখ ব্যালকনির লাইট অন করেন। ইলমা নিজের মন খারাপ লুকাতে মৃদু হাসার চেষ্টা করে। ইনান শেখ মেয়ের চোখের দিকে তাকায়। বেশ শীতল কন্ঠে বলেন, “নাশতা খেতে আসো। তোমাকে প্রয়োজন ছাড়া রুমে থেকে বের হতে না করেছি । তাই বলে খাবার সময়ও রুমে বসে থাকবে?”
“ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়েছে।”
ইনান শেখ মেয়ের কথায় জবাব দেননা। মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলেন, “চলো নাশতা করবে। বাবাও নাশতা করিনি এখনো।”
ইলমা মাথা নাড়ায়। ইনান শেখ ইলমার কাঁধে হাত রেখে নিজের সাথে জড়িয়ে নেন। মেয়েকে নিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে আসেন। ইনান শেখ এবং ইলমাকে একসাথে আসতে দেখে আদনান ভ্রু কুঁচকে তাকায়। বাকীরা ইলমার দিকে তাকিয়ে আছে। তখন তৃপ্তি ইলমাকে বলে, “তো কী হয়েছে বল তো? রুম থেকে বেরুচ্ছিস না কেন?”
তৃপ্তির কথায় ইলমা ইনান শেখের দিকে তাকায়। আদনান নিজেও ইলমার দৃষ্টি অনুসরণ করে ইনান শেখের দিকে তাকায়। কিছু একটা আন্দাজ করেছে আদনান। তবে টু শব্দ করেনি। সবাই চুপচাপ নাশতা সেরে উঠে। ইলমা,তৃপ্তি নিজেদের রুমে চলে গেছে পড়ার জন্য। আদনান নিজেও উঠে রুমে যায়।
আদনান রুমে এসে ফোনটা হাতে নেয়। ইলমাকে হোয়াটসঅ্যাপে ম্যাসেজ পাঠায়, “কিয়ো প্রেমিকনারী ব্রেকআপ হয়েছে নাকী?”
ইলমা ম্যাসেজ সীন করে নাক-মুখ কুঁচকায়। আদনান টা আর ভালো হলো না। ইলমা সেন্টি খাওয়া ইমুজি দিয়ে বলে, “উল্টাপাল্টা না বললে হয়না?”
“না।”
“আমাকে আর ম্যাসেজ দিবেনা।”
“দিবো না। তুই কে শুনি? তোকে ম্যাসেজ না দিলে আমার কিছু হবেনা।”
“ঠিক আছে।”
“কী?”
আদনান পুনরায় রিপ্লাই করে। ইলমা বিরক্ত হয়। তার মনে হচ্ছে আদনান কথা বাড়াচ্ছে। ইলমা রিপ্লাই করে, “আমাকে ম্যাসেজ দিও না।”
আদনান রিপ্লাই করেনি। ইলমা ফোন রেখে পড়ায় মনোযোগ দেয়।
★★★
কেটে যায় পাঁচ দিন। আজকে ইলমার রেজাল্ট দিবে। সেজন্য সকাল,সকাল তৈরি হয়ে নাশতা খেতে বোসে। ইলমা আসার পেছন দিয়ে আদনান ও এসেছে নাশতা খেতে। গত পাঁচ দিনে খাবার খাওয়ার সময় ব্যতীত ইলমাকে লিভিং রুমে দেখা যায়নি। আদনানের আশেপাশে আসা তো দূরে থাক। হুট করে ইলমা, নিজেকে এভাবে গুটিয়ে নেওয়া সবার চোখেই পড়ছে। যদিও কেউ কিছু জিজ্ঞেস করেনি। ইনান শেখের মেয়ে তার কথাই শোনবে। নিশ্চয়ই ইনান শেখ যা সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইলমার ভালোর জন্য। আদনানও বিরক্ত ইলমার প্রতি। সেজন্য আগ বাড়িয়ে কথা বলেনা। এমন একটা ভাব নিয়ে থাকে জেনো ইলমার ছায়াও সে দেখতে পারেনা। এদিকে ইলমা নিজের মতো থাকে।
ফাইজার সাথে ইনান শেখ কথা বলেনা। তাঁদের মাঝে বেশ দূরত্ব। শুধু ইনান শেখ না, বাসার কেউই ফাইজার সাথে কথা বলেনা। আদনান ইলমা আজকে ভুলবশত পাশাপাশি চেয়ারে বসেছে। বলা যায় এই চেয়ারটাই খালি পেয়েছে আদনান। ইনান শেখ দু’জনকে পাশাপাশি দেখে আঁড়চোখে নজর রাখে। যদিও দু’জনের কেউই কারোর দিকে তাকায়নি। দু’জনে নাশতা খায় নিজেদের মতো। তবে একটা গ্লাস নিয়ে দু’জনেই টানাটানি করে। ইলমা যখন গ্লাসটা ধরে ঠিক তখন আদনানও ধরে। ইলমা গ্লাস নিজের দিকে টানে, আদনানও নিজের দিকে টানে। একসময় আদনান নিজেই গ্লাসটা ছেড়ে দেয়। ইলমা গ্লাস নিয়ে পানি পান করে। ইনান শেখ আদনানের দিকে অন্য একটা গ্লাস এগিয়ে দেয়।
নাশতা শেষ করে তারেক মাহমুদ বলেন, “ইনান জায়গার টাকা দেওয়া হয়ে গেছে। অল্পকিছু দেওয়া বাকী আছে। রেজিস্ট্রারও করা হয়ে গেছে। বাকী কিছু কাজ বাকী আছে।”
তারেক মাহমুদের কথায় বাকীরা খুশি হয়। তারেক মাহমুদ নতুন একটা প্রোপার্টি কিনেছে। সেটাও রায়হান আজাদের প্রোপার্টি। যেটার উপর এমপি নজর দিয়ে রেখেছে। সেজন্য তারেক মাহমুদের কাছে বিক্রি করে ঝামেলা ঘাড় থেকে সরিয়ে নিতে চায় রায়হান আজাদ। শুধুমাত্র প্রোপার্টির জন্য নানা হুমকি-ধমকি শোনতে হয়েছে। সেজন্য রিয়ানার ভার্সিটি যাওয়া বন্ধ। বাসাও পাল্টে নিয়েছেন তারা।
ইনান শেখ জবাব দেন, “প্রোপার্টি এটার জন্য জহির আহমেদ পিছু লেগে আছে। তুমি এটা নিতে গেলে কেন?”
“জায়গাটা ভালো। জহির তো বিভিন্ন জায়গা নিচ্ছে। বাকীরা কী কিনবে না নাকী?”
“নাহ্। এমপির লোকজন গিয়ে হুমকি-ধমকি দেয়। ওনার মেয়ে আছে যদি ক্ষতি করে দেয়।”
“আইন কী মা-রা গেছে?”
তারেক মাহমুদের কথায় ইনান শেখ সূক্ষ্ণ দীর্ঘ শ্বাস ছেড়ে বলেন, “এদেশের আবার আইন! বিভিন্ন কেস দেখি তো। এদেশে তো ধর্ষ’কের পক্ষের উকিল পাওয়া যায়। জাস্টিক একদম জঘন্য।”
আদনান নাশতা শেষ করে উঠে দাঁড়ায়। ইনান শেখ ইলমার কাছে আসে। মেয়েকে আলতো করে জড়িয়ে ধরে কপালে চু’মু দিয়ে বলেন, “বেস্ট অফ লাক মা।”
ইলমা জবাব দেয়, “থ্যাঙ্কিউ বাবা।”
আদনান বাবা মেয়ের ভালোবাসা দেখে মুখ বাকায়। তারেক মাহমুদ তৃপ্তির মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়। রেজাল্টের জন্য শুভকামনা জানায় দু’জনকেই। দুই ভাই বেরিয়ে যেতে ইলমা,তৃপ্তি একসাথে বেরোয় বাসা থেকে। তাঁদের পেছন দিয়ে আদনান বাইকের চাবি নিয়ে আসে। গ্যারেজ থেকে বাইক বের করে গার্ডেনে আসে। ইলমা,তৃপ্তি গেটের সামনে দাঁড়ানো। তৃপ্তি সাইডে দাঁড়ালেও ইলমা মাঝামাঝিতে দাঁড়ানো। তবে তার সেসবে হুঁশ নেই। আদনান বাইক থামিয়ে ইলমাকে ধমকে বলে, “সদরঘাটের কোন প্রেমিকের কাছে মন রেখে এসেছিস? রাস্তায় কীভাবে দাঁড়াতে হয় জানিস না?”
ইলমা জবাব না দিয়ে আদনানের দিকে তাকায়। ইলমার চোখে চোখ রাখতে মূহুর্তে আদনানের কঠোর ভাব মিইয়ে যায়। ইলমা কোন জবাব না দিয়ে তৃপ্তির পাশে গিয়ে দাঁড়ায় । তখন আদনান তৃপ্তিকে বলে, “কোন ছেলে রেজাল্ট জিজ্ঞেস করলে বলবিনা।”
আদনানের কথায় ইলমা বিরক্ত হয়। বিড়বিড় করে বলে, “শুরু হয়ে গেছে জ্ঞান দেওয়া।”
তৃপ্তি জবাব দেয়, “বলব না। এতো প্যারা দিও না। পারলে নিজে মেয়েদের থেকে দূরে থাকো।”
“আমার দূরে থাকা লাগে নাকী! তারাই দূরে চলে যায়।”
কথাটা বলে আদনান চলে যায়। ইলমা আদনানের যাওয়ার দিকে তাকিয়ে রয়। রিকশা পেতে দু’জন উঠে বোসে। রওনা হয় কলেজের উদ্দেশ্যে।
★★★
আবরণ তার দলবল নিয়ে রায়হান আজাদের বাসায় এসেছে। কলিং বেল চাপতে কোন রেসপন্স পায়না। বার কয়েক চাপার পর দরজা খোলে রায়হান আজাদ নিজে। আবরণকে দেখে বিরক্ত হোন তিনি। আবরণ রায়হান আজাদকে দেখে তাচ্ছিল্যের সুরে বলে, “শেষ বয়সে ভুঁড়ি নিয়ে শান্তিতে থাকতে মন চায়নি তোর।”
“বেয়াদব ছেলে ভদ্র ভাবে কথা বলো। এটা ভদ্রলোকের বাসা কোন গোরুর বাসা না।”
“রাখ আমার ভদ্রলোক। ওই চেয়ারম্যানকে কেন প্রোপার্টি দিলি? সে কী বেশি টাকা দিয়েছে তোকে? কত দিয়েছে? দুই কোটি? পাঁচ কোটি?”
“সেটা তোমার জানতে হবেনা। অযথা আমাকে বিরক্ত করলে আইনী ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবো।”
“তোর আইন চু’*দি। তোর মেয়েকে সাবধানে রাখিস।”
কথাটা বলে আবরণ চলে আসে বাসা থেকে। রায়হান আজাদ দরজা লক করে ভেতরে যায়। তখন ওনার ওয়াইফ ভদ্রমহিলা, নৌশিন আসে। রায়হান আজাদ সোফায় বোসতে বোসতে বলেন, “তোমার ভাইকে বলো একটা ফ্লাট খালি করে দিতে। আমরা সেখানে উঠবো।”
“কয়দিন আগে মাত্র বাসা চেঞ্জ করলাম। এভাবে কয়দিন?”
“তুমি বেশি কথা বলো না তো। রিয়ানাকে বলে দাও বাইরে যাতে না যায়।”
“ও তো ভার্সিটিও যায়না।”
“শপে গিয়ে বোকরা কিনে আনবে। দু’জনে বোকরা পড়ে চলাফেরা করবে। বেশি জরুরি না হলে বাসা থেকে বেরুবে না। বাকীটা আমি দেখছি।”
“তারেক মাহমুদকে এ বিষয়ে জানাও। ওনার ভাই তো একজন এডভোকেট।”
“এদেশের আইন ভালো না। এসব এডভোকেট, পুলিশ,থানা কিছুই করতে পারবে না। সবাই টাকার কাছে বিক্রি হয়।”
নৌশিন আজাদ কথা বাড়ায় না। রায়হান আজাদ চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। এই প্রোপার্টি না জানি তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়।
#চলবে
যারা আদনান -ইলমাকে মিস করবেন তারা চাইলে “বুকপকেটের মায়াবিনী” বইটা কিনতে পারেন। যখন খুশি তখন বইটায় আদনান-ইলমাকে পড়তে পারবেন। তারা সবসময় আপনার সাথেই থাকবে। ৩৫% ছাড়ে ২৪০৳ টাকায় বইটা অর্ডার করতে ম্যাসেজ
https://www.facebook.com/boiprangon1
দ্রঃ রাশা-তেজ ফ্যানদের জন্য সুখবর। ছোট্ট পাকনা বুড়ি রাশা আসছে #এক_ফালি_প্রণয় গল্পের বাকী অংশতে। সবাই তৈরি হও…😍
গ্রুপ লিংক
https://m.facebook.com/groups/582123563029858/?ref=share&mibextid=NSMWBT

