গুপ্ত_প্রেমের_সুপ্ত_পিয়াসা” 🖤|৩০|| #শার্লিন_হাসান

0
37

#গুপ্ত_প্রেমের_সুপ্ত_পিয়াসা” 🖤|৩০||
#শার্লিন_হাসান

এরই মাঝে বেশ কয়েকমাস কেটে যায়। ইলমার বোর্ড পরীক্ষার সময়ও ঘনিয়ে আসে। সেজন্য দিন-রাত এক করে পড়ালেখায় মনোনিবেশ করে। সেই যে সবার থেকে নিজেকে আড়াল করলে এখনো ঠিক আড়ালেই আছে সে। এই নিয়ে কেউই তেমন কথা তোলেনি। আদনানের সাথে মাঝেমধ্যে হোয়াটসঅ্যাপে টুকটাক কথাবার্তা হয়। তবে আগের মতো ঝগড়া করেনা। মাঝেমধ্যে লিভিং রুমে দেখা হলে দু’জনের চোখাচোখি হয় কিন্তু ঠোঁট নড়ে বাক্য উচ্চারণ হয়না। আর না ঝগড়াঝাঁটি হয়। আদনানের হৃদয় পুড়ে তপ্ত মরুভূমি। যেখানে একফোঁটা পানি নামক ভালোবাসার অভাব। চিত্ত দখল করে রাখা সেই নারী যার কোন হদিস নেই। কেউ একজন তার অপেক্ষায় দিনের পর দিন কাটাচ্ছে। আদনান আগের থেকে অনেকটা দায়িত্ববান হয়ে উঠেছে। যেমন পড়াশোনায় ফোকাস করেছে সাথে কিছু,কিছু জায়গায় চাকরির জন্য এপ্লাই করেছে। বেশি না বিশ থেকে ত্রিশ হাজার টাকা স্যালারি হলেও এনাফ। নাহয় দুটো বছর একটু কষ্ট করবে। মাস্টার্স কমপ্লিট হলে এমনিতেও তার বাবাকে ধরে ভালো কোন চাকরি নিয়ে নিবে। কিন্তু ইলমাকে সে হারাতে পারবে না।

ইনান শেখ সকালের নাশতা সেরে ইলমাকে ডাকেন। এখন ইলমার কলেজ বন্ধ। বাসায় পড়াশোনার উপর বেশি চাপ দেওয়া হচ্ছে। দিন রাত এক করে পড়াশোনা করে মেয়েটা। ভালো একটা রেজাল্ট, স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া। এই তো…

বাবার ডাকে সাড়া দিয়ে ইলমা লিভিং রুমে আসে। ইনান শেখ মেয়েকে দেখে বলেন, “দুপুরের খাবার সময় মতো খেয়ে নিও।”

ইলমা মাথা নাড়ায়। আদনান পাউরুটিতে কামড় বসাতে,বসাতে বাবা মেয়েকে দেখছে। ইনান শেখ চলে যাওয়ার পেছন দিয়ে ফরিদা পারভীন আসেন। হাতে তার পায়েশের বাটি। ইলমার দিকে সেটা এগিয়ে দিয়ে বলেন, “দোতালায় তোর ফুফিকে দিয়ে আয়। ফারিশ একটু পর অফিস যাবে। খেয়ে যেতে পারবে।”

তখন আদনান বাজখাঁই কন্ঠে বলে উঠে, “বুড়ি তুমি দেখো না ওর এক্সাম সামনে। টেপলা একবেলা পায়েশ না খেলে কিছু হবেনা। কিন্তু মেলিচার সময় নষ্ট হলে সেটা ফেরত পাওয়া যাবেনা। এতে দরদ তো নিজে গিয়ে দিয়ে আসো।”

আদনানের কথায় দাদী,ইলমা দু’জনে হতভম্ব হয়ে তাকায়। আদনান যে ভেতরে, ভেতরে পুড়ছে সেটা ইলমা ভালো বুঝতে পারছে। ফরিদা পারভীন এসে আদনানের কান মলানি দিয়ে বলেন, “নাতি, আমার প্রতি ভালেবাসা কমে গেছে।”

“তোমারও আমার প্রতি ভালোবাসা কমে গেছে।”

অভিমান শোনালো সেই বাক্য। ফরিদা পারভীন এক গাল হেঁসে বলেন, “কই কমেছে? এখনো তো পায়েশ রান্না করে খাওয়াই।”

“হ্যাঁ। কিন্তু মেলিচাকে দিয়ে তো আর সেবাযত্ন দেও না। মেলিচাকে দিয়ে টেপালার জন্য পায়েশ পাঠাচ্ছ, কই আমার জন্য তো পাঠাচ্ছ না।”

আদনানের কথায় ইলমা চোখ রাঙিয়ে তাকায়। আদনান সেসব দেখেও পাত্তা দেয়না। ফরিদা পারভীন নাতির কথায় হো হো করে হেঁসে উঠেন। বলেন, “আমি থাকতে জেহেরা কেন?”

“তুমি থাকতে টেপলার জন্য মেলিচা কেন?”

ইলমা আর আদনানের কথায় কান দেয়না। পায়েশের বাটি হাতে বাসা থেকে বের হয়। আদনান ফরিদা পারভীনকে কিচেনে ডাকছে বলে বাসা থেকে বেরোয়। তড়িঘড়ি দৌড়ে ইলমার সোজাসুজি দাঁড়ায়। আদনানের এমন পাগলামোতে ইলমা চুপ করে তাকায়। আদনান ইলমার কপালে টোকা মেরে বলে, “এই ফ্ল্যাটে কিছু আছে? নাকী শুধু রাগটাই আছে?”

“থাকলে নিশ্চয়ই এখন তোমার প্রশ্নের জবাব দিতাম না।”

“এই ইগো দেখাবি না।”

“পথ ছাড়ো। কেউ দেখবে।”

“তাতে কী?”

“মানুষ খারাপ বলবে।”

“লোকে নাহয় একটু মন্দ বলুক। ভালোবাসলে শুধু ভালো হতে হয়না,একটু মন্দও হতে হয়।”

“বাজে ছেলেদের, মন্দ বললে কিছু হবেনা। কিন্তু ভালে মেয়েদের মন্দ বললে সেটা নিশ্চয়ই মেনে নেওয়া যাবেনা।”

ইলমার কথায় আদনান মৃদু হাসে। ইলমা তাকায় সেই হাসির দিকে। আদনান ইলমাকে এক নজর দেখে মলিন হেঁসে বলে, “ভালো মেয়ের গায়ে কলঙ্ক লাগানোর সাধ্য আমার নেই। আসি।”

ইলমা আদনানের কথায় জবাব দেয়না। শুধু একপলক তাকিয়ে থাকে আদনানের যাওয়ার পাণে। ইলমা জেনো, মূহুর্তে ঘোরের মাঝে ডুবে যায়। খারাপ ছেলেটা তার বিরহে দিনের পর দিন পুড়ছে। সব খারাপ সঙ্গ ত্যাগ করেছে। নিজেকে তৈরি করছে। এটা কী যথেষ্ট নয়?

কী জানি! সমাজের নিয়মে তো খারাপ ছেলেরা সবসময় খারাপই থাকে। কিন্তু আজকে ইলমা জেনো আদনানকে আর দশটা ভালো মানুষের চেয়েও উত্তম রুপে আবিষ্কার করলো। তার চোখে কী মায়া, কথায় কী গভীরতা!

সবকিছুর ধ্যাণ ভাঙে যখন ফারিশ ইলমাকে স্ট্যাচুর মতো দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ডাক দেয়।
“ম্যালিসা এখানে দাঁড়িয়ে আছো কেন?”

ফারিশের মুখে ম্যালিসা ডাকটা ইলমার সহ্য হলো না। এই ম্যালিসা নামের ভুলভাল ডাকটা শুধুমাত্র ওই উড়নচণ্ডী, বাজে ছেলেটার মুখেই মানায়। ইলমার রাগ হলো। কিন্তু কারণটা অজানা। ফারিশের মুখের দিকে একবার তাকিয়ে ইলমা মাথা নাড়ায়। জবাব দেয়, “আমাকে ইলমা বলে ডাকবেন। ম্যালিসা নামটা না ডাকলে খুশি হবো।”

ইলমার কথায় ফারিশ জেনো কী মজা পেলো। শব্দ করে হেঁসে বলে, “ডোন্ট ওয়ারি, নামের সঠিক উচ্চারণটাই করব। আদানের মতো মেলিচা বলব না।”

“সঠিক উচ্চারণ প্রয়োজন নেই। ইলমা বলেই ডাকবেন।”

ফারিশ হাসি থামিয়ে বলে, “ঠিক আছে ইলমা। এবার বলো, হাতে ওটা কী?”

ইলমা বাটিটা বাড়িয়ে দিয়ে বলে, “দাদী আপনার জন্য পায়েশ পাঠিয়েছে। বাটিটা রেখে পায়েশ গুলো ফেরত…
না মানে পায়েশ বাটি দুটোই রেখে দিন একটাও দিতে হবে না।”

কথাটা বলে ইলমা ঢোক গিলে। আয়হায়! এতো বড় মিস্টেক। ইলমা জড়িয়ে আসা কথা শোনে ফারিশের বেশ হাসি পেলো। বাটি হাতে নিয়ে ইলমাকে অভয় দিয়ে বলে, “নার্ভাস হচ্ছো কেন? বাসায় যাও।”

“আমার পড়া আছে। আসি। আসসালামু আলাইকুম ভাইয়া।”

কথাটা বলে ইলমা ধুপধাপ পা ফেলে চলে আসে। ফারিশ বাটি হাতে ইলমার যাওয়া দেখছে।

দরজা খোলে ভেতরে প্রবেশের সময় আদনানের বুকের সাথে ঠাস করে বা’রি খায় ইলমা। মাথা উঁচু করে তাকাতে দেখে আদনান তার দিকে ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে আছে। ইলমা কিছু বলতে গিয়েও বলেনা। আদনান চোখেমুখে বিরক্তির রেখা টেনে বলে, “চোখ কী টেপলার পকেটে রেখে এসেছিস?”

“এই একদম উল্টাপাল্টা বলবেনা। সরো তো! সবসময় শুধু আজেবাজে কথাবার্তা।”

“তুই ধাক্কা দিয়ে, আমার লয়্যালিটিতে আঘাত করেছিস।”

“আসছে আমার লয়্যাল! মুখটা বন্ধ রাখতে দাও।”

“কী বলবি শুনি?”

“ভার্সিটি যাও।”
কথাটা বলে ইলমা পাশ কাটিয়ে ভেতরে যায়। আদনান বিড়বিড় করে বলে, “নাটকবাজ।”

★★★

সন্ধ্যায় তারেক মাহমুদ নাশতা খাওয়ার সময় ইনান শেখকে বলেন, “জায়গা রেজিস্ট্রি হয়ে গেছে। ভাবছি বাড়ির কাজ শেষ হলে সেটা নিয়ে ভাববো।”

ইনান শেখ কফিতে চুমুক দিয়ে বলেন, “এই বিল্ডিংয়ের পাশের জায়গাটা নিয়ে ভাবছ না?”

“বাড়িতে শিফট হই আগে। এরপর বাকী সব চিন্তা ভাবনা।”

ইনান শেখ আদনানের দিকে তাকান। সে বসে বসে ফোন স্ক্রোল করছে। তৃপ্তি, ইলমা দু’জন পাশাপাশি বসে কফি পান করছে। সে-সময় উপস্থিত হয় ফাতিহা। এসেই ভাইদের সাথে খোশগল্পে মেতে উঠেন। প্রোপার্টি বাকী সব কিছু নিয়েও কথা উঠে। আদনান বিরক্ত হয় এসব আলোচনাতে। এরই মাঝে ফাতিহা আকস্মিক একটা আবদার করে বসে। ইনান শেখকে বলে, “ইলমাকে আমার ফারিশের বউ করে নিতে চাই। তোমরা রাজী থাকলে ইলমার পরীক্ষার পর এনগেজমেন্ট
হবে। বিয়ে না-হয় দুই- তিন বছর পর হবে।”

আদনানের হৃদয়ে তোলপাড় সৃষ্টি করার জন্য এই বাক্যটা বুঝি যথেষ্ট ছিলো। ইলমা তার বাবার দিকে তাকায়। এই মূহুর্তে ফাইজা বেশ খুশি হয়। এনগেজমেন্ট হলে নাহয় একবছর দেরি করবে। তাও তো ইলমা বাসা ছাড়বে। ইনান শেখ কপাল কুঁচকায়। ভেবে দেখেন সম্মন্ধটা খারাপ না। তাদের জানাশোনার ভেতর। এমনিতে ইনান শেখের চোখে ফারিশ অতিরিক্ত ভদ্র ছেলে। ফাতিহাও ইলমাকে বেশ আদর যত্ন করেন। ইলমার যেহেতু মা নেই, ফাতিহা নিশ্চিয়ই মায়ের মতো করবে। এমনিতেও ফারিশের বোন নেই। সব মিলিয়ে নিঝঞ্ঝাট পরিবার,ছোট্টো পরিবার। যখন খুশি তখন মেয়ে আসতে পারবে। তারাও নির্দ্বিধায় যেতে পারবে। ইলমাও বেশ সুখেই থাকবে। ইনান শেখ জানেন তার মেয়ে তার কথায় সব করতে পারবে। নিশ্চয়ই তার পছন্দ করা ছেলেকে বিয়ে করতে আপত্তি দেখাবেনা।

আদনান অসহায় চাহনিতে ইলমাকে দেখছে। সে নিষ্প্রভ হয়ে বসে আছে। এই মূহুর্তে আদনানের কিছুই ভালো লাগছেনা। ইলমার কাছে খুব করে বিনীত অনুরোধ করতে মন চাচ্ছে, “আমার হলে কী খুব ক্ষতি হবে? চলনা ‘তুই’,’ আমি’ “আমরা” হই, ভে’ঙে সকল প্রথা।”
অথচ বলার মতো সাহস আসছেনা। ইলমা না তাকে বুঝছে আর না তার ভালোবাসার গভীরতা বুঝছে। কখনো বুঝবে কি-না খুব সন্দেহ। বাকী সবার মতো আদনান নিজেও নিরব দর্শক হয়। ইনান শেখের মত শোনার জন্য অপেক্ষায় বসে আছে।

ইনান শেখ সবাকে পরখ করে হাসিমুখে বলেন, “কথাটা খারাপ না। তবে ছেলেমেয়ের মাঝে যদি বোঝাপড়া ভালো হয় তাহলে আমার আপত্তি নেই। ফারিশ এবং ইলমা দু’জনের মতামত নিয়ে তারপর আগানো হবে। আমি চাইনা আমার মেয়ের উপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে, আবার এটাও চাইনা তার অমতে কিছু হোক। বিয়ে সারাজীবনের ব্যপার! তার যদি ফারিশকে লাইফ পার্টনার হিসাবে চুজ হয় দ্যাট্স গুড। যদি ভাই হিসাবে দেখতে চায় আমি সেটাও গুরুত্ব দেব। আমি চাইনা আমার মেয়ে আমার কোন সিদ্ধান্তের জন্য আফসোস করুক,কষ্ট পাক।”

তখন তারেক মাহমুদ বলেন, “ইনানের কথায় যুক্তি আছে। ইলমার যদি ফারিশকে ভালো লাগে তাহলে আলহামদুলিল্লাহ। ফারিশের যদি মত থাকে তাহলেও আলহামদুলিল্লাহ।”

আদনান তার বাবাকে দেখছে। বর্তমানে নিজের বাবাকে সবচেয়ে বেশি শত্রু মনে হচ্ছে। নিজের ছেলের মনের মানুষকে আরেকজনের সাথে বিয়ে দেওয়ার জন্য কী ভীষণ উঠেপড়ে লেগেছে। উনি তো ইনান শেখের থেকেও বড় হিটলার।

তখন ফরিদা পারভীন বলেন, “আদনান তো সবার বড়। ওর বিয়েটা আগে দাও। নাতিডারে বউয়ের আঁচলে বাইন্ধা দাও, দেখবা সব ঠিকঠাক হয়ে গেছে।”

তখন তৃপ্ত সুর মিলিয়ে বলে, “হ্যাঁ। ভাইয়াকে বিয়েটা করিয়ে দাও।”

তখন তারেক মাহমুদ তৃপ্তিকে ধমকে বলে, “ওর মতো বা’জে ছেলের কাছে কোন বাবা তার মেয়েকে তুলে দিবে শুনি? আরো পাঁচ বছর যাক। নিজেকে তৈরি করুক।”

তখন আদনান লজ্জাশরম ত্যাগ করে বলে, “ছেলে মেয়েকে তাড়াতাড়ি বিয়ে দেওয়া ভালো। এমনিতেও আমি জব নিচ্ছি। তোমরা চাইলে বউয়ের আঁচলে আমায় বেঁধে দিতে পারো।”

তখন ঈশিতা বলে, “একটু লাজলজ্জা রাখো! যেখানে ফারিশ তোমার সিনিয়র হয়ে বিয়ে করতে আরো তিন-চার নছর লেট। তুমি এতো লাফাচ্ছ কেন?”

“বউকে বেশিদিন শ্বশুর বাড়ি রাখতে নেই। পাপ হয়!”

আদনানের কথায় ফাতিহা হাসছে। ইনান শেখ হাসবেন নাকী সিরিয়াস হয়ে বসে থাকবেন ভাবছেন। তবে ফরিদা পারভীন হাসতে হাসতে তারেক মাহমুদকে বলেন, “আমার নাতির তাড়াতাড়ি বিয়ে করাই দাও। এখনি মেয়ে খুঁজছি আমি।”

“ওর কথায় সব হবে নাকী?”
তারেক মাহমুদের কথায় আদনান জবাব দেয়, “বিয়েটা তো আমি করছি। তাহলে আমার কথায় হবে না কেন?”

“ঠিক আছে। আম্মা তোমার আদরের নাতির জন্য মেয়ে দেখা শুরু করো।”

“দাদী বেশি মর্ডান মেয়ে দেখবা না। ব্যাকডেটেড মেয়ে দেখবা।”

“এই শহরে কয়জন আছে ব্যাকডেটেড?”

তৃপ্তির কথায় আদনা ফিচেল হেঁসে জবাব দেয়, “একজন আছে। সবার থেকে আলাদা এবং বিশেষ।”

আদনানের কথায় তারেক মাহমুদ বিরক্ত হয়ে বলে,
“তাহলে তার ঠিকানা দাও।”

বাকীরা আদনানের দিকে তাকিয়ে আছে। ইলমা ভ্রূদ্বয় প্রসারিত করে তাকায়। ইলমার মনে প্রশ্ন জাগে, ‘ওই একজনটা আসলে কে?’

#চলবে

যারা আদনান -ইলমাকে মিস করবেন তারা চাইলে “বুকপকেটের মায়াবিনী” বইটা কিনতে পারেন। যখন খুশি তখন বইটায় আদনান-ইলমাকে পড়তে পারবেন। তারা সবসময় আপনার সাথেই থাকবে। ৩৫% ছাড়ে ২৪০৳ টাকায় বইটা অর্ডার করতে ম্যাসেজ
https://www.facebook.com/boiprangon1

(বিয়ে-শাদিতে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হও সবাই। কার বিয়ে সেটা কথা না। কথা হলো বিয়ে হবে।)😁
আমার গ্রুপ লিংক,
https://m.facebook.com/groups/582123563029858/?ref=share&mibextid=NSMWBT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here