#গুপ্ত_প্রেমের_সুপ্ত_পিয়াসা” 🖤|৩৫|
#শার্লিন_হাসান
আদনান রেগে ভার্সিটির প্রাঙ্গণ ছেড়েছে। ইলমা,তৃপ্তি পাশাপাশি দাঁড়িয়ে তার যাওয়া দেখছে। নির্মাণ ইলমাকে উদ্দেশ্য করে বলে, “আরেহ, মন খারাপ করিও না। ও এমনই। আবার রাগ কমে গেলে নিজেই স্যরি বলে দিবে।”
ইলমা টু শব্দ করেনি। তৃপ্তি তাকিয়ে আছে ইলমার দিকে। ভেজাল তো বড়সড় লেগে গেছে। এখন তো কিছু করারও নেই। দু’জনে বাকীদের বিদায় দিয়ে রিকশা ধরে বাসার উদ্দেশ্যে। যাওয়ার সময় তৃপ্তি ইলমাকে জিজ্ঞেস করে, “ভাইয়া আর তোর মাঝে কিছু চলছে?”
তৃপ্তির কথায় ইলমা ঘাড় ফিরিয়ে তাকায়। কিন্তু জবাব দেয়না। পুমরায় সামনের দিকে তাকায়। ইলমার এভাবে ইগনোর করাটা তৃপ্তির পছন্দ হয়নি। তবে কিছু বলেনি। দু’জনে বাসায় এসে আগেপিছে হেঁটে ভেতরে যায়। ইলমা যেতে, ফরিদা পারভীন জিজ্ঞেস করে, “আজকের দিনটা কেমন কাটলো?”
ইলমা শুধু মাথা নাড়ায়। তৃপ্তি জবাব দেয়, “ভালো।”
এতোটুকু কথাই হলো। এরপর ইলমা রুমে ঢুকে দরজা লক করে। রাগে শরীর পুড়ে যাচ্ছে। নিজের প্রতি নিজের আফসোস হচ্ছে! সামান্য অপমানে? নাকী অন্য বিষয়ে! ইলমা ধপ করে ফ্লোরে বসে পড়ে। ভেতরটা হু হু করে উঠছে। মস্তিষ্ক শূন্য লাগছে। আদনানের সাথে দুই তিনদিনের কথাবার্তা বসন্তের আগমনের প্রকৃতির রঙিন সজ্জার মতো তার মনকেও রঙিন করে তোলেছিল। কিন্তু আপাত দৃষ্টিতে এটা কতটুকু যৌক্তিক? এই মূহুর্তে ইলমার আফসোস হচ্ছে! আদনানের সাথে রাতে ঘুরতে বের হওয়া,এভাবে কথা বলা। তার বাবা জানলে ঠিক কী করবে ভাবতেই ইলমার বুক কেঁপে উঠবে। এমনিতে আদনান যেই ছেলে! সহজে তাকে ছাড়বে না। কিন্তু বাবা না মানলে? মনে হয়না দূরত্ব বাড়িয়ে নেওয়া উচিত? কিন্তু মনে তো একটু হলেও অবাধ্য। এখনো সময় আছে, ইলমা চাইলে সামান্য ভুলকে ফুলে রুপ দিতে পারে। এই মূহুর্তে ইলমার কাছে এই ছোট্ট ভাবনাকেই সঠিক মনে হচ্ছে। রইলো বাকী জয়ের বিষয়! ইলমার আইডিটা পাবলিক করা। সেখানে জয় রিয়েক্ট, কমেন্ট করেছিলো। নিজে থেকে ম্যাসেজ দিলো ইলমা প্রথমে রিপ্লাই করেনি। বেশ কয়েক ম্যাসেজ দেওয়ার পর রিপ্লাই দিয়েছিলো। তাও হাতে গোনা তিন-চারটা ম্যাসেজ। এরপর ব্লক করে দিয়েছিল। জয় মূলত ম্যাসেজ দিয়েছিলো, এটা তৃপ্তির কাজিন ইলমা কীনা সেটা শিওর হওয়ার জন্য।
সেদিন আর ইলমা রুম থেকে বেরোয়নি। সন্ধ্যায় ইনান শেখ মেয়ের খোঁজ নিতে রুমে আসেন। যেহেতু নবীন বরণ গিয়েছে, এখন রেগুলার ক্লাসে এটেন্ড করবে। পড়াশোনা নিয়ে সিরিয়াস হতে হবে। সে বিষয় নিয়েই আলোচনা করতে এসেছেন। ইলমা রুমের লাইট অফ কর শুয়েছিল। ইনান শেখ নাশতার ট্রে হাতে রুমে এসেছিলেন।
বাবা-মেয়ে একসাথে বসে নাশতা করতে,করতে আলোচনা করবেন। তমসাচ্ছন্ন রুমটা দেখে মৃদু হাসেন তিনি। ইলমার সবসময় অন্ধকার রুম পছন্দ। সেজন্য বেশীরভাগ রুমের লাইট অফ করে রাখে। ইনান শেখ লাইট অন করে ইলমার কাছে যান। নাশতার ট্রে টেবিলের উপর রেখে ইলমার মাথার কাছে বসেন। ইলমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে,দিতে ডাকেন, “মা ইলমা, উঠো। সেই কখন সন্ধ্যা হয়েছে।”
ইলমা ডাক পেতে চোখ মেলে। ঘুমায়নি তবে চোখ বন্ধ করে রেখেছিল। উঠে বসে বাবার দিকে তাকায় ইলমা। বাবার দু’টো ক্লান্ত চোখের দিকে তাকাতে ইলমার বুকটা কেমন ছ্যাৎ করে উঠে। বাবারা তো সবসময় পরিশ্রম করে সন্তানের সুখ এবং ভবিষ্যতের জন্য। কখনো নিজের দিকটা ভাবেন না। ইলমা মিষ্টি হেঁসে বাবার কাঁধে মাথা রেখে বলে, “তোমাকে টায়ার্ড দেখাচ্ছে। অফিস থেকে এসে ঘুমাওনি?”
“তোমার পড়াশোনার খবর নিতে আসলাম। এরপর ইজাজের কাছে যাব। পড়াশোনা কেমন চলছে জানতে হবে।”
ইলমা উঠে দাঁড়ায়। টেবিলের উপর থাকা ট্রে টার দিকে তাকিয়ে বলে, “তুমি ব্যালকনিতে যাও, আমি হাতমুখ ধুয়ে আসছি।”
ইনান শেখ ট্রে নিয়ে ব্যালকনিতে যায়। টেবিলের উপর ট্রেটা রেখে বসতে, পাশের ব্যালকনি থেকে আওয়াজ আসে। আদনান ভালো করে না দেখে বলে বোসে, “প্রেমিকনারী এতোক্ষণে আসার সময় হলো?”
কথাটা বলে আদনান জিভে কামড় দেয়। তখন আবার ইলমা ব্যালকনিতে আসে। ইনান শেখ বোধহয় তেমন খেয়াল করেনি আদনানের কথা। ইলমা আসায় সেদিকে আর মনোযোগ দেয়নি। বাবা মেয়ে বেতের চেয়ারে বসে কফিতে চুমুক দিচ্ছে। আদনানের ব্যালকনি পিছ দিয়ে বসেছে ইনান শেখ। ইলমা সেদিকে মুখ করে বসেছে। তবে সে ব্যালকনির দিকে তাকায়নি। ইনান শেখ ইলমাকে বলেন, “কোন ব্যপারে সমস্যা হলে আমাকে বলে দিবে। মনে রাখবে তোমার বাবা সবসময় তোমার পাশে আছে। কোন বিষয় নিয়ে দুশ্চিন্তা করবে না।”
“না। কোন সমস্যা নেই।”
ইলমার কথায় ইনান শেখ হাসেন। আদনান দাঁড়িয়ে, দাঁড়িয়ে বাবা মেয়েকে দেখছে। আরো টুকটাক কথা হতে ইনান শেখ উঠে দাঁড়ায়। তার আগে ইলমা ট্রে টা নিয়ে রুমের দিকে চলে যায়। তবে ইনান শেখ যায়না। পাশ ফিরে আদনানের দিকে তাকায়। ইনান শেখকে দেখে আদনান বিরক্ত হয় সাথে কিছুটা চিন্তিত হয়ে পড়ে।
★★★
রাতের ডিনারটা সবাই একসাথে করলেও, আদনান ইলমা দু’জনের চোখেমুখ অমাবস্যার রাতের ন্যায় অন্ধকার ছিলো। এমনকি কেউ কারোর দিকে ফিরেও তাকায়নি। ইলমা ভেবেছিল, আদনান তাকে ম্যাসেজ দিবে। কিন্তু তার ভাবনাতে আদনান বৃদ্ধাঙুল দেখিয়ে দিয়েছে। না ম্যাসেজ দিয়েছে আর না কথাও বলেছে। বরং ডোন্ট কেয়ার ভাব নিয়ে, খুব সূক্ষ্ম ভানে ইলমাকে ইগনোর করে গেছে। আদনানের ইগনোরের ব্যপারটা ইলমা ঠিক মানতে পারেনি। তবে মনকে বোঝায়! সে নিজেও সরে আসতে চাইছে, এখন আদনানও আগ্রহ দেখাচ্ছেনা। দু’জনের জন্যই মঙ্গল হবে সবকিছু। কিন্তু ওই যে মন কখন কী চায়! কী আশা করে বসে থাকে সেটা তো বোঝা মুশকিল। এতোদিন আদনামের পাগলামি, প্রায়োরিটি ইলমার মস্তিষ্ক ভালো ভাবেই দখল করেছিল। হুট করে ইগনোর হজম করার মতো না।
সেই রাতটাও সেভাবে কেটে যায়। কারোর কথা হয়নি। ম্যাসেজ আদানপ্রদান হয়নি। হুট করে কারণ ছাড়া আলদা হয়ে যাওয়ার মতো ব্যপার। এর মাঝে বেশ কয়েকদিন কেটে যায়। ইলমা,তৃপ্তি এখন ভার্সিটি নিয়ে ব্যস্ত। আদনান নিজের জব নিয়ে ব্যস্ত। আগামী কালকে ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতার ফাইনাল হবে। সেটাও গ্রেন্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হবে। আদনান ছুটি নিয়েছে ব্যাংক থেকে। সকাল বেলা রেডি হয়ে নাশতা করেছে সবার সাথে বসে। ইনান শেখ এবং তারেক মাহমুদ তাড়া নিয়ে চলে গেছে। বাকীরা তখনো বসা। আদনান যাওয়ার সময় দাদীর থেকে বলেছে,ঈশিতা,তৃপ্তির থেকেও বলেছে। শুধু ফাইজা এবং ইলমা বাকী আছে। এমনিতেও সে ফাইজার সাথে কথা বলেনা। ইলমার সাথেও এখন আর কথা হয়না। দুজন বাদে বাকীদের থেকে বলে যখন বেরুবে তখন তৃপ্তি কপাল কুঁচকে নেয়। ফাইজাকে বলেনি মানা যা,কিন্তু ইলমাকেও ইগনোর করে গেলো? আদনান বাইক নিয়ে গার্ডেনে আসে। দাদী,তৃপ্তিও পেছন দিয়ে আসে। তারা যেতে ইলমা আনমনা হয়ে টেবিল গোছায়। একটু পর সবাই টিভির সামনে বসবে অনুষ্ঠান দেখার জন্য। ইলমা আগ্রহ দেখাচ্ছেনা। তার ভীষণরকম অপমান বোধ হচ্ছে। অনুষ্ঠান দেখবে, সেজন্য ঈশিতা তড়িঘড়ি হাতে রান্নার কাজ শেষ করে।
অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগে ফরিদা পারভীন ইলমাকে ডাকেন। ইলমা আসেনা। সে উপন্যাসের বইয়ে ডুবে আছে। আদনানের জিত-হার না দেখে বই পড়বে সেটা কাজে দিবে। লো পার্সোনালিটি ছেলেটা হুট করে নিজের এরকম এট্টিটিউড বানিয়ে নিলো!!
খুব মনোযোগ দিয়ে টিভির পর্দায় চোখ রেখেছে তৃপ্তি, ফরিদা পারভীন এবং ঈশিতা। টিভিতে চলছে আদনানের গান। তার ড্যাশিং লুক, হৃদয় উতলা করা হাসি। সব মিলিয়ে ফাইনাল রাউন্ডেও আদনান সিলেক্ট হয়েছে। হবে না কেন? তার গানের গলা দারুন! সেই সাথে ব্যাটা উল্টাপাল্টা কথাবার্তা, কাজকর্ম যাই করুক স্টাইলের বেলায় সবকিছু ছাড়িয়ে। দেখতেও বেশ সুদর্শন সব মিলিয়ে নায়ক,নায়ক-গায়ক,গায়ক ভাব চলে এসেছে। আদনানকে মঞ্চে ডাকা হয়েছে পুরষ্কার নেওয়ার জন্য। আদনান আশেপাশে একনজর তাকায়। কত মানুষ সেখানে! আছে অতি সুন্দরী রমণীগণ। আদনান মঞ্চে গিয়ে পুরষ্কার গ্রহণ করে। তখন উপস্থাপক জানতে চাইলো, “আপনার এতোটুকুতে আসা বা বিজয়ের ক্রেডিট কাউকে দিতে চান?”
আদনান চোখেমুখে বিরক্তর রেখা টেনে জবাব দেয়, “নিজের গুণে এখানে এসেছি। কাউকে ক্রেডিট দেওয়ার মতো দয়া আমার ভেতর নেই।”
উপস্থাপক চোখমুখ শক্ত করে তাকায়। দেখতে যতটা সুন্দর ব্যবহার ততোটাই খারাপ। তৃপ্তি আদনানকে দেখে ঈশিতাকে বলে, “দেখলে, তোমার ছেলে জীবনেও সুন্দর ভাবে কথা বলতে পারেনা। আরে ও একটা ইভেন্টে গিয়েছে। আশেপাশে সবাই কত ভদ্র মানুষ। এরকম ছিঃ মার্কা ব্যবহার কেউ করে?”
ঈশিতা জবাব দেয়, “ও তো এরকমই। এ আর নতুন কী?”
তখন ফরিদা পারভীন বলেন, “এই তোরা চুপ যা। আমার নাতি জিতছে এর থেকে আড় আর কী?”
“ব্যবহারটাও সুন্দর করতে পারত।”
তৃপ্তির কথা আমলে নেয়না ফরিদা পারভীন। উঠেই কিচেনে যান নাতির জন্য পায়েশ রান্না করার জন্য।
আদনানকে সাংবাদিক চেপে ধরে। টুকটাক প্রশ্ন করে। এবার আদনান বেশ নম্র ভাবেই প্রশ্নের উত্তর দেয়। একটু আগে না রুড বিহেভ করলো, মূহুর্তে আবার ভালো ভাবে কথা বলছে? কেমন আশ্চর্য জনক ব্যপারস্যপার! আদনান প্রশ্নের জবাব দিয়ে বেরিয়ে আসে। এর মধ্যে গুটিকয়েক মেয়ে আসে তার সাথে ছবি তোলার জন্য। আদনান না করেনি। হাসিমুখে সবার সাথেই ছবি তোলেছে।
পুরষ্কার হাতে বাসার উদ্দেশ্য রওনা হয় সে। ঠোঁটের কোণে মুচকি হাসি। আদনান খুব মনোযোগ দিয়ে বাইক চালিয়ে বাসায় আসে। আসতেই তৃপ্তি এসে বলে, “সবই ঠিক আছে। উপস্থাপকের সাথে বাজে বিহেভ করলে কেন?”
“এই সর তো। তোর কথার জবাব দিতে বাধ্য নই আমি।”
“ওমা গো মা! তোমার মেজাজের উপর ঠাডা পড়ুক।”
“আর তোর মুখের উপর গজব।”
“ব্যবহারের যে ছিঁড়ি, তোমাকে কোন মেয়ে বিয়ে করবে না।”
“তোর এমন প্রশ্ন করার স্বভাব থাকলে তোর বর দুইদিনেই তোকে বাপের বাড়ি পাঠাবে। বলবে, মেয়েমানুষ অতিরিক্ত বুঝে। সংসারে অশান্তি।”
আদনানের এরকম কথায় তৃপ্তির প্রচন্ড রাগ হয়। এই ছেড়া এমন কেন? এতো ঝগড়ুটে কেন? এটার সাথে কেউ জীবনে ঝগড়া করে জিততে পারবে না। আদনান তৃপ্তিকে পাশ কাটিয়ে সোফায় পায়ের উপর পা তোলে। পুরষ্কারটা টেবিলের উপর রেখে বলে, “এই শালার ছেড়ারে পাওয়ার জন্য কত দৌড়াদৌড়ি। এইটা দিয়ে আমি কী করব? শুধু,শুধু আমার বাইকের তেল আর সময় অপচয় হলো।”
“সহজে পেলে মানুষ হিরেকেও কয়লা ভাবে।”
তৃপ্তির কথায় আদনান হাসে। মাথা নাড়ায়। জবাব দেয়, “সত্যি। কথিত হিরেকে হিরে ভেবেই গ্রহণ করলাম, পরে দেখলাম এটা কয়লা। শুধুই সময় নষ্ট।”
“এবার তোমার পুরষ্কার আমায় দাও। সেদিন আমি বলাতেই তো প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছ।”
“নিয়ে যা। তবুও কানের কাছে ভ্যাঁ,ভ্যাঁ করিস না। আর এক গ্লাস ঠান্ড পানি দিয়ে যা।”
তৃপ্তি কিচেনে যায়। ফ্রিজ থেকে ঠান্ডা পানির বোতল এনে আদনানকে দেয়। তৃপ্তি আর কথা বাড়ায়না। টেবিলের উপর থেকে পুরষ্কার টা হাতে নিয়ে নাড়াচাড়া দিতে,দরজায় নজর যায়। ইলমা সবে লিভিং রুমে পা রেখেছিল। তাদের দেখে পুনরায় রুমে চলে যাচ্ছিলো। তখন তৃপ্তি ডেকে বলে, “ইলমা দেখ, ভাইয়া জিতেছে।”
তৃপ্তির কথায় আদনান উঠে দাঁড়ায়। পুরষ্কার টা ছোঁ মেরে নিয়ে, পানির বোতল তৃপ্তির হাত ধরিয়ে দিয়ে, ইলমার সামনে দিয়ে হেঁটে সোজা রুমে চলে যায়। তৃপ্তি হা করে তাকিয়ে আদনানের যাওয়া দেখছে। ইলমা ভীষণ অপমানবোধ করেছে। সেজন্য তৃপ্তির মুখের উপর দরজা লাগিয়ে দিয়েছে।
#চলবে
আদনান শেখকে নিয়ে লেখা বইটা সবাই প্রি-অর্ডার করছেন তো? না করলে এখনি করে নিন। ইভটিজার ভাইকে কিন্তু মিস করা যাবেনা।❤️🥹
গ্রুপ লিংক
https://m.facebook.com/groups/582123563029858/?ref=share&mibextid=NSMWBT

