#গুপ্ত_প্রেমের_সুপ্ত_পিয়াসা” 🖤|৪৪|
#শার্লিন_হাসান
(প্রাপ্তবয়স্ক মনস্কদের জন্য উন্মুক্ত)
ইলমা জবাব দেয়, “বলো?”
“আজকে রাতে তোর শাড়ি খুলতে দিবি তো?”
ঠাস করে গালে চড় বসিয়ে দেয় ইলমা। আদনান রেগে তাকিয়ে আছে। ইলমা চোখ গরম করে বলে, “সর চোখের সামনে থেকে।”
“শালী বিয়ে করেছি, বউ সাজিয়ে রাখার জন্য?”
ইলমা আদনানকে রেখে উঠে চলে আসে। আদনান ইলমার যাওয়া দেখে চিৎকার করে বলে, “আজকে তোর জায়গা আমার রুমে হবেনা। ব্যালকনিতে থাকবি তুই।”
ইলমা টু শব্দ করেনা। বেরিয়ে এসে সোফায় বসে। ইনান শেখও তখন আসেন সেখানে। ইলমাকে দেখে মুখটা গম্ভীর করে সোফায় বসেন। তখন তার ফোনে কল আসে। ইনান শেখ ফোনের স্ক্রীনে তাকাতে দেখে ফারিশের নাম্বার। ফারিশের নাম্বার দেখে মুখটা শক্ত করে নেন। সেদিন ফারিশের করা অপমান উনার আত্মসম্মানে লেগেছে। তার মেয়ে তার চোখের মণি। অথচ ফারিশ তাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে কথা বলেছে। সেই অপমানের হৃদয় দগ্ধ হয়ে আছে। ভীষণ ঘৃণা ধরেছে ফারিশের প্রতি। তার এতোদিনের সব ধারণা বদলে দিয়েছে ফারিশ। ফারিশের জন্য আদনানের মতো হারামী, ইভটিজারের সাথে ইলমার বিয়ে দেখতে হয়েছে তার। ইলমা, আদনানের বিয়ে, ইনান শেখ বেঁচে থাকতে অষ্টম আশ্চার্যের মতো ছিলো। ইনান শেখ কল রিসিভ করে কাঠখোট্টা কন্ঠে বলেন, “হ্যালো।”
ফারিশ আর্তনাদ করে বলে, “মামু আমি তখন বাজে বিহেভিয়ার করেছি তার জন্য স্যরি। কিন্তু কেন এসব বলেছি, সেটা জানার জন্য হসপিটালে আসতে হবে।”
ইনান শেখ কন্ঠস্বর পরিবর্তন করেন। সিরিয়াস হয়ে বলেন, “কী হয়েছে তোমার?”
“সেদিন ছাঁদে গিয়েছিলাম, আদনান আমায় একা পেয়ে মেরেছে মামু। আমার হাতটাই ভে’ঙে গলার সাথে ঝুলিয়ে দিয়েছে। দুইদিন ধরে হসপিটালে বসে আছি। ও আমায় থ্রেট দিয়ে বলেছে, যেদিন ইলমাকে রিং পড়াতে যাবে, সেদিন কল দিয়ে যাতে ইলমাকে যাতে রিজেক্ট করে দেই। নাহলে জানে মেরে দেবে। মামু, আমি ইলমাকে ভীষণ পছন্দ করি।”
“তুমি আমাকে একটু ইঙ্গিতও দাওনি। ইলমার বিয়ে হয়ে গেছে। ওই হারামী এখন আমার মেয়ের জামাই।”
“মামু ওই আদনান তোমার মেয়ের জামাই?”
ইনান শেখ গম্ভীর কন্ঠে বলেন, “হুম।”
ফারিশ কিছু বলেনা। চুপচাপ কল কেটে দেয়। ইনান শেখ চোয়াল শক্ত করে তাকিয়ে আছেন। ইলমা বাবার দিকে তাকিয়ে আছে। সাহস করে কিছু বলতেও পারছেনা। কিছুক্ষণ চুপ থেকে ইনান শেখ বলেন, “আদনানকে ডাকো।”
ইলমা মাথা নাড়ায়। বসেই ডাকে, “আদনান ভাইয়া, বাবা ডাকছে।”
এরকম দুইবার ডাক দেওয়ার পর আদনান রুমের বাইরে এসেছে। ইলমাকে দেখেই আদনান চোয়াল শক্ত করে নেয়। ধমকে বলে, “তিন কবুল বলার পরেও আমাকে তোর ভাই মনে হচ্ছে?”
ইলমা চোখ রাঙিয়ে তাকায়। আদনান আসতে ইনান শেখ তারেক মাহমুদকে ডাকেন। সবাই যখন উপস্থিত হয়, ইনান শেখ আদনানের দিকে তাকিয়ে গলা ছেড়ে বলেন, “তুমি ফারিশের হাত ভে’ঙে দিয়েছ? আমার মেয়েকে বিয়ে করার জন্য ওকে সরিয়ে দিয়েছ?”
ইনান শেখের কথায় আদনান বিরক্ত হয়। জবাব দেয়, “হাত কেন ভেঙেছি সেটা আপনার মেয়েকে জিজ্ঞেস করেন।”
ইলমা মুখ খুলতে গেলে, ইনান শেখ হাত বাড়িয়ে থামিয়ে দেন। তার নজর সম্পূর্ণ আদনানের উপর। আদনান নিজেও ইনান শেখের চোখের দিকে তাকায়। ইনান শেখ গম্ভীর কন্ঠে বলে উঠেন, “তোমাকে আমি মেয়ের জামাই হিসাবে মানি না।”
ইনান শেখের কথায় আদনান বিরক্ত হয়ে জবাব দেয়,
“আপনি মানলে মানুন না মানলে ঘুমিয়ে থাকুন। অপশন আমার চয়েজ আপনার।”
আদনানের কথায় ইনান শেখ ক্ষুব্ধ হোন। চোয়াল শক্ত করে শাসিয়ে বলেন,
“আমার মেয়ের গায়ে একটু আঁচড় লাগলে তোমাকে জেলে দেব আমি।”
“আওয়াজ নিচে। আমাকে এরকম থ্রেট না দিয়ে ফারিশকে গিয়ে দিন। আমি এখনো আপনার মেয়ের গায়ে টাচ ও করিনি কিন্তু ফারিশ করেছে।”
“ফারিশ ভালো ছেলে।”
ইনান শেখের কথায় ইলমা বিরক্ত হয়। আদনান মৃদু হেঁসে বলে, “ভীষণ ভালো ছেলে ফারিশ। সেজন্যই তো বিয়ে করে,বউ থাকা স্বত্ত্বেও আপনার মেয়েকে দ্বিতীয় বউ বানাতে চেয়েছে।”
“বাজে কথা ছাড়ো বেয়াদব ছেলে। আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল তোমার কাছে মেয়ে বিয়ে দেওয়া।”
“আপনি আমাকে পছন্দ নাই করতে পারেন, কিন্তু আপনার মেয়ে আমার জন্য উম্মাদ।”
“বা’জে কথা বন্ধ করবি?”
ইলমার কথায় আদনান চোয়াল শক্ত করে চোখ রাঙায়। ইনান শেখ ইলমার দিকে তাকায়। জবাব দেন, “ওর মতো বেয়াদবের সাথে আমার মেয়ে সারাজীবন কী করে পার করবে।”
আদনান বিরক্ত হয়। ইলমার দিকে তাকিয়ে চেঁচিয়ে বলে, “এই শালী তোর বাপকে বল মুখ বন্ধ রাখতে।”
“তোমার মুখ বন্ধ রাখো। তুমি সবসময় বাবার সাথে তর্ক করো।”
ইলমার কথায় আদনান চোয়াল শক্ত করে নেয়। রাগী কন্ঠে আওড়ায়,
“তোর বাপ যে ভালো সেজন্য তর্ক করি।”
“কত বড় বেয়াদব ছেলে।”
ইনান শেখের কথা শেষ হতে ঈশিতা আদনানকে উদ্দেশ্য করে বলে, “তুমি কী পরিবর্তন হবে না? বড় হয়েছ, বিয়ে করেছ। শত হোক ইনান শেখ তোমার গুরুজন। বেয়াদবের মতো কথা বলা কার থেকে শিখেছ?”
আদনান বিরক্ত হয়। আর একমূহুর্তও দাঁড়ায় না। যাওয়ার সময় ইলমার দিকে তাকায়। আঙুল উঁচু করে বলে, “তুই আমার সামনেও আসবিনা।
তখন তারেক মাহমুদ বলেন, ” বিয়ে করেছ কেন? এগুলো কেমন বিহেভিয়ার আদনান?”
আদনান জবাব দেয়না। রুমে চলে যায়। ইলমা আদনানের যাওয়ার দিকে তাকিয়ে রয়। সবাই নিশ্চুপ। কিছুক্ষণ পর, ফরিদা পারভীন আসে ইলমার কাছে। পাশে বসে,ইলমার হাত নিজের হাতের মুঠোয় নেয়। ইলমা দাদীর দিকে একনজর তাকায়। ফরিদা পারভীন ইলমাকে বলেন, “আদনান তো ঘাড় ত্যাড়া, যা বলে মুখের উপর। তুমি তো শান্ত নিবির মানুষ। ওকে বুঝাও, এমনিতে ইনান রেগে আছে। তারউপর আদনান যা ত্যাড়ামী করে।”
“এরকম পাগ’ল নিয়ে আমার যত জ্বালা। তাড় ছিঁড়া মানুষ।”
ইলমার কথায় ফরিদা পারভীন হাসেন। ইলমার দিকে তাকিয়ে বলেন, “বিয়ে হলো মাত্র একদিন, এখন নতুন বউ জামাইয়ের আশেপাশে থাকবি তা-না একা,একা বসে আছিস। আমার নাতি কী বংশবিস্তার করবে না?”
দাদীর কথায় ইলমা অপ্রস্তুত হয়ে যায়। অস্বস্তি এসে ঘিরে ধরেছে। লজ্জায় কান এবং নাকের ঢগা লাল হয়ে গেছে। তবে বলার মতো প্রতিত্তোর খুঁজে পায়নি। ফরিদা পারভীন ইলমার লজ্জা বুঝে মৃদু হেঁসে বলেন, ” এতো লজ্জার কী আছে? আমার নাতি বিয়ে করেছে একদিন হলো। বউ থাকে দূরে,দূরে। একটা নাতি-পুতি কোলে নে, দেখবি সব ঠান্ডা। সবাই তখন মাথায় করে রাখবে।”
“এই বুড়ি যাও তো যাও। বেশি কথা বলবা না।”
ফরিদা পারভীন ইলমাকে পরখ করে বলে, “কিলো তোর শাড়ি কই? নতুন বউ শাড়ি পরতে হয়। কী থ্রিপিস পড়ে ঘুরছিস?”
“আমি শাড়ি পরতে জানিনা।”
“আমার কাছে আয়, আমি পরিয়ে দেব।”
“সরো। সবাই দেখবে। লজ্জা,লজ্জা।”
“নতুন বউ শাড়ি পরতে হয়।”
কথাটা বলে ফরিদা পারভীন উঠে দাঁড়ায়। ঈশিতার রুমে যায়। গিয়েই ঈশিতাকে বলে, “ইলমা,আদনানের বিয়ে তো হুট করেই হলো। কোন কেনাকাটা করেনি। নতুন বউ শাড়ি পরে থাকবে, কিন্তু ছেড়ির তো শাড়ি নাই। তোমার শাড়ি দাও,পরাই দেই। তাহলে না বুঝা যাবে, শেখ পরিবারের ছেলে বিয়ে করে নতুন বউ ঘরে তোলেছে।”
শাশুড়ীর কথায় ঈশিতা একগাল হেঁসে বলে, “কই ইলমা তো আমার থেকে শাড়ি চায়নি। আমার সব শাড়ি তো আমার ছেলেরবউ আর মেয়েরজন্য।”
“ছেড়িরে কান পড়া দিলাম, আমাকে বকে। শাড়ি পরবে না, লজ্জা।”
ফরিদা পারভীনের কথায় ঈশিতা হাসি থামিয়ে রাখতে পারেনি। কাবাড থেকে দু’টো সুন্দর প্রিন্ট করা জর্জেট শাড়ি নামিয়ে দেন। এগুলো পরলে গরম লাগনে না। কমফোর্ট পাবে ভালো। ফরিদা পারভীন শাড়ি দু’টো নিয়ে ইলমার রুমে যান। ইলমা তখন খাটের উপর বসে ফোন স্ক্রোল করছিল। ফরিদা পারভীন শাড়ি দু’টো ইলমার সামনে রেখে বলেন, “কোনটা সুন্দর?”
“আমি এখন শাড়ি পরে, সবার সাথে খেতে বসতে পারব না।”
“রাতের খাওয়া শেষ হলেই পরিয়ে দেব।”
ইলমা নাকচ করে দেয়। ফরিদা পারভীন নাছোড়বান্দা। ইলমা ভাবছে, খাবার খেয়েই আদনানের রুমে ছুটবে। ফরিদা পারভীনের আশেপাশেও আসবে না। নিজের পরিকল্পনা মনের মধ্যে পুষে রাখে ইলমা। ফরিদা পারভীনের সব কথা মন দিয়ে শোনে।
সাড়ে দশটায় সবাই খেতে বসেছে। আদনানও এসেছে, তবে কারোর সাথে কথা বলেনি। নিজের খাওয়া শেষ করে রুমে চলে গেছে। ইলমা টুকটাক হাতের কাজ সেরে আদনানের রুমের দিকে এগুতে ফরিদা পারভীন এসে হাত টান দেয়। ইলমা হকচকিয়ে গেলে, ফরিদা পারভীন চোখ রাঙিয়ে তাকায়। চুপচাপ ইলমাকে নিয়ে রুমে আসে। ইলমাকে বকাঝকা দিয়ে ব্লাউজ পরিয়ে আনে। ইলমা নিজেই শাড়ির আঁচল উঠায়। ফরিদা পারভীন সুন্দর করে কুঁচি দিয়ে দেন। ইলমা চুলগুলো হাত খোঁপা করতে নিলে, ফরিদা পারভীন ধমকে বলেন, “এতো সুন্দর চুল বরকে না দেখালে কাকে দেখাবি? খবরদার খোঁপা করবি না।”
“এই বুড়ি তুমি আমাকে ঠান্ডা মাথায় টর্চার করছ, তোমার নামে মামলা দেব বলে দিলাম।”
ইলমার কথায় ফরিদা পারভীন হাসেন। ইলমাকে একনজর দেখে বলেন, “মাশাআল্লাহ, আমার বোনরে ভীষণ সুন্দর লাগছে। আমার নাতি আজকে পাগল হবে।”
ইলমা মাথাটা নিচু করে নেয়। ফরিদা পারভীন যেতে ইলমা, রুমের লাইট অফ করে বেরোয়। লিভিং রুম ফাঁকা। সবাই যে যার রুমে। ইলমা আলগোছে আদনানের রুমের দরজায় নক করে। দরজা খোলা থাকায় ইলমা নিঃশব্দে ভেতরে প্রবেশ করে। নীল রঙের জর্জেট শাড়িতে প্রিন্ট করা ডিজাইন। সরল,লম্বা,ঘন চুলগুলো পিঠ ছড়িয়ে হাঁটু ছুঁইছুঁই। আদনান খাটের এক কোণে বসে ফোন স্ক্রোল করছিলো। অবশ্য, ইলমার আসার অপেক্ষায় ছিলো সে। আদনান ঘড়িতে সময় দেখে। বারোটা বাজতে বেশিক্ষণ দেরি নেই। ইলমা দরজা লক করে এগিয়ে আসে। ড্রেসিং টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে চুলগুলো হাত খোঁপা করতে ব্যস্ত হয়ে পরে। আদনান ইলমার কান্ড দেখে। একনজরে ইলমাকে পরখ করে সে। ভীষণ সুন্দর লাগছে মেয়েটাকে। আদনান জেনো ঘোরের মাঝে চলে যাচ্ছে। নিজের মাঝে আলাদা উত্তেজনা প্রতিস্থাপন হলো। আদনান নিজেকে দমিয়ে রাখে। ইলমা লাইট অফ করে ড্রিম লাইট জ্বালায়। আদনানকে ডিঙিয়ে খাটের উপর উঠতে গেলে, আদনান আচমকা তার হাত টান দেয়। ইলমা কিছুটা ভয় পেলেও নিজেকে সামলে নেয়। আদনানের স্পর্শতে আলাদা অস্বস্তি লাগেনা। বরং ভালো লাগার অনুভূতি আবির্ভূত হয়। আদনান ইলমার কোমড়ে হাত রাখে খুব কাছে টেনে নেয়। পরক্ষণে কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বলে, “আমাকে খু’ন করার পায়তারা করছিস?”
ইলমা শুকনো ঢোক গিলে। কণ্ঠস্বর জড়িয়ে আসার মতো অবস্থা। আদনান ইলমার শাড়ি ভেদ করে কোমড় স্পর্শ করে। ইলমাকে নিজের বুকের সাথে মিশিয়ে নেয়। অন্য হাতে ইলমার খোঁপাতে হাত দেয়। খোঁপা ছেড়ে দিতে ঝরঝরে লম্বা চুল পিঠ ছড়িয়ে যায়। আদনান মৃদু আলোতে ইলমার নরম-কোমল গোলাপি ঠোঁট জোড়ায় নিজের ওষ্ঠ মিশিয়ে নেয়। মূহুর্তের মাঝে আদনান, ইলমার ঠোঁটের সবটুকু নম্রতা শুষে নেয়। ইলমা বুঝেছে, আজকে তার রেহাই নেই। আদনানকে সরিয়ে দিতে গেলে আদনান শীতল কন্ঠে বলে, “তোর মতো বউ প্রতিটা ঘরে,ঘরে হওয়া দরকার। স্বামী, শাড়ি খুলার আবদার করলে বউ লজ্জায় সম্মতি না দিলেও ডিরেক্ট শাড়ি পরে চলে আসবে।”
“এই বা’জে কথা ছাড়। তোর দাদী আমাকে জোর করে শাড়ি পরিয়ে পাঠিয়েছে। যদি বুঝতাম, এরকম ডাকাত বসে আছে জীবনেও আসতাম না।”
“নাটক করবিনা। নিজেই তো আমার আদর চাচ্ছিস, মুখে বলতে পারছিস না সেজন্য শাড়ি পরে বুঝাচ্ছিস।”
“ছাড় আমাকে, আমি এখনি শাড়ি খুলে ফেলব।”
“আমি থাকতে তুই কষ্ট করে শাড়ি খুলতে যাবি কেন?”
“অসভ্য।”
কথাটা বলতেই আদনান পুনরায় ইলমার ঠোঁট জোড়া দখল করে নেয়। ইলমা ছাড়া পাওয়ার জন্য ছটফট করলে আদনান ছাড়ে না। কিছুক্ষণ হাত পা নাড়াতে আদনান ছেড়ে দিয়ে বলে, “একটু অসভ্যতামী করলাম।”
“মাফ চাই ভাই।”
“এখন তো কিছুই করলাম না।”
আদনানের কথা শেষ হতে ইলমা মোচড়ামুচড়ি শুরু করে দেয়। আদনান ধমকে বলে, “শালী,আদর নিতে এসেছিস, আদর নিয়ে যা। আমাকেও শান্তি মতো আদর করতে দে। খামোখা হাত-পা নাড়িয়ে ডিস্টার্ব করিস না।”
“তোর বিচার খোদা করবে।”
“চোপ। তোর পায়ের নখ থেকে মাথার চুল পর্যন্ত সবকিছুতে আমার বিচরণ থাকবে। কিন্তু শালী তোর ঢঙয়ের জন্য এখন অব্দি কিছুই করতে পারলাম না।”
ইলমা কিছু বলতে পারলোনা। আদনানের জেদের কাছে সে পরাজিত। আদনান নিজের ভালোবাসা মানুষটাকে হালাল ভাবে পেয়েছে। যে ছোঁয়া হালাল, চাওয়া-পাওয়া হালাল সেখানে না করার মানেই হয়না। ইলমার মাথা বালিশের উপর রেখে , আদনান ইলমার কাঁধে হাত রেখে বলে, “ক্যান আই টেক অফ দ্যা শাড়ি?”
আদনানের কথা শেষ হতে ইলমা তার গলায় কামড় বসিয়ে দিয়ে বলে, “নাটকবাজ।”
আদনান মৃদু আর্তনাদ করে উঠে। এগিয়ে এসে ইলমার গ্রীবার নিচে নরম অংশে লাভ বাইট দিতে ইলমা মৃদু আর্তনাদ করে উঠে। আদনান ইলমার দিকে একবার তাকায়। পুনরায় লাভ বাইট দেওয়া জায়গায় চুমু দেয়। আদনান ইলমার মুখশ্রীতে গভীর ভাবে ঠোঁট ছুঁইয়ে দিয়ে বলে, “জান, একদম ডিস্টার্ব করবি না।”
কথাটা বলে ইলমার শাড়িটা সরিয়ে নেয়। অবশেষে তার শাড়ি খুলার ইচ্ছে পূরণ হলো। আদনান ইলমার উন্মুক্ত উদরে স্পর্শ করতে ইলমা মৃদু কেঁপে উঠে। আদনান উম্মাদের মতো ইলমার কায়ায় নিজের বিচরণ ঘটায়। ইলমা, ইভটিজার শাহরিয়ার আদনান শেখকে, নিজের স্বামী রুপে আবিষ্কার করে।
#চলবে
(হেহে! অনেককিছু লিখে ফেলেছি। আর পারব না। সেজন্য, কেউ কিছু জিজ্ঞেস করে লজ্জা দিবেননা।😞)
আদনান-ইলমার বইটা অর্ডার করতে ম্যাসেজ দিন,
https://www.facebook.com/share/1AKGvBibLx/
আমার গ্রুপ লিংক,
https://m.facebook.com/groups/582123563029858/?ref=share&mibextid=NSMWBT

