#Violent_love
Mariam_akter_ juthi
#পর্বঃ৩
🚭(রাজনীতি+পজেসিভ+রোমান্টিক+টক্সিক লাভ স্টোরি)[অনুমতি ব্যতীত কপি করা নিষিদ্ধ]❌
‘‘গূধলির শেষ বিকেলের তেজবিহীন সূর্য ডুবে গিয়ে সেই অনেকক্ষণ আগেই পৃথিবীর বুকে অন্ধকার নিয়ে এসেছে, শুধু শহরের চারদিক থেকে যানজটের আওয়াজ ভেসে আসছে। আরিশ জুথিকে তখন খাটের সাথে ওভাবে বেঁধে রেখে দরজার বাহির থেকে পিন লক সেটআপ করে রেখে গেছে। আরিশ চলে যেতে জুথি অনেক বার হাত খোলার চেষ্টা করেছে, কিন্তু অতিরিক্ত টাইট হওয়ার জন্য খুলতে পারিনি। এক সময় সকাল থেকে না খাওয়া অতিরিক্ত কান্নার ফলে দূর্বলতা রেশ ধরে বাধা অবস্থায়ই সেখানে ঘুমিয়ে যায়।
বাবার কথা মতো রাদিফ ও তখন খাবার খেয়ে পারিবারিক ব্যবসার দেখভাল করতে গেছে,। কারণ আরিশ ছাফছাফ বলে দিয়েছে সে কোন ব্যবসার কাজ সামলাতে পারবে না। সে রাজনীতি করবে। তাই বাড়ির কেউ আর তাকে ব্যবসা সামলাতে জোর করেনি, কারণ আরিশ যা বলে তার বিরুদ্ধে গেলে, সে আবারো সব কিছু ফেলে রেখে চলে যাবে, তাই ওনারা ছেলের কাজে চুপ থাকেন, ছেলে যা করে শান্তি পাচ্ছে পাক না, সাফওয়ান খান তো আর ছেলের নামে কম টাকা রাখেননি যা রেখেছে তা অর্ধেকের অর্ধেক আরিশের খরচে লাগবে না, তবে বংশের বড়ো ছেলে বলছে ব্যবসা করবে না, জিনিস টা সাফওয়ান খান একদম মেনে নিতে পারলেন না, ছেলের উপর কিছু বলতেও পারলেন না। আয়ান ও আরিশের মত রাজনীতি করবে বলে পরিবার কে জানায়, বাকি থাকে রাদিফ এখন সেও যদি তাদের মতো রাজনীতি করতে চায়, রাজনীতিতে জড়িয়ে যায়,তাহলে ওনাদের ব্যবসা একদম রসাতলে যাবে,তাই সাফওয়ান খান ও মাহামুদ খান রাদিফ কে আগেবাগে ব্যাবসার কাজ বুঝিয়ে দেয়,জাতে ওদের মতো ও না রাজনীতিতে জরিয়ে পরে, এই বিষয়ে আরিশ ও আয়ন কেউ তেমন মাথা ঘামায়নি,কারন আরিশের পারিবারিক ব্যবসা বাদেও নিজের আলাদা ব্যবসা আছে। সেটা ও বাহিরে থাকা কালিন ওখানে বসে পরিচালনা করেছে, তার পাশাপাশি আয়ান দেশে বশে আরিশ কে সাহায্য করছে। দুই ভাই মিলে ঠুনকো ব্যাবসা কে আজ উচ্চ সিমায় নিয়ে গেছে। যেই আরিশের ধারা কোন কিছু হওয়া সম্ভব ছিল না, যে শুধু বুঝতো মারামারি ভাঙচুর করা ক্ষমতা ক্ষমতা খেলা সেই আরিশ আজ পরিবারের কাছে নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করেছে, সে চাইলে আল্লাহর রহমতে সব পারে, সেটা তার পরিবার কে সে দেখিয়ে দিয়েছে।
“আরিশ আয়ন ও আরিশের কিছু বন্ধু মিলে রাজনৈতিক বিষয়ে কিছু আলোচনা করছিলো, এমন সময় আয়ান বলল,
‘আরিশ ভাই সেই সকালে এসে একবার বেরোলে, এখন আবার বাহিরে এসেছো,বনু মানে তোমার মৌয়ের সাথে দেখা করেছিলে?
আরিশের ততক্ষণে সরনে আসে তখনকার সময় তার মৌকে বেঁধে আসার কথা। এটা মনে আসতেই বসা থেকে দাঁড়িয়ে জোরে জোরে হাত দিয়ে মাথায় বারি দিয়ে সিট বলে গম্ভীর কণ্ঠে দাঁত কিড়মিড় করে বললো,
‘ওই নারী আমাকে কোন দিন ও শান্তিতে থাকতে দেবে না। কাছে ও যেতে দিবে না, ওই নারী কে তো আমি,,,, — এই টুকু বলে বাড়ি যাওয়ার জন্য বাইকে উঠে সবার উদ্দেশ্যে বললো,
‘আমি গেলাম, আমার মৌ অরফে হাফফুটের সাথে রোমান্স করতে। তোরা সব ঠিকঠাক ভাবে গুছিয়ে নিস,আর আয়ন তার কাজ শেষ হলে চলে আসিস।
আয়ান আরিশের কথা শুনে মুচকি হেসে বলল,
‘রোমান্স করতে যাবে, নাকি অবুঝ মৌ টাকে মরতে যাবে কে জানে? তোমার তো ঠিক নেই এই পানি এই গরম।
‘ও ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্য রাখে না । – বলে বাইক স্টাট দিয়ে চলে আসে ‘আরিশ’।
“মুখের উপর শিতল কিছু অনুভব করতে আস্তে আস্তে চোখ খোলে তাকায় জুথি, দূর্বল থাকায় মাথাটা চক্কর দিতে,সাথে সাথে আবারো চোখ দুটো বন্ধ করে নেয়, ওর সামনে যে কেউ বসে, ওকে স্থির দৃষ্টিতে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছে, সেদিকে ওর কোনো খেয়াল নেই। আরিশ তার মৌ কে তৃষ্ণার্থ দৃষ্টিতে দেখে আস্তে করে বলল,
‘মৌচাক তোমাকে আমার হয়েই থাকতে হবে, যেমন ছিলে ঠিক তেমনি ভাবে, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত। – বলে জুথির হাতের বাঁধন খুলে দেয়।
জুথি হাত খোলা পেয়ে দরির দাগ বসে যাওয়া জায়গা গুলো দুই হাত দো’হাতে মোরাতে মোরাতে বলল,
‘আপনি এসেছেন? আমি আপনার জন্য অনেকক্ষন বসে ছিলাম, কিন্তু আপনি আসেননি , এখন প্লিজ আমাকে এখন যেতে দিন, আমার শরীর টা ভিশন দূর্বল লাগছে,
‘যেতে দিব একটা শর্ত আছে, তবে কিছু ফেরত ও দিব।
জুথি আরিশের সামনে থেকে যাওয়ার জন্য তারাতাড়ি শর্ত মানতে রাজি হয়ে বললো,
‘কি শর্ত?
‘যদি তোর ওই গোলাপি রাঙ্গা ঠোঁটের সাধ নিতে দিস, তাহলে তোকে আমি ফিজিক্যাল সাধ নিতে দিবো। আর এটাই আমার পক্ষ থেকে ফেরত দেওয়া।
‘ছিঃ কি সব নোংরা কথা বলছেন আপনি? আরিশ ভাই? আসছেন পর থেকে?
‘ঠিকি বলেছিস তোর থেকে দূরে যাওয়ার পর তোর প্রতি নোংরা জিনিসটাই আমার কাজ করে, তোকে দেখলে বারবার তোর ঠোঁটের সাধ নিতে মনে চায়। তোর সাথে ইন্টিমেন্ট হতে মনে চায়, এখন আমি কি করতে পারি বল?
‘আমার না এসব শুনতে ভালো লাগছে না, কেমন অস্থির লাগছে, শরীর কাঁপছে,
আরিশ জুথির অবস্থা বুঝলো, বুঝে বাঁকা হেসে বলল,
‘কেন?
‘কারন আপনার প্রতিটা কথা খুব ধারালো। যা আমার পুরো অঙ্গকে কাঁপিয়ে দেয়।
‘তাই? – আরিশের মুখে তাই শুনে জুথি কিছুটা বোকা বুনে যায়, এই কথায় যে কেউ তাই বলে এটা ওর ধারনাতে ছিল না, ওর ভাবনার মধ্যে আরিশ কথা এরাতে বলে,
‘তা ম্যাম আপনার জন্য কিছু সারপ্রাইজ নিয়ে এসেছি, দেখবেন?
-,,,,,,,
‘কি হল চুপ করে আছেন কেন? থাক আপনাকে কিছু বলতে হবে না আমিই বরং দেখাচ্ছি। — বলে আরিশ সপিং ব্যাগ থেকে মোরানো কিছু একটার মতো বের করে বলল,
‘এই যে দেখছেন? এটা হচ্ছে কারেন্ট হিটার , যেটা এখন আমি কারেন্টে দিয়ে গরম করবো, এবং গরম করে আপনার দুই গালে চেপে ধরবো। তাতে কি হবে জানেন?
জুথি আরিশের কথা শুনে দু’পা পিছিয়ে গিয়ে ভয়ে ভয়ে মথা দুই দিকে নাড়ালো, যার মানে সে জানে না। আরিশ জুথি কে না করতে দেখে বাঁকা হেসে বলল,
‘আপনার সুন্দর গাল দুটোতে চেপে ধরবো। আর তাতে আপনার গালে পরা, সুন্দর টোল দুটো একদম বোচা হয়ে যাবে, তারপর আর কেউ আপনাকে আপনার গালে টোল দুটো ভিশন সুন্দর বলে আক্ষেপ করতে পারবে না। ও হ্যাঁ আরো একটা জিনিস এনেছি,লেজার যা দিয়ে মানুষের মাথা নেরো করে দেয়। আর এই ভালো জিনিস টা আমি আপনার উপর ব্যবহার করবো, মানে আপনার লম্বা চুল গুলো সব কেটে এককথায় টাকলা বানাবো, কারণ আমি আবার সবার থেকে আলাদা, সবাই তো পিঠ অব্দি কেটে দেয় তাই আমি নাহয় — বলে আরিশ জুথির দিকে এগোতে নিলে, আরিশের বলা ও কথা শুনে, আরিশ কে ওর দিকে এগোতে দেখে হাতের ব্যথা ভুলে একহাত গালে চেপে তো আরেক হাত মাথার খোপা করা চুল ধরে চোখ মুখ খিচে অনুন্যায়ের কন্ঠে বলল,
‘দেখুন দয়া করে আমার সাথে এমনটা করবেন না। আমি তো কিছু করিনি তাই না।
আরিশ দেখলো জুথির অস্থির মুখখানা, ভয়ে শিটিয়ে যাওয়া শরীর টা। অতঃপর আস্তে করে আরেকটু এগিয়ে জুথির বাম হাতটা হেঁচকা টান দিয়ে পিঠের পেছন দিকে চেপে ধরে মুখ টা ওর মুখের কাছে এনে বলল,
‘মৌ, অস্থির হয়ো না, আমি কিছুই করবো না, ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই,মৌ। – বলে একটু ঝুঁকে জুথির নরম গালে আস্তে টুপ করে চুমু খায়।
জুথি আরিশের কান্ডে স্বাভাবিক হাওয়ার বদলে,ঘনো ঘনো নিঃশ্বাস নিতে শুরু করলো। জুথি আরিশের থেকে ছাড়া পাওয়ার জন্য আরিশ কে স’জোরে ধাক্কা দিয়ে নিজের থেকে ছাড়িয়ে সেখান থেকে দৌড়ে চলে যায়। আরিশ হঠাৎ ধাক্কা খাওয়াও দু’পা পিছিয়ে গিয়ে দরজায় দিকে তাকিয়ে দেখে জুথি ততক্ষণে গো, মূহুর্তেই চোয়াল শক্ত হয়ে যায় আরিশের। হাত দুটো মুঠ করে দাঁত কিড়মিড় করে জুথির যাওয়ার দিকে চেয়ে থাকে।
জুথি তখন আরিশের রুম থেকে পালিয়ে আসার পর আর নিচে নামেনি, রুমেই ছিল,খানেক পরে দরজায় করাঘাত শুনে শুয়া থেকে উঠে বসে দিরে পায়ে গিয়ে দরজা টা খুলে দেয়, দরজাটা খুলে দিতে দেখলো, রোদ কেমন চোখ করে দাঁড়িয়ে আছে। জুথি রোদ কে দেখে হাসি দিয়ে বলল,
‘আরে রোদ আপু, কিছু বলবে? আর ভিতরে আসো।
রোদ রুমের ভিতর ঢুকে করা কন্ঠে বলল,
‘মামনি তোকে নিচে ডাকছে।
‘আম্মু ডাকছে, আমি এখনি যাচ্ছি।
‘ওই শোন তোর সাথে কথা আছে।-তেরামি কন্ঠে।
‘হ্যা আপু বলো?
‘তোকে তখন দেখলাম আরিশের রুম থেকে দৌড়ে বের হতে, ওর রুমে গেছিলি কেনো?
‘আসলে আপু ভাইয়া,,,
‘তুই আর ওই রুমে পা রাখবি না,আর তোকে যদি আরিশের কাছাকাছি দেখিনা তাহলে বড়ো আম্মু কে দিয়ে তোকে শায়েস্তা কারাবো।— ‘ তুই ভালো ভাবে শুনে রাখ বড়ো আম্মু আমাকে তার ছেলের বউ বানাবেন, তোকে না। তাই সাবধান। বলে হনহন করে চলে যায়।
রোদ চলে যেতে জুথি সেদিক তাকিয়ে বেকুব বনে ভাবলো, ‘আজব সে কি একবারও বলেছে? সে আরিশের বউ হতে চায়? না সে তো বলেনি। জুথি এসব ভেবে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে, রোদ সবসময়ই এমন আজ পর্যন্ত কোন দিন জুথির সাথে ভালো ব্যবহার করেনি। এমন কি সুযোগ পেলে গায়ে হাত পর্যন্ত তুলতো। সে ছোট বেলা থেকেই একটু খিটখিটে স্বভাবের ছিল। আপন বোন ফারির সাথে ও খিটখিট করতো, তাছাড়া সে শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিল। আর তার পাশাপাশি ছোট বেলায় শ্বাসকষ্টের রোগ ছিল, রোগ যেটা ১৮ বছর হওয়ার পর থেকে মানুষিক ভাবে বেরে গেছে। হঠাৎ হঠাৎ শ্বাস উঠে শ্বাস নিতে না পেরে সেন্সলেস হয়ে যেত। রোদ দু’বছর প্রায় টানা অসুস্থ ছিল। সবাই শুধু আল্লাহ আল্লাহ করতো মেয়েটা যেন বেঁচে থাক,রোদের অসুস্থার কারনে পারাশোনা টাও দু বছর করতে পারেনি। যার কারণে ওর পরালেখা টা পিছিয়ে যায়। যে থাকতো এখন ভার্সিটি সেকেন্ড ইয়ারে সে এখন মাএ HSC দিয়েছে, ভাগ্য কি তাই না? যদিও রোদের শ্বাসকষ্ট টা পুরোপুরি ভাবে ভালো হয়নি। তাই সবাই তার মন রক্ষা করার জন্য কোন বিষয়ই না করতো না। কিংবা কোন বিষয়ে জোর করে না। সবাই তাকে সব বিষয় সাপোর্ট করে বলেই আজ সে সুস্থ আছে।
জুথি নিচে এসে ওর মায়ের কাছে গুটি গুটি পায়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করল,
‘আম্মু আমাকে ডেকেছো?
‘হ্যা, তোকে না তোর বড়ো আম্মু বলেছিল দুপুরে সবার খাবার পরে থালা বাসন গুলো ধুয়ে রাখতে?
জুথি কিছু বলবে তার আগেই আরিশ সিঁড়ি বেয়ে নামতে নামতে বললো,
‘মামনি সারাদিন রুমে ভিতর থাকলে থালা বাসন কিভাবে ধোবে? – ঠেস মেরে ।
জুথি আরিশের কথা শুনে অবাকের চরম পর্যায় চলে যায়, এতক্ষণ হাত বেঁধে রুমবন্দী করে রেখে এখন বলছে সে নাকি সারাদিন রুমে থাকে। তাই কিছুটা ক্ষোভ নিয়ে আরিশের দিকে তাকিয়ে বলল,
‘আম্মু আরিশ ভাইই তো আমাকে রুমের মধ্যে আট,,জুথিকে বাকি কথাটুকু শেষ করতে না দিয়ে ওর মা~
**ঠাসসস
‘তোর লজ্জা করে না এখন আরিশের দোষ দিচ্ছিস? সারাদিন বসে খাবি সেটা বলতে পারিস না, চেঁচিয়ে।
জুথি মায়ের হাতে থাপ্পড় ও চিৎকার করে বলা কথা শুনে ফুপিয়ে কেঁদে ওঠতে, জুথিকে থাপ্পর দিতে দেখে ইভা দৌড়ে এসে বলল,
‘সমস্যা কি তোমার আম্মু? ওকে মারছো কেন? কি করেছে ও।
‘কি করেনি বল? একটা কথা বললে শুনবে না। ওকে দুপুরে এটো থালা-বাসন গুলো দু,, ওনাকে আর কিছু বলতে না দিয়ে রাদিফ দরজার কাছ থেকে এসে জুথির দুবাহু ধরে একদম নিজের কাছে এনে রাগী কন্ঠে বলল,
‘শুরু থেকে এখানে সবটাই আমি দেখেছি, মামনি? বাড়িতে দুজন কাজের মেয়ে রেখেছিলাম, তাদের ভিতর একজন ধোয়া কাঁচা করবে আর একজন বাড়ি পরিষ্কার করবে। কিন্তু তোমরা ধোয়া কাঁচা যিনি করেন তাকে বিদায় করে দিয়েছো। আর ওকে দিয়ে তার কাজগুলো করাচ্ছ, এটা আমি মানতে পারিনা। মামনি বাড়িতে তো আরো মেয়ে আছে, কই তাদের কাউকে দিয়ে তো কাজ করাও না। তাহলে ওকে দিয়ে কাজ করাও কেন? শোনো মামনি যে পর্যন্ত আছো সে পর্যন্তই থাকো। দরকার হয় বাড়িতে আরো কাজের মেয়ে রেখে দিব, তাও ওকে কাজ করতে বলবে না। – ‘ বলে জুথিকে উপরে যেতে বলে সেও হনহন করে রুমের দিক চলে যায়।
রাদিফ চলে যেতে জুথি ভেজা চোখ দুটো তুলে আরিশের দিকে একবার তাকালো। কারণ সে ভেবেছিলো আরিশ তার হয়ে এমনটা বলবে,কিন্তু হল তার উল্টোটা। এক বুক কষ্ট নিয়ে জুথি ভেজা চোখে রুমের দিক যাওয়ার জন্য পা বাড়ায়, যদি সে আর কিছুক্ষণ আরিশের দিকে তাকাতো তাহলে দেখতে পারতো আরিশের হিংস্র রক্ত অভা চোখগুলো,,
Continue,,,,,,,,,,,,,,
🔴এই আইডিতে ফলো দিয়ে রাখুন সব ধরনের গল্প এখানে পাওয়া যাবে। ভালোবাসা 💜।

