violent_love Mariam_akter_juthi #পর্বঃ৩৩

0
27

#violent_love
Mariam_akter_juthi
#পর্বঃ৩৩

🚭(রাজনীতি+পজেসিভ+রোমান্টিক+টক্সিক লাভ স্টোরি)

জুথি আরিশের কথায় ঘুরে ওর দিক তাকিয়ে কোমরে হাত দিয়ে, দাঁত কিড়মিড় করে বললো,
‘আপনার যদি কাউকে স্পেশাল সাজাতেই হয় তাহলে আপনি আমাকে সাজাবেন, অন্য কাউকে কেন সাজাবেন?
‘তুই আমার কাছে সাজবি? ভেবে বলছিস? ভ্রু কুঁচকে।
‘কেন সাজবো না? ভেবে বলার কি আছে? আপনি একবার বলেই দেখতেন? আমি একদম রাজি হয়ে যেতাম। বলে অনদিক মুখ ঘুরালো।

আরিশ জুথির মুখ ঘোরানো দেখে মনে মনে আওড়ালো, —‘ সে আমার ভালো করেই জানা আছে, তুই যে আমার কাছে কি সাজতি? নিহাত সূচি সাজার কথা বললো, আর নয়তো পার্লার যেতে দিবোনা শুনলে নির্ঘাত ভ্যাঁ ভ্যাঁ করে কেঁদে দিতি। আরিশ জুথি দুজনকেই চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে সূচি বললো,
‘এখন তাহলে আমি কোথায় সাজবো?
‘শোনো,নি আমি স্পেশাল সাজাবো, তুমি বরং আপুদের সাথে পার্লার যাও।
‘ঠিক আছে কি আর করার, যেহেতু তুমি সাজবে তাহলে আমি বরং তাদের সাথে পার্লারে যাই।
‘হুম।

সূচি রুম থেকে বেরিয়ে যেতে, জুথি ঝটপট দরজার কাছে এগিয়ে গিয়ে ঠাস করে দরজাটা লাগিয়ে মুখ ফুলিয়ে অন্যদিক হাত বগল ধাবা করে দাঁড়াতে, আরিশ ওর কাছে এগিয়ে পিছন থেকে পেট জড়িয়ে ঘাড়ে মুখ গুজতে জুথি ঘাড় কাত করতে, আরিশ জুথির ঘাড়ে একের পর এক চুমু খেতে খেতে দুষ্টুমি কন্ঠে বললো,
‘রাগ হয়েছে?
‘,,,,,,,,,,,।
‘আদর দিচ্ছি তো।
‘,,,,,,,,,,,।

আরিশ জুথি কে এখনো মুখ ফুলিয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে, ওকে টেন ওর দিক ঘুরিয়ে কপালে চুমু খেয়ে বললো,
‘সমস্যা কি? কথা বলছিস না কেন?
‘আপনি কেন ওকে সাজানোর কথা বললেন? আপনার যদি কাউকে স্পেশাল সাজানোরই হয় তাহলে আপনি আমাকে বলতেন? আমাকে সাজাতেন, অন্য কাউকে কেন?

আরিশ শুনলো জুথির কথা,অতঃপর মাথাটা একটু নিচু করে অন্য দিক মুখ ঘুরিয়ে বুড়ো আঙ্গুলে ভ্রু চুলকে বললো,
‘চরম ভাবে ভুল হয়ে গেছে, আমার বোকা মৌচাক।
‘কি বললেন?
‘কই কিছু বলিনি তো,তুই কিছু শুনেছিস?
‘আপনি আর কখনো কাউকে আপনার রুমে এলাও করবেন না! আর যদি আ,, – ব্যাস জুথির বাকি কথাটুকু আর পূর্ণ হলো না, তাৎক্ষণে আরিশ ওকে টেনে বিছানায় ফেলে ওর উপর উঠে ঠোঁটের উপর আঙ্গুল চেপে কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিসিয়ে বললো,
‘হুসস, তোর ওই আসক্ত করা ঠোঁট দুটো আমার সামনে একদম নাড়িয়ে কথা বলবি না। কারণ আমি ঠিক থাকতে পারিনা, আর একবার যদি আমি তোকে ধরি “খোদার কসম! এক মুহূর্ত এক ইঞ্চি আমার থেকে দূরত্ব বইতে দিব না। এতে যদি তুই আমাকে নিতে না পারিস, তখন আমার কিছু করার থাকবে না।

জুথি আরিশের এহেম কথায় চোখ দুটো বন্ধ করে নেয়, সে নিঃশব্দ হতে বাধ্য হয়, তার নিঃশ্বাস ঘন হয়, তার শখের পুরুষ যে তার অতি সহনিকটে। জুথি বিছানার চাদর খামচে ধরে আরিশের পরপর গভীর চুম্বনে। জুথি যতটা সম্ভব আরিশ কে সহ্য করার,ঠিক ততটাই করছে। একটা সময় তার নিঃশ্বাস এতটাই ঘন হয়, মনে হচ্ছিল জ্ঞান হারাবে। আরিশ জুথির অস্থিরতা বুঝতে পেরে, ওর থেকে সরে আসে, অতঃপর জুথি কে টেনে তুলে ওর মাথা বুকের সাথে চেপে ধরে মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বললো,
‘মৌ তুই আমার হয়ে থাক, আমি দূরত্ব সহ্য করে নিব। যেদিন তোর মনে হবে, আমি সেদিন দূরত্ব ঘুচাবো। – বলে মাথায় পরপর দুটো চুমু খেলো।

জুথি আরিশের কথায় আরিশ কে শক্ত হাতে ওর পেট জড়িয়ে কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বললো,
‘আ,আমি জুথি! আরিশ ভাইয়ের মৌচাক, স্বইচ্ছায় আপনাকে মেনে নিলাম।

জুথির এমন কথায় আরিশের হাতের বাধন দৃঢ় হয়। সে সত্যি শুনছে তো? তার বোকা মৌ তাকে সঙ্গ দিবে? নাকি এর ভিতরে কোন খাপলা আছে? তাই একটু বাজিয়ে দেখার জন্য, কিছু বলবে ততক্ষণে থেমে গিয়ে চোখটা বন্ধ করে নেয়, হোক না অস্পষ্ট, আসুক না হাজারটা বাধা। দিনশেষে তার মৌ কে, না চাইলেও তার কাছে ধরা দিতে হবে। সেখানে একটা কথার রেস ধরে — এটা মোটেই তার স্বভাবের সাথে যায় না। হোক না ইচ্ছে করে কিংবা অনিচ্ছা করে,তার মৌ তাকে কে মেনে নিয়েছে এটাই প্রাপ্তি, এসব ভেবে গম্ভীর আরিশ তপ্ত নিশ্বাস ফেললো। অতঃপর তার বুকে আষ্টেপৃষ্ঠে লেপ্টে থাকা জুথির দিকে তাকিয়ে ওর মাথায় মুখ ঠেকিয়ে বললো,
‘ভীষণ ভালোবাসি মৌ, তোকে আমার সমস্ত সত্তা দিয়ে ভালোবাসি। — বলে একটু ঝুঁকে ঘাড়ে মুখ ডুবাতে জুথি আরিশ কে ঠেলে সরাতে চেয়ে বললো,
‘এভাবে নয়, আমার সময় চাই।

জুথি এতোটুকু কথায় আরিশ হাত দৃঢ় করে দিতে, জুথি ছাড়া পেয়ে একটু সরে বসতে,আরিশ তাকালো জুথির মায়া ভরা মুখের দিকে, কি এমন মায়া লেগে আছে এই মুখে? যেটা ওকে সবসময় প্রশান্তি দেয়, আরিশ প্রশান্তিতে চোখ বুঝে নিল সামান্য সময় কেন এই মুখ দেখে সে সারাজীবন কাটিয়ে দিতে পারে অনায়াসে। আরিশ এসব ভেবে উঠে দাঁড়ালো, অতঃপর হেঁটে কভার এর কাছে গিয়ে তার ওপরে রাখা একটা ঢালা নামিয়ে বিছানায় জুথির পাশে রেখে বললো,
‘এখানে সবকিছু আছে, ড্রেস চেঞ্জ করে পেটিকোট ব্লাউজ পড়ে আয়।

জুথি শুনলো আরিশের কথা, তবে গায়ে না মেখে আগ্রহ দেখিয়ে বললো,
‘আরিশ ভাই!
‘হুম।
‘আপনার জন্য সারপ্রাইজ ছিল।
‘আমার জন্য?
‘হুম। মাথা উপর নিচ করে।
‘কি? এক ভ্রু জাগিয়ে।
‘এখন বলা যাবেনা, কালকে মেহেদী অনুষ্ঠানের মাঝামাঝি সময়। ছাদে চিলেকোঠার ঘরে চলে আসবেন। বলে লজ্জায় চোখটা বন্ধ করে পাজামাটা খামচে ধরল।

আরিশ জুথি কে শুধু শুধু জায়গায় লজ্জা পেতে দেখে কপাল কুঁচকে কে বললো,
‘অপেক্ষায় থাকলাম, এখন এগুলো পড়ে আয়।

জুথি ঢালাটা বিছানার উপর থেকে তুলে কোলের উপর নিয়ে, ঢালাটা আন প্যাকিং করে জিনিসগুলো বের করতে মুচকি হেসে আরিশের দিকে তাকিয়ে বললো,
‘এইরকম একটা সেম ঢালা, আমি দু’দিন আগে পছন্দ করেছিলাম। তখন নেওয়ার জন্য মেসেজ করতে ওনারা জানালো, এটা নাকি কাপল, শুনে খুশি হয়েছিলাম, ম্যাচিং ড্রেস দেখতে সুন্দর লাগবে, কিন্তু অনেক গুলো টাকা দাম শুনে আর আনা হলো না। আপসেট হয়ে,এতোটুকু বলে থেমে আবার বললো — ‘আচ্ছা আপনি এটা কোথা থেকে আনালেন?
‘মৌ চেঞ্জ করে আসতে বলেছি। বিরক্তে কপাল কুঁচকে ধমকে কথাটা বললো।

জুথি ঢালা থেকে, ব্লাউজ পেটিকোট বের করে হাতে নিয়ে ওয়াশরুমের দিক যেতে যেতে মনে মনে আওরালো — ‘গম্ভীর লোক একটা, কথায় কথায় শুধু ধমক দিবে।

মেরুন কালার পেটিকোট, কাপ হাতার ব্লাউজটা পরে শরীরে ওড়না পেঁচিয়ে বের হতে, আরিশ মোবাইল থেকে চোখ সরিয়ে ওর দিক তাকাতে,জুথি জরতা নিয়ে দুহাত কসলাতে কসলাতে ঠায় জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকতে, আরিশ ফোনটা বিছানা উপর ফিক্কা মেরে উঠে ওর কাছে এগোতে জুথি নিচের দিক তাকিয়ে চোখটা বন্ধ করে পেটিকোটটা খামছে ধরলো। আরিশ ওর কাছে এগিয়ে খামছে ধরা হাত দুটো ওর মুঠোর মধ্যে করে এক টানে ওকে ওর বুকের উপর ফেলে বললো,
‘সাজবি তো?

জুথি উপর নিচে মাথা নাড়ানো, যার মানে সে তার কাছে সাজবে। আরিশ জুথির সায় পেয়ে বুকের উপর থেকে সরিয়ে, সামনে দাঁড় করিয়ে ওর বুকে পেচানো ওড়নাটা সরাতে নিলে তৎক্ষণে জুথি ওড়নাটা দুহাতে চেপে ধরে বললো,
‘এটা কি করছেন?
‘কেন শাড়ি পরাবো না?
‘আমি পড়তে পারি তো!
‘ডিস্টার্ব করবি না।
‘কিন্তু,,, – জুথির বাকি কথাটুকু আর শেষ করা হলো না,আরিশের রাঙানো চোখ দুটো দেখে। আরিশের চোখ রাঙানো দেখে জুথি সাথে সাথে চোখ দুটো নিচু করে নিতে, আরিশ ওর শরীর থেকে ওড়নাটা বিছানার উপর রেখে ঢালা থেকে শাড়িটা নিয়ে জুথি কে কোমরে গুজে দিতে, জুথির শরীর মধু কেঁপে উঠলো। আরিশ শাড়িটা ঘুরিয়ে কুচিগুলো গুছিয়ে হাঁটু ঘিরে বসে পেটে গুজে দিতে নিলে জুথি আরিশের চুলগুলো মুঠ করে চোখটা বন্ধ করে নিলে। জুথি চোখটা মেলে আরিশের দিকে তাকাতে, এমন সময় নিচ থেকে সাউন্ড বক্সে বেজে ওঠে,

~ ~ভালোবাসি হয়নি বালা…
~~তবুও ভালোবাসি।
~~পাশাপাশি হয়নি চলা…
~~তবুও পাশাপাশি।(২)
~~তোমায় নিয়ে ফুলে ফুলে…
~~স্বপ্ন উরাই আকাশ নীলে।
~~তোমাতে বিভোর থাকি…
~~আমি বারো..মাসি।

~~সূর্য হয়ে ছড়াও তুমি মিষ্টি রোদের আলো।
~~এক নিমিষে দাও সরিয়ে,
~~আমার আধার কালো।(২)

~~একটু শীতল ছায়া তুমি,
~~ক্লান্ত পথের শেষে…।
~~হাত বাড়িয়ে ডাকো আমায়,
~~ঘুমপাড়ানির দেশে।(২)

~~তুমি আছো দুচোখে তাই,
~~স্বপ্ন রাশি রাশি…।
~ভালবাসি হয়নি বলা, তবুও ভালোবাসি,
~পাশাপাশি হয়নি চালা, তবুও পাশাপাশি।

গানটা সম্পূর্ণ শেষ হতে, দুজন দুজনার থেকে চোখ সরালো, আজ এই মুহূর্তে এই সময় এমন কুইন্সিডেন্ট একটা গান তাদের জন্যেই হয়তো ছিল। আর নয়তো তাদের ব্যক্ত অনুভূতি ফুটানোর জন্য হঠাৎ এমন গান বিয়ে বাড়িতে কেনই বা ছাড়লো? গানের রিমিক্স এ আছে আয়ান ভাই, হয়তো ভাই ছেড়েছে, তবে মন্দ হয়নি।

আরিশ কাজে ফোকাস এনে জুথি কে শাড়িটা পড়ানো হয়ে গেলে, আরিশ হাঁটু গিরে বসে কুচিগুলো একে একে ঠিক করে উঠে দাঁড়িয়ে বললো,
‘ব্যাস কমপ্লিট! বলে ঢালা থেকে সোনালী পাথরের চেইন বের করে পেটের অংশে পরিয়ে একটু দূরে দাঁড়িয়ে চোখটা সরু করে বললো,
‘পারফেক্ট, এবার চুলগুলো বেঁধে নিলেই হল।

আরিশ জুথি কে আয়নার সামনে টুলে বসিয়ে, চুলের খোপা খুলে দিতে এলোকেশী চুল ছারিয়ে মাটি ছুঁই ছুঁই হলো। আরিশ হিমশিম খেলো, লম্বা চুলগুলো উপর নিচ হয়ে আঁচড়ে দিতে। জুথি আয়না থেকে দেখলো, আরিশ চুলগুলো ঠিকমতো সামলাতে পারছেনা, তাই উঠে দাঁড়িয়ে হাতটা আরিশের সামনে ধরে বললো,
‘আমায় দিন! চুলটা আমি বেঁধে নিচ্ছি।

জুথি মাথাটা আঁচড়ে সামনে থেকে মুড়িয়ে ক্লিপ দিয়ে বেঁধে, গোল করে ঘুরিয়ে খেজুর বেণী করে নিল। যার দরুন মেরুন কালার শাড়ির সাথে বেশ ফুটেছে, আরিশ ঢালা থেকে গাজরাটা এনে বেনীর ঘোড়ায় ঘুরিয়ে বেঁধে দিয়ে ঘাড়ে চুমু খেয়ে বললো,
‘বোকা মৌ,পোক!
‘আপনি গম্ভীর লোক!

আরিশ মুচকি হাসলো অতঃপর জুথির নাকটা টেনে দিয়ে বললো,
‘এভাবেই ঠিক আছে, আর কোন কিছুর প্রয়োজন নেই।
‘মুখে তো কিছুই দিলাম না?
‘তোর ঠোঁট তো এমনি গোলাপি!
‘আমি এমনিতেও লিপস্টিক পড়ি না,
‘তো?
‘আরে বাবা, মেয়েদের চোখটা আর্ট না করলে সুন্দর লাগে? একটু ক্রিম দেবো, চোখ টা আর্ট করব ব্যাস। হাত নাচিয়ে কথাটা বললো।

জুথি ক্রিম পাশাপাশি চোখটা আর্ট করে, আয়নায় ঘুরে ঘুরে নিজেকে দেখে নিজেই বলে উঠলো, – ‘অনেক সুন্দর লাগছে তো? দেখে বলুন তো কেমন লাগছে? ঘুরে আরিশের দিকে তাকিয়ে।
‘তুমি বরাবরই মায়াবতী! গলার ভিতর কথাটা রেখে।
‘কি বললেন শুনতে পাইনি?
‘বললাম, তোকে যেমন পোকা পোকা লাগে ঐরকমই লাগছে!
‘একদম পোকা বলবেন না! আঙ্গুল জাগিয়ে।
‘তো কি পিচ্চি বলবো?
‘আমি কিন্তু পিচ্চি না, কোমরে হাত দিয়ে।
‘সেটা কাছে এসে ধরতে গেলেই বোঝা যায়!

জুথি ততক্ষণে চুপ হয়ে যায়, এখন কথা বাড়ালে কথার প্যাচে সেই ফেসে যাবে। তাই আর কিছু না বলে চুপচাপ বিছানায় গিয়ে বসতে,আরিশ ঢালার পাশে রাখা ম্যাচিং পাঞ্জাবি টা নিয়ে ওয়াশরুম চলে যায়। বেশ সময় নিয়ে পাঞ্জাবিটা পড়ে বের হতে, দেখে জুথি আরিশের ফোনটা টিপাটিপি করছে, আরিশ এটা দেখে আয়নার সামনে যেতে যেতে বললো,
‘mowchak..
‘হুম। ফোনের থেকে চোখ সরিয়ে আরিশের দিকে তাকিয়ে।
‘ওটা ফোনের পাসওয়ার্ড! আয়না থেকে তাকিয়ে।

জুথি আরিশের কথার মানে বুঝতে পেরে লজ্জা পেল, সে ভেবেছিল তাকে ডাকছে হয়তো। এটা যে ফোনের পাসওয়ার্ড সেটা সে বুঝতে পারেনি। জুথি লকটা খুলতে তৎক্ষণে ফোনে কল আসায় ফোনটা আরিশের সামনে দিতে, ফোনের স্ক্রিনে লেখা উঠে সোহেল মির্জা। লেখাটা দেখে আরিশ ফোনটা কানের কাছে ধরতে, ওপাশ থেকে লোকটা কিছু বলতে আরিশ তারা দেখিয়ে বললো,
‘ওকে, আমি এক্ষুনি আসছি। বলে কানের থেকে ফোনটা সরিয়ে কেটে দেয়।
‘কার ফোন ছিল?
‘পার্টি অফিস থেকে জরুরী কল, আ,,
‘আপনি এখন চলে যাবেন? নিশ্বাস ফেলে নিচের দিক তাকিয়ে।

আরিশ বুঝলো জুথির মন, কিন্তু এখন বাধ্যতার কারণ তাকে যেতেই হবে। তাই একটু কাছে এগিয়ে জুথির কোমর পেচিয়ে কপালে চুমু খেয়ে বললো,
‘কাজ শেষে জলদি ফিরে আসবো।

Continue,,,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here