Violent_love Mariam_akter_juthi #সূচনা_পর্ব ১

0
70

[‘যাদের ডেস্পারেট কিংবা রাগী ভিলেনের গল্প পছন্দ গল্পটা শুধু তাদের জন্য। আর যদি কারো কাছে বিরক্তিকর মনে হয় তাহলে নিঃসন্দেহে গল্পটা এরিয়ে যাবেন]
🚭[গল্পের স্থান,কাল এবং সব দৃশ্য কাল্পনিক। নিজের কল্পনা শক্তি দিয়ে লেখা কোন গল্পের সাথে মিতাতে যাবেন না]
_________________________________
৭ বছর পর দেশে ফিরছে, খান বংশের ২ বড় ছেলে। #আরিশান_আরিশ_খান #আবরার_রাদিফ_খান।এই ৭ বছরে রাদিফ দেশে ফিরতে চাইলেও আরিশ একটা বারের জন্য ও দেশে ফিরতে চাইনি। হয়তো সে এখনো আসতো না যদি না সময়টা তাকে বাধ্য করত।

“ঢাকা গুলশান এলাকায় খান বংশ সবচেয়ে উচ্চ নামিদামি বংশ, আর পাঁচটা নামিদামি বংশের মত খান বংশ অন্যতম একটি। আরিশের বাবা’রা মোট চার ভাই,এক বোন। আরিশের বাবা সবার বড়, উনার নাম- ‘সাফওয়ান খান’
রাদিফের বাবা মেঝো উনার নাম- ‘মাহমুদ খান’ ওনার রাদিফের পাশাপাশি আরো একটা ছেলে আছে। ছেলে ‘আজমান খান আয়ান’ বয়স ২৩ এবার ভার্সিটি থার্ড ইয়ারে পড়ে,। সেজে চাচ্চু উনার নাম- ‘সাইফুল খান’ ওনার দুই মেয়ে, মেয়ে ‘রোদেলা খান রোদ’ বয়স ২০ এবার H.S.C পরীক্ষা দিয়েছে। ‘আয়েশা খান ফারি’ বয়স ১৮, এবার ইন্টার ফার্স্ট ইয়ার।ছোট চাচ্চু উনার নাম- ‘ইউনুস খান’ উনার তিন মেয়ে, ‘সুমাইয়া খান ইভা’ বয়স ১৯,ভার্সিটি ফার্স্ট ইয়ার ‘মরিয়ম খান জুথি’ বয়স ১৭, এবার S.S.C পরীক্ষা দিচ্ছে ‘মুনিয়া খান মনি’ বয়স ১১ ক্লাস ফোরে পরে। আরিশ ওর বাবা মার একমাত্র ছেলে।

বিশাল বড় ব্যবসা খান বংশের। দেশের প্রতিটা নামি জায়গায় তাদের প্রতিষ্ঠিত অফিস আছে। এবং কি দেশের বাইরেও তাদের ব্যবসার কাজ কর্য করা হয়। তাদের খান বংশ আরো একটি নামে পরিচিত, মির্জানি বংশ। যার মানে আদিপুরুষ থেকে কঠিনত্ব রাজনীতিবিদ। ঢাকা গুলশান এলাকায় মির্জানি বংশ নাম নিলে,এক নামে লোকেরা তাদেরকে চিনে, আজ এত নাম সুনাম শুধুমাত্র তাদের “ভ্রাতৃত্বই ছিল মূলধন, সেখান থেকেই বিস্তার আজকের সাম্রাজ্য,ঐ যে যেখানে হাতে হাত, সেখানেই ইতিহাস রচনা হয়।” কথায় আছে না ‘একতাই বল’! আজ সবাই হাতে হাত রেখে তাদের যৌথ পরিবারকে এখনো ধরে রেখেছেন, এবং তাদের দেখলে মনে হয় বাড়ির সকলের প্রাণ যেন এক সুতার বাঁধা। তবে ওনাদের চার ভাইয়ের মধ্যে ছোট ভাইয়ের ব্যবসার কাজ কিংবা রাজনীতি কোনটাই পছন্দ ছিল না। উনার দেশের জন্য কাজ করতে ভালো লাগতো,তাই উনি ভাইদের মতামত নিয়েই দেশ সেবার জন্য সেনাবাহিনীতে যোগদান করে, উনার প্রথম প্রথম চাকরিজীবন ভাল কাটলেও ২০০৯ সালে আর্মি এবং বিজিপির পিলখানায় গন্ডগোল হওয়ার পর ২০১৪ সালে বিজেপি ও আর্মি হল মিটিংয়ে বসেছিল। সেখানে গোলাগুলি হওয়ার পর সে আর বাড়ি ফিরিনি, ওনার নিখোঁজ হওয়ার পর ওনার বাকি তিন ভাই থানায় নিখোঁজ এফেয়ার করেছিল, তবে পুলিশরা নাকি ওনাকে খুঁজে পাননি। ওনারা বংশগত রাজনীতিবিদ হওয়ার কারণে ভাইকে খুঁজে পাইনি বলে দুজন পুলিশের চাকরি নিয়ে নিয়েছিলেন। তবে এতেও কাজ হয়নি বলে ওনারা নিজেরাই অনেক খোঁজাখুঁজি করেছেন। তবে ফলাফল শূন্য। তাই এক প্রকার হতাশা হয়ে উনারা ভেবেই নিয়েছেন উনাদের ছোট ভাই আর জীবিত নেই।

রিদিফ ৭ বছর পরে দেশে ফিরছে তাই তাকে নিতে তার বাবা বড় আব্বু তার ভাই আয়ান এসেছে। কিছুক্ষণ দাঁড়াতে রাদিফ কে টলি হাতে প্লেন থেকে নামতে দেখে সবার মুখে হাসি ফুটে উঠে। রাদিফ কে রিসিভ করতে কিছু’পা এগোতেই চোখে পড়ে রাদিফের পাশ ধরে লাকেচ হাঁতে নেমে আসছে আরিশ,আরিশ কে রাদিফের সাথে দেখে সবার চোখ কোঠায় উঠার উপক্রম। সবার পায়ের কদম যেন ওখানেই স্তব্ধ হয়ে যায়। সবাই শুধু অবিশ্বাস্য চোখে তাকিয়ে আছে সামনের দিক। আরিশের বাবা আরিশ কে দেখে আবেগকে ধরে রাখতে না পেরে চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে দৌড়ে যায় ছেলের কাছে, ততক্ষণে আয়ান ও প্রাণপ্রিয় বন্ধুর মত ভাইকে দেখে দৌড়ে গিয়ে আরিশ কে হাসিমুখে হাগ করে বলে-

‘ভাই তুমি দেশে ফিরেছো? আমার না নিজের চোখ কে বিশ্বাস হচ্ছে না।
‘অবিশ্বাসের কিছু নেই, আর ছাড় মেয়েদের মত একদম গা ঘেষাঘষি করবি না।
‘আমি মেয়েদের মতো ঘা ঘেষাঘেষি করি?

ওদের কথার মধ্যে সাফওয়ান খান যখন আরিশ কে জড়িয়ে ধরবেন তখন আরিশ আয়ান কে পাশ কাটিয়ে সামনের দিক হাঁটতে হাঁটতে ওর বাবার উদ্দেশ্যে বলল,

‘আয়ান উনাকে বলে দে,আমার কারো বাড়তি আদিখ্যেতার প্রয়োজন নেই।

সফয়ান খান আর কথা বাড়ালেন না, ছেলের যে উনার প্রতি গভীর রাগ ক্ষোভ জমে আছে সে বিষয়ে উনি আগে থেকেই অবগত। এবং কি তার ছেলেটা যে কতটা পরিমাণ জেদি তেরা সেটা এই সাত বছরে উনি ভালই বুঝেছেন, তাছাড়া এত বছর পর ছেলেটা নিজ ইচ্ছায় দেশে এসেছে তাই ওনি এখন বাড়তি ঝামেলা চান না। ছেলেটা না হয় কিছুদিন থাকুক, তারপর না হয় মানিয়ে নেওয়া যাবে। তবে আরিশ যে ওনাকে এড়িয়ে চলে এটা উনি বাপ হিসাবে মেনে নিতে পারেন না। দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে ছেলের যাওয়ার দিক তাকিয়ে রাদিফদের তারা দেয় বাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে।

বাড়ির ছেলে বাড়ি ফিরছে তাই মা চাচিদেরও রান্নাঘরে হরেক রকম রান্নার বৈহারী চলছে। কে কোনটা রান্না করে খাওয়াবেন সেটা নিয়ে তাদের ব্যস্ততা।

‘কিরে লেবুর শরবত টা কি বানিয়েছিস? ‘সানজিদা খান আরিশের আম্মু’
‘হ্যাঁ ভাবি সব হয়ে গেছে, এখন আমি একটু বসার ঘরের দিকে যাই। ওনারা নাকি অনেকক্ষণ আগেই এয়ারপোর্ট থেকে রওনা দিয়ে দিয়েছেন। আজ কত বছর ধরে আমার ছেলেটাকে দেখিনা, ‘লিমা খান রাদিফের আম্মু’

মেঝো জায়ের কথা শুনে বুকটা ধুক করে ওঠে সানজিদা খানের, ওনার ছেলেটা কে ও তো আজ ৭ টা বছর ধরে দেখেন না। মুহূর্তেই উনার চিবুক আগুন হয়ে যায়। দাঁত কিরমির করে মনে মনে ভাবে,আজ ওনার ছেলেটাও উনার কাছে থাকতো। ওনার ও বুকটা ভরা থাকতো, কিন্তু ওই মেয়েটার জন্য তার ছেলেটা আজ তার থেকে দূরে। সব ঐ অপয়া মেয়েটার জন্য। উনি মনে মনে এসব ভেবে শপথ করেন, যেই অপয়ার মেয়ের জন্য উনি ওনার ছেলেকে হারিয়েছেন। সেই মেয়েকে উনি কোনদিন শান্তিতে থাকতে দিবেন না। ওনার এসব ভাবার মধ্যে সেজ জা’ মেহজাবিন খান ও ছোট জা মোমেনা খানের মুখে খুশির আর্তনাদ ওনার কানে আসেন। রাদিফ রা চলে এসেছে। উনিও আর বেশি কিছু ভাবলেন না। শরবতের ক্লাস টা হাতে নিয়ে বসার ঘরের দিকে গেলেন।

দরজায় রাদিফ দের পাশাপাশি আরিশ কে বাসায় ঢুকতে দেখে, সানজিদা খানের হাত থেকে শরবতের ক্লাসটা ঠাস করে ফ্লোরে পড়ে টুকরো টুকরো হয়ে যায়। চোখের সামনে প্রাণপ্রিয় ছেলেকে দেখে। দীর্ঘদিন পর প্রাণপ্রিয় ছেলে বাড়ি ফিরায় ছুটে গিয়ে জড়িয়ে ধরে হাউ মাউ করে কান্না করে দেন। উনার মত ওনার বাকি জায়ের মুখের রিএকশনও প্রায় একই রকম। ওনারা হয়তো এটা আশা করেনি তাই। তারা কিছুক্ষণ সবাই মুখ চাওয়াচাওয়ি করে ছুটে যায় আরিশের কাছে। রাদিফ ও যে এত বছর পর দেশে ফিরেছে? সেটা যেন কারো মনেই নেই। সবাই ওকে রেখে আরিশ কে নিয়ে ব্যস্ত। কেউ শরবত খাওয়াতে ব্যস্ত কেউ আরিশ এত বছর দেশে ফিরনি কেন? এত রাগ ক্ষোভ কেন? তার এ বাড়ির উপর? সেটা জানতে ব্যস্ত। এসব দেখে রাদিফ কিছুটা বিরক্তি ভঙ্গিবা নিয়ে সোফায় বসে সবার এটেনশন নেওয়ার জন্য বলল,

‘আম্মু আমাকে এক গ্লাস লেবুর শরবত দাও। অনেক জার্নি করেছি।

ততক্ষণে সবাই আরিশ কে রেখে রাদিফের দিকে ঘুরে তাকায় ‌, ওদের আসতে দেখে রোদ রুমে থেকে দৌড়ে বসার এসে বলল,
‘আমি রুমের জানালা থেকে দেখলাম, আরিশ ভাইয়া এসেছে। কই সে? এদিক ওদিক তাকিয়ে।

রোদের কথা শুনে ওর আম্মু বলল,
‘এইতো আরিশ, পরে কথা বলবি আগে যা কিচেন থেকে রাদিফের জন্য লেবুর শরবত টা নিয়ে আয়।
রোদ হাসিমুখে মায়ের কথা মতো কিচেন থেকে লেবুর শরবত নিয়ে এসে রাদিফ কে দেয়।

বসার ঘরে সবার হইচই শুনে ইভা মনি ও সিঁড়ি বেয়ে নিচে আসে। নিচে এসে আরিশ কে দেখে ওদের মুখে হাসি ফুটে ওঠে। মনি দৌড়ে এসে রাদিফের পাশে বসে আহ্লাদি কণ্ঠে বলবো,

‘ভাইয়া আমার জন্য কি গিফট নিয়ে এসেছো?
‘এইতো ছোট আপু, তোমাদের সবার জন্য গিফট নিয়ে এসেছি।
‘সত্যিই?
‘হুম, তবে সবাই তো তোমরা এখানে, তাহলে ফারি আর জুথি কোই?
‘ফারি আপু তো রুমেই আছে, আর জুথি আপুর তো পরিক্ষা। সে তো পরীক্ষা দিতে গেছে।
‘ও হ্যাঁ আমি তো ভুলেই গেছিলাম। ওর এক্সাম শুরু হয়েছে।

ওর শব্দটা শুনে আরিশ তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে রাদিফের দিকে তাকায়, পরে ওভাবে তাকিয়ে কিছু একটা ভাবতে ড্রাবিল মার্কা বাঁকা হাসি দেয়,

রাদিফ সবাইকে একে একে সবার জন্য আনা উপহারগুলো সবাইকে দিয়ে দিল, সর্বশেষ বড় একটা বক্স ওর সামনের টেবিলটাই রেখে মোমেনা খানের দিক তাকিয়ে বলল,
‘মামনি এটা জুথির জন্য,ও আসলে এটা দিয়ে দিও।
‘ঠিক আছে দিয়ে দিব। – বিরক্তি ভঙ্গিমা নিয়ে।

ততক্ষণে ফারিও নিচে এসে ওর গিফট বুঝে নেয়, গিফট গুলো হাতে নিয়ে মনি ফারি দৌড়ে আরিশের সামনে গিয়ে বলল,
‘রাদিফ ভাইয়া তো এতগুলো গিফট দিল, তুমি আমাদের জন্য কোন গিফট আনোনি?

আরিশ মমতাময়ী মাকে বুকের কাছে থেকে সরিয়ে, মনির গাল দুটো টেনে বলল,
‘আনবো না কেন? আমিও সবার জন্যই গিফট নিয়ে এসেছি। একটু অপেক্ষা কর সবার গিফট দিয়ে দিচ্ছি।

রাদিফ আরিশের কথা শুনে মুখ ভেংচি দিয়ে মনে মনে বলল,
‘আসছে গিফট আনছি, আমাকে গিফট কিনতে দেখে গিফট কিনে এখন বাহাদুর সাজছে।

আরিশ সবার গিফট সবাইকে বুঝিয়ে দিয়ে উঠে রুমে যেতে নিলে ফারি বলল,
‘ভাইয়া তোমার মউয়ের জন্য কিছু আনোনি?

আরিশ কথাটা শুনল, তবে পিছন ঘুরে তাকালো না। নিজের মত করে রুমের দিক অন্য একটা টলি নিয়ে হন হন করে চলে গেল।

“যানজট হীন পরিবেশ, বৈশাখী রৌদ্রের গরমের উত্তাপে মানুষ প্রায় অতিষ্ট হয়ে গেছে। এত করা রোদ ধুলবালি ওরা পরিবেশ, মুহূর্তেই কালো মেঘে ঢেকে গেছে। ‌হবে না কেন? বৈশাখ মাস বলতে কথা, ধুম করেই যেন আকাশ জুড়ে কালো মেঘের হাতছানি। কিছুক্ষণ পরেই যেন ধুমছে বৃষ্টি নামবে, হলোও তাই। ধুম ধুম আকারে সর্বশক্তি নিয়ে যেন বৃষ্টি পৃথিবীর বুকে বর্ষিত হচ্ছে। জুথিও মাত্র পরীক্ষা দিয়ে পরীক্ষার হল থেকে বের হয়েছিল। এত বৃষ্টি দেখে একটা জায়গায় কিছুক্ষণ দাঁড়ায়। বৃষ্টি থামার জন্য। তবে ১.৩০ বেজে যাওয়ায় আর দাঁড়ালো না। হয়তো ৩০ মিনিট লেট হওয়াতেও মন্দ শুনতে পারে। তাই বৃষ্টির ভিতর ভিজে ভিজে বাড়িতে আসলো। কারণ আর দেরি করলে বাসায় এসে তাকে হাজারটা কথা শুনতে হবে, এবং কি মারও খেতে পারে। তাই সব কিছু চিন্তা করে এই সিদ্ধান্ত।

বাসায় এসে পরনের ভিজা জামা কাপড় তাড়াতাড়ি করে চেঞ্জ করে নেয়, এমনিতেই এই হঠাৎ বৃষ্টিতে এক লাগাদ দুদিন ভিজার কারণে ঠান্ডা লেগে গেছে। আজ আবারো ভিজলো। শরীর ঠিক থাকে কিনা কে জানে? পরীক্ষাগুলো আল্লাহ আল্লাহ করে ভালো ভাবে দিতে পারলেই হলো? মানুষের একটা না একটা দিক তো থাকে, তাকে সাপোর্ট করার জন্য। কিন্তু জুথির হয়তো সেই কপাল নেই। তাকে সাপোর্ট বা সেবা করার। তাই সে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে বিছানায় গা এলিয়ে দিল। ফারি রুমের বারান্দা দিয়ে জুথিকে বাসায় ভিজে ভিজে আসতে দেখে রুম থেকে বেরিয়ে দৌড়ে জুথির রুমে এসে হাজির হয়ে জুথি কে শুয়ে থাকতে দেখে বলল,
‘মৌ তোকে কতবার বলবো? তোর এখন পরীক্ষা চলছে, বৃষ্টিতে ভিজিস না ভিজিস না। এখন তো ঠান্ডা লাগিয়ে বসে আছিস। জ্বর আসলে তোকে দেখবে কে? তোর পরীক্ষা কে দিবে? – ফারি রাগীদৃষ্টি নিয়ে কোমরে হাত দিয়ে কথাগুলো বলল।

জুথি ফারির কথা শুনে সোয়া থেকে উঠে বসলো, কেউ তাকে ভালো না বাসলেও, ওকে সাপোর্ট না করলেও। এই একজন আছে যে ওকে সব সময় সাপোর্ট করে ভালোবাসে। তবে ও একা এটা বললে ভুল হবে ইভা সেও জুথিকে ভীষণ ভালোবাসে। এবং সব বিষয় তাকে সাপোর্ট করে। তবে ইভা জুথির আপন বোন হয়েও ওকে যতটা না ভালোবাসে তার থেকেও ফারি ওকে ঠিক তার থেকেও ভালোবাসে। তাই আবারও একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলল,
‘হয়েছে বাদ দে না, আমি ঠিক হয়ে যাব। আর পরীক্ষাও আমিই দিব। ও হ্যাঁ তোকে না কতবার বলেছি? ওই নামে আমাকে ডাকবি না?
‘হ্যাঁ সেটা তো আমি জানি, আপনাকে কোনো কথা বললে আপনি তো শুনেন না। তাই আপনাকে বললাম না। যাই হোক রাদিফ ভাই এসেছেন।
‘কিহহহহহহ, ভাইয়া চলে এসেছে? বলে রুম থেকে দৌড়ে যেতে নিলে ফারি আবার বলল,— সাথে আরিশ ভাইয়াও এসেছে।

ফারির বলা শেষ কথায় জুথির পা দুটো যেন ওখানেই থমকে যায়। আরিশের নাম শুনে,নিজের কানকে যেন বিশ্বাস করতে পারছে না। তার সমস্ত শরীর মধু কাঁপছে, তাই পুনরায় ফারির দিক ঘুরে অশ্রুসিক্ত চোখে ওর দিকে তাকিয়ে কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বলল,
‘তুই মিথ্যে বলছিস তাই না?

To be continue…

#Violent_love
Mariam_akter_juthi
#সূচনা_পর্ব ১

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here