#গল্প_তোর_কারণে_ফিরে_আসা
#পর্ব_২
#লেখিকা_ছায়ালিপি
তূবা চোখ খুলে তাকে তার ঘরে আবিষ্কার করে। তার ফ্যামিলির সবার চোখে চিন্তার চাপ, তূবার চোখ খুলা দেখে সবাই শান্তির নিঃশ্বাস ফেলে। তূবা জিজ্ঞেস করে আমি এখানে কিভাবে আসলাম আমি তো পানিতে ডুবে যাচ্ছিলাম।
নিলা: তোকে গালিব বাচিয়েছে আজ নিজের জীবন বাজি রেখে। সে নিজেও সাতার জানেনা, তবুও তোকে বাচাতে পানিতে নেমে পরেছে।
তূবা: আপু ঐ ভাইয়াটা কি এখন ঠিক আছে?
নিলা : হুম, তবে ওই সব নিয়ে চিন্তা করতে হবে না তুই রেস্ট নে।
তূবার বাবা: মামুনি এরকম ভূল আর করিও না মা, আমরা সবাই তোমাকে অনেক ভালোবাসি। তোমার কিছু হয়ে গেলে আমার কি হবে।
তূবা: সরি আব্বু,,! আর এমন ভুল হবে না।
কয়েক দিন পরে নিলার সব বন্ধু বান্ধবী দের দাওয়াত করোলো নিলার ফ্যামিলি। কারণ তাদের ছোট মেয়ের জীবন বাচিয়েছে তারা। তূবা আজ স্কুলে যায় নি, সে তার আম্মু আর আপুকে হেল্প করবে বলে বাসায় আছে। তূবা কিন্তু খুব শান্ত একটা মেয়ে, এবং সবার চোখের মনি। দুপুর ১২ টার দিকে সবাই চলে এসেছে। তূবা দূরে দারিয়ে দারিয়ে গালিব কে অনেক্ষন ধরে দেখছে। তূবার কেনো জানি গালিককে খুব ভালো লেগেছে।
গালিব যেনো কি ভেবে তূবার কাছে গেলো,
গালিব: কেমন আছো লিটিল বার্ড?
তূবা কিছু না বলে দৌড়ে ঘরে চলে গেলো। গালিব হতভম্ব হয়ে দারিয়ে থাকলো কিছুক্ষণ, তূবার মা এসে বললো কিছু মনে করো না বাবা ও একটু লাজুক তাই এমন টা করেছে। গালিব হেসে বসে পরলো। খাওয়া দাওয়ার পর্ব শেষ করে সবাই মিলে কিছুক্ষণ আড্ডা দিয়ে যে যার মত চলে গেলো।
তূবা স্কুলে তার ভাইয়ের সাথেই যায়, কিন্তু তার ভাইয়ের পরিক্ষা শুরু হওয়া এখন তার বাবার সাথে স্কুলে যায়। আজ স্কুল সে একা গিয়েছে, আর ছুটির পরে একা একা রাস্তার ধারে হাটছে। হঠাৎ পিছন থেকে কেউ ডাকলো লিটিল বার্ড, তূবা এই ডাকে খুব পরিচিত- তারাতাড়ি করে ঘুরে দাড়ালো।
তূবা: আরে ভাইয়া আপনি, কেমন আছেন?
গালিব: হুম ভালো আছি। বাসায় যাচ্ছো,চলো তোমাকে দিয়ে আসি।
তূবা : আমি একা যেতে পারবো ভাইয়া, আপনি আপনার কাজে যান।
গালিব: বড়দের কথা শুনতে হয় যানো না। তারাতাড়ি উঠে পরো।
তূবা আর কথা না বাড়িয়ে বাইকে উঠে পরে। গালিব তূবাকে বললো ভালো ভাবে ধরে বসো লিটিল বার্ড নাহলে পরে যাবে।তূবা চুপচাপ বসে থাকলো কিছু বললো না। তার যে হার্টবিট ধিরিম ধিরিম করছে এই বুঝি বেরিয়ে আসবে। কিছুক্ষণ এর মধ্যে তূবাদের বাড়িতে চলে আসলো। নিলা কি কারণে যেনো বাইরে দারিয়ে ছিলো – তূবা নেমে কিছু না বলে চলে গেলো। গালিব আর নিলা কিছুক্ষণ কথা বলে চলে গেলো।
তূবা ফ্রেশ হয়ে তার আম্মুর কাছে চলে গেলো, তার আম্মুকে বললো খিদে পেয়েছে খেতে দাও।তুই বোস আমি খাবার নিয়ে আসছি।তূবা খেয়ে নিজের রুমে চলে গেলো, সন্ধ্যায় তূবা পরতে পরতে খাতায় কিছু একটা লিখা শুরু করলো। পিছোন থেকে সেটা নিলা দেখতে পেয়েও কিছু বললো না’ মুচকি হেসে চলে গেলো। সবাই সবার মত ব্যস্ত, সময় সময়র মত চলে যাচ্ছে”-তূবা একটু করে গালিবকে পছন্দ করা শুরু করেছে, কিন্তু সেটা তার মনের মধ্যে আটকে রেখেছে। দুই দিন বাদে নিলার পরিক্ষা তাই কিছু কেনা কাটা করতে নিলা আর তূবা বাইরে বের হয়েছিলো। হঠাৎ নিলয়কে দেখতে পায়ে নিলা ডাকতে শুরু করে দেয়।। দুজনে গল্প করা শুরু করে, এদিকে তূবার ছোট চোখ দুটো যেনো গালিবকে খুজে যাচ্ছে’ পিছন থেকে তূবার কানের কাছে কেউ একজন এসে বলতে লাগলো লিটিল বার্ড কাউকে খুজছো তুমি?
তূবা হঠাৎ এমন ঘটনায় চমকে উঠে। আর ভয়ে চিল্লায় উঠে, নিলা এবং নিলয় দুজনি পিছনে ঘুরে দেখে তূবার কান্ড। দুজনেই তাদের কাছে আসে,নিলয় চোখের ইশারায় গালিবকে কিছু একটা বললো। গালিব তখন তূবাকে বলে’ লিটিল বার্ড পাশে একটা সুন্দর জায়গা আছে যাবে আমার সাথে? তূবা নিলার দিকে তাকায়, নিলা বলে যা ঘুরে আয় আমি নিলয় এর সাথে কেনা কাটা করে নিচ্ছি।
( নিলা আর নিলয় দুইজন দুইজনকে ভালোবাসে। টিনেজ লাভ হওয়াতে এটা গালিব ছাড়া কেউ জানেনা। তাই এত লুকো চুরি)
তূবা আর গালিব পাশাপাশি হাটছে, মনে হচ্ছে জিরাফ এর সাথে ছোট হরিণ ছানা যাচ্ছে। তাই তূবা নিজেকে একটু লম্বা বানানোর জন্য উপরের রাস্তায় উঠে হাটা শুরু করে, তা দেখে গালিব হাসতে শুরু করে। হাটতে হাটতে পায়ের সাথে পা লেগে পরে যেতে নিলে গালিব তূবাকে কলে তুলে নেয়। এতে তুবা একটু লজ্জা পায় কিন্তু মনে মনে খুশিও হয়। গালিবের ফোনে কল আসাতে তূবাকে সে তারাতাড়ি নামিয়ে দেয়, গালিব ফোনে অনেক হেসে হেসে কথা বলে। এদিকে তূবা যে একা বসে আসছে তার খেয়াল নেই সেটা’ তূবার অনেক রাগ হয় আর তাই সে একা একা হেটে হেটে চলে আসতে শুরু করে।
গালিব কথা বলা শেষ করে দেখে তূবা নেই, একা চলে যাছে গালিব দৌড়াতে দৌড়াতে বলে লিটিল বার্ড দারাও। তূবা কোনো কথা শুনেনা, গালিব পিছন থেকে হাত টেনে ধরে। এই মেয়ে কথা শুনো না, এভাবে একা কেউ চলে আসে।
তূবা: আপনি ফোনে ব্যস্ত ছিলেন তাই ডিস্টার্ব করতে চাইনি।
গালিব: রাগ করেছো?
তূবা: আমি কেনো রাগ করবো আপনার উপরে।
গালিব: আমার ছোট বোন ফোন দিছিলো, ও নানু বাসায় থাকে আজ বাসায় আসবে ও আমার থেকে৷ এসে কি কি নেবে সব কিছু কলছিলো।
তূবা মনে মনে খুশি হলো একটু, কিন্তু সেটা প্রকাশ করলো না। দুজনি আবার চলে আসলো। চারজন মিলে খাওয়া করে বাসায় চলে আসলো। আজ তূবা অনেক খুশি গালিব তার সাথে ছিলো সেটা ভেবে।
———————- ———————-
নিলার পরিক্ষা শুরু হয়ে যায়, তারা সবাই তাদের পরিক্ষা নিয়ে ব্যস্ত। এদিকে তূবার ছোট মনটা কেমন হাসফাস করছে গালিব কে দেখার জন্য। ১৫ দিন হচ্ছে তূবা গালিব কে দেখেতে না পেয়ে লেখা পড়া, খাওয়া, ঘুম সব চলে গেছে। তূবার বাবা মা জিগেস করলেও কিছু বলে না। নিলার কাছে মাঝে মাঝে এসে জানতে চায় নিলা বাইরে যাবে কি না তার বন্ধু দের সাথে ঘুরতে, আর গেলে যেনো তাকে সাথে করে নিয়ে যা। নিলা বলে আচ্ছা গেলে তোকে নিয়ে যাবো, নিলা পরিক্ষার জন্য তূবার কথায় ততটা মাথা ঘামায়নি। এভাবে দুই মাস কেটে গেলো, নিলাদের পরিক্ষা শেষ হয়ে গেছে। এই দুই মাসে তূবা তার পড়া লেখা আলমারিতে তালা মেরে রেখে গালিবের জন্য দেবদাস হয়ে গেছে। আজ কোচিং এ তূবার মাকে ডেকেছিলো, তূবার বিষয়ে কিছু বলার জন্য। তূবার মা বাড়িতে এসে কাউকে কিছু না বলে তূবাকে মারা শুরু করে, জিসান বাসায় থাকায় তার মাকে আটকায়। নিলা বাইরে থেকে এসে দেখে তূবা কান্না করছে। জিসান তখন নিলাকে এসে বলে আপু তূবা নাকি লেখা পরায় একদম মনোযোগ নেই। গত দুই মাস এ যত গুলো ক্লাস টেস্ট নিয়েছে সব গুলোতে রেজাল্ট খারাপ করেছে। তাই আজ আম্মুকে কোচিং এ ডেকেছিলো। নিলা এবার একটু ঘাবরে যায়’ নিলা তূবার রূমে যায় তূবাকে জিজ্ঞেস করার জন্য কিন্তু তূবা কিছুই বলে না। সেই সময় গালিব ফোন করে নিলাকে,নিলা ফোন রিসিভ করে–
নিলা: হ্যালো -গালিব বল কি হয়েছে।
গালিব: মিট করতে পারবি, জরুরি দরকার আছে একটু।
নিলা: আচ্ছা তুই দারা আমি আসছি।
ফোন কেটে দিলো তূবা বলে আপু আমিও তোর সাথে যাবো। নিলার কিছু একটা খটকা লাগলো’ কিন্তু সেটা তুবাকে বুঝতে দিলো না। নিলা বললো আচ্ছা চল-
তূবা খুশি মনে তিন চারটে জামা নিয়ে আসে নিলার কাছে এনে বলে আমি চুজ করে দে কোনটা পরবো, নিলা অবাক হয় তূবার এই পরিবর্তন দেখে। তবুও কিছু বলে না,একটা লাল কালারের জামা চুজ করে দিলো। দুই বোন রেডি হয়ে চলে গেলো, একটা পার্কে এসেছে দুই বোন সাথে সাথে নিলয় আর গালিবো এসেছে। আজ গালিব কে অতিরিক্ত সুন্দর লাগছে সাদা শার্ট সাথে ব্লক জিন্স চুলগুলো কপাল অব্দি। পিচ্চি তূবা ছোট একটা ঢোক গিল্লো। নিলার চোখ তা এরালো না-
নিলা: কেনো ডেকেছিস এখানে, আর সাথে অকে এনেছিস কেনো। একা আস্তে পারিস না।
গালিব: তোর সাথে নাকি কি কথা আছে তুই ওর ফোন ধরছিস না তাই আমাকে বললে বললো।
নিলা: আমার কারো সাথে কোনো কোথা নেই। তুই থাক আমরা গেলাম তূবা চল।
নিলয় নিলার হাত ধরে কিছু বলতে যাবে তূবাকে দেখে কিছু নাবলে নিলয় এর সাথে চলে যায়।
গালিব: কেমন আছো লিটিল বার্ড? তোমাকে তো আজ অনেক প্রিটি লাগছে।
তূবা: ধন্যবাদ! গালিব ভাইয়া আপনি আমাকে বিয়ে করবেন,,!
গালিব কেশে উঠলো, হঠাৎ এমন কথাতে। গালিব কি বলবে বুঝতে পারলো না’ তাই তূবাকে বললো লিটিল বার্ড তোমার বয়স কত?
তূবা বলে আমার বসয় ১১, তাতে কি আমি শুনেছি বয়স দেখে প্রেম বিয়ে হয় না। শুনেছি আগে অনেক ছোট থেকে বিয়ে দিয়ে দিতো।
গালিব: বুঝলাম, কিন্তু আমাকে কেনো বিয়ে করতে চাও।
তূবা: তাহলে আপনাকে সব সময় দেখতে পাবো। আপনার সাথে কথা বলতে পারবো।
গালিব : সেটা তো এখনো বলছি আমরা।
তূবা: আমি ওত কিছু জানিনা আপনি আমাকে বিয়ে করবেন কি না সেটা বলেন।
গালিব: তুমি জানো আমি তোমার কত বছরে বড়, জানো না তো আমি তোমার থেকে ৯ বছরে বড়।
তূবা: আপনি ভেবে আমাকে জানাইয়েন এখনই কিছু বলতে বলছি না।
———————- ———————-
———————- ———————-
এদিকে নিলয় কে মারতে শুরু করে দিয়েছে নিলা, তাদের ঝামেলা লেগেছে নিলয় এর এক কাজিনকে নিয়ে। নিলা জানতে পেরেছে নিলয় তার কাজিনকে ভালোবাসে। সেটা নিয়ে তাদের ঝামেলা ‘ নিলয় কিছুতেই বুঝাতে পারছে না এটা তাকে। নিলা তো একের পর এক ঝারি দিতেই আছে-
নিলা: তোর মত লুচ্চা বেডার সাথে আমি আর রিলেশন রাখবো না, তোর সাথে ব্রেকআপ। আমাকে আর জীবনের কোনো দিন ফোন দিবি না। বলে সামনে দিকে হাটা শুরু করলো।
নিলয় কান্নারত গলায় নিলা বলে ডাক দেয়, তার পরে আর কিছু শুনা যায় না।নিলা পিছনে ঘুরে দেখে নিলয় মাটিতে পরে আছে’ নিলা দৌড়ে যায় নিলয়ের কাছে গিয়ে নিলয়ের মাথাটা নিলা কলে তুলে নেয় আর কান্না শুরু করে দেয়। এই নিলয় কি হলো তোমার কথা বলছো না কেনো!! আমি কোথাও যাবো না তোমাকে ছেরে,কোনো দিন যাবো না। চোখ খোলো প্লিজ’ আমি সারাজীবন তোমার পাশে থাকবো।
নিলয় চোখ বন্ধ করে বললো সত্যি বলছো তো, নিলা এবার চুপ হয়ে যায়’ আর নিলয়র বুকে মারতে শুরু করে। নিলয় নিলাকে জরিয়ে ধরে। আর সরি বলে, সব কিছু খুলে বলে’ সব বুঝতে পেরে নিলা তার ভুল বুঝতে পারে।
———————- ———————- ———————- ———————-
গালিব অনেক কিছু বুজিয়েছে তূবাকে কিন্তু তূবা অবুঝের মত মুখ ঝুলিয়ে বসে আছে। একটু পরে কান্না শুরু করে দেয়’ গালিব তখন কান্না থামানোর জন্য বলে আচ্ছা আমি ভেবে দেখব,তারপরে জানাবো তোমাকে!!
একটু পরে নিলয় আর নিলা হাসি মুখে আসে তাদের কাছে,
গালিব স্বাভাবিক ভাবে বলে তোদের কথা বলা শেষ, তাহলে এবার চল। গালিব আর নিলয় চলে গেলে নিলা দেখে তূবা অনেক খুশি ‘ মনে হচ্ছে অনেক দিনের আশা আজ পূরণ হয়েছে।নিলা আর কিছু বললো না দুজনেই বাড়ি চলে গেলো, বাড়ি গিয়ে যে যার রুমে চলে যায়। দুই দিন পরে তূবা লুকিয়ে গালিব কে মেসেজ দেয় তার মায়ের ফোন থেকে। গালিব প্রথমে বুঝতে পারে না। পরের মেসেজ এ তূবা তার নাম মেনশন করে। সেটা দেখে গালিব হাসতে থাকে ‘ গালিবের হাসি দেখে নিলয়, সাগর, সুমা,নিলা সবাই বলে কি রে কি দেখে এত হাসছিস।
সাগর : কার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছিস?
নিলয় : কিরে মামা তোর কোন গার্লফ্রেন্ড মেসেজ দিলো দিখি আমি।
গালিব এবার নিলার দিকে তাকালো একবার, নিলয় বলে আরে অকে দেখের কি আছে। নিলা মনে হয় কিছু একটা আন্দাজ করতে পেরেছে তাই গালিবকে বললো তোর সাথে কিছু কথা আছে সাইডে আয়-
নিলা: তূবা মেসেজ করেছে তাই না।
গালিব: অবাকের শেষ সিমান্তে’ মনে মনে বলবো এই পিচ্চির কি মাথা গেছে।
নিলা: যেখ গালিব জানিনা কথা বলাটা ঠিক হবে কি না’ আমি অনেক দিন ধরে একটা জিনিস লক্ষ্য করেছি তূবা তোর প্রতি ভালোলাগা। একদিন দেখি তূবা ওর খাতায় তোর নাম লিখছে, তার পরে তকে দুই মাস না দেখে লেখা, পড়া, খাওয়া কিছু ঠিক মত করছে না। আম্মু তো সেদিন মার পর্যন্ত দিয়েছে।
কথা গুলো শুনে গালিবের ঘারের রগ গুলো মোটা হয়ে গেছে।এই পিচ্চি মেয়ে এত টুকু বয়সে এত কিছু ভেবে ফেলেছে, গালিব নিলাকে বললো আচ্ছা আমি অকে বুঝিয়ে বলবো তুই টেনশন করিস না। গালিব বলে কালকে স্কুলে যেও না তোমার সাথে আমার কথা আছে ‘ তোমাকে নিয়ে ঘুরতে যাবো।
চলবে………..

