গল্প_তোর_কারণে_ফিরে_আসা #পর্ব_১৮

0
43

#গল্প_তোর_কারণে_ফিরে_আসা
#পর্ব_১৮
#লেখিকা_ছায়ালিপি

(মিনি রোমান্টিক)

গালিব তূবা বাড়িতে আসে, গালিব তূবাকে প্যাইন কিলার খাইয়ে দিলো,

গালিব: তুমি রেস্ট করো, আমি কলেজে গেলাম।

তূবা: আজ না গেলে হয় না।

গালিব: তুমি ঘুমিয়ে পড়ো আমি তারাতাড়ি চলে আসবো প্রমিস।

গালিব চলে গেলো কলেজে, তূবা একা একা শুয়ে ফোন টিপছে, কালকের কথা গুলো মনে করে আসছে। তার রাজকুমার তাকে নিজের করে নিয়েছে এর থেকে বেশি পাওয়া আর কি আছে।

——————————————————————————————————–

অনির জিসানের কথা খুব মনে পরে, কিন্তু কি করবে জিসান তো তাকে ইগোনর করে সব সময়, আজ খুব মনে পরছে তার তাই সে ফোন দিলো জিসান কে প্রথম বার রিং হয়ে কেটে গেলো। দ্বিতীয় বার আবার ফোন করলো কেটে গেলো, আর ফোন করলো না। ক্লাসে মনোযোগ দিলো, তূবা ক্লাসে আসেনি তাই আরো বেশি মন খারাপ। অনি তূবাকে মেসেজ দিয়ে না আসার কারণ জানতে চাইলে তূবা বলে একটু অসুস্থ তাই আসতে পারেনি।

অনি ফোন সাইলেন্ট করে ক্লাস করা শুরু করলো, শেষ ক্লাস গালিবের, গালিব ক্লাসে এসে পড়ানো শুরু করলো আজ গালিব আগের মত গম্ভীর না আজ মন ফুরফুরা হাসি খুশি, আর মেয়েরা গালিবের এই লুক দেখে আবার ক্রাস খেয়ে বসে।

ক্লাস শেষ করে গালিব রুম থেকে বের হয়ে যায়। তার পিছু পিছু কয়েকটা মেয়ে গিয়ে বলে-

গার্লস গ্রুপ: স্যার একটা কথা ছিলো-

গালিব: হ্যাঁ বলো,

গার্লস গ্রুপ : স্যার আপনার কি কোনো গার্লফ্রেন্ড আছে?

গালিব: না গার্লফ্রেন্ড নেই,

মেয়েরা এই কথা শুনে খুব খুশি হয়ে যায়-

গালিব: গার্লফ্রেন্ড নেই তবে ছোট একটা বউ আছে আমার।

গার্লস গ্রুপ : কিন্তু আপনার পরিচয়ের ঐখানে তো সিংগেল দেয়া আছে।

গালিব: ঐটা আপডেট করা হয় নি।

গালিব চলে গেলো, মেয়েরা মন খারাপ করে চলে গেলো। দূর থেকে অনি সবটা শুনেছে। তাই এই কথা গুল তূবাকে মেসেজ দিয়ে বললো, ফোন করেছিলো কিন্তু ফোন তুলেনি।

গালিব বাড়ি এসে দেখে তূবার শরীর জ্বরে পুরা যাচ্ছে। অনেক জ্বর –

গালিব: একটা বার ফোন করা যেতো না আমাকে, আমি চলে আসতাম

তূবা: একটু আগেই এসেছে তাই ফোন করিনি।

গালিব ডক্টর কে ফোন করে আসতে বললো, ডক্টর এসে তূবাকে চেক করে গালিবকে বাইরে ডেকে নিয়ে গেল।

ডক্টর : আপনারা প্রথম ইন্টিমেট হয়েছিলেন আমার মনে হয়।

গালিব: জ্বি ডক্টর!

ডক্টর : উনার ফাস্টটাইম হওয়াতে একটু জ্বর এসেছে ব্যাথার কারণে, আমি ঔষধ লিখে দিচ্ছি এগুলো খেলে রাতের মধ্যেও জ্বর কমে যাবে।

ডক্টর ঔষধ লিখে দিয়ে চলে গেলো,গালিব গিয়ে ঔষধ নিয়ে এসে তূবা কে খাইয়ে দিলো। গালিব তূবার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে,

তূবা: আপনি অনেক পচা-

গালিব: কেনো সুইটহার্ট আমি কি করলাম?

তূবা: কি করেন নি সেটা বলেন, আমাকে ব্যথা দিয়েছেন কষ্ট দিয়েছেন।

গালিব: কে যেনো বলেছিলো আমি আনরোমান্টিক ( ভ্রু নাচিয়ে বললো)

তূবা: আ…আপনি তাহলে সব শুনেছিলেন?

গালিব: জ্বি ম্যাডাম সব শুনেছি, কিন্তু পারমিশন ছিলো না বিধায় আপনি সেদিন বেচে গেছেন।
আপনার প্রতিটা লুক আমাকে প্রতিবার নতুন করে পাগল করে তোলে, নিজেকে কত কষ্ট সামলাতে হয় জানেন।

তূবা: কেনো কষ্ট হয়? কোথাও কষ্ট হয়।

গালিব তূবার হাত নিজের বুকে রেখে বলে এখানে কষ্ট হয় বিবিজান!

নিলা ফোন করেছে গালিব উঠে চলে গেলো কথা বলতে

নিলা: কেমন আছে তূবা এখন?

গালিব: জ্বর এসেছে, ঔষধ খাইয়ে দিয়েছি এখন ঠিক আছে।

নিলা: ভাই নিজেকে কন্ট্রোল করিস একটু প্লিজ।

গালিব: এই তোর সমস্যা কি বল তো, সেদিন বললি নিজের করে নে আর এখন যখন নিজের করে নিলাম তখন বলছিস কন্ট্রোল করতে, পারবো না আমি।
তোর বোনকে সামলাতে হবে আমাকে।

গালিব ফোন কেটে দিলো, গালিব যতই মুখে বলুক কিন্তু সে নিজেও চাইছে না আর তার ছোট বউটাকে এতটা কষ্ট দিতে।

তূবা ফোনে অনির মেসেজ দেখে হাসতে হাসতে শেষ, সেই সময় গালিব ভেতরে ডুকে,

গালিব: কি দেখে এভাবে হাসছো?

তূবা: স্যার আপনার নাকি ছোট একটা বউ আছে শুনলাম।

গালিব : তোমাকে এই সব কে বললো?

তূবা: কে আবার আমার ননদিনী।

গালিব তূবাকে বলে আমার বউ আর ছোট নেই এখন সে বড় হয়ে গেছে। তোমার শরীর এখন কেমন লাগছে?

তূবা: এখন একটু ভালো লাগছে,

গালিব: ঘুরতে যাবে আমার সাথে, বিয়ের পরে তো আমরা এখন এক সাথে ঘুরতে বের হইনি।

তূবা: আজ না, অন্য দিন বের হই।

গালিব: অকে তোমার ইচ্ছা।

গালিব কাউকে কিছু একটা মেসেজ দিলো দিয়ে তূবার সাতথে আবার গল্প করতে বসে গেলো।

১ ঘন্টা পরে কেউ কলিং বেল বাজালো, গালিব গিয়ে খুলে দিয়ে আসলো। দুইজন তূবার রুমে গিয়েছে, তূবা গালিবের সাথে পাশের জনকে দেখে চোখ মুখ অন্ধকার করে দিলো।

মনি: কেমন আছেন ভাবি? আমি মনি গালিব ভাইয়ার ফুফুর মেয়ে, কালকে তো আপনার সাথে কথাই হলো না।

তূবা: মন খারাপ করে, জ্বি ভালো আছি! আপনি কেমন আছেন?

মনি: আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। ভাবি এই নিন আমার বিয়ের কার্ড, প্রথম কার্ডটা ভাইয়া আর আপনাকে দিলাম। কারণ আজ ভাইয়ার জন্য আমি আমার জীবন সংগী কে পেয়েছি।

তূবা গালিবের পাশে চেয়ে আছে, গালিব তূবার চোখের ভাষা বুঝতে পেরে একবার চোখ মারলো তূবাকে।

তূবা: (আমি সব সময় শুধু ভুল বুঝে যাই আপনাকে) তূবার কেমন অনুশোচনা হচ্ছে।

মনি: ভাবি আপনারা দুইজন কিন্তু অবশ্যই আসবেন,

তূবা কার্ডটা নিয়ে খুলে দেখে আর মাত্র তিন দিন তারপরে বিয়ে,

তূবা: বিয়ের তো আর বেশি দেরি নেই, এত তারাতাড়ি বিয়ে।

মনি : আমার জামাইয়ের ছুটি নেই সে আবার চলে যাবে তাই তারাতারি, আবার সামনে রোজা আবার, আর আম্মুর মন বদলানোর আগে বিয়ে সেরে নেয়াই ভালো।

গালিব শুধু নিরব দর্শক, সে শুধু তূবাকে দেখছে। আর তূবা গল্পের মাঝে মাঝে গালিবকে দেখে লজ্জা পাচ্ছে।

মনি বিদায় নিয়ে চলে গেলো, গালিব তূবার কাছে এসে বললো-

গালিব: ম্যাডাম এবার খুশিতো, আমি শুধুই আপনার আপনাকে ছাড়া আমার এই পৃথিবী অন্ধকার।

তূবা: গালিবের কাছে এসে গালিবকে জরিয়ে ধরলো।

গালিব: সুইটহার্ট এভাবে ধরনা আমার কেমন কেমন লাগছে।

তূবা: কেমন লাগছে?

গালিব: আদর আদর পাচ্ছে খুব।

তূবা: যা দুষ্টু,

তূবা ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিতে যাচ্ছিলো, গালিব সেই সুযোগ না দিয়ে তূবার ঠোঁটে ডুব দেয়, তূবা গালিবের বুকে কিল ঘুশি মারতে থাকে, গালিবের বিরক্ত লাগছে বলে তূবার হাত দুটো পিছনে করে ধরে রাখে। ১৫ মিনিট পরে ছেরে দেয়,

তূবা: জরে জরে নিশ্বাস নিচ্ছে,

গালিব: বেইবি সামথিং নিড,

বলে তূবার কাছে যাচ্ছিলো, তূবা নিচে নেমে দৌর দেয় পাশের রুমে গিয়ে দরজা আটকে দেয়।

গালিব: দরজাটা খুলো সুইটহার্ট!

তূবা: না আমার ভয় করছে!

গালিব: দরজা খুলো আমি তোমার সাথে থাকলে তোমার ভয় লাগবে না।

তূবা: আপনাকেই তো আমি ভয় পাচ্ছি!

গালিব: আমাকে ভয় পেয়ে কি হবে সুইটহার্ট, আমার কাছে তো তোমাকে ধরা দিতেই হবে।

তূবা: আমি জানি আ….আপনি এখন ঐসব……..

তূবা আর কিছু বলতে পারলো না দরজা খুলে গেলো

তূবা: এই আপনি ভিতরে আসলেন কি করে আমিতো দরজা লক করে দিয়েছিলাম।

গালিব: সুইটহার্ট এটা আমার বাড়ি, সো বাড়ির সব কিছুই আমার জানা। তোমার মনের লক ভেঙে তোমার মনে ডুকে পরেছি আর সামান্য দরজা খুলতে পারবো না এটা কোনো কথা বললে তুমি।

তূবা ভে ভে করে কান্না শুরু করে দেয়,

গালিব: বাবু….বাবু…. সরি আমি জাস্ট মজা করছিলাম তোমার সাথে, আমি কিছু করবো না এখন। চলো ঘুমাবো আমার দুইদিন ঘুম হয়নি ঠিক মত চলো এক সাথে ঘুমাবো।

তূবাকে কোলে তুলে নিয়ে বেডরুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পরলো, তূবাও লক্ষী মেয়ের মত ঘুমিয়ে পরলো।

সন্ধ্যায় তূবার ঘুম ভেঙে যায় খিদে লাগাতে, গালিব তখনো ঘুমাচ্ছে। তূবা কিচেনে গিয়ে নুডুলস রান্না করে সাথে কফি বানিয়ে উপরে যায়।

তূবা: এই যে জামাই জান উঠুন!

গালিবের কোনো নর চর নেই, তাই তূবা গালিবের দিকে একটু ঝুকে ডাকতে যাবে। গালিব টেনে নিয়ের বুকে নিয়ে নেয় তূবাকে।

গালিব: এভাবে ডাকলে তো, আমি কন্টোললেস হয়ে যাবো সুইটহার্ট।

তূবা: অসভ্য মানুষ একটা সব সময় ঠোঁট কাটা কথা বলে লজ্জা দেয়।

খেয়ে নিন, আমার খুব খিদে পেয়েছে। দুইজন খাওয়া শুরু করে খাওয়ার মাঝে তূবা বলে-

আমি কালকে কিভাবে কলেজে যাবো এই দাগ গুলোতো এখনো বুঝা যাচ্ছে।

গালিব আমার কাছে একটা আইডিয়া আছে, তারাতাড়ি খেয়ে নাও।

খাওয়া শেষ করে তূবাকে একটা ওরনা দিয়ে হিজাব এর মত করে বেধে দিলো,

গালিব: বাহ বেশ সুন্দর লাগছে তো বউ,তুমি চাইলে এভাবে যেতে পারো তোমার ইচ্ছা।

তূবা: আপনার কি ভালো লেগেছে আমার এই লুকে?

গালিব: তোমার সব লুকেই আমি তোমার উপরে ফিদা। আর হিজাব পরে চলাফেরা করলে তোমার সেফটি, আর আমার জন্য ভালো আমার বউ এর চুল আর কেউ দেখতে পারবে না।

তূবা: আচ্ছা সেটা না হয় পড়লাম কিন্তু আমার যে হিজাব নেই।

গালিব তূবার হাত ধরে নিচে নিয়ে যাচ্ছে

তূবা: আরে কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন?

গালিব: চুপ কথা বলো না! আমার সাথে চলো।

গালিব শপিং মল এ এসে গাড়ি দার করালো দুইজন শপিং মল এর ভিতরে গিয়ে প্রথমে কাপর দেখতে ডুকলো-

গালিব: সুইটহার্ট তোমার যা মন চায় নিয়ে নাও।

তূবা কিছু না বলে আঙুল ফুটাচ্ছে, গালিব বুঝিতে পারে তূবা নারভাস ফিল করছে, তাই গালিব দেখা শুরু করলো একটা করে ড্রেস তূবার সামনে ধরছে আর এক জায়গায় রেখেদিচ্ছে।

ঐগুলো রেখে জুতার সেক্টর এ গেলো, এক জোরা জুতা পছন্দ করে গালিব, স্যালস ম্যান তূবাকে জুতা পরিয়ে দিতে যাচ্ছিলো, গালিব স্যালস ম্যান এর থেকে জুতা নিয়ে নিজেই তূবাকে পরিয়ে দেয়। গালিব প্রতিটা জুতা পরিয়ে পরিয়ে দেখচ্ছে যেটা যেটা তার চোখে ভালো লেগেছে সব গুলো নিয়ে নিয়েছে।

তূবা: আপনি আমার পায়ে কেনো হাত দিচ্ছেন আমার তো পাপ হবে।

গালিব: তোমার পূরোটাই আমার সম্পত্তি সো আমার যেখানে খুশি আমি হাত দিতে পারি, এতে পাপের কিছু নেই। এখন হয়তো হাতে তুলে নিয়েছি পরে হয়তো কাধে তুলে নিবো।

তূবা: নিলজ্জ বেহায়া মানুষ একটা, যেখানে সেখানে পচা কথা বলা শুরু করে দেয়।

জুতা দেখা শেষ করে

এবার গালিব ওয়েস্টার্ন ড্রেস এর দিকে গেলো তূবাকে কিছু টপ্স দেখালে তূবা বলে আমি এগুলো নিবো না,

গালিব: কেনো?

তূবা: আমি আর এই ড্রেস পরতে চাইনা তাই, আর হিজার এর সাথে ভালো লাগবে না এই সব।

গালিব: সুইটহার্ট এইগুলো তুমি বাসায় পরবে আমার সামনে। নট পাব্লিক প্লেস।

গালিব আর তূবা এবার হিজাব দেখতে গেলো, প্রতিটা ড্রেস এর সাথে মেচিং করে একটা করে হিজাব দিতে বললো।

তূবা: এত কিছু একদিন এ নেয়ার কি খুব প্রয়োজন ছিলো।

গালিব: শুনেছিলাম বউরা স্বামীর টাকা পাইলে উরায় কিন্তু আমার বউ তো উরাচ্ছে না তাই আমি তাকে হেল্প করছি।

শপিং শেষ করে তূবার কপালে হাত এক গাদা শপিং বেগ,

তূবা: এত সব কিছু কি শুধু আমার জন্য,

গালিব: না আমার আর একটা বউ আছে বাসায় তার জন্য নিচ্ছি।

তূবা এমন উত্তরে চুপ হয়ে যায়, শপিং শেষ করে বাড়ি এসে ডিনার শেষ করে তূবা রুমে আসে। গালিব বেডে শুয়ে তূবার জন্য অপেক্ষা করছে।

গালিব: বেইবি এত লেট করলে কেনো?

তূবা: দেখেন আপনি এখন দুষ্টুমি করলে আমি কিন্তু অন্য রুমে ঘুমাতে যাবো।

গালিব: এখনো তো কিছুই করলাম না তাতেই হুমকি দেয়া শুরু করে দিলে,

গালিব তূবার কাছে আসছে আর তূবা পিছনে পিছাচ্ছে। তূবা দরজা খুলে ভো দৌর দিলো গালিব পিছন থেকে তূবাকে তুলে নেয়।

তূবা: লজ্জা লাগে না আপনার এই সব করতে!

গালিব: কাল রাতে তোমার লজ্জা লেগেছিলো বাইবি!!

তূবা: ভয় করছে আপনার এই বেসামার ভালোবাসা গুলো।

গালিব: ভয় পেলে আমার সাথে থাকবে কি করে।

গালিব তূবাকে নিয়ে বেডে শুয়ে দিয়ে কিস করতে থাকে। তূবা সারা পাচ্ছিল না, তাই গালিব আরো ডিপলি কিস করা শুরু করে এবার তূবা গালিবকে কিল ঘুশি মারা শুরু করে দেয়।

গালিব তূবার হাত নিজের হাত দিয়ে চেপে ধরে হিসহিসিয়ে বলে-

গালিব:বেইবি ডিস্টার্ব করো না, তুমি যত আমাকে ডিস্টার্ব করবে আমি ততই বেসামাল হয়ে যাবো, তাই বলছি বানোর ছানার মতো না লাফালাফি করে আমার সাথে কন্টিনিউ করো কাম অন-

গালিবের বেসামাল ভালোবাসা নিজেকে আর ধরে ধরে রাখতে না পেরে তূবা গালিবের ডাকে সারাদেয়,

গালিব বিজয়ের হাসি দিয়ে গভির ভালোবাসায় ডুবে যায়।

সকাল ৮ টা বাজে, গালিব ঘুম থেকে উঠে

তূবা: আজ আপনি লেট করেছেন।

গালিব: হুম, সারারাত বেডে পরিশ্রম করেছি তাই।

তূবা: নিলজ্জ বেহায়া মানুষ, সব সময় এই সব কথা লেগেই থাকে আপনার মুখে,

তূবা বেড থেকে উঠে দারায় গালিবের একটা শার্ট পরে আছে সে, কাবাট থেকে কাপর নিয়ে বাথরুমে পা বাড়ালে গালিব পিছন থেকে এসে কোলে তুলে নেয়।

গালিব: সুইটহার্ট বলেছিলাম না এখন থেকে এক সাথে শাওয়ার নিবো।

চলবে……

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here