#গল্প_তোর_কারণে_ফিরে_আসা
#পর্ব_১৯
#লেখিকা_ছায়ালিপি
শাওয়ার শেষ করে তূবা রেডি হয়ে নিলো কলেজের জন্য, দেরি হয়ে যাওয়ার কারণে আজ ব্রেকফাস্ট করা হল না, গালিব তূবাকে পিছন থেকে জরিয়ে ধরে,
গালিব: বিবিজান আপনাকে আজ অন্য রকম সুন্দরী লাগছে।
তূবা: এত সুন্দর কথা গুলো একটু পরে রুড ব্যাবহার এ পরিনত হবে।
গালিব: কেনো বিবিজান এই কথা বলছো!
তূবা: কলেজ এ গেলে তো আপনি চেঞ্জ হয়ে যান আমার খুব কষ্ট হয় তখন।
গালিব: আচ্ছা আজ থেকে তোমাকে স্পেশাল ট্রিট করবো অকে।এখন চলো দেরি হয়ে যাচ্ছে,
কলেজে চলে গেলো দুইজন যাওয়ার পথে গালিব সুন্দর ভাবে তূবাকে বুঝিয়ে বলেছে কোনো ছেলের সাথে যেনো কথা না বলে,
ক্লাসে অনি বসে আছে তূবাকে দেখে এক ঝলক হেসে দিলো,
অনি: কেমন আছো ভাবি? তোমাকে তো এই ভাবে অনেক সুন্দর লাগছে। এই রূপের রহস্য কি?
তূবা: ভালো আছি তুমি কেমন আছো? এই রুপের রহস্য তোমার ভাইয়া।
অনি: ভালো নেই তোমার ভাই যেনো আমাকে দিন দিন পাগল করে দিচ্ছে এই কয়েকদিন অনেক বার ফোন দিয়েছি আমার ফোন একটা বার ও রিসিভ করেনি। একটু কথা বললে কি এমন ক্ষতি হয় কে যানে।
তূবা: আচ্ছা দারাও আমি ফোন দিচ্ছি,
তূবা জিসান কে ফোন করলো,
জিসান: কেমন আছিস বোন?
তূবা: আসালামু আলাইকুম ভাইয়া, আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
জিসান: ওয়ালাইকুম সালাম, মাশায়াল্লাহ আমার বোনকে হিজাবে আজ অনেক সুন্দর লাগছে।
তূবা: ধন্যবাদ ভাইয়া,
অনির খুব কষ্ট হলো, সে ব্যস্ত থাকলে নিশ্চয়ই তূবার ফোন রিসিভ করতো না কিন্তু সেতো তূবার ফোন সুন্দর করে রিসিভ করলো।
তাহলে আমাকে ইগোনর করে সে, আমাকে কি একটুও ভালবাসে না।
তূবা ফোন কেটে ফোন বেগে রাখতে যাবে সেই সময় গালিব মেসেজ দেয়,
গালিব: অনি সহ ক্যান্টিনে চলে আসো।
তূবা: কেনো স্যার কি প্রয়োজন?
গালিব: ম্যাডাম কিছু যে খান নি, খেতে হবে তো কিছু।
তূবা: আমার বয়ে গেছে কলেজে আপনার সাথে খেতে।
গালিব: সেই জন্য অনিকে সাথে নিয়ে আসতে বলেছি, না খেয়ে অসুস্থ হয়ে পরলে আমাকে সামলাবে কি করে।
তূবা আর কোনো রিপ্লাই দিলো না, খেতেও গেলো না। ৫ মিনিট এর বেশি হওয়াতে গালিব নিজেই ক্লাসে চলে এসেছে
তূবাকে মেসেজ দিয়েছে সে না আসলে ক্লাস থেকে কলে করে নিয়ে আসবে হুমকি দিয়েছে। কিন্তু তূবা ফোন বেগে রাখায় সে মেসেজ দেখেনি।
কোনো কিছু না বলে তূবাকে কোলে তূলে নিয়ে ক্লাস থেকে বের হয়ে যায়।
তূবা: আরে কি করছেন কি এত গুলো লোকের সামনে এভাবে কেনো কোলে তুলে নিয়েছেন মানুষ কি বলবে।
গালিব: আমি তো কারো পারসোনাল জিনিজ কলে তুলিনি, আমি আমার পারসোনাল সম্পতি কে কলে তুলেছি। আর তুমি যদি ঠিক টাইমে চলে আসতে তাহলে এই সব কিছুই হত না।
গালিবের এমন কান্ডে সবাই গালিবের দিকে হা হয়ে তাকিয়ে আছে। তূবা লজ্জায় চোখ বন্ধ করে আছে, আর দুইজরা চোখ তাকে দেখছে।
গালিব ক্যান্টিনে গিয়ে তূবাকে নামিয়ে দিলো, দুইজন খাবার খাওয়া শেষ করে যে যার কাজে চলে গেলো। তূবা ক্লাসে ডুকার পরে সবাই তার দিকে কেমন করে তাকিয়ে আছে।
গার্লস গ্রুপ : কিছু কিছু মেয়ে দেখি হ্যান্ডসাম স্যার দেখলেই লেপ্টা লেপ্টি শুরু করে দেয়। ছি! আমাদের আবার এরকম সভাব নেই।
তূবা চুপ চাপ চলে আসে কোনো জবাব না দিয়ে, কিন্তু অনি ঠিকি উওর দিয়ে দেয়।
অনি: লেপ্টা/লেপ্টির সভাব না থাকিলেও অন্যার হাজব্যান্ড কে কিভাবে পটিয়ে নিতে হয় সেটা তোমাদের ভালো করেই জানা আছে।
গার্লস গ্রুপ : মুখ সামলে কথা বলো অনি, নিজেকে কি ভাবো তুমি।
অনি: নিজেকে হ্যান্ডসাম ভাইয়ের বোন মনে করি, এর থেকে আর ভালো কিছু আর মনে পরছে না। আর হ্যাঁ যাকে তোমরা আজে বাজে কথা বললে এতক্ষণ সে তোমাদের Ak স্যার এর বউ।
গার্লস গ্রুপ : তূবা আবরার স্যার এর বউ।
অনি চলে আসে সেখান থেকে, সায়াম সব কিছু শুনে কেমন জানি রাগে ফুসছিলো। স্যার ক্লাসে আসায় সবাই সাইলেন্ট হয়ে যায়। সবার ক্লাস শেষ করে গালিব এর ক্লাস শুরু করে, আজ আর কেউ দুষ্টুমি করে না গালিব সুন্দর ভাবে ক্লাস নিয়ে চলে যায়। ক্লাস শেষ হওয়াতে তূবা আর অনিও ক্লাস থেকে বের হয়ে যায়, সায়েম পিছন থেকে তূবাকে ডাক দেয়, তূবা শুনেও না শুনার ভান করে। কারণ তূবা চায় না গালিব আবার কোনো ঝামেলা করুক। কিন্তু সায়েম নাছোর বান্দা সে তূবার সমনে এসে দাড়া হয়।
সায়েম: কি বেপার তূবা কখন থেকে ডাকছি শুনতে পাও না,
তূবা: শুনতে পাইনি, তুমি ডাকছিলে বুঝি।
সায়েম: তোমার কি সত্যি বিয়ে হয়ে গেছে, আর ঐ আবরার খান তোমার হাজবেন্ড?
তূবা: সম্মান দিয়ে কথা বলো উনি তোমার সম্পর্কে স্যার হয়।
সায়েম: কিসের সম্মান আর কিসের স্যার, যে নিজের স্টুডেন্ট কে বিয়ে করে সে আবার কিভাবে সম্মানের আশা করে।
তূবা ঠাস করে সায়েম এর গালে চড় বসিয়ে দেয়।
তূবা: আর যা বলিস কিছু না জেনে শুনে মানুষকে জার্জ করবি না। উনি জয়েন্ট হওয়ার আগে আমার সাথে উনার বিয়ে হয়েছে, আমি চাইনি তাই উনি এতদিন বিয়ের বেপার টা লুকিয়েছিলো।
সায়েম: বাহ ভালোই তো খেলতে পারো দেখছি ছেলেদের মন নিয়ে, এদিকে স্বামীর সাথে মজা নিবে, আবার কলেজে এসে ছেলেদের নিজের পিছনে ঘুরাবে।
আর কিছু বলার আগে সায়েম এর নাক বরাবর ঘুশি মেরে দেয় গালিব, সায়েম কিছু বলার আগেই এলো পাথারি মাইর শুরু করে দেয় গালিব। তূবা অনি গালিব কে সামলাতে পারছে না।
তূবা: অকে ছেরে দিন মরে যাবে,প্লিজ অকে ছেরে দিন।
অনি: ভাইয়া ছেরে দাও অকে, কেনো এভাবে মারছো অকে।
গালিব অগ্নি দৃষ্টি নিয়ে তূবা আর অনির দিকে তাকালো
গালিব: ও এত বাজে বাজে কথা বলার পরেও তুই বলছি কেনো মেরেছি।
তূবা: কত জন এর মুখ বন্ধ করবেন আপনি, আজ একজন বলেছে কাল আরো দুইজন বলবে এভাবে কি সবাইকে মেরে বেড়াবেন।
গালিব: যদি দরকার হয় তাই করবো, আমার লিটিল বার্ড কে কেউ আঙুল তুকে কথা বললে তার শাস্তি এর থেকেও ভয়ানক হবে। আই রিপিট এর থেকেও ভয়ানক হবে।
হ্যাঁ আর কি যেনো বলছিলে, চলো আমার সাথে,
গালিব তূবাকে নিয়ে স্পিকার রুমে গেলো,
গালিব: এটেনশন প্লিজ ইভরিওয়ান,
আমি আববরার খান গালিব এই কলেজের ইংলিশ প্রফেসর, আমার ওয়াইফ মিস তূবা খান যে এই কলেজের প্রেজেন্ট স্টুডেন্ট। তার আর আমার সম্পর্কে যদি কারো কিছু জানার থাকে আমাকে এসে প্রশ্ন করবেন, আর অযথা যদি আমার ওয়াইফকে কেউ কোনো প্রকার ডিস্টার্ব করেন তাহলে আমার থেকে খারাপ আর কেউ হবে না এম আই ক্লিয়ার।
গালিব তূবাকে নিয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে যায়, তূবা গাড়িতে গুটিগুটি হয়ে বসে আছে ভয়ে। গালিবের এই ভয়াবহ রুপ এর সাথে সে অচেনা, আবার ভাবছে উনি সাধারণ একজন প্রফেসর হয়ে এত কিছু করলো এত কিছু বললো কিন্তু প্রিন্সিপাল কিছুই বললো না কেনো। গালিব ড্রাইভ করছে আর তূবার দিকে তাকাচ্ছে সে খুব রেগে আছে তাই কোনো কথা বলছে না।
গালিবের গাড়ি বাড়িতে এসে থাকে, তূবা এক মনে কিছু চিন্তা করার কারণে আচমকা চমকে যায়।
গালিব: তুমি ভিতরে যাও আমার একটু কাজ আছে আমি পরে আসবো।
তূবা কিছু না বলে ভিতরে চলে গেলো, গালিব গাড়ি ঘুরি আবার কলেজে চলে গেলো। তূবা বাড়ি এসে চুপচাপ বসে আছে কি করবে সে, গালিব যদি বাড়িতে এসে তাকে কিছু বলে।
——————————————————————————————————–
গালিব কলেজে এসে সায়েম এর গার্ডিয়ান ডাকে, প্রিন্সিপাল কথা বলছে পাশে গালিব বসে আছে, একটু পর পর গালিবের পাশে তাকাচ্ছে।
প্রিন্সিপাল : আপনার ছেলে আজ আমাদের ইংলিশ প্রফেসর এর ওয়াইফ এর সাথে মিস বিহেভ করেছে, আর প্রফেসর কে হেও করেছে তাই আমরা আজ আপনাদের এখানে ডেকেছি।
সায়ম গার্ডিয়ান : এত সামান্য বিষয়ে ডাকার নামে আমি বুঝলাম না, আর উনি একজন সাধারণ প্রফেসর হয়ে সাহস কি করে হয় আমার ছেলের গায়ে হাত তোলার।
গালিব: তাই তো বলি ছেলে এত বেয়াদব কেনো, যেখানে তার গার্ডিয়ান এমন দেখানে তাদের ছেলের কাছ থেকে আর কি বা আশা করা যায়।
সায়েম গার্ডিয়ান : হে মিস্টার, কাকে কি বলছেন আপনি জানেন। আমার ১ টা ফোন কলে আমি আপনার চাকরি খেয়ে ফেলতে পারি।
গালিব: আমার চাকরি খেয়ে তো আপনার আর পেট ভরবে না, তবে ট্রাই করে দেখতে পাবেন।
প্রিন্সিপাল : স্যার প্লিজ আপনি সান্ত হন আমি উনাদের সাথে কথা বলছি।
গালিব: আর কোনো দরকার নেই কথা বলার, উনার ছেলেকে টিসি দিয়ে দিন উনি নিয়ে চলে যাক। আর আমার মাইন্ড চেঞ্জ হওয়ার আগে উনাদের বেরিয়ে যেতে বলুন আর না হলে এর থেকেও ভয়ানক কিছু হতে পারে।
—————————————————-
গালিব বাড়িতে আসলে দেখে তূবা ড্রেস চেঞ্জ না করেই ঘুমিয়ে পড়েছে, গালিব তূবাকে না জাগিয়ে ফ্রেশ হয়ে কিচেনে চলে যায় রান্না করতে।
আজ আবার তার শাশুড়ী আম্মুকে ফোন করলো।
গালিব: আসালামু আলাইকুম আম্মু।
মিসেস ফাতেমা : ওয়ালাইকুম সালাম বাবা, কেমন আছো?
গালিব: জ্বি ভালো আছি আম্মু, আম্মু আজ বিরিয়ানি রান্না শিখবো।
মিসেস ফাতেমা : আচ্ছা বাবা, সব কিছু রেডি আছে তো?
গালিব: জ্বি আম্মু সব রেডি আছে।
মিসেস ফাতেমা একটা একটা করে সব ধাপ শিখিয়ে দিলো রান্নার। বিরিয়ানি রান্নার পরে ডিম করমা আর মুরগী রোস্ট রান্না করলো। সব রান্না শেষ হলে মিসেস ফাতেমা ফোন রেখে দেয়। গালিব সালাদ কাটছিলো।
তূবা বিরিয়ানি রান্নার স্মেল পেয়ে ঘুম ভেঙে যায়।( তূবার বিরিয়ানি খুব খুব খুব পছন্দ) তূবা বেড থেকে উঠে এক পা দু পা করে নিচে নেমে আসে। গালিব তূবাকে দেখতে পেয়ে বলে উঠে।
গালিব: সুইটহার্ট ঘুম ভেঙেছে তোমার ( নরম কন্ঠে)
তূবা গালিবের এমন আচরণে অবাক হয়, একটু আগেই তো মনে হচ্ছিলো কত রাগি আর এখন তার বিপরিত।
তূবা: আ….আপনি কখন এলেন বাসায়?
গালিব: তুমি যখন আমায় নিয়ে স্বপ্নের রাজ্জে হারিয়ে গিয়েছিলে তখন আমি এসেছি।
তূবার পেট গুরগুর করছে খিদেতে, তার উপরে আবার বিরিয়ানি তাই একটু বেশি খিদে পেয়েছে।
গালিব: সুইটহার্ট তুমি গিয়ে বসো আমি বিরিয়ানি নিয়ে আসছি।
তূবা চুপচাপ বসে পড়ে খাবার শেষ করে তূবা বসে আছে গালিব তূবাকে জিগ্যেস করে-
গালিব: সুইটহার্ট বিরিয়ানি ভালোলাগেনি তোমার?
তূবা: না…..না অনেক মজা হয়েছে, আমার আজ একটু বেশি খিদে পেয়েছিলো তাই তারাতাড়ি খাওয়া শেষ করে ফেলেছি।
গালিব আর কোথা না বলে সব ঠিক করে রেখে তূবাকে কোলে তূলে নিয়ে রুমে চলে গেলো। বেডে বসিয়ে দিয়ে হিজাব এর পিন খুলতে শুরু করে-
গালিব: বেইবি এত ক্লান্ত হয়ে পরেছো যে ফ্রেশ না হয়েই ঘুমিয়ে পরেছিলে।
তূবা: আসলে আমার মনে…….
গালিব: হুস কিছু বলতে হবে না, এখন চুপ করে বসে থাকো। আমি তোমাকে হেল্প করছি তো,
——————————————————————————————————–
বিকেলে নিলয় আর নিলা আসে গালিবের বাসায় তূবাকে দেখতে, গালিব ঘুমাচ্ছিলো আর তূবা বই নিয়ে বসে ছিলো, যদিও পড়ায় মন ছিলো না।
কলিং বেল বেজে উঠে তূবা লাইব্রেরিতে পড়তে বসায় তারাতাড়ি করে গিয়ে দরজা খুলে দেয়। নিলাকে দেখে তূবা খুশিতে জরিয়ে ধরে নিলাকে। মনে হয় কত দিন দেখা হয় নি।
নিলয় সোজা উপরে চলে যায়,
নিলয় : আমার ছোট শালিটাকে অসুস্থ বানিয়ে এখানে আরে ঘুমাচ্ছিস তাই না।
গালিব ঘুম ঘুম চোখে বলে,
গালিব: ভাই তোর সমস্যা কি বল তো, আমার পিছনে লেগে আছিস কেনো?
নিলয় আমার কোনো সমস্যা নেই চল রেডি হয়ে নে আমার বউ এর শখ জেগেছে দুই বোন ঘুরতে বের হবে।
গালিব: তো তূবাকে নিয়ে যা, আমার খুব ঘুম পাচ্ছে আমি একটু ঘুমিয়ে নেই।
নিলয়: নিলা ওর বোন কে নিয়ে যাবে আর আমি তোকে, দুই বোনের মাঝে আমি একা কি করবো।
তূবা আর নিলা রুমে আসলো,
তূবা: আপনি উঠেছেন, তাহলে রেডি হয়ে নিন, আপু আজ ঘুরতে নিয়ে যাবে।
গালিব: তুমি রেডি হয়ে নাও আমি তার পরে রেডি হচ্ছি।
নিলয় গালিবের পাশে দেখে আছে ( শালা আমি এত ক্ষন ঘেন ঘেন করছি তখন কিছু নেই আর যেই না বউ বললো এক কথায় হ্যাঁ বলে দিলো)
গালিব: তুই তো আমার বউ না যে তোর কথা আমার শুনতে হবে।
নিলা : দেখো দেখে শিখো কিছু।
নিলয়: বউ পরিবর্তন হতে বলো না, সফট থেকে হার্ড হয়ে গেলে সামালাতে পারবো না।
নিলা: বাদর ছেলে ছোট বোনের জামাইর সামনে উল্টো পালটা কথা বলে।
গালিব: তোর ঝগড়া কর আমরা রেডি হই,
গালিব কাবাট থেকে কাপর বের করে ফ্রেশ হয়ে অন্য রুমে চলে গেলো।তূবা ড্রেস চেঞ্জ করছিলো, গালিবের আচমকা আসাতে তূবা চমকে যায়।
গালিব: কি হলো সুইটহার্ট ভয় পেলে?
তূবা: আপনি একটু পরে এলে হত না, আমি চেষ্টা করে নিতাম।
গালিব: আমার সামনে চেঞ্জ করতে কি সমস্যা সুইটহার্ট, আমি তো তোমার শরীরর লোম দেখেছি এখনো লজ্জা পাচ্ছো।
তূবা দারিয়ে ছিলো গালিবের তার কাছে আগেচ্ছে দেখে তূবা কাপর নিয়ে দৌড়ে বাথরুমে চলে যায়।
চলবে……….

