#গল্প_তোর_কারণে_ফিরে_আসা
#পর্ব_২০
#লেখিকা_ছায়ালিপি
গালিব রেডি হচ্ছিলো, তূবা বাথরুম থেকে গালিবলে ডাক দিলো-
তূবা: শুনছেন, একটু এদিকে আসবেন প্লিজ!
গালিব: হ্যাঁ বউ বলো কি হয়েছে।
তূবা: আমার না শাড়িটা বিছানায় আছে একটু এনে দিবেন প্লিজ।
গালিব শাড়ি নিয়ে এসে দূর থেকে বললে এই নাও তোমার শাড়ি, তূবা হাত বারিয়ে শাড়ি খুজতে লাগিলো কিন্তু শাড়ি খুজে পাচ্ছে না।
তূবা: আরে কোথায় আমার শাড়ি খুজে পাচ্ছি না তো।
গালিব: একটু এগিয়ে আসো পেয়ে যাবে।
তূবা দরজার কাছে আসতেই গালিব তূবাকে টেনে নিজের বুকে নিয়ে নেয়।
তূবা: আরে কি করছেন সব সময় অসভ্যতামি ভালো না কিন্তু,
গালিব: আমি যে তোমার সভ্য পুরুষ হতে চাইনা সুইটহার্ট!
তূবা নিজেকে ছারানোর চেষ্টা করছে,
গালিব: দাও শাড়ি পরিয়ে দেই, তুমি নিজেও চাও আমার এই ভালোবাসা গুলো পেতে শুধু মুখে বলো না।
তূবা: মোটেও না আমি আপুর কাছে শাড়ি পরতাম আজ, আর এই রুমে আমি আগে এসেছিলাম।
গালিব: বেশি কথা বলোনা বেইবি, আসো এখন শাড়ি পরিয়ে দেই, বাকি ঝগড়া রাতে এসে করো।
গালিব তূবাকে শাড়ি পরিয়ে দিয়ে বের হয়ে আসে,
নিলয়: কিরে তোর এতক্ষণ লাগে রেডি হতে, ১ ঘন্টা ধরে কি করলি।
গালিব: সালা তুই সত্যি আনরোমান্টিক, বুঝিস না নতুন বিয়ে করেছি।
নিলয় : বিয়ে তো আমিও করেছি কই আমার তো আর দেরি লাগে না।
গালিব: তোরা বিয়ের আগেই রোমান্স করে বেরিয়েছিস, আর আমি বিয়ে পরে করছি।
নিলা: তূবা কি করছে,
গালিব: এসে যাবে এখনি।
তূবা এসে বললো চলো চলো আমি রেডি, নিলা নিলয় দুইজন তূবাকে দেখে মাশাআল্লাহ বলে।
নিলা: বোন তোকে তো হিজাবে অনেক সুন্দর দেখাচ্ছে রে। একবারে আস্তো ডল লাগছে।
নিলয়: বোনের তুমি তো এমনি অনেক সুন্দর আর হিজাবে আরো সুন্দর লাগছে।
তূবা: ধন্যবাদ ভাইয়া,
নিলা গালিবকে দেখে হাসলো, গালিবের কাছে এসে বললো
নিলা: যে মেয়ে তোর ভালোবাসা না পেয়ে বেররোয়া হয়ে গেছিলো আজ সেই মেয়ে তোর ভালোবাসা পেয়ে নিজেকে বদলে নিয়েছে। আমার বোনকে এভাবেই খুশি রাখিস সব সময়।
গালিব: জো হুকুম বড় আপি, এখন চলুন না হলে দেরি হয়ে যাবে।
চারজন গাড়িতে উঠে বসলো, কিছু দূর যেতে নিলা গালিব কে বলে গাড়ি দার করালো। নিলা গাড়ি থেকে বেড়িয়ে গেলো তূবা নিলয় পিছু পিছু গেলো।
নিলয়: কি হয়েছে খারাপ লাগছে কি?
নিলা: না আমি ঠিক আছি একটু মাথা ঘুরাচ্ছিলো।
তূবা পানি নিয়ে আসে নিলাকে দেয়। নিলা পানি খেয়ে নেয়, তূবার মুখে চিন্তার ছাপ দেখে নিলা বলে-
নিলা: আমি ঠিক আছি বোন আমার কিছু হয় নি,
তূবা: আপু তুমি ঠিক নেই, তোমার চোখ মুখ কেমন বসা বসা লাগছে।
নিলা: না রে দুইদিন ধরে একটু মাথা ঘুরাছে আর কিছু না।চল আমরা যাই।
সবাই মিলে নদীর ধারে বসে আছে,
তূবা: আপনাকে একটা কথা বলি? যদি রাগ না করেন!
গালিব: বলো!
তূবা: বাবাকে কি একবার ক্ষমা করা যায় না, সবাই তো একবার চান্স পায় তার ভুল সুধরানোর।একবার ক্ষমা করে দিন না, আমার না খুব শখ শশুর বাড়িতে সবাই এক সাথে থাকবো। ঐ বাড়িতে আমার একা একা ভালোলাগে না।
গালিব: তূবা চুপ করো এ বিষয় কথা বলার ইচ্ছা নেই আমার তার থেকে ভালো অন্য কিছু বলো।
তূবা: আমার আর কিছু বলার নেই।
তূবা নিলার কাছে গিয়ে বললো আপু চলো, আমি বাড়ি যাবো ভালো লাগছে না।
নিলা: কেনোরে এলাম তো মাত্র এর মধ্যে আবার…..
তূবা: বললাম তো ভালো লাগছে না,
তূবা গালিব বাড়িতে চলে আসলো, কেউ কারো সাথে কথা বলছে না।
রাতে বাইরে ডিনার করে আসায় তূবা এসে শুয়ে পরে, গালিব ল্যাপটপ নিয়ে বসে পড়ে। তূবার ঘুম আসছিলো না, এপাশ ও পাশ করছে। সে গালিবের দুষ্টুমিতে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে। তূবা দেখছে গালিব তার পাশে ঘুরেও দেখছে না। তাই তূবা নিজেই গালিবের কাছে গেলো-
তূবা: সমস্যা কি আপনার হ্যাঁ, এমনি সময় তো ঘুর ঘুর করেন আর এখন রেগে আছি তবুও রাগ ভাঙাচ্ছেন না।
গালিব: অকারণে যদি কেউ রেগে থাকে তাহলে তার রাগ ভাঙে আমি কি করবো, যে রেগে থাকতে চায় তাকে রেগে থাকতে দিতে হয়।( গালিব মাথা নিচু করে আসছে)
তূবা: রাগ কি আমাই এমনি এমনি করেছি আপনি তো রাগার জন্য বাধ্য করেছেন।
গালিব: হুম তো রেগে থাকো কে নিষিদ্ধ করেছে, যাও ঘুমোতে গেলে না ঘুমাও যাও।
———————-
তূবা: ধুর ভালোলাগে না, সব সময় এমন করে।
গালিব পিছন থেকে তূবাকে কোলে তূলে নেয়,
গালিব: কি করি সুইটহার্ট আমি সব সময়?
তূবা: কো…..কই কিছু না, আপনি আবার কি করবেন, এখন ছারুন আমায় আমি পড়ে যাবো।
গালিব ধপ করে বিছানায় ফেলে দিলো তূবাকে, তূবা ব্যথা পেয়ে আউ করে উঠে।
তূবা: এটা কি করলেন! ব্যথা পেলাম তো।
গালিব: কোথায় ব্যাথা পেলেন দেখি!
তূবা: এইযে কোমরে,
গালিব: দাও মালিশ করে দেই,
তূবা: থাক লাগিবে না আপনার মালিশ, আপনি এখন কি মালিশ দিবেন সেটা আমার ভালো করেই জানা আছে।
গালিব তূবার কাছে গিয়ে, কি জানা আছে সুইটহার্ট?
তূবা: আপনি এখন আমার সাথে দুষ্টুমি করবেন, তার থেকে ভালো আমি এভাবেই থাকবো।
গালিব: মালিশ করতে দিলেও আদর করবো না দিলেও আদর করবো বাকিটা তোমার ইচ্ছা।
তূবা কান্না করা শুরু করে দেয়,
তূবা: আমি থাকব না আপনার সাথে, আপনি খুব পচা, আমি আম্মুর বাড়ি যাবো।
গালিব: হেই কান্না করছো কেনো বউ?
তূবা: তো কি করবো, আপনি সব সময় মাথায় দুষ্টুমি বুদ্ধি নিয়ে চলেন। অসভ্য লোক একটা,
গালিব: অকে সরি, আমি তোমাকে কিছু করবো না! তবে আর কোনো দিন বাবার বাড়ি যাবো এ কথা বলবা না। আমি সারাজীবন তোমাকে দেখেই কাটিয়ে দিবো, কিন্তু কখনো আমাকে ছেড়ে যাওয়ার কথা বলো না।
তূবা: আমি আসলে সেভাবে বলতে চাইনি সরি,
গালিব রুম থেকে বেরিয়ে যায়।
তূবা অনেক্ক্ষণ ধরে অপেক্ষা করে গালিব যখন আসছে না দেখে তখন রুম থেকে বের হয়ে যায় তূবা দেখে গালিব পাশের রুমে ঘুমিয়ে পরেছে।
তূবা, রুমের ভিতরে গিয়ে গালিবের পাশে শুয়ে পড়লো,
সকালে গালিবের ঘুম ভেঙে যায় তূবার শ্যাম্পু করা চুলের ঘ্রানে, গালিব কিছুক্ষণ তূবাকে দেখে উঠে জিমে চলে যায়।
তূবা ঘুম থেকে উঠে গালিব কে দেখতে পায় না, সে জানে গালিব কোথায় তাই উঠে ফ্রেশ হয়ে কিচেনে চলে যায়।
তূবা ব্রেকফাস্ট বানিয়ে অপেক্ষা করে গালিবের জন্য।
কারণ গালিব বলেছে একসাথে শাওয়ার নিবে তারা সব সময় তাই।
গালিব আসলো,
তূবা: গুড মর্নিং!
গালিব মুচকি হেসে-
গালিব: গুড মর্নিং বিবিজান!
গালিব আর কিছু না বলে কাবাট থেকে কাপর নিয়ে বাথরুমে চলে গেলো। তূবা অবাক হলো, নিজেই বলে আবার নিজেই কথা খেলাপ করলো-
তূবা: উনি কি মন খারাপ করে আছেন এখনো! উনাকে কি সরি বলা দরকার।
গালিব শাওয়ার নিয়ে বেরিয়ে আসে, তূবা বলে একটা কথা ছিলো আপনার সাথে!
গালিব: হুম বলো!
তূবা : কালকে রাতের জন্য কি আপনি এখনো মন খারাপ করে আছেন?
গালিব: না! আমার সবটা জুরে তুমি, তুমি ছাড়া আমার জীবন অন্ধকার। আমি যে কোনো কিছুর বিনিময়ে তোমাকে আমার কাছে রাখতে চাই।
তূবা আর কিছু বলে না, চুপচাপ বাথরুমে ডুকে গেলো। গালিব রেডি হয়ে ডাইনিং এ অপেক্ষা করছে তূবার জন্য, তূবাও রেডি হয়ে নিচে আসলো।
দুইজন খাওয়া শেষ করে কলেজে চলে গেলো! তূবা ক্লাসে ডুকার পরে সবাই বলা বলি করছিলো, সায়েম এর কথা। তূবা অনির জন্য অপেক্ষা করতে থাকলো।
অনি ক্লাসে তূবার সাথে বসলো-
তূবা: কি রে কি সব শুনছি কি হয়েছে সায়েম এর?
অনি: অকে কলেজ থেকে বের করে দিয়েছে!
তূবা: সামান্য কারণে প্রিন্সিপাল বের করে দিলো
অনি: আজ্ঞে না, প্রিন্সিপাল বের করেনি এই কলেজের ওনার এর নাতি বের করেছে।
তূবা: মানে! কি বললছো এই সব।
অনি: মানে হচ্ছে, তোমার স্বামী আর আমার ভাই বের করে দিয়েছে। সায়েম এর বাবা ভাইয়ার সাথে খারাপ ব্যবহার করায় সায়েম কে বের করে দিয়েছে।
তূবা: এক মিনিট ‘ তুমি ভুল করে এটা বলছো না তো যে এটা তোমার দাদুর কলেজ!
অনি: ভুল করে নয়, এটা আমাদের কলেজ।
তূবা: আমার সব মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে রে।
ক্লাসে স্যার চলে আসাতে সবাই ক্লাসে মনোযোগ দিলো। ক্লাস শেষ করে তূবা অনিকে জিগ্যেস করলো –
তূবা: মনি আপু বিয়ের দাওয়াত দিয়েছে আজ কি তুমি যাবে বিয়েতে।
অনি: হ্যাঁ, আজ তোমার সাথে সবার দেখা হবে তাই একটু পিপারেশন নিয়ে এসো, আর হ্যাঁ সাবধান সেখানে তোমার জামাইর অনেক মধুবালা আছে। যারা তোমার জামাইর জন্য পাগল-
তূবা: যার কথা বলছো সে তো আমার উপরে মন খারাপ করে বসে আছে,
অনি: কেনো তোমার আর ভাইয়ার আবার কি হলো?
তূবা: কিছু না, তুমি তারাতাড়ি চলে এসো আমি কিন্তু কাউকে চিনিনা তাই একা একা বোরিং লাগবে।
তূবা ক্লাস থেকে বের হয়ে গেলো, গেটের সামনে দেখছে গালিব দারিয়ে আছে। তূবা গালিবকে দেখে আবারো ক্রাস খেয়ে যায়, এলোমেলো চুলে দারিয়ে আছে গালিব।
তূবা এলে গালিব দরজা খুলে দেয়, তূবা গাড়িতে বসে পড়ে গালিব গাড়ি করছে।
গালিব: বিবিজান আজ তো বিয়েতে অনেক জন আসবে, তুমি একটু সাবধানে থাকবে। সবার সাথে কথা বলবে, কারো সাথে কথা বলতে বাধা নেই।
তূবা: কেনো আপনি কোথায় থাকবেন?
গালিব: আমিও থাকবো, আমি তো আর সবার সাথে কথা বলি না। আর হ্যাঁ আমার ছেলে কাজিনদের থেকে দূরে থাকবে।
তূবা: আমি তো কাউকে চিনি না তাহলে……
গালিব: শুধু কাজিন না কোনো ছেলের সাথেই কথা বলার দরকার নেই, অনির সাথে চুপচাপ বসে থাকিবে।
বাড়িতে এসে তূবাকে বললো ব্যাগ গুছিয়ে নিতে, গালিব একটু বেরিয়ে গেলো। তূবা উপরে এসে সব জামা শাড়ি নিয়ে নিলো। সব রেডি করে অনিকে ফোন দিলো~
তূবা: কিরে কত দূর তোমার আমি তো সব গুছিয়ে নিয়েছি।
অনি: আমিও রেডি, এই জানো মামুনি আর আব্বুও যাচ্ছে আজ। যখন শুনেছে তুমি আসবে আব্বু বলে আমি যাবো।
আব্বু প্রথমে যেতে চাচ্ছিলো না তুমি আসবে শুনে তখন নিজে থেকেই বলে আমি আমার ছেলের বউ কে দেখার জন্য যাচ্ছি শুধু আর কিছু না, আর ভাইয়াকে অনেক বছর হলো দেখেবি আব্বু।
তূবা: আজ যদি বাবা আর তোমার ভাইয়াকে এক করতে পারতাম।
আচ্ছা বাদ দাও এখন তারাতাড়ি চলে আসো তোমার ভাইয়া এলে আমরা বেড়িয়ে যাবো। তূবা ফোন কেটে দিলো, গালিব এসে নিজের ব্যাগ গোছানোর জন্য কাবাট খুলে ‘ তূবা বলে উঠে আপনার কাপড় নিয়ে নিয়েছি আমি।
গালিব আর কিছু না বলে ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে গেলো, তূবা গাড়িতে উঠে বসলো গালিব একটা ঝুরি তূবার হাতে ধরিয়ে দিলো, যেখানে তূবার পছন্দের সব খাবার সাজানো আছে।
গালিব: অনেক দূরের রাস্তা তাই তোমার জন্য নিয়ে এসেছি এগুলো শেষ করলে পিছনে আরো আছে।
তূবা: আপনার কি আমাকে রাক্ষস মনে হয়।
গালিব : রাক্ষস মনে হয় না তবে রাক্ষসী মনে হয়। ( গালিব ঠোঁট চেপে হাসলো)
তূবা গালিবের হাসি মুখ দেখে আর কিছু বললো না, সেই সকাল থেকে গালিবের মুখে হাসি ছিলো না।
গালিব কথা বলছে না দেখে তূবা এক সময় ঘুমিয়ে যায়, তূবা ঘুমিয়ে যাওয়াতে মাথাটা এক পাশে হেলে যায় তূবার গালিব সেটা দেখে এক হাত দিয়ে তূবাকে বালিশ বানিয়ে দেয় আর এক হাতে ড্রাইভ করে, প্রায় ৩ ঘন্টা ড্রাইভ করে গালিব তার ফুফুবাড়িতে এসে পরলো।
ছিমছাম দোতালা বাড়ি কিন্তু অনেক বড় একটা এড়িয়ে জুরে, মনে হবে ফুডবল খেলার মাঠ। গালিব বসে আছে আর তূবা ঘুমাচ্ছে, আরো ৩০ মিনিট পরে তূবার ঘুম ভেঙে যায়।
তূবা: আমরা এসে পড়েছি, ডাকলেন না কেনো তাহলে?
গালিব: ঘুমন্ত পরিকে ডাকতে নেই তাই আর জাগাইনি।
তূবাগাড়ি থেকে বের হলো, অনি আর মৌ দুইজন দূরে দারিয়ে ছিল, তূবাকে দেখতে পেয়ে অনি তূবার কাছে আসলো।
অনি: মৌ এটা আমার ভাবি আর ভাবি এটা মৌ ফুফুর ছোট মেয়ে।
মৌ: হ্যালো!
তূবা: আসালামু আলাইকুম!
মৌ: হেই আমরা সেম বয়সি তাই এই সবের দরকার নেই।
তূবা: সালাম তো যে কাউকেই দেয়া যায়, বড় হোক বা ছোট।
মৌ: কেমন আছো গালিব ভাই, তোমাকে আমি ফেসবুক খুলেই রিকুয়েষ্ট দিয়ে রেখেছি কেনো ঝুলিয়ে রেখেছো?
গালিব: আমি ফেইক আইডি এড করি না।
অনি : ভাবি চলো ভিতরে চলো,
তূবা ব্যাগ নিতে যাবে গালিব বলে তুমি যাও আমি নিয়ে যাচ্ছি, তূবা অনির সাথে ভিতর এ চলে গেলো, সবার প্রথমে অনি তার বাবার কাছে নিয়ে গেলো –
অনি: আব্বু দেখো কে এসেছে,
তূবা অনির পিছন থেকে এসে সালাম দিলো,
তৌহিদ খান: ওয়ালাইকুম সালাম, এ যে আমার ঘরে পূণিমার চাঁদ রে, আমার যে মনটা জুরিয়ে গেলো, আয় মা আমার কাছে আয়।
তূবা তৌহিদ খান এর কাছে গেলো, তৌহিদ খান তূবার হাত ধরে কান্না করে দেয়, কেনো জানি তূবার চোখে পানি চলে আসে।
তূবা: বাবা আপনি কাদবেন না, আমি খুব তারাতাড়ি আপনার ছেলেকে আপনার কাছে ফিয়ে দিবো।
তৌহিদ খান: মা রে ও যেমন চায় তেমনই থাকতে দে, আমি যে বড্ড অন্যান্য করে ফেলেছি আমার ছেলে সাথে। তাই তো আজ সে আমরা থেকে দূড়ে,
তূবা: আমি কথা দিচ্ছি বাবা, আপনার ছেলে আমার কাছে ফেরত আসবে। আপনি কান্না করবেন না
চলবে…………

