আকাশ_জুড়ে_একা_আমি #লামিয়া_ইসলাম #সূচনা_পর্ব

0
42

“দেখো মেঘলা, তোমার মতো ভাত বেচে আয় করা মেয়েকে আমার মা নিজের ছেলের বউ হিসেবে মানতে পারবে না। তাছাড়াও তোমার মা অন্য এক পুরুষের সাথে পালিয়ে গিয়েছিলো। তাই মায়ের ধারণা তুমিও হয়তো তোমার মায়ের মতো পালিয়ে যাবে।”

নিজের ব্যাপারে নাবিলের মুখে এমন কথা শুনে মেঘলা স্তব্ধ হয়ে রইলো। সে কিছু বলতে যাবে তার আগেই নাবিল আবার বললো,”তাছাড়া তোমার বয়স ও প্রায় ২৭ হয়ে গিয়েছে। আমার বয়স ২৮ । এমন সেইম এইজ বিয়ে করলে পরবর্তীতে গিয়ে দেখা যাবে আমাদের ম্যারিড লাইফেও প্রব্লেম হবে। আর তোমার চেহারা অলরেডি বুড়িয়ে যাওয়া শুরু করেছে। আমি এখন একটা ভালো জব করি,বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান এটেন্ড করতে হয়। ঐসব জায়গায় তোমার মতো মেয়েকে আসলে ওয়াইফ হিসেবে মানায় না”

মেঘলা আর নিজের অপমান সহ্য করতে পারলো না। নাবিলের চোখে চোখ রেখে খুব ধীরভঙ্গিতে বলে উঠলো,

“তা এই ভাত বেঁচে আয় করা মেয়ের টাকা দিয়ে যখন আগের বছর তোমার বোনের বিয়ে দিয়েছিলে তখন তোমার মায়ের গায়ে লাগেনি। যখন ১৭ বছর বয়সে আমাকে ভালোবেসো বলেছিলে তখন তোমার কী জানা ছিলো না যে আমি তোমার সেইম এইজের। আমি বুড়িয়ে গিয়েছি, কিন্তু কেনো বুড়িয়েছি? বছরের পর বছর তোমার জন্য অপেক্ষা করতে করতেই তো আমার বয়স ২৭ হয়েছে”

নাবিল এবার কিছুটা রুক্ষ স্বরে বলে উঠলো,

“টাকার খোটা দিচ্ছ আমাকে? নাফিজার বিয়ের জন্য ৫ লাখ দিয়েছিলে তো তা ফেরত পেয়ে যাবে। আমার মতো বিসিএস ক্যাডার ছেলেকে নিজের গলায় ঝুলাতে পারছো না দেখে এমন হম্বিতম্বি শুরু করেছো। কী আছে তোমার মধ্যে যে আমি তোমাকে বিয়ে করবো? এখনো তো নিজের বিধবা ভাবী,সৎ মা আর তার দুই সন্তানকে নিজের ঘাড়ে টানছো।। কী মনে করেছো যে বিয়ের পর এইসব জঞ্জালকে আমার ঘাড়ে চাপাবে।”

“একদম চুপ। আমার পরিবারের ব্যাপারে একটাও বাজে কথা বলবে না। আজকে থেকে এই মুহূর্তে তোমার সাথে আমার সব সম্পর্ক আমি শেষ করলাম। আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়ে দিয়েছে তাই বিয়ের আগেই আমি তোমার মতো মেরুদন্ডহীন কাপুরুষের আসল চেহারা দেখতে পেয়েছি। সামনের মাসে কাউন্সিলারের মেয়ে তানিয়াকে বিয়ে করতে যাচ্ছো তো? তাই তো আজকের এই অভিনয় টা করতে এসেছো?”

“তুমি কিভাবে?”

“অবাক হচ্ছো তো যে আমি কিভাবে জানলাম তানিয়ার কথা? আমার ফ্রেন্ড নীরা দুইদিন আগে তোমাদের রেস্টুরেন্ট দেখেছে।সাবধান করেছিলো আমাকে, কিন্তু ঐ যে আমি তোমায় অন্ধের মতো ভালোবেসেছিলাম তাই বিশ্বাস করিনি। যাই হোক, আমি তোমার সাথে সব সম্পর্ক শেষ করলাম। ভুলেও আমার সাথে আর কোনো ধরনের যোগাযোগ করার চেষ্টা করবে না।”

নাবিল কিছুক্ষনের জন্য চুপ হয়ে বসে রইলো। সে মনে করেছিলো মেঘলা হয়তো কেঁদে কেটে ভাসিয়ে ফেলবে। কিন্তু উল্টা তো মেঘনা ওকেই থ্রেট দিয়ে গেলো। চলে গিয়েছে ভালোই হয়েছে। মেঘলা যেনো কেমন টাইপের মেয়ে ছিলো, একটু কাঠখোট্টা স্বভাবের। তার উপর থেকে পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড ও কেমন এলোমেলো। তাই তো তার মা মেঘলাকে তেমন পছন্দ করতো না। সেই দিক থেকে তানিয়া তার বাবার একমাত্র মেয়ে। কেবল ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়ে। কথাগুলো ও খুব মিষ্টি মিষ্টি। নাবিলের মতো বিসিএস ক্যাডার ছেলের তানিয়া একদম বেস্ট চয়েস।

——————-

মেঘলা আজকে আর তার নিজের কাজের জায়গায় ফিরলো না । বর্তমানে সে বাঙালিয়ানা নামক রেস্টুরেন্ট এর মালিক। ঢাকায় রেস্টুরেন্টটির বেশ কয়েকটা ব্রাঞ্চ আছে। রিকশায় বসে ১০ বছর আগের কথা গুলো ভাবতে লাগলো। নাবিল কত পাগলামি করে তাকে রাজি করেছিলো। অবশ্য তখন মেঘলার জীবন ও অনেক আলাদা ছিলো। মেঘলার বাবা রফিক সাহেব তখন ব্যাংকে চাকরি করতো। ঘরে সৎ মা থাকলেও কখনো সে মায়ের অভাব বুঝতে পারে নি। নাজমা বেগম নিজের ছেলেমেয়ের চাইতেও তাকে বেশি ভালোবাসে। আর্থিকভাবেও বেশ স্বচ্ছল ছিলো তারা। অন্যদিকে নাবিলদের কিছুই ছিলো না। নাবিলের বাবা সে ছোট থাকতেই মারা গিয়েছে। নাবিলেরা দুই ভাই বোন। নাবিলের মা লাজু খাতুন গার্মেন্টস এ চাকরি করে তাঁদের সংসার চালাতো। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সেই মহিলার ও কত পরিবর্তন হয়েছে। মেঘলার মতো বউকে নাকি এখন সে ঘরের বউ হিসেব মানতে পারবে না। রিকশা এসে মেঘলাদের বাসার গলির সামনে দাঁড়ালো। মেঘলা রিকশা ভাড়া মিটিয়ে একটু সামনে যেতেই দেখলো মিহির তার বন্ধুদের সাথে ক্রিকেট খেলছে। মিহির মেঘলাকে দেখে এগিয়ে এসে বললো,

“আরেহ আপা তুই এইসময় এখানে? তোর মুখটা এমন শুকনো লাগছে কেনো? তোর শরীর ঠিক আছে তো?”

ভাইয়ের ব্যস্ততা দেখে মেঘলা হালকা হেসে বললো,
“এতো ব্যস্ত হোস না। আমি ঠিক আছি। মনটা ভালো লাগছিলো না তাই বাসায় চলে এলাম।”

তাঁদের কথার মাঝে মাহিরাও সেখানে এসে উপস্থিত হলো। বড়ো বোন মেঘলাকে এইসময় দেখে সেও বেশ অবাক হয়ে গেলো। সে উচ্ছাসের সাথে মেঘলাকে বললো,

“ভালোই হয়েছে আপা তুই এখন এসেছিস। আম্মু ইলিশ মাছ ভাজা করেছে। তাড়াতাড়ি বাসায় চল অনেক খিদে পেয়েছে। আম্মু মিহিরকে খুঁজতে পাঠিয়েছিলো।”

মিহির এবার অনার্স সেকেন্ড ইয়ারে পড়ে।আর মাহিরা থার্ড ইয়ারে।আলাদা মায়ের পেটের হলেও মিহির আর মাহিরা মেঘলাকে অনেক বেশি ভালোবাসে। আর মেঘলাও নিজের আপন ভাই বোনের মতো তাঁদের দেখে এসেছে।

মাহিরা আর মিহিরকে নিয়ে ঘরে ঢুকতেই মেঘলার নাকে ইলিশ মাছের সুঘ্রান ভেসে এলো। নাজমা বেগম কেবল রান্না শেষ করে রান্নাঘর থেকে বের হয়ে এলেন। বের হয়ে মেঘলাকে দেখতে পেয়ে বললেন,

“তুই আজ এতো তাড়াতাড়ি? মুখটা এমন শুকনা লাগছে কেনো? সকাল থেকে কিছু খাসনি এখনো? যা তাড়াতাড়ি ফ্রেস হয়ে নে। আজকে দক্ষিণ দিকের খোলা বারান্দাটায় বেশ ভালো রোদ এসেছে। তাই ঐখানেই খাবার দিচ্ছি। শীতের মধ্যে রোদে বসে খেতে ভালো লাগবে।”

তাঁদের কথার মধ্যেই মেঘলার ভাবী ইরিনা ও ড্রয়িং রুমে এসে উপস্থিত হলো।

“ভালোই হয়েছে মেঘলা তুমি এসে পড়েছো। তোমাদের সবাইকে একটা গুড নিউজ দেয়ার আছে”
আমি যে লালমাটিয়া মহিলা কলেজে টিচার পদে এপ্লাই করেছিলাম মনে আছে? ঐখানে আমি টিকে গেছি। সামনের মাসের ১ তারিখ থেকে জয়েন করতে পারবো।”

বাসার সবাই একসাথে আলহামদুলিল্লাহ বলে উঠলো। নাজমা বেগম ইরিনার মাথায় হাত দিয়ে বললেন,”আলহামদুলিল্লাহ মা। জীবনে আরো অনেক উন্নতি করো।”

মিহির আর মাহিরা একসাথে বলে উঠলো,”ভাবী সামনের মাসে কিন্তু আমাদের ট্রিট দিতে হবে।”

“অবশ্যই দেবো।”

—————–

দুপুরের খাওয়া শেষে সবাই বারান্দায় বসে রইলো। দুপুরের মিষ্টি রোদ সবার কাছেই ভালো লাগছিলো। নীরবতা ভেঙে মেঘলা বলে উঠলো,”আমার পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য একটা ব্যাড নিউজ আছে। ব্যাড নিউজ ও না টেকনিক্যালি গুড নিউজ ও বলা যায়।নাবিলের সাথে আমার ব্রেকআপ হয়েছে।”

বারান্দায় বসা সবাই বিষয়টা শুনে অবাক হওয়ার গেলো। কেননা নাবিল আর মেঘলার ১০ বছরের প্রেম ছিলো। নাবিলের জন্য মেঘলা ভালো ভালো বিয়ের প্রস্তাব রিজেক্ট করেছে। তাহলে কিভাবে? সবার কৌতূহল বুঝতে পেরে মেঘলা সকলকে নাবিলের বলা কথা গুলো বললো।মুহূর্তের মধ্যেই বাসার সবার মাথা গরম হয়ে গেলো। নাজমা বেগম ক্ষেপে গিয়ে বললো,

“তুই জানি ওর কাছ থেকে কত টাকা পাবি?”

“৫ লাখ।”

“নগদ দিয়েছিলি না ব্যাংক ট্রান্সফার করেছিলি?”

“ব্যাংক ট্রান্সফার।”

“চল আমার সাথে।”

“এই ভরদুপুরে কোথায় যাবে?”

“নাবিলদের বাসায় তোর টাকা আনতে।”

“এখন?”

“হ্যা, নাবিলদের বাসা তো দুই বিল্ডিং পরেই।”

নাজমা বেগম আর কারো কথাই শুনলো না। মিহির আর মেঘলাকে নিয়ে সোজা নাবিলদের বাসায় গিয়ে হাজির হলো।

—————-

নাবিল দুপুরে বাসায়ই ছিলো। লাজু বেগম তাকে ড্রয়িং রুমে ডাকলো। ড্রয়িং রুমে নাজমা বেগমকে দেখতে পেয়ে সে মনে করলো হয়তো তাকে মানানোর জন্য মেঘলা তার মাকে নিয়ে এসেছে। তাই সে বেশ কড়া সুরেই তার মাকে বললো,”মা এনারা এখানে কী করছে?”

“ওরা ওদের ৫ লাখ টাকা ফেরত চাইতে এসেছে।”

এ কথা শুনে তো নাবিলের মাথায় হাত। সে সকালে কথায় কথায় বলেছিলো টাকা ফেরত দেয়ার কথা। তাই বলে যে মেঘলা দুপুরেই টাকা ফেরত নিতে তার মাকে নিয়ে চলে আসবে সেটা সে বুঝতে পারে নি। অবস্থা বেগতিক দেখে সে নিজের কণ্ঠস্বর নরম করে বললো,

“আন্টি হুট্ করে তো আর টাকা ম্যানেজ করা যায় না। আমাকে একটু সময় দিন। ৬ মাসের মধ্যে আমি টাকাটা ফেরত দিয়ে দেবো। মেঘলা তুমিও একটু আন্টিকে বোঝাও।”

নাবিলের কথার কোনো তোয়াক্কা না করে নাজমা বেগম রুক্ষ কণ্ঠে বলে উঠলো,”ছয় মাস তো দূরের কথা তোমাকে ছয় ঘন্টা টাইম ও দিবো না। ১ ঘন্টার মধ্যে আমার মেয়ের টাকা তুমি তার ব্যাংক একাউন্টে ফেরত পাঠাবে। তা না হলে আমি এইখান থেকে সোজা থানায় গিয়ে তোমার নামে ফ্রড এর রিপোর্ট করবো। তারপর তোমার সাধের চাকরিটা থাকবে তো? যদিও তোমার কাছ থেকে আমার মেয়ে আরো বেশি টাকা পায়। বাকিটা আমার মেয়ে তোমাকে সদকা হিসেবে দিয়ে দিলো। কিন্তু ৫ লাখ টাকা এক ঘন্টার মধ্যে ফেরত চাই।”

নাবিল আর লাজু বেগম নিজেদের মধ্যে কথা বলতে রুমের ভেতরে গেলো।

“কী দরকার ছিলো ওর সাথে সবকিছু এখনই শেষ করার?”

“তুমিই তো কাল রাতে বললে যে আগামী মাসে তানিয়াকে বিয়ে করতে। আমি কী আর জানতাম যে এভাবে টাকা নিতে চলে আসবে।”

“তো এখন কী করবি?”

“আমার বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য যে ৫ লাখ জমিয়েছিলাম ঐটাই না হয় দিয়ে দি।”

“আচ্ছা, টাকা ফেরত দিয়ে তাড়াতাড়ি এ ঝামেলা বিদায় কর।”

টাকা দেয়া শেষে লাজু বেগম নাজমা বেগমকে মুখ ভেংচি দিয়ে বললো,”অনেক মানুষ দেখেছি আপনাদের মতো মানবতাহীন মানুষ দেখিনি। আমাদের গলার উপর পাড়া দিয়ে টাকাগুলো ফেরত নিলেন। দেখবো তো আপনার এই বুড়ি মেয়ের কোথায় বিয়ে হয়? চেহারার যে ছিরি হয়েছে চায়ের দোকানদার ও বিয়ে করতে রাজি হবে না।”

নাজমা বেগম ও তার কথার প্রতিউত্তরে বললো,

“আমরাও আপনাদের মতো নির্লজ্জ্ব মানুষ দেখিনি । আপনার ছেলের থেকে আরো যোগ্য পাত্রের কাছে আমি আমার মেয়ের বিয়ে দেবো। আমার মেয়ের বরযাত্রী সানাই বাজিয়ে ধুমধাম করে আপনার বাসার সামনে দিয়েই যাবে।”

—————–

নাজমা বেগম আজকে আর মেঘলাকে রেস্টুরেন্টে যেতে দিলো না। ক্যাশের হিসেব নিতে মিহিরকে পাঠালো। নাবিলদের বাসা থেকে আসার পর থেকেই মেঘলা খেয়াল করছে তার মা তাকে চোখে চোখে রেখেছে। এমনকি রুমের দরজা ও বন্ধ করতে দিচ্ছে না। মেঘলা নাজমা বেগমের উৎকণ্ঠা বুঝতে পেরে তাকে ডেকে বললো,

“কী হয়েছে মা তুমি এতো অস্থিরতা দেখাচ্ছো কেনো? ”

নাজমা বেগম কিছু না বলে চুপ করে রইলেন।

“সেই দুপুর থেকে আমাকে নজরে নজরে রাখছো। তোমার কী মনে হয় আমি উল্টাপাল্টা কিছু করে ফেলবো।”

নাজমা বেগম আমতা আমতা স্বরে বললেন, “না তেমন কিছু না ”

“মা সত্যি করে বলো।”

এবার নাজমা বেগম কাঁদো কাঁদো কণ্ঠে বললেন,

“আমার নিজের কাছেই নিজেকে অপরাধী লাগছে। কেনো ঐ ছেলের সাথে তোর সম্পর্কটা আমি মেনে নিয়েছিলাম। তার জন্যই তো তুই এতো কষ্ট পাচ্ছিস।”

“মা আমি একটুও কষ্ট পাচ্ছি না। আমার জীবনে তোমরা সবাই আছো। তো আমি কষ্ট কেনো পাবো? আর তুমি আমাদের কাছে ছায়ার মতো। বাবা আর বড় ভাইয়া মারা যাওয়ার পর তুমিই তো আমাদের খেয়াল রেখেছো।সেই তুমি কিনা এখন জাস্ট এই সামান্য বিষয় নিয়ে ভেঙে পড়ছো?”

“তারপর ও…….”

তাঁদের কথার মাঝেই ডোর বেল বাজলে নাজমা বেগম দরজা খুলতে গেলো। মেঘলা হঠাৎ খেয়াল করলো, হুট্ করে আকাশে অনেক মেঘ জমে আছে। শীতকালে আকাশে তো এতো মেঘ জমার কথা না। তাহলে প্রকৃতি ও কী তার মনের অবস্থা বুঝতে পেরেছে।আকাশ জুড়ে একরাশ মেঘ যেনো নিঃশ্বব্দে তার মনের কথা লিখে দিচ্ছিলো-যে কথাগুলো সে কাউকেই বলতে পারেনি।

চলবে…………..

#আকাশ_জুড়ে_একা_আমি
#লামিয়া_ইসলাম
#সূচনা_পর্ব
(শব্দসংখ্যা ১৫০০+)

একদম বাস্তবধর্মী একটা গল্প নিয়ে এলাম। এই গল্পে আমি আমাদেরর সমাজের কিছু বাস্তব চিত্র তুলে ধরবো। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। #সুখের_আশায়_বাঁধি_খেলাঘর গল্পের পরবর্তী পর্ব কালকে সকালে পোস্ট করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here