আকাশপ্রিয়া #পর্ব_১৫

0
40

#আকাশপ্রিয়া
#পর্ব_১৫
#dure_dilshad_dua_দুর_এ_দিলশাদ্_দুআা

[🚫কপি করা নিষেধ ]

আকাশ থ মেরে বসে আছে বিছানায়।একটু আগে করা নিজের কর্মকাণ্ডের জন্য অবাক হচ্ছে সে।কি করলো সে এটা।কেনো করলো।বুকের বা পাশের শব্দ টা কমেনি একদম এখনো অবধি,বরং যতবার থামাতে চাচ্ছে ততবার মেয়েটার মুখ ভেসে আসছে ততবারই দ্বিগুন শব্দ হচ্ছে আগের থেকে।এসি রুমেও দরদর করে ঘামছে এখনো সে।

হাত বাড়িয়ে টেবিল থেকে পানি ঢেলে নিলো।ঢকঢক করে পানির গ্লাস ফাঁকা করে ফেললো নিমিষেই।রাতুল কি তাহলে ঠিকই বলছে!প্রেমে পরেছে সে!গা এলিয়ে দিলো বিছানায়।দু হাতে কপাল চেপে ধরলো সে।সিলিং এর দিকে তাকিয়ে রইলো।
শেষমেশ একটা বাচ্চা মেয়ের প্রেমে পড়লো সে? মেয়েটার আঠারো হয়েছে কি না খোদা জানে।তার সাতাশ… এত মেয়ে আশেপাশে সারাজীবন রেখে গুনে গুনে ৯-১০ বছরের ছোট মেয়ের প্রেমে পড়লো শেষমেশ আকাশ এহনাজ চৌধুরী!

“আই কান্ট বিলিভ দিস।নো নো…ইম্পসিবল। ইট’স নট লাভ,ইট’স জাস্ট অ্যাট্রাকশন…এভাবে কাখনো কোনো মেয়ে কাছে আসেনি তাই হয়তো এমন ফিল হচ্ছে। ”

নিজেই বিরবির করে নিজেকে বোঝাতে লাগলো আকাশ উঁহু মনটা তো অন্য কথা বলছে।মনটা বলছে মেয়েটা কাছে আসায় এমনটা হচ্ছে না।বরং বিষয়টা উল্টো। সেই মেয়েটাকে কাছে চাইছে,সর্বোক্ষন চোখের সামনে দেখতে চাচ্ছে।
আকাশের মাথা ধরে যাচ্ছে।হাত বাড়িয়ে ফোন হাতে নিলো।কল করলো রাতুল কে।
দু বার রিং হতেই কল তুললো রাতুল।
“কোথায় তোরা?”
“ফিরছি,কেনো?”
“রাতুল সামথিং ইজ হ্যাপেন…”

আকাশের কন্ঠ কেমন একটা শোনাচ্ছে। আকাশ এহনাজ কখনো এমন টোনে কথা বলে না।তাদের বন্ধুদের সাথে তো আরও নয়।
চিন্তিত গলায় জিজ্ঞেস করলো।
“অ্যাই আকাশ,সবকিছু ঠিক আছে?কি হয়েছে?”
“তোরা ফের, বলছি।”
“আমি, রাকিব আর রেদোয়ান ২ মিনিটে কটেজে ঢুকছি,রিয়ান আর অয়ন ভাই একটু পর আসছে।”

কিছুক্ষণ এর মধ্যে গাড়ির শব্দ থামলো কটেজের সামনে।রাতুলরা তিনজন নেমে এলো।দোতলায় উঠে গেলো দ্রুত পায়ে।দরজা নক করতেই ভিতর থেকে শব্দ পাওয়া গেলো আকাশের।
“খোলা আছে,আয়।”

হুড়মুড় করে ঢুকে গেলো তিনজন। লাফিয়ে এসে বিছানায় এলোমেলো ভাবে বসে পরলো।অন্য দিন হলে আকাশ দারুণ বিরক্ত হতো।কিন্তু আজ হতে ইচ্ছে হচ্ছে না।একবার সবার চিন্তিত মুখের দিকে এক এক করে তাকালো।পিছিয়ে গিয়ে বিছানায় হেলান দিয়ে বসলো।হাত দুটো ভাজ করলো বুকের ওপর।মুখটা বরাবরের মতো গম্ভীর আর ভ্রু কুচকে সিলিং এর দিকে তাকিয়ে বললো।
“আই থিং অ্যাম ইন লাভ।”

তিনজন ভূত দেখার মতো চমকে লাফিয়ে উঠলো।এমন একটা কথা আকাশের মুখ থেকে তারা এক্সপেক্ট করেনি।নাহ্ একদমই করেনি।কখনো শুনবে এমন ধারনাও ছিলো না ওদের।টানা কয়েক সেকেন্ড হা করে হতবিহ্বল হয়ে তাকিয়ে আছে ওরা আকাশ এর দিকে।
সর্বপ্রথম এবার চিৎকার টা দিলো রাতুল।লাফিয়ে উঠলো দু হাত তালি দিয়ে
“আমি জানতাম,হে হে। আমি জানতাম।মিস্টার আকাশ এহনাজ চৌধুরী। এতো সহজ না আমার চোখ ফাঁকি দেওয়া।লেংটা কালের দোস্ত তুই আমার।তোর মতিগতি বুঝবো না আমি!”

বাকি এখন এখনো আকাশের কথা বোধহয় বুঝে উঠতে পারেনি।ওরা ঘোরেই আছে এখনো।

রাতুল এবার ওদের দু হাতে ঝাঁকি দিয়ে উঠলো।
“দেখছিস,বলেছিলাম আমি।রাকিব তোকে সেদিন রাতের কথা বলেছিলাম মনে আছে।তোরা তো একটাও বিশ্বাস করলি না আমার কথা।ও মামা বহুত আগে কট টা খাইছে।প্রথম দেখায়তেই।না হলে ভাব আকাশ এহনাজ চৌধুরী কিনা একটা বাচ্চা মেয়ের বাসার সমানে মাঝরাতে গিয়ে বসে থাকে।বলেছিলাম আমি!”

বাকিদুজনও এবার ঘোর থেকে বেড়িয়ে হৈ হৈ করে উঠলো।লাফিয়ে আবার আসলো আকাশের বিছানায় ওর কাছে।
“দোস্ত, উই কান্ট বিলিভ।মাই গড…সত্যি ফেঁসে গেছিস মামা।”
রাকিব দাত বের করে হেসে উঠলো।

আকাশ কিচ্ছু বলছে না।নির্বিকার তাকিয়ে আছে বেয়াদব গুলোর দিকে।সে জানতো ওরা এমনই রিঅ্যাকশন দিবে।এবং এটা নিয়ে এখন রোজ উঠতে বসতে টিজ করবে তাকে।তিনজনই একে অপরের ওপর গড়িয়ে পরছে হাসতে হাসতে।
আকাশ ধমক দিলো ওদের।
“থামবি তোরা?বিষয়টা এতোটাও নরমাল নয়।মেয়েটা আমাকে ভালোবাসবে কেনো!”

আকাশের এহনে কথায় বাকি তিনজন যেনো আসমান থেকে ঠাস করে মাটিতে পরলো।এ আবার কি কথা!আকাশ এহনাজ ভালোবাসে,অথচ মেয়েটা বাসে না!বাসবে না,এটা সম্ভব?আকাশের মাথাটা গেছে প্রেমে পরে।

রাতুল কপাল চাপরে উঠলো।
“তুই কি প্রেমে পরে পাগল হয়েছিস আকাশ।তোকে ভালোবাসবে না!এটা সম্ভব! তুই ডাকলে মেয়েরা মৌমাছির মতো ছুটে আসে।তোর যা পারসোনালিটি মাঝেমধ্যে নিজের জন্য আফসেস হয় কেনো মেয়ে হয়ে জন্মালাম না।”
রাকিব বুক বাকালো রাতুল এর দিকে,
“শালা গে কোথাকার ”
রাতুল কটমট করে তাকালো রাকিব এর দিকে।
“শালা গে কাকে বলিস হ্যা? কে গে? তুই গে।” ………

উল্টাপাল্টা কথায় আকাশ বিরক্ত হয়।ছেলেগুলা অযথা বেশি কথা বলে।

“দেখ প্রথমত মেয়েটা বাকি মেয়েদের মতো নয়,একদম নয়।আর তার জন্যেই এই আকাশ এহনাজ চৌধুরী মেয়েটার প্রেমে পরেছে।আর মেয়েটা বয়সে অনেকটা ছোট।ইমম্যাচুয়র অনেক।ভালোবাসার ও কি বোঝে এখন!”

রাকিব চোখেমুখে কপট গম্ভীরতা আনে।
আকাশের দিকে সিরিয়াস ভঙ্গিতে তাকায়।
“এখনকার মেয়ে সম্পর্কে তোর আইডিয়া আছে আকাশ?এখনকার মেয়েরা নিজেরা ফিডার খাওয়ার বয়সে দেখবি ছেলেদের উহুম উহুম…”

আকাশ চোখমুখ কুচকে বিরক্ত ভঙ্গিতে তাকায় রাকিব এর দিকে।
“কথাবার্তা সামলে বল রাকিব।মেয়েদের রেসপেক্ট রেখে কথা বল।সবাই একরকম হয়না।ভুলে যাস না।তাছাড়া প্রিয়া মোটেই সেই ক্যাটাগরির মেয়ে নয়।কোনো দিক দিয়েই নয়।”

এবার আরেক দফা চমকে ওঠে রাকিব আর রেদোয়ান। প্রিয়া! প্রিয়া মানে কি! দুজন দুজনের দিকে ফট করে তাকায়।আবার আকাশের দিকে তাকায়।প্রিয়া তো শিয়ার বোন।এখানে আসার পর একদিন দেখা হয়েছে মেয়েটার সাথে। তেমন কথাও হয়নি।কো ইন্সিডেন্টলি তার আর রেদোয়ান এর সাথে দেখা হয়।শিয়া পরিচয় করিয়ে দিলে মেয়েটা জাস্ট সালাম দেয় ওরা উত্তর নেই।ব্যাস এই অবধি।দারুণ মিষ্টি একটা মেয়ে।পুতুল টাইপের।এর মধ্যে আকাশ এই মেয়ের প্রেমে পরলো কিভাবে।মাথার ওপর দিয়ে যাচ্ছে তাদের।দুজন আবার তাকালো রাতুল এর দিকে।সে অবাক হয়নি।হাসছে সে।রাকিব হাত দিয়ে পাশের রুমের দিকে ইশারা করল।রাতুল ওপর নিচ মাথা ঝাঁকালো।

রাকিব, রেদোয়ান পারলে এবার ওদের গলা টিপে ধরে।রেদোয়ান হতাশ গলায় চিৎকার করে উঠলো।
“কি রে ভাই,এতো বড় কাহিনি। জানাসনি মানে!শিয়ার বোনের প্রেমে উল্টে পরে গেলি তাই বলে!”

তার সাথে গলা মেলালো রাকিবও।একই সুরে বলে উঠলো।
“তোর বড় ভাইটা প্রিয়ার বড় বোনের ওপর দিওয়ানা হয়ে দেবদাস হয়ে বসে আছে আজ এতগুলো বছর।এখানে সেম কটেজ নিলাম প্ল্যান করে ওদের জন্য, তাও এখনো কিছু সমাধান করতে পারলাম না।আর তুমি শাালা ওরই ছোট বোনের ওপর দিওয়ানা হইলা!বাহ বাহ্ তোমার বিচার!

আকাশ চিন্তিত মুখে উঠে দাড়ালো।জানালার পাশে গিয়ে পকেটে হাত গুজে বাইরে তাকালো।
গম্ভীর গলায় বললো
” হুম এটার জন্যই তোদের ডেকেছি।আমি এখনি প্রিয়াকে কিছু বলতে চাইনা,আর না তো বোঝাতে চাই।আমি চাই ও নিজে রিয়ালাইজ করুক আমার আশেপাশে থেকে।ওর বয়স টা কম।এখনো সেই ম্যাচুইরিটি ট আসেনি আমাকে সামলানোর,তাছাড়া সামনে পরীক্ষা ওর।আমি চাইনা এখন ওর কনসেনট্রেশান অন্য দিকে যাক।সময় দিলাম ওকে আমি।ও নিজে আমার প্রেমে পরবে,ও নিজে আমাকে চাইবে।আমি এনসিওর করবো সেটা।জাস্ট সময়ের বিষয় এটা।”

তিনজনই মন দিয়ে শুনছে আকাশের কথা।আকাশ কি বলতে চাইছে বোঝার চেষ্টা করছে। আকাশ এবার ঘুরে দাড়ালো বন্ধুদের দিকে। ওরা সবাই বিছানায় আধা শোয়া হয়ে কেউ গালে হাত দিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে।

“প্রিয়াকে নিয়ে আমি সিরিয়াস।যদি বলিস কখন, কিভাবে!আমি জবাব দিতে পারবো না,যদি জোর করিস ভালোবাসি কি না এটা জানতে তবুও জবাব নেই আমার কাছে।কিন্তু প্রথম দেখায় আমার হার্টবিট সেই যে থমকে গিয়েছিলো,আজ অবধি ওকে দেখলে আমি স্বাভাবিক থাকতে পারি না।এমন টা আগে কখনো হয়নি।কোনো মেয়ের কাছে গেলেও না।আজকাল হয়।বুকের ভিতর দুমড়ে মুচড়ে ওঠে ওকে না দেখলে,নিঃশ্বাস আটকে আসতে চায় ও দূরে থাকলে।আবার কাছে আসলেও নিঃশ্বাস আটকে আসে।নিজের মধ্যে পিষে ফেলতে মন চায়।আই কান্ট কনট্রোল মাইসেল্ফ। জাস্ট কান্ট…”

আকাশের এই এমন কঠিন স্বীকারোক্তি এই প্রথম শুনলো ওরা।হতভম্ব হয়ে শুনছে তারা।আকাশ হালকা করে আজকে প্রিয়ার ভুল করে রুমে আসার ঘটনা জানালো।

রাকিব মাথায় হাত দিয়ে বসে রইলো।
“মাই গড আকাশ।বিষয়টা ভয়াবহ জটিল,তোদের দেখছি বিয়ে টা পরিয়ে দেওয়া দরকার। এজ সুন এস পসিবল “।

বাকিরা হো হো করে হেসে সম্মতি জানালো।
আকাশ ধাপ করে এসে বিছানায় শুয়ে পরলো
” আমারও তাই ফিল হচ্ছে। আবার না কোনো ভুল হয়ে যায়!
।ওরা আজ কে আকাশ কে যত দেখছে অবাক হচ্ছে। ওরা ভেবেছিলো এমন টিজ করায় আকাশ ওদের ধমক দেবে।তা না করে কি সুন্দর সহজেই স্বীকার করে নিলো।

রাতুল হাত রাখলো আকাশের কাঁধে।
“আকাশ,আমরা যতই টিজ করি তোকে।আমরা খুব খুশি বিশ্বাস কর।তোকে তো আমরা চিনি নাকি!তুই মেয়েটাকে অনেক ভালোবাসিস আমরা সেটা সবাই বুঝে গেছি।আমরা তোর ভাই,সবসময় আছি তোর সাথে। কি করতে হবে এখন সেটা বল।তোর যুক্তি একদম ঠিক।প্রিয়া সত্যিই অনেক ছোট এখন।সবে আঠারো।ভালোবাসা কি ওকে বুঝতে হবে নিজেকেই,আমাদের বিশ্বাস ও বুঝবে।”

আকাশ রাতুল এর হাতে হাত রাখে।হালকা হাসে।
” প্রিয়ার আগে আমাদের ভাইয়া আর শিয়ার বিষয়টা সলভ করতে হবে।।”
রেদোয়ান মাথা চুলকায়।
“এতো সহজ বলে তো মনে হচ্ছে না।নিয়াজ সাহেব বললো সেদিন নাকি অয়ন ভাই ডেকেছিলো শিয়াকে।বেশ খানিক পর শিয়া কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়েছে।তারপর অয়ন ভাইও রেগে বেড়িয়ে গেছে অফিস থেকে।রুম পরিষ্কার করতে গিয়ে দেখে পুরো রুমের ওপর ভূমিকম্প হয়ে গেছে একটা।”

আকাশ কপাল কুচকে চোখ বন্ধ করে নেয়।সে জানে সবটা।সব শুনেছে সেও।এটাও বুঝতে পারছে ওদের দুজনের একফোঁটা কিচ্ছু স্বাভাবিক হয়নি।যা করার তাকেই করতে হবে এখন…

***
প্রিয়া আজকে কিছুতেই পড়ায় মন দিতে পারছে না।টেবিল এ স্থির হতেই পারছে না একদন্ড।কি হচ্ছে তার সাথে। অস্থিরতা কমছেই না।আজ হঠাৎ তার খেয়াল হলো এই লোকটার আশেপাশে তার এমন লাগে কেনো।কই অন্য সময় তো হয়না।রিমি কে জিজ্ঞেস করতে হবে বিষয়টা।সে আবার প্রেম বিষয়ক পি এইড ডি করা কিনা…ডায়াল করলো রিমির নাম্বার এ।কয়েকবার টানা কল করেই গেলো।ফোন তুললো না কেউ।ঘড়িতে সময় দেখলো রাত্ ১০ টা।এখনই নিশ্চয়ই ঘুমায় নি।

একটু পর আবার কল দেবে ঠিক করলো।বারান্দায় এসে দারালো।ঝিরিঝিরি বাতাস।বৃষ্টি নামবে কি!নামবে হয়তো।প্রিয়া বুকের বা পাশে হাত দিলো।
ধুক্ পুক্…ধুক পুক…
আঠারো বছরের কিশোরি জীবনে বুকের ভিতর অজানা এমন উথাল-পাতাল আগে কখনো অনূভুত হয়নি বোধহয়।নাহ্ সত্যিই হয়নি।কি এটা! প্রেমে পরেছে সে!
এমা ছি ছি্ কি সব ভাবছে সে।নিজেকেই ধমক লাগায় প্রিয়া।কতটুকু জানিস লোকটা সম্পর্কে তুই।আশ্চর্য। দেখাই হয়েছে হাতে গোনা কয়েকবার, এরই মধ্যে কি এমন দেখলো সে!নাহ আর কিছু ভাবতে পারছে না সে।মাথা ঝিমঝিম করছে।লোকটার কথা ভাবলেই মাথা ব্ল্যাংক হয়ে আসতে চায়।
চোখ বন্ধ করলো দীর্ঘশ্বাস নিলো।সাথে সাথে ভেসে উঠলো আকাশের মুখটা,কেমন যেনো সেই ঘ্রানটা ভেসে আসছে এখনো।নিজের গায়ে একবার শুকলো।হুম, তার শরীর থেকে আসছে।শরীর শিরশির করেছে এখন।বেহায়া মনটাকে থাপ্পড় মারতে মন চাচ্ছে। উফফ পড়াশোনা শিকেয় তুলে এখন কিনা ওই লোকের কথা মাথায় বনবন করে ঘুছে মহা ফ্যাসাদ তো।রিমি কে বলে ওঝা,কবিরাজ দেখাতে হবে।ঝাঁর ফুঁক এ যদি কাজ হয়…

চলবে….

[নায়িকার বেস্ট ফ্রেন্ড এর নাম কি রিমি ছিলো?ভুলে গেছি তো🙂]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here